Congress Workers' Academy Nadia

Congress Workers' Academy Nadia Congress for Nationhood, Congress for India....
Jai Hind, Jai Bharat.

গড থেকে গডসে: চেতনার রিভার্স ওসমোসিস নাথুরমের জবানবন্দি "শুনুন ধর্মাবতার" আর গোপাল গডসের "গান্ধী হত্যা কেন?" বইদুটো প্রথ...
29/01/2026

গড থেকে গডসে: চেতনার রিভার্স ওসমোসিস

নাথুরমের জবানবন্দি "শুনুন ধর্মাবতার" আর গোপাল গডসের "গান্ধী হত্যা কেন?" বইদুটো প্রথম দেখি কৃষ্ণনগর রেলস্টেশনের বুকস্টলে। তখন 2001 সাল, ক্লাস টেনে পড়ি, বয়স মাত্র চৌদ্দ। সেই বয়সে নাথুরাম গডসে, জন উইকিলিস বুথ, হিটলার, এল চ্যাপোর মতন লোকেদের হিরো মনে হয়, আমারও হয়েছিল। সুতরাং বইদুটো আমার চাই। দুটো বইয়ের তৎকালীন দাম আশি টাকা মত। অনেক কষ্টে টাকা জোগাড় করে বই দুটো কিনলাম। পড়ে ফেলতে সময় লাগলো মাত্র দেড় দিন। হ্যাঁ, চৌদ্দ বছর বয়সে আমি নাথুরামের জবানবন্দি গোগ্রাসে গিলেছি। বয়ঃসন্ধির তাড়নায় প্রাথমিক ভাবে অভিভূত হয়েছি।
এরপর হঠাৎ মাথায় এলো একটা প্রশ্ন যা আমার Stream of Consciousness এর মধ্যে Reverse Osmosis তৈরী করলো: গান্ধীহত্যা তো আর পাঁচটা সাধারণ খুনের মামলার মতন ঘটনা। তিনটে গুলি চালিয়ে একজনকে খুন করে খুনী ধরা পড়ল। কিন্তু সেই খুনকে জাস্টিফাই করার জন্য এতো কথা খরচ করার দরকার কেন হল? এই একটা প্রশ্নেই চিন্তা জগতে আলোড়ন উঠলো। ততদিন অগ্নিযুগের অনেক সশস্ত্র বিপ্লবীর জবানবন্দি পড়ার সুযোগ পেয়েছি। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই তাদের জবানবন্দি ছিল সংক্ষিপ্ত... অমুক ইংরেজকে মেরেছি বেশ করেছি টাইপের বক্তব্য। অন্যদিকে নাথুরাম একটা মার্ডার কে জাস্টিফাই করতে গিয়ে যে বিশাল লেকচার দিয়েছিল সেখানেই নাথুরাম ঐতিহাসিক ব্লাণ্ডার করে বসলো। জবানবন্দির প্রতিটা ছত্রে নাথুরাম প্রমাণ করে দিল কেন গান্ধী মহান, কেন রবি ঠাকুরের মহাত্মা আর নেতাজির দেওয়া জাতির জনক উপাধি যথার্থ ভাবেই এই মানুষটির উপর বর্তায়। ঠিক যেভাবে জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড জাস্টিফাই করতে গিয়ে ব্রুটাস প্রমাণ করেছিল সিজার সত্যিই মহান ছিল।
নাথুরামের মত একজন ক্রিমিনাল,খুনের আসামির প্রতি আমার কোনও সহানুভূতি নেই। তবে আমি নাথুরাম এর প্রতি কৃতজ্ঞ: ওনার জবানবন্দি না পড়লে আমি এত গভীরভাবে গান্ধীর প্রেমে পড়তাম না, অনুভব করতে পারতাম না মহাত্মার মহত্ব, রক্তমাংসের শরীর নিয়ে একজন Man থেকে কিভাবে Godman হয়ে উঠতে পারে।
আম্বালা জেলের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নাথুরাম মোট 150টা স্টেটমেন্ট দিয়েছিল আদালতের সামনে যার সবকিছুই On Record.. খুনের আসামী হিসাবে অভিযুক্ত হওয়ার পর সংঘ কিম্বা মহাসভা যখন নাথুরাম এর সাথে সমস্ত সম্পর্ক অস্বীকার করে তখন নাথুরাম এর মানসিক বৈকল্য সৃষ্টি হয়। 139 নম্বর স্টেটমেন্টে নাথুরাম স্বীকার করতে বাধ্য হয়,
"... স্বদেশের জন্য গান্ধীজী যা করেছেন তার জন্য আমি গান্ধীজীর পদতলে প্রণত হব; প্রণত হব, ব্যক্তি গান্ধীজীর জন্য -- তাঁর ওই দেশসেবার জন্যই। এবং তাঁর দিকে গুলি ছোঁড়ার আগেও তাঁর মঙ্গল কামনা করেছি, শ্রদ্ধায় নত হয়েছি।"
কখনও কখনও মনে হয়, নাথুরাম এর চেয়ে বড় গান্ধীভক্ত আর কেউ হয়না। এখানেই মহাত্মা অমর হয়েছেন।।
জয়তু জাতির জনক 🙏🙏

