Qari Ahmadullah Ishaati

  • Home
  • Qari Ahmadullah Ishaati

Qari Ahmadullah Ishaati Islamic quran study and learning.Islamic icon .Quran recitation.quranic tone.tajweed,maqamat,islamic lecture,speech of hadith and Quran .

সকল মাদ্রাসা মসজিদের ওলামাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি !please please🙏🙏🙏 #প্রাণপ্রিয় মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি সবিনয়ে কিছু অনুর...
06/04/2026

সকল মাদ্রাসা মসজিদের ওলামাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি !please please🙏🙏🙏

#প্রাণপ্রিয় মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতি সবিনয়ে কিছু অনুরোধ!

১/পরের সন্তানের জন্য নিজেকে বিপদে ফেলবেন না। যার জন্য ঝুঁকি নেবেন সেই আপনার শত্রু হয়ে দাঁড়াবে।

২/অভিভাবককে আপন মনে করবেন না। ওরা পর। সুযোগ পেলে আপনার খবর করে ছাড়বে।

৩/ছাত্র নিয়মিত মাদ্রাসায় না এলে ছাত্রের থেকে বেশি অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

৪/বড় কোন অপরাধ করলে মোহতামীম এবং অভিভাবকদের অভিহিত করবেন। ঝুঁকি নেবেন না।

৫/ছাত্র বা অভিভাবকের সাথে ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করবেন না। সুযোগ পেলে কামড় দেবে।

৬/ছাত্র অমনোযোগী হলে বা তাঁর মেধা কম হলে অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।

৭/পরীক্ষার রেজাল্ট অবশ্যই অভিভাবককে জানাবেন।

৮/ অভিভাবকদেরকেই শাসন করতে বাধ্য করবেন। যার ছেলে সেই শাসন করবে এটাই ফাইনাল।

৯/ অভিভাবকরা আপনাকে বলবে সন্তান কথা শুনে না এই করে সেই করে
আপনি বুঝবেন তারা আপনার খুব ক্লোজ আপন হয়ে গেছে কিন্তু
যখন আপনি শাসন করতে গিয়ে দুই চারটা বেত বেশি দিয়ে দিবেন আপনার
বিরুদ্ধে হামলা মামলা দিয়ে দিবে করার কিছু থাকবে না ভাই আমার।

এজন্য সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করবেন
পরের ছেলে গরু হোক যার মামলা শে সামলাবে

প্রিয় ভাই যদি আপনার ধৈর্য্য এবং কৌশল কম থাকে তবে অবশ্যই
অন্য কোন কাজে সময় দিন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহতালা বরকত দান করবেন
শিক্ষকতা কঠিন কাজ, এখানে আগের মত সম্মান মর্যাদা পাওয়া যায় না ভাই।😭😭

Qari Ahmadullah Ishaati

Madrasa Falahi &Gujrat 💝💖🌺🌼🌻🥀*••••{ হজ্ব ও উমরার গুরুত্ব,  ফযীলত ও মাসায়েল :  } ••••*  ----------------- *[পার্ট :০৬]*-...
06/04/2026

Madrasa Falahi &Gujrat
💝💖🌺🌼🌻🥀

*••••{ হজ্ব ও উমরার গুরুত্ব, ফযীলত ও মাসায়েল : } ••••*


----------------- *[পার্ট :০৬]*------------------

*১) হজ্ব পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মুছে দেয়:*

আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) বর্ণনা করেন, রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* ইরশাদ করেছেন---

*من حج فلم يرفث ولم يفسق غفر له ما تقدم من ذنبه.*

যে ব্যক্তি হজ্ব করে আর তাতে কোনোরূপ অশ্লীল ও অন্যায় আচরণ করে না তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। *(সুনানে তিরমিযী, হাদীস : ৮১১)*

অন্য বর্ণনায় রয়েছে---

*من حج لله فلم يرفث ولم يفسق رجع كيوم ولدته أمه.*

আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) বলেন,আমি নবী করীম *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* কে বলতে শুনেছি,যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্ব করল এবং অশ্লীল কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত থাকল সে ঐ দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে হজ্ব থেকে ফিরে আসবে যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হয়েছিল। *(সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৫২১; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৩৫০; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৭৩৮১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ২৮৮১; সুনানে নাসায়ী ৫/১১৪; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৩৬৯৪; সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস : ২৫১৪)*

অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে---

*من حج البيت فقضى مناسكه وسلم المسلمون من لسانه ويده غفر له ما تقدم من ذنبه.*

আতা ইবনে ইয়াসার (রাহ:) হতে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* বলেছেন, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হজ্ব করে,হজ্বের বিধানগুলো যথাযথভাবে আদায় করে, মুসলমানরা তার মুখ ও হাত থেকে নিরাপদ থাকে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। *(মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক, হাদীস : ৮৮১৭; তাফসীরে ইবনে কাসীর ১/৩৫৮)*

আমর ইবনুল আস (রাদিআল্লাহু তা'আলা বর্ণনা করেন(দীর্ঘ এক হাদীসে) রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* বললেন---

*أما علمت يا عمرو! أن الإسلام يهدم ما كان قبله، وأن الهجرة تهدم ما كان قبلها، وأن الحج يهدم ما كان قبله.*

হে আমর! তুমি কি জান না যে, ইসলাম (গ্রহণ)পূর্বেকার যাবতীয় পাপকে মুছে ফেলে। হিজরত তার পূর্ববর্তী গুনাহ সমূহকে মিটিয়ে দেয় এবং হজ্ব অতীতের পাপসমূহ মুছে দেয়। *(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১২১; সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস : ২৫১৫; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৭৭৭৭; শরহু মুশকিলিল আছার, হাদীস : ৫০৭)*
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*)

03/04/2026

Beautiful+Nat
💐🌹🌺💝
Qari Ahmadullah Ishaati

*••••{ হজ্ব ও উমরার গুরুত্ব , ফযীলত ও মাসায়েল :  } ••••* ----------------- *[পার্ট :০৫]*------------------যারা হজ্বের স...
31/03/2026

*••••{ হজ্ব ও উমরার গুরুত্ব , ফযীলত ও মাসায়েল : } ••••*

----------------- *[পার্ট :০৫]*------------------

যারা হজ্বের সফরের সৌভাগ্য লাভ করেন তারা যেন আল্লাহর মেহমান।তাই প্রত্যেকের উচিত সর্বদা আল্লাহর আনুগত্য ও তার ইশক-মুহববতের অনুভূতি নিয়ে সেখানে অবস্থান করা।বায়তুল্লাহ্ ও আল্লাহর অন্যান্য শে'আর ও নিদর্শনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।সকল প্রকার গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।দ্বন্দ-কলহ,ঝগড়া বিবাদ এবং অন্যায় অশ্লীলতা থেকে সর্বাত্মকভাবে দূরে থাকা।কুরআন হাদীসে এ সম্পর্কে বিশেষ হুকুমনাযিল হয়েছে।

আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেন--

*الحج اشهر معلومات فمن فرض فيهن الحج فلا رفث ولا فسوق ولا جدال في الحج، وما تفعلوا من خير يعلمه الله.*

*(তরজমা)* হজ্বের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস আছে।যে ব্যক্তি সেসব মাসে (ইহরাম বেঁধে) নিজের উপর হজ্ব অবধারিত করে নেয় সে হজ্বের সময় কোনো অশ্লীল কথা বলবে না, কোনো গোনাহ করবে না এবং ঝগড়া করবে না। তোমরা যা কিছু সৎকর্ম করবে আল্লাহ্ তা জানেন। *(সূরা বাকারা : ১৯৭)*

উক্ত আয়াতে তিনটি বিষয় থেকে বিশেষভাবে নিষেধ করা হয়েছে। *এক.* ইহরাম অবস্থায় অশ্লীল কথা বলা।এমনকি স্ত্রীর সাথে যৌন উত্তেজনা মূলক কথা বলাও নিষিদ্ধ। *দুই.* কোনো ধরনের গুনাহয় লিপ্ত হওয়া।ইহরাম অবস্থার বিশেষ গুনাহ যেমন শরীরের কোনো স্থানের চুল, পশম বা নখ কাটা, আতর বা সুগন্ধি লাগানো, পশু শিকার করা,শরীরে উকুন মারা থেকে যেরূপ বিরত থাকবে তেমনি সাধারণ অবস্থার গুনাহ যেমন অন্যকে কষ্ট দেওয়া, কু-দৃষ্টি ও গীবত শেকায়েত থেকেও বিরত থাকবে। *তিন.* ঝগড়া- বিবাদে লিপ্ত হওয়া।

