শহর কলকাতা

শহর কলকাতা শহর কলকাতার ফেইসবুক পেজে আপনাকে স্বাগতম 🙏🏻🙏🏻
(3)

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস এবং আমাদের কলকাতা।🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲ক) আজ ৩রা জুন---বিশ্ব সাইকেল দিবস।আজকের দিনেই জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব...
03/06/2026

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস এবং আমাদের কলকাতা।
🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲🚲
ক) আজ ৩রা জুন---বিশ্ব সাইকেল দিবস।
আজকের দিনেই জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস উদযাপিত হচ্ছে। জাতিসংঘের অন্তর্ভূক্ত প্রায় ১৯৩টি দেশ কর্তৃক ২০১৮ সালের ১২ই এপ্রিলের সাধারণ সভায় ৩রা জুন প্রথম বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাইসাইকেল পরিবেশবান্ধব, জ্বালানীমুক্ত, ভূমি সাশ্রয়ী, সুবিধাজনক বাহনের সাথে সাথেই শারীরিক ব্যায়ামের জন্যও উপকারী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইংল্যান্ড এর জেমস্ স্টারলিকে
বাইসাইকেলের জনক বলা হয় , যিনি পরে বিভিন্ন গ্ৰীয়ার ও চেন ড্র্যাইভের পরিমার্জিত করেন।
খ) সাইকেল এবং আমাদের কলকাতা।
১৮৮৬ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর কলকাতার ময়দান এলাকা সেদিন জন-অরণ্য। সবাই দেখতে এসেছে টমাস স্টিভেন্সকে যিনি ১৮৮৪ সালের ২২শে এপরিল সকালে আমেরিকার সানফ্রানসিসকো থেকে বিশ্বভ্রমণে বেড়িয়ে পড়েছিলেন প্রথম বাইসাইকেলে চড়ে।
কলকাতায় প্রথম কবে এই দ্বিচক্র যানের আবির্ভাব তার অবশ্য কোনো নির্দিষ্ট সূত্র নেই। রাধারমন মিত্রের "কলকাতা দর্পণ" এ অবশ্য উল্লেখ আছে ১৮২৭ সালে স্ট্যান্ড রোডে তখনকার দুটি ভেলোসিপিড সাইকেলের রেসের কথা।
আর শোনা যায় ট্যান্ডেমের কথা। একসাথে অনেকে মিলে চালানো যাওয়া এই ট্যান্ডেম বানিয়েছিলেন সাঁতরাগাছির বাসিন্দা প্রসন্নকুমার ঘোষ। ভারতে তাঁর তৈরি সাইকেলটিই হল প্রথম সাইকেল। শহরের নব্যবিলাসীরা অবশ্য তারও আগে বিলাত থেকে আমদানি করতেন ভেলোসিপিড সাইকেল , যাতে প্যাডেল নেই ,পা দিয়ে ঠেলে নিয়ে যেতে হত। আর একটি সাইকেল সেই সময় ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠলো, যার নাম পেনিফার্দিং। ব্রিটিস পেনি আর ফার্দিং এর মতোই তার চাকাদুটো। সামনের চাকাটি বিশাল বড়ো ও পিছনেরটি একদম ছোটো। ইন্দিরা দেবীর লেখায় কলকাতার রাস্তায় পেনিফার্দিং-এর চলাচলের বর্ণনা মেলে। এরপর শহরবাসী সাইকেল প্রেমে এত বিভোর হয়ে যায় যে ১৮৯৭ সালে বেঙ্গল সাইক্লিস্ট অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়। বাইসাইকেল কলকাতায় খুব সম্ভবত প্রথম দেখা যায় ১৮৮৯ সালে সেই সময়ের বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী হেমেন্দ্রমোহন বোসের পৃষ্ঠপোষকতায়।
কলকাতার বুকে বাঙালির প্রথম সাইকেলের দোকানটি ছিল হ্যারিসন রোড / কলেজ স্ট্রিটে। প্রেসিডেন্সি কলেজের পাশেই ছিল নাকি সেই দোকান। দোকানের মালিক ছিলেন হেমেন্দ্রমোহন বসু। সেই দোকানে আরও নানা জিনিসের সাথে মিলতো সুগন্ধীদ্রব্য, রেকর্ড, টর্চ লাইট প্রভৃতি। সবচেয়ে উল্খেযোগ্য বিষয় হলো রাধারমণ বাবু তাঁর বইতে জানিয়ছেন হেমেন্দ্রমোহন বোস এই সাইকেল চড়া শিখিয়েছিলেন স্যার জগদীশচন্দ্র বসুক, প্রফুল্লচন্দ্র রায় এবং নীলরতন সরকার মহাশয়কে। কর্মোদ্যোগী হরিদাস নন্দী হলেন প্রথম বাঙালি যিনি কলকাতায় সাইকেল এর দোকান দেন। তার দোকান এখনও আছে ওয়েলিংটন স্কোয়ারের দক্ষিণে। আগে বিদেশ থেকে সাইকেল আমদানি করা হলেও বর্তমনে দেশীয় সাইকেল প্রস্তুত ও বিক্রয় হয়।
🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴🛴
তথ্যসূত্র সৌজন্যে --- বাংলা উইকিপিডিয়া।
বঙ্গদর্শন পেজ।
শুভজিৎ দে।
ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীত। সু ঘো।

