শহর কলকাতা

শহর কলকাতা শহর কলকাতার ফেইসবুক পেজে আপনাকে স্বাগতম 🙏🏻🙏🏻
(1)

একজন শিক্ষক আর তার বিখ্যাত ছাত্র।শিক্ষক দিবসের জন্য একটি বিশেষ উপস্থাপনা-------লন্ডনের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একটা জুতা আঁক...
05/09/2026

একজন শিক্ষক আর তার বিখ্যাত ছাত্র।
শিক্ষক দিবসের জন্য একটি বিশেষ উপস্থাপনা-------
লন্ডনের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একটা জুতা আঁকা শিশুর ছবি ইতিহাস হয়ে আছে।
কিন্তু তার জীবনের ইতিহাস? খুব কম মানুষ জানে…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ সময়।
লন্ডনের প্রতিটি অলিগলি যেন ধ্বংসস্তূপ—বাড়িঘর ভেঙে চুরমার, চারদিকে ধোঁয়া, বোমার শব্দ, আতঙ্কিত মানুষের কান্না।একটি স্কুল ধসে গিয়েছিল সেই বোমায়।
ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল ছোট্ট এক ছেলে। বয়স বড়জোর আট-নয়।
তিনদিন পর উদ্ধারকারী দল যখন ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে একে একে মৃতদেহ খুঁজে বের করছিল, হঠাৎ তারা আবিষ্কার করলো—এক কোণে একটি শিশু বসে আছে পাথরের নিচে চুপচাপ।
তার চোখে পানি নেই, কান্না নেই, দেহে রক্ত, কিন্তু মুখে অসম্ভব শান্ত এক চাহনি।
আর আশ্চর্যজনক বিষয়—সে এক হাতে রক্ত//মাখা কয়লা দিয়ে পাশের একটা ইটের গায়ে কিছু একটা লিখে চলেছে।ধ্বংসস্তূপের মাঝে বসেসে এঁকে যাচ্ছিল একটি জুতা।
ডান পায়ের জুতা।
উদ্ধারকর্মীরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো,“তুমি এটা আঁকছো কেন?”
শিশুটি তখন শুধু বললো,“মা বলতো, যেদিন আমি আবার স্কুলে যাবো, সেদিন আমার জন্য নতুন একজোড়া জুতা আনবেন।
কিন্তু মা তো আর নেই ।ওটা তাঁর জন্য রাখছি…”
শব্দ থেমে গেল চারদিকে।
উদ্ধারকারীরা চোখ মুছলো। সে ছেলেটিকে নিয়ে গেল অনাথ আশ্রমে।
পরের অধ্যায়টা আরও গভীর…
শুরু হলো নতুন এক যুদ্ধ—জীবনের সঙ্গে।আশ্রমে কেউ তাকে বুঝতে পারতো না। সে কথা কম বলতো, কারও চোখে চোখ রাখতো না।তার সাথী ছিল শুধু একটা পুরনো কাগজে আঁকা জুতা আর ধুলোমাখা কয়লা টুকরো।
তার বয়সী শিশুরা খেলত, হাসতো।
আর সে বসে বসে শুধু নতুন জুতা আঁকতো—কখনো ছেঁড়া কাগজে, কখনো দেয়ালে।
শিক্ষকরা বিরক্ত হয়ে বলতো, “এ তো পাগল ছেলে!”
কিন্তু তখন একজন প্রবীণ শিক্ষক, মিস্টার বার্নার্ড, আশ্রমে নতুন দায়িত্বে যোগ দিলেন।
একদিন চুপিচুপি সেই ছেলেটির পেছনে গিয়ে দাঁড়ালেন।
দেখলেন, একটানা জুতা আঁকছে।
তিনি শুধু বললেন,
“জুতার ভিতর কি কারও স্বপ্ন লুকিয়ে থাকে, বলো?”
ছেলেটি প্রথমবার তাকালেন তাঁর চোখে।
কাঁপা গলায় বললো,
“আমার মায়ের হাতের গন্ধ ছিল সেই জুতায়।”
সেদিন থেকে মিস্টার বার্নার্ড তার পাশে বসতে শুরু করলেন।পাঠ্যবইয়ের চেয়ে বেশি আঁকাআকিতে উৎসাহ দিলেন।বললেন, “তুই যা আঁকিস, তা শুধু ছবি না— একটা গল্প।”
ধীরে ধীরে ছেলেটি বদলাতে থাকল।
একদিন সে বলল, “স্যার, আমি একদিন এমন জুতা বানাবো যেটা শুধু পায়ে নয়—মনে জায়গা করে নিবে …”
অনেক বছর পেরিয়ে যায়।
সে ছেলেটি আর কেউ নয়—মিস্টার জনাথন ব্রুকস—
যিনি পরে লন্ডনের বিখ্যাত শিশু-জুতা ডিজাইনার হন।
বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য আরামদায়ক ও মানসিক সহায়ক ডিজাইন তৈরি করে যিনি ইতিহাস গড়েন।
তার প্রথম ব্র্যান্ডেড জুতার নাম ছিল—
“MOTHER’S TOUCH”
সেই জুতার নিচে লেখা থাকত—
“A boy once waited for a mother’s return. Now, he walks every child home.”(একদিন এক ছেলে অপেক্ষা করেছিল মায়ের ফেরার জন্য।
আজ সে প্রতিটি শিশুকে হাঁটিয়ে নেয় ঘরে…)
পত্রিকার এক সাক্ষাৎকারে জনাথন বলেন—
“আমার আজ যা কিছু, তা শুরু হয়েছিল এক শিক্ষক আর একটি কয়লা টুকরোর হাত ধরে।”
তিনি তাঁর প্রথম পুরস্কারটি নিয়ে গিয়ে দেন সেই বৃদ্ধ শিক্ষক বার্নার্ডকে।
তারপর যখন শিক্ষক মরণোত্তর সম্মাননা পান, জনাথন মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন,
“যুদ্ধ আমার মা কে কেড়ে নিয়েছিল।
কিন্তু একজন শিক্ষক আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন,,, আমি আমার মধ্যে নিজেকে চিনেছি ।”
মঞ্চে তখন কান্না থামাতে পারেনি কেউ।
আর দর্শক সারিতে বসে থাকা একজন বৃদ্ধা ফিসফিস করে বলেছিলেন—
“আলো কখনো নিভে যায় না,শুধু কখনো কখনো পাথরের নিচে চাপা পড়ে থাকে…
তথ্যসূত্র সৌজন্যে- বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিটি গুগল প্রাপ্ত।। সু ঘো।

