Muhammad Abdul Matin

Call Directions Website Contact the organization

Muhammad Abdul Matin About me: I am a Muslim. I reliable to sacrifice not in embaying. I love walling every step in my life with the human race. My delight in development of mankind.

Muhammad Abdul Matin
Founder Director – Taqwa
Editor – Banganur Patrika
Founder – Maghribi Bangal Anjuman-e-Waizin
Founder– Board of Islamic Education
Founder- Social Media Cell
Founder- Rahmania Studant Federation
Founder- Aminia Jamiyat Al-Mullamin I do not like fitness people who obstructed in ways of education, health and freedom. The crying of the Orphan and helpless person make me embarrassed. I reliable to the song of excellent idealism of HAZRAT MUHAMMAD SALLALLAHU ALAIHI WA SALLAM thought. I am dedicated my life in his idea listed way, my human life will be utilized. Those who are selfish, self centered and are busy with sensual pleasures; they should not be friendship with me. I'm looking for Those who one generous, want to save others and try free from the hell, who can excuse me guilty, who can purely my wrongs. They should make friendship with me. I am involved with various social services. 1. Director- Julfiquria Siddiquia Khareji Madrasah. 2. Editor- Weekly BANGANUR Patrika. 3. Secretary- Pashchimbanga Madrasah Education Board, Non Govt. 4. Secretary- All India Sunnat Al Jamayat. 5. Secretary- Magrebi Bangal Anjuman-e Wayejin. 6. Controller- Allma Ruhul Amin Rh. JAMIA RAHMANIA. Let they make friend with me, those who encourage me to direct these important responsibilities and assist finely in all sorts.

15/08/2026

৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
তাকওয়া হিফজুল ক্বুর-আন কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত হলো ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশাত্মবোধক পরিবেশনা, আলোচনা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। স্বাধীনতার অমর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের অঙ্গীকার— শিক্ষা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে গড়ে উঠুক আগামী প্রজন্ম। জয় হিন্দ

৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনবঙ্গনূর পত্রিকা অফিস ও তাকওয়া হিফজুল ক্বুর-আন কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উ...
15/08/2026

৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
বঙ্গনূর পত্রিকা অফিস ও তাকওয়া হিফজুল ক্বুর-আন কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত হলো ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশাত্মবোধক পরিবেশনা, আলোচনা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। স্বাধীনতার অমর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের অঙ্গীকার— শিক্ষা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে গড়ে উঠুক আগামী প্রজন্ম।

বিবি আসিয়া এ্যডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনে ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন আজ বিবি আসিয়া এ্যডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনে যথাযোগ্য মর্যাদা, ...
15/08/2026

বিবি আসিয়া এ্যডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনে ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
আজ বিবি আসিয়া এ্যডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনে যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও দেশাত্মবোধের আবেগে উদযাপিত হলো ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শিক্ষার্থীদের দেশাত্মবোধক পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ ও দেশের প্রতি তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, ঐক্য, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল বার্তা।
স্বাধীনতা শুধু একটি অর্জন নয়—এটি আমাদের দায়িত্ব। আসুন, শিক্ষা, সততা, মানবিকতা ও ঐক্যের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও শক্তিশালী ভারত গড়ে তুলি। বিবি আসিয়া এ্যডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে সকলকে ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আজকের দিনে এই কথাটা প্রাসঙ্গিক।
14/08/2026

আজকের দিনে এই কথাটা প্রাসঙ্গিক।

✨ আপনার কন্যা সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সঠিক ঠিকানা ✨🏫 BIBI ASIYA EDUCATIONAL INSTITUTION(A Senior Secondary Girls Miss...
29/07/2026

✨ আপনার কন্যা সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সঠিক ঠিকানা ✨

🏫 BIBI ASIYA EDUCATIONAL INSTITUTION
(A Senior Secondary Girls Mission H.S.)

