ADURIA

ADURIA ছোট একটি গ্রাম পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্? It has a beautiful surroundings & is also located just 5 mins walk away from river Ajay.

Hotel:::Deul Park Eco Resort :The eco-tourism facility provides moderate rooms to Delux cottages whose rates varies from Rs.700/- to 1200/-. Booking :+918900328889,+919831555594,9232740101.

18/02/2026

ইছাই ঘোষ: বর্ধমানের সেই রাজা, যাঁর নাম আজও জঙ্গলের ভেতর ফিসফিস করে…

একসময় অজয় নদীর ধারে, আজকের গড়জঙ্গলের গভীর অরণ্যে গড়ে উঠেছিল এক শক্তিশালী সামন্তরাজ্যের কেন্দ্র।
এই রাজ্যের শাসক ছিলেন — ইছাই ঘোষ।

লোককথা, মঙ্গলকাব্য আর আঞ্চলিক ইতিহাসে তাঁর নাম আজও জীবন্ত।

ধারণা করা হয়, ১১শ–১২শ শতকে তিনি অজয় নদীর দুই পাড় জুড়ে শাসন করতেন।
তাঁর রাজধানী ছিল বর্তমান গড়জঙ্গল অঞ্চল।

তখন এই এলাকা ছিল ঘন বনাঞ্চল, দুর্গসদৃশ সুরক্ষা ব্যবস্থাসহ এক গোপন শক্তিকেন্দ্র।

ইছাই ঘোষ ছিলেন শৈব উপাসক।
তিনি স্থাপন করেছিলেন শিবমন্দির।
আজও সেই ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন মেলে।

লোককথায় আছে, তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিল লাউসেনের (মঙ্গলকাব্যের চরিত্র)।
এই কাহিনী ‘ধর্মমঙ্গল’ কাব্যে পাওয়া যায়।

কিন্তু ইতিহাস আর লোককথা মিলেমিশে গেছে এখানে।
তাই বাস্তব আর কিংবদন্তির সীমারেখা ঝাপসা।

আজকের দিনে গড়জঙ্গল মানেই —
নির্জন বন, মন্দির, ধ্বংসাবশেষ আর অদ্ভুত এক নীরবতা।

কিন্তু এই নীরবতার ভেতর লুকিয়ে আছে
এক হারিয়ে যাওয়া রাজ্যের প্রতিধ্বনি।

বর্ধমান মানেই শুধু জেলা নয়।
বর্ধমান মানে স্তরে স্তরে ইতিহাস।

তথ্য - Dr. Ayan Mondal
Follow Burdwan town বর্ধমান শহর

18/02/2026
17/02/2026

হরপ্পার সমসাময়িক বর্ধমান সভ্যতা?

সিন্ধু নদের তীরে যখন গড়ে উঠেছিল হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো,
ঠিক সেই সময়েই অজয় ও দামোদরের তীরেও বিকশিত হয়েছিল এক উন্নত সভ্যতা —
আমাদের বর্ধমানের বুকে।

অজয় নদীর তীরে পাণ্ডুরাজার ঢিবি, ভাতারের বানেশ্বর ডাঙ্গা, মঙ্গলকোট, আড়া, কাঁকসা —
এই অঞ্চলগুলোতে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে পাওয়া গেছে তাম্রাশ্মীয় যুগের নিদর্শন।

কার্বন পরীক্ষায় প্রাপ্ত তারিখ খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১০০০ অব্দ।
কিন্তু গবেষকদের মতে সংরক্ষণ ত্রুটির কারণে প্রকৃত বয়স আরও প্রাচীন হতে পারে।

এখানে পাওয়া গেছে— • কৃষ্ণলোহিত মৃৎপাত্র
• লৌহ নির্মিত তরবারির অংশ
• কয়লার মতো কালো চাল ও তুষ
• অস্থি সংরক্ষণ
• নবোপলীয় কুঠার
• রোমান পটারির অনুরূপ পাত্র

এসব প্রমাণ করে— এ অঞ্চল শুধু কৃষিভিত্তিক ছিল না,
বরং বহির্বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

দুর্গাপুরের বীরভানুপুরে পাওয়া গেছে মেসোলিথিক যুগের নিদর্শন,
যার বয়স ১০,০০০ বছর পর্যন্ত পুরনো বলে ধারণা।

মঙ্গলকোটে পাওয়া গেছে— মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত ও সুলতানি যুগের ধারাবাহিক সভ্যতার চিহ্ন।

অর্থাৎ— বর্ধমানের ইতিহাস শুধু মধ্যযুগ নয়,
এটা হাজার হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার ইতিহাস।

প্রশ্ন একটাই —
এই মাটির নিচে এখনো কত ইতিহাস চাপা পড়ে আছে?

তথ্য -Dr. Ayan Mondal
্ধমান_শহর

https://www.facebook.com/share/p/1CKQZ6Gpu8/
17/02/2026

https://www.facebook.com/share/p/1CKQZ6Gpu8/

হরপ্পার সমসাময়িক বর্ধমান সভ্যতা?