© অনুজ বিশ্বাস

বলছিলাম কি মোহন কাকা, আদিবাসী সারনা  আর দ্রাবিড়ভাষী আগম মতাবলম্বী মানুষ ছাড়া সবার পূর্ব পুরুষ এই ভারতবর্ষে উড়ে এসে জু...
21/12/2025

বলছিলাম কি মোহন কাকা, আদিবাসী সারনা আর দ্রাবিড়ভাষী আগম মতাবলম্বী মানুষ ছাড়া সবার পূর্ব পুরুষ এই ভারতবর্ষে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। আর্য, গ্রীক, শক, হুন, পাঠান, মোঘল সবাই হানাদার হিসাবেই এদেশে এসেছে। টিকালো নাক, লম্বা চুল, খোঁচা খোঁচা দাড়ি আর ন্যূনতম বাদামি রঙের ছোঁয়া যাদের চামড়ায় আছে তাদের প্রত্যেকের পূর্বপুরুষ বহিরাগত। ভারতবর্ষ aboriginal অনার্য আদিবাসীদের দেশ।
আপনি বরং একটু ঋগবেদ পড়ে নিন। সেখানে পরিষ্কার বলা আছে আর্যদের বাসস্থান " ইলাবৃতবর্ষ ", যাকে "ভুবনস্য নাভি" বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এরপর আসুন বিষ্ণুপুরানে, সেখানে ইলাবৃতবর্ষের অবস্থান স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে, ককেশাস পর্বত আর ক্যাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী ইউরেশীয় স্তেপ তৃণভূমি অঞ্চল।
তাহলে কি খাড়াইলো? আপনার আমার সবার পূর্বপুরুষ এই মহান ভারতবর্ষে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে।
ঝাঁঝরি হয়ে সূচের সমালোচনা করবেন না 🙏

© অনুজ বিশ্বাস

https://www.facebook.com/share/1F2MSv2sju/এই পেজের কোনও অ্যাডমিন গ্রুপে থাকলে যোগাযোগ করবেন দয়া করে। পেজটি আমরা আবার চা...
15/12/2025

https://www.facebook.com/share/1F2MSv2sju/

এই পেজের কোনও অ্যাডমিন গ্রুপে থাকলে যোগাযোগ করবেন দয়া করে। পেজটি আমরা আবার চালু করতে চাই। পেজে 7000 এর বেশী ফলোয়ার আছে।

অনুজ বিশ্বাস
নদীয়া জেলা কংগ্রেস, স্যোসাল মিডিয়া সেল 🙏🙏

"ভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস ক্রমাগতঃ প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে"কিছু নির্বোধ লোক, যাদের অনেকেই বিজেপি বা তৃণমূলের সঙ্গে সংযুক্ত...
30/11/2025

"ভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস ক্রমাগতঃ প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে"

কিছু নির্বোধ লোক, যাদের অনেকেই বিজেপি বা তৃণমূলের সঙ্গে সংযুক্ত, বলে চলেছে।

আমি গত ১১ বছরের বিজেপির শাসনে শুধু "আঞ্চলিক দল"-কে প্রাসঙ্গিকতা হারাতে দেখছি।

বিজেপি যখন ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেছিলো, অকালি দল , অহম গণ পরিষদ, BSP , লোক দল , বিজু জনতা দল - এই দলগুলি খুব শক্তিশালী ছিল।

সিপিএম বা বাম দলগুলিও বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতা দখল করে ছিল।

আজ যদি দেখা যায়, এই দলগুলির অস্তিত্ব শুধুই খাতায় কলমে।

AAP , BRS , JDS, শিবসেনা, NCP -ও ক্ষমতার অভাবে ধুঁকছে। ২০২৭ সালে পঞ্জাব হাতের বাইরে চলে গেলেই AAP কিন্তু শেষ।

কংগ্রেসের অবস্থা সেটা নয়। বরং আঞ্চলিক দলের শেষ হয়ে যাওয়ার সুবিধা বিজেপির সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসও পাচ্ছে।

দেশ দ্বিমেরু রাজনীতির দিকে এগোচ্ছে। ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে।

