রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঠাকুরনগর খন্ড RSS Thakurnagar Khndo

  • Home
  • India
  • Thakurnagar
  • রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঠাকুরনগর খন্ড RSS Thakurnagar Khndo

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঠাকুরনগর খন্ড RSS Thakurnagar  Khndo রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঠাকুরনগর খন্ড

26/01/2026

আজ, ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে, শ্রদ্ধেয় সরসঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত জি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং শ্রদ্ধা জানান।

*রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ঠাকুরনগর খন্ডের বনভোজন*বনভোজন কেবল মাত্র নিছক বিনোদন নয়, বরং সামাজিক সদ্ভাবনার ভাব জাগ্রত...
21/01/2026

*রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ঠাকুরনগর খন্ডের বনভোজন*
বনভোজন কেবল মাত্র নিছক বিনোদন নয়, বরং সামাজিক সদ্ভাবনার ভাব জাগ্রত করার প্রয়োগ। বিরাট হিন্দু সমাজ সৃষ্টি থেকে এক এবং সংঘবদ্ধ। কালের নিয়মে এর মধ্যে আসা বিভাজনকে কাটিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ও শক্তিশালী সমাজ গঠন করার উদ্দেশ্য নিয়ে বিগত ১০০ বছর ধরে সঙ্ঘ কাজ করে চলেছে।
ভব্য ও পারিবারিক পরিবেশ, সামূহিক ব্যবস্থা ও যোজনা বদ্ধ কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বনভোজনের পরিচয়।
স্বয়ংসেবকরা এর মাধ্যমে একরূপতার বার্তা সমাজে বহন করেন।
গত ১৮ জানুয়ারি

 #স্বামী_বিবেকানন্দ "গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের অধিক নিকটবর্তী হইবে" - অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাঙ্গা...
12/01/2026

#স্বামী_বিবেকানন্দ
"গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের অধিক নিকটবর্তী হইবে" - অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাঙ্গালী ছোটবেলা থেকে এই উদ্ধৃতি ব্যবহার করে পাতার পর পাতা রচনা লিখে গেছে "জাতীয় সংহতি" মার্কা বিষয়ক বাঙ্গালা রচনায় : নব্বইয়ের দশকের বামপন্থী আমলে বিদ্যালয়ে বিবেকানন্দ জয়ন্তী পালিত হতো - কিন্তু তাতে অর্ধসত্যের চর্চা হতো; স্বামী বিবেকানন্দ কোন বিষয়ে, কোন পরিপ্রেক্ষিতে ঠিক কতোটা বলেছিলেন তা পরিষ্কার করে কখনো আলোচনা হয় নি - এই বাণী যে অর্ধসত্য সেটা কেউ পরিষ্কার করে বলেন নি - তাই বাঙ্গালায় বিদ্যালাভকারী বাঙ্গালী সমাজ এই কথাটিই "সত্য" বলে মেনে এসেছে, যেমন মেনে এসেছে "অহিংসা পরমো ধর্ম" নামক অর্ধসত্যের মিথ্যাচার।
আজও বাঙ্গালী বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে এই "অর্ধসত্য"কে বিবেক-বাণী হিসেবে চালানো হচ্ছে - এই মিথ্যাচার বন্ধ হোক।
সত্য উদ্ভাসিত হোক...... "যেখানে স্বামী বিবেকানন্দ লিখছেন : হে আমার যুবক বন্ধুগণ, তোমরা সফল হও -- তোমাদের নিকট ইহাই আমার বক্তব্য। গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের আরও নিকটবর্তী হইবে। আমাকে অতি সাহসপূর্বক এ-কথাগুলি বলিতে হইতেছে; কিন্তু না বলিলেই নয়। আমি তোমাদিগকে ভালবাসি। আমি জানি, পায়ে কোথায় কাঁটা বিঁধিতেছে। আমার কিছু অভিজ্ঞতা আছে। তোমাদের বলি, তোমাদের শরীর একটু শক্ত হইলে তোমরা গীতা আরও ভাল বুঝিবে। তোমাদের রক্ত একটু তাজা হইলে তোমরা শ্রীকৃষ্ণের মহতী প্রতিভা ও মহান্ বীর্য ভাল করিয়া বুঝিতে পারিবে। যখন তোমাদের শরীর তোমাদের পায়ের উপর দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান হইবে, যখন তোমরা নিজেদের মানুষ বলিয়া অনুভব করিব, তখনই তোমরা উপনিষদ্ ও আত্মার মহিমা ভাল করিয়া বুঝিবে। এইরূপে বেদান্ত আমাদের কাজে লাগাইতে হইবে।"
স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে আমরা নিজে থেকে বিবেকানন্দকে জানার চেষ্টা করি : বিবেকানন্দের লেখা পড়ার চেষ্টা করি - অন্যের মুখে নয়, নিজের চেষ্টায় .......