আজ বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান বার্ষিকী  ও পুজো দিবস।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏卐卐 বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীত...
03/06/2026

আজ বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান বার্ষিকী ও পুজো দিবস।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

卐卐 বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে অবিভক্ত বাংলার এক আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন। তাঁকে অনেকেই "লোকনাথ বাবা" বা "বাবা লোকনাথ" নামে জানেন।
卐卐 এই মহান সাধুবাবার জন্ম ১৭৩০ সালে বা বাংলা ১১৩৭ বঙ্গাব্দে পশ্চিমবঙ্গের তংকালীন চব্বিশ পরগনার কাছারি গ্রামের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে। তাঁর পিতার নাম ছিল রামনারায়ণ ঘোষাল এবং মাতার নাম ছিল কমলা দেবী।
卐卐 শৈশবে তিনি পিতার অনুরোধে গুরু বাঘনাপাড়া গ্রামের বিখ্যাত সাধু পণ্ডিত ভবানী ব্রহ্মচারীর সঙ্গে চলে যান সন্ন্যাসের পথে। ভবানী ব্রহ্মচারীর কাছে তিনি কঠোর সাধনায় মগ্ন হন। এরপর বহু বছর হিমালয়ে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে তপস্যা করেন।
卐卐 অবশ্য তার পূর্বে দীক্ষা গুরু হিসেবে ভগবান গাঙ্গুলি লোকনাথ ও বেণী মাধব বন্দ্যোপাধ্যায় কে সাথে নিয়ে কালিঘাটে আসেন। সেখান থেকে ভগবান গাঙ্গুলী তাদের নিয়ে বারাসাতে গমন করেন। ভগবান গাঙ্গুলী লোকনাথ ও বেণী মাধবকে দেহত্যাগ করার পূর্বে ত্রৈলঙ্গ স্বামীর হাতে তুলে দেন। বারাসাতে লোকনাথ ও বেণী মাধব কিছু কাল যোগ সাধনা করার পর ভ্রমনে বের হন। বহুবছর হিমালয়
ও ভারতৃর বিভিন্ন স্থানে তপস্যা ও আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে মগ্ন থাকেন।
卐卐 এরপর লোকনাথ ব্রম্মচারী বাবা চলে আসেন বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জের বারদি গ্রামে যেখানে গড়ে উঠেছে লোকনাথ বাবার মন্দির। এখানে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৮৯০ সালের ২রা জুন বাংলা ১৯শে জৈষ্ঠ--- ১২৯৭বঙ্গাব্দে ১৬০বছর বয়সে লোকনাথ বাবা কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দুপুর ১২টায় দেহত্যাগ করেন।
卐卐 লোকনাথ বাবার জীবনে বহু অলৌকিক ঘটনা প্রচলিত আছে। তাঁর ভক্তদের বিশ্বাস তিনি দীর্ঘ সময় জল বা খাদ্য ছাড়া জীবিত ছিলেন। পীড়িত মানুষের রোগ সারিয়ে দিতেন স্পর্শ এবং আশীর্বাদে। তিনি ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা ছিলেন।
তিনি আধ্যাত্মিকতা, সাধনা, মানবসেবা এবং ঈশ্বরবিশ্বাসের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। সু ঘো।
🙏🙏🙏🙏🙏 জয় বাবা লোকনাথ 🙏🙏🙏🙏🙏

