Red Army of Garhbeta গড়বেতার লাল ফৌজ

Directions Website Contact the organization

Red Army of Garhbeta গড়বেতার লাল ফৌজ This page is for all update regarding Garbeta's as well as all over left front activities and stand.

📌🔴একদিকে ‘৭.৮% GDP-এর বিশাল সাফল্য’, অন্যদিকে ‘বড় খাদ্যসঙ্কট’-এর সতর্কবার্তা—আসল ছবিটা কোথায়?❓৩১ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী নর...
02/10/2026

📌🔴একদিকে ‘৭.৮% GDP-এর বিশাল সাফল্য’, অন্যদিকে ‘বড় খাদ্যসঙ্কট’-এর সতর্কবার্তা—আসল ছবিটা কোথায়?❓

৩১ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের ৭.৮% GDP বৃদ্ধিকে ‘Herculean Feat’ বলে তুলে ধরেছিলেন। সরকারি বিবৃতিতেও তেল-দামের ধাক্কা, সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যা ও বিশ্বজোড়া অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই বৃদ্ধিকে ভারতের অর্থনীতির শক্তির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মুখে উঠে এল অন্য এক সতর্কবার্তা—ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, খাদ্যশস্য পরিবহণে সমস্যা এবং সারের সরবরাহে চাপ আগামী মাসগুলিতে বিশ্বজুড়ে বড় খাদ্যসঙ্কটের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাহলে প্রশ্নটা স্বাভাবিক—

GDP বাড়ছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের খরচ কতটা নিয়ন্ত্রণে?

অগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৫.৯৫%, জুলাইয়ে যা ছিল ৫.৫২%। একই সময়ে খুচরো মূল্যস্ফীতিও ৪.৪৫% থেকে বেড়ে ৪.৮২% হয়েছে।

আরও বড় প্রশ্ন আমদানি-নির্ভরতা নিয়ে।

ভোজ্য তেল, সার, জ্বালানি—আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়লে তার অভিঘাত সরাসরি দেশের কৃষি, পরিবহণ এবং পরিবারের মাসিক খরচে এসে পড়ে।

একদিকে নাগরিকদের জ্বালানি কম ব্যবহার, রান্নার তেল কম খাওয়া, অপ্রয়োজনীয় বিদেশভ্রমণ কমানো কিংবা সোনা কেনা পিছিয়ে দেওয়ার মতো সংযমের বার্তা—

অন্যদিকে রাষ্ট্রের সামনে প্রশ্ন:

শুধু নাগরিকের সংযম দিয়ে কি অর্থনৈতিক ঝুঁকি সামলানো সম্ভব?

GDP একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কিন্তু GDP-এর পাশাপাশি খাদ্যের দাম, কর্মসংস্থান, কৃষকের উৎপাদন খরচ, আমদানির উপর নির্ভরতা, মুদ্রার মূল্য, বিনিয়োগ এবং সাধারণ পরিবারের ক্রয়ক্ষমতাও অর্থনীতির বাস্তব ছবি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে Reuters-ও জ্বালানি মূল্য, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতিকে ভারতের জন্য imported inflation-এর ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে RBI-র তথ্য অনুযায়ী খাদ্যশস্যের সরকারি মজুত পরিস্থিতি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা-ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।

তাই প্রশ্নটা GDP বনাম GDP নয়।

প্রশ্নটা হল—

অর্থনীতির বৃদ্ধির সুফল কতটা মানুষের জীবনে পৌঁছচ্ছে?

আন্তর্জাতিক খাদ্য ও সারের সরবরাহে বড় ধাক্কা এলে ভারত কতটা প্রস্তুত?

সাধারণ মানুষের পকেট ও রান্নাঘরের বাস্তবতার সঙ্গে ‘অর্থনৈতিক সাফল্য’-এর সরকারি ছবির দূরত্ব কতটা?

