27/10/2025
সুপ্রিম কোর্টের রায়েও স্পষ্ট কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করেনি, দুর্নীতির তদন্তে শর্ত দিয়েছিল।
তৃণমূল সরকার আবারও বাংলার মানুষকে ভুল পথে চালাতে চাইছে।
আজ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের আবেদন খারিজ হওয়াকে তৃণমূল "বিজয়" বলে দেখাচ্ছে — কিন্তু সত্য হল, আদালত শুধু বলেছে দুর্নীতি রুখে, শর্তসাপেক্ষে কাজ শুরু হোক।
ঠিক এই কথাই বলেছিল কেন্দ্রও — “যতদিন না ভুয়ো নাম, মিথ্যা মাষ্টাররোল আর টাকা চুরি বন্ধ হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত টাকাপ্রদান স্থগিত থাকবে।”
২০২১ সাল থেকে কেন্দ্র কেন টাকা বন্ধ করেছিল?
কারণ তদন্তে দেখা গিয়েছিল —
প্রকৃত শ্রমিকদের নাম বাদ দিয়ে ভুয়ো অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিদের নামেও কাজের দিন দেখানো হয়েছে।
এক পরিবারে একাধিক ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও পঞ্চায়েতের বহু কর্মী এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।
কেন্দ্রের উদ্দেশ্য ছিল — বাংলার গরিবের টাকা গরিবের হাতে পৌঁছানো, চোরেদের হাতে নয়।
আজ সুপ্রিম কোর্টও বলেছে — কাজ বন্ধ থাকবে না, কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্র শর্ত দিতে পারবে।
অর্থাৎ আদালত তৃণমূলের নয়, সাধারণ মানুষের পক্ষে রায় দিয়েছে।
তৃণমূলের নেতৃত্ব আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় নাচছেন, কিন্তু বাংলার মানুষ জানেন —
যখন ১০০ দিনের টাকার ৩৫০০ কোটি টাকার দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে, তখন থেকেই কেন্দ্র তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।
যদি সরকার সত্যি নির্দোষ হতো, তবে তদন্তে সহযোগিতা করত।
কিন্তু তারা তদন্তে বাধা দিয়েছে, নথি গোপন করেছে, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে দেরি করেছে।
এখন আদালতের নাম নিয়ে রাজনীতি করে আবারও জনগণকে ভুল বোঝাতে চাইছে।
বিজেপির অবস্থান পরিষ্কার:
গরিবের টাকা গরিবের হাতে পৌঁছাতে হবে — দুর্নীতিকারীদের পকেটে নয়।
কেন্দ্রের শর্ত মানলেই টাকাপ্রদান হবে।
তদন্তে সহযোগিতা না করলে, ভবিষ্যতেও কোনও প্রকল্পে টাকা চুরি হলে তার দায় তৃণমূল সরকারের।
যে সরকার নিজেই টাকা চুরি করে, ভুয়ো নাম দেয়, দুর্নীতিকে আড়াল করে,
সেই সরকার আজ "গরিবের বন্ধু" সাজছে।
কিন্তু সত্যিটা সবাই জানে —
১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে তৃণমূলের দুর্নীতি, কেন্দ্রীয় সরকার নয়।
✍️ রাজ্য সভাপতি সৌমিক ভট্টাচার্য