Kolkata - The City of Joy

Kolkata - The City of Joy Discover the vibrant , rich and bustling streets of , The City of Joy, former

18/08/2024

18/08/2024
আজ থেকে ৪১ বছর আগের একটি ছবি। ১৯৮৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর, যেদিন টাকি রোডের বিখ্যাত রুটে " WBS 4747" গাড়িটার অভিষেক হয়। যাকে ...
06/07/2024

আজ থেকে ৪১ বছর আগের একটি ছবি। ১৯৮৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর, যেদিন টাকি রোডের বিখ্যাত রুটে " WBS 4747" গাড়িটার অভিষেক হয়। যাকে আমরা অধুনা ভাষায় ইংরেজিতে "প্রথম দিণের প্রথম শো " বলে উল্লেখ করি। ৭৯ ৭৯A ৭৯সি তখনকার টাকিরোডের রাজা ছিল। যার উত্তরসুরি হোলো আমাদের এখনকার টাকি রোডের একটি প্ৰিয় রুট DN১৮. যাদের পরিষেবার কোনো জবাব নেই। ❤

রুট নাম্বার ৭৯:(শ্যামবাজার(খাল পাড় ) হইতে ইতিন্ডাঘাট)

ভায়া : বেলগাছিয়া, পাতিপুকুর, কালিন্দি, লেক টাউন, বাঙ্গুর অ্যাভিনিউ, সাতগাছি, নাগেরবাজার, ক্লাইভ হাউস, সেন্ট্রাল জেল, গোরাবাজার, বিমানবন্দর গেট 1, বিরাটি, গৌরীপুর, মাইকেল নগর, বি.টি. কলেজ, দোলতলা, মধ্যমগ্রাম চৌমাথা, ডাকবাংলো মোড়, বারাসাত চাঁপাডালি মোড়, কালিকাপুর, কাজিপাড়া সিটিসি ডিপো, বামুনমুড়া, পীরগাছা, ধর্মতলা রেলগেট, কদম্বগাছি , কৈরাবটতলা, গোয়াখালি, গোলাবাড়ি, কাঁচকলবাজার, বেলিয়াঘাটা , দেগঙ্গা , আতুরিয়া বাজার, দেগঙ্গা বিডিঅফিস, বেড়াচাঁপা, কাউকেপাড়া, স্বরূপনগর বাজার, মাটিয়া, ধান্যকুড়িয়া, গোপালপুর, খোলাপোতা, রঘুনাথপুর, পালপাড়া, হরিশপুর, মৈত্রবাগান, বসিরহাট ত্রিমোহিনী, বসিরহাট চৌমাথা, ময়লাখোলা (বসিরহাট স্টেশন), রেজিস্ট্রি অফিস, বসিরহাট কোর্ট, সংগ্রামপুর ব্রিজ।


TATAMOTORS LP 1210 PRE BS
WBS 4747

| সংগৃহীত |

আশির দশকের একটি মাটির দোতলা বাড়ি যাকে বলা হয় বাংলার তাজমহল।
03/07/2024

আশির দশকের একটি মাটির দোতলা বাড়ি যাকে বলা হয় বাংলার তাজমহল।

বিয়ের আগে ছিলেন সুধা কুলকার্নি। সেই সুধা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলেন বাড়ির সবাই বলেছিলেন আমাদের কমিউনিটিতে কিন্তু ছেলে ...
03/07/2024

বিয়ের আগে ছিলেন সুধা কুলকার্নি। সেই সুধা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাইলেন বাড়ির সবাই বলেছিলেন আমাদের কমিউনিটিতে কিন্তু ছেলে পাওয়া যাবে না। তোমার বিয়ে হবে কি করে? প্রসঙ্গত সুধাদেবীর বাবা ডাক্তার ছিলেন। নামী সার্জেন। কিন্তু তবুও তিনি ইঞ্জিনিয়ারিংই বেছে নেন।

ক্লাসে 599 টা ছেলে আর একটিই মেয়ে। সে আমলে মেয়েরা তেমন কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ত না যে। সুধা জোর করে ভর্তি হয়েছিলেন। কর্ণাটকের হুবলির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। তিনি সে শহরের প্রথম ছাত্রী। কলেজের প্রিন্সিপাল সুধাকে ডেকে বলেছিলেন, তিনটি শর্ত মানতে হবে।

১) রোজ শাড়ি পরে আসতে হবে ।
২ ) কলেজ ক্যান্টিনে ছেলেদের ভিড়, ওদিকে যাওয়া চলবে না।
৩ ) কোন ছেলের সঙ্গে ক্লাসে কথা বলা যাবে না।

