BJP Ranaghat Uttar Purba

Call Directions Website Contact the organization

BJP Ranaghat Uttar Purba This is the Official page of BJP Ranaghat North East Assembly Constituency. Please like this page to get connected with BJP.

14/03/2026

Live: 📍 ব্রিগেড ময়দান, কলকাতা।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা'।

20/04/2022

Bengal Means Business!

শিল্পের নামে গরু চড়ানোই যদি শিল্প হয়, তাহলে বেকার যুবকদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে! বুঝতে পারছেন?

23/01/2022

শুভ জন্মদিন মহান নেতা ♥️♥️♥️🔥🔥🔥🙏🙏🙏
সকল জাতীয়তাবাদী ভারতীয়দের হৃদয়ের প্রাণপুরুষ ♥️♥️♥️।
তোমার শুভ জন্মদিনের শুভ লগ্নে আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে জানাই আমার শত শত কোটি নমন ও আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏🙏🙏
🙏জয় হিন্দ 🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳
🙏ভারত মাতার জয় 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏♥️

01/10/2021
28/08/2021
18/08/2021

যজ্ঞ, পূজা ও ঈশ্বর...

সনাতন সংস্কৃতি তে উপাসনা একটা অন্য মাত্রায় রয়েছে। খ্রীষ্টান, ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে, গির্জা বা মসজিদ হলো উপাসনার স্থল। কিন্তু সনাতন সংস্কৃতি তে, মন্দির ঈশ্বরের নিজস্ব গৃহ। সেখানে ঈশ্বর নিজে বাস করেন। তার নিয়মিত স্নান, বস্ত্র, খাদ্যগ্রহন, এবং শয়ন সবই সাধারন একজন মানুষের মতোই হয়ে থাকে। কিন্তু এই রূপ আমরা পুরাণের সময় থেকে পেয়ে থাকি। বৈদিক মত অনুযায়ী, ঈশ্বর এর ব্যপ্তি সর্বব্যাপী। ব্রহ্মান্ডের প্রতিটি অংশে শক্তি (Energy) এবং প্রতিটি শক্তিই ঈশ্বরের স্বরূপ। প্রকৃতির প্রধান যে পাঁচটি শক্তি, অগ্নি, বায়ু, জল, আকাশ, পৃথ্বী এনারাই আরাধ্য। বৈদিক যুগের আগে থেকেই এই সুবিশাল প্রাকৃতিক শক্তিকে যজ্ঞের মাধ্যমে নৈবিদ্য নিবেদন করা হতো। রাজা, তার নিজের ইচ্ছা, আকাঙ্খ্যা, দেবতার কাছে, দুধ, ঘি, নৈবিদ্য সহযোগে নিবেদন করতেন। আহুতির মাধ্যমে সেই নিবেদন "অগ্নি"দেবের মাধ্যমে শুদ্ধ হয়ে ঈশ্বরের কাছে পৌছাতো। এবং পরিবর্তে, রাজা নিজের অভিষ্ট লাভের জন্য দেবতার কাছ থেকে বর দান পেতেন। "তথাস্তু" - অর্থাৎ তথা অস্তু, সেটাই ঘটবে, এমন বরদান ই ছিলো মূল লক্ষ্য।
যজ্ঞের স্থান হতো, জনবসতির থেকে একটু দূরে। রাজা বা যজমান এর এক এক রকম আকাঙ্খ্যার জন্য যজ্ঞের নিয়ম আলাদা থাকতো।
আমাদের সকল শক্তির উৎস সূর্য্য। এটা আমরা সবাই জানি। তাই বৈদিক যুগে আদিত্য বা সূর্য্যের গুরুত্ব অনেক ছিলো। প্রাকৃতিক শক্তির অসীম ক্ষমতা কে তুষ্ট করার জন্য, নিবেদনার্থে যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হতো। যজ্ঞের পর যেখানে যজ্ঞ হয়েছে, সেই জায়গা তে আর যাতে যজ্ঞ না করা যেতে পারে তেমন ব্যবস্থা করা হতো। আর এই সব কিছুই সিন্ধু সভ্যতার সময়ে বা তার আগে।

