Nabadwip Dham Oxford of East

Nabadwip Dham Oxford of East "প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত নবদ্বীপের প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ডিজিটাল সংগ্রহশালা।”

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড-নবদ্বীপের গৌরবগাথা।ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু শহরের নাম লেখা থাকে, যাদের পরিচয় কোনো রাজ্য বা সাম্রাজ্...
22/06/2026

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড-নবদ্বীপের গৌরবগাথা।

ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু শহরের নাম লেখা থাকে, যাদের পরিচয় কোনো রাজ্য বা সাম্রাজ্যের সীমায় আবদ্ধ নয়; নবদ্বীপ তেমনই এক নগরী
জ্ঞান, তর্ক ও দর্শনের চিরন্তন রাজধানী।

"প্রাচ্যের অক্সফোর্ড: নবদ্বীপ"

যখন ইউরোপের বহু বিশ্ববিদ্যালয় তখনও নিজেদের পূর্ণ বিকাশের পথে, তখন ভাগীরথীর তীরে এক ছোট্ট জনপদ জ্ঞান, তর্ক, দর্শন ও শাস্ত্রচর্চার দীপ্ত আলোয় আলোকিত করেছিল সমগ্র ভারতবর্ষকে। সেই জনপদের নাম নবদ্বীপ- যে নগরীর খ্যাতি একদিন ছড়িয়ে পড়েছিল কাশী, মিথিলা, উড়িষ্যা, কামরূপ থেকে সুদূর দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অসংখ্য জ্ঞানপিপাসু ছাত্র ও পণ্ডিতের পদচারণায় মুখর ছিল এই বিদ্যাপীঠ। তাই ইতিহাসের পাতায় নবদ্বীপ স্থান করে নিয়েছে "প্রাচ্যের অক্সফোর্ড" নামে।

বৃন্দাবন দাস ঠাকুর তাঁর চৈতন্যভাগবত-এ লিখেছিলেন,

"নানা দেশ হৈতে লোক নবদ্বীপ যায়।
নবদ্বীপে পড়িলে সে বিদ্যারস পায়॥
অতএব পড়ুয়ার নাহি সমুচ্চয়।
লক্ষ কোটি অধ্যাপক নাহিক নির্ণয়॥"

এই পঙ্‌ক্তি কেবল কাব্যের অলংকার নয়; মধ্যযুগীয় নবদ্বীপের বাস্তব চিত্রেরই প্রতিফলন। ভারতবর্ষের নানা প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে আসতেন ন্যায়, নব্যন্যায়, স্মৃতি, বেদান্ত, মীমাংসা, ব্যাকরণ, অলঙ্কার, জ্যোতিষ ও তন্ত্রশাস্ত্র অধ্যয়নের জন্য। নবদ্বীপের টোলগুলি ছিল সেই সময়ের উচ্চশিক্ষার শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র, যেখানে বিদ্যার মর্যাদা ছিল সর্বোচ্চ।

পাল ও সেন যুগে বাংলায় যে জ্ঞানচর্চার ভিত্তি নির্মিত হয়, নবদ্বীপ তার অন্যতম প্রধান ধারক হয়ে ওঠে। একাদশ ও দ্বাদশ শতকে সেন রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অঞ্চলে সংস্কৃত শিক্ষা ও শাস্ত্রচর্চার বিস্তার ঘটে। পরবর্তী সময়ে নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন সত্ত্বেও বিদ্যার সেই দীপশিখা নিবে যায়নি;
বরং পণ্ডিতসমাজের নিরলস সাধনায় তা আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

পঞ্চদশ শতকে নরহরি বিশারদের প্রতিষ্ঠিত চতুষ্পাঠী নবদ্বীপকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। তাঁর উত্তরসূরি বাসুদেব সার্বভৌম এবং পরবর্তীকালে মহামতি রঘুনাথ শিরোমণির হাত ধরে নবদ্বীপ নব্যন্যায় দর্শনের বিশ্ববিখ্যাত কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

নবদ্বীপের শিক্ষাব্যবস্থার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এর অবৈতনিক চরিত্র। এখানে বিদ্যা বিক্রয়ের বস্তু ছিল না; ছিল সাধনা ও দানের বিষয়। পণ্ডিতগণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনও বেতন গ্রহণ করতেন না। বরং তাঁদের আহার, বাসস্থান ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থাও করতেন। জ্ঞানকে সমাজের সম্পদ হিসেবে দেখার এই মহৎ দৃষ্টিভঙ্গি নবদ্বীপকে অন্য সকল শিক্ষাকেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র মর্যাদা প্রদান করেছিল।

