CPIML Tripura State Committee

CPIML Tripura State Committee Restoration of Democracy!

29/08/2026

ত্রয়োদশ বিধানসভার ১০ম অধিবেশনে জবাবদিহিতার বিপরীতে প্রধান বিরোধী দলকে 'দেশদ্রোহী' তকমা -- তথ্যের কৌশলী কারসাজি। সংসদীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আক্রান্ত ও বিপন্ন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য মন্ত্রী ও বিধানসভার সদস্যের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা উচিত।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি। তারিখ - ২৯/০৮/২০২৬ ইং।

দেশপ্রেমের কোনও একক রাজনৈতিক মালিকানা নেই।
অতএব, কোনও রাজনৈতিক দলকে “দেশদ্রোহী” বলার পরিবর্তে শাসকদলের উচিত নির্দিষ্ট বক্তব্য, নির্দিষ্ট কাজ এবং নির্দিষ্ট আইনি বিধান দেখিয়ে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করা। শুধু ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবর্ষ পালনকে ভিত্তি করে এমন তকমা দেওয়া সাংবিধানিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়, অত্যন্ত নিন্দনীয়। কোনো অনুষ্ঠানে দেশ মাতৃকার অবমাননা করা হয়েছে এমন যদি নির্দিষ্ট তথ্য থেকে থাকে তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ আইনসঙ্গত ভাবে লিপিবদ্ধ না করে রাজনৈতিক চাতুরী কেন? মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং বিধানসভার সম্মান হানির জন্য মন্ত্রী তথা সদস্যের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা উচিত।
ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(১)(ক) নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক মতাদর্শ, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মত প্রকাশ এই স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিধানসভা গণতান্ত্রিক ভাবে বিতর্কের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে যতই রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকুকনা কেন।এখানে সরকার পক্ষ জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি জ্বলন্ত ইস্যুতে জবাবদিহি করবেন এবং জনস্বার্থে শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়কদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকবেন। এখানে বিরোধীরা জনস্বার্থে প্রতিটি জ্বলন্ত বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন বিদ্ধ করবে।গঠনমূলক সমালোচনা করবে। জবাবদিহিতা চাইবে।এটাই সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল কথা। ডিজিপি -র রহস্য মৃত্যুর সত্যতা উন্মোচনে পুলিশী তদন্ত নয়, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না? অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাশুল সাথে বিভিন্ন অবৈধ চার্জ বৃদ্ধি সম্পর্কে, শুল্কের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অভিযোগের জনশুনানি এবং বিতর্কিত স্মার্ট মিটার ও বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ নীতির জ্বলন্ত বিষয়, রেশনে চাল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া, যখন খাদ্য সহ সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি,তীব্র বেকারত্ব ও কর্মহীনতা, নিম্ন বেতন কাঠামো ,কম মজ

27/08/2026

ত্রয়োদশ বিধানসভার ১০ম অধিবেশন ও জবাবদিহিতার বিপরীতে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে বিরোধী দলকে 'দেশদ্রোহী' তকমা -- সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিপন্ন।

দেশপ্রেমের কোনও একক রাজনৈতিক মালিকানা নেই।

অতএব, কোনও রাজনৈতিক দলকে “দেশদ্রোহী” বলার পরিবর্তে শাসকদলের উচিত নির্দিষ্ট বক্তব্য, নির্দিষ্ট কাজ এবং নির্দিষ্ট আইনি বিধান দেখিয়ে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করা। শুধু ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবর্ষ পালনকে ভিত্তি করে এমন তকমা দেওয়া সাংবিধানিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়, অত্যন্ত নিন্দনীয়।

ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(১)(ক) নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক মতাদর্শ, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মত প্রকাশ এই স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিধানসভা গণতান্ত্রিক ভাবে বিতর্কের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে যতই রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকুকনা কেন।এখানে সরকার পক্ষ জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি জ্বলন্ত ইস্যুতে জবাবদিহি করবেন এবং জনস্বার্থে শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়কদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকবেন। এখানে বিরোধীরা জনস্বার্থে প্রতিটি জ্বলন্ত বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন বিদ্ধ করবে।গঠনমূলক সমালোচনা করবে। জবাবদিহিতা চাইবে।এটাই সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল কথা। ডিজিপি -র রহস্য মৃত্যুর সত্যতা উন্মোচনে পুলিশী তদন্তের স্ট্যাটাস ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না? অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের সাথে বিভিন্ন অবৈধ চার্জ বৃদ্ধি সম্পর্কে শুল্কের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অভিযোগের জনশুনানি এবং বিতর্কিত স্মার্ট মিটার ও বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ নীতির জ্বলন্ত বিষয়ে, রেশনে চাল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া, যখন খাদ্য সহ সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি,তীব্র বেকারত্ব ও কর্মহীনতা, নিম্ন বেতন কাঠামো ,কম মজুরি,সরকারি শূণ্য পদের অবলুপ্তি ও স্থায়ী নিয়োগ না করা, অনিয়মিত ও স্কিম ওয়ার্কারদের প্রশ্ন, নিয়োগে পি.আর.টি.সি -র বাধ্যবাধকতা শিথিল করা ইত্যাদি জরুরি বিষয়ে জবাবদিহিতাকে আড়াল করার জন্যই সরকার পক্ষ প্রধান বিরোধী দলকে দেশদ্রোহী বলে আক্রমণ করছে। যা গণতন্ত্রে কোনভাবেই কাম্য নয়। সরকারের কাছে জনগণ জবাবদিহিতা চায়‌, স্বচ্ছতা চায়। কোনো চতুরতা নয়।

23/08/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

১০০% ভর্তুকির নামে বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধির বোঝা আড়াল করা চলবে না: গ্রাহকদের কাছে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি।
আগরতলা, ২৩ আগস্ট ২০২৬ ইং।

২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে ত্রিপুরা রাজ্য সরকার বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির ফলে গ্রাহকদের উপর সৃষ্ট অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা ১০০% ভর্তুকির মাধ্যমে প্রত্যাহার করার যে ঘোষণা করেছে, তাকে আমরা একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিদ্যুৎ-নীতির পরিবর্তে বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হিসেবে মনে করছি।
সরকারের দাবি অনুযায়ী যদি ২০২৬–২৭ সালের ১লা মে বিদ্যুৎ কমিশন(TERC) অনুমোদিত শুল্ক(tariff) বৃদ্ধির ফলে গ্রাহকদের উপর যে অতিরিক্ত বোঝা সৃষ্টি হয়েছে তার সম্পূর্ণটাই সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে বহন করবে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে সেই অতিরিক্ত বোঝা ঠিক কোন কোন খাতে কত টাকা বৃদ্ধি হয়েছে এবং সরকারের ১০০% ভর্তুকি দেওয়ার পর সেই প্রতিটি খাতে গ্রাহকের প্রকৃত পরিশোধ যোগ্য ব্যয় কত দাঁড়াচ্ছে? তা স্বচ্ছতার সাথে গ্রাহকদের জানাতে হবে।
বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রকৃত বোঝা কেবল প্রতি ইউনিট এনার্জি চার্জ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। ফিক্সড চার্জ, ফুয়েল (Fuel/FPPCA), ই ডি (Electricity Duty),সান্ড্রি চার্জ (Sundry Charges) এবং অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ-এর সম্মিলিত প্রভাবেই একজন গ্রাহকের চূড়ান্ত বিল বা পরিশোধ যোগ্য ব্যয় নির্ধারিত হয়।

শুধু “১০০% ভর্তুকি” ঘোষণা করলেই বিষয়টির সমাধান হয় না। বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে ফিক্সড চার্জ, এনার্জি চার্জ, ফুয়েল চার্জ (Fuel/FPPCA), ই,ডি(Electricity Duty) এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শুল্ক সম্পর্কিত বিভিন্ন চার্জ -এর উপর ২০২৬–২৭ সালের শুল্ক পরিবর্তনের প্রকৃত প্রভাব এই সমস্ত ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে হবে।

তাহলে ১লা মে ,২০২৬ ইং এনার্জি চার্জ ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ১৫ পয়সা করে মোট ৭'৫০ টাকা, ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ১৫ পয়সা করে মোট ১৫ টাকা, ১৫০ ইউনিট পর্যন্ত ২২'৫০ টাকা,২০০ ইউনিট পর্যন্ত ৩২'৫০ টাকা,৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ২০ পয়সা করে ৫২'৫০ টাকা,৪০০ ইউনিট পর্যন্ত ৭২'৫০ টাকা,৫০০ ইউনিট পর্যন্ত ৯২'৫০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী তা সরকার বহন করবে। ১লা মে,২০২৬ ইং ফিক্সড চার্জ ডমেস্টিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট ৭০ টাকা, বানিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যান্য চার্জ গুলোর প্রতিটি কি প

