10/18/2020
যুক্তরাস্ট্রে আদম শুমারীতে অংশগ্রহণের সময়সীমা আবারও বাড়লো..
যুক্তরাস্ট্রে আদম শুমারীতে অংশগ্রহণের সময় সীমা বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিউইয়র্ক এর সার্বিক পরিস্থিতি ও তথ্য আমাদের জানা নেই। তবে এখন ও পর্যন্ত বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ মে খুব একটা সন্তোষজনক নয় তা সহজেই অনুমেয়। যেহেতু ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে তাই প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই সুযোগটি এখনও গ্রহণ করতে পারেন।
মনে রাখা প্রয়োজন, এই আদম শুমারীতে আমাদের অংশগ্রহণ করার আগ্রহ না থাকলে কিংবা সন্তোষজনক হারে সর্বস্তরের অংশগ্রহণ না হলে অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের মতো আমরা সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবো না।
আমাদের অনাগ্রহের কারনে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় বা সরকারের নানা সুযোগ সুবিধার হিস্যা আদায়ে আমরা সব সময় পিছিয়েই পড়ে থাকবো।
গোটা যুক্তরাস্ট্রে সরকারী হিসেব মতে বাংলাদেশিদের প্ৰকৃত সংখ্যা কত, আমার যদিও জানা নেই, তবে কেউ কেউ বলেন, দুই লক্ষের বেশি নয়। তবে কাগজপত্রের বাইরে এই সংখ্যা যে কম করে হলেও দ্বিগুণ, এটা বলতে দ্বিধা নেই।
তবে জর্জিয়ার বাংলাদেশিদের হিসেবটা বলতে পারি। এই রাজ্যে অফিসিয়ালী বাংলাদেশিদের সংখ্যা কত, তা সম্প্রতি জানতে চেয়েছিলাম যুক্তরাস্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ওরফে চন্দন এর কাছে। তিনি জানিয়েছেন, এই রাজ্যের মোট বাংলাদেশির সংখ্যা রেকর্ডে আছে মাত্র ১২ হাজার। অথচ এখানকার সোনালী একচেঞ্জের গ্রাহকদের লেন-দেন এবং অন্যান্য হিসেব থেকে ধারনা করা হয়, ৩০ হাজারেরও বেশি প্রবাসীর বসবাস এই জর্জিয়াতে। মানে বিগত আদম শুমারিতে আমাদের তেমন কোন অংশগ্রহণ ছিল না এবং এবারও এখন পর্যন্ত কিছু কিছু অংশগ্রহণ হলেও তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি।
মোট কথা, বহুজাতিক অভিবাসির এই দেশে অসংখ্য বাংলাদেশি বসবাস করলেও অফিসিয়াল রেকর্ডে এই সংখ্যা যারপনাই করুণ দশায় নিপতিত হয়ে আছে। অন্যদিকে অন্যান্য দেশের অভিবাসিদের সঠিক হিসেব সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত থাকায় তারা আমাদের অবস্থান থেকে অনেক এগিয়ে আছে। তাহলে আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো ?
সরেজমিনে আমরা সংখ্যায় অধিক হওয়ার পরও রাস্ট্রের নথিতে কেনই বা থাকবো নগন্য হয়ে ?
যুক্তরাস্ট্রের আদম শুমারিতে নিজেদের নাম তালিকাভুক্তির শেষ সময়সীমা গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর করেছে কর্তৃপক্ষ।
কাজেই এই সুযোগটি আমরা কাজে লাগাই না কেন?
এখনও যেসব বাংলাদেশি নিজেদেরকে তালিকভুক্তি করেন নি, বিষয়টিকে অবহেলা না করে অনতিবিলম্বে ওয়েব সাইটের 2020census.gov অথবা টেলিফোনে 1 888 330 2020 নম্বরে কল করে সপরিবারে চলমান সেনসাসে অংশ নিন।
মনে রাখবেন, যুক্তরাস্ট্রে আপনার বসবাসের স্টেটাস বৈধ কি অবৈধ, আপনি এদেশের নাগরিক নাকি গ্রীন কার্ডধারী অধিবাসী অথবা অভিবাসী হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন, এসব কোনপ্রকার ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত তথ্যই আদম শুমারি কর্তৃপক্ষের রেকর্ডে গুরুত্ব বহন করে না কিংবা এই বিষয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই এবং আদম শুমারির সকল তথ্য সম্পূর্ণভাবে গোপনীয় তথ্যভান্ডারে রক্ষিত থাকে।
এই স্পর্শকাতর ইমিগ্রেশনের বিষয়টি নিয়ে স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ওরফে চন্দন এর কাছে জানতে চাইলে তিনিও এটিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ প্রক্রিয়া বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
কাজেই নিঃসংশয়ে আদম শুমারিতে অংশ নিন।
যুক্তরাস্ট্রের সকল বাংলাদেশী প্রবাসীরা সঠিক সংখ্যার হিসেবকে রেকর্ডভুক্ত করুন এবং সেইসাথে মাল্টি কালচারের মাল্টি ইমিগ্রান্টের এই দেশে আমাদের ভাবমূর্তি ও অবস্থানকে মজবুত করে আসুন মাথা উঁচু করে দাঁড়াই।
https://abc7ny.com/census-2020-u.s.-bureau-vote/6725827/
Learn about the 2020 Census - how to respond, and why it matters. Shape your future. START HERE.