Rajan Debnath-রাজন

Rajan Debnath-রাজন The goal of education is to bring the light of knowledge to the doorsteps of everyone in the society Assistant teacher at govt. sponsored High school.

07/03/2026
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং প্রতিষ্ঠাতা ডঃ হেডগেওয়ারের অবদান ।স্...
04/03/2026

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং প্রতিষ্ঠাতা ডঃ হেডগেওয়ারের অবদান ।

স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএস-এর প্রধান ভূমিকা:
বিপ্লবী শিকড়: সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ হেডগেওয়ার শুরুর জীবনে অনুশীলন সমিতি এবং যুগান্তর-এর মতো বিপ্লবী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অপরাধে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন।

১৯৩০-এর সত্যাগ্রহ: মহাত্মা গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে ডঃ হেডগেওয়ার ব্যক্তিগতভাবে জঙ্গল সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ করেন এবং ৯ মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করেন।
১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলন: এই আন্দোলনে সংঘের কর্মীরা অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ব্রিটিশ গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে, বিদর্ভ অঞ্চলের চিমুর গ্রামে সংঘ কর্মীরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করেছিলেন।

বিপ্লবীদের সুরক্ষা: ১৯৩০-এর দশকে যখন অনেক বিপ্লবী ব্রিটিশদের ভয়ে আত্মগোপন করেছিলেন, তখন সংঘের প্রচারকরা তাঁদের নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেন।
ভগত সিং-এর সহযোগী রাজগুরু পুণেতে সংঘের মাধ্যমেই আশ্রয় পেয়েছিলেন।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের ভূমিকা সম্পর্কে আপনার চাওয়া অরিজিনাল তথ্যসূত্র ও ঐতিহাসিক প্রমাণ নিচে দেওয়া হলো:

১. বিপ্লবী শিকড় (অনুশীলন সমিতি ও যুগান্তর)

তথ্য: ডঃ হেডগেওয়ার কলকাতায় চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ার সময় (১৯১০-১৯১৫) বিপ্লবী সংগঠন অনুশীলন সমিতি এবং যুগান্তর-এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি 'কোকেন' ছদ্মনামে বিপ্লবীদের কাছে অস্ত্র ও বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন [১.২.২, ১.২.৮]।

অরিজিনাল উৎস: ঐতিহাসিক রাকেশ সিনহা তাঁর গ্রন্থ "Dr. Keshav Baliram Hedgewar" (প্রকাশক: পাবলিকেশন বিভাগ, ভারত সরকার)-এ ডঃ হেডগেওয়ারের এই বিপ্লবী জীবনের বিস্তারিত নথিবদ্ধ করেছেন [১.৩.১]।

২. ১৯৩০-এর জঙ্গল সত্যাগ্রহ ও কারাবরণ

তথ্য: মহাত্মা গান্ধীর আইন অমান্য আন্দোলনের সমর্থনে ডঃ হেডগেওয়ার ১৯৩০ সালের ২১ জুলাই ইয়াভাতমাল (মহারাষ্ট্র)-এ জঙ্গল সত্যাগ্রহে নেতৃত্ব দেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ব্রিটিশদের বনজ আইন লঙ্ঘন করেন [১.৩.৬, ১.৬.১]।

অরিজিনাল উৎস: এর ফলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি ৯ মাস আকোলা জেলে সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করেন। এই কারাবাসের সরকারি নথিপত্র এবং ব্রিটিশ গোয়েন্দা রিপোর্ট আজও বিদ্যমান [১.২.৬, ১.৬.২]।

৩. ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলন ও চিমুর বিদ্রোহ

তথ্য: ১৯৪২ সালের আন্দোলনে সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা বিভিন্ন স্থানে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের চিমুর গ্রামে সংঘের প্রচারক দাদা নায়েক-এর নেতৃত্বে এক গণবিক্ষোভ হয়, যা ব্রিটিশ শাসনের সমান্তরাল ব্যবস্থা তৈরি করেছিল [১.৪.১, ১.৪.৫]।