তিনি অক্ষরে অক্ষরে তিনটিই মেনে চলতেন। কিন্তু কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে তিন নম্বর শর্তটি আর মানা সম্ভব হয়নি। কারণ ছেলেরা তাঁর দিকে পূর্ণ দৃষ্টি নিয়ে ফিরল এবং এসে কথা বলল। ওই 600 স্টুডেন্টের মধ্যে ফার্স্ট হয়েছিলেন যে সুধা।

তিনি তারপরে আর কোথাওই দ্বিতীয় হননি। BE তে ফার্স্ট। রেকর্ড নাম্বার। গোল্ড মেডালিস্ট। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেই মেডেল নেন। আরো পড়তে ইচ্ছে হল তাঁর। এবারে ME। সেখানেও গোল্ড মেডেল। সেই মেডেল এবারে দিল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সরা।

কিন্তু পাশ করে বেরোনোর পর অদ্ভুত ব্যাপার। তাঁর জন্য কোথাও কোন চাকরির দরজা খুলল না। সমস্ত কোম্পানিই মেল ডমিনেটিং। মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরজা বন্ধ। কি আশ্চর্য! তাই না? খুব বেশিদিন আগেও না। 1970 - 72 এর ঘটনা ।

এইসময় একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে সুধা কুলকার্নির। ইঞ্জিনিয়ার চাই। যোগ্যতা অমুক তমুক। কিন্তু নিচে বড় হরফে লেখা মহিলাদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। টেলকো কোম্পানির বিজ্ঞাপন।

তিনি খুব রেগে টাটা কোম্পানিতে স্বয়ং জে আর ডি টাটাকে একটা চিঠি লিখলেন। এরকম কেন হবে? যোগ্যতাই কি একমাত্র মাপকাঠি হতে পারে না? টাটা কর্তারা নড়েচড়ে বসলেন। ডাক পেলেন স্পেশাল ইন্টারভিউতে। এবং বাকিটা ইতিহাস। তিনিই টাটার টেলকো কোম্পানির প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার। ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দিলেন। কাউকে না কাউকে তো অসম লড়াই চালাতে হয়। তার সুফল ভোগ করে পরবর্তী প্রজন্ম।

এরপর ওই টেলকোতেই নারায়ণ মূর্তির সঙ্গে আলাপ। তারপর বিয়ে। সুধা 400 টাকা আর নারায়ণ 400 টাকা দিয়েছিলেন নিজেদের বাড়িতে। সেই টাকাতেই সাদামাটা আড়ম্বরহীন বিবাহ হয়েছিল। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুজনেই এখন প্রতিষ্ঠিত ।

ইনফোসিস খোলার কথা মাথায় আসে নারায়ণের।
নিশ্চিত জীবন ছেড়ে এক অনিশ্চিত সম্ভাবনা। সুধা তখনও চাকরি করতেন এবং নিজের সমস্ত জমা পুঁজি দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরেও খানিক দিন সুধার চাকরির আয়ে চারজনের সংসার চলত। এই হল গোড়ার কথা।

তারপর দেশের নানা প্রান্তে 70000 লাইব্রেরি, 10000 টয়লেট, 2600 গৃহহীনকে গৃহ, দেশের খরা, বন্যা সবেতে নীরবে কাজ করে চলে ইনফোসিস।
তিনি একদিকে শিক্ষিকা, লেখিকা, আবার অত বড় কোম্পানির চেয়ারপার্সন। বহু সম্মান, বহু পুরস্কার পেয়েছেন।

টাটা কোম্পানি ছাড়ার সময়ে JRD TATA তাঁকে অমূল্য উপদেশ দিয়েছিলেন, "সবসময় একটা কথা মনে রাখবে, তোমার সমস্ত টাকা পয়সার তুমি অছিমাত্র (ট্রাস্টি)। টাকার সবসময় হাতবদল হয়। হাতে রেখে লাভ নেই। টাকা বড় ক্ষণস্থায়ী। যদি সাফল্য আসে সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেবে। সেটাই কিন্তু চিরস্থায়ী।

তিনি আজো ভোলেননি। এবং সবাইকে চমকে দিয়ে তিনি বলেন - "বিগত একুশ বছর আমি কোনো শাড়ি কিনিনি। যা পরি সবই পাওয়া, আমি শুধু বই কিনি।"

একবার এমনও হয়েছিল তিনি প্লেনের বিজনেস ক্লাস লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এক ভদ্রলোক তাঁর সাজপোশাক দেখে তাঁকে "Cattle Class" বলেছিলেন! তিনি জানতেন না সুধা মূর্তি ভারতের Richest Person দের মধ্যে অন্যতম। পদ্মশ্রী সুধা মূর্তি বলেন - "Simplicity is the best jewellery I wear."

