কবিতা যাপন by P Betal

কবিতা যাপন by P Betal কত শতাব্দী কাটিয়েছি শোকে
না ফোটা ফুলের ভোরে
সমাধিতে যদি ফুল হয়ে ফুটি
পারিবে কি চিনিতে মোরে....?

21/03/2026

#বিশ্ব_কবিতা_দিবসে নিবেদন...

শিরোনামঃ - “কবিতার ঘর”


দুয়োরাণী জীবন…
আমাকে একটা ‘কবিতা’ লিখতে দিও ,

আমি লিখবো তোমার সামর্থ্য বা
আবহমান সাযুজ্য , আরত্রিকা’র সুগন্ধ আর
ভিতর ঘরের কলঙ্ক , সাজায়ে তোমার অলক্ষ্য রঙ’- পালঙ্কটার মতোই ;

পারলে তুমি , একটুখানি- সৌম্য’ দিও তাতে…
ঠিক যেমন ওই পাশের বালিশ- সঙ্গী খোঁজে ,
পাশফেরা মন কমন্ডুলে- রঙীন স্বপন’ আঁকে !
তীব্র প্রেমে’র বন্যা যেন থাকে !!

আমাকে একটা ‘শব্দ’ দিও - সময় ,
তুমিই তো সেই এলোকেশী- নরমগরম পুলকেশী-
আজন্ম প্রেম , দুর্ভিক্ষ , শ্বাস , থালাবাটি স্বভাব… ,
আমার সুয়োরাণী’... সোহাগ ;

শাসনে কোনো
ঝন-ঝনা-ঝন ধন্ধ দিলেও হবে ---

লিখবো তো সেই আয়নাভিলাষ
নাকছাবি আর গয়নাবিলাস
টিক-টিক-টিক বায়না ধরা- দেওয়াল কিবা হাতঘড়িটার ঝাঁপ-এ !

ঠিক যেমন ওই স্মৃতির ঝুলি
আর না দেখে ভরতে থাকে…
আলমারী আর যত্নে বোনা - আস্ত বই-এর তাকে ।

একটু শুধু… ভিক্ষে দিও ‘ইমন’--
একপা-দুপা জানলা খোলা পাগলাঝোরা’ হাওয়া -
অল্প কিছু দরজা পারের বাস্তু সমান আকাশ -
আর শ্রুতিময় গন্ধ’ফুলের কাব্য বোনা উঠোন…

একটা কঠিন শর্ত গিলেও
লিখবো চিঠির বাক্স খুলে- নতুন কোনো জীবন ;

পারলে তুমি দুপুর পেড়ে
লগ্ন শিথীল উপুড় করে নূপুর পরে হেঁটো ….,
তারপরে নয় লিখবো সিঁথি- রাগ বিরতি - আঁকবো তনু’- গোপন ।

হে ঘন নীল ভুবন…
আমাকে শুধু ভিক্ষে দিও--- “এ ঘর”

একটা দুটো ঘুলঘুলি আর বন্দী ঘুঘু-বুলবুলি ঐ
থাকবে যেথায়- ইট পাথরে , একবারান্দা রোদ্দুরে রোজ , ঘুম ভাঙাবে মান্ডবী মেঘ--- ঐ কবিতার আঁচল…;
…. আমি লিখবো প্রাণের মুকুল ।

আমাকে শুধু
লিখতে দিও - একটা কবিতা নতুন…
আমার দুয়োরাণী জীবন ।।

বি দ্রঃ - Please use the headphone 🎧

everyone
বিশ্ব কবিতা দিবসের হার্দিক শুভেচ্ছা শুভকামনা ও অভিনন্দন 🌹🌹❤️❤️

আজ ২১শে মার্চ... #বিশ্ব_কবিতা_দিবস ও এক টুকরো কাব্যঞ্জলী সকাল শুভেচ্ছা 🌹🌹 @সকল কবিতাপ্রেমী
21/03/2026

