বি.গার্ডেন বাম যুব-ব্রিগেড

  • Home
  • India
  • Howrah
  • বি.গার্ডেন বাম যুব-ব্রিগেড

বি.গার্ডেন বাম যুব-ব্রিগেড Democratic Youth Federation Of India.Established in 1980,3rd November.

Permanently closed.
বি.গার্ডেন বকুলতলা সংলগ্ন এলাকায় আগামী দিনগুলিতে আপনার পাশে থাকার অঙ্গীকার আমাদের। ওষুধ, পানীয় জল, অ্যাম্বুলেন্স, হাসপ...
25/04/2021

বি.গার্ডেন বকুলতলা সংলগ্ন এলাকায় আগামী দিনগুলিতে আপনার পাশে থাকার অঙ্গীকার আমাদের। ওষুধ, পানীয় জল, অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা, করোনা সংক্রমিত কারোর বাড়ি স্যানিটাইস্ করা এবং অন্যান্য যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
আমাদের সেচ্ছাসেবকদের নাম ও ফোন নম্বর -

1. Jeet Banerjee:- 9051373372
2. Samya Das:- 8334873813
3. Bubai Ghosh:- 6289538875
4. Niladri Dey:- 8617292600
5. Soumyadeep Ghosh:- 8910534282 6. Sanjay Pasi:- 7278572975
7. Deep Bhattacharjee:- 8240577703 8. Joy Das:- 8777483078/9836464018 9. Atanu Bera:- 8013725911
10. Ankan Raksh*t:- 9836457153
11. Sonu Sarma:- 9874324535

"SFI, DYFI বি. গার্ডেন লোকাল"

জনতার ব্রিগেড এ যোগ দিতে।
28/02/2021

জনতার ব্রিগেড এ যোগ দিতে।

সবার জন্য শিক্ষা ও কাজের দাবীতে গত 11ই ফেব্রুয়ারি এর নবান্ন অভিযানে, অপদার্থ ও তৃণমূলের দলদাস এ পরিণত হওয়া পুলিশের বর্বর...
15/02/2021

সবার জন্য শিক্ষা ও কাজের দাবীতে গত 11ই ফেব্রুয়ারি এর নবান্ন অভিযানে, অপদার্থ ও তৃণমূলের দলদাস এ পরিণত হওয়া পুলিশের বর্বরোচিত আক্রমনে নিহত হয়ে শহীদ হলেন, বাঁকুড়ার যুব কমরেড মইদুল ইসলাম মিদ্যা। বি গার্ডেন বাম যুব-ব্রিগেড এর পক্ষ থেকে আমরা,মাননীয়ার সরকারের নির্দেশে পুলিশ-প্রশাসন এর এই বর্বরোচিত আক্রমণ ও নিরীহ যুবক-যুবতী ও ছাত্র-ছাত্রী দের প্রতি যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নামিয়ে আনা হয়েছে, তার প্রতি জানাই তীব্র ধিক্কার ও একরাশ ঘৃণা।
শহীদ কমরেড মইদুল ইসলাম মিদ্যা অমর রহে।।

আর আমাদের পক্ষ থেকে শহীদ কমরেড এর প্রতি কয়েকটি কথা,
************************
কমরেড.....কমরেড....
কমরেড,তুমি থেকে যাবে আমাদের সকলের মনের গহীন কোনে,কমরেড তুমি থেকে যাবে স্বপ্নঘোর বিপ্লবের শ্লোগানে শ্লোগানে,কমরেড তুমি থেকে যাবে ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এ মুখরিত আকাশে বাতাসে,কমরেড তুমি থেকে যাবে আমাদের আদর্শে,মননে,চিন্তনে।।
************************
আর থাকবে তুমি আগামীর শপথে,প্রতিটি রক্ত বিন্দুর হিসাব বুঝে নিতে।
লাল সেলাম কমরেড।

"কমরেড" মানে রাস্তায় শাসকের চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ে সহযোদ্ধার পাশে থাকা।✊✊
12/02/2021

"কমরেড" মানে রাস্তায় শাসকের চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ে সহযোদ্ধার পাশে থাকা।✊✊

23/12/2020

**********************
***STAND WITH FARMERS CHALLENGE***
**********************

_কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং কৃষি আইন নিয়ে একটি “খোলা চিঠি” দিয়েছেন। আট পাতার রঙিন এই চিঠি, আসলে প্রচারের জন্য তৈরি একটি লিফলেট। এই চিঠিতে অজস্র অসত্যের কয়েকটি:

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
দেশের কয়েকটি কৃষক সংগঠন এই আইনকে সমর্থন করেছে, কৃষক খুশি হয়েছে।

*বাস্তব:*
*******
কাগুজে সংগঠন বানিয়ে কৃষি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। একটিও কৃষক সংগঠন আজ পর্যস্ত এই আইনকে সমর্থন করেনি। এমনকি আরএসএস-র কৃষক সংগঠনও এই আইনকে স্বাগত জানায়নি। মন্ত্রীর দাবি পুরোই অসত্য।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
কৃষকরা জানিয়েছে তারা এই আইনে খুশি।

*বাস্তব:*
*******
প্রধানমন্ত্রী মন কী বাত-এ যে তিনজন কৃষকের কথা উদাহরণ হিসাবে দিয়েছিলেন তাঁরাও বলেছেন এই আইনের তাঁরা বিরোধী। প্রতিবাদে শামিল হতে তাঁরা দিল্লি আসছেন।

*কৃষিমন্ত্রীর দাবি:*
**************
নয়া আইন চালুর পরে এমএসপি রেকর্ড হারে বাড়ানো হয়েছে!

*বাস্তব:*
*******
এই আইনে এমএসপি-র কথাই নেই। এমএসপি বৃদ্ধি-হাসের সঙ্গে নয়া আইনের কোনও সম্পর্কই নেই।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
সরকার কৃষকদের দেড়গুণ বেশি এমএসপি দিয়েছে।

*বাস্তব:*
*******
নির্বাচিত হবার আগে নরেন্দ্র মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উৎপাদন খরচের দেড়গুণ ন্যুনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হবে। নির্বাচিত হবার পর তাঁর সরকারই সুপ্রিম কোর্টকে জানায় তা সম্ভব নয়। কৃষকের সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যয়ের দেড়গুণ দামে এমএসপি স্থির করার নীতির উলটোদিকে হেঁটেছে সরকার।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
এপিএমসি এই আইনের পরিধির বাইরে।

*বাস্তব:*
*******
এপিএমসি-র বাইরে বেসরকারি মান্ডি ও কৃষিপণ্যের বাণিজ্যকে মদত দিতেই এই আইন যা এপিএমসি-কে দুর্বল করার জন্যই। এই আইনের মুখ্য উদ্দেশ্যই এপিএমসি-কে ভেঙে দেওয়া। আবার, কৃষি মন্ত্রীরই চিঠির অন্য জায়গায় রয়েছে এপিএমসি-কে শক্তিশালী করা হচ্ছে। যদি আইনের বাইরেই থাকবে তাহলে কীভাবে মজবুত করা হচ্ছে?

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
চুক্তিচাষে কৃষিপণ্যের মূল্য কৃষক কম পাবে না।

*বাস্তব:*
*******
আইনে এমন কোনও নিশ্যয়তাই নেই যে এমএসপি-র থেকে কম দামে ফসল কেনা যাবে না। এর ফলে এমএসপি-র থেকে কম দামেই ফসল বেচতে কৃষক বাধ্য হতে থাকবেন।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
দু'্দশক ধরে এই আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারি কমিটিগুলির বিবরণও দিয়েছেন তিনি।

*বাস্তব:*
*******
একের পর এক সরকারি কমিটির কথা লিখলেও নয়া আইন নিয়ে কোনও কমিটিতেই আলোচনা হয়নি, সংসদীয় কমিটিতেও না। কৃষকের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি। কৃষি মন্ত্রীর কমিটির তালিকায় বাদ পড়েছে ২০১১-তে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটির কথা। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সেই কমিটি এমএসপি-র আইন গ্যারান্টির প্রস্তাব করেছিল। ইচ্ছাকৃতভাবেই এখন তা গোপন করা হচ্ছে।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
এই নয়া আইন নিয়ে কোটি কোটি কৃষকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দেড় লক্ষ ওয়েবিনার হয়েছে।

*বাস্তব:*
*******
কেউ জানতে পারল না এত আলোচনার কথা! সম্পূর্ণ অসত্য।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
এমএসপি জারি আছে, থাকবে।

*বাস্তব:*
*******
কাগজ-কলমে তা জারি থাকবে, কিন্তু সেই দামে কেনার আইনি নিশ্চয়তা দিচ্ছেন না কেন?