আইনের শাসন ও সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো জবাবদিহি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অমিত শাহকে ২০ জুলাই শান্তি...
31/07/2026

আইনের শাসন ও সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো জবাবদিহি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অমিত শাহকে ২০ জুলাই শান্তিপূর্ণ যন্তর মন্তরের আন্দোলন এবং #চলো সংসদ মিছিলে নিরস্ত্র প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশের নৃশংসতার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।



কমরেড দিপঙ্কর ভট্টাচার্য

দেশজোড়া ছাত্র যুব আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান!আন্দোলনরত ছাত্র যুবদের অভিনন্...
25/07/2026

দেশজোড়া ছাত্র যুব আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান!
আন্দোলনরত ছাত্র যুবদের অভিনন্দন!

ছাত্র যুবদের উপর থেকে সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। বিহারে আটক সিপিআই(এমএল) ও আইসা নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

শিক্ষা - গণতন্ত্র - সংবিধান - দেশ বাঁচানোর লড়াই চলবে।

ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা ভোট নিয়ে যে জল্পনা-কল্পনা চলছে, সে সম্পর্কে আমরা পূর্ণ দায়িত্বের সঙ্গে সবাইকে আশ্বস্ত করতে পারি যে...
18/06/2026

ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা ভোট নিয়ে যে জল্পনা-কল্পনা চলছে, সে সম্পর্কে আমরা পূর্ণ দায়িত্বের সঙ্গে সবাইকে আশ্বস্ত করতে পারি যে আমাদের দুইজন বিধায়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী কংগ্রেস প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন।
আমাদের দুইজন প্রবীণ নেতা—পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড হালধর মাহাতো এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড গীতা মণ্ডল—সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের দুই বিধায়ক কমরেড অরূপ চট্টোপাধ্যায় এবং কমরেড চন্দ্রদেব মাহাতোর প্রদত্ত ভোট যথাযথভাবে যাচাই করেছেন।

11/06/2026

ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে গতকাল রাতে মণিষা দাস নামে একজন স্বাস্থ্য কর্মীর কর্তব্যরত অবস্থায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচিত করতে চাপমুক্ত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি।

প্রেস বিবৃতি, সিপিআই(এমএল), ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি। আগরতলা। তারিখ- ১১/০৬/২০২৬ ইং।

আগরতলা মধুবনের রানীরখামারে ২০২৪ এ গড়ে উঠা বিতর্কিত শান্তিনিকেতন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে গতকাল রাতে মনিষা দাস নামে ২২ বছরের একজন স্বাস্থ্য কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।পরিবারের সদস্যরা একে খুন বলে দাবি করছেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম একে ত্রিপুরায় আর জি কর কান্ড হিসাবে তুলে ধরেছেন। একটি মেডিকেল কলেজে নিযুক্ত ২২ বছরের স্বাস্থ্য কর্মীর কোনও নিরাপত্তা নেই। এই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ তথা মালিক মলয় পিঠ -এর কাছ থেকে এই স্পর্শকাতর ঘটনা নিয়ে কোনও দাবি বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। মধুবন এলাকার জনগণের মধ্যে এই কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে নিয়মিত রাতভর উচ্চস্বরে গানবাজনার অভিযোগ রয়েছে। বেসরকারি কর্পোরেট সংস্কৃতির রমরমা। যেখানে নারীদেহ শুধুমাত্রই পণ্য হিসাবে দেখানো হয়।অপরদিকে আরএসএস - বিজেপির মনুবাদীরা সারা দেশে নারীর উপরে যৌন হিংসার লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে। ধর্ষণকারীদের মালা দিয়ে বরণ করা হয়। যৌন হিংসামূলক ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে বাধা, আক্রান্তের পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা রাজ্যে নিত্যদিনের পরিঘটনা হয়ে উঠেছে। তাই, স্বাস্থ্য কর্মী মনিষা দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় সত্য উদ্ঘাটনে রাজ্যের জনগণের মধ্যে আশঙ্কা ও উৎকন্ঠা রয়েছে।
তাই, রাজ্য সরকারের কাছে চাপমুক্ত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত করার দাবি করছি।আক্রান্তের পরিবারের সদস্যদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি করছি।আইনানুযায়ী দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