আজ ২১শে মার্চ...
#বিশ্ব_কবিতা_দিবস ও এক টুকরো কাব্যঞ্জলী

সকাল শুভেচ্ছা 🌹🌹 @সকল কবিতাপ্রেমী

“শেষ সন্ধিক্ষণ”বছর শেষের হিসেব নিকেশ করার আগে আরও একবার বসি চলো ওই , দেওয়াল ঘড়ির গায়ে--- দিন-কাল-মাস-বছর সমান - শহরের...
29/12/2025

“শেষ সন্ধিক্ষণ”

বছর শেষের হিসেব নিকেশ করার আগে
আরও একবার বসি চলো ওই , দেওয়াল ঘড়ির গায়ে---
দিন-কাল-মাস-বছর সমান - শহরের ঐ দেহাত-বারান্দায় ;

আরও একবার ঘুরে আসি চলো.. ‘সূর্য-শিশির-ভোর’ ,
আরও একবার ঘুরে আসি ‘শিখা’ ; শীতলপাটি-ছায়ে’ ।

…কত সূর্য’ হেঁটে ফিরে যায় , কত সূর্য ম্লান -
কত শৌর্য মিঠে-কলতান--- চাঁদের হাসির ঘ্রাণ ,
আরো একবার চলো সয়ে নিই --- দেওয়াল ঘড়ির পিঠ ,
যেথা অনুদান- সদা পরিণাম…. স্মৃতি’চিহ্নের ভিড় ;

…কত চিহ্ন’ ছুটে চলে যায় ! কত চিহ্ন’ লোপ !
কত চিহ্নে’র ঝুরি গিলে খায় , পরিণতি নিঝ্ঝুম !
কিছু চিহ্ন বোবা থেকে যায়- কিছু চিহ্নে’র ঘুম-
বহু চিহ্নই ফিকে পড়ে যায় , অনাহুত উচাটন !
তবু কিছু দাগ’ কথা পেড়ে যায়
জমে থাকা আঙ্গিনায় ---
বসি চলো আজ , খুঁজি আভরণ - জেগে থাকি সারা রাত ।

বহু বিঘ্নে’র আঁটোসাঁটো সব ফেলে রেখে একচুল -
বড়ো নিশ্চয় , চির বিস্ময় - সেবানে’র ভাঙা ভুল ।

গতি বাঙ্ময়…, নতি আর নয়…. সম্মুখের সমীরণ ;
আরো একবার চলো ফিরে যাই - “সময়ের সমাগম” ।।

কলমে:- বেতাল



একফালি চাঁদের হাসির পরশ ছোঁয়া বছর শেষের অমলিন সন্ধ্যাটুকুর শুভেচ্ছা সব 🌹🌹🌹

উৎসবের আবহ আর আলোর রোশনাই দেখা দিলে দীপাবলির পূণ্য লগ্নে মনে পড়ে "আলোর ঠিকানা" টাকে...... (পূর্বপ্রকাশিত) "আলোর ঠিকানা"...
21/10/2025

উৎসবের আবহ আর আলোর রোশনাই দেখা দিলে দীপাবলির পূণ্য লগ্নে মনে পড়ে "আলোর ঠিকানা" টাকে......

(পূর্বপ্রকাশিত)
"আলোর ঠিকানা"

কলমে:- অধম

বহু ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে, জীবন থেকে অনেক কিছুই খুইয়ে- আজ রিধান খোলা আকাশের নীচে, দীপাবলির আলোর রোশনাইটায়- এক পরমতৃপ্তি অনুভব করছে। সত্যিই, আঁধারভূবনে "আলোর ঠিকানা"টার কোনো তুলনাই হয় না।

