SFI Goaltore Collage Unit

SFI Goaltore Collage Unit স্বাধীনতা , গণতন্ত্র , সমাজতন্ত্র

"স্কুল বাঁচাও মুল বাঁচাও" এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (SFI) ছোট ছোট কুঁড়িদের ফোটাবার সংগ্রামের প্রস্ত...
12/08/2024

"স্কুল বাঁচাও মুল বাঁচাও" এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (SFI) ছোট ছোট কুঁড়িদের ফোটাবার সংগ্রামের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে, তা বাস্তবায়ন করতে গোয়ালতোড় লোকাল কমিটির উদ্যোগে গড়বেতা ২নং ব্লকের গোয়ালতোড় এলাকার বিভিন্ন স্কুলে প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দেওয়া হলো, এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাদের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি সমূহ বলা হলো ও তাদের সমস্যার কথা শোনা হলো।
১) কিয়ামাচা উচ্চ বিদ্যালয়
২) গোয়ালতোড় গার্লস হাই স্কুল
৩) গোয়ালতোড় উচ্চ বিদ্যালয় (বয়েজ)।

07/08/2024
স্নাতক স্তরে ভর্তির পোর্টাল এ আবেদন শুরু আগামী 24 জুন থেকে 7 জুলাই পর্যন্ত।
19/06/2024

স্নাতক স্তরে ভর্তির পোর্টাল এ আবেদন শুরু আগামী 24 জুন থেকে 7 জুলাই পর্যন্ত।



সর্বভারতীয় মেডিক্যাল পরীক্ষায় (NEET) দুর্নীতির বিরুদ্ধেঅবিলম্বে কলেজে গুলিতে স্নাতকস্তরে ভর্তির নির্দেশিকার দাবিতেনতুন স...
19/06/2024

সর্বভারতীয় মেডিক্যাল পরীক্ষায় (NEET) দুর্নীতির বিরুদ্ধে

অবিলম্বে কলেজে গুলিতে স্নাতকস্তরে ভর্তির নির্দেশিকার দাবিতে

নতুন সিলেবাস অনুযায়ী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যবই প্রদানের দাবিতে

নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী শিক্ষকদের উপযুক্ত ট্রেনিং দিতে হবে

নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী স্কুলের উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে

স্কুলে ভর্তিতে অস্বাভাবিক ফি এর বিরুদ্ধে

IIT ক্যাম্পাসে ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্কুল শিক্ষা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে সংসদ অফিসে ডেপুটেশন

২০০৯ সালের ১৭ ই জুন খুন হতে হয় মানিকপাড়া কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রনেতা কমরেড অভিজিৎ মাহাত কে। শহীদ কমরেড অভিজিৎ মাহ...
16/06/2024

২০০৯ সালের ১৭ ই জুন খুন হতে হয় মানিকপাড়া কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রনেতা কমরেড অভিজিৎ মাহাত কে। শহীদ কমরেড অভিজিৎ মাহাত ছিলেন মানিকপাড়া শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয় এর SFI পরিচালিত ছাত্র ইউনিয়ন এর কালচারাল সেক্রেটারি তথা SFI ঝাড়গ্রাম গ্রামীণ জোনাল কমিটির অন্যতম সদস্য। দেবিবাঁকশোল চকে বাস ধরে খড়গপুর ইন্দা কলেজ যাওয়ার কথা ছিল পরীক্ষা দিতে। কিন্তু সে সুযোগ আর হয়ে ওঠেনি।
মাওবাদী-তৃণমূলী দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় কমরেড অভিজিৎকে। অপরাধ ছিল স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র লেখা স্বেত পতাকাটি কাঁধে বইতো। নতুন সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখতো। চাইতো সকলের সমানাধিকার।
ওরা অভিজিতের শরীরটাকে মেরেছে ঠিকই কিন্তু স্বপ্নটাকে পারেনি। সারা দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী আজ অভিজিৎ'র স্বপ্ন পূরণে অবিচল।