ইতি,
স্বপন বনিক,
অফিস সম্পাদক,
সিপিআই(এম এল), ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি।
আগরতলা। তারিখ- ১১/০৬/২০২৬ ইং।গ

25/05/2026

ওবিসি তালিকা বাতিল ও কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই প্রসঙ্গে সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের প্রেস বিবৃতি
২৫ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাম্প্রতিক ওবিসি সংক্রান্ত নোটিফিকেশন এবং ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া সমস্ত এসসি, এসটি ও ওবিসি সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাইয়ের নির্দেশিকা বাংলার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উপর এক গভীর আঘাত।

একদিকে কোনওরকম সার্ভে ছাড়াই বিপুল সংখ্যক ওবিসি সম্প্রদায়কে অন‍্যায়ভাবে তালিকা থেকে কার্যত বাদ দেওয়ার উদ্যোগ, অন্যদিকে এক কোটি ঊনসত্তর লক্ষ কাস্ট সার্টিফিকেটকে সন্দেহের আওতায় আনা— এই দুই পদক্ষেপ মিলিয়ে এসসি, এসটি ও ওবিসি ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে ভয়, অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক হয়রানির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ভূয়ো সার্টিফিকেটের অজুহাতে কার্যত গোটা সংরক্ষণ ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার সঙ্গে কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়াটিকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ, ভোটার তালিকা ও কাস্ট পরিচয় সম্পূর্ণ ভিন্ন আইনি বিষয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াটা কোনো ব্যক্তির সামাজিক পরিচয় বা সাংবিধানিক সংরক্ষণের অধিকার বাতিল করা চলতে পারে না।

কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়া কোটি কোটি মানুষের সার্টিফিকেটকে সন্দেহের আওতায় এনে তাদের শিক্ষা, চাকরি ও সামাজিক অধিকারের উপর আঘাত হানা অসাংবিধানিক ও অন্যায্য।

আমরা এই দুই নোটিফিকেশন অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি এবং এর বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

সিপিআই(এমএল) লিবারেশন
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির পক্ষে,
সম্পাদক
অভিজিৎ মজুমদার

২২ এপ্রিল, ২০২৬-এর আহ্বান --------আসুন একটি প্রকৃত সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গড়ার স...
22/04/2026

২২ এপ্রিল, ২০২৬-এর আহ্বান --------

আসুন একটি প্রকৃত সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গড়ার সংগ্রাম জোরদার করি!