#युवा_सन्यासी_विवेकानंद

বলিদান দিবসে প্রণাম।  #হুতাত্মা_সূর্যসেনচট্টগ্রাম বিপ্লবের নায়ক, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন : আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধাঞ...
12/01/2026

বলিদান দিবসে প্রণাম।
#হুতাত্মা_সূর্যসেন
চট্টগ্রাম বিপ্লবের নায়ক, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন : আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ভূগোলের মাস্টারমশাই খুব সুন্দর করে বুঝাচ্ছিলেন... সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবীর মেরুরেখা তার কক্ষতলের সঙ্গে ৬৬১/ কোণে ...
11/01/2026

ভূগোলের মাস্টারমশাই খুব সুন্দর করে বুঝাচ্ছিলেন... সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবীর মেরুরেখা তার কক্ষতলের সঙ্গে ৬৬১/ কোণে হেলানোভাবে অবস্থান করে বলে বছরের বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীতে দিনরাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়। বছরের ৬ মাস পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ এবং বাকি ৬ মাস পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে ৬৬১/° কোণে কাত হয়ে বা হেলে থাকে। তন্ময় হয়ে শুনতে শুনতে চকিতে অরূপের মনে পড়ল এক নক্ষত্রখচিত অমাবস্যার রাতের কথা। মামাবাড়িতে দাদু সেই রাত্রে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, দিকচক্রের সাপেক্ষে রাতের আকাশের তারারা ক্রমশ পূর্ব থেকে পশ্চিমে সরে যায় বটে, কিন্তু ওদের নিজেদের মধ্যে তুলনামূলক অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয় না। তারারা আকাশে কয়েকটা মিলে দল বেঁধে থাকে। গঠন করে নির্দিষ্ট নক্ষত্র বা তারকাপুঞ্জ অথবা তারকামণ্ডল- যারা সবাই মিলে একই চেহারা বজায় রেখে অনন্তকাল ধরে মহাকাশে ছুটে চলেছে, ছুটেই চলেছে। পৃথিবী থেকে মনে হয় সূর্যও চলছে, আর ঘুরতে ঘুরতে ওইরকম পরপর কতকগুলি নক্ষত্রের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতি ভারতীয় মাসে সূর্য এই আপাত গতিতে একটা না একটা নক্ষত্ররাজ্যের সামনে দিয়ে চলে যায়। এই প্রত্যেকটা নক্ষত্রকে বলে রাশি। এইভাবে বারো মাসে বা এক বছরে বারোটা নক্ষত্র সূর্যের পথে পড়ে। সূর্য যতক্ষণ এক একটা রাশির মধ্য দিয়ে যেতে থাকে, হিন্দুরা ততক্ষণকে এক একটা 'মাস' বলে ধরেন। আর সূর্য যখন মাসের শেষে এক রাশি ছেড়ে অন্য রাশিতে সংক্রমণ করে (মানে, চলে যায়), সেই যাওয়াকে বলি 'সংক্রান্তি'। পরপর গোল করে সাজানো বারোটা রাশিকে একসঙ্গে বলা হয় রাশিচক্র। এই বারোটা রাশি বা বিশেষ নক্ষত্রদের নাম-- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ এবং মীন। সূর্য বৈশাখ মাসে মেষ রাশিতে থাকে। মানে এক ধার থেকে অন্য ধার পর্যন্ত যায় বলে মনে হয়। তারপর জ্যৈষ্ঠ বৃষ রাশিতে। ক্রমে আষাঢ়ে মিথুন রাশি, শ্রাবণে কর্কট...
মাস্টারমশাই তখন পড়িয়ে চলেছে। প্রতি বছর ২১ ডিসেম্বর (পৌষ মাস)-এর পর থেকেই সূর্যের উত্তরমুখী আপাতগতি বা উত্তরায়ণ শুরু হয় এবং ক্রমশ ধনু রাশি অতিক্রম করে পৌষ সংক্রান্তির দিন সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করে (সাধারণত ১৪ জানুয়ারি)। তাই ওই সংক্রান্তির দিনটিকে মকর সংক্রান্তি বলে। উত্তরায়ণের ফলে উত্তর গোলার্ধ (যার মধ্যে আমাদের ভারতবর্ষের অবস্থান) দিন ক্রমশ বড় ও রাত্রি ক্রমশ ছোট হতে থাকে।
ভারতবর্ষের সংস্কৃতিতে সূর্যের এই উত্তরায়ণ তথা মকর সংক্রান্তি উত্তরণের দ্যোতক হিসাবে গণ্য হয়। জীবনের রাত্রিরূপ সকল অসত্য, অন্ধকার, অজ্ঞানতা ও জড়ত্ব থেকে মুক্তি লাভের চিরকালীন আকাঙ্ক্ষা, 'অসতো মা সঙ্গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়, মৃত্যোর্মা অমৃতংগময়' উত্তরায়ণের নবোদিত অরুণালোকে যেন ভাস্বর হয়ে ওঠে। অলস শীতের দীর্ঘ রাত্রির অবসানে নব আনন্দে, নব জীবনে, নব জ্যোতির্ময়ী উষার হাসি যখন ফুলে ফুলে, মধুর বাতাসে কিংবা পাখীর কলকাকলিতে ছড়িয়ে পড়ে, প্রাণে জাগে নূতন উন্মাদনা তখন কবি গেয়ে ওঠেন--
