Moyna : Purba Medinipur

Moyna : Purba Medinipur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Moyna : Purba Medinipur, Landmark & historical place, Purba Medinipur, Tamluk.

 #শুভ_জন্মদিন_আলাপন_কুইল্যা_মহাশয়।।আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান এডমিন মাননীয়  #আলাপন_কুইল্যা মহাশয়ের শুভ জন্মদিন।আমাদের...
09/09/2026

#শুভ_জন্মদিন_আলাপন_কুইল্যা_মহাশয়।।

আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান এডমিন মাননীয় #আলাপন_কুইল্যা মহাশয়ের শুভ জন্মদিন।

আমাদের এই পেজের এডমিন প্যানেলের সকল এডমিনদের পক্ষ থেকে জানাই অসংখ্য ভালোবাসা।
আপনার আগামী জীবন খুব ভালো কাটুক এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।

আপনারাও আশীর্বাদ করুন যাতে উনি ভালো থাকেন এবং সুস্থ থাকেন এবং ভবিষ্যতে আপনাদের আরো ভালো ভালো পোস্ট দিতে পারেন।(ধন্যবাদ)

04/09/2026
 #শুভ_রবীন্দ্রনাথ_প্রধান_মহাশয়।।আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান এডমিন মাননীয়  #রবীন্দ্রনাথ_প্রধান মহাশয়ের শুভ জন্মদিন।আমাদ...
29/08/2026

#শুভ_রবীন্দ্রনাথ_প্রধান_মহাশয়।।

আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান এডমিন মাননীয় #রবীন্দ্রনাথ_প্রধান মহাশয়ের শুভ জন্মদিন।

আমাদের এই পেজের এডমিন প্যানেলের সকল এডমিনদের পক্ষ থেকে জানাই অসংখ্য ভালোবাসা।
আপনার আগামী জীবন খুব ভালো কাটুক এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।

আপনারাও আশীর্বাদ করুন যাতে উনি ভালো থাকেন এবং সুস্থ থাকেন এবং ভবিষ্যতে আপনাদের আরো ভালো ভালো পোস্ট দিতে পারেন।(ধন্যবাদ)

 #শুভ_জন্মদিন_কৃষ্ণেন্দু_দাস_মহাশয়।।আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান প্রিন্সিপাল এডমিন মাননীয়  #কৃষ্ণেন্দু_দাস মহাশয়ের শুভ ...
29/07/2026

#শুভ_জন্মদিন_কৃষ্ণেন্দু_দাস_মহাশয়।।

আজ আমাদের এই পেজের দায়িত্ববান প্রিন্সিপাল এডমিন মাননীয় #কৃষ্ণেন্দু_দাস মহাশয়ের শুভ জন্মদিন।

আমাদের এই পেজের এডমিন প্যানেলের সকল এডমিনদের পক্ষ থেকে জানাই অসংখ্য ভালোবাসা।
আপনার আগামী জীবন খুব ভালো কাটুক এবং সুস্থ থাকুন এই কামনা করি।

আপনারাও আশীর্বাদ করুন যাতে উনি ভালো থাকেন এবং সুস্থ থাকেন এবং ভবিষ্যতে আপনাদের আরো ভালো ভালো পোস্ট দিতে পারেন।(ধন্যবাদ)

স্বামী বিবেকানন্দ, কচুরি খেতে খুব পছন্দ করতেন। কলকাতার বিভিন্ন দোকান থেকে তিনি কচুরি আনিয়ে তা খেতেন। লন্ডনে তাঁকে কে বা...
12/01/2026

স্বামী বিবেকানন্দ, কচুরি খেতে খুব পছন্দ করতেন। কলকাতার বিভিন্ন দোকান থেকে তিনি কচুরি আনিয়ে তা খেতেন। লন্ডনে তাঁকে কে বানিয়ে দেবে কচুরি তরকারি ? তােয়াক্কা করতেন না। বিদেশে বাড়ির বেসমেন্টে বসেই বানিয়ে ফেলতেন। তারপর তৃপ্তি করে তা উদরস্থ করতেন।