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
মোদী সরকার কৃষকদের আয় বাড়িয়েছে।

*বাস্তব:*
*******
মোদী সরকার বলেছিল কৃষকের আয় দ্বিগুণ করা হবে। কতটা বাড়ল, কত শতাংশ বাড়ল, তার কোনও উল্লেখ নেই মন্ত্রীর চিঠিতে । তথ্য দিলে ধরা পড়ার ভয়েই নেই।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
সব কৃষক ফসল বিমা যোজনার সুযোগ পাচ্ছেন।

*বাস্তব:*
*******
সরকারের ঘোষিত বাজেটেও সব কৃষকের জন্য বিমার দাবি নেই। এখন দেশের ৩০ শতাংশ কৃষকও এই যোজনার অধীনে আসেননি।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
কৃষি ফসল মজুত করার পরিকাঠামো তৈরি করতে ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

*বাস্তব:*
*******
এই বরাদ্দের কত শতাংশ ব্যয় হয়েছে, সরকার তার কোনও হিসেবই দেয়নি। এই টাকা বেসরকারি কর্পোরেটকে দেওয়া হচ্ছে। কৃষি বিপণন বাণিজ্যকরণের জন্য এই টাকার ঘোষণা করা হয়েছে যদিও বাস্তবে অর্থ খরচ হয়নি।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
চুক্তিচাষের আইনে জমি চলে যাবার কোনও আশঙ্কা নেই।

*বাস্তব:*
*******
আইনের ধারায় বলাই রয়েছে যে কোম্পানি বিনিয়োগ করবে সে পুরো বিনিয়োগ উদ্ধার করতে জমি বন্ধক নিতে পারবে, জমি রাজস্ব থেকে টাকা উদ্ধার করতে পারবে। তার ওপরে কৃষক যদি পুরো টাকা উশুল করে না দিতে পারে তাহলে যে জমি বেচতে বাধ্য হবে৷ তার কোনও সুরক্ষা এই আইনে নেই।

*কৃষি মন্ত্রীর দাবি:*
**************
এই আইন তুলে নিলে ভারত সরকারের ওপরে কপ্পোর্রেটদের কোনও ভরসা থাকবে না।

*বাস্তব:*
*******
আম্বানি, আদানি, মার্কিন কর্পোরেটের "ভরসা" নিয়ে সরকারের এত উদ্বেগ অথচ কৃষকের জন্য সেই উদ্বেগ নেই। আইনের স্বরূপ নিজেই উন্মোচিত করেছেন কৃষি মন্ত্রী।

১৯৫৯ সালে পাতা ''অপুর সংসার 'বেলাশেষে' পরিণতি পেল ১৫ই নভেম্বর, ২০২০। 'অরণ্যের দিনরাত্রি'র 'অভিযান', বহু 'অশণি সংকেত'কে উ...
15/11/2020

১৯৫৯ সালে পাতা ''অপুর সংসার 'বেলাশেষে' পরিণতি পেল ১৫ই নভেম্বর, ২০২০। 'অরণ্যের দিনরাত্রি'র 'অভিযান', বহু 'অশণি সংকেত'কে উপেক্ষা করেই 'গণশত্রু'দের বিরুদ্ধে 'ঘরে বাইরে' আজীবন লড়াই চালিয়েছেন আপনি। সাহিত্য সংস্কৃতির সব 'শাখা প্রশাখা'য় অবাধ বিচরণ ছিল আপনার। 'ঝিন্দের বন্দী'দের মুক্ত করার 'অতল আহ্বান'-এ সাড়া দিয়েছেন প্রতি মুহুর্তে 'আতঙ্ক' জয় করেই। 'গণদেবতা'ই ছিল আপনার প্রাণের দেবতা। আপনার মগজাস্ত্রের ধার সময়ের স্রোতে হয়েছে আরও ধারলো। নাট্যমঞ্চে 'হোমা পাখী'র মতই ছিল আপনার ক্ষিপ্র অবাধ বিচরণ। 'রাজা লিয়র'-এর মত ট্র‍্যাজিক হিরো নয়, মানুষের হৃদয়ের রাজা ছিলেন। ''সাত পাঁকে বাঁধা পড়লেও 'সংসার সীমান্তে' নিজেকে আবদ্ধ না রেখে 'তিন ভুবনের পারে' ছড়িয়ে দিয়েছিলেন নিজেকে, স্বভাবজাত দক্ষতায়। ক্ষিতদা আপনি বলেছিলেন - ফাইট কোনি ফাইট। আপনিও লড়াই কাকে বলে জীবনের শেষবেলায় দেখিয়ে দিলেন।
চরিত্রায়নের অসীম দক্ষতা ডানা মেলেছে অপু থেকে ফেলুদা। আপনি প্রকৃত মাষ্টারমশাই। উদয়ন পন্ডিত বদলের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দেয়নি, কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে 'অতল জলের গহীন'-এও কোনো কাজ বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ করে দেখাবার সাহস পায়নি।
আপন বিশ্বাসকে জীবনের শেষ লেখাতেও ব্যক্ত করেছেন দ্বিধাহীন চিত্তে - আমি বামপন্থী।
সেলাম।
আপনাকে হারাইনি,আপনি থেকে যাবেন চিরকাল......কখনো এই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে পথের দিশারি 'উদয়ন পণ্ডিত' হয়ে,আবার কখনো প্রাণপুরুষ 'অপু' হয়ে।
কারণ নায়ক আপনি.......

