CPIML Tripura State Committee

Directions Contact the organization

CPIML Tripura State Committee Restoration of Democracy!

ব্রেকিং | ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে INDIA জোটের নেতৃবৃন্দের সম্মত যৌথ কর্মসূচি১. ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর...
30/09/2026

ব্রেকিং | ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে INDIA জোটের নেতৃবৃন্দের সম্মত যৌথ কর্মসূচি

১. ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত জেলায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

২. ৬ অক্টোবর সমস্ত বিরোধী দলের সাংসদরা ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) দপ্তর পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন।

৩. অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কথিত বেআইনি কার্যকলাপের বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চাইবেন।

৪. দেশের সর্বত্র পাঁচটি বৃহৎ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে জনগণকে জানানো হবে কীভাবে সরকার তাদের ভোটাধিকার ও অন্যান্য সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।

৫. ১ নভেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

৬. INDIA জোটের নেতৃবৃন্দ SIR এবং নির্বাচন-সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন সমস্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধান স্লোগান

CEC জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ করো!
গণতন্ত্র রক্ষা করো!
ভোট চুরি দেশদ্রোহ!

30/09/2026
08/09/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের আগে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি ও জমির অধিকারের নামে তিপ্রাসা জনগণকে আর ধোঁকা দেওয়া যাবে না—রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত বিজেপির নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার মরিয়া কৌশল এটি।

আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রতিটি নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির টোপ ফেলে তিপ্রাসা জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং তিপ্রা মথাকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ‘শিকারি মোরগ’ হিসেবে ব্যবহার করাই বিজেপির পুরনো কৌশল। ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের মুখে দিল্লিতে বৈঠক করে আবারও ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়ন ও জমির অধিকারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া সেই একই রাজনৈতিক প্রতারণার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
২ মার্চ ২০২৪ দিল্লিতে ত্রিপুরার জনজাতিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং স্বশাসনের অধিকার সংক্রান্ত যে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার কী বাস্তবায়ন হয়েছে—বিজেপি সরকারকে তার সাদা খাতা প্রকাশ করতে হবে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার ছয় মাসের মধ্যে চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অথচ আড়াই বছর অতিক্রান্ত। চুক্তি বাস্তবায়ন তো দূরের কথা, চুক্তিতে ঠিক কী কী প্রতিশ্রুতি রয়েছে—সেটিও আজ পর্যন্ত রাজ্যের জনগণ ও তিপ্রাসা সমাজের সামনে স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
এটি নিছক প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতারণা।
গত প্রায় আট বছর ধরে এডিসিতে ভিলেজ কমিটির নির্বাচন না করে বিজেপি সরকার তিপ্রাসা জনগণের সাংবিধানিক ভোটাধিকার, তৃণমূল স্তরে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় উন্নয়নে জনগণের ভূমিকার সঙ্গে ছেলেখেলা করেছে। সংবিধানকে এভাবে রাজনৈতিক সুবিধা অনুযায়ী ব্যবহার করার নজির অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টকে ভিলেজ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১ সেপ্টেম্বর ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।
কিন্তু নির্বাচনের ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা এতটাই প্রকট যে, তারা একা লড়াই করার আত্মবিশ্বাসও দেখাতে পারছে না। তাই নির্বাচনের ঠিক আগে জোটের অঙ্ক কষে ৪ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গে প্রায় ৯০ মিনিটের বৈঠক এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ঝুলে থাকা চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির কথা সামনে আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে এবং তিপ্রা মথার নেতা সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি ঘোষণা ক

29/08/2026

ত্রয়োদশ বিধানসভার ১০ম অধিবেশনে জবাবদিহিতার বিপরীতে প্রধান বিরোধী দলকে 'দেশদ্রোহী' তকমা -- তথ্যের কৌশলী কারসাজি। সংসদীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আক্রান্ত ও বিপন্ন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য মন্ত্রী ও বিধানসভার সদস্যের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা উচিত।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি। তারিখ - ২৯/০৮/২০২৬ ইং।

