Balakram Saren

Balakram Saren Fight for ST reservation

17/05/2026

'একতা' র জোরে কীভাবে 'মিথ্যা' টাকেও 'সত্য' হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়, অন্তত প্রতিবেশীদের দেখে আদিবাসীদের শেখা উচিত।

14/05/2026

Fake ST আদিবাসীদের বর্তমান সব থেকে বড় সমস্যা। আমি আনন্দিত যে মন্ত্রী মশাই অন্তত এটা বুঝতে পেরেছেন।

12/05/2026

সরকার যেরকম গর্জন করছে, সেরকম বর্ষন হলে ফেকুদের কপালে দুঃখ আছে। হোক চিরুনি তল্লাশি।

08/04/2026

যেকোনো বিষয়ে আদিবাসীরা বিচার পায় না, তার একটাই কারণ, আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে সরকারে যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তারা কিছু বলেন না বলে । আদিবাসীদের সমস্যা তুলে ধরার জন্য আমরা সরকারে কাছে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি, আর সরকার এদের ব্যবহার করছে আদিবাসীদের বিক্ষোভ-মিছিল ভেস্তে দেওয়ার জন্য।

অপরদিকে, আদিবাসী সামাজিক সংগঠনের নেতাগুলো হয়েছে আর এক যন্ত্র। আদিবাসীরা এত বঞ্চনা হচ্ছে, চাকরির দিক থেকে বলুন বা জল-জঙ্গল-জমির অধিকার কিংবা মাতৃভাষায় শিক্ষা দিক থেকে বলুন, তবুও এরা MLA MP দের মাথায় তুলে রেখেছে !!! আদিবাসী MLA MP দের বিরুদ্ধে কিছু বলে না। বরং উল্টে বড় আদর করে, নাচতে নাচতে নিজেদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যায়। জনপ্রতিনিধিরা যখন আমাদের সমস্যার কথা বলছেন না, তাহলে ওদেরকে এত আদর আপ্যায়ন কীসের??? না কাজ করে যদি এত সম্মান পায়, এত ভোট পায়, তাহলে সরকারের কাছে আদিবাসীদের সমস্যা কেন বলতে যাবে এরা ?

এইযে যারা নিজেদেরকে সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন বলে দাবী করে, তথাকথিত আদিবাসীদের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন করে, তাদের নেতাগুলো সমাজ মাধ্যমে কোনোদিন সরকার বা আদিবাসী MLA MP দের বিরুদ্ধে লিখতে দেখেছেন বা বলতে দেখেছেন??? এই মেকি সামাজিক সংগঠনের নাটকের জন্যই পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসীদের এই হাল। এই যে 370 জন মত আদিবাসী বেকার যুবক পুলিশ চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও হবে, এর বিরুদ্ধে আদিবাসী বিধায়ক /বিধায়িকা বলবেন না তো কে বলবে??? নাকি এই ভাবেই চলতে থাকবে???
ভুয়ো আদিবাসী (Fake ST) সারা পশ্চিমবাংলা দখল করছে, এর পরিণাম যদি MLA MP দের মত সামাজিক সংগঠনের নেতারাও না বুঝতে পারে তাহলে আর বলার কিছু নেই।

16/03/2026

সাবধান!পঃবঙ্গে যারা ST সিটে দাঁড়াচ্ছেন, ভেবে চিন্তে দাঁড়াবেন। কাজ না করলে WBSTWA আপনাদের ঘুম হারাম করে দিতে প্রস্তুত।

08/03/2026

প্রোগ্রাম তো ছিল ইন্টারনেশনাল সান্তাল কাউন্সিলের কনফারেন্স, এটা কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম নয় । এখানে রাজনীতি কোথা থেকে এল? মহামহিম রাষ্ট্রপতি কে অপমান করে এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজের ভুল ঢাকবার জন্য পাগলের মত প্রলাপ করছে। মুখ্যমন্ত্রীর এ কি প্রতিক্রিয়া!!! বলার স্টাইলটা কি ছিরি!! একেবারে আদিবাসী ভালোবাসা যেন গদগদ উপছে পড়ছে!! উনি বলছেন, বছরে যদি পঞ্চাশ বার রাষ্ট্রপতি আসেন, অথবা কখনও A, কখনও B, কখনও C,..... D, E তাহলে ওনার কি কোনো কাজকর্ম নেই? রাষ্ট্রপতির পিছনে ঘুড়ির মত উড়তে থাকবেন ????