পরবর্তী সময়ে, এই নিবেদন ধর্মী যজ্ঞ পরিবর্তন হয়েছে, আবাহন ধর্মী পুজোতে। সেখানে এসেছে, দেবতাকে অতিথি করে, আবাহন করে ঘরে নিয়ে এসে, তার সেবা করার রীতি। ততদিনে, জন সংখ্যা বেড়েছে। সিন্ধু সভ্যতার পর প্রকৃতির রুদ্র রূপ মানুষ দেখেছে। সেখানে খাদ্যের অপ্রতুলতাও সমস্যা তৈরি করেছে। এবং সেই জন্যই অগ্নির পরিবর্তে আবাহনের মূল আধার হয়েছে, বরুন, বা জল। জলের মাধ্যমেই শস্য শ্যামলা ধরিত্রীর রূপ আসে। খাদ্যের অপ্রতুলতা কমে। এবং আবাহনের মাধ্যম হয়েছে, ঘট। আমাদের সকল পুজোর আসল অংশ হলো ঘট। তার মধ্যে জল থাকে। থাকে শ্রীফল। পঞ্চশস্য। এবং এখানে প্রকৃতির শস্য শ্যামলা রূপকেই কল্পনা করা হয়। এবং এই পরিপূর্ণ রূপ যেন চিরকালীন ভাবে থাকে তারই আবাহন করা হয়। দেবতাকে ঘরে সিঙ্ঘাসনে স্থাপন করা হয়। প্রদিপ জ্বালিয়ে, সুগন্ধী ধূপ দিয়ে, আসন পেতে তাকে স্থাপন করা হয়। মন্ত্রে উচ্চারণ করা হয়। "ইহ তিষ্ট, ইহ তিষ্ট, ইহ স্থিত, ইহ স্থিত"। তার নানা কীর্তি কে মনে করানো হয়, তার 'ভজন' করা হয়, ক্ষেত্র বিশেষে, তার পাঁচালি পড়া হয়। আর ঈশ্বরের মুর্তি, নিস্পলক দৃষ্টি তে তার ভক্তের দিকে তাকিয়ে থাকেন। যেখানে ঈশ্বরের সাথে, ভক্তের "দর্শন" হয়। এবং ঈশ্বর ভক্তের অন্তরাত্মার সকল ব্যাথা, সকল যন্ত্রণা, সকল কামনা, সকল ইচ্ছার সাথে পরিচিত হন এবং তার নিবারনে সচেষ্ট হন। সেখানে দেবতা তুষ্ট হয়ে, প্রসাদ দেন। যাতে সকল মনকামনা পূর্ণ হয়।
ঈশ্বর কে ঘরে স্থাপন করা যেতে পারে, অথবা মন্দিরে। সব ক্ষেত্রেই, দেবতা, তার অসামান্য ক্ষমতা সহ অধিষ্ঠান করেন। তার অধিষ্ঠানের সকল রকম ব্যবস্থা করা হয়। এখানে দেবতা আমাদের পরিবারের সদস্য। গোপাল, যিনি বিষ্ণূর অবতার, তার অধিষ্ঠান, ঘরে একজন পরিবারের সদস্যের মতো করা হয়। লক্ষ্মী প্রতিমা, ঘরে অধিষ্ঠান করা হলে, তাকে পরিবারের সদস্যের মতো, নিত্য পুজো, সন্ধাহ্নিক, সহ সকল আচার মেনে করা হয়। হিন্দু সংস্কৃতিতে ঈশ্বর আলাদা কোথাও থেকে আমাদের দোষ গুন বিচার করেন না। ঈশ্বর আমাদের মধ্যে থেকে আমাদের জীবন কে সহজ করে তোলার পথ দেখান। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে, প্রতিদিনের আচার আচরণের সাথে, একাত্ম হয়ে জান, এবং জীবাত্মার সাথে পরমাত্মার মিলনের এক অভিনব বিষয় তৈরি হয়।

এর পরে আরো অনেক কিছু নিয়ে লেখার ইচ্ছা আছে। আপনাদের যদি আমার লেখা ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করতে পারেন। আর কমেন্টে আপনাদের অভিমত জানাতে পারেন।
© Soham Banerjee