কমরেড অভিজিৎ মাহাত লাল সেলাম।
কমরেড অভিজিৎ মাহাত অমর রহে।

"বিপ্লব কোনো আপেল নয় যেটা পেকে গেলে পড়ে যায়,তোমাদের এটাকে ফেলতে হবে"- চে"একজন বিপ্লবীর প্রথম কর্তব্য শিক্ষিত হওয়া"- চে।চ...
14/06/2024

"বিপ্লব কোনো আপেল নয় যেটা পেকে গেলে পড়ে যায়,তোমাদের এটাকে ফেলতে হবে"- চে

"একজন বিপ্লবীর প্রথম কর্তব্য শিক্ষিত হওয়া"- চে।

চেতনার শুরুতে যে চে থাকে আজ সে চে গুয়েভারার জন্মদিন..
জন্মদিনে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন✊✊।
বিপ্লবী দীর্ঘজীবী হোক ✊।


আজ ২৫- শে বৈশাখ , কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্ম শতবর্ষ জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রণাম। সঙ্গে 8- ই মে , আজ...
08/05/2024

আজ ২৫- শে বৈশাখ , কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্ম শতবর্ষ জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রণাম। সঙ্গে 8- ই মে , আজ আর কিছু ঘণ্টা পর উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে। প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে জানাই অন্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দুনিয়ার মজদুর এক হও' শ্লোগানে যিনি শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম ক...
05/05/2024

দুনিয়ার মজদুর এক হও' শ্লোগানে যিনি শোষিত-বঞ্চিত মেহনতি মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সচেতন করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন, তিনি হলেন উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত জার্মান চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্ক্স। তার পুরো নাম কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স (Karl হেইনরিচ Marx)। তিনি ১৮১৮ সালের ৫ ই মে তৎকালীন প্রাশিয়ার ত্রিভস শহরে সচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৮৮৩ সালে চরম অর্থকষ্টের মধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বাবা হার্শেল মার্ক্স পেষায় আইনজীবী ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ যদিও ইহুদি ধর্মাবলম্বী ছিলেন, কিন্তু মার্ক্স জন্মাবার পরে তার পরিবার খ্রিষ্টান (প্রটেস্টান্ট) ধর্মে দীক্ষিত হয়। ছোট বেলা থেকে মার্ক্স ভালো ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন স্বভাব কবি। তিনি বন ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন, দর্শন এবং ইতিহাসের পাঠ গ্রহণ করেন এবং ১৮৪১ সালে তিনি ইউনিভারসিটি অফ জেনা থেকে পি.এইড.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি রাইনল্যান্ডের যুবকদের দ্বারা পরিচালিত 'রাইন অঞ্চলের সংবাদ পত্র' নামক পত্রিকায় যোগ দেন এবং ১৮৪২ সালে তার সম্পাদক নিযুক্ত হন। সম্পাদক হিসাবে যোগ দেয়ার পর থেকেই ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে কাগজটির প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেন। এই সময় মার্ক্স অর্থশাস্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং তার পাঠ নেওয়া শুরু করেন।

১৮৪৩ সাল মার্ক্সে তার প্রেমিকা জেনি ভন ভেস্তফানেলকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি প্যারিসে চলে আসেন এবং এখান থেকেই তিনি শুরু করেন অপরিসীম দারিদ্র ও ইউরোপীয় শক্তিশালী রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই। আর মার্ক্সের এই সংগ্রামে তার পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ান তার অকৃত্রিম বন্ধু ও সহযোগী ফ্রেডরিক এঙ্গেলস। ১৮৪৫ সালে প্রাশিয়ার সরকারের ষড়যন্ত্রে তিনি প্যারিস থেকে পরিবার সমেত বিতাড়িত হন এবং তিনি চলে যেতে বাধ্য হন ব্রাসেলস-এ। ১৮৪৭ সালে মার্ক্স ও এঙ্গেলস কম্যুনিস্ট লিগে যোগ দেন এবং সেই বছরই এঙ্গেলস-এর সহযোগিতায় যৌথভাবে রচনা করেন শ্রমিক শ্রেণীর অমোঘ হাতিয়ার 'The Communist Manifesto'। এছাড়া তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হলো, The Capital, Value Price And Profit, The Critique Of Political Economy, The Proverty Of Philosophy । তবে তার Communist Manifesto একটি অমর সৃষ্টি যাকে অনেকে 'সর্বকালের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলিল' বলে অভিয়িত করেছেন।