একটি শ্রদ্ধার্ঘ্য----সুমন কল্যানপুর।কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী সুমন কল্যাণপুর উননব্বই বছর বয়সে  মুম্বাইয়ে তাঁর নিজ বাসভবনে শ...
01/06/2026

একটি শ্রদ্ধার্ঘ্য----সুমন কল্যানপুর।
কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী সুমন কল্যাণপুর উননব্বই বছর বয়সে মুম্বাইয়ে তাঁর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় সঙ্গীত জগৎ শোকস্তব্ধ।
সুমন কল্যাণপুরের দুর্ভাগ্য যে তিনি যে সময়ে গানের জগতে এসেছিলেন সেই সময় বলিউডে মঙ্গেশকর বোনদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় ছিলো। তাই অত সুরেলা সুমিষ্ট কন্ঠ নিয়েও একটা নির্দিষ্ট আবর্তের মধ্যেই বাঁধা পড়েছিলেন।
সুমন কল্যাণপুরের জন্ম ১৯৩৭ সালের ২৮শে জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় । তাঁর পিতা শংকর রাও হেমাদি কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোর শহরের এক বনেদি সারস্বত ব্রাহ্মণ পরিবার থেকে এসেছিলেন । কর্ণাটকের উদুপি জেলার কুন্দপুর তালুকের একটা গ্রাম হল হেমাদি ।তাঁর পিতা ও মাতা সীমা হেমাদি ছাড়াও তাঁরা পাঁচ বোন ও এক ভাই ছিলেন । সুমন সবার বড় ছিলেন । তাঁর পরিবার ১৯৪৩ সালে মুম্বই চলে যান , যেখানে তিনি সংগীতের তালিম নিয়েছিলেন ।
মুম্বইয়ের বিখ্যাত কলম্বিয়া হাইস্কুলে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ছবি আঁকার পাঠ নিতে মর্যাদাপূর্ণ জে জে স্কুল অফ আর্টসে ভর্তি হয়েছিলেন । একই সাথে পুণের প্রভাত ফিল্মের সংগীত পরিচালক ও তাদের একজন পারিবারিক বন্ধু কেশব রাও ভোলেজির কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের তালিম নিয়েছিলেন। পরে উস্তাদ খান আবদুল রহমান খান এবং গুরুজি মাস্টার নবরং এর কাছে সংগীত শিক্ষা আরম্ভ করেন ।
হিন্দি, মরাঠির বাইরে বাংলা, অসমিয়া, গুজরাতি, কন্নড়, ভোজপুরি, ওড়িয়া, মৈথিলী ও পঞ্জাবি ভাষাতেও জনপ্রিয় গান আছে তাঁর। হিন্দি ছবিত রাগাশ্রয়ী গানের জন্য তিনি তিন বার ভূষিত হন ‘সুর শ্রীনগর সংসদ’ সম্মানে। ২০০৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকার তাঁকে সম্মানিত করে ‘লতা মঙ্গেশকর পুরস্কারে’।
১৯৫৮ সালে তিনি বিয়ে করেন মুম্বইয়ের ব্যবসায়ী রামানন্দ কল্যাণপুরকে। রক্ষণশীল পরিবার হলেও বিয়ের পরে সুমনের ছবিতে গান গাওয়া বন্ধ হয়নি। তাঁদের একমাত্র মেয়ে চারুলা বিয়ের পরে আমেরিকা-প্রবাসী।
পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হন ছিয়াশি বছর বয়সে। ২২শে মার্চ,২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে শিল্পীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন পদ্ম সম্মান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মূর্মূ।
:: কিংবদন্তী শিল্পীর গাওয়া কিছু জনপ্রিয় গান --------
卐 বাংলায় গাওয়া জনপ্রিয় গান।
মনে কর আমি নেই
দূরে থেকো না
তোরা হাত ধর
আমার স্বপ্ন দেখার দুটি নয়ন
দুলছে রে মন
ভাবিস নারে কাঁদছি বসে
শুধু স্বপ্ন নিয়ে খেলা
রঙের বাসরে
কাঁদে কেন মন আজ
তোমার আকাশ থেকে
卐 হিন্দিতে গাওয়া জনপ্রিয় গান।।
আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কে চর্চে
না না করতে পেয়ার তুমহি সে
তুমনে পুকারা অউর হাম চলে আয়ে
দিল নে ফির ইয়াদ কিয়া
মেরা পেয়ার ভি তু হ্যায়
অজহুঁ না আয়ে বালমা
ইতনা হ্যায় তুমসে পেয়ার মুঝে
পর্বতোঁ কে পেড়োঁ পর শাম কা বসেরা হ্যায়
না তুম হামেঁ জানো
তুমসে ও হাসিনা
লতার সাথে তাঁর গলার খুবই মিল থাকার জন্য তাঁকে লতা কন্ঠী বলেও অভিহিত করা হতো।
আর সেটাই সুমন কল্যাণপুরের আরও অগ্রগতির পথে অন্তরায় হয়ে দাড়ায়।
তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।
সুজয় ঘোষ।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে::বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিটি ফেসবুক প্রাপ্ত।।