***********************মহান নভেম্বর বিপ্লব**********************************************এক শ্রেণী-শোষণ মুক্তির বিপ্লবী উ...
07/11/2020

********************
***মহান নভেম্বর বিপ্লব***
********************

**********************
*এক শ্রেণী-শোষণ মুক্তির বিপ্লবী উপন্যাস*
**********************

আজ মহান নভেম্বর বিপ্লব।1917 সালের 7ই নভেম্বর,মানে আজকের দিনটা। সারা বিশ্বব্যাপী মুক্তিকামী মানুষের কাছে এক বৈপ্লবিক ইতিহাসের স্বর্ণগাথা।আজকের দিনটাই সূচনা করেছিলো স্বপ্নমাখা এক বিপ্লবের সকালের।বিপ্লবের এই মাধুর্য থেকেই শুরু হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের যাত্রা।
কিন্তু এই বিপ্লবের যাত্রাপথ পূর্বের চিরাচরিত পথের মতন ছিলো না।
কারণ পৃথিবীতে আগে যা বিপ্লব হয়েছে, তার থেকে নভেম্বর বিপ্লব ছিলো পৃথক। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব দিয়ে শুরু করে পূর্ণ সামন্ততান্ত্রিক শ্রেণী ও অভিজাত শ্রেণীর কাছ থেকে বুর্জোয়াদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের বিভিন্ন বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে।

অতীতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে নানা বিপ্লব হয়েছে যখন শোষকদের নতুন শ্রেণী পুরনো শোষকদের শাসনকে উৎখাত করেছিল। এটাই ঘটেছে যখন বুর্জোয়াদের নেতৃত্বে বিপ্লব পূর্ণ সামন্ত শোষক শ্রেণীগুলিকে উৎখাত করেছিল।

নভেম্বর বিপ্লব তার থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এই প্রথম শ্রমিক শ্রেণী ও তার সহযোগী শোষিত শ্রেণী গরিব কৃষকসহ মিত্ররা শাসক বুর্জোয়া শ্রেণী ও শোষকশ্রেণীগুলিকে উৎখাত করতে বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছে। রাশিয়াতে বিপ্লবী শ্রমিক শ্রেণী বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে নভেম্বর বিপ্লবকে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব বলা হয়। লেনিন বলেছিলেন যে, বিপ্লব তখনই সফল হয় যখন পুরনো রাষ্ট্র ক্ষমতা ভেঙ্গে নতুন ধরণের রাষ্ট্র ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়। রুশ বিপ্লবে তা-ই ঘটেছে। এই বিপ্লব পুরনো রাষ্ট্র ক্ষমতাকে ভেঙ্গে তার জায়গায় সোভিয়েত ধরণের নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। এই সোভিয়েতগুলি ছিল শ্রমিক এবং গরিব কৃষক স্বার্থের প্রতিনিধি।
সমাজতন্ত্রের অর্থ উৎপাদনের উপকরণ সমূহের সামাজিকীকরণ। শিল্প, জমি ও কৃষি এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণ রাষ্ট্র হাতে তুলে নিয়ে এবং যৌথ মালিকানায় নিয়ে এসে নতুন রাষ্ট্র ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে এই কাজ সম্পন্ন হয়। এই প্রথম পৃথিবীতে উৎপাদনের নতুন সমাজতান্ত্রিক পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।আর যা সৃষ্টি করে ছিলো গর্বের সোভিয়েত ইউনিয়নের।আজকের পৃথিবীতে যেন তা আরো বেশি বেশি করে প্রাসঙ্গিকতা বহন করছে।