📍 ঠিকানা:
মহেশপুর (জোড়া অশ্বথতলা), বাদুড়িয়া, উত্তর ২৪ পরগণা।

📢 নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীদের ভর্তি চলছে।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুফতী মুহাম্মাদ আব্দুল মাতিন সাহেব-এর মস্তিষ্কপ্রসূত শিক্ষাব্যবস্থায় পরিচালিত এই আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক শিক্ষা, ইসলামী আদর্শ এবং নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে।

🌿 আমাদের মূলমন্ত্র
"আধুনিক শিক্ষা • নৈতিক মূল্যবোধ • শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন"

⭐ আমাদের বৈশিষ্ট্য
✅ অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তত্ত্বাবধানে মানসম্মত পাঠদান
✅ মোটিভেশনাল ট্রেনিং ও কাউন্সেলিং
✅ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল আবাসিক ব্যবস্থা
✅ নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা
✅ কম্পিউটার ও ডিজিটাল লার্নিং
✅ বোর্ড পরীক্ষার বিশেষ প্রস্তুতি, নিয়মিত মক টেস্ট ও মূল্যায়ন
✅ নেতৃত্বের গুণাবলি ও সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব
✅ পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা (বাইরের খাবার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)
✅ সার্বক্ষণিক CCTV নিরাপত্তা ব্যবস্থা

🌸 আমাদের অঙ্গীকার
"আজকের শিক্ষার্থী, আগামী দিনের আদর্শ নাগরিক ও দেশের সেবিকা।"

📖 শিক্ষাই শক্তি • শিক্ষাই আলো • শিক্ষাই ভবিষ্যৎ

📞 যোগাযোগ:
📱 9734313964
📱 9733587519

আজই যোগাযোগ করুন এবং আপনার কন্যা সন্তানের জন্য নিশ্চিত করুন একটি নিরাপদ, আদর্শ ও আলোকিত শিক্ষাজীবন।

📍 আজ টাকি সংস্কৃতি মঞ্চেবসিরহাট মহকুমার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক...
29/07/2026

📍 আজ টাকি সংস্কৃতি মঞ্চে

বসিরহাট মহকুমার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক (SDO), বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের আধিকারিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যবৃন্দ এবং এলাকার মাননীয় বিধায়কগণ।

উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প, পরিষেবা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জনস্বার্থে উন্নয়নের পথে একসঙ্গে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা।

28/07/2026

আমি ভুল শুনছি না তো?
রাষ্ট্র বিরোধী শিক্ষক এবং ছাত্র সংগঠন তারা এবার পথে নেমেছে। ম্যাডাম আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কে রাষ্ট্র বিরোধী আর কে রাষ্ট্র প্রেমি সেই সার্টিফিকেট দেওয়ার যোগ্যতা আপনি পেয়েছেন।

27/07/2026
ক্ষমতার দম্ভ বনাম গণআন্দোলনের জয়ইতিহাসের ধূলিমলিন পাতাগুলো উল্টালে একটি চিরন্তন ও অবধারিত সত্য বারবার আমাদের সামনে স্পষ্...
25/07/2026

ক্ষমতার দম্ভ বনাম গণআন্দোলনের জয়

ইতিহাসের ধূলিমলিন পাতাগুলো উল্টালে একটি চিরন্তন ও অবধারিত সত্য বারবার আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বন্দুকের নল, পুলিশের লাঠি কিংবা রাজদণ্ড যত শক্তিশালীই হোক না কেন, জনরোষের আগ্নেয়গিরির সামনে তা অবলুপ্ত হতে বাধ্য। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দালালি, অন্ধ পক্ষপাতিত্ব বা তোষামোদের চশমা খুলে দেখলে খুব সহজেই বোঝা যায়, ভারতের রাজনীতি ও সামাজিক কাঠামোর আসল রূপকার কোনো সাময়িক শাসকদল নয়; বরং এই দেশের পরম শক্তির উৎস হল এর আপামর জনগণ।

ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের প্রবল সামরিক ও প্রশাসনিক দাপটকে যারা রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও অহিংস আন্দোলনের যৌথ শক্তিতে পরাস্ত করে এ দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল, সেই সাধারণ মানুষের উত্তরাধিকার আজও এই স্বাধীন ভারতের মাটিতে সমানভাবেই সজীব। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শাসকের চেয়ার বদলায়, প্রশাসনিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়; কিন্তু ক্ষমতার অহংকার যখনই জনকল্যাণকে পদদলিত করে নিজের দম্ভ প্রকাশ করতে যায়, তখনই নতুন গণআন্দোলনের জন্ম হয়।