ভারত ভ্রমণে বেরিয়েছেন স্বামীজি। পথে এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করে বসে, 'আচ্ছা, আপনি কোন সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী? 'পুরী না গিরি?' বিবেকানন্দ বরাবরই কথার প্যাঁচে পটু ছিলেন। তাঁর অসাধারন উত্তরে কাবু প্রশ্নকর্তা। তিনি বলেন,” পুরী গিরি দুটোর কোনােটাই না, আমি কচুরি সম্প্রদায়ভুক্ত।” এমনই ছিল তাঁর কচুরি প্রেম।

মৃত্যুর দিনেও স্বামী বিবেকানন্দ দুপুরে ভাত আর ইলিশ মাছের ঝােল খেয়েছিলেন। তারপর বলেছিলেন যে “একাদশীতে না খেয়ে পেটটা কেমন হয়ে গিয়েছিল। স্বস্তি পেলাম।”

কিন্তু সব কিছু ছাড়িয়ে তাঁর খাদ্য তালিকায় সবার
উপরে থাকত কচুরি আর তরকারি। এটা না খেলে তাঁর দিন যেত না। সমস্ত মায়া ত্যাগ করা মানুষটির কচুরি দেখলে লােভ সংবরন করতে মুশকিলে পড়তেন। কচুরি-আলু ছেঁচকি বানানাের কেউ না থাকলে নিজেই বানিয়ে খেয়ে নিতেন। এর
প্রতি স্বামীজির দুর্বলতা মারাত্মক ছিল।

শুধু খাওয়া নয় রান্না করতেও ভালােবাসতেন। মাংসের নানা পদ তাঁর প্রিয় ছিল। ফাউল ছিল তার মধ্যে অন্যতম। শিকাগাে যাত্রার আগে তৎকালীন বােম্বাইতে স্বামীজি ১৪ টাকা খরচ করে এক হাঁড়ি পােলাও রান্না করেন শিষ্যদের খাইয়েছিলেন।
কই মাছের তাঁর প্রিয় খাবারের আরও একটি।
তখন তিনি শুধুই নরেন্দ্রনাথ দত্ত। পড়াশােনা করছেন। পেটুক এবং খাদ্যরসিক বন্ধুদের নিয়ে তৈরি করেছিলেন 'পেটুক সংঘ'। তাদের কাছে ঘােষণা করেন, “দেখবি কলকাতা শহরে গলির মােড়ে মােড়ে পানের দোকানের মতাে চপ-কাটলেটের দোকান হবে।” এখন সত্যি শহরের প্রত্যেক মােড়ে একটি অন্তত চপ বা তেলেভাজার দোকান থাকেই। কিছু না হােক মিষ্টির দোকানের শিঙারা তাে পাওয়াই যায়। খেতে পছন্দ করতেন রসগােল্লা এবং আইসক্রিমও।

স্বামীজির আমেরিকায় থাকাকালীন প্রাতঃরাশের তালিকাও ছিল বেশ লম্বা। প্রথমেই খেতেন কমলালেবু এবং আঙুর। এরপরেই খেয়ে নিতেন ডবল ডিমের পােচ। এরপরে দুই পিস টোস্ট এবং ক্রিম ও চিনি সহকারে দুই কাপ কফি। সন্ধ্যা সাড়ে
৬টার মধ্যে স্যুপ এবং মাংস বা মাছের সঙ্গে রাতের আহার সেরে নিতেন। এরপর কোনও একটি মিষ্টির পদ থাকতই।

তথ্যসূত্র :সাহিত্যিক শঙ্কর রচিত ‘আহারে অনাহারে মহারাজ স্বামী বিবেকানন্দ’