এ ধরনের পাপ- পঙ্কিলতা ও ঝগড়া-বিবাদমুক্ত হজ্বকেই হাদীস শরীফে হজ্বে মাবরূর বা মকবুল হজ্ব বলা হয়েছে এবং এর বিশেষ বিশেষ ফযীলত ও মর্যাদা উল্লেখিত হয়েছে।এখানে কিছু ফযীলত বর্ণনা করা হবে ইনশাআল্লাহ্!!
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

26/03/2026

গজল এবং কেরাত প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে নিয়োগ ছিলাম!
Qari Ahmadullah Ishaati

*••••{ শাওয়ালের ছয় রোযা :  } ----------------- *[পার্ট :০২]*------------------*রমযানের রোযা কবুল হওয়ার আলামত:*শাওয়াল...
23/03/2026

*••••{ শাওয়ালের ছয় রোযা : }
----------------- *[পার্ট :০২]*------------------

*রমযানের রোযা কবুল হওয়ার আলামত:*

শাওয়ালের রোযার একটি ফযীলত হল,এই রোযা রমযানের রোযা কবুল হওয়ার একটি আলামত। রমযান মাসের রোযা রাখার পর শাওয়াল মাসে কিছু রোযা রাখা একথার আলামত যে, আল্লাহ তাআলার দরবারে রমযানের রোযা কবুল হয়েছে। কেননা আল্লাহ তাআলা যখন বান্দার কোনো আমল কবুল করেন তখন অন্য একটি নেক আমলের তাওফীক দান করেন।

*قَالَ مَنْ قَالَ مِنْ السّلَفِ كَسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ: إنّ مِنْ ثَوَابِ الْحَسَنَةِ الْحَسَنَةُ بَعْدَهَا وَإِنّ مِنْ عُقُوبَةِ السّيِّئَةِ السّيِّئَةُ بَعْدَهَا.*

সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রাহ:) ও আরো কোনো কোনো সালাফের বক্তব্য হল, নেক আমলের প্রতিদান হচ্ছে, এর পর আরো নেক আমলের তাওফীক পাওয়া। আর গোনাহের শাস্তি হল, এর পর আরো গোনাহে লিপ্ত হওয়া। *(মাজমূউল ফাতাওয়া, ইবনে তাইমিয়া ১০/১১)*

সালাফের এই কথার সমর্থন কুরআন মাজীদেই বিদ্যমান। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন----

*وَ الَّذِیْنَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًی وَّ اٰتٰىهُمْ تَقْوٰىهُمْ.*

যারা হেদায়েতের পথ অবলম্বন করেছে, আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েতে উৎকর্ষ দিয়েছেন এবং তাদেরকে দান করেছেন তাদের (প্রয়োজনীয়) তাকওয়া। *(সূরা মুহাম্মাদ : ১৭)*

আয়াতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, হেদায়েত ও নেক আমলের পথে চললে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে আরো বেশি তাকওয়া ও হেদায়েতের তাওফীক দান করেন।
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*)

(*নিষিদ্ধ দিনে রোযা রাখার বিধান)*(*প্রচারে: Maulana Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)*(প্রশ্ন: যদি কেউ নফল রোযা রাখে নিষিদ্ধ...
23/03/2026

(*নিষিদ্ধ দিনে রোযা রাখার বিধান)*

(*প্রচারে: Maulana Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*(প্রশ্ন: যদি কেউ নফল রোযা রাখে নিষিদ্ধ দিনে (অর্থাৎ দুই ঈদ এবং আইয়‍্যামে তাশরীকে) অতঃপর তা ভেঙ্গে ফেলে তাহলে তার উপর কাযা করা ওয়াজিব❓*

*উত্তর:* নফল রোযা রেখে ভেঙ্গে দিলে কাযা করা *ওয়াজিব*। তবে নিষিদ্ধ দিনে রোযা রেখে ভেঙ্গে দিলে কাযা করা *ওয়াজিব নয়*।

*وفي الهداية : ومن دخل في صلاة التطوع او فى صوم التطوع ثم افسده قضاه. باب ما يوجب القضاء الكفارة*

(*الهداية: ج ا صـ ٢٢٣ اشرفية*)

(*প্রমাণ:*)

(*হিদায়া:১/২২৩, পৃষ্ঠা*)

( *আল বাহরুর রায়েক: ২/২৯৮, পৃষ্ঠা*)

( *খুলাছাহ:১/২৬৫, পৃষ্ঠা*)