আজ ১৮ই ভাদ্র, ৪টা সেপ্টেম্বর, শুক্রবার মহাযোগী পরমপুরুষ শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার শুভ জন্মতিথি।    ১১৩৭ বঙ্গাব্...
04/09/2026

আজ ১৮ই ভাদ্র, ৪টা সেপ্টেম্বর, শুক্রবার মহাযোগী পরমপুরুষ শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার শুভ জন্মতিথি। ১১৩৭ বঙ্গাব্দের ১৮ই ভাদ্র (১৭৩০ খ্রীঃ,৩১শে অগস্ট) শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্য লগ্ন ও ব্রহ্ম মূহুর্ত প্রাত তিনটের সময় বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী জম্মগ্রহন করেছিলেন বলে (তথ্যঃ:: "শিবকল্প মহাযোগী বাবা লোকনাথ" লেখক-শ্রীমদ শুদ্ধনন্দ ব্রহ্মচারী) আজ ১৮ই ভাদ্র-৪টা সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমীর শুভতিথিতে তাঁর আবির্ভাব তিথি ভক্তগণ মহাসমারোহে পালন করছেন।
আজ শুক্রবার শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ২৯৬ তম আবির্ভাব দিবস। এই শুভ জন্মাষ্টমীর পূর্ণতিথীতে এই ধরাধামে মহাযোগী বাবা মানব রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
卐卐 বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে অবিভক্ত বাংলার এক আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন। তাঁকে অনেকেই "লোকনাথ বাবা" বা "বাবা লোকনাথ" নামে জানেন।
卐卐 এই মহান সাধুবাবার জন্ম ১৭৩০ সালে বা বাংলা ১১৩৭ বঙ্গাব্দে পশ্চিমবঙ্গের তংকালীন চব্বিশ পরগনার কাছারি গ্রামের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে। তাঁর পিতার নাম ছিল রামনারায়ণ ঘোষাল এবং মাতার নাম ছিল কমলা দেবী।
卐卐 শৈশবে তিনি পিতার অনুরোধে গুরু বাঘনাপাড়া গ্রামের বিখ্যাত সাধু পণ্ডিত ভবানী ব্রহ্মচারীর সঙ্গে চলে যান সন্ন্যাসের পথে। ভবানী ব্রহ্মচারীর কাছে তিনি কঠোর সাধনায় মগ্ন হন। এরপর বহু বছর হিমালয়ে এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে তপস্যা করেন।
卐卐 অবশ্য তার পূর্বে দীক্ষা গুরু হিসেবে ভগবান গাঙ্গুলি লোকনাথ ও বেণী মাধব বন্দ্যোপাধ্যায় কে সাথে নিয়ে কালিঘাটে আসেন। সেখান থেকে ভগবান গাঙ্গুলী তাদের নিয়ে বারাসাতে গমন করেন। ভগবান গাঙ্গুলী লোকনাথ ও বেণী মাধবকে দেহত্যাগ করার পূর্বে ত্রৈলঙ্গ স্বামীর হাতে তুলে দেন। বারাসাতে লোকনাথ ও বেণী মাধব কিছু কাল যোগ সাধনা করার পর ভ্রমনে বের হন। বহুবছর হিমালয়
ও ভারতৃর বিভিন্ন স্থানে তপস্যা ও আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে মগ্ন থাকেন।
卐卐 এরপর লোকনাথ ব্রম্মচারী বাবা চলে আসেন বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জের বারদি গ্রামে যেখানে গড়ে উঠেছে লোকনাথ বাবার মন্দির। এখানে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৮৯০ সালের ২রা জুন বাংলা ১৯শে জৈষ্ঠ--- ১২৯৭বঙ্গাব্দে ১৬০বছর বয়সে লোকনাথ বাবা কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দুপুর ১২টায় দেহত্যাগ করেন।
卐卐 লোকনাথ বাবার জীবনে বহু অলৌকিক ঘটনা প্রচলিত আছে। তাঁর ভক্তদের বিশ্বাস তিনি দীর্ঘ সময় জল বা খাদ্য ছাড়া জীবিত ছিলেন। পীড়িত মানুষের রোগ সারিয়ে দিতেন স্পর্শ এবং আশীর্বাদে। তিনি ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা ছিলেন।
তিনি আধ্যাত্মিকতা, সাধনা, মানবসেবা এবং ঈশ্বরবিশ্বাসের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। সু ঘো।
🙏🙏🙏🙏🙏 জয় বাবা লোকনাথ 🙏🙏🙏🙏🙏
ছবিটি বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।।

আজ জন্মাষ্টমী। সারা দেশ জুড়ে পালিত হতে চলেছে  কৃষ্ণের জন্মোৎসব। কৃষ্ণা অষ্টমীতে দেবকীর অষ্টম গর্ভে মথুরার কারাগারে জন্ম...
04/09/2026

