21/03/2026
সংগ্রামের ৪৯!
প্রায় অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে ও কারোর সামনে মাথানত না করে, মেরুদণ্ড সোজা রেখে স্বমহিমায় উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত এগিয়ে চলেছে MCDSA।
সত্তরের দশকে SA-DSA আন্দোলনের হাত ধরে একসময় কলকাতা ও তার বাইরের আরো বিভিন্ন কলেজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এরকম আরো অনেক গণতান্ত্রিক ছাত্রসংগঠন তৈরী হলেও দুর্ভাগ্যক্রমে অনেকেই হারিয়ে যায় গত শতকেই। MCDSA সেই কঠিন পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে অস্তিত্ব রক্ষায় সক্ষম হয়েছে। নব্বইয়ের দশকে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের ইউনিয়ন ইলেকশন আন্দোলন, হোস্টেল আন্দোলন, জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলন ও সব রোগীর জন্য মেডিকেল কলেজকে উন্মুক্ত করার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে MCDSA।
এই গৌরবান্বিত ইতিহাস এর হাত ধরে আজ ও কঠিন পরিস্থিতিকে নির্ভীকভাবে চ্যালেঞ্জ করে ন্যায্য অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোগী-চিকিৎসক অধিকাররক্ষায় সরব হওয়া, সামগ্রিকভাবে ছাত্রস্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকাররক্ষায় লড়ে যাওয়া। পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি, ক্ষমতাদখলের রাজনীতির উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধের ভিত্তিতে ভর করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে মেডিকেল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।
সাম্প্রতিক ফ্যাসিবাদী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনে , গনতন্ত্রের স্রোত স্তব্ধ হয়ে গেছে রাজ্যের প্রায় সমস্ত ক্যাম্পাস এ, ঠিক উলটো দিকে দাড়িয়ে, একমাত্র মেডিক্যাল কলেজে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে MCDSA। শাসক তৃণমূল সরকার ও দলদাস অথরিটির সমস্ত ষড়যন্ত্র কে নৎসাৎ করে, শেষ পর্যন্ত লড়াই করে, ইউনিয়ন ফিরিয়ে এনেছে কলেজে, পথ দেখিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র রাজনীতির।
আজ বহু আন্দোলন, বহু সংগ্রাম পেরিয়ে ১৯৭৭ থেকে ২০২৬ । কিন্তু এখনও যে বহু সংগ্রাম বাকি!
"কান্ডারী! তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ?
করে হানাহানি, তবু চলো টানি, নিয়াছ যে মহাভার"
তাই সামনে কাঁধে যে গুরুদায়িত্ব আছে তাকে স্মরণ করে এখন ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলাই কর্তব্য। আর চলার পথে ধ্বনিত হবে মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে ও ক্যাম্পাসের বাইরেও,
March on , March on, March on DSA
Long live , Long live , Long live DSA
MCDSA
জিন্দাবাদ ✊️✊️!!!
#প্রতিস্পর্ধার_ ৪৯