সমসাময়িক বিবরণে জানা যায়, নবদ্বীপে একসময় হাজার হাজার ছাত্র এবং শত শত অধ্যাপক বিদ্যাচর্চায় নিয়োজিত ছিলেন। টোলগুলির আঙিনা মুখর থাকত শাস্ত্রার্থ, তর্কবিতর্ক ও জ্ঞানান্বেষণের উচ্ছ্বাসে। একজন পণ্ডিতের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছাত্ররা তাঁর কাছে শিক্ষাগ্রহণের জন্য ছুটে আসতেন। বিদ্যার এই অবাধ প্রবাহ নবদ্বীপকে কেবল বাংলার নয়, সমগ্র ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধিক রাজধানীতে পরিণত করেছিল।

শুধু শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেই নয়, নবদ্বীপ ছিল আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক নবজাগরণেরও উৎসভূমি। এই পুণ্যভূমিতেই আবির্ভূত হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু, যাঁর প্রেম, ভক্তি ও মানবতার বাণী সমগ্র বিশ্বের কাছে নবদ্বীপের পরিচয়কে আরও মহিমান্বিত করেছে।

আজও নবদ্বীপের প্রাচীন টোল, মঠ, মন্দির ও ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় এক গৌরবোজ্জ্বল অতীতের কথা-যখন এই নগরী ছিল ভারতীয় জ্ঞানচর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র। তাই নবদ্বীপ শুধু একটি শহর নয়;
এটি বাংলার বিদ্যা, দর্শন, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অমূল্য ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার।

© সিন্ধু ভিশন

#নবদ্বীপ

অতীতের গৌরবময় ঐতিহ্য আজ ক্ষয়ের প্রহর গুনছে- "নবদ্বীপের বড় আখড়া"সময়ের নির্মম আঘাতে যখন একের পর এক ঐতিহ্যের স্মারক হারিয়ে ...
19/06/2026

অতীতের গৌরবময় ঐতিহ্য আজ ক্ষয়ের প্রহর গুনছে- "নবদ্বীপের বড় আখড়া"

সময়ের নির্মম আঘাতে যখন একের পর এক ঐতিহ্যের স্মারক হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন নবদ্বীপের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা বহু প্রাচীন বৈষ্ণব ঐতিহ্যের নিঃশব্দ সাক্ষী বড় আখড়া যেন আমাদের ইতিহাসবোধ ও দায়িত্ববোধের কাছেই এক নীরব প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। একদা যে স্থান ভক্তি, সাধনা, শাস্ত্রচর্চা ও বৈষ্ণব সমাজজীবনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল, আজ সেই ঐতিহ্যমণ্ডিত নাটমন্দির ও শ্রীশ্রী বৈষ্ণব সভা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে।

মহন্ত তিলকরাম দাসজীর প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন আখড়ার ইতিহাস নবদ্বীপের বৈষ্ণব সংস্কৃতির ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আনুমানিক আঠারো শতকের শেষভাগ বা ঊনিশ শতকের সূচনালগ্নে প্রতিষ্ঠিত এই আখড়া শুধু একটি ধর্মীয় কেন্দ্রই ছিল না; এটি ছিল ভক্তি আন্দোলনের ধারক ও বাহক, যেখানে অসংখ্য সাধক, বৈষ্ণব ও পণ্ডিতের পদধূলিতে ধন্য হয়েছিল নবদ্বীপের মাটি।

বড় আখড়ার অন্তঃস্থলে বিরাজমান শ্রীশ্রী রাধাকান্ত জিউর মনোরম বিগ্রহ যুগের পর যুগ ধরে ভক্তসমাজের শ্রদ্ধা ও ভক্তির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে। প্রাচীন সেবাপদ্ধতি, শাস্ত্রসম্মত পূজার্চনা এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ এই স্থানকে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করেছে।
‘বড় আখড়া’ নামটির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব। একসময় এটি ছিল বৈষ্ণব সাধু ও পণ্ডিতদের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশস্থল। দেশ-বিদেশের বহু বিদ্বান বৈষ্ণব এখানে সমবেত হয়ে ভক্তি, দর্শন ও শাস্ত্রের গভীর তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করতেন। নবদ্বীপের আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক পরিমণ্ডল গঠনে এই আখড়ার অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