ভারতীয় রাজনীতির কিছু বৈশিষ্ট্য বুঝতে হবে,
(১) সব আঞ্চলিক দল কংগ্রেস থেকেই বেরিয়েছিল। নেতৃত্বের সংঘাতে।
(২) কোনো আঞ্চলিক দল কোনো রাজ্যে multipolar contest হলে ১০ বছরের বেশি ক্ষমতার বাইরে থাকলে টিঁকে থাকে না। কংগ্রেস আর বিজেপি দুটো রাজনৈতিক দল শক্তিশালীভাবে কোনো রাজ্যে ঢুকে গেলে আর আঞ্চলিক দল সেক্ষেত্রে ক্ষমতা হারালে সেই আঞ্চলিক দল আর টিঁকে থাকতে পারে না। অসমে অহম গণ পরিষদ, হরিয়ানায় লোক দল , ওড়িশায় বিজু জনতা দল, কর্নাটকে JDS বা পশ্চিমবঙ্গ - ত্রিপুরায় সিপিএমের মতো অবস্থা হয়।
(৩) কোনো রাজ্যে বিজেপি একবার ক্ষমতায় চলে গেলে কংগ্রেসের সাহায্য ছাড়া কোনো আঞ্চলিক দলের একার পক্ষে বিজেপিকে সরানো সম্ভব নয়।
(৪) কোনো আঞ্চলিক দল বিজেপির সঙ্গে জোটে গেলে বিজেপি আস্তে আস্তে সেই দলকে গিলে নেয়। আর কংগ্রেসের সঙ্গে সিনিয়র পার্টনার হয়ে জোটে গেলে কংগ্রেস এমন দুর্বল হয়ে যায় যে সেই আঞ্চলিক দল একের পর এক নির্বাচনে হারে। বিহারে RJD, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি বা পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম যে experiment করে চলেছে, তা ওদের পক্ষে ফলপ্রসূ হবে না। মহারাষ্ট্রেও শিবসেনা বা NCP-কে একসময় দেহ রাখতেই হবে।

আঞ্চলিক দল শেষ হয়ে গেলে সেই দলের নেতা - কর্মীরা কোথায় যাবেন?
উঃ হয় বিজেপি আর তা না হলে কংগ্রেস।

"পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম নেতাদের যে কংগ্রেস ছাড়া গতি নেই সেটা ওঁরা ২০২৬ এর পরে ২০২৯ ও শূন্য হয়ে যাওয়ার পরে বুঝবেন। এখনই অবশ্য অনেকেই বুঝতে শুরু করেছেন। "

কিন্তু কংগ্রেস কি করে এই সাংগঠনিক অবস্থা থেকে ফিরে আসবে ?
উঃ কারণ কংগ্রেস "সাংগঠনিক কাঠামো"-র চেয়েও বেশি করে একটি "বিচারধারা"... ২০১৯ মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে কমজোর দল ছিল কংগ্রেস। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে দেখা হোক। মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে কংগ্রেস। এমনকি কংগ্রেসের হয়ে "নির্দল" সাংসদও জিতেছেন।

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভোট ১৩ কোটি ৬৭ লক্ষ। ভারতের মোট ভোটের ২১.১৯%
পুরো ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে দেখলে কোন আঞ্চলিক দলকে মনে হচ্ছে "কংগ্রেস"-কে replace করে দেবে ?

বিরোধী দলগুলির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট সমাজবাদী পার্টির। ২ কোটি ৯৫ লক্ষ। তারপরে তৃণমূলের। ২ কোটি ৮২ লক্ষ।

সমাজবাদী পার্টি শুধু উত্তরপ্রদেশের পার্টি। তৃণমূল শুধু পশ্চিমবঙ্গের পার্টি।

হঠাৎ সারা ভারতে উপস্থিতি তৈরি করে এই দলগুলি কংগ্রেসকে "অপ্রাসঙ্গিক" করে নিজেরা প্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে ?

২০২৭ উত্তরপ্রদেশে হেরে গেলে সমাজবাদী পার্টির অবস্থা বিহারে RJD -র মতো হয়ে যাবে না তো ?

ওই "আঞ্চলিক দল ১০ বছর ক্ষমতায় না এলে টিঁকে থাকে না" rule তো ওঁদের জন্যেও খাটে।

NDA আর INDIA -র ভোটের পার্থক্য কিন্তু মাত্র ২ কোটি ৫ লক্ষ ভোটের ছিল। NDA পেয়েছিলো ২৮ কোটি ৮২ লক্ষ ভোট (৪৩.৮%)। INDIA ২৬ কোটি ৭৭ লক্ষ ভোট (৪১.৪৮%)। বিজেপি ৪২৪ টি আসনে লড়েছিল। কংগ্রেস ৩২৬ টি আসনে।

অন্ধ্রপ্রদেশ বা মধ্যপ্রদেশে একটু এদিকে ওদিকে swing হয়ে গেলেই বিজেপির খেলা খতম !

"কিন্তু কংগ্রেস আগে যা ছিল, এখন কি আর তা আছে ?"
উঃ আগে যা ছিল তা এখন না থাকলেও ভবিষ্যতেও তা আবার হয়ে যাবে না, সেটা কে বলতে পারে ?

কংগ্রেসের সমস্যা, "গান্ধী পরিবারকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয়করণ", "পার্টিতে নেতা উঠতে দিতে অনীহা", "যুব কংগ্রেসের স্থানীয় সমস্যা নিয়ে কাজ না করা", "পুরসভা আর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঠিক করে না লড়া"...