মহাশয়া, আপনার কাছে প্রশ্ন, কতবার রাষ্ট্রপতি পশ্চিমবঙ্গ সফর করেছেন??? মাসে দুটো করে নাকি??? ABCDE এতগুলো রাষ্ট্রপতি কোন দেশের??? আদিবাসী রাষ্ট্রপতি বলেই কি এত তাচ্ছিল্য, এত অপমান ??? একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রতিক্রিয়া দেখে তামাম পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী, আমরা অত্যন্ত ব্যথিত এবং মর্মাহত।
অপরদিকে দেখা গেল, এই রাজ্যের দুই যুযুধান আদিবাসী মহিলা মন্ত্রী, কোন গর্ত থেকে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে বেরিয়ে নতুন বর্ষার "বারুঃডাং" এর মত বিশাল আওয়াজ করছেন। বাপরে বাপ! কি যুক্তি!!!
প্রশ্ন তুলেছেন আসাম, মনিপুরের মত রাজ্যে যখন আদিবাসীদের উপর অত্যাচার হচ্ছিল, মহামহিম রাষ্ট্রপতি কেন চুপ ছিলেন? কিংবা পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসীদের উন্নয়ন নাকি গরম দুধের মত ফুলেফেঁপে একেবারে উথলে পড়ছে।
তার রিপোর্ট কার্ডও নাকি তৈরী হয়ে গেছে।
বলি মন্ত্রী মহোদয়া, মহামহিম রাষ্ট্রপতি এখানে রাজনীতি করতে আসেননি। আপনাদের রাজ্যের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার মত জেলায় আদিবাসী মহিলাদের রেপ, গ্যাং রেপ, মার্ডার, বুটপায়ে লাথি সিরিয়াল অত্যাচার অব্যাহত। আপনাদের প্রশাসন আদিবাসী মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ - তার ইতিহাস বলতে মহামহিম এখানে আসেননি। দেওচা পাঁচামি, অযোধ্যা পাহাড় থেকে আদিবাসীদের উচ্ছেদের করুন কাহিনী বলতে আসেননি। বনাধিকার আইন 2006 এখনও কেন লাগু হলনা - তার কারণ জানতে আসেননি। পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসীদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র FAKE ST প্রদানকারী রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করতে আসেননি। রাজ্যের আদিবাসীদের সংখ্যা আশি লক্ষের জায়গায় এক কোটি ষাট লক্ষ ST certificate কাদের দেওয়া হল - তার কারণ চাইতে আসেননি। তিনি এসেছেন নিজের জাতভাই, সাঁওতাল সম্প্রদায়ের এক ভাতৃত্ববন্ধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সত্যিই মন্ত্রী মহোদয়াদের inteligence and foresight দেখে appreciate করতেই হয়, কারণ, এই সময় মহামহিম রাষ্ট্রপতির বঙ্গ সফর নাকি বিজেপির diplomatic strategy. মহামহিম নাকি বিজেপির শিখিয়ে দেওয়া বুলি আওড়াচ্ছেন।
বাহ! কি বুদ্ধি!!! আচ্ছা, বলুনতো, আদিবাসী রাইটার্স এসোসিয়েসন, জামশেদপুরে অনুষ্ঠানে কি মহামহিম রাষ্ট্রপতি রাজনীতি করতে গিয়েছিলেন? অলচিকি সেন্টিনারি, দিল্লি অনুষ্ঠানে কি রাজনীতি করতে গিয়েছিলেন? পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মুর জন্মস্থানে কি রাজনীতি করতে গিয়েছিলেন?

আর আপনারা কার বুলি আওড়াচ্ছেন??? এটা কি লোকে বুঝতে পারছেন না???

হিম্মত থাকলে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিন।
1)আপনাদের সরকারের চিহ্নিত করা 36 হাজার (বাস্তবে অনেক বেশি) fake ST certificate কবে বাতিল হবে???
2) বনাধিকার আইন 2006 কবে লাগু হবে?
3)সাঁওতালি মাধ্যমে শিক্ষার জন্য শিক্ষক নিয়োগ ও বোর্ড গঠন কবে হবে???

07/03/2026

আজকে আবার মনে করিয়ে দিল Whatever you are, you are a Tribe.

03/03/2026

ভিতরে ভিতরে সরকারের সঙ্গে ইন্টুমিন্টু, প্রকাশ্যে অধিকারের জন্য আন্দোলন। চিত্রনাট্য গুলো অনেক কাঁচাকাঁচা মনে হচ্ছেনা????