'চলো যাই কাজে মানবসমাজে,
চলো বাহিরিয়া জগতের মাঝে-
থেকো না অলস শয়নে, থেকো না মগন স্বপনে।
ফেলো জীর্ণচীর, পরো নব সাজ,
আরম্ভ করো জীবনের কাজ-
সরল সবল আনন্দমনে, অমল অটল জীবনে।"
তাই মকর সংক্রান্তির পুণ্য প্রভাতে অলস শয্যা ত্যাগ করে মকরবাহিনী গঙ্গায় কিংবা পুণ্যতোয়া নদনদীতে অবগাহন করেন হিন্দু নরনারী। জীর্ণ পুরাতনকে বিসর্জন দিয়ে নব আনন্দে জীবনের কাজে এগিয়ে চলে। বাঙ্গালির ঘরে ঘরে আনন্দের রেশ। বাতাসে পিঠে-পুলির সুবাস, ভাজা তিলের ঘ্রাণে মাতোয়ারা চারিদিক। আজ তো পৌষ-পার্বণ, তিল সংক্রান্তিও বটে। স্নেহপূর্ণ বিচ্ছিন্ন তিলরাশি গুড়ের মিষ্ট পাকে সুস্বাদু অথচ নিরেট নাড়ুতে পরিণত-- এ যেন রূপকার্থে সুসংহত জাতির পরিচায়ক। স্নেহ ও আত্মীয়তার ডোরে বিচ্ছিন্ন সমাজকে সাংগঠনিক শক্তির সংস্কারিত পাকে বেঁধে এক শক্তিশালী সুশীল সমাজ গঠনের ইঙ্গিত।
দেশকে পরম বৈভবশালী করার লক্ষ্যে, সুসংগঠিত রাষ্ট্রীয় জীবন তথা ঐক্যবদ্ধ হিন্দু সমাজ গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ এই মকর সংক্রান্তির দিনটিকে উৎসব হিসাবে পালন করে। পালন করে জাতীয় জীবনে সহমর্মিতা ও সমরসতার দিন হিসাবে। এদিন সমাজের সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে, অস্পৃশ্যতা ও নানাবিধ কুসংস্কার দূর করে একাত্মতার সংকল্প গ্রহণের দিন হিসাবে পালন করে সঙ্ঘ। অরূপের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় এই মহৎ উৎসব পালনের তাৎপর্য। আত্মবিস্মৃতিরূপ অন্ধকার বিনাশ করে জাতীয় জীবনে জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ও একাত্মবোধের উদ্বোধনই হল সঠিক দিশায় পরিবর্তনের সংক্রান্তি। ভারতবর্ষের সর্বাঙ্গীন উন্নতিই হল সম্যক ক্রান্তি। সুসংহত সুশীল, বীর্যশালী হিন্দু জাতি গঠনই হল পরিপূর্ণ ক্রান্তি-- আর এসকল কাজই গত একশো বছর ধরে করে চলেছে সঙ্ঘ। প্রত্যেক স্বয়ংসেবকই এই ক্রান্তিতে অংশগ্রহণকারী এক একজন বীর সেনানী। ভারতমাতার জয়ই তাদের একমাত্র কাম্য। সঙ্ঘকার্যে নিবেদিত অনুভবী অরূপের মন ভরে ওঠে গর্বে। কারণ, এই বিপ্লবে সেও তো অংশীদার।
মকর সংক্রান্তির দিনটি এত পবিত্র যে পিতামহ ভীষ্মও তাঁর ইচ্ছামৃত্যুর জন্য এই দিনটিকেই বেছে নিয়েছিলেন। দেশবরেণ্য হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম এই দিনটিতেই। একাত্মতার আহ্বানে গঙ্গাসাগরে লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষ পুণ্যস্নানের জন্য ছুটে আসেন এই দিনটিতেই। এই পবিত্র দিনেই ১৯৩৮ সালে উদ্বোধন হয়েছিল বেলুড় মঠের। তাই আলোয় ফেরার এই দিনটিতে মেতে দেশবাসী উৎসব পালন করবে বৈকি। তাই মকর সংক্রান্তি উৎসব পালনে শাখার পথে দৃপ্ত স্বয়ংসেবকদের গলায় বাজে সমবেত আবৃত্তির ধ্বনি–
'জাগুক মন, কাঁপুক বন, উড়ুক ঝরা পাতা--উঠুক জয়, তোমারি জয়, তোমারি জয়গাথা।'
#শঙ্খধ্বনি
[ মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti) ,পৌষ সংক্রান্তি (Poush Sankranti) , উত্তরায়ণ (Uttarayan) , পিঠে পুলি রাশিচক্র , দক্ষিণায়ন উত্তরায়ণ , তিল সংক্রান্তি , মকর সংক্রান্তি ২০২৬ , গঙ্গাসাগর মেলা , স্বামী বিবেকানন্দ জন্মদিন , মকর সংক্রান্তি কবে ২০২৬ , মকর সংক্রান্তিতে কী খাওয়া হয় , পৌষ পার্বণ বাংলা , উত্তরায়ণের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা , রাশিচক্র বারোটি রাশি , মকর রাশিতে সূর্য প্রবেশ , পৌষ সংক্রান্তির পিঠা রেসিপি , গঙ্গাসাগর স্নান মকর সংক্রান্তি , ভীষ্ম পিতামহ মৃত্যু মকর সংক্রান্তি , বেলুড় মঠ উদ্বোধন ১৯৩৮ , পৃথিবীর অক্ষীয় হেলানো ৬৬.৫ ডিগ্রী , সূর্যের আপাতগতি , দিনরাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি , কর্কটক্রান্তি মকরক্রান্তি , সৌরমণ্ডল পৃথিবীর গতি , অসতো মা সদ্গময় তমসো মা জ্যোতির্গময় , পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম , RSS মকর সংক্রান্তি উৎসব , সঙ্ঘ একাত্মতা দিবস , রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ উৎসব ]