গৌতমের ভাঙা-পায়ের প্লাস্টারে সই করতেন মহীনের ঘোড়াগুলি-------প্রেসিডেন্সির বাউন্ডুলে ছেলেটা দিব্বি মজে ছিল গানবাজনা নিয়ে।...
01/06/2026

গৌতমের ভাঙা-পায়ের প্লাস্টারে সই করতেন মহীনের ঘোড়াগুলি-------
প্রেসিডেন্সির বাউন্ডুলে ছেলেটা দিব্বি মজে ছিল গানবাজনা নিয়ে। বাড়িতেও গানবাজনার পরিবেশ ছিল। তাঁরও বাজনার হাত ভালো ছোটো থেকেই। বিশেষ করে তবলার হাত। তবে, গিটারই তাঁর প্রেমের রাজধানী। অ্যাংলো ইনডিয়ান বন্ধুদের নিয়ে সে তৈরি করল ‘দ্য আর্জ’ নামের একটা ব্যান্ড। ষাট দশকের শেষ। ইন্টারনেট নেই সেযুগে, তার মধ্যেই ‘বিটলস’-এর অ্যালবাম জোগাড় করেছে শুনেছে সে। কান তৈরি করেছে সমকালীন বিশ্বের নানা ব্যান্ডের গান শুনে। মাথাভর্তি ঝাঁকরা চুল, হিপিদের মতো হাবভাব। পার্ক স্ট্রিটের ট্রিংকাস, মুলারুজ়ের বারে গাইছিল, বাজাচ্ছিল। তারপর হঠাৎই বদল। উত্তাল সত্তর দশক মুক্তির ঘোর বুনে দিল তাঁর চোখে। নকশাল আন্দোলনে জড়িয়ে ঘর ছাড়ল ছেলেটি।
ছেলেটির নাম গৌতম চট্টোপাধ্যায়। ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র গৌতম। বাংলা গানের দিক বদলে দেওয়ার কারিগর গৌতম। আজন্ম খ্যাপাটে, রোমান্টিক, সুরবিভোর একটা মানুষ। অথচ, রক-ব্লুজে মেতে থাকা ছেলেটাই রাজনীতির পাঠ নিয়ে চলে গেল সুন্দরবনের গ্রামে। তারপর পুলিশে ধরল। এনকাউন্টার হয়ে যাওয়ার ভয়ও তৈরি হল। ছাড়া পাওয়ার পর গৌতমকে পাঠিয়ে দেওয়া হল জব্বলপুরে। তারপর, মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভের কাজ নিয়ে গৌতম চলে গেলেন ভোপাল। গান কিন্তু তাঁকে ছাড়েনি। নানা রকমের সাউন্ডস্কেপ খুঁজেই চলেছিলেন তিনি। এর আগে রাজনীতি করতে করতেই শোনা নবান্নের গান, ধান বোনা, চাষের সুরও বিছিয়েছিল তাঁর সুরের চাতালে। কলেজ জীবন থেকেই বেদেদের সঙ্গে ঘুরেছেন গৌতম, বৃহন্নলা, বাউলদের সঙ্গে মিশেছেন। তাঁদের গান তুলে নিয়েছেন কানে-কণ্ঠে। এইসবই পুষ্ট করেছে গৌতমকে। মিশিয়ে দিয়েছেন নিজের গানেও।
চাকরি ছেড়ে ’৭৪ সালে ফের কলকাতায়। গৌতম নাকতলার বাড়ির নাম দিলেন বেকার হাউস। প্রেসিডেন্সির বেকার ল্যাবরেটরির স্মৃতি মিশে এই নামে। শুরু হল গানের আখড়া। এরমধ্যেই পা ভাঙল গৌতমের। আর গৃহবন্দি গৌতমকে ঘিরেই জমাট বেঁধে উঠল নতুন গানের দল। রিহার্সালের সময় নাকি গৌতমের পায়ের প্লাস্টারে হাজিরার সই করতেন সবাই। সাতজনে মিলে তৈরি হল দল। রাতে রিহার্সালের অত্যাচারে পড়শিরার জানতে পারলেন নতুন ব্যান্ডের এই জন্মবৃত্তান্ত। দ্রুত জানতে পারল কলকাতাও। ব্যান্ড ব্যাপারটার সঙ্গে তখনো সড়গড় হয়নি শহর। যদিও গৌতমদের ব্যান্ডের নাম ঠিক হয়নি প্রথমে। অনুষ্ঠানে ডাক পেলে নানা সময় নানা নাম বলতেন গৌতম। কখনো ‘সপ্তর্ষি’, কখনো ‘গৌতম চ্যাটার্জি বিএসসি অ্যান্ড সম্প্রদায়’।