সিন্ধু নদের তীরে যখন গড়ে উঠেছিল হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো,
ঠিক সেই সময়েই অজয় ও দামোদরের তীরেও বিকশিত হয়েছিল এক উন্নত সভ্যতা —
আমাদের বর্ধমানের বুকে।

অজয় নদীর তীরে পাণ্ডুরাজার ঢিবি, ভাতারের বানেশ্বর ডাঙ্গা, মঙ্গলকোট, আড়া, কাঁকসা —
এই অঞ্চলগুলোতে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে পাওয়া গেছে তাম্রাশ্মীয় যুগের নিদর্শন।

কার্বন পরীক্ষায় প্রাপ্ত তারিখ খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১০০০ অব্দ।
কিন্তু গবেষকদের মতে সংরক্ষণ ত্রুটির কারণে প্রকৃত বয়স আরও প্রাচীন হতে পারে।

এখানে পাওয়া গেছে— • কৃষ্ণলোহিত মৃৎপাত্র
• লৌহ নির্মিত তরবারির অংশ
• কয়লার মতো কালো চাল ও তুষ
• অস্থি সংরক্ষণ
• নবোপলীয় কুঠার
• রোমান পটারির অনুরূপ পাত্র

এসব প্রমাণ করে— এ অঞ্চল শুধু কৃষিভিত্তিক ছিল না,
বরং বহির্বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

দুর্গাপুরের বীরভানুপুরে পাওয়া গেছে মেসোলিথিক যুগের নিদর্শন,
যার বয়স ১০,০০০ বছর পর্যন্ত পুরনো বলে ধারণা।

মঙ্গলকোটে পাওয়া গেছে— মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত ও সুলতানি যুগের ধারাবাহিক সভ্যতার চিহ্ন।

অর্থাৎ— বর্ধমানের ইতিহাস শুধু মধ্যযুগ নয়,
এটা হাজার হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার ইতিহাস।

প্রশ্ন একটাই —
এই মাটির নিচে এখনো কত ইতিহাস চাপা পড়ে আছে?

