কবিতার ভেলা

কবিতার ভেলা ভাল লাগার কবিতা ভাল বাসার কবিতা

02/05/2025

সোনার তরী
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভারা ভারা
ধান-কাটা হল সারা,
ভরা নদী ক্ষুরধারা
খরপরশা—
কাটিতে ধান এল বরষা॥

একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা—
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
পরপারে দেখি আঁকা
তরুছায়ামসী-মাখা
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা—
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা॥

গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে!
দেখে যেন মনে হয়, চিনি উহারে।
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে—
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে॥

ওগো, তুমি কোথা যাও কোন্‌ বিদেশে?
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
যারে খুশি তারে দাও—
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে॥

যত চাও তত লও তরণী-পরে।
আর আছে?— আর নাই, দিয়েছি ভরে॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে—
এখন আমারে লহো করুণা ক'রে॥

ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো সে তরী
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহি নু পড়ি—
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী॥

কবিতা লিখেছেন তপন চক্রবর্তী. সিঙ্গুর
02/03/2024

কবিতা লিখেছেন তপন চক্রবর্তী. সিঙ্গুর

17/02/2024
Kal theke natun kore suru
17/02/2024

Kal theke natun kore suru

Last a year amar familyerJonno khub kharap geche tar jonno new kichu dite parini . But kal theke activ apnara jara amai ...
17/02/2024

Last a year amar familyer
Jonno khub kharap geche tar jonno new kichu dite parini . But kal theke activ apnara jara amai bholo bhechechen sms kote chen thsnks . Baki der amroton . . Amar no ta dilam 7980332486

17/02/2024

Login
Manna Dey - Abar Hobe To Dekha - আবার হবে তো দেখা BengoliSong
Abar Hobe To Dekha - আবার হবে তো দেখা
Published by
forhad99
Lyrics
Recordings
আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো
আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো
কিচোখে তোমায় দেখি বোঝাতে পারিনি আজো হয়তো
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো

★★★★
যাবার বেলায় আজ কেন যে কেবলি মনে পড়ে গো
অসময়ে নীল আকাশে কতদিন কত মেঘ ধরে গো

শপথের মালা তেও মাঝে মাঝে কাটা জেগে রয় তো
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো

★★★★
এমন তো হতে পারে সবই তুমি খেলা ভেবে নিয়েছ
খেয়ালের অভিনয়ে আমায় কথার কথা দিয়েছ
এমন তো হতে পারে সবই তুমি খেলা ভেবে নিয়েছ
খেয়ালের অভিনয়ে আমায় কথার কথা দিয়েছ

বলনা সহজ করে আমায় পেরেছ তুমি বুঝতে
হয়নি একটু দেরি এ গানের কোন মানে খুঁজতে
কাছে থেকে দূরে গেলে
নেই কিছু হারাবার ভয়তো
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো

আবার হবে তো দেখা
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো
এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো

30/08/2023

খেলাভোলা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তুই কি ভাবিস দিন রাত্তির
খেলতে আমার মন ?
কক্ষনো তা সত্যি না মা ,
আমার কথা শোন ।

সেদিন ভোরে দেখি উঠে
বৃষ্টি বাদল গেছে ছুটে ,
রোদ উঠেছে ঝিলমিলিয়ে
বাঁশের ডালে ডালে ।

ছুটির দিনে কেমন সুরে
পুজোর সানাই বাজছে দূরে ,
তিনটি শালিক ঝগড়া করে
রান্নাঘরের চালে ।

খেলনাগুলো সামনে মেলি
কিযে খেলি , কি যে খেলি ,
সেই কথাটাই সমস্তক্ষণ
ভাবনু আপন মনে ।

লাগল না ঠিক কোনো খেলাই
কেটে গেল সারা বেলাই ---
রেলিং ধরে রইনু বসে
বারান্দাটার কোনে ।।

খেলাভোলার দিন মা ,
আমার আসে মাঝে মাঝে ---
সেদিন আমার মনের ভিতর
কেমনতর বাজে ।

শীতের বেলায় দুই পহরে
দূরে কাদের ছাদের পরে
ছোট্ট মেয়ে রোদ্দুরে দেয়
বেগনি রঙের শাড়ি ।

চেয়ে চেয়ে চুপ করে রই ,
তেপান্তরের পার বুঝি ওই ---
মনে ভাবি ওইখানেতেই
আছে রাজার বাড়ি ।

থাকত যদি মেঘে ওড়া
পক্ষীরাজের বাচ্ছা ঘোড়া ,
তক্ষুনি যে যেতেম তারে
লাগাম দিয়ে কষে ।

যেতে যেতে নদীর তীরে
ব্যঙ্গমা আর ব্যঙ্গমীরে।
পথ শুধিয়ে নিতেম আমি
গাছের তলায় বসে।।

এক এক দিন যে দেখেছি
তুই বাবার চিঠি হাতে
চুপ করে কী ভাবিস বসে
ঠেস দিয়ে জানালাতে।

মনে হয় তোর মুখ চেয়ে
তুই যেন কোন দেশের মেয়ে,
যেন আমার অনেক কালের
অনেক দূরের মা।

কাছে গিয়ে হাতখানি ছুই
হারিয়ে যাওয়া মা যেন তুই,
মাঠ পারে কোন বটের তলায়
বাঁশির সুরের মা।

খেলার কথা যায় যে ভেসে,
মনে ভাবি কোন কালে সে
কোন দেশে তোর বাড়ি ছিল
কোন সাগরের কুলে।

ফিরে যেতে ইচ্ছে করে
অজানা সেই দ্বীপের ঘরে
তোমায় আমায় ভোর ‌বেলাতে
নৌকোতে পাল তুলে।।