এতটাও সহজ ছিলনা, এই আলোর ঠিকানার পথটা।

কতই বা বয়স হবে, ওই কচিকাঁচা মুখগুলোর? সকলের বয়সই তো, আট-দশ-বারো বছরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আজ, ওরাও কত্ত উৎফুল্ল! ওদের মুখগুলো আজ কতই না উদ্ভাসিত, আলোকিত। ওদের উল্লসিত হাসিগুলোও তো, আজ এক-একটা ভূবন ভোলানো আলোর ঠিকানা।
অথচ, ওই মুখগুলোই তো, একদিন রুক্ষ শুষ্ক পাংশুবর্ণ, মলীন হয়ে, এক অব্যক্ত যন্ত্রণায় নির্মম বাস্তবের গহীন আঁধারে নিমজ্জিত হয়ে ছিল।
কম কাঠখড় পোহাতে হয়নি রিধানকে, ওদের ওই নির্দয় সমাজ থেকে বার করে নিয়ে আসতে গিয়ে! ওদের স্বার্থপর পৃথিবীটার কতরকম কটুকথা, কতরকম চোখ রাঙানি, কত গ্যাঁটের কড়ি খরচা করে, তবেই রিধান পেরেছে- ওদের তুলে আনতে, নিজেরই বানানো এই আলোর ঠিকানায়।

ওদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের জন্য তো, রিধানকে বহু ঝামেলা ঝঞ্ঝাটে জড়াতে হয়েছে, বারংবার। কয়েকবার, ঝামেলা এতোটাই বেড়ে গেছিলো যে, থানাপুলিশ, কোর্টকাছারী পর্যন্ত গড়িয়েছিল। দুবার তো তাকে, বেশ কিছুদিনের জন্য হাসপাতালের বিছানায় বিশ্রাম পর্যন্ত নিতে হয়েছে! তবুও এক অদম্য জেদেই, রিধান কিন্তু হাল ছেড়ে দেয়নি কোনোদিনই।
আজ তার প্রতিদানটা, এই স্বর্ণালী সন্ধ্যায় রিধান পরতে পরতে অনুভব করতে পারছে- ওই কচিকাঁচাগুলোর সাথে বাজি পোড়ানোর অবাধ খুশী ও হুল্লোড়ে মেতে।

এবার বাজি পোড়ানোয়- নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, ভয়াবহতাটা জানা সত্ত্বেও, ওই কচিকাঁচা গুলোকে একটু খুশী উপহার দেওয়ার জন্যই- রকমারী প্রদীপ, ঝিকঝাক লাইটের সঙ্গেই, কিছু বাজিও রিধান- ঠিক ব্যবস্থা করে নিয়ে এসেছে। যতই হোক, সে একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরে; তাও আবার, এমনি সেমনি নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশাসনিক পদেই কর্মরত ছিলেন। তাই, তার পক্ষে ঘুরপথে বাজি জোগাড় করাটা- তেমন কিছুই নয়। সমাজের পিছন পথটা তো, তার ভালো মতোই জানা আছে।
হয়তো, তার এই চাকুরী সূত্রটাই- অনেকটা সাহায্য করেছে, আজকের ওই জনা বিশেক নিষ্পাপ শৈশবকে- আলোর পথে, আলোর ঠিকানায় পৌঁছে দিতে।