আজ জন্মাষ্টমী। সারা দেশ জুড়ে পালিত হতে চলেছে কৃষ্ণের জন্মোৎসব। কৃষ্ণা অষ্টমীতে দেবকীর অষ্টম গর্ভে মথুরার কারাগারে জন্ম নিয়েছিলেন বিষ্ণুর নবম অবতার শ্রীকৃষ্ণ৷ সেই পূণ্য তিথিতে দেশজুড়ে পালিত হয় জন্মাষ্টমী ৷ পুরাণে কথিত আছে যে রাত্রি বারোটায় রোহিণী নক্ষত্রে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল। সেই তিথি অনুযায়ী এবারে শ্রাবণের কৃষ্ণা অষ্টমীতে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী।
পুরাণ অনুযায়ী একনজরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনী তথ্য-----
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""'
নাম : শ্রীকৃষ্ণ
পিতা : বাসুদেব, নন্দরাজ (পালক)
মাতা : দেবকী দেবী, যশোদা দেবী (পালক)
জন্ম : খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২৮ সালের জুলাই মাসে (শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে, রোহিনী নক্ষত্রে)
স্ত্রী : শ্রীমতি রুক্মিনী দেবী
পুত্র: প্রদ্যুম্ন
রাজা পদে অভিষিক্ত : খ্রিষ্টপূর্ব ৩১৯৯ সালে ২৯ বছর বয়সে।
রাজ্য : দ্বারকা
কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ : খ্রিষ্টপূর্ব ৩১৪৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে হস্তিনাপুরের উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করেন। সমঝোতা না হওয়ায় ওই বছরেরই নভেম্বর মাসে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু হয়।
খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০২ সালের ফেব্রুয়ারি, ১২৫ বছর বয়সে
দ্বারকায় ফিরে যান।

জন্মাষ্টমী সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রচলিত তথ্য----
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
জন্মাষ্টমী হলো ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রোহিণী নক্ষত্রযোগে শ্রীকৃষ্ণ মধুরার কংসের কারাগারে মাতা দেবকীর উদরে অষ্টম সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর এই জন্মদিনকে জন্মাষ্টমী বলা হয়। এখন শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনকে জন্মদিবস বা জন্মোৎসব না বলে জন্মাষ্টমী বলা হয় কেন!!
অষ্টম অর্থ আমরা আটকে বুঝি। এখানে আট সংখ্যাটি এসেছে আট প্রকার প্রকৃতি থেকে। সেগুলো হচ্ছে--- আকাশ,বায়ু, অগ্নি, জল, মাটি ,মন, বুদ্ধি, অহংকার এই আট প্রকার প্রকৃতি ।
আর গর্ভ বলতে বোঝায়---
গ--- এসেছে গঠন থেকে অর্থাৎ গঠিত করা।
র--- এসেছে রত থেকে অর্থাৎ যুক্ত থাকা।
ভ--- এসেছে ভূ থেকে অর্থাৎ পৃথিবী।
অষ্টম গর্ভের মূল অর্থ হচ্ছে যিনি এই আট প্রকার প্রকৃতি দ্বারা মহাবিশ্ব গঠনে যুক্ত ( রত) থাকেন । কে এই মহাবিশ্ব আট প্রকার প্রকৃতি দ্বারা গঠনে রত থাকেন? তিনি হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণ। তাই তাকে অষ্টম গর্ভ বলা হয়।
আর তাই শ্রীকৃষ্ণর জন্মদিনকে "জন্মাষ্টমী" বলা হয়।
জয় জয় শ্রীকৃষ্ণ হরে মুরারি।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
তথ্যসমূহ :: বাংলা উইকিপিডিয়া ।। পুরোহিত দর্পণ ।।
ছবি নেট থেকে সংগৃহীত । সু ঘো।।

কিংবদন্তি অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক এবং পরিচালকমহানায়ক উত্তম কুমারের (জন্মঃ- ৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ - মৃত্যুঃ- ২৪ জুলাই ১৯৮০) আজ...
03/09/2026