নেতৃত্বের অনেকটা সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে স্থানীয় নির্বাচনগুলি ঠিকভাবে লড়লে।

বারবার বলা সত্ত্বেও সিনিয়র নেতৃত্ব নিজেদের ভুলগুলো দেখতে চাইছেন না।

যতদিন না বুঝবেন ততদিন হয়তো বিজেপিকে হারানো যাবে না।

কিন্তু "কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে", এটাও ভুল কথা।

মানুষ বরং "আঞ্চলিক দল"-গুলিকে শেষ করে দিচ্ছে কংগ্রেস regional aspiration (স্থানীয় সমস্যা) নিয়ে কাজ শুরু করতেই।

রাহুল গান্ধী মহাত্মা গান্ধী বা নেহরুর পথে চলতে চাইছেন। কিন্তু গান্ধী যেভাবে regional aspiration -কে জাগ্রত করে যেভাবে জাতীয় আন্দোলনের জন্ম দিতেন, রাহুল গান্ধী সেই পরিশ্রম না করে ঘরে বসে আন্দোলনের প্ল্যান ভাবেন।

ওঁর "ভারত জোড়ো যাত্রা" প্রথম ও একমাত্র প্রচেষ্টা ছিল , regional aspiration তুলে ধরার।

কিন্তু ওঁর সেই যাত্রার trail ধরে রাজ্যে রাজ্যে আন্দোলনের ক্ষেত্রে বাধা এই "ইন্দিরা কংগ্রেস" করে আসা বৃদ্ধ নেতারা ।

নিজেদের বুথে BLA -২ ই দাঁড় করাতে পারেন না।

13/11/2025

🌅 गांधीजी की नज़र में आज़ादी का सच्चा अर्थ 🌿

14 अगस्त 1947 की शाम, जब देश विभाजन के दर्द और स्वतंत्रता के उल्लास के बीच झूल रहा था, महात्मा गांधी कोलकाता के बेलियाघाटा में थे — वहाँ जहाँ अभी भी मानवता की सबसे कठिन परीक्षा चल रही थी।
पूर्वी बंगाल में हिंसा और भय के बीच उनकी प्रार्थना सभा में अप्रत्याशित भीड़ उमड़ पड़ी। भीड़ ने जब गांधीजी को सुना, तो लगा जैसे यह राष्ट्र खुद से संवाद कर रहा हो। गांधीजी ने कहा “मैं बेलियाघाटा में इसलिए हूँ कि कलकत्ता में शांति पुनः लौट आए। यदि यहाँ हृदय बदल गए, तो नोआखाली और पूरा भारत भी सुरक्षित हो जाएगा।”

15 अगस्त 1947 — भारत की स्वतंत्रता का वह प्रभात जब सारा देश जश्न मना रहा था, गांधीजी ने मौन उपवास शुरू किया। क्योंकि उनके लिए आज़ादी केवल सत्ता परिवर्तन नहीं, बल्कि हृदय परिवर्तन थी।

नवनियुक्त राज्यपाल सी. राजगोपालाचारी सुबह सुबह गांधीजी से मिलने आए और कहा कि “आपने चमत्कार कर दिखाया है,” तो गांधीजी ने उत्तर दिया —“मैं तब तक संतुष्ट नहीं हो सकता जब तक दोनों समुदाय एक-दूसरे की संगति में सुरक्षित महसूस न करें। यदि यह नहीं हुआ, तो यह उत्सव अधूरा है।”

और फिर एक अप्रत्याशित चमत्कार हुआ।
16 अगस्त 1946 के “डायरेक्ट एक्शन डे” से दोनों समुदाय के बीच जो दीवारें खड़ी हो गई थीं, वे अचानक ढहने लगीं। दोनों समुदाय के लोग अपनी पुरानी शत्रुता भुलाकर एक साथ सड़कों पर निकले, एक-दूसरे को गले लगाया, और मिठाइयां बांटी।

गांधीजी को यह दृश्य देखकर एरिक मारिया रिमार्क द्वारा लिखित एक अंग्रेजी पुस्तक “All Quiet on the Western Front” की याद आयी। इस पुस्तक में क्रिसमस के दिन युद्ध की विभीषिका में भी मानवता की झलक दिखाने वाला प्रसंग था — जब फ्रांसीसी और जर्मन सैनिक अपने-अपने मोर्चों से बाहर आए थे और कुछ क्षणों के लिए भूल गए थे कि वे एक-दूसरे के शत्रु हैं। दोनों देशों के शत्रु सैनिक आपस में बात करते हैं कि हम दुश्मन क्यों हैं?" यह क्षण उपन्यास का हृदय है – जो बताता है कि युद्ध इंसानियत को मारता है। सीमाएँ, वर्दी, प्रचार और युद्ध सब व्यर्थ। सच्चाई है सच्ची इंसानियत और मानवता।

निर्मल बोस, जो गांधीजी के भाषणों को लिपिबद्ध करते थे, ने उस सुबह गांधीजी से कहा “आपको दिल्ली जाना चाहिए, बापू! नेहरू और पटेल ने आपको बुलाया है। आजादी का पर्व आपके बिना अधूरा है। यह दिन आपके जीवन का सबसे महान क्षण है।”

