THH

THH বাড়িয়ে দাও ,তোমার হাত!

31/08/2019
21/02/2019

"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি..."

আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে, বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী সেই মহান বঙ্গ সন্তানদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য...

পূর্ণ অনুভূতির সাথে উচ্চারিত হোক..." মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা! তোমার কোলে, তোমার বোলে, কতই শান্তি ভালবাসা!..."

Best of luck Blooming Buds' Academy... go ahead
25/12/2018

Best of luck Blooming Buds' Academy... go ahead

📢💡📖✒️🤝
09/09/2018

📢💡📖✒️🤝

09/09/2018

পাঁচে যখন সবাই মেসেঞ্জার এবং হোয়াটস অ্যাপ চেক করছেন কটা মেসেজ এল প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্রদের থেকে, কিংবা কোন পোষ্টে আমায় ট্যাগানো হল কিনা দেখতে, কিংবা আপন প্রতিষ্ঠানের জৌলুষময় শিক্ষক দিবস উৎযাপনের ছবি পোষ্টিয়ে হাম কিসিসে কম নেহি বোঝাতে তখন আমি আমাতে নেই! প্রতিষ্ঠানে ছোঁ মেরে ভোঁ করে অন্য কোথাও! কাল এবং সময়ের ফ্রেমে ধরা অন্য কোথাও এবং কালহীন-সময়হীন-ফ্রেমহীন অন্য কোথাও, কোন এক স্পর্শহীন-অনুভবনীয় স্বপ্নিল ছায়ায়!

ইতিমধ্যে রাধাকৃষ্ণানজী ফিকে হয়ে এসেছেন। কাগজে আর্টিকেল নেই, ফেসবুকে অনুষ্ঠানের সেলফি কমে গেছে, হোয়াটস অ্যাপে হ্যাপি টিচার্স ডের পোষ্টার অপসৃয়মান, জগত যথারীতি জাগতিক। থ্রি সিক্সটি ফাইভ মাইনাস ওয়ানের করাতে স্ট্যাম্পড ‘কেবল ফোকটে মাইনে নেয়’ শ্রেণি।

তবুও আবার কলরব, আবার কোলাহল। আবার দায়, আবার দায়িত্ব, আবার কর্তব্য। আবার অপেক্ষা আসছে পাঁচের।

সব কিছুই গা সওয়া কেননা সব কিছুই প্রবাহমান। এবং ধর্ম মতে প্রবাহ নিয়মতান্ত্রিক। কন্ডিশান চাপিয়ে না দিলে প্রবাহ বিড়ম্বনাহীন কুলুকুলু নিষ্কলঙ্ক প্রবাহ। কিন্তু প্লাবন? প্লাবন বেড়াহীন, বাঁধহীন উচ্ছ্বাস! থিতিয়ে গিয়েও যার উর্বরা শক্তি চাষিকে বংশ পরম্পরায় বাঁচতে শেখায়। বুঝতে শেখায় জীবনে ভেজাটা সত্যিই কতটা জরুরী।

বাবা কি তবে প্লাবন ছিল?

অববাহিকার স্পন্দন অন্তত সে কথাই বলল।

যদি হয়ও বা সে আখ্যানে আপনার কি? ছোটা বিষ্ণুর নার্সিসাস প্লেজার বা পিত্রিমৃত সেবনের ঢেঁকুর আপনার কোন কম্মে লাগবে শুনি?

--লাগবে যদি আপনি শিক্ষক হন, লাগবে যদি আপনি দরদী হন, লাগবে যদি আপনি শিক্ষকের মূল্যায়নে আগ্রহী হন, লাগবে যদি আপনি শিক্ষকতার গভীরতা মাপতে চান।

শুকারুরকুঠি উচ্চ বিদ্যালয়। থানা দিনহাটা, জেলা কুচবিহার। ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া মুসলিম অধ্যুষিত অপাংতেয় গ্রাম। ২০১৮ তেও যেখানে ট্রেন তো দূর অস্ত সরকারি বাস পরিষেবা মেলে না।

এ হেন গ্রামীণ পরিমণ্ডলে স্কুল কেবল একটি প্রতিষ্ঠান মাত্র নয়—এলাকার আশা-ভরসা-আকাঙ্ক্ষা-আবদারের মাতৃময়ী প্রতিরূপ! বিতর্কাতীতভাবে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের প্রাক্ষোভিক আত্মীয় হয়ে ওঠে।