(*ফাতাওয়ায়ে কাসেমীয়া:১/৬০৪, পৃষ্ঠা*)

*واللہ اعلم بالصواب*

আপনারা এই চ্যানেলে টিকে follow করুন এবং শেয়ার করুন
Qari Ahmadullah Ishaati

23/03/2026

Alhamdilillah
وتعز من تشاء وتذل من تشاء
🌺💝💐🌻🌹
Qari Ahmadullah Ishaati

*••••{ ঈদের নামাজ: জরুরি মাসায়েল  } ••••* ( *Qari Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*) https://whatsapp.com/channel/0029VagbKl...
20/03/2026

*••••{ ঈদের নামাজ: জরুরি মাসায়েল } ••••*

( *Qari Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

https://whatsapp.com/channel/0029VagbKlU7T8bSwBkDtF3i

----------------- *[পার্ট :০২]*------------------

*ঈদের নামাযের স্থান:*

*মাসআলা :০৭)* ঈদের নামায ঈদগাহে ও খোলা মাঠে পড়া সুন্নত। রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* এবং খোলাফায়ে রাশেদীন সকলেই ঈদের নামায ঈদগাহে পড়তেন।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) বলেন----

*كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَخْرُجُ يَوْمَ الفِطْرِ وَالأَضْحَى إِلَى المُصَلّى.*

রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন (ঈদের নামাযের জন্য) ঈদগাহে যেতেন। *(সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৬৫)*

হযরত আলী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) বলেন----

*الْخُرُوجُ إِلَى الْجَبّانِ فِي الْعِيدَيْنِ مِنَ السّنّةِ.*

দুই ঈদে (ঈদের নামাযের জন্য) খোলা মাঠে যাওয়া সুন্নত। *(আলমুজামুল আওসাত, তবারানী, হাদীস ৪০৪০)*

*মাসআলা :০৮)* মাঠে ঈদের নামায পড়ার ব্যবস্থা থাকলে বিনা ওযরে মসজিদে ঈদের জামাত করবে না। তবে কোথাও বিনা জরুরতে এমনটি করা হলে ঈদের নামায আদায় হয়ে যাবে।
প্রকাশ থাকে যে, বর্তমানে শহরে ঈদগাহ কম, বিধায় অধিকাংশ মসজিদে ঈদের জামাত হয়। জায়গা সংকুলান না হওয়া বা বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে মসজিদে ঈদের নামায পড়লে সুন্নতের খেলাফ হবে না। ওযরের সময় মসজিদে পড়া হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

হযরত আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন---

*أَصَابَهُمْ مَطَرٌ فِي يَوْمِ عِيدٍ، فَصَلّى بِهِمُ النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ صَلَاةَ الْعِيدِ فِي الْمَسْجِدِ.*

কোনো এক ঈদের দিন বৃষ্টি তাঁদেরকে পেয়ে বসে। ফলে রাছুলুল্লাহ্ *(ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছল্লাম)* সাহাবীদের নিয়ে মসজিদে ঈদের নামায আদায় করেন। *(সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১১৫৩)*
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

Qari Ahmadullah Ishaati

*••••{ ঈদের নামাজ: জরুরি মাসায়েল  } ••••* ( Maulana Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*) ----------------- *[পার্ট :০১]*------...
20/03/2026

*••••{ ঈদের নামাজ: জরুরি মাসায়েল } ••••*

( Maulana Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

----------------- *[পার্ট :০১]*------------------

*ঈদের নামায কাদের উপর ওয়াজিব:*

*মাসআলা :০১)* যাদের উপর জুমার নামায ফরয, তাদের উপর ঈদের নামায ওয়াজিব।অর্থাৎ, প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, যেসকল মুসলিম পুরুষ, জামাতে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামায আদায়ের সক্ষমতা রাখে তাদেরকে ঈদের নামায পড়তে হবে। *(আলমুহীতুল বুরহানী ২/৪৭৬; বাদায়েউস সানায়ে ১/৬১৭; শরহুল মুনইয়া,পৃষ্টা- ৫৬৫)*

*মাসআলা :০২)* মহিলাদের উপর ঈদের নামায ওয়াজিব নয়। অনুরূপ এমন অসুস্থ পুরুষ, যে ঈদগাহে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামায আদায়ের সক্ষমতা রাখে না, তার উপরও ঈদের নামায ওয়াজিব নয়। *(কিতাবুল আছল-১/৩২৩; মাবসূত, সারাখসী ২/৪০; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৪৮৫; বাদায়েউস সানায়ে ১/৬১৭)*

