পর্তুগাল আওয়ামী লীগ

পর্তুগাল আওয়ামী লীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।

15/09/2026
অবৈধ ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ কর্তৃক পূর্বনির্ধারিত প্রহসনের রায়কে পর্তুগাল আওয়ামী লীগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।বাংলাদেশ আওয়া...
15/09/2026

অবৈধ ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ কর্তৃক পূর্বনির্ধারিত প্রহসনের রায়কে পর্তুগাল আওয়ামী লীগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে প্রদত্ত এই প্রহসনের রায় ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।

পর্তুগাল আওয়ামী লীগ এই অবৈধ ও পূর্বনির্ধারিত রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা'র জন্মদিনে শুভেচ্ছা #শেখরেহানা  #জন্মদিন  #শুভেচ্ছা
12/09/2026

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা'র জন্মদিনে শুভেচ্ছা

#শেখরেহানা #জন্মদিন #শুভেচ্ছা

১১ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক, ভাষা আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক, সংগ্রামী জননেতা সামছুল...
11/09/2026

১১ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক, ভাষা আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক, সংগ্রামী জননেতা সামছুল হক মৃত্যুবার্ষিকীতে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।

08/09/2026

বিএনপি সরকারের মানবাধিকার: হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনে আতঙ্কের বাংলাদেশ!

হত্যা, ধর্ষণ, নারী-শিশু নির্যাতন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মব ও রাজনৈতিক সহিংসতা এবং কারাগারে মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় দেশের মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রথম সাত মাসের সরকারি ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্য নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে।

হত্যা-খুন: নিরাপত্তাহীনতার বড় সংকেত

জানুয়ারি–জুলাইয়ে ২,০৭৬টি হত্যা মামলা।
২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ১,৯৪৭টি—বৃদ্ধি ১২৯টি।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে।

নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র

HRSS-এর জানুয়ারি–জুন হিসাবে
১,৬২১ নারী ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার।
৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, এর মধ্যে ২৩৮ শিশু-কিশোরী।
৮৮ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এবং ১৭ জন ধর্ষণের পর নিহত।
ASK-এর জানুয়ারি–জুলাই হিসাবে ৪০০ নারী ধর্ষণের শিকার, ৩৭ জন ধর্ষণের পর নিহত।
পারিবারিক সহিংসতায় ৩২০ নারী নিহত, ২১১ আহত; যৌতুক সহিংসতায় ১৯ নারী নিহত।

শিশুরাও নিরাপদ নয়

প্রথম ছয় মাসে ১,০৭৭ শিশু নির্যাতনের শিকার।
৩০৫ শিশু নিহত।
শিশু নির্যাতনের এই চিত্র পরিবারগুলোর নিরাপত্তাবোধেও বড় আঘাত করছে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক

প্রথম ছয় মাসে ২৫৭টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা।
২৬১ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৪৪ জন নিহত।
৬২ উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট।
৪৭ বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ।
১৫ উপাসনালয়ের জমি দখলের অভিযোগ।
এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে।

মব সহিংসতা: আইনের শাসনের সংকট

জানুয়ারি–জুলাইয়ে মব সহিংসতায় ১৩৪ জন নিহত।
HRSS-এর হিসাবে প্রথম ছয় মাসে ২৬১টি মব সহিংসতার ঘটনা, নিহত ১৩৩, আহত ২৫৬।
বিচারিক প্রক্রিয়ার বদলে জনতার হাতে শাস্তির প্রবণতা আইনের শাসনের জন্য বড় সতর্কসংকেত।

বিরোধী মত ও রাজনৈতিক অধিকার

জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৪০০ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা।
নিহত ৭৭, আহত ২,৯৭৪ জন।
বিরোধী মত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘিরে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
আওয়ামী লীগের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয়েছে।
সাংবাদিক হয়রানি ও সাইবার আইনে মামলা-গ্রেপ্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

কারাগার ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু

ASK-এর হিসাবে জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৭১ জন কারাগারে মারা গেছেন।
রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
এসব মৃত্যুর কারণ ও কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি রয়েছে।

সাধারণ মানুষের মনে বাড়ছে আতঙ্ক

হত্যা-মব সহিংসতার পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে।
শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
রাজনৈতিক সংঘাত ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ দুর্বল করছে।