মহান নভেম্বর বিপ্লব জিন্দাবাদ।

10/10/2020
********************************বাংলায় যাহাকে আমরা চপ বলি,উহাই তো হিন্দিমে পকোড়া হ্যায়********************************
05/10/2020

****************************
****বাংলায় যাহাকে আমরা চপ বলি,উহাই তো হিন্দিমে পকোড়া হ্যায়****
****************************

02/10/2020

****************************
*****লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলমেন, লেটস টক অ্যাবাউট কিষান টু-নাইট!*****
(সৌজন্যে:-- বি.গার্ডেন বাম যুব ব্রিগেড)
****************************

না এরকম কোন মিডিয়া বলেনি। বলেনি কারণ কিষান মিডিয়াতে নন ইস্যু! কিষান মানে ঐ, যাদের সৌজন্যে আপনি তুলতুলে রুটি পুরুষতান্ত্রিকতার ঝোলে ডুবিয়ে প্রাইমে টাইমে রিয়া চক্রবর্তীর গুষ্ঠি উদ্ধার করেন, সেই কিষান। কিষান মানে ঐ, যাদের সৌজন্যে আমরা ধোঁয়া ওঠা ভাতের উপর তৃপ্তির ঘি ছড়িয়ে IPL-র ফটো ফিনিশ উপভোগ করি, সেই কিষান।
কিম্বা ধরুন, ভারতে প্রতি ১২ মিনিটে যাদের একজন কে ঋণের দায়ে আত্মঘাতী হতে হয়, সেই কিষান। কিষান মানে, যাদের রক্ত জল করা উপার্জনের টাকা সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে, জন্মদিনের পার্টি তে পপ গায়ক এনরিকে ইগলেসিয়াসের সুরে কোমর নাচিয়ে, নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করে, বিজয় মালিয়া নিশ্চিন্তে বিদেশে গিয়ে বসে থাকতে পারেন, সেই কিষান।
এককালের ‘জয় জওয়ান জয় কিষানদের’ দেশে আজকাল নাকি ‘সব চাঙ্গা সি’! তাই জোরজবরদস্তি কৃষি বিল পাশ করানো ছাড়া সরকারের মনসুন সিজনে আর কোন কাজই নেই! অপরিকল্পিত লকডাউনের জন্য কত পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে -শ্রম মন্ত্রকের কাছে ডেটা নেই। কোভিড সংক্রমণের বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াইয়ে কতজন ডাক্তারের প্রাণ গেছে -স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে ডেটা নেই। কত মানুষ আধ পেটা রইলো, কত মানুষ না খেতে পেয়ে মরল -খাদ্য মন্ত্রকের কাছে ডেটা নেই। দেশে কত মানুষ কাজ হারিয়েছেন -অর্থমন্ত্রকের কাছে ডেটা নেই।
ডেটা নেই। তাই সমস্যা নেই। সমস্যা নেই তাই সমাধানের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই তাই সরকারের কাজ নেই। Ignorance is bliss, ১৭৪২-এ বলেছিলেন ব্রিটিশ কবি থমাস গ্রে। Ignorance is governacne, ২০২০ তে বুঝিয়ে দিচ্ছে বিজেপি। সরকার নয়, সার্কাস চলছে বুঝিয়ে দিচ্ছে বিজেপি।
সার্কাসের রিং মাস্টার নরেন্দ্র মোদী কিষান’দের উদ্দেশ্যে বলেছেন ‘কৃষকদরদী বিল’, ‘ঐতিহাসিক বিল’। তা এমন ‘ঐতিহাসিক বিল’ মুখ লুকিয়ে পাশ হল কেন? ‘কৃষকদরদী বিল’ যখন দেশের কিষানরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে কেন? যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় রাজ্য সরকারের মতামত নেওয়া হল না কেন? সম্প্রচার বন্ধ করে রাজ্যসভায় মার্শাল লেলিয়ে গলার জোরে ভোট করাতে হল কেন? চোরের মন এক পুলিশ পুলিশ কেন? আসলে ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি! বিল ঐতিহাসিকই, তবে কিষানদের জন্য নয়, রিং মাস্টারের পীরিতের কর্পোরেট শিল্পপতিদের জন্য। কেন? সিম্পল!