*মাসআলা :০৩)* মুসাফির তথা যে ৪৮ মাইল বা ৭৮ কি. মি. দূরত্বে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ এলাকা ত্যাগ করেছে- এমন ব্যক্তির উপর ঈদের নামায ওয়াজিব নয়। তবে সে যদি ঈদের নামায পড়ে তাহলে তা সহীহ হবে এবং এর সওয়াবও পাবে। *(আততাজরীদ, কুদুরী ২/৯৮১; বাদায়েউস সানায়ে ১/৬১৭; আযযাখীরাতুল বুরহানিয়া ২/৩৯৬)*

*মাসআলা :০৪)* হজ্বের সফরে থাকা লোকদের জন্য ঈদুল আযহার নামাযের বিধান নেই। *(আযযাখীরাতুল বুরহানিয়া ২/৩৯৪)*

*ঈদের নামাযের ওয়াক্ত:*

*মাসআলা :০৫)* ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হচ্ছে- সূর্য উদিত হয়ে (নামাযের) নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু করে যাওয়াল তথা সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ার আগ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই ঈদের নামায পড়তে হবে। যাওয়ালের পর আর ঈদের নামায সহীহ হবে না। *(সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১১৩৫; আননুতাফ ফিল ফাতাওয়া,পৃষ্টা-৬৫; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৪৭৭; বাদায়েউস সানায়ে ১/৬১৯)*

*মাসআলা :-০৬)* ঈদুল আযহার নামায ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দেরি না করে একটু তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব। যাতে কুরবানীর কাজ দ্রুত শুরু করা যায়। আর ঈদুল ফিতরের নামাযও ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি আদায় করে নেবে। *(মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, বর্ণনা ৫৬৫১; আননুতাফ ফিল ফাতাওয়া, পৃষ্টা-৬৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১৬০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া; ১/১৫০)*
:
:
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*
_*📋 নিজে পড়বেন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।*_

Qari Ahmadullah Ishaati

14/03/2026

📌 *`লাইলাতুল কদর : গুরুত্ব ও ফযীলত`*||👇📌

*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*

রমযানের পুরো মাস জুড়ে বিরাজ করে রহমত বরকত এবং ক্ষমার ঘোষণা। তবে এ মাসে রয়েছে বিশেষ এক মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা এ রাতের ব্যাপারে বলেন

*لَیْلَةُ الْقَدْرِخَیْرٌ مِّنْ اَلْفِ شَهْرٍ. تَنَزَّلُ الْمَلٰٓىِٕكَةُ وَ الرُّوْحُ فِیْهَا بِاِذْنِ رَبِّهِمْ ۚ مِنْ كُلِّ اَمْرٍ، سَلٰمٌ ، هِیَ حَتّٰی مَطْلَعِ الْفَجْرِ۠.*

কদর রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। সেই রজনীতে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতরণ করেন প্রত্যেক কাজে তাদের রবের অনুমতিক্রমে। শান্তিই শান্তি, সেই রজনী সুবহে সাদিক উদিত হওয়া পর্যন্ত।

(*সূরা কদর (৯৭) : ৩-৫*)

তাই এ রাতের অন্বেষণে যেমন আগ্রহী হওয়া জরুরি তেমনি এ রাতে ইবাদত বন্দেগী নফল নামায, তিলাওয়াত, যিকির, তওবা-ইস্তিগফার, দুআ-দরূদ ইত্যাদির প্রতিও আরো যত্নবান হওয়া কাম্য।

(*লাইলাতুল কদর : যে রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে*)

রমযানের কদর রজনীতে আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীম নাযিল করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন

*اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ فِیْ لَیْلَةِ الْقَدْرِ.*

নিশ্চয়ই আমি কদর রজনীতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি।

(*সূরা কদর (৯৭) : ১*

আরো ইরশাদ হয়েছে

*اِنَّاۤ اَنْزَلْنٰهُ فِیْ لَیْلَةٍ مُّبٰرَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِیْنَ.*

আমি এ (কিতাব) অবতীর্ণ করেছি বরকতপূর্ণ রজনীতে, বস্তুত আমি সতর্ককারী।

( *সূরা দুখান (৪৪) : ৩*)