একদিন রঞ্জন ঘোষাল নতুন নামের প্রস্তাব দিলেন - ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’। সেই নাম আর বদলায়নি।
সময়ের আগেই জন্মেছিলেন গৌতম, জন্মেছিল মহীনের ঘোড়াগুলি। তাই শুরুতে তাঁরা সমালোচনা কুড়িয়েছে বিস্তর। অবশ্য সমালোচনাকে অলংকারের মতোই গ্রহণ করেছিলেন গৌতম। এরপর আশির দশকের গোড়ায় দল ভাঙল। গৌতম গানে আটকে রইলেন। নতুন সুর, নতুন সাউন্ডস্কেপ, নতুন শব্দ। বাউল-সঙ্গ, ডকুমেন্টরি তৈরি তো ছিলই। ‘নাগমতী’ নামে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিও বানিয়ে ফেললেন। জাতীয় পুরস্কার পেল সেই ছবি। অদ্ভুত সব সুরেলা দৃশ্য ছিল এই ছবিতে। ক্যামেরা নিয়ে নতুন এক দিগন্ত যেন ছুঁতে চাইছিলেন গৌতম। কখনো ঢাকিদের জীবন, কখনো বাউল, কখনো হাবিব তনভির, কখনো বিভিন্ন জনজাতিদের জীবন। গৌতম বুঁদ এই নতুন খোঁজে।
কিন্তু গান ডাকে। কয়েকজন কলেজপড়ুয়া তাঁর কাছে এসে দাবি জুড়ল, ফের নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে হবে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’-কে। গৌতম সাড়া না দিয়ে পারেন না। চারটি অ্যালবাম বেরোলো গৌতমের সম্পাদনায়। ‘আবার বছর কুড়ি পর’, ‘ক্ষ্যাপার গান’, ‘ঝরা সময়ের গান’, ‘মায়া’। তাতে মহীনের ঘোড়াগুলির পুরোনো গান ছাড়াও আরো অনেক গান জুড়ল। সময়ের ভিতরেই লুকিয়ে থাকা একটা ভিন্ন সুরদরিয়াকে ফের সামনে আনলেন গৌতম। সেই গান, সেই সুরকে যখন সত্যিই চিনতে শিখছে তাঁর শহর, তখনই হঠাৎ করে নশ্বর পৃথিবী থেকে উধাও হয়ে গেলেন মানুষটি। কার্বি জনজাতির মানুষদের নিয়ে একটা তথ্যচিত্র তৈরিতে বুঁদ হয়ে ছিলেন। শেষ হল না সেই কাজ।
‘মহীনের ঘোড়াগুলি’-র গান আজ ছুটে চলেছে শহর থেকে মফস্‌সলের পথে প্রান্তরে। গৌতমের আবিষ্কার করা সুরভূমিতে আশ্রয়ের জন্য ছুটছেন অনেকেই। ‘ফিরব বললে ফেরা যায় না কি’ - তবু আমরা ফিরতে চাই মহীনের ঘোড়াগুলির কাছে। গৌতমের কাছে। গৌতম দেখলে খুশি হতেন নিশ্চয়ই। নাকি স্বভাব-মগ্নতায় বয়ে যেতেন অন্য কোনো খোঁজে!
আজ গৌতমের জন্মদিন।