অরিজিনাল উৎস: তৎকালীন ব্রিটিশ গোয়েন্দা রিপোর্ট (Intelligence Bureau Report, 1942) অনুসারে, চিমুর ও আশতি অঞ্চলে সংঘের কর্মীরা পুলিশ ফাঁড়ি আক্রমণ ও ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে সক্রিয় ছিলেন। এই বিদ্রোহে বালাজি রাজাপুরকর নামক একজন স্বয়ংসেবক ব্রিটিশের গুলিতে শহীদ হন [১.৪.৪, ১.৪.৮]।

৪. বিপ্লবীদের সুরক্ষা ও রাজগুরুর আশ্রয়

তথ্য: ব্রিটিশদের হাত থেকে বাঁচতে বিপ্লবীদের গোপন আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার ক্ষেত্রে সংঘের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সাণ্ডার্স হত্যার পর বিপ্লবী রাজগুরু যখন পুণেতে আত্মগোপন করেছিলেন, তখন সংঘের প্রচারক ভাইয়াজী দানি তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন [১.৫.১, ১.৫.৪]।

অরিজিনাল উৎস: রাজগুরুর পরিবারের সদস্যরা এবং পরবর্তীকালে সংঘের প্রবীণ নেতা এম.জি. বৈদ্য বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে, ডঃ হেডগেওয়ারের নির্দেশেই এই গোপন আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল [১.৫.২]।

৫. অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র

এইচ.ভি. শেষাদ্রি: তাঁর লিখিত "A Vision in Action" (১৯৮৮) বইটিতে স্বাধীনতা আন্দোলনে স্বয়ংসেবকদের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত অবদানের কথা উল্লেখ আছে [১.২.১]।

অরগানাইজার (Organiser): এই পত্রিকার বিভিন্ন বিশেষ সংখ্যায় (যেমন ১৫ আগস্ট, ২০২৫) স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই 'অপ্রকাশিত' অধ্যায়গুলোর নথিপত্র প্রকাশ করা হয়েছে [১.৪.৮]।
Rajan Debnath
4.3.26
Ai

কন্যাকুমারীতে সমুদ্রের মাঝখানে বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল নির্মাণ আধুনিক ভারতের ইতিহাসে একটি অসামান্য স্থাপত্যকীর্তি। এটি ...
04/03/2026

কন্যাকুমারীতে সমুদ্রের মাঝখানে বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল নির্মাণ আধুনিক ভারতের ইতিহাসে একটি অসামান্য স্থাপত্যকীর্তি। এটি তৈরিতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য এবং প্রধান চালিকাশক্তি। নিচে বিস্তারিত তথ্য ও উৎসসহ এর বিবরণ দেওয়া হলো:
বিবেকানন্দ মেমোরিয়াল তৈরিতে আরএসএস-এর ভূমিকা
১. একনাথ রানাডের নেতৃত্ব (প্রধান স্থপতি):
১৯৬৩ সালে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মশতবর্ষে এই স্মারক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। আরএসএস-এর তৎকালীন সরসঙ্ঘচালক এম.এস. গোলওয়ালকর (শ্রী গুরুজী) এই দায়িত্ব অর্পণ করেন সঙ্ঘের তৎকালীন সরকার্যবাহ একনাথ রানাডে-র ওপর। একনাথ রানাডে ছিলেন এই প্রকল্পের মূল প্রাণপুরুষ।

২. রাজনৈতিক বাধা অতিক্রম:
তৎকালীন তামিলনাড়ু সরকার এবং কেন্দ্রীয় বৈজ্ঞানিক মহল পরিবেশ ও ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে এই স্মারক নির্মাণে বাধা দিয়েছিল। তৎকালীন সংস্কৃতি মন্ত্রী হুমায়ুন কবির এটি তৈরিতে তীব্র বিরোধিতা করেন। একনাথ রানাডে ভারতের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সাথে যোগাযোগ করেন এবং মাত্র তিন দিনে ৩২৩ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে নেহরু সরকারের ওপর চাপ তৈরি করেন, যার ফলে সরকার অনুমতি দিতে বাধ্য হয়।

৩. গণ-অংশগ্রহণ ও তহবিল সংগ্রহ:
এটি কোনো সরকারি অনুদানে তৈরি হয়নি। একনাথ রানাডে এবং আরএসএস কর্মীরা সারা দেশে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ১ টাকা, ২ টাকা করে অনুদান সংগ্রহ করেন। প্রায় ৩০ লক্ষ সাধারণ মানুষ এই নির্মাণে অর্থ সাহায্য করেছিলেন। এছাড়া ভারতের প্রায় সবকটি রাজ্য সরকার (দলমত নির্বিশেষে) এই প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছিল।