এখানে বলে রাখা দরকার যে, মনস্তাত্মিক দিক দিয়ে মানবজীবনের ক্রিটিক্যাল এজ হল টিন এজ যেখানে বাল্যের অতিসরলতা ক্রমশ হটতে থাকে আবার জীবনের জটিলতা যাকে গ্রাস করতে পারে না। ফলত প্রাক্তন হয়েও ছাত্রছাত্রীদের আবদার মেটাতে হয় স্কুলকে।
তাই এ বছর যখন ওখানে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা The Helping Hand নামে একটি এনজিও গড়ে ওঠে সদস্যবর্গ আবদার করে শিক্ষক দিবসেই তারা তাদের যাত্রা শুরু করবে এবং সেটা তাদের প্রাণের স্কুলে।

কিন্তু কেন? প্রশ্নটা এইখানে।

সাধারণভাবে বঙ্গদেশে কোন মঙ্গলময় শুভ কাজের সূচনা হয় আকাশে গ্রহাণুর নড়ন-চড়নের উপর নির্ভর করে পঞ্জিকা মিলিয়ে—হোক তা বিবাহ-অন্নপ্রাশন বা পূজা-পার্বণ। যতদূর জানি এই পাঁচে সে রকম বিশেষ কিছু ছিল না। তাহলে কি ছাত্রদের মনের আকাশে সেদিন কোন নক্ষত্রের উত্থান-পতন বা আয়ন আবেশিত ছিল?

উত্তর অবশ্যই হ্যাঁ। সূক্ষ্ম মনস্তত্ব সে কথাই প্রমাণ করে।

দ্বিতীয়ত অনুষ্ঠান মঞ্চের নামকরণ করা হল স্বর্গীয় নীরেন্দ্র কিশোর বিষ্ণু মহাশয়ের নামে।

হতেই পারে বা হওয়াটা মোটেই আন-কমন নয়। বরং এটাই নব্য রীতি। কিন্তু বাবা তো অবসর নিয়েছেন ২০১০-এ, প্রয়াত হয়েছেন ২০১১-তে! তাহলে এতদিন পরে হঠাৎ আজ কেন? শেকড় কি অনেক গভীরে?

ছেড়ে দিন।

অনুষ্ঠান মঞ্চের পেছনে যে ফ্লেক্স লাগানো হল তার একদিকে রাধাকৃষ্ণানের ছবি অন্যদিকে বাবার। কেন? সেটাও কি ডিজাইনিং ফিল আপ করতে? কোরেলের ঘাটতিতে?
হতে পারে। হতে দিন।

অনুষ্ঠান শুরুর প্রথমে ফাঁকা মঞ্চে দেখলাম একদিকে একটি চেয়ারে রাধাকৃষ্ণানের প্রতিকৃতি, অন্যদিকে বাবার।
গুড। অনুষ্ঠান শুরু হতেই দুটো ছবি কাছাকাছি চলে এল। চলল পুস্পার্ঘ অর্পণ। নিমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে আমিও সামিল যথারীতি। হঠাৎ বাবার বহু আগে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষাসাথী খয়রাত হোসেন (আমার কাছে খয়রাতকাকু) বাবার ছবিতে ফুল দিতে গিয়ে কেঁদে উঠলেন। কেন? নেহাত কলিগ? নেহাত দাদা আর নেই বলে?

বেশ ছেড়ে দিন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রীযুক্ত প্রসন্ন কুমার বর্মণ। উদ্বোধকের ভাষণ চলছে। হঠাৎ উঠে এল এত কিছুর পরেও তাঁর জাতীয় স্বীকৃতি না পাবার প্রসঙ্গ। লজ্জিত আমি মাথা নামালাম। বেঁচে থাকলে বাবাও হয়ত মাথা নামাতেন।

নটে গাছটি মুড়লো আমার কথা ফুরলো। বা বলা ভাল ইচ্ছে করেই ফুরিয়ে দিলাম।
যা বললাম না তা হল, বাবা এলাকার জন্য কি করেছিলেন? শুধুই পড়িয়েছিলেন? শুধুই কিছু ডিগ্রিধারী বানিয়েছিলেন? শুধুই চাকরি করেছিলেন? শুধুই মাইনে নিয়েছিলেন?

হয়ত না। হয়ত কেন আলবাত না। এবং না জন্যেই ক্রমক্ষয়িষ্ণু সমাজের বুকে আজও তিনি বেঁচে আছেন মৃত্যুর এত বছর পরেও।

# সঞ্জয় বিষ্ণু-র কলমে...

"আপনিও আমন্ত্রিত"
25/08/2018

"আপনিও আমন্ত্রিত"

Please do come...
18/08/2018

Please do come...

