বৈদিক শাস্ত্র শিক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব:-

  • Home
  • India
  • Nabadwip
  • বৈদিক শাস্ত্র শিক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব:-

বৈদিক শাস্ত্র শিক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব:- Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বৈদিক শাস্ত্র শিক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব:-, Public Service, Nabadwip.

14/11/2024
আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৪ সোমবার রমা একাদশী কৃপা করে সকলে একাদশী ব্রত পালন করবেন। রমা একাদশী ব্রত মাহাত্ম কথা:এক সময় যুধিষ্ঠ...
27/10/2024

আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৪ সোমবার রমা একাদশী কৃপা করে সকলে একাদশী ব্রত পালন করবেন।

রমা একাদশী ব্রত মাহাত্ম কথা:

এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং তার মহিমা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! মহাপাপ বিনষ্টকারী এই একাদশী 'রমা' নামে বিখ্যাত। আমি এখন সেই মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, আপনি তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করুন।
পুরাকালে মুচুকুন্দ নামে এক সুপ্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র, যম, বরুন ও ধনপতি কুবেরের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠ বিভীষণের সাথেও তার অত্যন্ত সদ্ভাব ছিল। তিনি ছিলেন বিষ্ণু ভক্ত ও সত্যপ্রতিজ্ঞ। এই রূপে তিনি ধর্ম অনুযায়ী রাজ্য শাসন করতেন l চন্দ্রভাগা নামে তার একটি কন্যা ছিল। চন্দসেনের পুত্র শোভনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। শোভন এক সময় তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। দৈবক্রমে সেই দিন ছিল একাদশী তিথি। স্বামীকে দেখে পতি পরায়না চন্দ্রভাগা মনে মনে চিন্তা করতে লাগল---হে ভগবান! আমার স্বামী অত্যন্ত দুর্বল। তিনি ক্ষুধা সহ্য করতে পারেন না। এখানে আমার পিতার শাসন খুবই কঠোর। দশমীর দিন তিনি নাগরা বাজিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন যে একাদশীতে আহার নিষিদ্ধ। আমি এখন কি করি!
রাজার নিষেধাজ্ঞা শুনে শোভন তার প্রিয়তমা পত্নীকে বলল---হে প্রিয়ে, এখন আমার কি কর্তব্য তা আমাকে বলো। উত্তরে রাজকন্যা বলল---হে স্বামী! আজ এই গৃহে এমনকি রাজ্য মধ্যে কেউই আহার করবে না। মানুষের কথা তো দূরে থাকুক, পশুরা পর্যন্ত অন্ন জল মাত্র গ্রহণ করবে না। হে নাথ! যদি তুমি এ থেকে পরিত্রাণ চাও তবে নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করো। এখানে আহার করলে তুমি সকলের নিন্দা ভাজন হবে এবং আমার পিতাও ক্রুদ্ধ হবেন। এখন বিশেষ ভাবে বিচার করে যা ভালো হয়, তুমি তা ই করো। সাধ্বী স্ত্রীর এই কথা শুনে শোভন বলল---হে প্রিয়ে! তুমি ঠিক বলেছ। কিন্তু আমি গৃহে ফিরে যাব না। এখানে থেকে একাদশী ব্রত পালন করব। ভাগ্যে যা লেখা আছে তা অবশ্যই ঘটবে।
এই ভাবে শোভন ব্রত পালনে বদ্ধপরিকর হলেন।
সমস্ত দিন অতিক্রান্ত হয়ে রাত্রি শুরু হল। বৈষ্ণব দের কাছে এই রাত্রি সত্যি ই আনন্দকর। কিন্তু শোভনের পক্ষে তা ছিল বড়ই দুঃখদায়ক। কেননা ক্ষুধা তৃষ্ণায় সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ল। এই ভাবে রাত্রি অতিবাহিত হলে সূর্যোদয় কালে তার মৃত্যু হল। রাজা মুচুকুন্দ সাড়ম্বরে তার শবদাহ কার্য সুসম্পন্ন করলেন। চন্দ্রভাগা স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করে পিতার আদেশে পিতৃগৃহেই বাস লাগল।