৪. কারিগরি ও সাংস্কৃতিক সংহতি:
স্মারকটি তৈরির জন্য দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত স্থপতি এস. কে. আচারি-কে নিযুক্ত করা হয়। আরএসএস-এর হাজার হাজার কর্মী কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই এই বিশাল পাথর বহনের কাজে এবং লজিস্টিক সাপোর্টে সাহায্য করেছিলেন। ১৯৭০ সালে এটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভি.ভি. গিরি।

তথ্যসূত্র ও উৎস

১. "The Story of Vivekananda Rock Memorial" - একনাথ রানাডে: এই বইটিতে তিনি স্মারকটি তৈরির প্রতিটি পদক্ষেপ এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের বর্ণনা দিয়েছেন।

২. "Kendra Bharati" (Vivekananda Kendra-র প্রকাশনা): বিবেকানন্দ কেন্দ্র (যা একনাথ রানাডে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত) তাদের নথিপত্রে সঙ্ঘের কর্মীদের এই মহতী প্রচেষ্টার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে।

৩. "Eknath Ranade: The Story of a Dedicated Life": এই জীবনী গ্রন্থে সঙ্ঘের নির্দেশ এবং কীভাবে একনাথজি একটি জাতীয় আন্দোলনের রূপ দিয়েছিলেন তা বিস্তারিত রয়েছে।

৪. "The Brotherhood in Saffron" - Walter Anderson & Shridhar Damle: এই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে যে, রক মেমোরিয়াল ছিল আরএসএস-এর প্রথম বড় মাপের সামাজিক প্রকল্প যা অ-রাজনৈতিক স্তরে জাতীয় সংহতি তৈরি করেছিল।

মূল সারসংক্ষেপ:

নেতৃত্ব: আরএসএস-এর তৎকালীন সরকার্যবাহ একনাথ রানাডে এই প্রকল্পের প্রধান স্থপতি ছিলেন।

গণ-সংগ্রহ: এটি কোনো সরকারি অর্থে নয়, বরং সাধারণ মানুষের দেওয়া ১ টাকা ও ২ টাকার কুপন সংগ্রহের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল।

জাতীয় ঐক্য: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বাধা সত্ত্বেও একনাথজি ৩২৩ জন এমপির স্বাক্ষর সংগ্রহ করে এই কাজ শুরু করেছিলেন।

By Rajan Debnath
4.3.26
Habra
Rajan Debnath

১৯৬৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade) রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অং...
04/03/2026

১৯৬৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade) রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অংশগ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমন্ত্রণে ৩০০০ জন স্বয়ংসেবক পূর্ণ পোশাকে এই প্যারেডে অংশ নিয়েছিলেন। এর পেছনের মূল কারণ ও তথ্যসূত্র নিচে দেওয়া হলো:
কেন আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল?
১. ১৯৬২-র ভারত-চীন যুদ্ধে অবদান: ১৯৬২ সালের চীন যুদ্ধের সময় আরএসএস কর্মীরা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এবং সেনাবাহিনীকে রসদ জোগাতে অভূতপূর্ব সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর অনুপস্থিতিতে তাঁরা সীমান্তে রাস্তা তৈরি, আহত জওয়ানদের রক্তদান এবং সারা দেশে সিভিল ডিফেন্স বা নাগরিক সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করেছিলেন ।
২. জওহরলাল নেহরুর প্রশংসা: সঙ্ঘের এই নিঃস্বার্থ সেবা দেখে জওহরলাল নেহরু মুগ্ধ হন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে সংকটের সময় সঙ্ঘের শৃঙ্খলিত স্বেচ্ছাসেবকরা দেশের দ্বিতীয় সারির রক্ষক হিসেবে কাজ করতে পারে। এই দেশপ্রেমকে সম্মান জানাতেই তিনি ১৯৬৩ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে সঙ্ঘকে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান ।

৩. জাতীয় সংহতি প্রদর্শন: যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দেশবাসীর মনোবল বাড়াতে এবং জাতীয় ঐক্য প্রদর্শনের জন্য নেহরু সরকার চেয়েছিলেন এই কুচকাওয়াজে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ থাকুক ।