আখড়ার নাটমন্দির ও মন্দির স্থাপত্যে আজও বাংলার প্রাচীন কারুকার্যের ছাপ সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। এর প্রতিটি ইট, প্রতিটি স্তম্ভ এবং প্রতিটি অলংকরণ যেন অতীতের এক গৌরবময় যুগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই অমূল্য ঐতিহ্য আজ ধীরে ধীরে ক্ষয়ের মুখে এগিয়ে চলেছে।

নবদ্বীপের বড় আখড়া কেবল একটি ধর্মীয় কেন্দ্র নয়; এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য এবং বৈষ্ণব সমাজজীবনের এক জীবন্ত দলিল।

© সিন্ধু ভিশন

#নবদ্বীপ

বিজয়রাম সেনের 'তীর্থমঙ্গল' (১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ)বিজয়রাম সেনের 'তীর্থমঙ্গল' (১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ) কাব্যের এই অংশটি বর্তমান নব...
01/04/2026

বিজয়রাম সেনের 'তীর্থমঙ্গল' (১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ)

বিজয়রাম সেনের 'তীর্থমঙ্গল' (১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ) কাব্যের এই অংশটি বর্তমান নবদ্বীপ শহরকেই শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান বা মূল নবদ্বীপ হিসেবে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত জোরালো একটি ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
কেন এই কবিতাটি বর্তমান নবদ্বীপ শহরের দাবির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ, তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো..

কবিতাটিতে নৌকা করে গঙ্গা দিয়ে আসার যে পথের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা বর্তমান মানচিত্রের সাথে মিলে যায়:

অম্বিকা কালনা: কবি জানাচ্ছেন, নৌকা যখন কালনা দিয়ে আসছিল, তখন 'অম্বিকা শহর' ছিল বাম দিকে।

নদীয়া বামভিতে: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইন হলো— "চলাচল চলে নৌকা ন্যা (নদীয়া) বামভিতে"। অর্থাৎ নৌকা যখন উত্তর দিকে এগোচ্ছিল, তখন 'নদীয়া' বা নবদ্বীপ ছিল নৌকার বাম দিকে (পশ্চিম পাড়ে)।

বর্তমান মায়াপুর গঙ্গার পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। যদি শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান মায়াপুর হতো, তবে কালনা থেকে আসার সময় তা নৌকার ডান দিকে থাকার কথা। কিন্তু কবি এখানে পরিষ্কারভাবে বাম দিকের কথা বলেছেন, যেখানে বর্তমান নবদ্বীপ শহর অবস্থিত।

'তে-মোহানী' ও 'খড়্যা' নদী
কবিতায় উল্লেখ আছে— "তে-মোহানী দিয়া নৌকা পড়িল খড়্যাতে"।

প্রাচীনকালে গঙ্গা, জলঙ্গী এবং খড়িয়া (খড়্যা) নদীর মিলনস্থল বা ত্রিবেনী সঙ্গম ছিল বর্তমান নবদ্বীপ শহরের কাছেই।
খড়িয়া নদীর উল্লেখ প্রমাণ করে যে, পর্যটকরা যে নবদ্বীপের কথা বলছেন, তা এই নদীসংলগ্ন অঞ্চলেই ছিল।

'বুড়া শিব' ও 'নিত্যানন্দ' (প্রভু বাড়ি)
কবিতার শেষ অংশে বলা হয়েছে— "নবদ্বীপে বুড়া শিব আর নিত্যানন্দে"।

বুড়া শিব: বর্তমান নবদ্বীপ শহরের কেন্দ্রস্থলে অতি প্রাচীন 'বুড়োশিব' মন্দির আজও বিদ্যমান।

নিত্যানন্দ: এখানে নিত্যানন্দ বলতে বর্তমান নবদ্বীপের 'নিত্যানন্দ প্রভুর বাড়ি' বা তৎসংলগ্ন কোনো মন্দিরের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে।

এই স্থানীয় চিহ্নগুলো আজও বর্তমান নবদ্বীপ শহরেই দেখা যায়, যা প্রমাণ করে ১৭৭০ সালেও মানুষ বর্তমান শহরটিকেই 'নবদ্বীপ' বলে জানতেন এবং এখানে পূজা দিতে আসতেন।

29/03/2026

আজ রাতে যে পথে বাবা বানেশ্বর নৃত্য করছেন, কাল সেই পথে রাধারমণ নাচবেন, পরশু রাজরাজেশ্বরী আনন্দময়ী।