14/08/2021

স্বর্গ, নরক ও আমরা।

আমাদের সনাতন ধর্মে, মৃত্যুর পরবর্তী জীবন নিয়ে অনেক কিছুই লেখা আছে। কিন্তু সেটা খ্রীষ্ট ধর্ম বা ইসলাম ধর্মের থেকে অনেকটা আলাদা। খ্রীষ্ট ধর্মে বা ইসলাম ধর্মে, তাদের নিজস্ব ধর্ম প্রচারক আছেন, তারা মানুষের কি কি করলে স্বর্গ প্রাপ্তি হবে আর কি কি করলে নরক প্রাপ্তি হবে সেগুলো খুব নির্দিষ্ট করে বলেছেন, তাদের ধর্মগ্রন্থে। কিন্তু সনাতন হিন্দু ধর্মে এমন কোন কিছুই নির্দিষ্ট নেই। পুরানে আমরা দেখতে পাই যে, আমাদের মৃত্যুর পর আমাদের ক্রীত কর্মের হিসাব হয়, সেখানে আমাদের ইহ জন্মের ক্রীত কর্মের জন্য স্বর্গ বাস বা নরক বাস হতে পারে, কিন্তু কারোর ই চিরকালীন স্বর্গবাস বা চিরকালীন নরক বাস হয় না। গরুড় পুরানে নরক যন্ত্রনার নানা বর্ণনা আছে, যেমন, গায়ে গরম তেল ঢেলে দেওয়া, সুলে চড়ানো ইত্যাদি। এই সবই মানুষ কে খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখার জন্য বলেই মনে হয়।

এই প্রসঙ্গে মহাভারতের একটা বিষয় বলা প্রয়োজন বলে মনে করছি। মহাভারতে, পান্ডব রা যুদ্ধে জিতে, ৩৬ বছর রাজত্ব করার পর, বানপ্রস্থে চলে যায়, এবং তারা মনে করে যে, তারা এতো ভালো কাজ করেছে, যে তাদের স্বর্গ প্রাপ্তি নিশ্চিত। কিন্তু এই স্বর্গ যাওয়ার পথে, হিমালয়ের রাস্তায় আস্তে আস্তে যুধিষ্ঠির এর সব ভাই এর মৃত্যু ঘটে, শেষে, এক সহচর কুকুর কে নিয়ে ইন্দ্রলোকের দরজায় পৌছায় যুধিষ্ঠীর। সেখানে যখন প্রবেশ করে, স্বর্গে, ইন্দ্র তাকে আহ্বান করেন, কিন্তু যুধীষ্টীর অবাক হয়ে যান, কারন স্বর্গে তিনি দেখতে পান, কৌরবদের। অর্থাৎ, দূর্যোধন, এবং তার ভাইদের। স্বভাবতই, যুধিষ্টীর ভীষণ রেগে গিয়ে ইন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেন, কৌরব রা কেন স্বর্গে, ওদের তো নরক প্রাপ্তি হওয়ার কথা। তখন ইন্দ্র বলেন যে, না কুরুক্ষেত্রে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের সবাই তাদের ক্ষত্রিয় ধর্মের পালন করতে গিয়ে, নিজের নিজের ধর্ম পালন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, আর ধর্ম পালন করলে তো তার স্বর্গবাস নিশ্চিত। যুধিষ্টীর তখন তার বাকি ভাইদের কথা জানতে চান, ইন্দ্র তখন তাকে নরকে নিয়ে যায়, সেখানে দেখা যায়, ভীম, দ্রৌপদী, অর্জুন, নকুল সহদেব সবাই যন্ত্রনাতে কষ্ট পাচ্ছে। ভীম তার খাওয়ার মায়া ত্যাগ করতে পারেনি তাই, অর্জুন তার আত্মবিশ্বাসের অভাবের জন্য, দ্রৌপদী পাঁচস্বামী থাকা সত্ত্বেও অর্জুন কে বেশি ভালোবাসতো তাই। এমন অবস্থায় যুধিষ্টীর ভীষণ রেগে যায়, ইন্দ্রের ওপর, বলে, যে এটা একদমই অনাচার। তখন ইন্দ্র বা মতান্তরে কৃষ্ণ বলেন, যে সবকিছুর মায়া ত্যাগ করলে তবেই স্বর্গ প্রাপ্তি ঘটে, তুমি তো তোমার ক্রোধই ত্যাগ করতে পারোনি। কুরুক্ষেত্রে, কৌরবদের অন্যায়ের শাস্তি তো তাদের মৃত্যুর মাধ্যমে দিয়েছে পান্ডবরা, তাহলে একই অপরাধে কেন বার বার শাস্তি পাবে, কৌরব রা, অপরদিকে পান্ডব দের মৃত্যু তো যুদ্ধভূমিতে ধর্মপালনের জন্য হয়নি, হয়েছে জীবিত স্বর্গ প্রাপ্তির লোভের জন্য।