কালক্রমে রমা ব্রত প্রভাবে শোভন মন্দরাচল শিখরে অনুপম সৌন্দর্যবিশিষ্ট এক রমনীয় দেবপুরী প্রাপ্ত হলেন। এক সময় মুচুকুন্দ পুরের সোমশর্ম্মা নামে এক ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমন করতে করতে সেখানে উপস্থিত হলেন।সেখানে রত্নমন্ডিত বিচিত্র স্ফটিক খচিত সিংহাসনে রত্নালংকারে ভূষিত রাজা শোভনকে তিনি দেখতে পেলেন। গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণ দ্বারা নানা উপচারে সেখানে পূজিত হচ্ছিলেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতা রূপে ব্রাহ্মণ তাকে চিনতে পেরে তার কাছে গেলেন। শোভন সেই ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে তার চরণ বন্দনা করলেন। শ্বশুর মুচুকুন্দ ও স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ নগরবাসী সকলের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ সকলের কুশল সংবাদ জানালেন। জিজ্ঞাসা করলেন---এমন বিচিত্র মনোরম স্থান কেউ কখনও দেখেনি। আপনি কিভাবে এই স্থান প্রাপ্ত হলেন, তা সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। শোভন বললেন যে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া রমা একাদশী সর্ব ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আমি তা শ্রদ্ধা রহিত ভাবে পালন করলেও তার আশ্চর্যজনক এই ফল লাভ করেছি। আপনি কৃপা করে চন্দ্রভাগাকে সমস্ত ঘটনা জানাবেন।
সোমশর্ম্মা মুচুকুন্দ পুরে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সমস্ত ঘটনার কথা জানালেন। ব্রাহ্মণের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দ্রভাগা বললেন---হে ব্রাহ্মণ! আপনার কথা আমার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। তখন সোমশর্ম্মা বললেন---হে পুত্রী, সেখানে তোমার স্বামীকে আমি স্বয়ং স্বচক্ষে দেখেছি। অগ্নিদেবের মতো দীপ্তিমান তার নগরও দর্শন করেছি। কিন্তু তার নগর স্থির নয়, তা যাতে স্থির হয়, সেই মতো কোনো উপায় কর। এসব কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন, তাকে দেখতে আমার একান্ত ইচ্ছা হচ্ছে। আমাকে এখনি তার কাছে নিয়ে চলুন। আমি ব্রত পালনের পুণ্য প্রভাবে নগর স্থির করে দেব।
তখন সোমশর্ম্মা চন্দ্রভাগাকে নিয়ে মন্দার পর্বতে বামনদেবের আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সেখানে ঋষির কৃপায় ও হরিবাসর ব্রত পালনের ফলে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর প্রাপ্ত হল। দিব্য গতি লাভ করে স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রিয় পত্নীকে দেখে শোভন অতীব আনন্দিত হলেন।
বহু দিন পর স্বামীর সঙ্গ লাভ করে চন্দ্রভাগা অকপটে নিজের পুণ্য কথা জানালেন। হে প্রিয়, আজ থেকে আট বছর আগে আমি যখন পিতৃগৃহে ছিলাম তখন থেকে রমা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করতাম। ঐ পুণ্য প্রভাবে এই নগর স্থির হবে এবং মহাপ্রলয় পর্যন্ত থাকবে।
হে মহারাজ! মন্দরাচল পর্বতের শিখরে শোভন তার স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ দিব্যসুখ ভোগ করতে লাগলেন। পাপনাশিনী ও ভুক্তি মুক্তি প্রদায়িনী রমা একাদশীর মাহাত্ম্য আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত শ্রবণ করবেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হবে।

যমদূত যমরাজকে এক গৃহস্থকে দেখিয়ে বলছেনযমদূত - দেখুন মহারাজ,  ওরা স্বামী-স্ত্রী কিভাবে প্রতিদিন ১৬ মালা জপ করেন, ভগবানের ...
28/09/2024