এটাই আমাদের শ্রীধাম নবদ্বীপ... সর্ব মতের মহামিলন তীর্থ।
জয় জয় নবদ্বীপ ভারত প্রদীপ। #ধামবাসী #জন্মস্থান_বিতর্ক #প্রাচীন_ঐতিহ্য #গৌড়ীয়_বৈষ্ণবধর্ম

নবদ্বীপ নামের রহস্য: 'নয়টি দ্বীপ' নাকি 'নতুন দ্বীপ'?আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি নবদ্বীপ মানে নয়টি দ্বীপের সমাহার। কিন্তু...
24/03/2026

নবদ্বীপ নামের রহস্য: 'নয়টি দ্বীপ' নাকি 'নতুন দ্বীপ'?
আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি নবদ্বীপ মানে নয়টি দ্বীপের সমাহার। কিন্তু ভাষাতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক সত্য এর সম্পূর্ণ বিপরীত।

ভৌগোলিক বাস্তবতা: গঙ্গা ও জলঙ্গী নদীর সংযোগস্থলে পলিমাটি জমে ক্রমাগত নতুন নতুন 'চর' বা দ্বীপ তৈরি হতো। এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট 'নতুন ভূখণ্ড' বা 'নতুন দ্বীপ' থেকেই 'নব-দ্বীপ' নামের উৎপত্তি। আজও স্থানীয়ভাবে অনেক এলাকাকে আমরা 'চর' বলি, যা এই প্রাচীন তত্ত্বকেই সমর্থন করে। চৈতন্যচরিতামৃত, চৈতন্য ভাগবত এর মত মহাপ্রভুর সমসাময়িক গ্রন্থগুলোতে নবদ্বীপকে গ্রাম বা নগরী বলে উল্লেখ করা আছে। সুতরাং আজকের নবদ্বীপ শহর ছাড়া কোনো নয়টা দ্বীপের সমষ্টি কখনো একটা গ্রাম বা নগর হতে পারে না।

পণ্ডিতদের মত: প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুকুমার সেন এবং ঐতিহাসিক যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী স্পষ্ট করেছেন যে, প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক বিচারে 'নতুন দ্বীপ' অর্থটিই একমাত্র যুক্তিযুক্ত। 'নবধ ভক্তি'র রূপক হিসেবে নয়টি দ্বীপের তত্ত্বটি অনেক পরে (মহাপ্রভুর সময়ের ৩০০ বছর পরে) ধর্মতাত্ত্বিক কারণে যুক্ত করা হয়েছে।

মায়াপুর বনাম মিয়াপুর: সরকারি নথির বয়ান
সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে মহাপ্রভুর জন্মস্থান নিয়ে। আজকের যে 'মায়াপুর', ব্রিটিশ আমল এমনকি ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সরকারি নথিতে তার নাম ছিল 'মিয়াপুর'।

ব্রিটিশ গেজেটিয়ার: ১৮৭৫-৮০ সালের W.W. Hunter-এর 'Statistical Account of Bengal' এবং ১৯১০ সালের L.S.S. O’Malley-র 'Bengal District Gazetteer'-এ আজকের মায়াপুর এলাকাটিকে স্পষ্টাক্ষরে 'মিয়াপুর' (Miyapur) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মানচিত্রের সাক্ষ্য: ১৭৭৬ সালে মেজর জেমস রেনেলের আঁকা মানচিত্রে বা ১৮৫০ সালের রেভিনিউ সার্ভে ম্যাপে 'মায়াপুর' নামের কোনো অস্তিত্ব নেই। সেখানে প্রাচীন নবদ্বীপের অস্তিত্ব থাকলেও বর্তমান মায়াপুর এলাকাটি একটি সাধারণ মুসলিম প্রধান গ্রাম 'মিয়াপুর' হিসেবেই নথিভুক্ত।

নাম পরিবর্তন: ১৮৮৭-৮৮ সালের দিকে ধর্মীয় প্রচারের উদ্দেশ্যে এবং একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থে 'মিয়াপুর' নামটিকে সুকৌশলে 'মায়াপুর' হিসেবে প্রচার করা শুরু হয়।

প্রকৃতপক্ষে যারা অসৎ উদ্দেশ্যে অপপ্রচার করে তারাও সত্যিটা ভালো করেই জানেন। আর সত্যিকে কোনোদিন প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন পড়েনা। বরং যারা সত্যিকে অস্বীকার করে তারাই মিথ্যাচারী বলে প্রমাণিত হন।