অর্থাৎ পুরো বিষয়টাই বিপরীত হয়ে গেলো। পুরানে বলা হয়, চারটে স্বর্গ, আর চারটে নরক আছে, যা মিলিয়ে হলো সংসার, মানুষ এই সবের মধ্যেই বারবার ঘোরাফেরা করে। আর যখন সব ধরনের আশা আকাঙ্খা মানুষের কাছে সমান হয়ে পরে, ত্যাগে শান্তি মনে হয়, তখনই একমাত্র এই সংসারের চক্র থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

মানুষের মৃত্যুর পর তার আত্মা কে একটা নদী পেরোতে হয়, যার নাম বৈতরিনী, যার খেয়া মাঝিকে দেওয়ার জন্য চিতাতে দেওয়া হয়, সোনা আর রুপোর টুকরো। সেই নদী পার হলে আত্মার ঠাঁই হয়, পিতৃলোকে। যেখানে তার পুর্বপুরুষরা থাকে। নারীদের কোথায় জায়গা হয়, সেই নিয়ে তেমন কোন উল্লেখ আমি পাই নি। সেই পিতৃলোককেই বলা হয় যমালয়। যেখানে থাকে যম। এবার পিতৃলোকের পুর্বপুরুষরা তাদের সন্তান দের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, যাতে সে আবার পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে, আর যতদিন না সেটা হচ্ছে, ততদিন, তাদের খাওয়ার জন্য পিন্ড দান করা হয়। পিন্ড দান করেন মর্তে থাকা তাদের সন্তান বা সন্তান রা।
প্রধানত তিনটে খন্ড দেওয়া হয়, একটি মনের জন্য, একটি শরীরের জন্য আর একটি আত্মার জন্য।

যম কিন্তু যমালয়ে কোন কিছুর বিচার করেন না, যমের উল্লেখ বেদে পাওয়া যায়, যার প্রধান কাজ হলো মানুষের কৃতকর্মের হিসাব রাখা, কে কি পুণ্য করলো কে কি পাপ করলো তার হিসাব অনুযায়ী তার স্বর্গ, বা নরক বা মর্ত প্রাপ্তি ঘটে থাকে।

আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়, স্বর্গ বা নরকের এই ধারনা, মানুষের জীবনের নানা সময়কে নির্দিষ্ট করার জন্য বলা হয়েছে। মানুষের জীবনে স্বর্গ বা স্বর্গ সুখ, এবং নরক বা নরক যন্ত্রনা, সময়ের সাথে সাথে ফিরে ফিরে আসে, যে মানুষটা সুখ ও দুঃখকে সমান ভাবে নিতে পারে এবং ক্ষুদ্র স্বার্থ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে, এবং সমস্যার প্রকৃত কারন খুঁজে তার সমাধানের চেষ্টা করে, সেই প্রকৃত মুক্ত। যাকে অসাধারন কোন আনন্দ যেমন ভাসাতে পারেনা, তেমনই তীব্র দুঃখ তাকে পাগল করতে পারেনা, কারন সে জানে কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়।

Gautam Gambhir Salute Sir ❤️🇮🇳🙏
02/06/2021

Gautam Gambhir Salute Sir ❤️🇮🇳🙏

বর্তমানে করনা ভ্যাকসিন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে নোংরা রাজনীতি করছে, শুধুমাত্র তৃণমূল নেতৃত্ব ও তাদের আত্মীয়-স্বজন ভ্যাকস...
31/05/2021