সম্প্রতি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ এবং তার পরিণতিতে গড়ে ওঠা ককরোচ জনতা পার্টির ঐতিহাসিক জয় আরও একবার ভারতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে সশব্দে প্রমাণ করল, জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও প্রতিরোধের সামনে অবশেষে নতিস্বীকার করতেই হয় শাসককে।

দিল্লির রাজপথে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী নেমে এসেছিল, তাঁদের সবাইকে স্রেফ নিট পরীক্ষার্থী বা শিক্ষানুরাগী ভাবলে শাসকশ্রেণির চরম রাজনৈতিক অপরিণামদর্শিতারই পরিচয় পাওয়া যায়। সাধারণ চোখে এটি আপাতদৃষ্টিতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে একদল সংক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীর আন্দোলন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করলে স্পষ্ট হয়, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বা দুর্নীতি ছিল স্রেফ এক সলতে পাকানোর বাহানা বা তাৎক্ষণিক অনুঘটক। ক্ষোভের আসল বারুদ জমেছিল জনমানসে বহু আগেই।

আজকের শিক্ষিত যুবসমাজ কেবল একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়; তারা দিশেহারা ও বিভ্রান্ত। একদিকে রয়েছে যোগ্যতার অনুপাতে কাজের সুযোগ না থাকার ফলে তৈরি হওয়া ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, আর অন্যদিকে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া দামে পিষ্ট মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দীর্ঘশ্বাস। ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ না পাওয়া, স্বনির্ভর হতে না পারা এবং সংসারের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত অপমানিত ও সংকুচিত হওয়ার যন্ত্রণা সাধারণ পরিবারগুলোকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

বছরের পর বছর ধরে তরুণ প্রজন্মের মনের ভেতর জমতে থাকা এই ক্ষোভ, হতাশা ও অবমূল্যায়ন যখন কোনো ইতিবাচক প্রশাসনিক দিশা পায় না, তখন একটি নির্দিষ্ট সামাজিক বা শিক্ষাগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলন তখন আর স্রেফ একটি নির্দিষ্ট অন্যায়ের প্রতিবাদ থাকে না; তা হয়ে ওঠে সরকারের প্রতি জমে থাকা সার্বিক অসন্তোষ, যন্ত্রণা ও ক্ষোভ প্রকাশের সর্বজনীন ও অপ্রতিরোধ্য মঞ্চ।

স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের রাজনৈতিক অলিন্দে শাসকের একটি নির্দিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক মানসিকতা প্রায় অপরিবর্তিত থেকে গেছে। সাধারণ মানুষ বা ছাত্রসমাজ রাজপথে আন্দোলনে নামলেই তাকে সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত, বিরোধী দলের সাজানো নাটক কিংবা দেশবিরোধী চক্রের কাজ বলে দাগিয়ে দেওয়ার এক অদ্ভুত ঝোঁক দেখা যায়।

চলমান আন্দোলনেও সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলনকারী ছাত্রদের ‘সন্ত্রাসীদের বি-টিম’ বলে অভিহিত করে বিতর্ক ও উত্তাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে অরাজনৈতিক ছাত্রদের দাবিয়ে রাখতে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অধীনে থাকা পুলিশকে দিয়ে লাঠিচার্জ করানো এবং কাঁদানে গ্যাস ছোড়ানো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি শাসনের দম্ভেরই প্রকাশ্য বহিঃপ্রকাশ।

