Indian Secular Front

Indian Secular Front Official Page of All India Secular Front (ISF)
(2)

*ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি কমানোর তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে আইএসএফ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির প্রেস বিবৃতি*পূর্বতন তৃণমূল কং...
24/05/2026

*ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি কমানোর তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে আইএসএফ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির প্রেস বিবৃতি*

পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবছর ঈদ উল আযহা উপলক্ষে দুই দিন ছুটি দিয়েছিল। যদিও তারা বরাবর একদিন ছুটি দিত। গতবছরও একদিন ছুটি ছিল। রাজ্য সরকারের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এবারে ২৬ ও ২৭ মে ছিল ছুটি। এটাও ঘটনা যে ছুটির দিন বাড়ানোর জন্য আইএসএফ সহ আরো অনেকে দীর্ঘদিন ধরেই সরব ছিল। আইএসএফ চেয়ারম্যান বিগত কয়েক বছর ধরে এই দাবিতে রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠাচ্ছিলেন।

সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিজেপি সরকার ফের দুই দিনের পরিবর্তে একদিন ছুটি মঞ্জুর করল। ঈদ এর ছুটি থাকছে ২৮ মে। যেহেতু ওই দিন ঈদ উল আযহা পালিত হবে। "সব কা সাথ, সব কা বিকাশ"-এর এই হল উত্তম উদাহরণ। গোটা দেশজুড়ে সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়কে প্রতি ক্ষেত্রে কোনঠাসা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ তো ব্যতিক্রম থাকতে পারে না। এখানে তো এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তাই ঈদ উপলক্ষে ছুটি বাড়ানোর জন্য আবারও লড়াই জোরদার করতে হবে। আমরা রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করব গতকাল যে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে, সেটি পুনর্বিবেচনা করে, দুইদিনের ছুটি ধার্য করা হোক।
২৪/৫/২৬

সরকারী কর্মচারীদের মুখ বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির...
22/05/2026

সরকারী কর্মচারীদের মুখ বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির প্রতিক্রিয়া

তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার পশ্চিমবাংলার ক্ষমতা থেকে হটে গেছে। এসেছে নতুন সরকার। কিন্তু এই সরকারের চরিত্র আগেরটার মতনই। শুধু জামা পাল্টেছে। বলা যায় মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। নবান্ন থেকে মুখ্য সচিবের সই ফরমান জারি হয়েছে। সরকারী অথবা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় চলা সংস্থার কর্মচারীরা সোস্যাল মিডিয়ায় সরকারের সমালোচনা করতে পারবে না। এই রাজ্যে কি অঘোষিত জরুরি অবস্থা শুরু হল? অথচ গণতন্ত্রে সকলের মতামতের অধিকার আছে। সেই সমালোচনা শোনার ধৈর্য সরকারকে দেখাতে হয়‌। অথচ উপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকদের একটি তামাদি হয়ে যাওয়া আইনকে তুলে এনে ফতোয়া দিচ্ছে এই সরকার। এটা কর্মচারীদের আতঙ্কিত করে রাখা ছাড়া আর কিছুই নয়।এই সরকারের ক্ষমতায় আসা একমাসও হয়নি। স্বেরাচারীর মুখোশ বেরিয়ে পড়ছে। পূর্বতন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে রাখতে। ডি এ চাইতে গেলে কর্মচারীদের বলেছিলেন, "ঘেউ ঘেউ" করবেন না। আর এই সরকার প্রথম থেকেই গলায় বকলেস লাগিয়ে রেখে দিতে উদ্যত। বাক্ স্বাধীনতা সাংবিধানিক অধিকার। তাকে একটি পরিত্যক্ত আইন দিয়ে হত্যা করা যাবেনা। দরকারে আদালতে গিয়ে এই গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে আমাদের সকলকে।
২২/৫/২৬

প্রেস বার্তা ২৭ লক্ষ নাগরিকের নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি নিয়ে আজ কলকাতায় অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্...
20/05/2026