মার্ক্স সমাজতন্ত্রের যে আদর্শ প্রচার করেছেন রাষ্ট্র দর্শনের আদর্শ হিসাবে তা একেবারেই নতুন নয়। আদর্শ হিসাবে সমাজতন্ত্রের জন্ম সুপ্রাচীন কালে গ্রীক দার্শনিক প্লেটোর লেখনীতে হলেও উনবিংশ শতাব্দীতে সমাজতন্ত্রের যথার্থ আত্মপ্রকাশ ঘটে রবার্ট ওয়েন, সেন্ট সাইমন, চার্লস ফুরিয়ারের লেখনীর মাধ্যমে। তবে এদের মতবাদ পরিপূর্ণতা ও বাস্তবতা বর্জিত হওয়াই তা কাল্পনিক সমাজতন্ত্র হিসাবে আখ্যায়িত হয়। সমাজতন্ত্রকে কল্পনার রাজ্য থেকে ইতিহাস ও অর্থনীতির বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণের উপর প্রতিষ্ঠিত করেন মার্ক্স ও এঙ্গেলস। তারা সমাজতন্ত্রকে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এটিকে চিন্তার মানসলোক থেকে টেনে বের করে মানুষের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেন। মার্ক্স কাল্পনিক সমাজতন্ত্রীদের মত কেবল পুঁজিবাদের কুফল গুলির সমালোচনা করেই তার দায়িত্ব শেষ করেন নি বরং তিনি এটিকে শ্রেণী সংগ্রাম নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত করে একান্তভাবে শ্রমিক শ্রেণীর আন্দোলন বলে চিহ্নিত করেন।

মার্ক্সের দর্শন তথা সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত। তবে পদ্ধতি হিসাবে দ্বন্দ্ববাদের সাক্ষাৎ গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসের আলোচনায় দেখা যায়। কিন্তু মার্ক্স তার দ্বন্দ্ব তত্ত্বের প্রেরণা মূলত তার পূর্বসূরী দার্শনিক হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ থেকে লাভ করেন। কিন্তু হেগেলের এই পদ্ধতিকে তিনি ভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করে সম্পূর্ণ বিপরীত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। মার্ক্স তার দ্বন্দ্ববাদের সাথে হেগেলের দ্বন্দ্ববাদের পার্থক্য নির্দেশ করতে গিয়ে নিজেই বলেছেন, "হেগেলের দৃষ্টিতে চিন্তা বা ধারণাই হলো জগত স্রষ্টা এবং প্রকৃত জগত হচ্ছে মন নির্ভর জগত। পক্ষান্তরে আমার কাছে বস্তুজগৎই হচ্ছে একমাত্র জগত বা আদর্শ এবং মানুষ তার মনের সাহায্যে এই বস্তুজগতকে চিন্তার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করে।" মার্ক্স দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের যে তত্ত্ব প্রচার করেন তার মূল কথা হলো, বস্তুই একমাত্র সত্ত্বা এবং গতি হলো তার স্বাভাবিক ধর্ম। বস্তুর অস্তিত্ব মনের উপর নির্ভরশীল নয় বরং মনের অস্তিত্বই বস্তুর উপর নির্ভরশীল।