01/01/2026

#তমলুকের_দেবী_মা_বর্গভীমা ।
আজ বছরের প্রথম দিনে মা বর্গভীমা কাছে প্রার্থনা করি সকলে যেন সুস্থ থাকে এবং আনন্দ থাকে এবং সকলের সকল স্বপ্ন যেন পূরণ হয়।
ভালো থাকুন সকলে।
সুস্থ থাকুন সকলে।
নতুন বছরের অনেক অনেক ভালোবাসা নেবেন।

শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জীবনী :-ক্ষুদিরাম‌‍ বসু জন্ম :- ৩রা ডিসেম্বর ১৮৮৯ সাল মৃত্যু:- ১১ আগস্ট ১৯০৮ সাল ভারতীয় স্বাধীনতা আ...
03/12/2025

শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জীবনী :-
ক্ষুদিরাম‌‍ বসু
জন্ম :- ৩রা ডিসেম্বর ১৮৮৯ সাল
মৃত্যু:- ১১ আগস্ট ১৯০৮ সাল
ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক বিপ্লবী। ফাঁসির সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর ৮ মাস ৮ দিন।
______________________________________
প্রারম্ভিক জীবন:-
ক্ষুদিরাম বসু ডিসেম্বর ১৮৮৯ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত মেদিনীপুর জেলা শহরের কাছাকাছি কেশপুর থানার অন্তর্গত মোহবনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ত্রৈলক্যনাথ বসু ছিলেন নাড়াজোল প্রদেশের শহরে আয় এজেন্ট। তার মা লক্ষীপ্রিয় দেবী। তিন কন্যার পর তিনি তার মায়ের চতুর্থ সন্তান। তার দুই পুত্র আগেই মৃত্যুবরণ করেন। অপর পুত্রের মৃত্যুর আশঙ্কায় তিনি তখনকার সমাজের নিয়ম অনুযায়ী তার পুত্রকে তার বড় বোনের কাছে তিন মুঠি খুদের (শস্যের খুদ) বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। খুদের বিনিময়ে ক্রয়কৃত শিশুটির নাম পরবর্তীকালে ক্ষুদিরাম রাখা হয়। ক্ষুদিরাম বসু পরবর্তিতে তার বড় বোনের কাছেই বড় হন।
______________________________________
মেদিনীপুর আগমন:-
ক্ষুদিরাম বসু তার প্রাপ্তবয়সে পৌঁছানোর অনেক আগেই একজন ডানপিটে, বাউণ্ডুলে, রোমাঞ্চপ্রিয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯০২-০৩ খ্রিস্টাব্দ কালে যখন বিপ্লবী নেতা শ্রী অরবিন্দ এবং সিস্টার-নিবেদিতা মেদিনীপুর ভ্রমণ করে জনসম্মুখে বক্তব্য রাখেন এবং বিপ্লবী দলগুলোর সাথে গোপন পরিকল্পনা করেন, তখন তরুণ ছাত্র ক্ষুদিরাম বিপ্লবে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত হন। ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে ক্ষুদিরাম তার বোন অপরূপার স্বামী অম্রিতার সাথে তমলুক শহর থেকে মেদিনীপুরে চলে আসেন।
______________________________________
শিক্ষাজীবন:-
ক্ষুদিরাম বসু তমলুকের হ্যামিল্টন স্কুল এবং মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষালাভ করেন।
______________________________________
বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড:-
মেদিনীপুরে তাঁর বিপ্লবী জীবনের অভিষেক। তিনি বিপ্লবীদের একটি নবগঠিত আখড়ায় যোগ দেন। ১৯০২ সালে জ্ঞানেন্দ্রনাথ বসু এবং রাজনারায়ণ বসুর প্রভাবে মেদিনীপুরে একটি গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠন গড়ে উঠেছিল। সেই সংগঠনের নেতা ছিলেন হেমচন্দ্র দাস কানুনগো এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসু ছিলেন হেমচন্দ্র দাসের সহকারী। এটি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ব্রিটিশবিরোধীদের দ্বারা পরিচালিত হতো। অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই ক্ষুদিরাম তার গুণাবলীর জন্য সবার চোখে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেন। ক্ষুদিরাম সত্যেন্দ্রনাথের সাহায্যে বিপ্লবী দলভুক্ত হয়ে এখানে আশ্রয় পান। ক্ষুদিরাম তাঁরই নির্দেশে "সোনার বাংলা" শীর্ষক বিপ্লবাত্মক ইশতেহার বিলি করে গ্রেপ্তার হন। ১৯০৬ সালে কাঁসাই নদীর বন্যার সময়ে রণপার সাহায্যে ত্রাণকাজ চালান।