প্রেস বার্তা
২৭ লক্ষ নাগরিকের নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি নিয়ে আজ কলকাতায় অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্টের ডাকে এক মিছিলে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ। শিয়ালদা স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল যায় ধর্মতলার রানী রাসমণি রোড পর্যন্ত। তারপর প্রতিনিধি দল যায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। দুপুরেই প্রচণ্ড গুমোট গরমে মানুষ পথ হেঁটেছে। মিছিল চলতে চলতেই আবার আকাশ থেকে নেমে এসেছে বৃষ্টি। ভিজেছে মানুষ। কিন্তু মিছিল থামেনি। পরে দলের চেয়ারম্যান, বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি চার সদস্যের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে অতিরিক্ত সিইও-র হাতে স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। 'ভোটাধিকার বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাও' স্লোগানে মুখরিত ছিল আজকের মিছিল। নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজ তরান্বিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলছি। নাগরিকেরা যাতে আর হয়রানির শিকার না হয় সেটি লক্ষ্য‌ রাখার কথা বলছি। অনলাইন শুনানি করা জরুরি বলে জানিয়েছি। লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির নামে যাদের নাম বাদ গেছে তাদের নাম দ্রুততার সঙ্গে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হোক। এতে তাঁরা চিন্তামুক্ত হবেন বলে নওসাদ সিদ্দিকী অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার বেশ কয়েকটা দিন কেটে গেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে চুপ করে বসে আছেন। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধীদল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস নিরবাচনের আগে অনেক আন্দোলন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারাও এখন উধাও। কিন্তু দায়িত্বশীল দল হিসেবে আইএসএফ লড়াইয়ের ময়দানে আছে। প্রয়োজনে আগামীদিনে আইনী লড়াইয়েও দল সামনে থাকবে।

মিছিলের পুরোভাগে আইএসএফ চেয়ারম্যান ছাড়াও দলের রাজ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি হিসেবে সিইও দপ্তরে যান নওসাদ সিদ্দিকী ছাড়াও রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিত মাইতি, তাপস ব্যানার্জি, নাসিরুদ্দিন মীর ও প্রতীক মণ্ডল।
২০/৫/২০২৬

19/05/2026
প্রেস বার্তাপ্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যে সদ্য আসীন বিজেপি সরকার। বেআইনি বাড়ি ভাঙার নাম করে বেআইনিভাবে তার...
14/05/2026

প্রেস বার্তা
প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যে সদ্য আসীন বিজেপি সরকার। বেআইনি বাড়ি ভাঙার নাম করে বেআইনিভাবে তারাই বুলডোজার চালিয়ে মানুষকে পথে বসাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইএসএফ চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী। তিনি আজ তিলজলায় এলাকায় গিয়েছিলেন যেখানে সম্প্রতি একটি কারখানায় আগুন লেগেছিল। সেই কারখানটিকে ভেঙে ফেলার জন্য তড়িঘড়ি নির্দেশ দেওয়া হয়। ঐ কারখানার মাধ্যমে কমপক্ষে ৫০ জন মানুষের পরিবারের সংসার চলত। কারখানার জিনিসপত্র সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক উপকরণ সরানোর সময় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকি ভেঙে ফেলার নোটিশও দেখানো হয়নি। তাছাড়া, এটা দেখা যাচ্ছে যে অগ্নি বীমা পুনর্নবীকরণ শংসাপত্র ছাড়া অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাগজপত্র আইন মাফিক ঠিক আছে। যা নথিপত্র আমাদের হাতে এসেছে সেটি থেকে এটা সুস্পষ্ট যে ১৯৯২ সালের নভেম্বর মাসে এই সম্পত্তি কেনা হয়েছে। তখন থেকেই নিয়মিতভাবে কলকাতা কর্পোরেশনকে ট্যাক্স দেওয়া হচ্ছে। কারখানা চালানোর লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। সেটি বহাল আছে আগামী ২০২৯ সাল পর্যন্ত। সুতরাং কারখানা চালানোর 'ফিট সার্টিফিকেট' রয়েছে। অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয়েও দেখা যাচ্ছে যে সরকারী গড়িমসি এর জন্য দায়ী। ঐ এলাকায় ২০২৪ সাল থেকে এই ব্যাপারে কোন আবেদনপত্র নেওয়া হচ্ছে না। অথচ, এগুলিকে যাচাই করার সময়টুকুও সরকারের হয়নি। ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই বুলডোজার চালিয়ে দেওয়া হল। এলাকায় আরো অনেক বাড়িতেও এই বুলডোজার চালানো হবে বলে অভিযোগ আসছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৩ ই নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এবং বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ 'বুলডোজার অ্যাকশন' সংক্রান্ত একটি গাইডলাইন দেন। যেখানে প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে যে ভাঙার আগে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া অভিযুক্তকে শুনানি ও আদালতে যাওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে 'রুল অফ ল' বা আইনের শাসনের বাইরে গিয়ে কোন সরকার বুলডোজারকে শাস্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেনা।