তথ্য -Dr. Ayan Mondal
্ধমান_শহর

11/09/2025

নস্টালজিক বর্ধমান স্টেশন

31/08/2025

জাতীয় শিক্ষক সম্মান পেতে চলেছেন দুর্গাপুরের আরও এক কৃতী, সুকান্ত কোনার

21/08/2025

রেকর্ড বর্ধমান মেডিকাল কলেজের

03/08/2025

#উৎসব #১৪৩২ #শারদ সাহিত্য

21/07/2025

প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরনো উমা-মহেশ্বরের মূর্তি উঠে এলো সুরথেশ্বর তলার শিব মন্দিরের গর্ভ গৃহ সংস্কারের সময়। গর্ভ গৃহের প্রায় ৫ ফুট নিচে থেকে উদ্ধার হয়েছে মূর্তি দুটি।অতি নিষ্ঠার সাথে শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাও করা হলো। মুর্তিগুলি সম্ভবত পাল বংশের শাসনকালের।
শোনা যায় এই সুরথেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাজা সুরথ। এই মন্দিরটির ইতিহাস সম্পর্কে একটু বলি-
বোলপুর শহরের ৩ কি.মি দক্ষিণে অজয় নদের তীরে অবস্হিত সুপুর এক অতি সমৃদ্ধ ও ঐতিহাসিক গ্রাম। সুপুরে অবস্থিত বিভিন্ন পুরনো বাড়ি থেকে উঁকি মারা দেওয়ালের ইট আর মন্দির গাত্রে থাকা বট, অশথের শিকড় আজও বহু প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী আঁকড়ে ধরে আছে৷
বোলপুর শহর গড়ে ওঠার বহু আগেই সুপুর ছিল একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য কেন্দ্র৷ অজয় নদীপথে হাজারিবাগ, সুরাট, চন্দ্রকেতুগড়, তিব্বত, অসম সহ নানা জায়গা থেকে আসা পন্যসামগ্রীর ব্যবসা-বাণিজ্য চলত সুপুরে৷ আজ থেকে আড়াই-তিনশো বছর আগের কথা, ব্যবসার জন্য বাংলার উপকূলে তখন আসতে শুরু করেছে পোর্তুগিজরা৷ সেই সময় বাংলায় নুনের ব্যবসা করতে একদল ব্যবসায়ী আসে গুজরাট থেকে৷ তারাই আজ গন্ধবণিক চন্দ্র হিসেবে এই বাংলায় পরিচিত৷ কাটোয়ার গঙ্গার ধারে লবণগোলাই ছিল এদের ব্যবসার কেন্দ্র৷ এক সময় জমি জায়গা কিনে শ্রীবাটি গ্রামে স্থায়ী হয়েছিল তারা৷ এখান থেকে সুপুর বন্দরে লবণ আসত৷ সুপুরের অজয় তীরে দুটি ঘাট ছিল৷ বর্তমান সুপুর দক্ষিণ পাড়ার পশ্চাতে ছিল ‘মাঠতলার’ ঘাট, আর একটু পশ্চিমেই ছিল ‘নুন ভাঙা ঘাট’, এখানে ভিজে নুন শুকিয়ে গুঁড়ো করা হত। যে স্থানে ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা সাজিয়ে বসতেন, সেটি বর্তমানে হাটরসুলগঞ্জ নামে পরিচিত৷ ১৮৫০ সালে খানা থেকে সাঁইথিয়া গামী রেলপথ নির্মানের জন্য অজয় নদের উপর রেল ব্রীজ (বত্রিশ ফোঁকর) তৈরি হল৷ এর রূপকার ছিলেন রাইপুরের জমিদার পরিবারের নীলকন্ঠ সিংহের পুত্র রুদ্রপ্রসন্ন সিংহ এবং স্টেম্বার সাহেব৷ তাই সুপুর বন্দরের গুরূত্ব কমতে থাকে ধীরে ধীরে৷ রসুলগঞ্জের হাট উঠে গিয়ে বসল বর্তমান বোলপুর হাটতলায়৷ বোলপুরের উদ্ভবের সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্ববর্তী রাইপুর, সুপুর, সর্পলেহনা, রূপপুর, বেড়গ্রাম, দেবগ্রাম, গয়েশপুর সহ নানা গ্রামগুলি থেকে মানুষজনের ঢল নামে বোলপুরে৷ অজয়ের তীরের ইটন্ডা, সুপুর, ইলামবাজার বন্দরগুলি ফলস্বরূপ বিলীন হতে থাকে৷
অতীতে সুপুরের নাম ছিল ‘স্বপুর’/ ‘সুবাহুপুর’৷ আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার পূর্বে লাড় দেশে (বর্তমান বাংলার রাঢ় অঞ্চল) রাজত্ব করতেন রাজা সুবাহু সিংহ৷ তাঁর প্রতিষ্ঠিত জনপদ সুবাহুপুরই হল আজকের সুপুর৷ অতীতে সুপুর ছিল একটি রাজ্য৷ রাজা সুবাহুর পরবর্তী এক বংশধর ছিলেন রাজা সুরথ৷ কিংবদন্তি ঘটনা অনুযায়ী পৌরানিক রাজা সুরথ রাজ্যহারা হয়ে এখানেই আশ্রয় নেন। মার্কন্ডেয় পুরাণ অনুযায়ী তিনিই নাকি নতুন করে প্রথম বসন্তকালীন দুর্গা পুজা শুরু করেন৷ হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফিরে পেতে তিনি ভগবতী দেবী শিবিক্ষার (গ্রামদেবী) উপাসনার জন্য লক্ষ বলি দেন বলে জনশ্রুতি আছে৷ এই বলি সুপুরের শিবিক্ষা মন্দির (বাঘালা পুকুরের পার্শ্ববর্তী মন্দিরটি) থেকে শুরু করে রজতপুরের মহামায়া মন্দির হয়ে বোলপুরের ডাঙ্গালি কালিতলা পর্যন্ত হয়েছিল৷ এরপরই ডাঙ্গালি কালিতলা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল বলিপুর নামে খ্যাত হয়। এই বলিপুরই কালক্রমে হয়ে ওঠে আজকের বোলপুর।
উপরিউক্ত শিবিক্ষা মন্দিরের পশ্চিম কোণেই রয়েছে বাঘালা (বাঁধা ঘাট) পুকুর৷ পরবর্তী আমলে তৈরি পুকুরটির পূর্ব পাড়ে বাঁধানো সিঁড়ির সম্মুখেই ছিল দুটি বাঘের মূর্তি, কয়েকবছর আগেও যা লক্ষ্য করা যেত, কিন্তু কালের কপোঘাতে আজ তা বিলুপ হয়ে পড়েছে৷ এই বাঘ মূর্তি থেকেই পুকুরের নাম হয় বাঘওয়ালা পুকুর, এখন যা শুধুমাত্র বাঘালায় রূপান্তরিত হয়েছে৷
রাজা সুরথের নামধারী সুরথেশ্বর মন্দির (শিবতলা) বোলপুর-ইলামবাজার সড়কের পাশেই অবস্হিত৷ সুরথেশ্বর মন্দির একসময় ঘন জঙ্গলে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল৷ প্রায় একশো বছর আগে গজপতিনাগা নামে এক শৈব সাধু মন্দিরে এসে এই মন্দিরের আংশিক সংস্কার সাধন করেন৷ ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে রাইপুরের জমিদার বংশজ প্রমথনাথ সিংহের স্মৃতির উদ্দেশ্যে তার অর্ধাঙ্গিনী শ্রীমতি সুভাষিনী দাসীর সহায়তায় সুরথেশ্বর মন্দির নতুন করে তৈরি হয়৷
পরবর্তী পোস্টগুলির মধ্যে সুরথেশ্বর মন্দিরের সমস্ত ছবি এবং উৎসব অনুষ্ঠান নিয়ে আসছি।
© Santiniketan and Positivity শান্তিনিকেতন ও ধনাত্মকতা
#ঐতিহাসিক #হিন্দু #মন্দির

Address

Aduria
Panagarh
713148

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ADURIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ADURIA:

Share