পরিসংখ্যানের আলো ঝলমলে হতে পারে।
কিন্তু অর্থনীতির আসল পরীক্ষা হয় মানুষের থালা, কৃষকের মাঠ এবং পরিবারের মাসিক বাজেটে।

প্রশ্ন থাকুক। হিসাবও থাকুক। উত্তরও চাই।

28/09/2026

📌🔴 মানুষের পাশে, মানুষের জন্য ☭

শিক্ষা যেন সবার অধিকার হয়, টাকার জোরে নয়।
স্বাস্থ্য যেন সবার জন্য হয়, শুধু বিত্তবানদের জন্য নয়।
কৃষক যেন ফসলের ন্যায্য দাম পান, শ্রমিক যেন পান ন্যায্য মজুরি।
আর সমাজে যেন থাকে ন্যায় ও সমতা।

এই দাবিগুলো নতুন নয়, কিন্তু আজও ততটাই জরুরি। মাঠে-কারখানায়-রাস্তায় যাঁরা প্রতিদিন লড়ছেন, তাঁদের কথা বলার জন্যই বামপন্থী রাজনীতির পথচলা।

বামপন্থী শক্তিই পারে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে। ✊
লাল পতাকার ডাকেই এগিয়ে চলি।

্রচার #মানুষের_পাশে #মানুষের_জন্য #লালপতাকা #বামপন্থী #সবার_জন্য_শিক্ষা #সবার_জন্য_স্বাস্থ্য #কৃষকের_ন্যায্যদাম #শ্রমিকের_ন্যায্যমজুরি #পশ্চিমবঙ্গ
#

📌🔴🇮🇳 জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে এত প্রশ্নের উত্তর দেবে কে❓❓56" ছাতি কোথায় এখন???মার্চে গ্রেফতার। অভিযোগ ছিল মিজোরাম হয়ে মায়ানম...
27/09/2026

📌🔴🇮🇳 জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে এত প্রশ্নের উত্তর দেবে কে❓❓
56" ছাতি কোথায় এখন???

মার্চে গ্রেফতার। অভিযোগ ছিল মিজোরাম হয়ে মায়ানমারে গিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ড্রোন ও যুদ্ধ-প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত থাকার। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক এবং ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিক।

কিন্তু পরে চার্জশিটে UAPA-র ধারা না থাকা এবং তদন্ত চলাকালীন বিদেশি অভিযুক্তদের দেশ ছাড়ার অনুমতি—এই গোটা ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে।

যদি অভিযোগ এতটাই গুরুতর হয়, তাহলে UAPA কেন নয়?
তদন্ত চলাকালীন বিদেশে যাওয়ার অনুমতি কেন?
জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি কীভাবে মূল্যায়ন করা হলো?
আর কোনও আন্তর্জাতিক বা কূটনৈতিক চাপ কি এই সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল?

এসব প্রশ্নের উত্তর সরকারের কাছ থেকেই আসা উচিত।
জাতীয় নিরাপত্তা কোনও দলের সম্পত্তি নয়।
দেশপ্রেম মানে শুধু স্লোগান দেওয়া নয়—প্রয়োজনে সরকারের কাছেও জবাব চাওয়া।

দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়।
প্রশ্নের উত্তর চাই। স্বচ্ছতা চাই। জবাবদিহি চাই। 🇮🇳
#জবাবদিহি_চাই #জাতীয়_নিরাপত্তা #প্রশ্নের_উত্তর_চাই #দেশের_নিরাপত্তা #সরকারের_জবাব_চাই

📌🔴এতো দেখছি, ‘হাত পাতা’  পুরোনো অভ্যাস। 😅কেরালার প্রাক্তন পূর্তসচিব থাকাকালীন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়া ও হয়র...
26/09/2026

📌🔴এতো দেখছি, ‘হাত পাতা’ পুরোনো অভ্যাস। 😅

কেরালার প্রাক্তন পূর্তসচিব থাকাকালীন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়া ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল—এমন দাবি করেছেন টি. এম. থমাস আইজ্যাক।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি আত্মহত্যার নোটেও এই অভিযোগের উল্লেখ ছিল।
(Matrix News)

🔴আজ সেই জ্ঞানেশ কুমারই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তাই প্রশ্নটা শুধু একজন ব্যক্তিকে নিয়ে নয়—যে প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির উপর দাঁড়িয়ে আছে?