যমদূত যমরাজকে এক গৃহস্থকে দেখিয়ে বলছেন

যমদূত - দেখুন মহারাজ, ওরা স্বামী-স্ত্রী কিভাবে প্রতিদিন ১৬ মালা জপ করেন, ভগবানের প্রসাদ পান, বৈষ্ণব সেবা করেন, গ্রন্থ প্রচার করেন,বিগ্রহ সেবা করেন, কোনো ইন্দ্রিয় তৃপ্তি না করে স্বাভাবিক ভাবে জীবন অতিবাহিত করছেন।

যমরাজ - এরা হলো ইসকনের ভক্ত।

এরা শিক্ষা দিচ্ছেন কিভাবে ভগবানের সেবা করে ভগবানকে সন্তুষ্ট করা যায়। কিভাবে সকলকে কৃষ্ণ ভক্ত করা যায়, এবং সবাইকে ভগবানের কাছে ফিরিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন।

যমদূত - তাহলে সকলে যদি ভগবানের কাছে চলে যায়। তাহলে আমাদের কি কাজ?

যমরাজ- তোমাদের সকলের ছুটি।

এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন - আপনারা কি যমদূতদের ছুটি দিতে চান? নাকি তাদের চাকরি দিতে চান?

প্রবচন- শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ 🙏🙏💗

আমি তোমার ছেলে! - Jayapatakaমধ্যগ্রামে রামরূপ প্রভু নামে একজন প্রভু ছিলেন, তিনি খুব ভারী কাজ করতে পারতেন এবং শিয়ালদহ স্...
28/09/2024

আমি তোমার ছেলে! - Jayapataka

মধ্যগ্রামে রামরূপ প্রভু নামে একজন প্রভু ছিলেন, তিনি খুব ভারী কাজ করতে পারতেন এবং শিয়ালদহ স্টেশনে একটা দোকান ছিল উনার। কি করে যে উনি গুরুমহারাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে গেলেন কে জানে এবং উনি গুরুমহারাজ থেকে দীক্ষা প্রাপ্ত হলেন। কিন্তু উনার স্ত্রী ছিলেন বাবা লোকনাথের এক মহান ভক্ত এবং তাদের ঘরে লোকনাথের এক বিরাট বিগ্রহও ছিলো। তিনি উনার স্বামীকে বললেন,

"তুমি দীক্ষা নিয়েছো ঠিক আছে, কিন্তু আমি কোনমতেই দীক্ষা নেব না উনার কাছ থেকে।"

তবে মাতাজির একটা সমস্যা ছিল, তিনি বারংবার গর্ভবতী হন কিন্তু প্রতিবারই সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। প্রায় তিন চারবার এভাবে গর্ভপাত হয়ে গিয়েছিল। তথাপিও মাতাজির অগাধ বিশ্বাস ছিল যে উনাকে লোকনাথ বাবাই সবকিছু দিবেন, কিন্তু গুরুমহারাজ থেকে কোনোমতেই তিনি দীক্ষা নেবেন না।

তারপরে একদিন কি হল- উনারা স্বামী-স্ত্রী ঘরে ছাড়া আর কোনো বাচ্চাকাচ্চা নেই দুজনেই শুয়ে আছেন, হঠাৎ করে মাতাজী খুব কান্না শুরু করে দিলেন। প্রভু জিজ্ঞেস করছেন, "কি হয়েছে তোমার? কাঁদছো কেন? আমাকে বল, স্বামী হিসেবে যদি কিছু করতে পারি আমি...।"

মাতাজী বলতে চাইছেন না। তারপর ভোর রাতের দিকে মাতাজী প্রভুকে বললেন, "আমি আজকে স্বপ্নে তোমার গুরুমহারাজ কে দেখেছি।" উনি স্বপ্নে এসে আমাকে বললেন,

"তুমি এত কাঁদছো কেন? তুমি এত চিন্তা করছো কেন? আমি তোমার ছেলে! আমি তোমার ছেলে!"