কিংবদন্তি অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক এবং পরিচালক
মহানায়ক উত্তম কুমারের (জন্মঃ- ৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ - মৃত্যুঃ- ২৪ জুলাই ১৯৮০) আজ শততম জন্মবার্ষিকী ।
উত্তম কুমারের প্রথম জীবনে চলচ্চিত্রে উত্তরণটা খুব সহজ ছিল না। বহু ছবি ব্যবসায়িক ভাবে অসফল ছিল। কিন্তু তিনি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। অভিনয়ের বিভিন্ন ঘাটতিগুলো ক্রমাগত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে বৃহত্তর সাফল্যের দোরগোড়ায় নিয়ে যান।
উত্তম কুমারের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল দৃষ্টিদান। এই ছবির পরিচালক ছিলেন নিতীন বসু। এর আগে উত্তম কুমার মায়াডোর নামে একটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন কিন্তু সেটি মুক্তিলাভ করেনি। বসু পরিবার চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম দৃষ্টি আকর্ষন করেন। এরপর সাড়ে চুয়াত্তর মুক্তি পাবার পরে তিনি চলচ্চিত্র জগতে স্থায়ী আসন লাভ করেন। সাড়ে চুয়াত্তর ছবিতে তিনি প্রথম অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের বিপরীতে অভিনয় করেন। এই ছবির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল উত্তম-সুচিত্রা জুটির সূত্রপাত হয়। তাঁরা বাংলা চলচ্চিত্রে পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে অনেকগুলি ব্যবসায়িকভাবে সফল এবং একই সাথে প্রশংসিত চলচ্চিত্রে মুখ্য ভূমিকায় একসাথে অভিনয় করেছিলেন। এগুলির মধ্যে প্রধান হল - হারানো সুর, পথে হল দেরী, সপ্তপদী, চাওয়া পাওয়া, বিপাশা, জীবন তৃষ্ণা এবং সাগরিকা। উত্তম কুমার নিজেকে সু-অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেন 'এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি' ছবিতে স্বভাবসুলভ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। কারণ এই ছবিতে উত্তম কুমার তার পরিচিত ইমেজ থেকে সরে আসার চেষ্টা করেছিলেন। এতে তিনি সফলও হয়েছিলেন। উত্তমের সেই ভুবন ভোলানো হাসি, প্রেমিকসুলভ আচার-আচরণ বা ব্যবহারের বাইরেও যে থাকতে পারে অভিনয় এবং অভিনয়ের নানা ধরন, মূলত সেটাই তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৬৭ সালে 'এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি' ও 'চিড়িয়াখানা' ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন (তখন এই পুরস্কারের নাম ছিল 'ভরত')। অবশ্য এর আগে ১৯৫৭ সালে অজয় কর পরিচালিত 'হারানো সুর' ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন সমগ্র ভারতজুড়ে। সেই বছর 'হারানো সুর' পেয়েছিল রাষ্ট্রপতির সার্টিফিকেট অফ মেরিট। প্রযোজক ছিলেন তিনি নিজেই। কমেডি চরিত্রেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। 'দেয়া নেয়া' ছবিতে হৃদয়হরণ চরিত্রে অভিনয় করে সেই প্রতিভার বিরল স্বাক্ষরও রেখে গেছেন। "ওগো বঁধূ সুন্দরী" তাঁর আর একটি উদাহরণ।
তিনি সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় দু’টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রথমটি নায়ক এবং দ্বিতীয়টি চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানা চলচ্চিত্রে তিনি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সীর ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকদের মাতিয়ে দিয়েছিলেন।
মঞ্চের প্রতি ছিল তার অগাধ ভালবাসা। ১৯৫৫ সালে শত ব্যস্ততার মাঝেও মঞ্চের ডাকে সাড়া দিয়ে 'শ্যামলী' নাটকে অভিনয় করেছেন। উত্তমকুমার পরিচালক হিসেবেও সফল। কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী (১৯৮১), বনপলাশীর পদাবলী (১৯৭৩) ও শুধু একটি বছর (১৯৬৬) ছবির সাফল্য তাই প্রমাণ করে।
সঙ্গীতের প্রতিও ছিল তার অসীম ভালবাসা। ছবির গান রেকর্ডিংয়ের সময় শিল্পীর পাশে বসে তার অনুভূতি উপলব্ধি করার চেষ্টা করতেন তিনি। এর ফলে গানের সাথে পর্দায় ঠোঁট মেলানো তাঁর পক্ষে খুবই সহজ হতো। সঙ্গীতপ্রেমী উত্তম ‘কাল তুমি আলেয়া’ ছবির সবগুলো গানের সুরারোপ করেন। ছবিটি ১৯৬৬ সালে মুক্তি পায়। অভিনেতা, প্রযোজক এবং পরিচালক - সব মাধ্যমেই তিনি ছিলেন সফল।
তার অভিনীত সম্ভাব্য ছবিগুলোর একটি তালিকা-সূচি
তৈরীর আন্তরিক প্রয়াস রইলো----------
দৃষ্টিদান (১৯৪৮)
কামনা (১৯৪৯)
মর্যাদা (১৯৫০)
সহযাত্রী (১৯৫১)
ওরে যাত্রী (১৯৫১)
নষ্টনীড় (১৯৫১)
সঞ্জীবনী (১৯৫২)
বসু পরিবার (১৯৫২)
কার পাপে (১৯৫২)
সাড়ে চুয়াত্তর (১৯৫৩)
নবীন যাত্রা (১৯৫৩)
লাখ টাকা (১৯৫৩)
বৌ ঠাকুরানীর হাট (১৯৫৩)
সদানন্দের মেলা (১৯৫৪)
ওরা থাকে ওধারে (১৯৫৪)
মনের ময়ূর (১৯৫৪)
মরণের পারে (১৯৫৪)
মন্ত্র শক্তি (১৯৫৪)
কল্যাণী (১৯৫৪)
গৃহপ্রবেশ (১৯৫৪)
চাঁপাডাঙার বউ(১৯৫৪)
ব্রতচারিনী (১৯৫৪)