निर्मल बोस ने 1941 में स्वर्ग सिधार चुके रवींद्रनाथ टैगोर के शब्द गांधीजी को उद्धृत किए —“किसी मनुष्य का मूल्यांकन उसके जीवन के सबसे महानतम (उदात्त) क्षण से किया जाना चाहिए, जब उसने अपना श्रेष्ठतम सृजन किया हो।”

बापू आपके लिए यह स्वतंत्रता दिवस सबसे बड़ा उद्दात क्षण है। इसके लिए आपने चार दशक तक संघर्ष किया है।

गांधीजी मुस्कुराए और बोले “ निर्मल बाबू , यह बात रविन्द्र बाबू जैसे कवि के लिए सही है, क्योंकि कवि को अपनी कल्पना में आसमान के तारों की रोशनी धरती पर लानी होती है। लेकिन मेरे जैसे आदमी को मापने के लिए आपको यह देखना होगा कि आज के दिन मैंने अपनी यात्रा में अपने पैरों पर कितनी धूल इकट्ठी की है।”

निर्मल कुमार बोस की आंखों से आंसू टपक पड़े। गांधीजी के इस उत्तर में उन्हें गांधी का सम्पूर्ण सृजन समा गया - गांधीजी का सृजन : धूल में चमकता महानायक। निर्मल बाबू ने अपनी आंखों से 77 वर्षीय गांधी को चरखा कातते हुए, सुबह से रात तक पैदल गाँवों में घूमते हुए, असहाय और गरीबों का इलाज करते हुए, बच्चों को दुलारते हुए, अपने हाथों से लालटेन का कांच साफ करते हुए और अपने हाथ से खुद अपना पाखाना साफ करते हुए देखा था।

निर्मल कुमार बोस लिखते हैं कि गांधीजी का “सबसे उदात्त सृजन” कोई एक क्षण नहीं था। उन्होंने अपने ‘धूल भरे पांवों’ से जो भारत बनाया, वह केवल राजनीतिक आज़ादी नहीं थी, बल्कि नैतिक जागृति का सृजन था।

यही धूल — यही पांवों के निशान — भारत की आत्मा के सबसे उजले प्रतीक हैं। 🇮🇳

Gandhi Darshan - गांधी दर्शन
12 नवंबर 2025

13/11/2025

आरएसएस और सीआईए - गांधी की हत्या के बाद संघ को 'साफ' करने की कहानी

भारत के पहले आम चुनाव से ठीक पहले, दिल्ली में अमेरिकी दूतावास से जुड़े एक शोधकर्ता जे.ए. करन ने राष्ट्रीय स्वयंसेवक संघ पर एक अध्ययन प्रकाशित किया। वह अध्ययन महज़ एक शैक्षणिक दस्तावेज़ नहीं था वह एक ऐसा राजनीतिक हस्तक्षेप था जिसने संघ को गांधी के हत्यारे नाथूराम गोडसे की छाया से बाहर निकालने में निर्णायक भूमिका निभाई। सोलह साल बाद, जब एक सीआईए भगोड़े ने मॉस्को में अपनी कहानी सुनाई, तो यह स्पष्ट हो गया कि करन की 'निष्पक्ष' शोध यात्रा वास्तव में अमेरिकी खुफिया तंत्र का एक सुनियोजित अभियान था

1949 से 1951 के बीच, जब आरएसएस पर गांधी हत्या में संलिप्तता का आरोप लगने के बाद प्रतिबंध लगा था, करन को संगठन के सर्वोच्च स्तरों तक अभूतपूर्व पहुंच मिली। सरसंघचालक एम.एस. गोलवलकर और उनके वरिष्ठ सहयोगियों ने इस अमेरिकी समाजशास्त्री के साथ लंबे साक्षात्कार किए, उन्हें संघ की आंतरिक कार्यप्रणाली दिखाई, और ऐसी जानकारी साझा की जो आम तौर पर बाहरी लोगों से छिपाई जाती थी

करन ने अपनी पुस्तक की भूमिका में इस सहयोग की सराहना करते हुए लिखा: "लेखक जो आभार व्यक्त करता है, उसे अतिशयोक्ति नहीं कहा जा सकता।" यह असामान्य स्वागत तब और संदिग्ध लगता है जब हम जानते हैं कि उस समय संघ पर सार्वजनिक दबाव था और वह अपनी छवि सुधारने के लिए बेताब था

1951 में इंस्टीट्यूट ऑफ पैसिफिक रिलेशंस द्वारा प्रकाशित "Militant Hinduism in Indian Politics: A Study of the RSS" ने आरएसएस को एक राष्ट्रवादी, अनुशासित संगठन के रूप में चित्रित किया। 94 पृष्ठों की इस पुस्तक का समय अत्यंत महत्वपूर्ण था भारत के पहले लोकतांत्रिक चुनाव के ठीक पहले, जब संघ को गांधी की हत्या से दूरी बनाने की सख्त ज़रूरत थी

करन की पुस्तक ने संघ को एक वैचारिक आंदोलन के रूप में वैधता प्रदान की, उसे सिर्फ़ एक राजनीतिक दल नहीं बल्कि हिंदू समाज के पुनर्निर्माण की एक व्यापक परियोजना के रूप में प्रस्तुत किया। यह विवरण ठीक उसी तरह का था जो संघ को अपनी सार्वजनिक छवि बदलने के लिए चाहिए था