তথ্যসূত্র ও প্রমাণ

১. Historical Archives: আরএসএস-এর আর্কাইভ এবং তৎকালীন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, মাত্র কয়েকদিনের নোটিশে ৩০০০ স্বয়ংসেবক ব্যান্ডসহ রাজপথে প্যারেড করেছিলেন [১]।

২. "The Brotherhood in Saffron": ঐতিহাসিক ওয়াল্টার অ্যান্ডারসন এবং শ্রীধর দামলে তাঁদের এই বিখ্যাত গ্রন্থে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে সঙ্ঘের ভূমিকা এবং নেহরুর আমন্ত্রণের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন [৩]।

৩. "The RSS: A View to the Inside": এই বইতেও উল্লেখ আছে যে, ভারত-চীন যুদ্ধের সময় সঙ্ঘের ভূমিকার কারণে সরকার তাঁদের প্রতি নমনীয় হয় এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রণ জানায় [৪]।

৪. তৎকালীন গোয়েন্দা রিপোর্ট ও নথিপত্র: নেহরু সরকারের অভ্যন্তরীণ নথিপত্রেও সঙ্ঘের স্বেচ্ছাসেবকদের শৃঙ্খলা ও সাহসিকতার প্রশংসা পাওয়া যায় যা এই আমন্ত্রণের ভিত্তি ছিল [২]।

এই ঘটনাটি আরএসএস-এর ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমেই স্বাধীনতার পর প্রথমবার কোনো কংগ্রেস সরকার সঙ্ঘের কাজের প্রকাশ্য স্বীকৃতি দিয়েছিল।

By
Rajan Debnath
4.3.26
Rajan Debnath

ভারতের লৌহমানয় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং সমাজসেবামূলক...
04/03/2026

ভারতের লৌহমানয় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং সমাজসেবামূলক কাজের প্রশংসা করেছিলেন। নিচে তাঁর বক্তব্য এবং সেগুলির প্রামাণ্য তথ্যসূত্র দেওয়া হলো:

১. লখনউ-এর জনসভা (৬ জানুয়ারি, ১৯৪৮)

মহাত্মা গান্ধীর হত্যার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে লখনউতে এক বিশাল জনসভায় প্যাটেল সঙ্ঘের প্রশংসা করে কংগ্রেসী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন:

"সঙ্ঘের কর্মীরা চোর বা ডাকাত নন। তাঁরা দেশপ্রেমিক, যাঁরা দেশকে ভালোবাসেন। তাঁদের সাথে লড়াই না করে ভালোবাসার মাধ্যমে কাছে টেনে নেওয়া উচিত।"

তথ্যসূত্র: 'Sardar Patel Ke Bhashan' (সর্দার প্যাটেলের ভাষণ), সঙ্কলিত গ্রন্থ। এছাড়াও ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক প্রকাশিত প্যাটেলের বক্তৃতামালায় এটি সংগৃহীত আছে।

২. এম.এস. গোলওয়ালকরকে লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর, ১৯৪৮)

সঙ্ঘের ওপর থেকে প্রথমবার নিষেধাজ্ঞা তোলার প্রক্রিয়ার সময় সর্দার প্যাটেল দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক শ্রী গুরুজীকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি সঙ্ঘের কাজের ইতিবাচক দিকগুলো উল্লেখ করেন:

"সঙ্ঘের সেবা এবং হিন্দু সমাজকে সুসংগঠিত করার প্রচেষ্টায় কোনো সন্দেহ নেই। বিভীষিকাময় দিনগুলোতে (দেশভাগের সময়) সঙ্ঘের যুবকরা যেভাবে শরণার্থী এবং দেশের মানুষের সেবা করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"

তথ্যসূত্র: সর্দার প্যাটেলের ব্যক্তিগত সচিব ভি. শঙ্কর সম্পাদিত "Sardar Patel's Correspondence (1945-50)", খণ্ড ৬।

৩. হিন্দু মহাসভাকে লেখা চিঠি (১৯৪৮)

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে লেখা একটি চিঠিতে প্যাটেল স্পষ্ট করেছিলেন যে, তিনি সঙ্ঘকে কংগ্রেসের শত্রু হিসেবে দেখেন না। তিনি চেয়েছিলেন সঙ্ঘের যুবকরা কংগ্রেসের সাথে মিলে কাজ করুক।