বকুল (১৯৫৪)
বিধিলিপি (১৯৫৪)
অনুপমা (১৯৫৪)
অন্নপূর্ণার মন্দির (১৯৫৪)
অগ্নিপরীক্ষা (১৯৫৪)
সাঁঝের প্রদীপ (১৯৫৫)
উপহার (১৯৫৫)
শাপ মোচন (১৯৫৫)
হ্রদ (১৯৫৫)
সবার উপরে (১৯৫৫)
কঙ্কাবতীর ঘাট (১৯৫৫)
রাইকমল (১৯৫৫)
দেবত্র (১৯৫৫)
ত্রিযামা(১৯৫৬)
শ্যামলী (১৯৫৬)
শিল্পী (১৯৫৬)
শঙ্কর নারায়ন ব্যাঙ্ক (১৯৫৬)
সাহেব বিবি গোলাম (১৯৫৬)
সাগরিকা (১৯৫৬)
রাতভোরে(১৯৫৬)
পুত্রবধূ (১৯৫৬)
নবজন্ম (১৯৫৬)
লক্ষ হীরা (১৯৫৬)
একটি রাত (১৯৫৬)
চিরকুমার সভা (১৯৫৬)
জীবন তৃষ্ণা (১৯৫৭)
অভয়ের বিয়ে (১৯৫৭)
তাসের ঘর (১৯৫৭)
যাত্রা হল শুরু (১৯৫৭)
হারজিৎ (১৯৫৭)
সুরের পরশে (১৯৫৭)
পুনর্মিলন (১৯৫৭)
পৃথিবী আমারে চায় (১৯৫৭) পথে হল দেরি (১৯৫৭)
হারানো সুর (১৯৫৭)
চন্দ্রনাথ (১৯৫৭)
বড়দিদি (১৯৫৭)
শিকার (১৯৫৮)
বন্ধু (১৯৫৮)
সূর্যতোরণ (১৯৫৮)
মানময়ী গার্লস স্কুল (১৯৫৮)
ইন্দ্রাণী (১৯৫৮)
ডাক্তার বাবু (১৯৫৮)
রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮)
যৌতুক (১৯৫৮)
অবাক পৃথিবী (১৯৫৯)
সোনার হরিন (১৯৫৯)
পুষ্পধনু (১৯৫৯)
বিচারক (১৯৫৯)
চাওয়া পাওয়া (১৯৫৯)
মরুতীর্থ হিংলাজ (১৯৫৯)
খেলাঘর (১৯৫৯)
গলি থেকে রাজপথ (১৯৫৯) শহরের ইতিকথা (১৯৬০)
শখের চোর (১৯৬০)
খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন (১৯৬০)
উত্তর মেঘ (১৯৬০)
শুন বরনারী (১৯৬০)
রাজা সাজা (১৯৬০)
মায়া মৃগ (১৯৬০)
কুহক (১৯৬০)
হাত বাড়ালে বন্ধু (১৯৬০)
নেকলেস (১৯৬১)
ঝিন্দের বন্দী (১৯৬১)
অগ্নিসংস্কার (১৯৬১)
সাথী হারা (১৯৬১)
সপ্তপদী (১৯৬১)
দুই ভাই (১৯৬১)
শিউলিবাড়ি (১৯৬২)
বিপাশা (১৯৬২)
কান্না (১৯৬২)
দেয়া নেয়া (১৯৬৩)
ভ্রান্তিবিলাস (১৯৬৩)
নিশীথে (১৯৬৩)
উত্তরায়ণ (১৯৬৩)
সূর্যশিখা (১৯৬৩)
শেষ অঙ্ক (১৯৬৩)
লাল পাথর (১৯৬৪)
নতুন তীর্থ (১৯৬৪)
বিভাস (১৯৬৪)
মোমের আলো (১৯৬৪)
জতুগৃহ (১৯৬৪)
রাজকন্যা (১৯৬৫)
থানা থেকে আসছি (১৯৬৫)
সূর্যতপা (১৯৬৫)
রাজদ্রোহী (১৯৬৬)
শঙ্খবেলা (১৯৬৬)
শুধু একটি বছর (১৯৬৬)
নায়ক (১৯৬৬)
কাল তুমি আলেয়া (১৯৬৬)
জীবন মৃত্যু (১৯৬৭)
নায়িকা সংবাদ (১৯৬৭)
চিড়িয়াখানা (১৯৬৭)
অ্যান্টনি ফিরিঙ্গী (১৯৬৭)
গৃহদাহ (১৯৬৭)
গড় নাসিমপুর (১৯৬৮)
তিন অধ্যায় (১৯৬৮)
কখনো মেঘ (১৯৬৮)
চৌরঙ্গী (১৯৬৮)
শুকসারী (১৯৬৯)
মন নিয়ে (১৯৬৯)
সবরমতী (১৯৬৯)
চিরদিনের (১৯৬৯)
অপরিচিত (১৯৬৯)
কমললতা (১৯৬৯)
রাজকুমারী (১৯৭০)
দুটি মন (১৯৭০)
বিলম্বিত লয় (১৯৭০)
মঞ্জরী অপেরা (১৯৭০)
কলঙ্কিত নায়ক (১৯৭০)
নিশিপদ্ম(১৯৭০)
নবরাগ (১৯৭১)
জীবন জিজ্ঞাসা (১৯৭১)
এখানে পিঞ্জর (১৯৭১)
জয় জয়ন্তী (১৯৭১)
ধন্যি মেয়ে(১৯৭১)
ছদ্মবেশী (১৯৭১)
আলো আমার আলো (১৯৭১)
ছিন্ন পত্র (১৯৭২)
স্ত্রী(১৯৭২)
বিরাজ বৌ (১৯৭২)
অন্ধ অতীত (১৯৭২)
মেম সাহেব (১৯৭২)
হার মানা হার(১৯৭২)
রাতের রজনীগন্ধা (১৯৭৩)
রৌদ্র ছায়া (১৯৭৩)
সোনার খাঁচা (১৯৭৩)
কায়াহীনের কাহিনী (১৯৭৩)
বনপলাশীর পদাবলী (১৯৭৩)
রোদন ভরা বসন্ত (১৯৭৪)
আলোর ঠিকানা (১৯৭৪)
রক্ত তিলক (১৯৭৪)
বিকেলে ভোরের ফুল (১৯৭৪)
যদু বংশ (১৯৭৪)
যদি জানতেম (১৯৭৪)
প্রিয় বান্ধবী (১৯৭৫)
নগর দর্পনে (১৯৭৫)
আমি সে ও সখা (১৯৭৫)
কাজললতা (১৯৭৫)
মৌচাক (১৯৭৫)
অগ্নীশ্বর (১৯৭৫)
বাঘবন্দী খেলা (১৯৭৫)
সন্ন্যাসী রাজা (১৯৭৫)
অমানুষ (১৯৭৫)
মোমবাতি (১৯৭৬)
চাঁদের কাছাকাছি (১৯৭৬)
আনন্দমেলা (১৯৭৬)
হোটেল স্নোফক্স (১৯৭৬)
নিধিরাম সর্দার (১৯৭৬)
বহ্নিশিখা (১৯৭৬)
সেই চোখ (১৯৭৬)
সিস্টার(১৯৭৭)
ভোলা ময়রা(১৯৭৭)
রাজবংশ(১৯৭৭)
সব্যসাচী (১৯৭৭)
আনন্দ আশ্রম (১৯৭৭)
ধনরাজ তামাং (১৯৭৮)
নিশান (১৯৭৮)
বন্দী (১৯৭৮)
দুই পুরুষ (১৯৭৮)
নব দিগন্ত (১৯৭৯)
সুনয়নী (১৯৭৯)
ব্রজবুলি (১৯৭৯)
সমাধান (১৯৭৯)
শ্রীকান্তের উইল (১৯৭৯)
দেবদাস (১৯৭৯)
প্রতিশোধ (১৯৮০)
খনা বরাহ (১৯৮০)
আরো একজন (১৯৮০)
দর্পচূর্ণ (১৯৮০)
পক্ষীরাজ (১৯৮০)
রাজা সাহেব (১৯৮০)
দুই পৃথিবী (১৯৮০)
সূর্যসাক্ষী(১৯৮১)
ইমন কল্যাণ (১৯৮১)
ওগো বধূ সুন্দরী (১৯৮১)
কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী (১৯৮১)
উত্তম কুমার অভিনীত হিন্দি চলচ্চিত্র
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
ছোটিসি মুলাকাৎ (১৯৬৭)
কিতাব (১৯৭৭)
দুঁরিয়া (১৯৭৯)
প্লট নাম্বার ৫ (১৯৮১)
দেশপ্রেমী (১৯৮২)
মেরা করম মেরা ধরম (১৯৮৭)
এছাড়া শক্তি সামন্তর অমানুষ ও আনন্দ আশ্রম মূল
বাংলা সিনেমা দুটি হিন্দীতেও ডাবিং করে সর্ব ভারতীয়
মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।
উত্তম কুমার পরিচালিত চলচ্চিত্র
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী (১৯৮১)
বনপলাশীর পদাবলী (১৯৭৩)
শুধু একটি বছর (১৯৬৬)
উত্তম কুমার প্রযোজিত চলচ্চিত্র
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""" গৃহদাহ (১৯৬৭)
ছোটিসি মুলাকাত (১৯৬৭)
হারানো সুর (১৯৫৭)
উত্তম কুমার সুরারোপিত একমাত্র চলচ্চিত্র
কাল তুমি আলেয়া (১৯৬৬)