এখানে লাইলাতুম মুবারকা বা বরকতময় রজনী বলতে শবে কদর বুঝানো হয়েছে।তো কদর রজনী একদিকে যেমন মহিমান্বিত অপরদিকে তা অত্যন্ত বরকতপূর্ণও বটে।

(*লাইলাতুল কদর : যে রাতে গুনাহ মাফ হয়*)

এ রাতে আল্লাহ তাআলার অবারিত রহমত ও করুণা বর্ষিত হয়। নবীজী বলেন

*مَنْ قَامَ لَيْلَةَ القَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدّمَ مِنْ ذَنْبِهِ.*
..যে ব্যক্তি ঈমান ও ইহতিসাব তথা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং সওয়াব প্রাপ্তির প্রত্যাশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম (ইবাদত-বন্দেগী) করবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

(*সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০১৪*)

তো ঈমান ও ইহতিসাবের উপলব্ধি জাগরূক রেখে লাইলাতুল কদরে কিয়াম (ইবাদত-বন্দেগী) করা বান্দার গুনাহ মাফের একটি বড় মাধ্যম।

(*লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হওয়া অনেক বড় মাহরূমী*)

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তাঁর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে এত বড় খোশখবরী পাওয়ার পর এ রাতের ক্ষমা ও রহমত লাভের চেষ্টা না করা অনেক বড় বঞ্চনার বিষয়। হযরত আনাস রা. বলেন, রমযান আসলে নবীজী বলতেন

*إِنّ هَذَا الشّهْرَ قَدْ حَضَرَكُمْ، وَفِيهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ، مَنْ حُرِمَهَا فَقَدْ حُرِمَ الْخَيْرَ كُلّهُ، وَلَا يُحْرَمُ خَيْرَهَا إِلّا مَحْرُومٌ.*

এই মহিমান্বিত মাস উপস্থিত। তাতে একটি রজনী রয়েছে, যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ ও বরকত থেকে বঞ্চিত হল সে যেন সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল। আর কেবল অভাগাই এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকে।

(*সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৬৪৪;*)

( *সুনানে নাসাঈ, হাদীস নং ২১০৬;*)

( *সুনানে কুবরা, নাসাঈ, হাদীস নং ২৪২৭*)

সুতরাং হেলায় না কাটিয়ে কদরের রাতের কদর করা দরকার।

(*নবীজী ﷺ শেষ দশকে ইবাদত বাড়িয়ে দিতেন*)

----------------------------------------------------------
হাদীস শরীফের ভাষ্য অনুযায়ী কদরের রাত সুনির্দিষ্ট নয়। তবে রমযানের শেষ দশকে তা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এ হিসেবে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে ইবাদতের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন।আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রা. নবীজীর শেষ দশকের আমলের বিবরণ দিয়ে বলেন

*كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَجْتَهِدُ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ، مَا لَا يَجْتَهِدُ فِي غَيْرِهِ.*

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য দিনগুলোর তুলনায় রমযানের শেষ দশকে বেশি ইবাদত করতেন।

(*সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৭৫*)

তিনি আরো বলেন

*كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ،إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ، أَحْيَا اللّيْلَ، وَأَيْقَظَ أَهْلَهُ، وَجَدّ وَشَدّ الْمِئْزَرَ.*

রমযানের শেষ দশক শুরু হলে নবীজী পূর্ণ রাত্রি জাগরণ করতেন। পরিবারের সবাইকে জাগিয়ে দিতেন এবং নিজে কোমর বেঁধে ইবাদতে মগ্ন হতেন।

( *সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ;১১৭৪;*)

( *সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০২৪*)

(*যেভাবে লাভ করতে পারি শবে কদরের ন্যূনতম ফযীলত*)

মুমিনমাত্রেরই কর্তব্য হল কদর রজনীর পূর্ণ কদর করা। অন্তত এ রাতে বিলকুল গাফেল না থাকা। রমযান মাসের ফরয নামাযগুলো জামাতের সাথে আদায় করার মাধ্যমে কদর রজনীর ন্যূনতম কদর হতে পারে। হাদীস শরীফে এসেছে

*مَنْ صَلّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنّمَا قَامَ نِصْفَ اللَيْلِ، وَمَنْ صَلّى الصُبْحَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنّمَا صَلّى اللّيْلَ كُلّهُ.*