#ধামবাসী #নবদ্বীপ #গৌড়ীয়_বৈষ্ণবধর্ম #মহাপ্রভু #জন্মস্থান_বিতর্ক #প্রাচীন_ঐতিহ্য #পশ্চিমবঙ্গ #নদীয়া #বাঙালির_আবেগ #সাংস্কৃতিক_সংঘাত #নবদ্বীপের_রাস

মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থানের সন্ধানে.......         সর্ব অবতার সার শিরোমণি  মহাপ্রভু। ভগবানের সবটুকু নিয়ে  মহাপ্রভু প্র...
18/03/2026

মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থানের সন্ধানে.......

সর্ব অবতার সার শিরোমণি মহাপ্রভু। ভগবানের সবটুকু নিয়ে মহাপ্রভু প্রেমভূমি নবদ্বীপে অবতার রূপে এসেছিলেন। ভগবানের যত অবতার ধরাধামে এসেছেন তাঁদের সবার উপরে মহাপ্রভু। মহাপ্রভু প্রচ্ছন্ন অবতার। তিনি সাধারণ মানুষ রূপে নবদ্বীপে এসেছিলেন আমাদের উদ্ধারের জন্য।আমাদের উদ্ধারের অন্য কোনো উপায় না দেখে ভগবান মহাপ্রভু অবতার রূপে শ্রীধাম নবদ্বীপে এসেছিলেন। মহাপ্রভু যে ভগবান তিনি কখনো কাউকে বুঝতে দেন নি। যদি কেউ তাঁকে বিশ্বাস করে তবে তার কাছে তিনি নিজেকে প্রকাশিত করেছেন। বাসুদেব সার্বভৌম রায় রামানন্দ প্রভৃতিদের কাছে মহাপ্রভু নিজেকে প্রকাশিত করেছেন। আমি নিতান্ত অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করায় মহাপ্রভু আমার কাছেও প্রকাশিত হয়েছেন। মহাপ্রভু সম্বন্ধে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি তিনি মানুষ রূপে আমাদের মধ্যে এসেছেন এটা ঠিক কিন্তু তিনি কিন্তু মানুষ নন স্বয়ং ভগবান। এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। আমরা বেশিরভাগ মানুষই মনে করি মহাপ্রভু আমাদের মত মানুষ এই ভুলটা করায় তাঁকে আমরা এখনো চিনতে পারিনি। তিনি মানুষরূপে এসেছেন কিন্তু মানুষ নন তিনি সম্পূর্ণ ভগবান। তাঁকে নিয়ে তাঁর আবির্ভাবের সময় থেকেই অপপ্রচার শুরু হয় যা আজও বর্তমান। তাঁর আবির্ভাবের সময় নবদ্বীপের শাক্ত শৈবরা মেনে নিতে পারেননি। নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথমে তাকে মেনে নিতে পারেননি। আজও তাকে নিয়ে নানা অপপ্রচার। তাঁর জন্মস্থান নিয়ে অপপ্রচার, তাঁর অবতারত্ব নিয়ে অপপ্রচার, তাঁর অন্তলীলা নিয়ে অপপ্রচার। মহাপ্রভুর আবির্ভাব সাধারণ মানুষের মতো হয়নি। সাধারণ মানুষ যেভাবে মাতৃগর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করে মহাপ্রভুর আবির্ভাব সেভাবে হয়নি। হ্যাঁ তিনি শচীমাতার ঘরে এসেছেন কিন্তু সে আসা সম্পূর্ণরূপে ভগবত। এ তত্ত্ব জানার চেষ্টা করলে তবেই জানা সম্ভব মহাপ্রভুর কৃপায়। তার অপ্রকট হওয়ার বিষয়টি ও সম্পূর্ণরূপে ভগবত।সেখানে খারাপ কথা বলার কোনো জায়গায় নেই। তার অপ্রকট সাধার মানুষের মতো নয়, এটা বুঝতে হবে। পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে এগলো তিনি নিজেই এর প্রমাণ দেবেন ভক্তের কাছে। আমি পেয়েছি। সংসারে যারা বড় তাদের মানুষ যত অসম্মানই করুক তারা এতে বিচলিত হন না। এই যে মহাপ্রভুকে এত অসম্মান খারাপ লোকে করে মহাপ্রভু কিন্তু এতে গুরুত্ব দেন না। তার ভাবটা এমন ,"তুমি যদি আমায় বিশ্বাস করো তোমার ভালো না হলে তোমার দুর্ভাগ্য"। মহাপ্রভুর অপ্রকটের পর অর্থাৎ পৃথিবীর লীলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর তাঁর জন্মভিটায় বন বিষ্ণুপুরের রাজা বীর হাম্বীর একটি কালো কষ্টি পাথরের মন্দির তৈরি করে দিয়েছিলেন। প্রায় একশ বছর পর এই মন্দিরটি গঙ্গা গর্ভে ভেঙে গেলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান গঙ্গা গোবিন্দ সিংহ উপযুক্ত পদ্ধতিতে নবদ্বীপের পুরনো দিনের ও স্থানীয় মানুষের সাথে যোগাযোগ করে এই মন্দিরটির কিছু অংশ গঙ্গাগর্ভ থেকে উদ্ধার করে সেখানে একটি লাল কষ্টি পাথরের মন্দির তৈরি করে দেন। ৫০০ বছরের ইতিহাসে নবদ্বীপে গঙ্গার বহু ভাঙ্গন হয়েছে। গঙ্গা গোবিন্দ সিংহের এই মন্দিরটিও গঙ্গা গর্ভে একসময় ভেঙে যায়। এই সময় ব্রজমোহন দাস বাবাজী বলে একজন অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার তিনি বৃন্দাবনে গিয়ে তার সমস্ত কিছু গুরুকে দিয়ে দীক্ষা নেন। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। বৃন্দাবনের প্রথম সারির বৈষ্ণবরা, তার গুরু তাকে নবদ্বীপে গিয়ে মহাপ্রভুর জন্মস্থান উদ্ধারের জন্য আদেশ করেন। তিনি নবদ্বীপে চলে এসে এ কাজ করতে গেলে প্রবল বাধার সম্মুখীন হন। এক শ্রেণীর অসৎ মানুষ তাকে প্রচন্ড বাধা দিয়েছিলে কাজ করতে তবুও তিনি ভগবত কৃপায় মহাপ্রভুর ইচ্ছায় এ কাজে সফল হয়েছিলেন। তিনি নবদ্বীপে এসে সেই সময়কার পুরনো দিনের মানুষ যারা ওই মন্দির স্বচক্ষে দেখেছিলেন তাদের সাক্ষাৎ করে এবং সেই সময়কার নানা মানচিত্র ও অন্যান্য তথ্য পড়াশোনা করে বোরিং মেশিনের সাহায্যে খনন করে ওই কষ্টিপাথরের কিছু অংশ উদ্ধার করেছিলেন। যেখান থেকে কষ্টিপাথরের অংশ উদ্ধারা সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করে দিয়েছিলেন এই বিশ্বাস যে এর আশেপাশে মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মভিটা অবস্থিত। গঙ্গার স্রোতে প্রচন্ড ভারী কষ্টিপাথর কতদূর আর এদিক ওদিক যাবে। তার জীবনের শেষটা সম্পূর্ণ একাজে দিয়ে দিয়েছিলেন। এই সময় জন্মস্থানের অপপ্রচার শুরু হয়। যারা অপপ্রচার করেছিলেন তারা ব্রজমোহন দাস বাবাজীকে মেরে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছিল। ভেবেছিল তিনি মারা গেছেন। কিন্তু স্বয়ং মহাপ্রভু তাকে রক্ষা করেছিলেন। সমাজবাড়ীর এক সিদ্ধ বৈষ্ণব তাকে গঙ্গা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সেখানে সুস্থ করেন। ব্রজমোহন দাস বাবাজি এই সমস্ত কিছু নবদ্বীপ দর্পণ বলে একটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করে গেছেন। সেটা পড়লেই সমস্ত কিছু সবিস্তারে জানা যায়। এরপর মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থান উদ্ধারের জন্য মান্যগণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হয়।এদের মধ্যে হাইকোর্টের বিচারপতি এমন ব্যক্তিত্বও ছিলেন। এই কমিটির মূল লক্ষ্য ছিল কষ্টিপাথরের কিছু অংশ উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু বাকি অংশ গঙ্গা গর্ভে রয়েছে যেটা আজও রয়েছে। এই কমিটি চেয়েছিল খননের মাধ্যমে সেটি উদ্ধার করে সর্বসমক্ষে মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থানকে উপস্থাপিত করা। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে এই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। আজও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। যারা মহাপ্রভুকে ভালোবাসেন তারা যদি আজও উদ্যোগ নেন তবে এই কষ্টিপাথর উদ্ধার হবে। আর যেখান থেকে উঠতে হবে তার আশেপাশেই মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থান অবস্থিত। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি এই কষ্টিপাথরের একটি অংশ মহাপ্রভু পাড়ায় ধামেশ্বর মহাপ্রভু মন্দিরের পুরনো মন্দিরের দরজার ঝনকাঠে লাগানো আছে যেটি পরীক্ষিত। সমস্ত গৌড় ভক্তবৃন্দের কাছে নিবেদন আসুন সবাই মিলে এই কাজে জনমত গড়ে তুলি। মহাপ্রভু প্রচ্ছন্ন অবতার।তিনি যদি চান তবেই তাঁর জন্মস্থান সর্বসমক্ষে উপস্থাপিত হবে। কিছুদিন আগে ধামেশ্বর মহাপ্রভু মন্দিরে কিছু ভক্ত ধামেশ্বর মহাপ্রভুর সামনে মহাপ্রভুর প্রকৃত জন্মস্থান উদ্ধারের জন্য উদ্যোগ নেয়ার কথা আলোচনা করছিলেন। তারা আমাকে এই নিয়ে লিখতে বলেন। ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মুখমন্ডল পানে চেয়ে সেদিন তার আনন্দ অনুভব করেছিলাম তাই এই নিবেদন সম্পূর্ণরূপে ধামেশ্বর মহাপ্রভুর শ্রীচরণে অর্পণ করলাম। তিনি যা করবেন সেটাই হবে। সমস্ত ভক্তবৃন্দ এগিয়ে আসুন, সমর্থন করুন, মতামত জানান। এই পেজটিকে সমর্থন করুন ফলো করুন। একটি শক্তিশালী জনমত গড়ে তুলুন এটিই হবে মহাপ্রভু শ্রীচরণে আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। জয় গৌর বিষ্ণুপ্রিয়া।