যেকোনো শাসক যখন ক্ষমতার শীর্ষস্তরে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করে, তখন তাঁদের বাস্তব সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে একদল সুবিধাবাদী চাটুকার ও তোষামোদকারী পারিষদ। ‘সব ঠিক আছে মহারাজ’, ‘অল ইজ ওয়েল’— চাটুকারদের এই অলীক সুর শুনতেই পছন্দ করেন ক্ষমতার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিত্বরা। এর ফলে শীতাতপ-নিয়ন্ত্রিত ভবনের আরামদায়ক কক্ষ থেকে রাজপথের জ্বলন্ত সত্য ও সাধারণ মানুষের চোখের জল ঢাকা পড়ে যায়।
এই বিচ্ছিন্ন মানসিকতার চরম রূপ দেখা যায়, যখন দেশনেতারা বা সুপ্রিম কোর্টের মতো সর্বোচ্চ বিচারপীঠের অসংবেদনশীল মন্তব্যে নিজেদের অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হওয়া তরুণদের ‘আরশোলা’ বা ‘সমাজের পরজীবী’ বলে কটাক্ষ করা হয়। কিন্তু শাসকশ্রেণি ভুলে যায়, প্রদীপের নীচের তীব্র অন্ধকার দূর করতে সেই হেয় করা ‘আরশোলা’রাই যখন সংগঠিত হয়ে জোট বাঁধে, তখন তারা ইতিহাস বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

শুরুতেই অহংকার পাশে সরিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় না বসে দমনপীড়নের পথ বেছে নেওয়াটাই ছিল সরকারের সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুল। শেষ পর্যন্ত প্রবল গণচাপ, সোনম ওয়াংচুকের আমরণ অনশন এবং গণআন্দোলনের তীব্রতার মুখে নতিস্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা গ্রহণ করা এবং আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হল, অহংকারী শাসকের চেতনার চেয়ে অরাজনৈতিক জনতার সম্মিলিত প্রজ্ঞা বহু গুণ বেশি শক্তিশালী।

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণে পরিবর্তন আনা কিংবা অগণতান্ত্রিক সরকারকে নতিস্বীকার করানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে অরাজনৈতিক গণআন্দোলনের ভূমিকা অনেক বেশি সুদূরপ্রসারী। দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে যখনই জনস্বার্থমুখী আন্দোলন গড়ে উঠেছে, তখনই ক্ষমতার শক্ত ভিত কেঁপে উঠেছে।

১৯৬৫ সালের তামিলনাড়ুর ভাষা আন্দোলনের কথা স্মরণ করা যেতে পারে। জোরপূর্বক হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার আশঙ্কায় তৎকালীন সময়ে সমগ্র তামিল সমাজ একজোট হয়েছিল। ফলে ১৯৬৭ সালে অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ আইন সংশোধন করতে বাধ্য হয় কেন্দ্র, এবং শাসকদল চিরতরে সেখানে রাজনৈতিক জমি হারায়।

ঠিক একইভাবে, ১৯৭৪ সালে গুজরাত ও বিহারের ছাত্র সংগ্রাম মিলেমিশে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে যে সর্বাত্মক জেপি আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিল, তা পরবর্তীকালে জরুরি অবস্থা পেরিয়ে ১৯৭৭ সালে তৎকালীন শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকারের পতন ঘটিয়েছিল।

১৯৯০ সালে ওবিসিদের জন্য ২৭ শতাংশ সংরক্ষণের সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে যখন দেশজুড়ে মেধাভিত্তিক সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা তীব্র আন্দোলনে নেমেছিল, তখন চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছিল।

২০১১ এবং ২০১২ সালে আন্না হাজারে ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন এবং নির্ভয়া আন্দোলনের জেরে শুধু কেন্দ্রের সরকারই নয়, দিল্লিতে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত সরকার পর্যন্ত ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল।

এই প্রতিটি ঘটনা একটি ঐতিহাসিক সত্যকে বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়— সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে শাসক যখন পুলিশি অত্যাচার বা ক্ষমতার ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে, তখন ক্ষুদ্র পরিসরের সাধারণ আন্দোলনও একসময় সমগ্র সরকারের অস্তিত্বের মূল সংকট তৈরি করতে পারে।

বিখ্যাত লেখক জেমস সুরোউইকি তাঁর বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ Wisdom of Crowds-এ অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করেছেন, কীভাবে রাষ্ট্র বা সমাজ পরিচালনায় একক কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি, নীতিনির্ধারক বা শাসকের ধারণার চেয়ে হাজার হাজার সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত বা অবস্থান অনেক বেশি নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ হয়ে ওঠে।