রিধানের জীবনটাও ছিল- আর পাঁচটা সাদামাটা বাঙালীর মতোই। চাকুরী সূত্রে দেশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত নিয়মিত বদলি, আর প্রাণের চেয়ে প্রিয় মানুষগুলোকে বগলদাবা করে- ঘরের খেয়ে দুধেভাতে আয়েশ করা নিদ্রাসুখ। কোনদিনই রিধান, সেভাবে ওই পথশিশু বা শিশুশ্রমিক দের নিয়ে, সেরকম কিছু ভাবতোও না।
কিন্তু, বিধাতার বোধহয় ইচ্ছাটা ছিল অন্যরকম। তাই এক নিষ্ঠুর স্বার্থের খেলায় মেতে, রিধানের সবচেয়ে কাছের মানুষটাই, যখন এক গভীর ক্ষত এঁকে দিয়েছিল বুকে; একজন দুঁদে অফিসার হয়েও রিধান সেদিন- নিজের জীবনটাকে ব্যর্থ মনে করেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার এক জঘন্য পরিকল্পনা করে নিয়েছিল!
তখন তার পোষ্টিং বিহারে। সেই পরিকল্পনা মাফিকই, কোনো এক রাতে বিহারের নাম করা এক দুষ্কৃতী আখড়ার আশপাশে নিরিবিলি এক ধাবায় বসে- তার নিজেরই সার্ভিস রিভলবারটা বার করে, নির্মম পরিণতির কথা ভেবে, সাতপাঁচ চিন্তা করতে করতে নাড়াচাড়া করছিল….
ঠিক তখনই, ওই বছর দশেকের শেখ রাজু (নামটা অবশ্য পরিচয়পত্র হীন) বলে বাচ্চাটা- হয়তো, বিধাতার ইচ্ছেতেই রিভলবারটার দিকে আঙুল দেখিয়ে রিধানকে এসে জিজ্ঞাসা করেছিল,
" ও কাকু, এইটা দিয়ে কী হয় গো? মাঝে মাঝে দেখি আরো সব হোমড়াচোমড়া কাকু গুলোও- এই রকমই কিছু একটা দিয়ে সব্বাইকে খালি ভয় দেখায়; আর সবাইই কেমন ভয়ে জড়সড় হয়ে কাঁপতে থাকে। এইতো সেদিনও, আমি যখন এক কাকুকে চা-এর পয়সা চাইতে গেলাম, তখন ঐ কাকুটা আমাকেও ঐটা দেখিয়ে কত্ত ধমকাচ্ছিল। আমি কিন্তু ভয় পাইনি একটুও! আমার মালিক ঐ বুড়োবাবা- যে আমাকে কুড়িয়ে নিয়ে এসে মানুষ করেছে, সে কিন্তু ভয়ে জড়সড় হয়ে কত কাকুতিমিনতি করে- আমাকে খুব বকতে বকতে ওদের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছিল। আচ্ছা কাকু, এইটা দিয়ে কি মানুষকে মারা যায়? তাহলেতো, তোমরা খুব বাজে, খুব খারাপ লোক, তাই না! তোমরা কেন সব্বাইকে মেরে ফেলো? বলো না কাকু! আমাকেও কি, তোমরা কোনোদিন মেরে ফেলবে, ওই আমার বন্ধু, কয়লা গুড্ডুর মত? জানো তো কাকু, আমার বন্ধু 'গুড্ডু' কিচ্ছু জানতো না, শুধু ওই পড়ে থাকা কয়লা কুড়িয়ে- এই আমাদের দোকানের মতো, সব দোকানে দোকানে দুটো পয়সার জন্য বিক্রি করে যেত। তাই ওর নাম হয়ে গেছিল কয়লা-গুড্ডু। কিন্তু ওরা, ওই গুন্ডাগুলো, ওকেও ছাড়েনি! একদিন শুনলাম, খাদানের পাশেই ওকে মেরে ফেলে রেখেছে। আমার বন্ধু কিন্তু খুব ভালো ছিলো কাকু, ও কিচ্ছু করেনি। ও কাকু! আমাকে একবার দেবে এই খেলনাটা? ঐ যে দেখছো, বদমাশ লোকটা বসে আছে, ওই ওদিকে! ওকে একটু ভয় দেখিয়ে আসি। সব্বাই বলে, ও'ই নাকি আমার বন্ধুকে মেরেছে। বন্ধু নাকি, কিছু একটা দেখে ফেলেছিল বলে। দাও না কাকু, একবার এই খেলনাটা"।।

সেদিনই রিধান, ওই ফুটফুটে শৈশবের অব্যক্ত যন্ত্রণাটা অনুভব করে, নিজেকে শেষ করার ঘৃণ্য প্রবণতা তো- বাতিল করেইছিলো; সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিল, এই অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের বুকে তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়া বিপন্ন শৈশবগুলোকে- সে তার নিজের জীবনের পারোয়া না করেই তুলে নিয়ে যাবে আলোর পথে। গড়ে তুলবে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর এক নতুন আলোর ঠিকানা।