আর এতে করে মাতাজি আরো বেশি করে কান্না করছেন। তো কিছুদিন পর রামরূপ প্রভু এই কথাটি গুরুমহারাজকে জানিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে মাতাজি গুরুমহারাজ থেকে দীক্ষা প্রাপ্ত হলেন।

জয় শ্রীল গুরুমহারাজ!😊

অন্তর্যামী শ্রীল পতিতপাবন শ্রীগুরুদেব!─────────────────────দুবাইতে রাখাল প্রভু নামে একজন গৃহস্থ ভক্ত আছেন। তিনি খুব ধনী ...
25/09/2024

অন্তর্যামী শ্রীল পতিতপাবন শ্রীগুরুদেব!
─────────────────────

দুবাইতে রাখাল প্রভু নামে একজন গৃহস্থ ভক্ত আছেন। তিনি খুব ধনী ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন দেশ থেকে দুবাই আসা ভক্তদের এবং দুবাইয়ের ভক্তদের বিভিন্ন ব্যাপারে তিনি খুব সাহায্য করেন। এরকমই পরোপকারী বৈষ্ণব ছিলেন রাখাল প্রভু।

তো, একবার শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ দুবাইতে যান এবং রাখাল প্রভুর বাসায় উঠেন। তখন গুরুমহারাজের সাথে দেখা করতে রাখাল প্রভু এবং তার স্ত্রী রুমে যান। সেখানে আরো অন্যান্য ভক্তরাও উপস্থিত ছিলেন। গুরুমহারাজের সম্মুখে, একজন ভক্ত গুরুমহারাজকে বলছেন,

"উনি আমাদের রাখাল প্রভু এবং তাঁর সহধর্মিণী। উনি আমাদের খুব সাহায্য করেন। তবে উনার একটাই দুঃখ উনার কোন সন্তান নেই।"

তারপর গুরুমহারাজ বলছেন, কে বলছে উনাদের সন্তান নেই! রাখাল প্রভুর স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে গুরুমহরাজ বলছে, উনার গর্ভে তো সন্তান আছেন। উপস্থিত সবাই গুরুমহারাজের এ কথা শুনে অবাক হয়ে গেল।

গুরুমহারাজ কী করে জানলেন মাতাজীর গর্ভে সন্তান আছেন। এমনকি মাতাজী এবং রাখাল প্রভুও পর্যন্ত জানে না। তারপর গুরুমহারাজের নির্দেশ অনুসারে মাতাজীর ডাক্তারি চেকআপ করা হয়। পরবর্তীতে রেজাল্ট আসলো, মাতাজীর গর্ভে ইতিমধ্যেই সন্তান এসে গেছে।

জয় শ্রীল পতিতপাবন গুরুমহারাজ!
জয় শ্রীল প্রভুপাদ!

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ,শনিবার ইন্দিরা একাদশী।
25/09/2024

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ,শনিবার ইন্দিরা একাদশী।

হরে কৃষ্ণ,                সুধী ভক্তসজ্জন সকলের শ্রী চরণ কমলে সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে য...
16/09/2024

হরে কৃষ্ণ,
সুধী ভক্তসজ্জন সকলের শ্রী চরণ কমলে সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৮/০৯/২০২৪ ইং রোজ বুধবার ,স্বামীবাগ আশ্রমের থেকে 'ভাদ্র পূর্ণিমা ' মহোৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
ভাগবত জয়ন্তী উপলক্ষে সকাল ৮ ঘটিকায় ভাগবত আরতি ও ভাগবত পরায়ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবং সারাদিন ব্যাপি সিনিয়র ভক্তবৃন্দের শ্রীমুখ থেকে ভাগবত মহিমা পরিবেশিত হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে সকলে উপস্থিত থেকে এবং সার্বিক সহযোগিতা করে অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য মন্ডিত করার জন্য একান্ত কামনা করছি।
সকালে ভাগবতের প্রথম স্কন্ধ সাথে করে নিয়ে আসবেন,আর যাদের গৃহে ভাগবতের সেট নেই, এবং নিতে ইচ্ছুক আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
01621200025
সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ
হরে কৃষ্ণ

Address

Nabadwip
741319

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৈদিক শাস্ত্র শিক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব:- posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category