নারী ও শিশু ঘরে কতটা নিরাপদ? সাধারণ মানুষ রাস্তায় কতটা নিরাপদ? সংখ্যালঘু পরিবার বাড়ি ও উপাসনালয়ে কতটা নিরাপদ?—এসব প্রশ্নই এখন জনমনে বড় হয়ে উঠছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন

প্রথম সাত মাসের চিত্র—

২,০৭৬ হত্যা মামলা; ৪০০ ধর্ষণ; ধর্ষণের পর ৩৭ মৃত্যু; মব সহিংসতায় ১৩৪ নিহত; রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৭ নিহত ও ২,৯৭৪ আহত; কারাগারে ৭১ মৃত্যু।

এর সঙ্গে প্রথম ছয় মাসে ১,৬২১ নারী-কিশোরী নির্যাতন, ১,০৭৭ শিশু নির্যাতন ও ৩০৫ শিশু নিহত, এবং ২৫৭ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় ৪৪ মৃত্যু—সব মিলিয়ে নাগরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে।

জীবন, নিরাপত্তা, নারী-শিশুর সুরক্ষা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক অধিকার—এসব মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কতটা সফল, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আমি কি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারি? আমাকে আমার দেশে, আমার দেশের মানুষের কাছে ফিরতেই হবে।— দেশরত্ন শেখ হাসিনা
05/09/2026

আমি কি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারি? আমাকে আমার দেশে, আমার দেশের মানুষের কাছে ফিরতেই হবে।
— দেশরত্ন শেখ হাসিনা

বিএনপি সরকারের সাফল্য—প্রতিটি মা-বোনের নিরাপত্তায়! আগস্টেই ২৫২ নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার!বর্তমান সরকারের...
03/09/2026

বিএনপি সরকারের সাফল্য—প্রতিটি মা-বোনের নিরাপত্তায়! আগস্টেই ২৫২ নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার!

বর্তমান সরকারের আমলে নারী ও কন্যাশিশুর ধর্ষণ, নির্যাতন ও নিপীড়ন যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আগস্টের ভয়াবহ চিত্রই তার প্রমাণ। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে ২৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৬ কন্যাশিশু ও ১৮ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ৮ কন্যাশিশুসহ ১৩ জনকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এক কন্যাশিশুসহ দুজনকে।

‎তারেক রহমান যখন বলেছিলেন, “I Have a Plan”, এরপর থেকেই দেশে একের পর এক ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ যেন আবারও ভয়াবহ এক অনিরাপদ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে যেমন ঘর থেকে তুলে নিয়ে নারীদের উপর নির্বিচারে অত্যাচার করতেন নির্যাতন করতেন, কিন্তু এবার মনে হচ্ছে তা ভিন্ন চিত্র, আগের থেকে আপডেট হয়েছে তাই নারীদের উপর হামলা অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভিন্ন মতাদর্শে। বর্তমান সরকারের আইনের শাসন দেখে সেই ২০০১ সালের স্মৃতিকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে।

‎যদি একটু পিছনে ফিরে যাই, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগের সময়ের দিকে তাকালে দেখা যায়, নারীরা তুলনামূলকভাবে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারতেন। পরিবারেও তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক ছিল না। বরং নারীরা স্বাবলম্বী হয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

‎কিন্তু এখন আমরা কী দেখতে পাচ্ছি?

‎আইন আছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে, সরকারও আছে—তবুও কেন থামছে না নারী ও কন্যাশিশুর ওপর সহিংসতা? একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও বিএনপি সরকার কি শুধু নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে? নাকি তারেক রহমান তার স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে বিলাসিতায় ব্যস্ত থাকবেন?

‎বাংলাদেশ যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত হবে? কঠোর আইন প্রয়োগ, দ্রুত বিচার এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার কি আদৌ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে?

Endereço

Rua DO BENFORMOSO
Lisbon
1100-085

Website

Notificações

Seja o primeiro a receber as novidades e deixe-nos enviar-lhe um email quando পর্তুগাল আওয়ামী লীগ publica notícias e promoções. O seu endereço de email não será utilizado para qualquer outro propósito, e pode cancelar a subscrição a qualquer momento.

Atalhos

Compartilhar