11/01/2026
 #বিবেকানন্দ_কেন্দ্র_কন্যাকুমারী১৯৭২ সালের ৭ই জানুয়ারি : তিথি অনুসারে স্বামী বিবেকানন্দের ১০৮তম জন্মতিথি : কন্যাকুমারীর...
11/01/2026

#বিবেকানন্দ_কেন্দ্র_কন্যাকুমারী
১৯৭২ সালের ৭ই জানুয়ারি : তিথি অনুসারে স্বামী বিবেকানন্দের ১০৮তম জন্মতিথি : কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ শিলা দখলের মিশনারি চক্রান্ত ব্যর্থ করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রবীণ প্রচারক ও প্রাক্তন সরকার্যবাহ শ্রী একনাথ রাণাডের নেতৃত্বে কন্যাকুমারী বিবেকানন্দ কেন্দ্রের পথচলা শুরু .... বিবেকানন্দ শিলায় ওঁ চিহ্নিত গৈরিক ধ্বজোত্তোলনের মধ্য দিয়ে এই কেন্দ্রের পথ চলা শুরু .....

"সঙ্ঘ ও ডাক্তারজি সমার্থক শব্দ"....মোহনজি🚩আজ নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরমপূজনীয় স...
11/01/2026

"সঙ্ঘ ও ডাক্তারজি সমার্থক শব্দ"....মোহনজি🚩
আজ নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরমপূজনীয় সরসংঘচালক ড. মোহন ভাগবতজি ‘রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ১০০ বছর – শতক’ চলচ্চিত্রের দুটি গান—১. ভারত মায়ের সন্তান(ভারত মা কে বচ্চে) ও ২. গেরুয়া আমার পরিচয় (ভগবা হ্যায় মেরী পহচান)—উন্মোচন করেন।
গান দুটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন গায়ক সুখবিন্দর সিং।

Address

Thakurnagar
Thakurnagar
743245

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ঠাকুরনগর খন্ড RSS Thakurnagar Khndo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category