25/08/2023

আষাঢ়
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে।

ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে॥

বাদলের ধারা ঝরে ঝরো-ঝরো, আউষের ক্ষেত জলে ভরো-ভরো,

কালিমাখা মেঘে ও পারে আঁধার ঘনিয়েছে দেখ্‌ চাহি রে॥



ওই শোনো শোনো পারে যাবে ব'লে কে ডাকিছে বুঝি মাঝিরে।

খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।

পুবে হাওয়া বয়, কূলে নেই কেউ, দু কূল বাহিয়া উঠে পড়ে ঢেউ--

দরো-দরো বেগে জলে পড়ি জল ছলো-ছল উঠে বাজি রে।

খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে॥



ওই ডাকে শোনো ধেনু ঘন ঘন, ধবলীরে আনো গোহালে

এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে।

দুয়ারে দাঁড়ায়ে ওগো দেখ্‌ দেখি, মাঠে গেছে যারা তারা ফিরিছে কি,

রাখালবালক কী জানি কোথায় সারা দিন আজি খোয়ালে।

এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে॥



ওগো, আজ তোরা যাস নে গো তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।

আকাশ আঁধার, বেলা বেশি আর নাহি রে।

ঝরো-ঝরো ধারে ভিজিবে নিচোল, ঘাটে যেতে পথ হয়েছে পিছল--

ওই বেণুবন দোলে ঘন ঘন পথপাশে দেখ্‌ চাহি রে॥

21/01/2022

প্রেমিকা
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

কবিতা আমার ওষ্ঠ কামড়ে আদর করে
ঘুম থেকে তুলে ডেকে নিয়ে যায়
ছাদের ঘরে
কবিতা আমার জামার বোতাম ছিঁড়েছে অনেক
হঠাৎ জুতোর পেরেক তোলে!
কবিতাকে আমি ভুলে থাকি যদি
অমনি সে রেগে হঠাৎ আমায়
ডবল ডেকার বাসের সামনে ঠেলে ফেলে দেয়
আমার অসুখে শিয়রের কাছে জেগে বসে থাকে
আমার অসুখ কেড়ে নেওয়া তার প্রিয় খুনসুটি
আমি তাকে যদি
আয়নার মতো
ভেঙ্গে দিতে যাই
সে দেখায় তার নগ্ন শরীর
সে শরীর ছুঁয়ে শান্তি হয় না, বুক জ্বলে যায়
বুক জ্বলে যায়, বুক জ্বলে যায়।

22/09/2019

উজান বাওয়া
সুপ্রীতি দাস।

মা বাবা শখ করে নাম রেখেছিল ইছামতী
গতানুগতিক জীবনে আজ ইচ্ছা মতি হতে পারলাম কই?
সমাজের শ্যাওলার বেড়ি পায়ে পায়ে জড়িয়ে রইলো আজীবন!
সময়ের সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে কবে যেন ইচ্ছে গুলো দিয়েছে পাড়ি...
বাধা নিষেধের ডিঙি চেপে ঢেউ গুনে গুনে একান্ত যাপিত জীবনে অবগাহন !!

গোধূলির আলোয় আজ চোখে পড়ে সীমাহীন ধূ ধূ প্রান্তর....
স্মৃতির মিছিলে ভেসে আসে দূর দূরান্তের কতো এলোমেলো সংলাপ!
ইছামতীর মজে যাওয়া বুকে নীরব মন্ত্রোচ্চারন আজও শোনা যায়..
ভালবাসার ঐশ্বরিক অনুভব এখনো মিলিয়ে যায় নি দিগন্তরেখায়.!!

গাংচিলের ডানায় ভর করে রাত্রি নামে নিঝুম প্রহরে...
রাজপথ জনপথ পেরিয়ে নিঃশব্দে পাড় ভেঙে ভেঙে এগিয়ে যাওয়া!
ইছামতীর মনের ভিতর গভীর ঘূর্ণিপাক,,, একান্তে চোরা বাঁকে উজান বাওয়া.!!

22/09/2019

অভঙ্গুর
সৌমেন্দ্র দত্ত ভৌমিক

খণ্ড-বিখণ্ড মর্মর মূর্তির টুকরোগুলো যেন
বর্ণপরিচয়-নারীশিক্ষা বা বিধবাবিবাহ!
সাগরের মধ্যে অযুত নোংরা ছড়ালেও
সাগরের জল তেমন স্বচ্ছ, তৃপ্তিতে অবগাহ।
মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে ভয়ানক কষ্টটাই
বুঝি বিশ-মণী পাষাণের ভারে!
ভারে ও ধারে অসম্ভব চাপে ও তাপে
মান ও হুঁশের এমন দুরন্ত দৈন্য!
দীনতার তরীতে মহান পুরুষ লুণ্ঠিত
নড়বড়ে নর-রূপী দানোর বৃথা অহংকারে!

অস্বস্তির পারদ ক্রমবর্ধমান !
ভাঙন!এমন ভাঙচুরেও সম্মান অম্লান!
বীরসিংহের সিংহের সাথে ছেলেখেলায়
ধিকি ধিকি ঊর্ধ্বমুখী অন্তর্দাহ,
সাগরের মধ্যে অযুত নোংরা ছড়ালেও
সাগরের জল তেমন স্বচ্ছ, আনন্দে অবগাহ।

শ্রীরামপুর, হুগলী-৭১২২০১,
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
তারিখঃ ২৪/০৫/২০১৯ ।

Address

Serampore
712203

Telephone

+917980332416

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কবিতার ভেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to কবিতার ভেলা:

Share

Category