আজ অবসরের বেশ কয়েক বছর পরে, তার জমানো সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে গড়ে তুলেছে- এক অবাধ খুশীতে ভরা উদ্দাম শৈশবের নিশ্চিৎ আলোকিত ভবিষ্যতের এক নতুন ঠিকানা।
চার দেওয়ালের স্থায়ী আচ্ছাদনের সাথে- জ্ঞানের মন্দির বিদ্যালয়, এবং বিকশিত শৈশবের ক্রীড়াঙ্গনের যুগলবন্দিতে রিধান- তার নিজের তৈরি আশ্রমটারই নাম রেখেছে "আলোর ঠিকানা"।
চাকুরী জীবনের শেষ কয়েকটা বছর- সে যেখানে যেখানে গেছে, সেখান থেকেই ঠিক কোনো না কোনো বিপন্ন শৈশবকে আলোর পথ দেখাতে, তুলে নিয়ে এসেছে তার নিজের সাথে; এই আলোর ঠিকানায়।

একাকী রিধান, আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আলোর উৎসব দীপাবলির স্বর্ণালী সন্ধ্যায়- উত্তাল শৈশবগুলোর পানে চেয়ে এক অলীক কল্পসুখে- গহীন মনের অন্ধকার যন্ত্রণাটাকে, চরম ধিক্কারে সিগারেটের ধোঁয়ায় বাতাসে নিক্ষিপ্ত করে, এবার হয়তো খুঁজে চলেছে- তার নিজস্ব জীবনের পরমশান্তির শেষ আলোর পথটাকে, আর এক অন্য কোনো আলোর ঠিকানায়......

ক্রমশ.......

হ্যাঁ , আবারও ঠিক এই পূণ্য আবহে রিধানের হাত ধরেই আসতে চলেছে 'আলোর ঠিকানা'র দ্বিতীয় সমারোহ...... ঠিক দীপাবলির পরেই....

আশার আলো সাথে নিয়ে মুখপুস্তিকা-সমস্ত-বন্ধুসকলকে জানাই আলোর শুভেচ্ছাসহ #শুভ_দীপাবলি 🪔🙏🙏

#ছোট_গল্প
#আলোর_ঠিকানা(প্রথম_পর্ব)
#রচনা_ও_চিত্রায়ণ_নিজস্ব (কোনো এক আলোর পৃথিবী ঘুরে)
বি দ্রঃ:- রচনাকাল অনেকটা আগের বলেই পূর্বপ্রকাশিত স্বরূপ

everyone

আমার উপমা - আমি - এবং অস্তিত্ব------ আপনারা হলেন আমার "পুণ্য আগামী" -দেখা হবে তবে , ভালোবাসাটুকু দামী....আসুন ৪৮তম কলকাত...
06/02/2025

আমার উপমা - আমি - এবং অস্তিত্ব------

আপনারা হলেন আমার "পুণ্য আগামী" -

দেখা হবে তবে , ভালোবাসাটুকু দামী....

আসুন
৪৮তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা প্রাঙ্গণ' ২০২৫
স্টল নম্বর ৫৯০
অনুভূতি প্রকাশন
(৯ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নের সামনে)
থাকছে আমার প্রথম এবং দ্বিতীয় উভয় কাব্যগ্রন্থ যথাক্রমে #অনুভূতির_কষ্টিপাথরে ও #মনফাগুনের_গ্রাস
আর থাকছি আমিও প্রতিদিন দুপুর ৩টে থেকে মেলার শেষ পর্ব অনুযায়ী....

বই পড়ুন , বই উপহার দিন , বাংলা ও বাঙালির প্রাণের উৎসব-এ আশীর্বাদ ও স্নেহাশীষে ভরিয়ে তুলুন

24/05/2024

গঙ্গা জলে গঙ্গা পুজোর মতোই আমার কবি প্রণাম 🙏🙏🙏

কবিতা শিরোনাম:- "কাণ্ডারীর অভাব"
------------------------------------------
কলমে:-পিন্টু বেতাল (পূর্বপ্রকাশিত)

একটা দানা ভাতের যুদ্ধ-
একফোঁটা ঘাম কর্মযুদ্ধ-
একটা কঠিন পণের যুদ্ধ-
একটা গহিন ধর্মযুদ্ধ-

একগোছা ফুল- তিমিরে রূদ্ধ!