যে ব্যক্তি ইশার নামায জামাতে আদায় করল সে যেন অর্ধ রজনী কিয়াম করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাযও জামাতে আদায় করল সে যেন পূর্ণ রাত নামায পড়ল।

(*সহীহ মুসলিম, হাদীস নং :৬৫৬*)

তাই এ মাসে জামাতে নামাযের প্রতি সবিশেষ যত্নবান হওয়া জরুরি। তাহলে আশা করা যায় শবে কদরের ন্যূনতম ফযীলত থেকে মাহরূম হব না ইং'শা'আল্লাহ।

(*শবে কদরে কী দুআ করব❓*)

লাইলাতুল কদর যেহেতু বিশেষ রজনী, তাই এ রাতে বিশেষ কিছুই চাওয়া দরকার।তো আমি বিশেষভাবে কী চাইব এবং কীভাবে চাইব? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তাও শিখিয়ে দিয়েছেন। আম্মাজান হযরত আয়েশা রা. নবীজীকে জিজ্ঞাসা করেন ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ, যদি আমি জানতে পারি, আজ লাইলাতুল কদর তাহলে আমি কী দুআ করতে পারি? নবীজী বললেন, তুমি বল

*اللّهُمّ إِنّكَ عُفُوّ تُحِبّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي.*

আয় আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করতেই ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

( *জামে তিরমিযী, হাদীস নং :৩৫১৩*)

একজন মুমিনের জন্য তার রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও সন্তুষ্টি অপেক্ষা বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!

তাৎপর্যপূর্ণ এ দুআটি কেবল লাইলাতুল কদরের জন্যই নির্ধারিত নয়। পুরো রমযানেই, ইফতারীর সময়, সাহরীর সময় এবং অন্যান্য সময়েও পড়া যায়। এমনকি রমযান ছাড়াও এ দুআ পড়া যায়। নবীজীর শেখানো দুআ যত পড়া যায় ততই লাভ।

(*লাইলাতুল কদরের তালাশে..*)

হাদীস শরীফে কদর রজনী নির্ধারিত করে দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট হাদীসগুলো সামনে রেখে যা বুঝে আসে, লাইলাতুল কদর লাভের জন্য গোটা রমযান, বিশেষ করে রমযানের শেষ দশক, আরো বিশেষ করে বললে শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে তা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই শেষ দশকে শবে কদরের অন্বেষণে পূর্ণ মনোযোগী এবং প্রস্তুত থাকা চাই। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন

*تَحَرّوْا لَيْلَةَ القَدْرِ فِي العَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ.*

তোমরা রমযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ কর।

(*সহীহ বুখারী, হাদীস নং :২০২০*)

আরেক বর্ণনায় এসেছে

*الْتَمِسُوهَا فِي العَشْرِ الأَوَاخِرِ فِي الوَتْرِ.*

তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে কদর অন্বেষণ করো!

(*সহীহ বুখারী, হাদীস ২০১৬*)

যেহেতু হাদীসে লাইলাতুল কদর নির্ধারিত করে বলা হয়নি তাই নির্দিষ্ট কোনো রাতে নির্দিষ্ট কিছু আনুষ্ঠানিকতার
Qari Ahmadullah Ishaati

14/03/2026

(*সদকাতুল ফিতরের বিধি-বিধান)*

(*Hafiz Qari Maulana: Ahmadullah*)
━━━━━━ • ✿ • ━━━━━━

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিন সকালে সিয়াম পালনকারীরা যেভাবে নিজে খায় তেমনি দরিদ্রদের খাওয়ানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর ইসলামে যে অর্থ দিয়ে সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই দানকে শরিয়তের পরিভাষায় সদকাতুল ফিতর বলে। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সদকাতুল ফিতর রোজাকে বেহুদা ও অশ্লীল কথাবার্তা ও আচরণ থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে এবং মিসকিনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি তা (ঈদুল ফিতরের) নামাজের পরে পরিশোধ করে তা অন্যান্য সাধারণ দান-খয়রাতের অনুরূপ হিসাবে গণ্য।

(*সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১৬০৯)*

বস্তুত এক মাস রোজা রাখতে গিয়ে আমাদের ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় যেসব ছোট ভুলত্রুটি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবেই সদকাতুল ফিতর।

*✦ সদকাতুল ফিতর কার ওপর ওয়াজিব*)

প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী, যার হাতে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় বস্তু ব্যতীত অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার ওপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব।