অত্যাবশ্যক পণ্য আইনের সংশোধনীতে বলা হচ্ছে, চাল-ডাল-আলু-পেঁয়াজ-গম-ভোজ্য-তেল তৈলবীজ নাকি যত ইচ্ছে মজুত করা যাবে। প্রশ্ন হল মজুত করা তো যাবে, কিন্তু করবে কে? আপনার-আমার মত ছা-পোষা সাধারণ মানুষ? না, গড়ে ২ হেক্টরের কম জমির মালিক দেশের ৮৬% চাষি? আসলে মজুত করবে তারাই যাদের মজুত করার মত পকেটের জোর আছে। ব্যাঙ্কে ব্যালেন্স আছে। পরিকাঠামো আছে। পাতি অর্থে কর্পোরেট।
কথায় বলে There is always a method in madness; একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন তো খাদ্যশস্য মজুতের ব্যবসায় এই দেশের অগ্রণী শিল্পপতি কে? নো পয়েন্ট গেসিং! তিনি মোদীর নির্বাচনী প্রচারে চার্টার্ড বিমান সাপ্লাইকারী গৌতম আদানি। আফ্রিকা-ইউরোপ ছাড়াও আদানি-উইল্মারের খাদ্যশস্য মজুতের ব্যবসায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। বিনিয়োগ হচ্ছে বাংলাতেও।
APMC অ্যাক্টের হাত ধরে ভারতে কিষান মান্ডির পথ চলা শুরু ষাটের দশকে। সংখ্যায় অপ্রতুল ও দুর্নীতি সহ বহু সমস্যায় জর্জরিত হলেও আজও ৭.৫ হাজার মান্ডি চাষিদের কাছে বটবৃক্ষের প্রশস্ত ছায়ার মত। যে ছায়ার শীতলতা দিনের পর দিন লোভী ব্যবসিকদের লালসা থেকে চাষিদের রক্ষা করেছে। সম্মিলিত ভাবে কৃষকদের দরকষাকষির সুযোগ দিয়েছে। অন্তত খাতায় কলমে MSP-র একটা নিশ্চয়তা রয়েছে। কৃষিপণ্য ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়ন অর্ডিন্যান্সের উদ্দেশ্যই হল মান্ডির বাইরেও প্রাইভেট মার্কেট তৈরি করা এবং মার্কেট গুলি কে রাজ্য সরকারের ট্যাক্স বা সেসের আওতার বাইরে রেখে সেখানেই চাষিদের ফসল বেচতে বাধ্য করা।
তাই ব্রহ্মা জানেন, রিং মাস্টার টুইটে যতই ‘একদেশ একবাজারের’ গুলতানি করুন না কেন, এই প্রাইভেট মার্কেট গুলি অচিরেই কিষান মান্ডি গুলির বিলুপ্তির অনুঘটক হবে। MSP-র নিশ্চয়তা কর্পূরের মত উবে যাবে। আর মান্ডির অনুপস্থিতিতে প্রাইভেট মার্কেট গুলির হাত ধরে কর্পোরেটই সরকারের রেশন ব্যবস্থার মুখ্য জোগানদার হয়ে উঠবে। এতদিনের সরকার ও চাষির মধ্যে ফসল কেনাবেচার সম্পর্কে হাড্ডি হিসেবে আবির্ভাব ঘটবে কর্পোরেট ফোঁড়েদের।
টেকনিক্যাল দুনিয়ায় প্রোটোটাইপ মডেলিং বলে একটা টার্ম চালু আছে। ঐ ডাবু দিয়ে কয়েকটা ভাত তুলে একটু টিপে সেদ্ধ হয়েছে কিনা বুঝে নেওয়া কিম্বা সরষে ইলিশে নুনটা ঠিকঠাক পড়েছে কিনা একটু চেখে দেখে নেওয়ার মত আর কি। মান্ডি তুলে দিয়ে প্রাইভেট মার্কেট তৈরির প্রোটোটাইপ মডেল বিহারে ২০০৬ থেকেই চালু। অভিজ্ঞতা কি বলছে? বিহারের একজন কৃষকের গড় মাসিক অ্যায় ৩,৫৩৮টাকা। যা দেশের কৃষকদের মাসিক গড় আয় ৬,৪২৬টাকার তুলনায় ৪৫% কম। আর দেশের যে দুই রাজ্যে মান্ডির রমরমা সেই পাঞ্জাব ও হরিয়ানা তে কৃষকদের গড় মাসিক আয় ১৮হাজার এবং ১৪হাজারের তুলনায় ৮০% এবং ৭৫% কম।