মার্ক্স ইতিহাসের যে বস্তুতান্ত্রিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে তিনি ইতিহাসের বিকাশ ও বিবর্তন সম্পর্কে সনাতন দৃষ্টিভঙ্গিকেই গ্রহণ করেন। কিন্তু ভিন্নতর ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে তিনি সম্পূর্ণ বিপরীত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। তিনি মনে করেন, ইতিহাস তথা মানব জীবনের যাবতীয় ঘটনা একমাত্র অর্থনৈতিক বিচার-বিবেচনার দ্বারা পরিচালিত হয়। ইতিহাসের ঘটনাবলীকে ধর্মীয়, নৈতিক, আধ্যাত্মিক বা যে কোন কারণের অভিব্যক্তি বলে বর্ণনা করা হোক না কেন সেগুলি আদতে অর্থনৈতিক বিচার-বিবেচনা থেকে উৎসারিত। তার মতে, সামাজিক উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন সম্পর্কের যোগফল নিয়েই সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো গঠিত হয়। এই ভিত্তির উপর আইনগত এবং রাজনৈতিক অধি-কাঠামোসমূহ প্রতিষ্ঠিত এবং সামাজিক চেতনার বিভিন্ন প্রকাশ এই ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। বস্তুগত জীবনে উৎপাদনের যে পদ্ধতি বিরাজ করে তা সামাজিক, রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবন প্রক্রিয়ার সাধারণ চরিত্রকে নির্ধারিত করে। মানুষের চেতনা তার অস্তিত্বকে নিয়ন্ত্রিত করে না বরং সামাজিক অস্তিত্বই তার চেতনাকে নিয়ন্ত্রিত করে।

রাষ্ট্র সম্পর্কে মার্ক্সের ধারণা সনাতনী ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত ও চিত্তাকর্ষক। 'রাষ্ট্র একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান এবং তা মানুষের জীবনে মঙ্গল ও কল্যাণ বয়ে আনে'- এমন সনাতনী ধারণার তিনি তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, রাষ্ট্র অভিন্ন কল্যাণের লক্ষ্যে নিবেদিত কোন সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান নয় বরং তা যে কোন সমাজের প্রভাবশালী অর্থনৈতিক শ্রেণীর হাতে গড়া একটি সংগঠন এবং অন্যান্য শ্রেণীর উপর এই শ্রেণীর শাসন ও শোষণকে মজবুত করাই এর প্রধান লক্ষ্য। এটি প্রভাবশালী বুর্জোয়া শ্রেণীর একটি নির্বাহী কমিটি ছাড়া আর কিছুই নয়। ইতিহাস গত ভাবে যদিও শ্রেণী শত্রুতার বিষময় প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রের জন্ম কিন্তু কালক্রমে অর্থনৈতিক অবস্থার ফলশ্রুতি হিসাবে তা অনতিকালের মধ্যে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক শ্রেণীর ক্রীড়নকে পরিণত হয় এবং একমাত্র প্রভাবশালী শ্রেণীর স্বার্থরক্ষাকেই সে তার পবিত্র দায়িত্ব বলে গণ্য করে। পুঁজিতান্ত্রিক সমাজে রাষ্ট্র কেবলমাত্র পুঁজিপতিদের শোষণ করার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মার্ক্সের মতে, রাষ্ট্রের এই শ্রেণী চরিত্রের কথা বিস্মৃত হয়ে কেউ যদি মনে করেন যে, সকল নাগরিকের অভিন্ন কল্যাণ ত্বরান্বিত করাই রাষ্ট্রের কাজ তাহলে জানতে হবে তিনি মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।

আজ রাত পেরোলেই আগামীকাল প্রকাশিত হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। সমস্ত মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে *SFI গোয়ালতোড় কলেজ ইউনিট...
01/05/2024

আজ রাত পেরোলেই আগামীকাল প্রকাশিত হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল।

সমস্ত মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে *SFI গোয়ালতোড় কলেজ ইউনিটের* পক্ষথেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

•নিম্নলিখিত ওয়েবসাইট গুলোতে রেজাল্ট দেখা যাবে।

• *পড়ো_অধ্যায়ন করো_প্রশ্ন করো।*
• *পড়ো_লড়ো_পালটাও।*
• *Be a complete student join SFI.*

Address

Goaltore , Paschim Medinipur
Medinipur
721128

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SFI Goaltore Collage Unit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share