05/07/2020
... #শ্রীগুরু_পূর্ণিমা ...
" #গুকারশ্চন্ধকারাে_হি_রুকারেস্তজ_উচ্চতে। #অজ্ঞানগ্রাসকং_ব্ৰহ্ম_গুরুরেব_ন_সংশয়।।"
‘গু' হল অন্ধকার 'রু' হল আলো — অর্থাৎ অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে পরমতত্ত্বকে জানার জন্য যিনি আলোর পথ দেখান, তিনি গুরু।
" #ওঁ_পূর্ণমদঃ_পূর্ণমিদং_পূর্ণাৎ_পূর্ণমুদচ্যতে। #পূর্ণস্য_পূর্ণমাদায়_পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।।"
অর্থাৎ পূর্ণ কখনও দুটি হতে পারে না। তাই গুরু হলেন তিনি যিনি সমস্ত অন্ধকারকে সরিয়ে দিয়ে আমাদেরকে স্বরূপ চিনিয়ে দেন - অর্থাৎ আমরা সবাই অখণ্ড ও পূর্ণসত্তা। আর যার জীবনে যেদিন এই পূর্ণতা প্রাপ্তি ঘটে সেই দিনটি তার কাছে পূর্ণিমা। যার প্রতীক রূপে চন্দ্রের ষোলকলায় পূর্ণতা প্রাপ্তির ঘটনাকে আমরা পূর্ণিমা প্রাপ্তি তিথি রূপে চিহ্নিত করেছি। আর গুরুর মাধ্যমে এই পূর্ণতা প্রাপ্তি ঘটে, এজন্য তাকে আমরা #গুরু_পূর্ণিমা উৎসব হিসাবে আমাদের #হিন্দুসমাজে প্রতিষ্ঠা করেছি।
আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা- #গুরু_পূর্ণিমা বা #ব্যাস_পূর্ণিমা। গুরুর নিকট - সেবা, শ্ৰদ্ধা, সময়, শারীরিক-মানসিক ও আর্থিক শক্তি সমর্পণের দিন। ব্যাসদেবের জন্মতিথি বলে ব্যাস পূর্ণিমাও বলে। #মহর্ষি_কৃষ্ণদ্বৈপায়ন_ব্যাসদেব শ্রেষ্ঠতম গুণের ভিত্তিতে রাষ্ট্রজীবন গড়ে তুলবার প্রথম আদর্শ মানবজাতির সামনে তুলে ধরেছিলেন।
#রাষ্ট্রীয়_স্বয়ংসেবক_সংঘ কোন ব্যক্তিকে গুরু হিসাবে মেনে নেয়নি। জ্ঞান, ত্যাগ, সংযম, পরাক্রম ইত্যাদি গুণের প্রতীক পরম পবিত্র #গৈরিক_ধ্বজকেই গুরুর আসনে বসিয়েছে। সমর্পণের ভাব জাগলে " #রাষ্ট্রীয়_স্বাহা_ইদং_ন_মম" (আমর কিছুই নয়, সবই রাষ্ট্রের)এই নিঃস্বার্থপরতার ভাব অন্তরে জাগে। সমাজ বা রাষ্ট্রকে দেবতা জ্ঞানে - তাঁরই সেবার জন্য নিজের সকল গুনগুলি সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ করাই হলো শ্রেষ্ঠ গুরুদক্ষিণা।
🙏🏻🇮🇳❤ভারতমাতা কি জয়❤🇮🇳🙏🏻