*✦ সদকাতুল ফিতর কে আদায় করবে)*

সদকাতুল ফিতর নিজের পক্ষ থেকে এবং তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজিব। নিজের স্ত্রী ও প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে স্বামী ও বাবার জন্য সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব নয়, তারা নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে নিজেরাই তাদেরটা আদায় করবে। তবে স্বামী ও বাবা যদি তাদের পক্ষ থেকে আদায় করে দেয়, তাহলে সদকাতুল ফিতর আদায় হয়ে যাবে।

*✦ সদকাতুল ফিতর কাকে দেবে*

জাকাত গ্রহণের উপযুক্ত যেকোনো গরিব মুসলমানকে সদকাতুল ফিতর দেবে। যদি আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কেউ জাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হয়, তাহলে অন্যদের তুলনায় তাদের দেওয়াই উত্তম। তাই ভাই-বোন, চাচা-ভাতিজা, মামা, খালা, ফুফু এদেরকে দেওয়া যাবে। তবে নিজ পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি প্রমুখ ব্যক্তি, তেমনি নিজের ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি এবং তাদের অধীনস্তকে সদকাতুল ফিতর দেওয়া যাবে না।

*✦ সদকাতুল ফিতর কখন আদায় করবেন*)

ঈদের আগেই সদকাতুল ফিতর আদায় করে দেওয়া উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) লোকদের ঈদের নামাজের উদ্দেশে বের হওয়ার আগেই সদকাতুল ফিতর আদায় করার নির্দেশ দেন।

(*সহীহ বুখারি, হাদিস : ১৪২১)*

তাই সদকাতুল ফিতর রমাজানের শেষ দিকে আদায় করা উচিত। কারণ এতে গরিব মানুষের ঈদের প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে।

(*আল-বাহরুর রায়েক : ২/২৫৫, পৃষ্ঠা*)

*✦ ঈদের আগে আদায় করতে না পারলে)*

সদকাতুল ফিতর আদায় করা আবশ্যক। যথাসময়ে কেউ যদি কোনো কারণে আদায় করতে না পারে, তাহলে ঈদের পরে হলেও যথাসম্ভব দ্রুত আদায় করে দিতে হবে। আর ভবিষ্যতে যেন এমন না হয় এ ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবে।

*✦ জাকাত ফরজ না হলে ফিতরা আদায় করতে হয় না❓*

আমাদের অনেকের ধারণা, যদি কারো ওপর জাকাত ফরজ না হয় তাহলে তার ওপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয় না। অথচ এমন ধারণা ঠিক নয়। কোনো লোকের ওপর জাকাত ফরজ না হলেও সদকাতুল ফিতর আবশ্যক হয়। কারণ জাকাত ও সদকাতুল ফিতরের নিসাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। জাকাত শুধু তিন প্রকারের সম্পদের ওপর ফরজ হয়। জাকাত শুধু সোনা-রুপা, টাকা-পয়সা এবং ব্যবসায়ী পণ্যের ওপরই ফরজ হয়।

আর সদকাতুল ফিতর প্রয়োজন অতিরিক্ত সব ধরনের সম্পদের ওপর ওয়াজিব হয়। বসবাসের অতিরিক্ত ঘরবাড়ি, প্রয়োজন অতিরিক্ত গাড়ি, ঘরের অপ্রয়োজনীয় আসবাব ইত্যাদি সদকাতুল ফিতরের নিসাবের আওতায় আসে। তাই এমন ধারণা ঠিক নয় যে জাকাত ফরজ না হলে সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয় না।

*✦ রোজা না রাখলে ফিতরা আদায় করতে হয়❓*

শরিয়ত কর্তৃক কোনো ওজরের কারণে কেউ যদি রোজা রাখতে না পারে, তাহলে তার সদকাতুল ফিতর আদায় করতে হয় না, এমনটা অনেকেই ধারণা করেন। এই ধারণাও সম্পূর্ণ ভুল। কারণ সদকাতুল ফিতর স্বতন্ত্র একটি ইবাদত। ওজরের কারণে রোজা রাখতে না পারলে সে যদি নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হয়, তাহলে তাকেও সদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।

*✪ অসম্পূর্ণ | বাকি অংশ...✍️*

*উৎসঃ মুসলিম বাংলা*

─━━━━━━━━⊱✿⊰━━━━━━━─
Qari Ahmadullah Ishaati

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qari Ahmadullah Ishaati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share