দেশপ্রেমের কোনও একক রাজনৈতিক মালিকানা নেই।
অতএব, কোনও রাজনৈতিক দলকে “দেশদ্রোহী” বলার পরিবর্তে শাসকদলের উচিত নির্দিষ্ট বক্তব্য, নির্দিষ্ট কাজ এবং নির্দিষ্ট আইনি বিধান দেখিয়ে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করা। শুধু ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবর্ষ পালনকে ভিত্তি করে এমন তকমা দেওয়া সাংবিধানিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়, অত্যন্ত নিন্দনীয়। কোনো অনুষ্ঠানে দেশ মাতৃকার অবমাননা করা হয়েছে এমন যদি নির্দিষ্ট তথ্য থেকে থাকে তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ আইনসঙ্গত ভাবে লিপিবদ্ধ না করে রাজনৈতিক চাতুরী কেন? মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং বিধানসভার সম্মান হানির জন্য মন্ত্রী তথা সদস্যের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা উচিত।
ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(১)(ক) নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক মতাদর্শ, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মত প্রকাশ এই স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিধানসভা গণতান্ত্রিক ভাবে বিতর্কের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে যতই রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকুকনা কেন।এখানে সরকার পক্ষ জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি জ্বলন্ত ইস্যুতে জবাবদিহি করবেন এবং জনস্বার্থে শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়কদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকবেন। এখানে বিরোধীরা জনস্বার্থে প্রতিটি জ্বলন্ত বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন বিদ্ধ করবে।গঠনমূলক সমালোচনা করবে। জবাবদিহিতা চাইবে।এটাই সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল কথা। ডিজিপি -র রহস্য মৃত্যুর সত্যতা উন্মোচনে পুলিশী তদন্ত নয়, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না? অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাশুল সাথে বিভিন্ন অবৈধ চার্জ বৃদ্ধি সম্পর্কে, শুল্কের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অভিযোগের জনশুনানি এবং বিতর্কিত স্মার্ট মিটার ও বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ নীতির জ্বলন্ত বিষয়, রেশনে চাল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া, যখন খাদ্য সহ সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি,তীব্র বেকারত্ব ও কর্মহীনতা, নিম্ন বেতন কাঠামো ,কম মজ

27/08/2026

ত্রয়োদশ বিধানসভার ১০ম অধিবেশন ও জবাবদিহিতার বিপরীতে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে বিরোধী দলকে 'দেশদ্রোহী' তকমা -- সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিপন্ন।

দেশপ্রেমের কোনও একক রাজনৈতিক মালিকানা নেই।

অতএব, কোনও রাজনৈতিক দলকে “দেশদ্রোহী” বলার পরিবর্তে শাসকদলের উচিত নির্দিষ্ট বক্তব্য, নির্দিষ্ট কাজ এবং নির্দিষ্ট আইনি বিধান দেখিয়ে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করা। শুধু ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবর্ষ পালনকে ভিত্তি করে এমন তকমা দেওয়া সাংবিধানিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়, অত্যন্ত নিন্দনীয়।

ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(১)(ক) নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক মতাদর্শ, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মত প্রকাশ এই স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিধানসভা গণতান্ত্রিক ভাবে বিতর্কের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে যতই রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকুকনা কেন।এখানে সরকার পক্ষ জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি জ্বলন্ত ইস্যুতে জবাবদিহি করবেন এবং জনস্বার্থে শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়কদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য থাকবেন। এখানে বিরোধীরা জনস্বার্থে প্রতিটি জ্বলন্ত বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন বিদ্ধ করবে।গঠনমূলক সমালোচনা করবে। জবাবদিহিতা চাইবে।এটাই সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল কথা। ডিজিপি -র রহস্য মৃত্যুর সত্যতা উন্মোচনে পুলিশী তদন্তের স্ট্যাটাস ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন কেন গঠন করা হবে না? অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের সাথে বিভিন্ন অবৈধ চার্জ বৃদ্ধি সম্পর্কে শুল্কের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অভিযোগের জনশুনানি এবং বিতর্কিত স্মার্ট মিটার ও বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ নীতির জ্বলন্ত বিষয়ে, রেশনে চাল বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া, যখন খাদ্য সহ সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি,তীব্র বেকারত্ব ও কর্মহীনতা, নিম্ন বেতন কাঠামো ,কম মজুরি,সরকারি শূণ্য পদের অবলুপ্তি ও স্থায়ী নিয়োগ না করা, অনিয়মিত ও স্কিম ওয়ার্কারদের প্রশ্ন, নিয়োগে পি.আর.টি.সি -র বাধ্যবাধকতা শিথিল করা ইত্যাদি জরুরি বিষয়ে জবাবদিহিতাকে আড়াল করার জন্যই সরকার পক্ষ প্রধান বিরোধী দলকে দেশদ্রোহী বলে আক্রমণ করছে। যা গণতন্ত্রে কোনভাবেই কাম্য নয়। সরকারের কাছে জনগণ জবাবদিহিতা চায়‌, স্বচ্ছতা চায়। কোনো চতুরতা নয়।

Address

Geet Bharati Para
Udaipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CPIML Tripura State Committee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CPIML Tripura State Committee:

Shortcuts

Share