সংগৃহীত

02/07/2024

খবরটা শোনার পর থেকেই মনটা খারাপ হয়ে আছে। আমাদের একঝাঁক ছেলেবেলার দ্বাররক্ষক তার দায়িত্ব পূরণ করে ছুটি নিয়েছে। সেই শৈশবের মায়াবী দরজায় দাঁড়িয়ে আজও একটা কিশোর-কিশোরী অপেক্ষা করে আছে একটা চিঠির। যে চিঠি তাকে এই নিয়মে-বাঁধা বিরক্তিকর পৃথিবীর বন্দীশালা থেকে পৌঁছে দেবে এক রহস্যময় জাদুঘরে। যেখানে যে অন্যায় করে সে শাস্তি পায়, যেখানে ভালো মানুষদের পাশে থাকার মানুষের অভাব নেই,যেখানে সাহস, মনের জোর,ভালোবাসা, বন্ধুত্ব এইসব শব্দগুলো তাদের পদমর্যাদা হারিয়ে ফেলেনি।

সেই মায়াপুরীর অতন্দ্র প্রহরায় দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষটাকে কে না ভালোবেসেছিলো! যে অ্যালবাস ডাম্বালডোরের মতো অত শক্তিশালী নয় অত বুদ্ধিমান নয়, সেভারাস স্নেপের মতো সবকিছু নিজের মধ্যে তালাবন্ধ করে রেখে একটা নিখুঁত চরিত্রে অভিনয় করার মতো অভিনেতাও নয়, প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের মতো বিচক্ষণ নয়... সে নিতান্তই সহজ সরল,হাবাগোবা,গোপনীয়তা রক্ষা করতে অক্ষম,ভীষণ কষ্টে চোখের জল ধরে রাখতে অপারগ, ভালোবাসার কাঙাল একটা মানুষ। তবে সে দুর্বল নয়। সে বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে জানে, ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে জানে, সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সে কাছের মানুষের পাশে থেকে শেষ অবধি লড়াই করতে জানে। এরকম নিপাট একটা ভালোমানুষ ওই বিরাট চেহারার হ্যাগ্রিডের কাছে আমাদের শৈশবের অনেক হ্যারি, হারমাওনি,রনরা নির্দ্বিধায় অনেক অভিমান অভিযোগ নিয়ে ছুটে যেতে পেরেছে আশ্রয়ের আশায়; যে আশ্রয় থেকে তারা কখনও নিরাশ হয়ে ফেরেনি।

কল্পনার সেই ভাঙাচোরা বাড়ির দরজার ওপাশের ওই মানুষটা হয়ত আর কোনো হ্যারিকে বলবেনা, " you are wizard Harry" বা আর কোনো হারমাওনির মাথায় হাত বুলিয়ে বলবেনা খারাপ কথা নিয়ে চিন্তা না করতে। তবে হ্যাগ্রিডের প্রতিমূর্তি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অনুরণিত হয়ে ঘুরে বেড়াবে৷ সাহস আর আশ্বাস দিয়ে যাবে আরও কোনো অসংখ্য কিশোর-কিশোরীকে। স্বপ্ন দেখিয়ে যাবে এক মায়াপুরীর..

কিছু কিছু অভিনেতা তাদের চরিত্রের সাথে সমার্থক হয়ে ওঠে।Robbie Coltrane তার ব্যতিক্রম নন।তার ওই বিশালাকৃতির একমুখ হাসিমাখা ছেলেমানুষিপূর্ণ অবয়বটা ছাড়া হ্যাগ্রিডের চরিত্রে অন্য কাউকে কল্পনা করাও সম্ভব নয়...

There is no Hogwarts without you Hagrid ❤️

ইচ্ছে থাকলে যে কোনো ট্রেনে বসে যাওয়া যায়... 😎✌️
14/03/2024

ইচ্ছে থাকলে যে কোনো ট্রেনে বসে যাওয়া যায়... 😎✌️

12/03/2024

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিবেদন: ভারতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির জন্য সঙ্কটের কারণ হ....

12/03/2024

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন: দিল্লির আইটিও এলাকায় মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত, ১০ জন আহত। পুলিশ তদন্ত চালাচ্.....

Chandni Chowk
16/05/2023

Chandni Chowk

Address

Kolkata
700102

Telephone

+919971252759

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kolkata - The City of Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Kolkata - The City of Joy:

Share