নওসাদ সিদ্দিকী এদিন সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি বলেন, ঐ বাড়ির মানুষদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। এলাকার মানুষও ক্ষোভে ফুঁসছে। তারা সুবিচার চাইছেন। স্থানীয় কাউন্সিলরও এদের পাশে নেই। প্রয়োজনে আইনী সাহায্য নিতে হবে। এতগুলি অসহায় পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। তারা বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স বলছেন বটে। কিন্তু নিজেরাই বেআইনি কাজ করছেন। তিনি বলেন, বাড়ি খালি করতে হলে, সরকারকে একটা নির্দিষ্ট সময় দিতে হবে বাসিন্দাদের। এত অসহিষ্ণুতা দেখানোর কারণ কি? তারা তো কর্পোরেশনকে কর দিচ্ছেন। জল ও বিদ্যুৎ অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার মধ্যে পড়ে। এই পরিষেবা থেকে পরিবারগুলিকে বঞ্চনা করে রাখার মানে হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের করা হচ্ছে। এগুলি চালু রাখতেই হবে। তাছাড়া জল ও বিদ্যুতের সংযোগ কাটতে গিয়ে আশপাশের বাড়িগুলিরও সংযোগ ব্যবস্থা কেটে দেওয়া হয়েছে। এটা অন্যায়। যত শীঘ্র সম্ভব এই সংযোগগুলিকে চালু করতে হবে। অবশ্যই বেআইনি বাড়ি ভাঙতে হবে, কিন্তু সেটি আইন মেনেই করতে হবে বলে ভাঙড়ের বিধায়ক মন্তব্য করেন। তিনি এদিন এই বিষয়ে প্রবীণ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গেও কথা বলেন। প্রয়োজনে আইনী সহায়তা দেওয়া নিয়ে কথা হয়।
১৪/৫/২৬

*All India Secular Front (ISF) Central Committee has issued this Press Statement on 14th May, 2026*

The newly-elected BJP government in West Bengal has started vindictive politics. In the name of demolishing illegal houses, they are illegally driving bulldozers and putting people on the road, said ISF Chairman and MLA Nawsad Siddiqui. Today he went to the Tiljala area of Kolkata where a leather factory had recently caught fire. Hasty orders were given to demolish that house. The factory was used to support at least 50 families. It is alleged that no time was given to remove the factory equipment and other ancillary products. Even the demolition notice was not shown. Moreover, it appears that documents, except for the fire insurance renewal certificate, are in order as per the law. From the documents that have come to our hands, it is clear that the property was purchased in November 1992. Since then, taxes have been paid regularly to the Kolkata Municipal Corporation. A license to run the factory has been issued. It is valid until 2029. So there is a 'fit certificate' to run the factory. It is also seen that government delay is responsible for this in the matter of fire extinguishing system. No applications are being received in this regard in that area since 2024, we are told. However, the government has not even had time to verify these documents. Within 24 hours, the bulldozer was put into use. There are allegations that bulldozers will be used on many more houses in the area as well.

It is worth noting that on November 13, 2024, a bench of Chief Justice B R Gavai and Justice K V Vishwanathan of the Supreme Court issued a guideline on 'Bulldozer Action'. The first point is that, it is mandatory to give notice before any demolition takes place. Moreover, the accused must be given adequate opportunity to be heard and go to court. The Supreme Court has clearly stated that no government can use bulldozers as a tool of punishment beyond the 'rule of law'.