লেখনী: ধামেশ্বর মহাপ্রভুর সেবক

যদি তাঁর গবেষণা ভুল ছিল, তাঁর নির্ণীত স্থান, গৌরাঙ্গের সঠিক জন্মস্থান ছিল না, তাহলে তাঁর মতো সর্বত্যাগী এক বৃদ্ধ বৈষ্ণবে...
16/03/2026

যদি তাঁর গবেষণা ভুল ছিল, তাঁর নির্ণীত স্থান, গৌরাঙ্গের সঠিক জন্মস্থান ছিল না, তাহলে তাঁর মতো সর্বত্যাগী এক বৃদ্ধ বৈষ্ণবের উপর কেন বার বার প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। কিসের ভয় ওই বুড়ো মানুষটার থেকে, যে তাকে মেরে ফেলাটা দরকার ছিল। আজ তাঁর তিরোভাব তিথি। তিনি যতটা জলদি চলে গিয়েছিলেন, ততটা যেতেন না, কিন্তু অত্যধিক অত্যাচারে তাঁর শরীর এমন ভেঙেছিল, যে তা আর সারেনি।

জন্মস্থানের পরবর্তী সংরক্ষক মহাপ্রভু দাস বাবাজীমশায়, তাঁর স্মৃতিচারণে লিখছেন, "যখন শ্রীল ব্রজমোহন দাস বাবাজী মহারাজ এই অনুসন্ধান কাৰ্য্য চালাইতে থাকেন, তখন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিগণ ষড়যন্ত্র করিয়া জন্মস্থানের বিবাদ মীমাংসা করিবার ছলে উঁহাকে নিমন্ত্রণ করিয়া লইয়া গিয়া উঁহার কাগজপত্রাদি ছিনাইয়া লয় এবং সন্ধ্যা ৬টা হইতে রাত্রি ৯টা পর্যন্ত উঁহাকে গৃহমধ্যে আটক করিয়া লাঠি, জুতা আদি দ্বারা প্রহার করতঃ মৃতপ্রায় অবস্থায় উঁহার শিখা কাটিয়া গলার কণ্ঠী ছিঁড়িয়া মুখে চুণ, কালি মাখাইয়া উলঙ্গ করিয়া মৃতদেহ মনে করিয়া গঙ্গার চড়ায় ফেলিয়া যায়। শ্রীধাম নবদ্বীপে বড়াল ঘাটে অবস্থিত শ্রীরাধারমণ সেবাশ্রমের তৎকালীন ম্যানেজার শ্রীযুক্ত কুলদাপ্রসাদ মল্লিক চড়াভূমি হইতে উঁহাকে তুলিয়া আনিয়া শ্রীরাধারমণ সেবাশ্রমে নিজ নিকটে রাখিয়া সেবাযত্ন করিয়া সুস্থ করেন। আরও দুই একবার ঐ স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিগণ উহাকে উঁহার চালাঘরে আটক করিয়া গৃহ জ্বালাইয়া দেয়। শ্রীমন্ মহাপ্রভুর কৃপায় কোন প্রকারে উঁহার জীবন রক্ষা পায়। এইসব অমানুষিক অত্যাচারে উঁহার স্বাস্থ্যভঙ্গ হয়।"