রইলো বাকি কন্ট্রাক্ট ফার্মিং। আমেরিকায় গত ৬দশক ধরে চালু আছে প্রাইভেট কন্ট্রাক্ট ফার্মিং-র মডেল। তবুও ১৯৬০’র পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে কমেছে কৃষকদের আয়। বেড়েছে কৃষি ক্ষেত্রে সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ। বর্তমানে প্রায় ৪২৫ বিলিয়ন ডলার। বেড়েছে কৃষকদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা। আমেরিকার সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় ৪৫% বেশি। ইউরোপের কৃষি ব্যবস্থাও দাঁড়িয়ে আছে প্রাইভেট মার্কেটের জোরে না বরং ফি-বছরে সরকারের ১০০ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকির সৌজন্যেই।
১৯৩০-র গ্রেট ডিপ্রেশনের মোকাবিলায় সোভিয়েতে স্তালিনের হাত ধরে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার নিউ ইকনমিক পলিসিতে ছিল দ্রুত শিল্পায়ন এবং কৃষির সমষ্টিকরণ। রাশিয়ার জমিদার-জোতদার কুলাকদের হাত থেকে জমির দখল নিয়ে ছোট-মাঝারি কৃষকদের সমষ্টি চাষের প্রথা শুরু হয় রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কৃষির সমষ্টিকরণের মাধ্যমই। কৃষির অগ্রগতির ব্যাপক সাফল্যই রসদ জুগিয়েছিল সোভিয়েতর রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রে দ্রুত শিল্পায়নে। পুঁজিবাদী দেশের মুখে ঝামা ঘষে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সৌজন্যেই সোভিয়েত বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে।
প্রায় ৯০ বছর পর, প্যান্ডেমিকের ক্যাসক্যাডিং এফেক্টে বিশ্বে অনুরূপ আর্থিক মন্দার প্রেক্ষাপটে ভারত চলেছে ঠিক উল্টো পথে। রেল কিম্বা কয়লা, শিক্ষা কিম্বা রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র -আত্ম-নির্ভরতার মুখোশে প্রতিদিন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বিক্রি হচ্ছে দেশ। কিষানদের পেটে লাথি মেরে আঁকা হচ্ছে আম্বানি-আদানিদের পকেট ভরানোর নীল নকশা।
তাই কর্পোরেটদের মালাই চেটে চর্বি জমানো এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই হবে রাস্তায়। যে লড়াইয়ে হিসেব হবে ফসলের দামের। পেটের খিদের। বেকারের কাজের। যে লড়াইয়ে হিন্দুর শিরা ভেসে যাবে মুসলিম রক্তে। ব্রাহ্মণ মেয়ের হাত ধরবে দলিত ছেলে। যে লড়াইয়ে ‘মহুল ফুটবে শৌখিনতার গোলাপ কুঞ্জে/সাঁওতাল তার ভাষায় বলবে রাষ্ট্রপুঞ্জে’।
আপনি বরং ঠিক করুন সেই লড়াইয়ে আপনি কোন পক্ষে। সরকারের পক্ষ, না মানুষের পক্ষ। পক্ষ দুটো। চয়েস একটাই।
আমাদের তো চয়েস একটাই,চয়েস ইনকিলাব-এর।আর ফসলের উপর সেই ইনকিলাব লিখেই, রক্তিম সূর্যের আলোর ভোরে ভাসবে গোটা দেশ।
কিন্তু আপনারটা!!!!!!

কাজের দাবীতে গণ কনভেনশন ৬/৯/২০২০ তারিখে - ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন বি গার্ডেন লোকাল কমিটি
07/09/2020

কাজের দাবীতে গণ কনভেনশন ৬/৯/২০২০ তারিখে - ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন বি গার্ডেন লোকাল কমিটি

Address

Botanical Garden Lane
Howrah

Telephone

+918910834876

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বি.গার্ডেন বাম যুব-ব্রিগেড posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share