পুরস্কার এবং সম্মান।।
উত্তম কুমার তার চলচ্চিত্র জীবনে বহু পুরস্কার পেয়েছেন। যার মধ‍্যে পাঁচবার জাতীয় পুরস্কার, আটবার বিএফজেএ পুরস্কার (যা দ্বিতীয় সর্বাধিক) ও তিনবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু তিনি কখনোই পদ্মবিভুষণ, পদ্মভূষণ জাতীয় স্বীকৃতি কিছুই পাননি।
ভারত সরকার কর্তৃক-----
১৯৭৫ : মহানায়ক উপাধি লাভ (সংসদে ঘোষিত হয়) ও পুরস্কার মুল‍্য ₹৫০০০০ টাকা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
১৯৫৭ : শ্রেষ্ঠ বাংলা ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তৃতীয় শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি - হারানো সুর (১৯৫৭) (প্রযোজক হিসেবে)
১৯৬১ : শ্রেষ্ঠ বাংলা ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি - সপ্তপদী (১৯৬১) (প্রযোজক হিসেবে)
১৯৬৪ : শ্রেষ্ঠ বাংলা ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - উত্তর ফাল্গুনী (১৯৬৩) (প্রযোজক হিসেবে)
১৯৬৪ : শ্রেষ্ঠ বাংলা ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার - তৃতীয় শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি - জতুগৃহ (১৯৬৪) (প্রযোজক হিসেবে)
১৯৬৮ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - এন্টনী ফিরিঙ্গি ১৯৬৭ ও চিড়িয়াখানা ১৯৬৭ (রাষ্ট্রপতি জাকির হুসেন তাকে এই পুরস্কার তুলে দেন)
ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
১৯৭৬ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার (মনোনীত) অমানুষ (১৯৭৫)
১৯৭৬ : ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার অমানুষ (১৯৭৫)
পূর্ব ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
১৯৭৫ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - অমানুষ (১৯৭৪) (পুরস্কার প্রদান করেন মুখ‍্যমন্ত্রী সিদ্ধাথ শংকর রায়)
১৯৭৯ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ধনরাজ তামাং (১৯৭৮)
পশ্চিমবঙ্গ রাজ‍্য সরকার
১৯৭৫ : প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান - অমানুষ (১৯৭৪) ছবির জন‍্য এবং পুরস্কার মুল‍্য স্বরুপ ৫০০০ টাকা কিন্তু সে টাকা তিনি দুঃস্থ কলাকুশলীদের জন‍্য দান করেন।
বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ‍্যাসোসিয়েশন এওয়ার্ড (বি এফ জে এ পুরস্কার)
তিনি দ্বিতীয় সর্বাধিক বি এফ জে এ পুরস্কার পেয়েছেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে যুগ্ম শীর্ষ।
১৯৫৫ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - হ্রদ ১৯৫৫ (পুরস্কার তুলে দেন নির্মল কুমার ও হরেন্দ্রনাথ মুখার্জী)
১৯৬২ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার সপ্তপদী ১৯৬১ (পুরস্কার তুলে দেন নিউ থিয়েটার্সের কর্ণধার বি এন সরকার)
১৯৬৭ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার নায়ক ১৯৬৬ (পুরস্কার তুলে দেন কিংবদন্তি দেবকী বসু)
১৯৬৮ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - গৃহদাহ ১৯৬৭ (পুরস্কার তুলে দেন কে কে শো)
১৯৭১ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - এখানে পিঞ্জর ১৯৭১ (পুরস্কার তুলে দেন শ্রীমতি নন্দিনী শতপথী)
১৯৭৩ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - স্ত্রী ১৯৭২ (পুরস্কার তুলে দেন কিংবদন্তি কানন দেবী)
১৯৭৫ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - অমানুষ ১৯৭৪
১৯৭৭ : বি.এফ.জে.এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - বহ্নিশিখা ১৯৭৬
পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিপন্থী চলচ্চিত্র সমালোচক সংস্থা পুরস্কার
১৯৭৪ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার - যদুবংশ ১৯৭৪ ১৯৭৫ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার - অমানুষ ১৯৭৪
চলচ্চিত্র প্রসার সমিতি-----
১৯৭৪ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার :
১৯৭৫ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার : অমানুষ ১৯৭৪
প্রসাদ পত্রিকা পুরস্কার
১৯৭৩ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার - স্ত্রী ১৯৭৩ (পুরস্কারটি তুলে দেন কিংবদন্তি কানন দেবী)
১৯৭৮ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার - আনন্দ আশ্রম ১৯৭৭
সাংস্কৃতিক সাংবাদিক সংস্থা
১৯৭৮ : শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার - আনন্দ আশ্রম ১৯৭৭
২০০৯ সালে্র ৩রা অক্টোবর ভারতীয় ডাক বিভাগ তার স্মরণে একটি স্মারক পোষ্টাল স্ট‍্যাম্প প্রকাশ করেন।
কলকাতা মেট্রোর টালিগঞ্জ অঞ্চলের স্টেশনটির নাম রাখা হয়েছে “মহানায়ক উত্তমকুমার মেট্রো স্টেশন”।
২০০৪ সালে টালিগঞ্জের ট্রাম্প ডিমোর পাশে তার একটি লাইফ সাইজ ভাষ্কর্য তৈরী করা হয়। পরে ২০১৭ সালে তার জন্মস্থান ভবানীপুরে একটি ভাষ্কর্য নির্মাণ করা হয়। এছাড়া ২০২০ সালে তার নামে বর্ধমান শহরেও প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ব‍্যয়ে শ্বেত পাথরের একটি সাড়ে ছয় ফুটের ভাষ্কর্য তৈরী করা হয়।
২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে তার নামাঙ্কিত “মহানায়ক” খেতাব দেওয়া হয় চলচ্চিত্রে আজীবন স্বীকৃতির জন‍্য।
টালিগঞ্জে তার নামাঙ্কিত একটি অডিটোরিয়াম আছে যা মহানায়ক উত্তম মঞ্চ নামে পরিচিত। এটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব‍্যবহার করা হয়। বর্তমানে এটি কলকাতা মিনিসিপাল কর্পোরেশনের অর্ন্তগত।
১৯৮১ সালে তার মৃত্যুর একবছর পরথেকে তার মৃত্যুদিনে প্রত‍্যেক বছর পর তার নামে “উত্তম কুমার পুরস্কার” দেওয়া হয়ে থাকে।
মোটামুটি তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের একটি তালিকা তৈরি করলাম। যদি কিছু বাদ যায় তবে অনিচ্ছাকৃত। ভুলটি অবশ্যই সংশোধন করতে পারেন।
সু ঘো ।