সংগৃহীত উপরের এই লেখাটি শ্রী পার্থ সারথি চন্দ মহাশয়ের। অনেক অনেক ধন্যবাদ ওনাকে এই সুন্দর লেখাটির জন্য।
ছবিটি গুগল থেকে সংগৃহীত।

একসময় ছিল অপেক্ষা, এখন শুধুই আধিপত্য। Back-to-Back Champions RCB! 👑
31/05/2026

একসময় ছিল অপেক্ষা, এখন শুধুই আধিপত্য। Back-to-Back Champions RCB! 👑

আজ দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মা কালীবাড়ির ১৭১তম  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।।🙏🙏🙏১৮৫৫ সালের ৩১শে মে (বাংলা ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, বৃহস্পতিবার)পূ...
31/05/2026

আজ দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মা কালীবাড়ির ১৭১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।।🙏🙏🙏
১৮৫৫ সালের ৩১শে মে (বাংলা ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, বৃহস্পতিবার)
পূণ্য স্নানযাত্রার দিনে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন লোকমাতা রাণী রাসমণি দেবী। ১৮৪৭ সালে এই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১৮৫৫-খ্রীস্টাব্দে।
আট বছর ধরে প্রায় নয় লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা ব্যয়ে একশ ফুটেরও বেশি উঁচু এই নবরত্ন মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী দেখার মতো।
স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর রানী রাসমণি কাশী যাত্রা বাতিল করে মন্দির নির্মাণের তোরজোড় শুরু করেন।
১৮৪৭ সালে গঙ্গার পূর্ব তীরে দক্ষিনেশ্বর গ্রামে পঞ্চান্ন হাজার টাকার বিনিময়ে ষাট বিঘা জমি কেনা হয়। আট বছর সময় লেগেছিল মন্দির সম্পূর্ণ হতে। ১৮৫৫ সালের ৩১শে মে স্নানযাত্রার দিন মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ধার্য হয়। সেই সময়ের সমাজের ন্যায়বাগীশ নীতি পন্ডিতদের বাঁধা বিঘ্ন কাটিয়ে এক পুণ্য লগ্নে মহাসমারোহে এখানে দেবী ভবতারিনী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
মন্দিরটি দক্ষিণমুখী । একটি উত্তোলিত দালানের উপর গর্ভগৃহটি স্হাপিত । গর্ভগৃহে একটি রূপোর সহস্রদল পদ্মের উপর ভবতারিনী কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠিত । একখন্ড পাথর কুঁদে তৈরি হয়েছে দেবী মূর্তি। শাক্ত-বৈষ্ণব-শৈব বিবাদ-বিরোধের মধ্যে সমন্বয়ের ভাবনা ও বিবাদ-বিসংবাদের উর্ধ্বে সংহতির এক মূর্ত প্রতীক হল দক্ষিনেশ্বর ভবতারিণী কালীমন্দির।
বর্ধমান জেলার দাঁইহাটের নবীন ভাস্বর ছিলেন মূর্তির কারিগর।
এখানে নিত্য পুজার ও নিত্য নৈবেদ্য নিবেদনের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু বছরে একদিনই লুচি নিবেদন করা হয়। স্নানযাত্রার তিথিতে। অর্থাৎ মন্দির প্রতিষ্ঠার তিথিতে। দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষও এই তিথি মেনেই শ্রীশ্রী মা জগদেশ্বরী ভবতারিণী কালীমাতা মাতাঠাকুরাণীর বিশেষ পুজা করে থাকে। পঞ্জিকা মতে এই দিনটিই প্রতিষ্ঠা তিথি হিসেবে পালিত হয়।