1960 में जॉन स्मिथ नाम का एक अमेरिकी सीआईए अधिकारी अपनी पत्नी मैरी के साथ सोवियत संघ में शरण लेने के लिए भाग गया। सात साल बाद, 1967 में, उन्होंने सोवियत साहित्यिक पत्रिका Literaturnaya Gazeta में एक विस्फोटक खुलासा किया: करन कोई निष्पक्ष शोधकर्ता नहीं, बल्कि "भारत में सीआईए के सबसे अनुभवी खुफिया एजेंटों में से एक" था

स्मिथ ने बताया कि उनकी पत्नी मैरी, जो स्वयं एक सीआईए एजेंट थीं, सीधे करन के अधीन काम करती थीं। उन्होंने यह भी खुलासा किया कि सीआईए ने आरएसएस के साथ "निकट संबंध" विकसित किए थे, जिसका उद्देश्य प्रधानमंत्री जवाहरलाल नेहरू की कांग्रेस सरकार को अस्थिर करना था

टाइम्स ऑफ इंडिया ने रिपोर्ट किया कि दो महीने बाद भारतीय कम्युनिस्ट पार्टी ने स्मिथ के खुलासों को "I was a CIA Agent in India" शीर्षक से एक पुस्तिका के रूप में प्रकाशित किया। यह दस्तावेज़ भारतीय राजनीति में विदेशी हस्तक्षेप का एक चौंकाने वाला प्रमाण बन गया

स्मिथ के खुलासों में सबसे विस्फोटक तथ्य यह था कि सीआईए ने जन संघ आरएसएस की राजनीतिक शाखा को वित्तीय सहायता प्रदान की थी। उन्होंने विशेष रूप से बताया कि 1966 में गौ-हत्या विरोधी रैली के लिए "बड़ी मात्रा में धन" भेजा गया था

न्यूयॉर्क टाइम्स ने खुलासा किया कि स्मिथ के बयान से चार महीने पहले, केंद्रीय जांच ब्यूरो ने फरवरी 1967 के चुनावों में सीआईए की भूमिका की जांच शुरू कर दी थी। सीबीआई को अमेरिका से जन संघ को भेजी गई बड़ी रकम के ठोस सबूत मिले थे। यह जांच उस समय के भारत-अमेरिका संबंधों में एक संवेदनशील मुद्दा बन गई, जब शीत युद्ध अपने चरम पर था और भारत गुटनिरपेक्षता की नीति अपनाए हुए थे

करन-आरएसएस प्रकरण अकेली घटना नहीं था। यह शीत युद्ध के दौर में सीआईए की एक व्यापक रणनीति का हिस्सा था, जिसमें एशिया और अफ्रीका के उन संगठनों को समर्थन दिया जाता था जो सोवियत संघ और वामपंथी आंदोलनों के खिलाफ़ थे

स्मिथ ने यह भी बताया कि उन्होंने भारतीय अधिकारियों को एक विस्तृत पत्र भेजा था जिसमें देश में सीआईए की गतिविधियों का ब्योरा था। इस जानकारी के आधार पर अमेरिकी जासूस हैरी रोसिट्ज़के को भारत से निष्कासित किया गया। स्मिथ के खुलासों को बाद में एक पूर्ण पुस्तक के रूप में प्रकाशित किया गया, जो शीत युद्ध के दौर में गुप्त राजनीति का एक दुर्लभ दस्तावेज़ बन गया

आज, जब हम भारत की राजनीतिक यात्रा को समझने की कोशिश करते हैं, तो करन की पुस्तक और स्मिथ के खुलासे एक महत्वपूर्ण सवाल उठाते हैं: क्या नेहरू युग की भारतीय राजनीति में विदेशी खुफिया एजेंसियों का हस्तक्षेप कितना गहरा था? करन की किताब ने आरएसएस को गांधी हत्या के कलंक से बाहर निकलने में मदद की, और संगठन धीरे-धीरे भारतीय राजनीति में एक प्रमुख शक्ति बन गया

यह कहानी सिर्फ़ अतीत की घटना नहीं है यह उस समय की याद दिलाती है जब शीत युद्ध की राजनीति ने एशियाई देशों की घरेलू राजनीति को कैसे प्रभावित किया। करन का शोध, जो सतह पर निष्पक्ष शैक्षणिक कार्य लगता था, स्मिथ के सवाल उस पर भारी दिखाई पड़ते हैं

12/11/2025

नेताजी का विरोध!