কে দেবে আওয়াজ- সুস্থ সমাজ! গর্জাবে, কে বা বাজ!

কাণ্ডারী হীন অসহায় জাতি, 'বিদ্রোহ' চারিদিকে,
'বিদ্রোহ' শুধু আজ…।

বিদ্রোহ- যত রক্তজলের,
বিদ্রোহ, নুন-পান্তা থালায়!
বিদ্রোহ- চেনা ছেঁড়া ফুটপাথে,
বিদ্রোহ, ভুখা শিশুর ললাটে!
বিদ্রোহ- মায়ের কান্না আঁচলে,
বিদ্রোহ- পিতার নিঃস্ব চপলে,

কে দেবে আধার- ভাঙতে পাহাড়! সঞ্চিতে অধিকার!!

কাণ্ডারী হীন- অসহায় জাতি, বিদ্রোহ শুধু আজ।

ভবিষ্যৎ তাই অচিরে রূদ্ধ,
আগুয়ান শোকে' মন্ত্রমুগ্ধ,
বঞ্চিত তটে লাঞ্ছিত বুকে- কেমনে তরি সে পার!

কাণ্ডারী হীন অসহায় জাতি- কে বা নেবে মহাভার?

চারদানা চাল-
একফোঁটা ঘুম-
একগোছা ফুল-
পথেরই সে ভুল, অযাচিত কুপোকাত;
বিদ্রোহ শুধু, চারিদিকে আজি! "বিদ্রোহী" কোথা আজ?

কাঁদিছে পৃথিবী-
কাঁদিছে মানুষ-
"কাণ্ডারী" কোথা আজ!
"কাণ্ডারী" কোথা আজ! "কাণ্ডারী" কোথা আজ!!

বিশ্ববন্দিত অতীব প্রিয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও প্রণাম 🙏🙏🙏

উনিশ' আজও রক্তে আগুন , শব্দে শাণিত ফুল -উনিশ' প্রাণের অ আ ক খ , ভাষায় সমতুল...।শ্রদ্ধা শহীদ স্মরণ 🙏🙏🙏
19/05/2024

উনিশ' আজও রক্তে আগুন , শব্দে শাণিত ফুল -
উনিশ' প্রাণের অ আ ক খ , ভাষায় সমতুল...।

শ্রদ্ধা শহীদ স্মরণ 🙏🙏🙏

08/05/2024

গঙ্গা জলে গঙ্গা পুজোর মতো করেই আমার "কবিতা যাপন" এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও কবি প্রণাম 🙏🙏

বসন্ত বহিছে শাখেকোকিলা বিহু’র এ লগন প্রবাসে হাঁকিছে সে প্রেমকে যেন ঢালিছে আগুন ,আবিরে আবিরে ভাতিকে যেন ডাকিছে আমায় তবু ...
25/03/2024

বসন্ত বহিছে শাখে
কোকিলা বিহু’র এ লগন
প্রবাসে হাঁকিছে সে প্রেম
কে যেন ঢালিছে আগুন ,

আবিরে আবিরে ভাতি
কে যেন ডাকিছে আমায়
তবু সে মায়াবী সুধায়
কোথা সে আপন হিয়া …..

“.....আমার আর রাখাল সাজা হলো না” ।।

মুখপুস্তিকার আপামর বন্ধু স্বজনকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা ও বসন্ত উৎসবের রঙীন শুভেচ্ছা 🌹🌹❤️❤️

Address

Film City Road
Goregaon East
400097

Telephone

+918697559657

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কবিতা যাপন by P Betal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to কবিতা যাপন by P Betal:

Share

Category