আমরা সাধারণত ধরে নিই যে, উচ্চশিক্ষিত মন্ত্রী, আমলা কিংবা নীতিনির্ধারকরাই দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে, যখন সাধারণ মানুষ কোনো একটি যৌথ সামাজিক ইস্যুতে একজোট হয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়, তখন তা সমাজের প্রকৃত আয়নাকে প্রতিফলিত করে।
ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ আন্দোলনকারীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্র যখন তাঁদের অবহেলা করে ‘আরশোলা’ বলে কটাক্ষ করে, তখন সেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভই দেশের ভগ্ন শিক্ষাব্যবস্থাকে সংস্কারের দোরগোড়ায় নিয়ে আসতে পারে। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকারের লিখিত গ্যারান্টি প্রদান, বিতর্কিত পদাধিকারীদের অপসারণ, আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত আইনি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য এবং আগামী দিনে শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারে ছাত্রদের সরাসরি যুক্ত করার অঙ্গীকার আদায় প্রমাণ করে যে, এটি কেবল একটি দল বা গোষ্ঠীর সাফল্য নয়; এটি ভারতীয় গণপ্রজাতন্ত্রের মূল ব্যবস্থার জয়।

আজকের এই জটিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির জন্য এই আন্দোলন এক অত্যন্ত কড়া ঐতিহাসিক শিক্ষণীয় বার্তা। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো হয়তো উপদলে বিভক্ত, বিরোধী জোট হয়তো ছত্রভঙ্গ এবং একজোট হতে ব্যর্থ; কিন্তু বিরোধীদের এই দুর্বলতার অর্থ এই নয় যে, শাসকের অপশাসন বা অসংবেদনশীলতা চিরকাল ঢাকাপড়া থেকে যাবে। যখন প্রথাগত বিরোধী দল মাঠে ব্যর্থ হয়, তখন সচেতন সাধারণ নাগরিক নিজেই দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে রাজপথে আবির্ভূত হয়।

গণআন্দোলনকে শুরুতেই শত্রু বা বিদেশি চক্রান্ত বলে না ভেবে, তার অন্তরালে থাকা মূল সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষোভের কারণ অনুসন্ধান করাই হল প্রকৃত রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও মুন্সিয়ানা।

পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশকে সাময়িকভাবে আটকে রাখা যায়, সত্যি; কিন্তু মানুষের মনের ভেতরের জ্বালা দূর করা যায় না। সাধারণ নাগরিককে কটাক্ষ, অপমান ও দম্ভ প্রদর্শন করে চিরকাল ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। সুবিধাবাদী তোষামোদকারীদের মিষ্টি কথা বিশ্বাস না করে মাটির কাছাকাছি মানুষের স্পন্দন না বুঝলে ক্ষমতার মসনদ উল্টে যেতে খুব বেশি সময় লাগে না।

যে দেশের স্বাধীন সত্তার জন্ম হয়েছিল ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘ ঐতিহাসিক লড়াই ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, যে দেশের প্রতিটি মানুষের ধমনীতে প্রতিবাদের রক্ত প্রবাহিত, সেই স্বাধীন দেশের জনগণকে তুচ্ছ ভাবার পরিণতি কখনোই ভালো হতে পারে না।

২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক আন্দোলন স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অন্যতম স্বকীয় প্রতিবাদের সাক্ষ্য হয়ে থাকবে, যা শাসককে চিরকাল মনে করিয়ে দেবে যে, ক্ষমতার শীর্ষাসনের চেয়ে রাজপথের শক্তি এবং সাধারণ জনতার প্রজ্ঞার মূল্য সব সময়ই বহুগুণ বেশি।

হ্যাঁ মোদি সরকার পিছু হটেছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এটা প্রথম ধাপ, সরকারকে বোঝাতে হবে যে শাসন একটা ওয়ান ওয়ে ট...
25/07/2026

হ্যাঁ মোদি সরকার পিছু হটেছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এটা প্রথম ধাপ, সরকারকে বোঝাতে হবে যে শাসন একটা ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক নয়। আলোচনা ডায়ালগ জারি রেখেই সরকার কে চলতে হবে।

Address

Baikara, Arbalia, Baduria
Deganga
743437

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Abdul Matin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Muhammad Abdul Matin:

Shortcuts

Share