नेताजी सांप्रदायिक राजनीति के धुर विरोधी थे। इसीलिए जब वे भारतीय राष्ट्रीय कांग्रेस के अध्यक्ष बने तो कांग्रेस में लीग और हिंदू महासभा की दोहरी सदस्यता रखने वाले सदस्यों को चेतावनी देते हुए कहा कि आपको कांग्रेस की सदस्यता छोड़नी होगी यदि आप इन संगठनों के भी सदस्य हैं। कांग्रेस में दोहरी सदस्यता नहीं चलेगी। उन्होंने इसे सख्ती से लागू किया।
हालांकि कुछ लोग यह भी कह सकते हैं कि बोस ने कुछ मौकों पर सांप्रदायिक नेताओं से भी मुलाकात की थी या मिलने की कोशिश की थी। ऐसा कहकर वे अपने नेताओं की अहमियत और आंदोलन में अपनी सहभागिता की वैधता को सुनिश्चित करना चाहते हैं। जबकि बोस का मुख्य उद्देश्य स्वतंत्रता आंदोलन को मजबूत करना था। उनके लिए भारत की स्वतंत्रता सर्वोपरि थी, बाकी सब बाद में। उन्होंने जर्मनी के तानाशाह हिटलर से भी मिलना तय किया, क्योंकि उनको लगता था कि उसकी सहायता से वे अपने उद्देश्य को पाने में सफल होंगे।
इसी भावना के चलते ही उन्होंने 1939 में संघ के हेडगेवार से मिलना तय किया, क्योंकि सबके सहयोग से वे ब्रिटिश सत्ता को कड़ी चुनौती दे सकते थे। यहां भी उनका मुख्य उद्देश्य भारत की स्वतंत्रता को सुनिश्चित करने से था, कोई राजनीतिक सत्ता हासिल करना नहीं।

बोस ने हेमू हुद्दार (Hemu Hudedar), से हेडगेवार से मुलाकात कराने को कहा। हुड्डार जो आरएसएस के प्रारंभिक सदस्य थे और हेडगेवार के बहुत करीबी थे। ये संघ के पहले महासचिव भी रहे थे। लेकिन बाद में वे संघ से अलग हो गए थे। भारतीय स्वतंत्रता अब उनका मुख्य लक्ष्य हो गया था। हुद्दार ने बोस के अनुरोध पर हेडगेवार से मिलने का फैसला किया। वे बोस के प्रति सद्भावना रखते थे। हुद्दार हेडगेवार के साथ अपने पुराने संबंधों के कारण इस भूमिका के लिए उपयुक्त थे। वे नागपुर पहुंचे, जहां हेडगेवार के सहयोगी एम.एन. घाटे ने उनका स्वागत किया। हुद्दार ने हेडगेवार के कमरे में प्रवेश किया, जहां वे कुछ युवा स्वयंसेवकों के साथ हंसते-बोलते मिले। हुद्दार ने बोस का संदेश दिया: "मैं सुभाष बाबू द्वारा भेजा गया हूं, जो आपसे मिलने के लिए बहुत उत्सुक हैं।" लेकिन हेडगेवार ने कहाकि वे "बहुत बीमार" हैं और किसी से मिल नहीं सकते। हुड्डार लिखते हैं कि वास्तव में, हेडगेवार स्वस्थ दिख रहे थे, लेकिन आरएसएस की नीति के अनुसार, वे संगठन को प्रत्यक्ष राजनीतिक आंदोलन से अलग रखना चाहते थे। हुद्दार ने बहुत अनुरोध किया, लेकिन हेडगेवार अडिग रहे। हुद्दार ने हेडगेवार से अनुरोध किया कि वे कम से कम बाहर इंतजार कर रहे एक अन्य व्यक्ति (शाह) को अपनी "शारीरिक बीमारी" के बारे में बताएं, ताकि बोस को संदेह न हो कि हुद्दार ने ही मिशन विफल कर दिया। हालांकि, हेडगेवार ने ऐसा नहीं किया। बाद में हुद्दार ने इस मुलाकात का ज़िक्र किया, जिससे तत्कालीन राजनीतिक परिदृश्य को समझा जा सकता है। सुभाष सहयोग की आकांक्षा से सावरकर से भी मिलते हैं।

बोस सांप्रदायिक राजनीति के तौर-तरीके बखूबी जानते थे। 1940 में हिंदू महासभा के संदर्भ में उनका यह बयान देखें, जो आनंद बाज़ार पत्रिका में छपा था- "हिंदू महासभा ने त्रिशूलधारी संन्यासी और संन्यासिनों को वोट मांगने के लिए लगा दिया है। त्रिशूल और भगवा लबादा देखते ही हिंदू सम्मान में सिर झुका देते हैं। धर्म का फायदा उठाकर इसे अपवित्र करते हुए हिंदू महासभा ने राजनीति में प्रवेश किया है। सभी हिंदुओं का कर्तव्य है कि इसकी निंदा करे।"

बोस सांप्रदायिक सद्भाव के पक्षधर थे। उन्होंने अपनी आजाद हिंद फौज़ की ब्रिगेड के नाम झांसी की रानी, गांधी, नेहरू और आजाद के नाम पर रखे न कि मजहबी नेताओं के नाम पर।