তথ্যসূত্র: "The Collected Works of Sardar Vallabhbhai Patel", প্রধান সম্পাদক: পি.এন. চোপড়া।

৪. অখণ্ড ভারত ও সংহতি রক্ষায় প্রশংসা

কাশ্মীর এবং হায়দ্রাবাদ অপারেশনের সময় সঙ্ঘের স্বেচ্ছাসেবকদের অসামরিক সহায়তা এবং গোয়েন্দা তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর প্যাটেল ব্যক্তিগত আলোচনায় তাঁদের শৃঙ্খলার প্রশংসা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: সাংবাদিক কে.আর. মালকানি তাঁর "The RSS Story" গ্রন্থে প্যাটেলের এই দৃষ্টিভঙ্গির কথা বিস্তারিত লিখেছেন।

মূল পাবলিকেশন বা বইয়ের রেফারেন্স:
১. Sardar Patel's Correspondence (1945-50) - Navajivan Publishing House (আহমেদাবাদ)।
২. The Collected Works of Sardar Vallabhbhai Patel - Konark Publishers.
৩. Gandhi, Patel and Modi - নীলঞ্জন মুখোপাধ্যায় (যেখানে প্যাটেলের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি আলোচিত)।

By Rajan Debnath
4.3.26
Habra

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের লৌহকঠিন সংকল্পকে বাস্তবায়িত করতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি...
04/03/2026

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের লৌহকঠিন সংকল্পকে বাস্তবায়িত করতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বিশেষ করে কাশ্মীর ও হায়দ্রাবাদের মতো জটিল সমস্যা সমাধানে সংঘের অবদান উল্লেখযোগ্য।

নিচে তথ্যসূত্রসহ সেই ভূমিকাগুলির একটি তালিকা দেওয়া হলো:

১. জম্মু ও কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্তি (১৯৪৭)

কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিং যখন ভারত বা পাকিস্তান কোনো পক্ষেই যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্র থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তখন পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে।

সংঘের ভূমিকা: সর্দার প্যাটেলের অনুরোধে সংঘের তৎকালীন সরসঙ্ঘচালক এম.এস. গোলওয়ালকর (শ্রী গুরুজী) ১৮ অক্টোবর ১৯৪৭ তারিখে শ্রীনগরে মহারাজা হরি সিং-এর সঙ্গে দেখা করেন। তিনি মহারাজাকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গুরুত্ব বোঝান এবং সম্ভাব্য পাকিস্তানি হামলার বিষয়ে সতর্ক করেন। এই আলোচনার পরেই মহারাজা ভারতে যোগ দিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত হন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহাসিক রতন শারদা তাঁর "RSS 360" গ্রন্থে এবং সাংবাদিক কে.আর. মালকানি তাঁর লেখায় এই বৈঠকের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

২. কাশ্মীর সীমান্তে রসদ ও সুরক্ষা

১৯৪৭ সালে পাকিস্তানি হানাদাররা যখন কাশ্মীর আক্রমণ করে, তখন ভারতীয় সেনা পৌঁছানোর আগে সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছিলেন।

সংঘের ভূমিকা: শ্রীনগর বিমানবন্দর রক্ষা এবং ভারতীয় সেনার জন্য রসদ সরবরাহের রাস্তা তৈরিতে স্বয়ংসেবকরা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। জখম সেনানিদের রক্তদান থেকে শুরু করে রসদ বহন—সবক্ষেত্রেই তাঁরা সক্রিয় ছিলেন।

তথ্যসূত্র: তৎকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল মানেকশ' এবং কাশ্মীর অভিযানের সাথে যুক্ত সামরিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে স্বয়ংসেবকদের এই অসামরিক সহায়তার প্রশংসা করেছেন।

৩. হায়দ্রাবাদের ‘অপারেশন পোলো’ (১৯৪৮)