জয় মা সকলের মঙ্গল করো।
সুজয় ঘোষ।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
তথ্যসূত্র ও ছবিগুলি নেট থেকে সংগৃহীত।

ঋতুপর্ণ ঘোষের আজ তেরোতম মৃত্যুবার্ষিকী ।"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""   ১৯৬৩সালে...
30/05/2026

ঋতুপর্ণ ঘোষের আজ তেরোতম মৃত্যুবার্ষিকী ।
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
১৯৬৩সালের ৩১শে অগস্ট কলকাতায় ঋতুপর্ণ ঘোষের জন্ম। তাঁর বাবা-মা উভয়েই চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবা সুনীল ঘোষ ছিলেন তথ্যচিত্র-নির্মাতা ও চিত্রকর। ঋতুপর্ণ ঘোষ সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডিগ্রি অর্জন করেন।
অর্থনীতির ছাত্র ঋতুপর্ণ ঘোষের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট হিসেবে। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম ছবি হীরের আংটি। দ্বিতীয় ছবি উনিশে এপ্রিল মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। এই ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ কাহিনিচিত্র বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পান।
ঋতুপর্ণ ঘোষ ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের অনুরাগী।
কিন্তু তার কাজে ও জীবনে রবিঠাকুরের প্রভাব ছিল অসামান্য।তার চলচ্চিত্রে, সিরিয়ালে( গানের ওপারে ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বিশদে কাজ করে গেছেন। দুই দশকের কর্মজীবনে তিনি বারোটি জাতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছিলেন।
তার শেষ বাংলা চলচ্চিত্র "সানগ্লাস"১৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মুক্তি পায়।
ঋতুপর্ণ ঘোষ ছিলেন ভারতের এলজিবিটি সম্প্রদায়ের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। জীবনের শেষ বছরগুলিতে তিনি রূপান্তরকামী জীবনযাত্রা নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করছিলেন। এনিয়ে তাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়।
২০১৩সালে ৩০ মে কলকাতায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র ও ছবি গুগল থেকে সংগৃহীত। সু ঘো।

30/05/2026

আজ শনিবার আজ ডিম খাওয়ানো উচিত হয়নি অভিষেক ব্যানার্জিকে

Flower of States & Union Territories💐ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এর রাজ্য ফুল এর নাম ❤️💐❤️💐Repost...
30/05/2026

Flower of States & Union Territories💐
ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এর রাজ্য ফুল এর নাম
❤️💐❤️💐

Repost...

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহর কলকাতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share