ফিরে দেখা।👀👀👀👀আজ নন্দন প্রেক্ষাগৃহের প্রতিষ্ঠা দিবস।নন্দন কলকাতায় অবস্থিত একটি সরকারি প্রেক্ষাগৃহ ও চলচ্চিত্র উৎকর্ষ কে...
02/09/2026

ফিরে দেখা।👀👀👀👀
আজ নন্দন প্রেক্ষাগৃহের প্রতিষ্ঠা দিবস।
নন্দন কলকাতায় অবস্থিত একটি সরকারি প্রেক্ষাগৃহ ও চলচ্চিত্র উৎকর্ষ কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চলচ্চিত্র-সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দ্যেশ্যে ১৯৮৫ সালের ২রা সেপ্টেম্বর তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নন্দন প্রতিষ্ঠিত হয়। নন্দনের সুদৃশ্য নান্দনিক ভবনটির দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়। নন্দনের প্রতীকচিহ্নটিও তিনিই অঙ্কন করেন। উপস্থিত ছিলেন পরলোকগত তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু নন্দন প্রতিষ্ঠার পিছনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য। এর নকশা করেন অমিতাভ সেনগুপ্ত এবং তিনিই ছিলেন এর নির্মান স্থপতি। মূল ভবনে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য রয়েছে মোট তিনটি অডিটোরিয়াম। নন্দন-এক, নন্দন-দুই ও নন্দন-তিন। এই হলগুলির দর্শক ধারণ ক্ষমতা যথাক্রমে ৯৩১, ২০০ ও ১০০। এছাড়া নন্দন-চার অডিটোরিয়ামটি ব্যবহৃত হয় শুধুমাত্র সেমিনার ও সাংবাদিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে। ২০১১ সালে এর শেষবার প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয় ।
প্রেক্ষাগৃহটি কলকাতার সাংস্কৃতিক জগতের ধারক এবং বাহক। বুদ্ধিজীবীদের বিশেষ পছন্দের জায়গা এটি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এখানেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র ও ছবি নেট থেকে সংগৃহীত। সু ঘো ।।

আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস।কিছু তথ্য সন্ধান-----১)২০০৯ সালে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮টি দেশ নিয়ে গড়া হয় এশিয়ান অ্যানড প্যাসি...
02/09/2026

আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস।
কিছু তথ্য সন্ধান-----
১)২০০৯ সালে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮টি দেশ নিয়ে গড়া হয় এশিয়ান অ্যানড প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি। উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচনে নারকেলের গুরুত্ব বোঝানো। নারকেল গাছ এমন একটি ফলগাছ যার সকল অংশই আমরা কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করি। এর দ্বারা গড়ে উঠতে পারে নানা জীবিকা।
২)একটা ভালো নারকেলে থাকে ৪০০ গ্রাম শাঁস, ১৫০ মিলি মিটার জল। সাথে প্রচুর ভিটামিন, ক্যালরি আর মিনারেল।
৩) ডাবের জলে থাকে গুলকোজ , সাইটোকাইনিন ও বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ।
৪) নারকেল তেলে আছে লরিক অ্যাসিড যা শরীরে লো ডেনসিটি কোলেসটেরল জমতে দেয় না।
৫)পুজোতে ডাবের জল ছাড়া চলে না।
পুরীতে জগন্নাথ দেবের রথ তৈরি হয় নারকেল কাঠ দিয়ে
তাই পুরাণে এই গাছকে "কল্পবৃক্ষ" নাম দেওয়া হয়েছে।
৬)সবচেয়ে বেশি নারকেল গাছ হয় ইনদোনেশিয়া ও মায়নামারে।
৭)রামায়ণে এই গাছ উল্লিখিত যেমন তেমনি আরব্য রজনীর গল্পে সিনদবাদকে নারকেল বিক্রী করতে দেখা যায়
৮) ইতিহাস বলছে আজ থেকে ২৩০ লক্ষ বছর আগে কোকোস জাইলেনিকা নামে মাত্র ৩.৫ সেন্টিমিটার লম্বা একটা ফল ছিল। তার ফসিল থেকে বিজ্ঞানীরা প্রমান পেয়েছেন এরাই নারকেলের পূর্বপুরুষ।
নারকেল নানা পুষ্টি গুনে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম নারকেলে আছে ৩৫৪ ক্যালরি,৩৩গ্রাম ফ্যাট ,২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম,৩৫৬ মিলিগ্রাম পাটাশিয়াম ,১৫ গ্রাম কার্বহাইড্রেট ও ৩.৩ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া ও আছে ভিটামিন সি , ক্যালসিয়াম, আয়রন,ম্যাগনিসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২।
নানা পুষ্টি গুনে ভরপুর নারকেল আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত যা শরীরের জন্য খুব উপকারী ।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিটি গুগল থেকে সংগৃহীত। সু ঘো।।