হায়দ্রাবাদের নিজাম যখন ভারতের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত বাহিনী 'রাজাকার'রা হিন্দুদের ওপর অত্যাচার শুরু করে, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সংঘের ভূমিকা: হায়দ্রাবাদ রাজ্যের অভ্যন্তরে আরএসএস কর্মীরা গুপ্তচরবৃত্তির কাজ করেন এবং নিজামের বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কে ভারতীয় সেনাকে তথ্য সরবরাহ করেন। তাঁরা স্থানীয় জনগণকে সংগঠিত করে রাজাকারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, যা সর্দার প্যাটেলকে সামরিক পদক্ষেপ (অপারেশন পোলো) নিতে উৎসাহিত করেছিল।

তথ্যসূত্র: শ্রীধর দামলে ও ওয়াল্টার অ্যান্ডারসনের গ্রন্থ "The Brotherhood in Saffron"-এ হায়দ্রাবাদ মুক্তি সংগ্রামে সংঘের স্থানীয় ইউনিটের ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে।

৪. দাদরা, নগর হাভেলি ও গোয়া মুক্তি (১৯৫৪)

পর্তুগিজদের অধীনে থাকা এই অঞ্চলগুলি মুক্ত করতে সর্দার প্যাটেলের স্বপ্নের 'অখণ্ড ভারত' পূরণে সংঘের অবদান ছিল অপরিসীম।

সংঘের ভূমিকা: ১৯৫৪ সালে আরএসএস-এর শাখা সংগঠন 'আজাদ গোমন্তক দল'-এর মাধ্যমে স্বয়ংসেবকরা দাদরা ও নগর হাভেলি মুক্ত করেন। এটি ভারত সরকারের প্রশাসনিক অন্তর্ভুক্তিকরণকে সহজ করে দিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: সরকারি গেজেট এবং দাদরা ও নগর হাভেলি মুক্তি সংগ্রামের নথিপত্রে সংঘের নেতা রাজাভাউ মহাকাল এবং অন্যান্য স্বয়ংসেবকদের নাম বীরত্বের সাথে উল্লেখিত আছে।

৫. শরণার্থীদের পুনর্বাসন ও সামাজিক সংহতি

দেশভাগের পর বিভিন্ন দেশীয় রাজ্য থেকে আসা উদ্বাস্তুদের সামলানো ছিল প্যাটেলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

সংঘের ভূমিকা: ভারতজুড়ে বাস্তুচ্যুত লক্ষ লক্ষ হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের ত্রাণ শিবির পরিচালনা করে সামাজিক অস্থিরতা রুখে দিয়েছিল আরএসএস, যা নবগঠিত রাষ্ট্রের সংহতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: খুশবন্ত সিং তাঁর রচনায় এবং পি.জে. জেমস তাঁর গবেষণায় দেশভাগের সময় সংঘের ত্রাণকার্যের বিশাল ব্যাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন।

সারসংক্ষেপ:
সর্দার প্যাটেল আরএসএস-এর দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলাকে অখণ্ড ভারত গঠনের কাজে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করেছিলেন। ১৯৪৯ সালে আরএসএস-এর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার সময় সর্দার প্যাটেল একটি চিঠিতে লিখেছিলেন যে, সংঘের কর্মীরা বিপদের সময় যেভাবে দেশের সেবা করেছেন তা প্রশংসনীয়।

28/02/2026
27/02/2026

Jo Vande Matram Nahi Gayega Wo J@hanum Jayega Faiz Khan Sir Bole 🫡

Baat to sahi hey
26/02/2026

Baat to sahi hey

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

26/02/2026
ভারতবর্ষের অন্যতম  বীর যিনি নিজেই বিপ্লবীদের অন্যতম অনুপ্রেরণা , যিনি একাধারে লেখক -কবি- সাহিত্যিক , ভারত মাতার অন্যতম শ...
26/02/2026

ভারতবর্ষের অন্যতম বীর যিনি নিজেই বিপ্লবীদের অন্যতম অনুপ্রেরণা , যিনি একাধারে লেখক -কবি- সাহিত্যিক , ভারত মাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান ।
সমস্ত মিথ্যা প্রোপাগান্ডার জবাব দিতে তার নামই যথেষ্ট। বীর সাভারকার।