অভিযোগ যদি মিথ্যা হয়—তাহলে নিরপেক্ষ তদন্তে সত্য সামনে আসুক। আর অভিযোগের যদি কোনও ভিত্তি থাকে—তাহলে তারও স্বচ্ছ তদন্ত হোক।
গণতন্ত্রে প্রশ্ন তোলা অপরাধ নয়। বরং ক্ষমতাবানদের কাছে জবাব চাওয়াই নাগরিকের অধিকার।
হাত পাতা থেকে ক্ষমতার চেয়ার—এই যাত্রার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর চাই।


📌🔴গুন্ডা দমন বিল—আইনশৃঙ্খলার নামে কি অতিরিক্ত ক্ষমতার দরজা খুলতে চাওয়া হয়েছিল?জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের যুক্তিতে আনা ‘গু...
25/09/2026

📌🔴গুন্ডা দমন বিল—আইনশৃঙ্খলার নামে কি অতিরিক্ত ক্ষমতার দরজা খুলতে চাওয়া হয়েছিল?

জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের যুক্তিতে আনা ‘গুন্ডা দমন বিল’-এ প্রশাসনের হাতে প্রতিরোধমূলক আটক, এলাকা ছাড়ার নির্দেশসহ বিস্তৃত ক্ষমতার প্রস্তাব ছিল। বিরোধী ও মানবাধিকারকর্মীদের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল—এই ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজনৈতিক বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করা হতে পারে।

এর সঙ্গে আরও একটি গুরুতর রাজনৈতিক অভিযোগ উঠেছিল—ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে টার্গেট করা এবং সমাজে বিভাজনের রাজনীতি করার হাতিয়ার হিসেবেও এই আইনকে ব্যবহার করা হতে পারে। এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও, এমন বিস্তৃত প্রশাসনিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে অপব্যবহার রোধে শক্তিশালী সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা থাকা যে জরুরি, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আর এখন রাষ্ট্রপতির সম্মতি না পেয়ে বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ফেরত এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল আপত্তির একটি জায়গা ছিল NDPS Act-এর সঙ্গে প্রস্তাবিত ব্যবস্থার সংঘাত। ফলে বিলটি এখনও কার্যকর আইন হয়ে ওঠেনি।

প্রশ্ন তাই শুধু—“গুন্ডা দমন হবে কি না” নয়।
প্রশ্ন আরও বড়—
আইনশৃঙ্খলার নামে সরকারের হাতে কতটা ক্ষমতা দেওয়া হবে?
সেই ক্ষমতার অপব্যবহার কীভাবে আটকানো হবে?
এবং কোনও আইন যেন কোনও সম্প্রদায় বা রাজনৈতিক বিরোধীকে টার্গেট করার হাতিয়ার না হয়ে ওঠে, তার নিশ্চয়তা কোথায়?
কঠোর আইন নয়, প্রয়োজন ন্যায়সঙ্গত আইন—
যেখানে অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধই হবে বিচারের ভিত্তি।


🔥 ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম Gen-G দের, গণআন্দোলনের মুখে কি পিছু হটবে প্রশাসন?​গণতন্ত্র রক্ষা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এখন চ...
24/09/2026

🔥 ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম Gen-G দের, গণআন্দোলনের মুখে কি পিছু হটবে প্রশাসন?