আজ আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস।মনে পড়লো একটি শব্দ "ডাকহরকরা"-- যেখানেই মানুষের বাস সেখানেই এই শব্দটি অপেক্ষার প্রহর গোনা থেকে ...
01/09/2026

আজ আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস।
মনে পড়লো একটি শব্দ "ডাকহরকরা"-- যেখানেই মানুষের বাস সেখানেই এই শব্দটি অপেক্ষার প্রহর গোনা থেকে এক অনির্বচনীয় মুক্তির স্বাদ দিত।
কিন্তু এখন!!!
ভেবেছিলাম প্রিয় মানুষগুলো নিশ্চয়ই লিখবে আমার জন্য কিছু অনুভূতি- ব্যথা- বেদনা-সুখ-দুঃখের কথা। কিন্তু চোখ খুলে দেখি ইনবক্স একদম ফাঁকা, না কোনো চিঠি, না কোনো শব্দ, শুধুই নীরবতা বিরাজ করছে।
অথচ একটা সময় ছিল যখন একটা চিঠি , একটা কল লেটার পেলে কত খুশি হয়ে উঠতো মন।
কিন্তু চিঠি লেখাটাই এখন ভুলে গিয়েছে মানুষ। আর চাকরির চিঠি,প্রেমের চিঠি সবই এখন নেট, হোয়াটসঅ্যাপ আর ম্যাসেঞ্জারেই সব চরকির মতো ঘুরপাক খাচ্ছে।
দেখতে পাওয়া যায় না আর হলুদ ঐ পোস্টকার্ডটাকে।
ঐ একটি পোস্টকার্ড পেতে কত মানুষ কত বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছে। কত প্রেমিক- প্রেমিকা, কত মা-বাবা,কত স্বামী স্ত্রী,কত ভাই বোন, কত সৈনিক ও তার পরিবার, বিদেশে বসবাসকারী আপনজন, সাহিত্য দরবারে কত পত্র সাহিত্য রচনার পান্ডুলিপি সবই চলতো চিঠির মাধ্যমে।
ডিজিট্যাল এই যুগে এসে এখন সব হারিয়ে গেছে।
আর ছিল লালরাঙা ডাকবাক্স বা লেটারবক্স যার গায়ে পিনকোড নাম্বার ও খোলার সময় লেখা থাকতো।
সে সবই অস্তাচলে।
তবুও প্রতি বছর ১লা সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস’ পালন করা হয়। এই দিনটি চিঠি লেখার গুরুত্ব এবং সেই ঐতিহ্যবাহী যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উদযাপন করা হয়।
ইতিহাস থেকে জানা যায় ২০১৪ সালে সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিনের হাত ধরেই এই আন্তর্জাতিক চিঠি দিবসের প্রচলন শুরু হয়।
উদ্দেশ্য ছিল বহু বিখ্যাত প্রাচীন চিঠি যা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সেইসব ক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করা। বহু চিঠি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর সাক্ষী ছিল এবং এই চিঠিগুলো আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হত। অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বের চিঠি আজও ইতিহাসবিদদের জন্য মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করছে।
আজকের গতির যুগে সওয়ারী হয়ে মানুষ সেই পুরনো চিঠির যুগে ফিরতে এখন নারাজ।
এখানে উল্লেখ্য যে ১৮৭৯ সালের ১লা জুলাই ভারতের পোস্টকার্ডের জন্মদিন।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিটি গুগল প্রাপ্ত। সু ঘো।।

পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে কলেজ স্কোয়ারে 😍
31/08/2026

পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে কলেজ স্কোয়ারে 😍

ঋতুপর্ণ ঘোষের আজ তেষট্টিতম জন্মবার্ষিকী ।""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""  ১৯৬৩ সালের ...
31/08/2026

ঋতুপর্ণ ঘোষের আজ তেষট্টিতম জন্মবার্ষিকী ।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
১৯৬৩ সালের ৩১শে অগস্ট কলকাতায় ঋতুপর্ণ ঘোষের জন্ম। তাঁর বাবা-মা উভয়েই চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবা সুনীল ঘোষ ছিলেন তথ্যচিত্র-নির্মাতা ও চিত্রকর। ঋতুপর্ণ ঘোষ সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডিগ্রি অর্জন করেন।
অর্থনীতির ছাত্র ঋতুপর্ণ ঘোষের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট হিসেবে। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম ছবি হীরের আংটি। দ্বিতীয় ছবি উনিশে এপ্রিল মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। এই ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ কাহিনিচিত্র বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পান।
ঋতুপর্ণ ঘোষ ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের অনুরাগী।
কিন্তু তার কাজে ও জীবনে রবিঠাকুরের প্রভাব ছিল অসামান্য। তাঁর চলচ্চিত্রে, সিরিয়ালে( গানের ওপারে ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বিশদে কাজ করে গেছেন। দুই দশকের কর্মজীবনে তিনি বারোটি জাতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছিলেন।
তার শেষ বাংলা চলচ্চিত্র "সানগ্লাস"১৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মুক্তি পায়।
ঋতুপর্ণ ঘোষ ছিলেন ভারতের এলজিবিটি সম্প্রদায়ের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। জীবনের শেষ বছরগুলিতে তিনি রূপান্তরকামী জীবনযাত্রা নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করছিলেন। এনিয়ে তাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়।
২০১৩ সালে ৩০শে মে কলকাতায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র ও ছবি নেট থেকে সংগৃহীত। সু ঘো ।।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহর কলকাতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share