আমাদের মহান শহিদদের স্বপ্ন পূরণ করি এবং মহান জনগণের স্বার্থে নিজেদের উৎসর্গ করি!
আমরা আমাদের প্রিয় দল, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-এর প্রতিষ্ঠার ৫৭তম বার্ষিকী পালন করছি এক গভীর অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করেছে এবং তা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বৈশ্বিক আধিপত্যে এক বড় আঘাতে পরিণত হচ্ছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ভেবেছিলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই তারা ইরানকে পরাস্ত করতে পারবে এবং শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করে সহজেই শাসন পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে, পাশাপাশি স্কুলশিশু ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর নৃশংস লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু ইরান অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে—নিহত নেতাদের স্থানে দ্রুত নতুন নেতৃত্ব ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছে। এই দৃঢ়তার পাশাপাশি ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক দক্ষতা প্রদর্শন করে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক ক্ষতি সাধন করছে এবং হরমুজ প্রণালীকে একটি কার্যকর কৌশলগত অস্ত্রে পরিণত করেছে।
এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। ইউরোপীয় মিত্ররাও ধীরে ধীরে ট্রাম্প প্রশাসন থেকে দূরত্ব তৈরি করছে, অনেকেই এই যুদ্ধ অভিযানে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করছে। আরব দেশগুলি, যারা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি সরবরাহ করে, এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে কার্যরত বৈশ্বিক প্রযুক্তি সংস্থাগুলিও ক্রমশ এই যুদ্ধের চাপ অনুভব করছে।
ভারতকেও এই যুদ্ধের জন্য বড় মূল্য দিতে হচ্ছে, কারণ মোদী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও বিপর্যয়করভাবে নিজেদের যুক্ত করেছে। পশ্চিম এশিয়ায় কর্মরত প্রায় এক কোটি ভারতীয় প্রবাসী শ্রমিক ও পেশাজীবী এখন তীব্র অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে। এই যুদ্ধ ভারতে জ্বালানি ও সার সংকট তৈরি করেছে। লক্ষ লক্ষ অভিবাসী শ্রমিকের কাছে এটি যেন কোভিড লকডাউনের সময়ের মতো—যেখানে টিকে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গভীর অর্থনৈতিক সংকট এবং পররাষ্ট্রনীতির স্পষ্ট ব্যর্থতার এই যুগল পরিস্থিতি আমাদের সংগ্রামের জন্য এক নতুন পর্বের সূচনা করছে, এবং এর মোকাবিলায় আমাদের সাহসী সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ও ফ্যাসিবাদ-বিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
আমাদের ৫৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমরা ভারতের মানুষের মধ্যে নতুন অস্থিরতার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ ভোটাধিকারের জন্য—যা সংবিধান প্রণয়নের পর থেকে সবচেয়ে মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার—সংগ্রামে নামতে বাধ্য হচ্ছে। নতুন শ্রম কোডের বিরুদ্ধে, বিশেষত দীর্ঘ কর্মঘণ্টা চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে শ্রমিকদের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভারতের কৃষি মারাত্মক বিপদের মুখে, এবং কৃষকরা আবারও নির্ণায়ক সংগ্রামের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসছে, কারণ মনরেগা আইনকে ক্রমশ ধ্বংস করা হয়েছে। ইউজিসি-র নিয়মাবলীর স্থগিতাবস্থা অর্থবহ সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। ২০২৬-২৭ সাল ভারতের বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের দুইটি ঐতিহাসিক ঘটনার শতবর্ষের প্রাক্কাল—মহাড় সত্যাগ্রহ (২০ মার্চ, ১৯২৭) এবং মনুস্মৃতি দহন (২৫ ডিসেম্বর, ১৯২৭)—এবং সমাজ সমতা ও মুক্তির অন্যতম অগ্রদূত জ্যোতিবা ফুলের দ্বিশতবর্ষ।
সিপিআই(এমএল) এমন একটি দল, যার জন্ম মহান নকশালবাড়ি কৃষক অভ্যুত্থানের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে। এটি এমন একটি দল, যা সমগ্র কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিপ্লবী ঐতিহ্যকে গর্বের সঙ্গে ধারণ করেছে এবং প্রতিকূলতার মুখেও জনগণের শক্তি, সাহস ও উদ্যোগ থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে ক্রমাগত নবায়ন করেছে। বিশ্বের শাসক শ্রেণি সময়ে সময়ে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, কিন্তু এই আন্দোলন সেই সব আত্মতৃপ্ত ঘোষণাকে অস্বীকার করে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
আজ যখন ফ্যাসিবাদী শাসকরা সাম্রাজ্যবাদের আশীর্বাদে দেশ ও জনগণকে দমন ও বিশ্বাসঘাতকতা করছে এবং কমিউনিস্টদের বদনাম করার চেষ্টা করছে, তখন সিপিআই(এমএল)-এর দায়িত্ব হল কমিউনিস্ট পতাকা উঁচু করে ধরা এবং একটি প্রকৃত সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া। আসুন, আমরা সর্বতোভাবে সিপিআই(এমএল)-কে বিস্তৃত ও শক্তিশালী করি, যাতে আমাদের মহান শহিদদের স্বপ্ন পূরণ করা যায় এবং মহান জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।
— কেন্দ্রীয় কমিটি
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (লিবারেশন)

আজ ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং বিশ্বের প্রথম মহান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের নেতা মহামতি ভ্লাদিমির ইলিয়াচ লেনিনের ১৫৭ তম জন্মদিন এ...
22/04/2026

আজ ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং বিশ্বের প্রথম মহান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের নেতা মহামতি ভ্লাদিমির ইলিয়াচ লেনিনের ১৫৭ তম জন্মদিন এবং সিপিআই(এমএল) -এর ৫৭ তম পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়।
দুনিয়ার মজদুর এক হও। সাম্রাজ্যবাদের প্রতিভূ ও যুদ্ধাপরাধী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানহুয়াহু নিপাত যাক। ফ্যাসিবাদ ধ্বংস হউক। আম্বেদকর ও ভগৎ সিং এর স্বপ্নের ভারত গড়তে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সামিল হোন।

Address

Geet Bharati Para
Udaipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CPIML Tripura State Committee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CPIML Tripura State Committee:

Shortcuts

Share