______________________________________
উপনিবেশবাদবিরোধী সংগ্রামে যোগ:-
ক্ষুদিরাম বসু তার শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ বোস এর নিকট হতে এবং শ্রীমদ্ভগবদগীতা পড়ে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে অনুপ্রাণিত হন। তিনি বিপ্লবী রাজনৈতিক দল যুগান্তরে যোগ দেন। ১৬ বছর বয়সে ক্ষুদিরাম পুলিশ স্টেশনের কাছে বোমা পুঁতে রাখেন এবং ইংরেজ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেন। একের পর এক বোমা হামলার দায়ে ৩ বছর পর তাকে আটক করা হয়। ৩০ এপ্রিল ১৯০৮-এ মুজাফফরপুর, বিহারে রাতে সাড়ে আটটায় ইওরোপিয়ান ক্লাবের সামনে বোমা ছুড়ে তিনজনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ক্ষুদিরামের বিচার শুরু হয় ২১ মে ১৯০৮ তারিখে যা আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিত হয়। বিচারক ছিলেন জনৈক বৃটিশ মি. কর্নডফ এবং দুইজন ভারতীয়, লাথুনিপ্রসাদ ও জানকিপ্রসাদ। রায় শোনার পরে ক্ষুদিরামের মুখে হাসি দেখা যায়। তার বয়স খুব কম ছিল। বিচারক কর্নডফ তাকে প্রশ্ন করেন, তাকে যে ফাসিতে মরতে হবে সেটা সে বুঝেছে কিনা? ক্ষুদিরাম আবার মুচকে হাসলে বিচারক আবার প্রশ্নটি করেন। ক্ষুদিরাম তখন ওপরে উদ্ধৃত কথাটি বলেন। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ভোর ছয় টায়। ফাসির মঞ্চ ওঠার সময়ে তিনি হাসিখুশি ছিলেন। ক্ষুদিরামকে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা লিখেছিলেন এবং অনেক গানও তখন রচিত হয়েছিল। যেমন, একবার বিদায় দে মা। তার মৃত্যুর পর বৃটিশদের খুন করার জন্য তরুণরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
______________________________________
চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য:-
ক্ষুদিরাম বসু সম্পর্কে হেমচন্দ্র কানুনগো লিখেছেন যে ক্ষুদিরামের সহজ প্রবৃত্তি ছিলো প্রাণনাশের সম্ভাবনাকে তুচ্ছ করে দুঃসাধ্য কাজ করবার।তাঁর স্বভাবে নেশার মতো অত্যন্ত প্রবল ছিলো সৎসাহস। আর তাঁর ছিলো অন্যায় অত্যাচারের তীব্র অনুভূতি। সেই অনুভূতির পরিণতি বক্তৃতায় ছিলো না বৃথা আস্ফালনেও ছিলো না; অসহ্য দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ, এমনকি মৃত্যুকে বরণ করে, প্রতিকার অসম্ভব জেনেও শুধু সেই অনুভূতির জ্বালা নিবারণের জন্য, নিজ হাতে অন্যায়ের প্রতিবিধানের উদ্দেশ্যে প্রতিবিধানের চেষ্টা করবার ঐকান্তিক প্রবৃত্তি ও সৎসাহস ক্ষুদিরাম চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
_____(তথ্যসূত্র - উইকিপেডিয়া)

Address

Purba Medinipur
Tamluk
721629

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm

Telephone

+919733333420

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moyna : Purba Medinipur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Moyna : Purba Medinipur:

Shortcuts

Share