​গণতন্ত্র রক্ষা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এখন চরম মুহূর্তে পৌঁছেছে! স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে—আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করেন, তবে দেশজুড়ে শুরু হবে তীব্র ও অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন।

📌🔴​অন্যায়ের দেয়াল ভাঙতে আন্দোলনের মূল ৩টি কঠোর দাবি:
​১. জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং কাদের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাঁদের পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।

২. আগামী দিনের সমস্ত নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে এবং এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

৩. ২০২৩ সালের বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল করতে হবে।
​জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত আর সহ্য করা হবে না। রাজপথ আবার গর্জে ওঠার অপেক্ষায়।

​📢 আপনার মত জানান: এই দাবির পক্ষে আপনার অবস্থান কী? হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ছড়িয়ে দিন প্রতিবাদের কণ্ঠ!

​

📌🔴বামপন্থীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা কেন?গড়বেতা, চন্দ্রকোনা, শালবনি সহ জেলার সব জায়গাতে পুলিশের সহযোগিতায় বিজেপির আক্র...
24/09/2026

📌🔴বামপন্থীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা কেন?
গড়বেতা, চন্দ্রকোনা, শালবনি সহ জেলার সব জায়গাতে পুলিশের সহযোগিতায় বিজেপির আক্রমণ পার্টি নেতা কর্মীদের উপর এর প্রতিবাদে,

বিজেপির সব অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং রাজ্যের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই দাবি ও প্রতিবাদে 'এসপি অফিস অভিযান'।

গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে এই কর্মসূচিতে সামিল হোন।
* তারিখ: ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার
* সময়: বেলা ১১ টা
* জমায়েতের স্থান: বিদ্যাসাগর হল ময়দান
* প্রধান বক্তা: কমরেড মীনাক্ষী মুখার্জি ও অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ
* আয়োজনে: বামপন্থী দলসমূহ, পশ্চিম মেদিনীপুর
আসুন, প্রতিবাদের এই লড়াইয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইকে জোরদার করি!


📌🔴ভাঙড় মহাবিদ্যালয়ে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু!অথচ ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী পর...
22/09/2026

📌🔴ভাঙড় মহাবিদ্যালয়ে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু!

অথচ ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী পরপর দুইবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রশ্নই নেই — দুজনেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রায় সমান (নওশাদ সিদ্দিকী স্নাতকোত্তর/এম.এ, সায়ন্তন বসু পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, হলফনামা অনুযায়ী)।

তাহলে প্রশ্ন একটাই — পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ কলেজে এলাকার বিধায়কই যেখানে সভাপতি হন, ভাঙড়ের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম উল্টে গেল কেন?

🔴শুধু নওশাদ সিদ্দিকী বিরোধী দলের বিধায়ক বলে?

আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি — যে যে বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক নেই, সেখানকার কলেজগুলোতেও বিজেপি নেতাদেরই বসানো হচ্ছে গভর্নিং বডির মাথায়। এই তো সেই "দলতন্ত্রমুক্ত শিক্ষা"র নমুনা, যার প্রতিশ্রুতি ওরা দিয়েছিল!

বামফ্রন্টের আমলে শিক্ষায় "অনিলায়ন" নিয়ে যাদের গলা ফাটাতে দেখেছি আনন্দবাজার-এবিপি আনন্দ-প্রতিদিনের পাতায়, আজ একই প্রক্রিয়া নতুন নামে চলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ যেন দলীয় আনুগত্যের আয়না।

শিক্ষায় গণতন্ত্র ফেরানোর কথা যাঁরা বলেন, তাঁদের কাছেই প্রশ্ন — এটা কোন গণতন্ত্র?

এরাজ্যের শিক্ষিত সমাজের কাছে আহ্বান — শিক্ষায় এই দলতন্ত্র, এই ধর্মীয় মেরুকরণ, মনুবাদী প্রভাবের শিকল ভেঙে ফেলুন। শিক্ষায় প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনুন।

#ভাঙড় #নওশাদ_সিদ্দিকী #সায়ন্তন_বসু #শিক্ষায়_দলতন্ত্র

Address

Garhbeta

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Red Army of Garhbeta গড়বেতার লাল ফৌজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Red Army of Garhbeta গড়বেতার লাল ফৌজ:

Shortcuts

Share