"হস্টেল" ছাড়া যাবে না। কারণ, অতীতে দেখা গেছে আদিবাসী ছেলেমেয়েদের শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে হস্টেলের এক যুগান্তকারী অবদান...
20/02/2026

"হস্টেল" ছাড়া যাবে না। কারণ, অতীতে দেখা গেছে আদিবাসী ছেলেমেয়েদের শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে হস্টেলের এক যুগান্তকারী অবদান। শিক্ষার সাথে হস্টেলের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আজকে যে সমস্ত আদিবাসী ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি পেয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন; ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, থেকে শুরু করে প্রফেসর, টিচার ম্যানেজার, অফিসার, সহ বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করছেন, তাদের মধ্যে প্রায় 80/90 শতাংশ ব্যক্তি হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেছেন। আজ থেকে 40/50 বছর আগে আদিবাসীদের আর্থিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ ছিল। প্রত্যেক পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র এবং অশিক্ষিত। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার বিষয়ে সেরকম সচেতন ছিল না। স্কুল কলেজও বাড়ি থেকে অনেক দূরে দূরে ছিল। সেই সময় আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জীবনে হস্টেলে থেকে যে কতখানি উপকৃত হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না। সেই সমস্ত হস্টেল এখন মুখথুবড়ে পড়ে আছে। ফলস্বরূপ আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের স্কুলছুট সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।
ভাবিয়ে তুলেছে আদিবাসী সমাজ । হয়তো দিনকাল অনেক পরিবর্তন হয়েছে। শিক্ষায় নানারকম আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। হস্টেল পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু এই পরিবর্তন আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে খুব একটা সহায়ক হয়ে উঠেনি, বরং ক্ষতিই হয়েছে । কতিপয় ছাত্রছাত্রী, হস্টেল স্টাইপেন্ড না জমার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ পুরো হস্টেল বন্ধ করার অজুহাত পেয়ে যাচ্ছে । বর্তমান সারা পশ্চিমবাংলা জুড়ে অনেকগুলো আদিবাসী হস্টেল বন্ধ হয়ে আছে। ফলে অনেক ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা চালাতে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এভাবে বন্ধ হয়ে থাকলে আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা লাটে উঠবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী প্রকল্পের লাইনে আদিবাসী যুবক-যুবতীর সংখ্যা একেবারেই কম। কোথাও কোথাও শূন্য। তাহলে কি মাধ্যমিক পাসের আগেই সব গুডবাই? হস্টেল বন্ধ হওয়ার যে একটা খারাপ প্রভাব পড়েছে এটা অস্বীকার করা যায় না।
যাইহোক, যেভাবেই হোক হস্টেল আবার চালু করতে হবে। তাই Fake ST বিরুদ্ধে আন্দোলন পাশাপাশি বন্ধ হস্টেল খোলার দাবীতে, সীমিত শক্তি দিয়ে যতটা লড়াই করা সম্ভব, পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইতিমধ্যে পুরুলিয়া জেলা শাখা EMRS চালু করতে পেরে একটা ঐতিহাসিক স্মারক তৈরী করলেন। তার আগেও দেখেছেন, এক আকস্মিক ঘটনার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ বড়গড়িয়া গার্লস হস্টেল বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। তৎক্ষণাৎ পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতির হস্তক্ষেপে কর্তৃপক্ষ হস্টেল খুলতে বাধ্য হয়। এভাবেই বন্ধ হস্টেল খোলার দাবীতে সমিতির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে, সমিতির শালতোড়া ব্লক শাখা আন্দোলনের ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শালতোড়া আদিবাসী গার্লস হস্টেল পুনরায় চালু করার জোরকদমে তোড়জোড় চলছে। মেদিনীপুর টাউনের রাণী শিরোমণি আদিবাসী হস্টেল বিল্ডিং ও বাউন্ডারি ভগ্ন দশার কারণ ছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি, মেদিনীপুর জেলা শাখা ও সহযোগী সংগঠন হস্তক্ষেপে হস্টেলের রিপিয়ারিং কাজ চলছে। নজর এবার কোলকাতা সিধু-কানু ভবনের ফ্রি কোচিং সেন্টার। বহুদিন ধরে এই কোচিং সেন্টার বন্ধ হয়ে আছে। বিভিন্ন চাকরির জন্য আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের এখানে ফ্রি কোচিং দেওয়া হত। কোন অজ্ঞাত কারণে এটা বন্ধ হয়ে আছে - তা জানতে সমিতির সদস্য শেষ দেখে ছাড়বে। চলুক এই ভাবে নিরবিচ্ছিন্ন আন্দোলন। আরো এগিয়ে আসুক আদিবাসী জেন-জি। যেমন করেও হোক আদিবাসী ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়মুখী করতেই হবে। শিক্ষা ছাড়া যেকোনো জাতি ধ্বংস হতে বাধ্য।