Nawsad Siddiqui visited the spot today and spoke to the affected people. He said, the people of the area are fuming with anger. They are seeking justice. The local councilor is not on their side either. If necessary, legal help will have to be sought. The government will have to make arrangements for the rehabilitation of so many helpless families. The Chief Minister said zero tolerance for illegal construction. But they themselves are doing illegal work. He further said if at all the houses are to be vacated, the government should give the residents a specific time. Why is there so much intolerance? They are paying taxes to the Municipal Corporation. Water and electricity are essential services. Depriving families of these services is a violation of human rights. These services must be kept running. Moreover, while cutting off water and electricity connections, the connections of the surrounding houses have also been cut off. This is unfair. These connections should be made operational as soon as possible. Of course, illegal houses should be demolished, but it should be done according to the law, said Siddiqui. He also consulted senior lawyer Bikash Ranjan Bhattacharya on this issue later in the evening. They talked about providing legal assistance if needed.

13/05/2026

প্রেস বার্তা
২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতে কলকাতার তপসিয়ায় অগ্নিদগ্ধ কারখানা সমেত গোটা বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বুলডোজার দিয়েই কাজটি করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অনুসন্ধানের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। আগুন থেকে সুরক্ষার যে সাধারণ ব্যবস্থা থাকার কথা, তা-ও সেখানে ছিল না। সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে কারখানা চলছিল। কিন্তু চামড়া কারখানাটি ছাড়াও ঐ বাড়িতেই অন্যান্য ভাড়াটেরা ছিলেন। তারা কর্পোরেশনকে কর দেন। সুতরাং এই বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়াটা অসমীচীন, অসাংবিধানিক। শহর কলকাতায় যে সমস্ত অবৈধ বাড়ি আছে, তাদের নোটিশ পাঠিয়ে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন, কেননা ঐ বাড়িগুলিতে অনেক ভাড়াটিয়া তাদের পরিবার সমেত থাকেন। তাদেরও পুনর্বাসন করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি, এই বেআইনীভাবে চলা কারখানাটি চালু রাখতে অন্য কেউ জড়িত কিনা, স্থানীয় পুর কাউন্সিলর থেকে সরকারি আধিকারিক পর্যন্ত, তাদেরকেও তদন্তের আওতায় আনা দরকার। কিন্তু সবকিছুই আইনকানুন মেনে করতে হবে। স্বেচ্ছাচারিতা করে হুটহাট বুলডোজার চালিয়ে কাজ করা মোটেই উচিত নয়।
১৩/৫/২৬

12/05/2026

*নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির বিবৃতি*

এবারের নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট তীব্র নিন্দা করছে। চলতি মাসের ৩ তারিখে এই পরীক্ষা হয়েছিল। এই ফাঁসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২২ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আয়োজনে বার বার কেন ‘ত্রুটি’ হচ্ছে? ২০২৪ সালেও নিট পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে একটি জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঘটনায় ছাত্রছাত্রীরা অহেতুক মানসিক চাপের শিকার হচ্ছে, একথা বলা বাহুল্য। দুর্নীতিগ্রস্ত ও স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটছে। কেন্দ্রীয় সরকার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে (NTA) পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পর বারংবার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। অবিলম্বে এনটিএ (NTA)-কে পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। উপরন্তু এই সংস্থাকে ভেঙে আগের মতোই পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর হাতে তুলে দিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ করা প্রয়োজন। আইএসএফ এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি, দল কেন্দ্রীয় সরকারকে এই ঘটনার জন্য দায়ীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া সহ অবিলম্বে ত্রুটিহীন পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছে। সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ বিপন্ন না হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বরদাস্ত করা হবে না।
১২/৫/২৬