রাধাকুন্ডের সাধু মহাত্মাদের অনুরোধে নবদ্বীপে এসে ১৬ বছর তিনি যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেহ পাত করেছিলেন, তার ফল আজকের মহাপ্রভুর জন্মস্থান আশ্রম --"সেই অবস্থাতেও তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, জীবন সংকল্প করিয়া এই লুপ্ততীর্থের উদ্ধার কার্য্য করিতে লাগিলেন। ১৩২৩ সাল হইতে ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত এই চড়াভূমির স্থানে স্থানে "বোরিং” যন্ত্রে প্রায় সাতশত কূপ খনন করিয়া সেটেলমেন্টের ১৪৪৭নং দাগে কুড়ি হাত মাটির নিচে দেওয়ান গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ নিৰ্ম্মিত সেই ভূতলশায়ী মন্দির প্রাপ্ত হন। তথা ভারত ও বাংলা গভর্ণমেন্ট একজিকিউটিভ-কাউন্সেল-সদস্য মান্যবর শ্রীল শ্রীযুক্ত স্যার ব্রজেন্দ্রলাল মিত্র কে.সি.আই. ই. কর্তৃত্ত্বাধীনে ইংরাজী ১৯৩৫ সালের রেভিনিউ জরিপে এই চড়াভূমিকেই শ্রীগৌরাঙ্গ জন্মভূমির মাঠ বলিয়া 'রেকর্ড' এবং নবদ্বীপ মিউনিসিপ্যালিটির এলাকাভুক্ত প্রাচীন মায়াপুর ধাম বলিয়া ঘোষণা করা হয়। তথা থানা নবদ্বীপের ৫ নং রুদ্রপাড়া মৌজার ২৮৯৪ নং চর, নিদয়া খাসমহলের ১৯১৮ সালের জরিপি নক্সার দাগ ১১১৯। ১৯৩৫ সালের "রেভিনিউ" জরিপে ঐ দাগের নম্বর পরিবর্তিত হইয়া ১৭৪৭ দাগ বলিয়া রেকর্ড ভুক্ত হইয়াছে। ইহাই শ্রীজগন্নাথ মিশ্র পুরন্দরের বাড়ী শ্রীমন্ মহাপ্রভুর জন্মভিটা, শ্রীভক্তিরত্নাকর গ্রন্থে শ্রীল নরহরি চক্রবর্ত্তী বর্ণিত মায়াপুর নামক স্থান (বর্তমানে প্রাচীন মায়াপুর শ্রীগৌরাঙ্গ জন্মস্থান আশ্রম)।"

Ranit Gupta র লেখনীতে

নবদ্বীপের কোন মন্দিরের ছবি?❤️দেখি কে বলতে পারেন? 😇ছবি: Ranit Saha  #ধামেশ্বর_মহাপ্রভু    #সনাতন_ধর্ম  #গঙ্গাগোবিন্দসিংহ ...
17/01/2026

নবদ্বীপের কোন মন্দিরের ছবি?❤️
দেখি কে বলতে পারেন? 😇
ছবি: Ranit Saha

#ধামেশ্বর_মহাপ্রভু #সনাতন_ধর্ম #গঙ্গাগোবিন্দসিংহ #নবদ্বীপধাম #চৈতন্যজন্মস্থান ゚viralvideo

14/01/2026

মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে
নবদ্বীপ ধামে পতিতপাবনী সুরধনী মা গঙ্গাকে দর্শন করুন।

জয় নিতাই জয় গৌর
জয় নবদ্বীপ ধাম

#ধামেশ্বর_মহাপ্রভু #সনাতন_ধর্ম

Address

Nabadwip

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nabadwip Dham Oxford of East posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share