(ছবিতে পঃবঃ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি, যুবা শাখার কিছু নেতৃত্ব।)

06/02/2026

পশ্চিমবঙ্গে এত Fake ST সৃষ্টি হওয়ার পিছনে নানা রকম কারণের মধ্যে একটা বড় কারণ অবশ্যই আদিবাসী সংগঠনগুলির অবহেলা (neglegence) মনোভাব। আজ থেকে 30/35 বছর আগেও বেশ কয়েকটি সংগঠন যথেষ্ট সক্রিয় ছিল। তাদের মধ্যে অন্যতম একটি হল অখিল ভারতীয় আদিবাসী বিকাশ পরিষদ। তৎকালীন নেতৃত্ব, পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নয়ন দপ্তরের সাথেও যথেষ্ট ভালো যোগাযোগ ছিল। এমনকি, কিছু কিছু সময় এই সংগঠনের সুপারিশের মাধ্যমে আদিবাসীদের কাস্ট সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। এই সুপারিশ করতে গিয়ে অনেক সময়, জেনে বা না জেনে "অ-আদিবাসী" ব্যক্তিকে আদিবাসী হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে । আসলে, সরকারের কাছে আদিবাসী চিহ্নিত করণের strong machinery সেরকম ছিলনা, এখনও নেই। CRI, Ethnography Survey of india বড় দুর্বল, পরনির্ভরশীল ও রাজনৈতিক কলুষিত গভর্নমেন্ট অর্গানাইজেশন । সেই সময়, অখিল ভারতীয় আদিবাসী বিকাশ পরিষদ ST identification সংক্রান্ত কিছু সরকারি স্বীকৃতি আদায় করতে পারলে Fake ST অনেকটা আটকানো যেত।

আজকে আসাম সরকার, টি-ট্রাইব সহ ছয়টা জাতিকে ST করার রেকমেন্ডেড করেও
এরা ST status পাচ্ছে না। কারণ, আসামে Co-ordination Committee of the Tribal Organisations of Assam (CCTOA) একটা Constitutional approved body. এই বডি কোনোমতেই রেকমেন্ড করছেনা। তাদের সাফ সাফ বক্তব্য, ঐ ছয় জাতি বহিরাগত। বর্তমান থাকা ST দের রাজনৈতিক, সামাজিক ও জমির অধিকার অক্ষত রাখার জন্য তারা বিরোধীতা করে যাবে। আসামে আদিবাসী চিহ্নিত করণের একটা বড় মেসিনারি এই CCTOA.

আসামের মত আমাদের এই রাজ্যে কোনো আদিবাসী সংগঠন এই জাতীয় কোনো স্বীকৃতি আদায় করতে পারিনি, ভবিষ্যতে আদায় করতে পারব কিনা সেটা সময়ই বলবে। তবুও সমস্ত আদিবাসীদের অধিকার আদায়ের স্বার্থে, এক জোটশক্তি গড়ে তোলার মহান প্রয়াস United Forum of All Adibasi Organisation (UFAAO). যদি এই Alliance power কোনো ভাবে, কোনোদিন, আদিবাসী চিহ্নিত করণে সরকারি স্বীকৃতি পায় তাহলে আদিবাসীদের হিতার্থে অনেক কিছু করা সম্ভব হবে। আজকে এত ভুয়ো আদিবাসী(Fake ST) বাছতেও এই alliance যথেষ্ট সদর্থক ভূমিকা পালন করতে পারত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে এখনো আমরা UFAAO কে সেভাবে শক্তিশালী করতে পারিনি। ইস্যু ভিত্তিতেও সবাই এক প্লাটফর্মে আসতে পারছিনা। ফলে কাঙ্খিত শক্তি অর্জন করতে ব্যর্থ হচ্ছি। স্বাভাবিক কারণেই সরকার UFAAO কে সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কেউ বা কোনো সংগঠন যদি সত্যিই আদিবাসীদের কল্যাণার্থে আন্দোলন করেন, তাহলে জোটশক্তির মাধ্যমে আন্দোলনই হবে সব থেকে fruitful and effective আন্দোলন ।
সুতরাং, কেউ যদি মনে করেন যোগ্য নেতৃত্বের ঘাটতি আছে, কোনো ব্যাপার না, আপনারা এগিয়ে আসুন, সবাই মিলে আদিবাসীদের কল্যাণার্থে কাঁধেকাঁধ মিলে আন্দোলন করি।

Address

Durgapur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Balakram Saren posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category