05/05/2026

জরুরী বার্তা

সম্প্রতি ঘোষিত নির্বাচনী ফলাফল সম্পর্কে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) জানাচ্ছে যে, এই ফলাফল আমরা কোনোভাবেই প্রত্যাশা করিনি। তবুও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের রায়কে আমরা সম্মান জানাই।
কিন্তু ভোট-পরবর্তী সময়ে যে হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০২১ সালের তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা ভোট পরবর্তী হিংসাকে আজ মনে করিয়ে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী- সমর্থকদের উপর যে অত্যাচার ও নিপীড়নের অভিযোগ উঠে আসছে, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আইএসএফের দলীয় পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকেও আমরা কঠোরভাবে ধিক্কার জানাই।
এছাড়াও আমাদের নজরে এসেছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি আইএসএফের ছদ্মবেশ ধারণ করে, দলীয় পতাকা নিয়ে ভিড়ের মধ্যে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে সংবিধানবিরোধী ও বেআইনি কাজ করছে। আইএসএফ এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না এবং এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণের পক্ষপাতী।
এই প্রেক্ষিতে দলের প্রতিটা স্তরের নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, এ ধরনের ছদ্মবেশী আইএসএফের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে করতে হবে।
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) বরাবরই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, বর্তমানেও রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ়তার সাথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
নিছক ক্ষমতা দখল নয় সমাজ পরিবর্তন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মনে রাখতে হবে, স্রোতে গা ভাসিয়ে দেওয়া , অন্য দলের সংকীর্ণ রাজনীতির অনুকরন করা আইএসএফ এর আদর্শ নয়। ছোট বড়ো যেকোনো সংবিধানবিরোধী ,গণতন্ত্র বিরোধী , আইন বিরোধী কর্মকান্ড আইএসএফ বরদাস্ত করে না, করবে না। এই সামগ্রিক বিষয়ে আপনারা সতর্ক , সচেতন থাকুন, দলীয় অনুশাসন মেনে চলুন।

ধন্যবাদ সহ,
পীরজাদা মহ: নওসাদ সিদ্দিকী,
চেয়ারম্যান,
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট।

01/05/2026

*মে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির বিবৃতি*

আজ ১লা মে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। ১৮৮৬ সালে শিকাগোর হেমার্কেট স্কোয়ারে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন। ঐ সময় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান অনেকে। সেই রক্তাক্ত লড়াইয়ের স্মরণেই বিশ্বজুড়ে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে।
তৎকালীন সময়ে মূল দাবিগুলো ছিল — আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম, আট ঘণ্টা নিজের জন্য সময়। সেই দাবি কিন্তু আজও সম্পূর্ণ পূরণ হয়নি।
বর্তমান ভারতের পরিস্থিতির দিকে তাকালে সেটি সহজেই মালুম হয়। এখানে শ্রম আইনের পরিবর্তন আনা হয়েছে পুরোপুরি কর্পোরেটদের স্বার্থ মাথায় রেখে। কেন্দ্রীয় সরকার ৪৪টি পুরনো শ্রম আইন একত্রিত করে ৪টি মাত্র লেবার কোড তৈরি করেছে। এতে মালিকপক্ষের সুবিধা বেড়েছে, শ্রমিকের দর-কষাকষির ক্ষমতা কমেছে।
ভারতের প্রায় ৯০% শ্রমিক অসংগঠিত। তাদের কোনো নিরাপত্তা নেই, ন্যূনতম মজুরিও নিশ্চিত নয়।
এর উপর যুক্ত হয়েছে গিগ ইকোনমি। এর সাথে যুক্ত কর্মীরা "কর্মচারী" হিসেবে স্বীকৃত নন, ফলে কোনো সামাজিক সুরক্ষা তারা পাচ্ছেন না। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বেকারত্বের হার এখন উদ্বেগজনক, বিশেষত গ্রামীণ এলাকায়। ফলে তারা এই গিগ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে চলেছেন। আমাদের রাজ্যেও কাজের সুযোগ সঙ্কুচিত। গত ১৫ বছর ধরে কোন বড়, মাঝারি শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেনি। বিভিন্ন জেলার মানুষ আজ বিভিন্ন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। এখানে ন্যূনতম মজুরি বাইরের রাজ্যের তুলনায় বেশ কম। এই বিষয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে আমাদের পার্টিও লেবার কোড বাতিলের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। আগামীদিনে এই আন্দোলন আরো বৃহত্তর আকারে সংগঠিত করতে হবে।
তাই মে দিবসের প্রাসঙ্গিকতা আজও একটুও কমেনি — বরং নতুন রূপে শ্রমিক-মজুরদের অধিকারের প্রশ্ন ফিরে আসছে।
০১/০৫/২৬

Address

Kolkata

Telephone

+918145181244

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Indian Secular Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Indian Secular Front:

Share