বিনায়ক দামোদর সাভারকরের রচিত 'দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ার অফ ইনডিপেনডেন্স ১৮৫৭' গ্রন্থটি ভারতীয় বিপ্লবীদের কাছে একটি "বাইবেল" বা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক দলিল হিসেবে গণ্য হতো।
১৯০৯ সালে প্রকাশিত এই বই ১৮৫৭-র বিদ্রোহকে নিছক 'সিপাহী বিদ্রোহ' নয়, বরং প্রথম সুসংগঠিত জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে তুলে ধরে বিপ্লবীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল ।
গ্রন্থটির গুরুত্বের মূল দিকগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
অনুপ্রেরণার উৎস: এই বইটি ভগৎ সিং, মদন লাল ধিংরা এবং রাসবিহারী বসুর মতো চরমপন্থী বিপ্লবীদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। এটি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য তরুণদের উৎসাহিত করত ।
দৃষ্টিভঙ্গি বদল: সাভারকর ১৮৫৭-র ঘটনাকে ব্রিটিশদের প্রচারিত 'সিপাহী বিদ্রোহ' বা 'গদর' না বলে 'ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

হিন্দু-মুসলিম ঐক্য: বইটি ১৮৫৭ সালে হিন্দু ও মুসলিমদের যৌথ লড়াইকে তুলে ধরেছিল, যা তৎকালীন স্বাধীনতা আন্দোলনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছিল ।

গোপন প্রচার: ব্রিটিশ সরকার বইটি প্রকাশের সাথে সাথেই নিষিদ্ধ করেছিল, কিন্তু বিপ্লবী সমাজ এটি গোপনে পাঠ করত এবং প্রচার করত । এটি বিপ্লবীদের মনে সাহস জোগাত যে, পূর্বেও ব্রিটিশদের হারানো সম্ভব হয়েছিল।
সংক্ষেপে, এই গ্রন্থটি বিপ্লবীদের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের মানসিকতা দৃঢ় করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বিনায়ক দামোদর সাভারকর রচিত '

দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ার অফ ইনডিপেনডেন্স

' (১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের উপর ভিত্তি করে) গ্রন্থটি ভারতীয় বিপ্লবীদের কাছে একটি "বিপ্লবী বাইবেল" বা প্রধান অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হতো। এর গুরুত্বের প্রধান দিকগুলো হলো:

Testbook +1

জাতীয়তাবাদী ব্যাখ্যা: ব্রিটিশরা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকে কেবল 'সিপাহী বিদ্রোহ' হিসেবে চিহ্নিত করলেও সাভারকর একে 'ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ' হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি বিপ্লবীদের মনে হীনম্মন্যতা দূর করে আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলেছিল।

সশস্ত্র সংগ্রামের আদর্শ: সাভারকর এই গ্রন্থে দেখান যে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বিদেশি শাসন উপড়ে ফেলা সম্ভব। এই আদর্শকে গ্রহণ করে পরবর্তী প্রজন্মের বিপ্লবীরা সশস্ত্র আন্দোলনের পথে পা বাড়ান।

বিপ্লবীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা: ব্রিটিশ সরকার বইটি প্রকাশের আগেই ভারতে নিষিদ্ধ করলেও এটি গোপনে ছড়িয়ে পড়ে। ভগৎ সিং নিজে এই বইটির পুনর্মুদ্রণ এবং উর্দু ও পাঞ্জাবীতে অনুবাদের ব্যবস্থা করেন। এমনকি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তামিল ভাষায় এর প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

সাম্প্রদায়িক ঐক্য: সাভারকর ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে হিন্দু ও মুসলমানদের মিলিত প্রতিরোধকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেন, যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সংহতি রক্ষায় সাহায্য করেছিল।

গোপন প্রচার: বইটি নিষিদ্ধ থাকায় বিপ্লবীরা এটি বিভিন্ন ছদ্মনামে (যেমন: 'স্কট'স পেপারস' বা 'ডন কিহোতে') পাচার ও বিলি করতেন, যা বিপ্লবীদের মধ্যে একটি রোমাঞ্চকর ঐক্যের সৃষ্টি করেছিল।

PolSci Institute +10

সামগ্রিকভাবে, এই গ্রন্থটি বিপ্লবীদের কাছে কেবল একটি ইতিহাস বই ছিল না, বরং এটি ছিল স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার

Address

Deshbandhu Road, Joygachi, NORTH 24 PGS
Habra
743263

Telephone

+919641363344

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajan Debnath-রাজন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Rajan Debnath-রাজন:

Share

Category