बोस अपने सिद्धांतों से कभी समझौता नहीं करते थे। इसीलिए बोस जब भी
कोई स्वतंत्रता आंदोलन की मुख्य धारा से अलग हुआ, उसकी तीव्र भर्त्सना करते हैं। 1 जनवरी 1943 को सिंगापुर में आज़ाद हिंद फौज के एक महत्वपूर्ण समारोह में नेताजी ने स्पष्ट कहा कि “जो भारतीय स्वतंत्रता के युद्ध में शरीक होने से इनकार करते हैं, वे देशद्रोही हैं।”
सुभाष बाबू के ये तीखे शब्द तब आए जब भारत में अंग्रेजों के विरुद्ध भारत छोड़ो आंदोलन चल रहा था। ध्यातव्य है कि इस दौरान द्विराष्ट्रवाद के प्रबल पैरोकार जिन्ना भारत छोड़ो आंदोलन का विरोध कर रहे थे। हिंदू महासभा भी इस आंदोलन से गैरहाजिर रही थी।मुखर्जी ने तो जो कि बंगाल में लीग की सहयोगी सरकार में वित्तमंत्री और उप प्रधान थे, ने भारत छोड़ो आंदोलन को कुचलने की सलाह दी थी।

नेताजी सावरकर और जिन्ना दोनों की राजनीति से खिन्न थे। 31 अगस्त 1942 को बर्लिन से प्रसारित अपने रेडियो संदेश में नेताजी ने जिन्ना और सावरकर दोनों का नाम लेते हुए स्पष्ट कहा था कि - “वे लोग जो ब्रिटिश साम्राज्य के साथ समझौते का स्वप्न देख रहे हैं, उन्हें जान लेना चाहिए कि ब्रिटिश साम्राज्य का अंत निकट है।
जिन्ना ने भारत छोड़ो आंदोलन को
“मुस्लिम हितों के लिए हानिकारक” बताया।

जिन्ना और सावरकर दोनों के निशाने पर इस समय कांग्रेस थी। ये दोनों इस दौर में ब्रिटिश शासन के सहयोगी की भूमिका में थे।
सावरकर ने भारत छोड़ो आंदोलन का खुला विरोध किया और ब्रिटिश शासन से “सैन्य प्रशिक्षण” के नाम पर सहयोग का आह्वान किया। सावरकर के 1942 के पुणे के एक भाषण को देखें , जिसमें वे कहते हैं —“युवक ब्रिटिश सेना में भर्ती हों ताकि वे सैन्य कौशल प्राप्त कर सकें और भविष्य में हिंदू राष्ट्र की रक्षा कर सकें।”
सुभाष चंद्र बोस ने इस क्षुद्र राजनीति का विरोध करते हुए कहा कि, “केवल वही व्यक्ति स्वतंत्र भारत में सम्मान का अधिकारी होगा, जिसने अंग्रेज़ी शासन के विरुद्ध संघर्ष किया हो।”

लेकिन विडंबना है कि तब नेताजी और भगतसिंह की बात न मानने वाले, उनकी राह के उलट चलने वाले सांप्रदायिक संगठन आज राजनीति की मुख्यधारा के नायक बनने की इच्छा से उन्हींको अपनाने की बात कर रहे हैं। हालांकि इसका यह मतलब कतई न निकाला जाय कि इन सांप्रदायिक संगठनों का हृदय परिवर्तन हो गया है। नेताजी, भगतसिंह और पटेल इनके लिए पॉलिटिकल टूल से ज्यादा नहीं। ये इन राष्ट्रनायकों का इस्तेमाल नेहरू पर निशाना साधने के लिए करते हैं। उनकी सांप्रदायिक राजनीति आज और ज्यादा घृणा के स्तर पर पहुंच गई है। अगर प्रधानमंत्री सुभाष या भगतसिंह बने होते तो वे भी आज इनके निशाने पर उसी तरह होते जैसे आज नेहरू हैं। वे सभी नेता जो सांप्रदायिक सद्भाव की बात करते थे, तब भी इन सांप्रदायिक संगठनों के नेताओं को पसंद नहीं आते थे। इसे गोडसे के अग्रणी अख़बार में छपे उस चित्र के जरिए समझा जा सकता है, जिसमें गांधी को दशानन के रूप में दिखाया गया है जबकि सावरकर और श्यामा प्रसाद मुखर्जी गांधी पर शर संधान करते हुए दिखते हैं। रावण के दस सिरों में पटेल, नेहरू और सुभाष भी शामिल हैं।

आज जिस तरह से नेहरू बनाम बोस, नेहरू बनाम पटेल और नेहरू बनाम भगतसिंह किया जाता है, उसके अपने निहितार्थ हैं। ये सब कवायद उनकी तरफ से होती है, जिनकी स्वतंत्रता आंदोलन में पूरी तरह से गैर मौजूदगी रही है। बोस और भगतसिंह निःसंदेह अनमोल रत्न हैं। लेकिन यह भी देखा जाना चाहिए कि ये फलां बनाम फलां की राजनीति करने वाले खुद बोस और भगतसिंह की विचारधारा के कितने नजदीक हैं।

साभार Sanjeev Shukla

Address

Krishnanagar Forest Office Area
741101

Telephone

+919434465969

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Congress Workers' Academy Nadia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share