বর্তমানে করনা ভ্যাকসিন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে নোংরা রাজনীতি করছে, শুধুমাত্র তৃণমূল নেতৃত্ব ও তাদের আত্মীয়-স্বজন ভ্যাকসিন পাচ্ছে কিন্তু জনসাধারণ ভ্যাকসিন পাচ্ছে না,
তারই প্রতিবাদে আজ সব্দালপুর গ্রামীণ হসপিটালে আমাদের সকলের প্রিয় রানাঘাট উত্তর পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক মাননীয় শ্রী অসীম বিশ্বাস মহাশয় ও জেলা নেতৃত্ব বিপুল উকিল মহাশায় হসপিটাল সুপার এর সঙ্গে কথা বলেন এবং তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেন যে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকল কে ভ্যাকসিন দেয়াহবে।

30/05/2021

উত্তরপ্রদেশের আলীগড়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এএনএম নিহা খান ভ্যাকসিন ডাস্টবিনে ফেলে ভ্যাকসিন দাতাদের খালি সিরিজ পুশ করতো।আর অবাক হওয়ার বিষয় হলো ইনচার্জ ডঃ আফরিন সবকিছু জেনেও তথ্য গোপন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কেউ একজন এর ভিডিও করে এবং নেহা খানকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে উনি বলেছেন তিনি চেয়ে ছিলেন ভ্যাকসিন নষ্ট হোক এবং মানুষের করোনা হোক যাতে মানুষ এটা বলতে পারে যে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর কিভাবে করানো হলো...
যোগী জীকে বদনাম করার কি গভীর ষড়যন্ত্র ...

সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনটেন করে আমাদের রানাঘাট উত্তর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মাননীয় শ্রী অসীম বিশ্বাস মহাশয় বগুলা...
30/05/2021

সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনটেন করে আমাদের রানাঘাট উত্তর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মাননীয় শ্রী অসীম বিশ্বাস মহাশয় বগুলা 2 নং গ্রাম পঞ্চায়েতের কলেজপাড়া সংলগ্ন শ্রী হরি পাড়া ও সাহাপুড়ে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন এবং কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান, এবং জাতি ধর্ম নির্বিশেষে যাতে সবাই ভ্যাকসিন পায় সেই ব্যাপারে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।

Infrastructure development by Narendra Modi government in the North-East:-19 new inland National Waterways over the Brah...
30/05/2021

Infrastructure development by Narendra Modi government in the North-East:

-19 new inland National Waterways over the Brahmaputra River designated and developed.
-Construction of railway network connecting all NE State capitals in progress - 231 km of new line, 41 new stations already built.
-178 km of National Highways, 22,882 km of rural roads under PMGSY, and 987 km of BRO roads constructed. Further 187 km built under various NE development schemes.
-Dhola Sadiya bridge connecting Assam and Arunachal Pradesh, 9.15 km long, constructed. It was the first permanent road connection between the two States.
-Bogibeel combined road-rail bridge in Assam, Asia's second largest and India's largest bridge of this kind, completed.
-Bangladesh allowed multi-modal transit of goods from Tripura, Assam and Meghalaya to Chattogram and Mongla ports. Eight points of entry/exit were approved.
-Rail link to be constructed between Agartala and Akhaura by 2021, dredging of river beds in both countries to accommodate transport barges in progress.
-Kaladan Multi-Modal Transport Route development in full swing, final stretches of roads being constructed and upgraded.
-India-Myanmar-Thailand Trilateral Highway project moving forward at full steam, to be completed by 2021.
-1,656 km of gas pipelines announced, connecting cities like Guwahati, Shillong, and Aizawl to the gas grid.
-Rs. 3,000 crore invested in improved distribution networks and pipelines under PM Ujjwala Yojana. Lateral development of secondary and tertiary sector industries (bottling plants, sales offices, logistics providers etc.) led to the creation of more than 3,000 jobs. LPG coverage in the North-East crossed 90%.
-Sainik School constructed at Chhingchhip, Mizoram. Seventy five-hectare Bamboo Industrial Park to be set up at Manderdisa, Assam. Bodoland Indigenous Tribal Art & Culture Complex cm Film School set up at Kathalguri.

The Modi government's steamrolling pace of development ought to silence the detractors who

Address

BJP Ranaghat Uttar Purba Bidhansabha Office
Ranaghat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BJP Ranaghat Uttar Purba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to BJP Ranaghat Uttar Purba:

Shortcuts

Share