ক্ষুদিরাম,  বিস্মৃতির অতল তলেহারিয়ে যাওয়া এক নাম। কে তুমি? কী তোমার পরিচয়?অবাক হয়োনা- প্রশ্নটা যদি তোমাকেও শুনতে হয়। আঁখ...
10/08/2018

ক্ষুদিরাম,
বিস্মৃতির অতল তলে
হারিয়ে যাওয়া এক নাম।
কে তুমি? কী তোমার পরিচয়?
অবাক হয়োনা-
প্রশ্নটা যদি তোমাকেও শুনতে হয়।
আঁখি ছলছল, ব্যাথিত চিত্ত,
আর একটা দীর্ঘশ্বাস,
এটুকুই হোক তোমার উত্তর, ব্যস।
ব্রিটিশরাজ নিধন রণে
তুমি ছিলে নিবেদিত প্রাণ,
দেখছ কি তুমি? সাকার তোমার স্বপ্ন
সার্থক তোমার আত্ম-বলিদান।
কিন্তু,
এই অভাগা দেশে, আর একবার,
তোমার বড়ো প্রয়োজন,
খাঁটি দেশপ্রেমের ভূ-লুন্ঠিত ধ্বজাখানি
তুমি ছাড়া, কে করবে উত্তোলন?
আর একটিবার ফিরে আসো-
ফিরে আসো তোমার মাসির কোলে,
জানিয়ে দাও দৃঢ় কন্ঠে-
তুমি অগ্নিশিশু, তুমি ক্ষুদিরাম,
বাংলা মায়ের দামাল ছেলে।
আজ তোমার প্রয়াণ দিবসে
আমার এ তুচ্ছ লেখনী, আনত আমার শির,
জানাই তোমাকে শতকোটি সেলাম
হে মহান বীর।

‘......কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি’- হ্যাঁ, তিনি আছেন। যদিও সাতাত্তরটি বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে কালের নিয়মে। কিন্তু তাঁ...
07/08/2018

‘......কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি’- হ্যাঁ, তিনি আছেন। যদিও সাতাত্তরটি বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে কালের নিয়মে। কিন্তু তাঁকে নিয়ে যেতে পারেনি একটিবারের জন্যও আমাদের কাছ থেকে- তিনি ‘মৃত্যুঞ্জয়’, তিনি কবিগুরু, তিনি রবীন্দ্রনাথ।

পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবীর খ্যাতিমান সু-সন্তান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন ১২৬৮ সালের ২৫ শে বৈশাখ (ইং ৭ ই মে, ১৮৬১)। ‘জীবনস্মৃতি’-র অমলিন পাতায় না গিয়ে স্মরণ করতে পারি ‘কপিবুকের কবিতা’ দিয়ে শুরু ‘কবি কাহিনী’। সতেরোতেই ব্যারিস্টারি পড়তে চলে যান বিলেতে। কিন্তু শেষ না করেই ‘সোনার তরী’ সাজিয়ে ফিরে আসেন ‘বউ ঠাকুরানীর হাট’-এ।

সেই বসন্তে কবি বাইশে। হেমন্তে পেয়ে যান স্ত্রী মৃণালিনী দেবীকে। সাথে সাথে শুরু হয়ে যায় ‘প্রভাতসঙ্গীত’ ও ‘সন্ধ্যাসঙ্গীত’। আহা! কি মনোরম এই গান। একশত বছর কেন, একহাজার বছর পরেও থাকবে ‘গীতাঞ্জলী’-র সেই নোবেলের গন্ধ, একেবারে ‘নবজাতক’ রূপে।

‘ভগ্ন হৃদয়’ থেকে ‘কথা’ ও ‘কাহিনী’ শেষ করে ক্রমশ হয়ে যান তিনি পরিণত ‘আকাশ প্রদীপ’। সবকূল ছাপিয়ে ভরিয়ে দেন সাহিত্যের সবকোণা। কী নেই সেখানে? উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, রম্যরচনা আরও কত কী। পরিবার, সমাজ, দেশ, দুনিয়া কেউ নেই তাঁর লেখনী স্পর্শের বাইরে। রাজনীতি, সমাজনীতি, ধর্মীয় ভাবনা, অর্থনীতি সবকিছু ঘিরে আছে এক ঈশ্বরবাদী ভানুসিংহের জীবনদর্শনে।

জমিদারি সামলানোর দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ চলে যান শিলাইদহে। ‘চিত্রা’, ‘চৈতালী’ ও ‘মানসী’-কে সঙ্গে নিয়ে ঝোঁক দেন চিত্রকলায়। ‘শিলাইদহের চিঠি’ থেকে জানতে পারি জমিদারির ‘কামনা’ ‘বিসর্জন’ দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন ‘বলাকা’। তাঁর হাতে ফলে ‘কড়ি ও কোমল’।

দেশ পরাধীন। দেশপ্রেমিক কবির ভারাক্রান্ত হৃদয় পেতে চাইত একটুখানি মুক্তির স্বাদ। মনের কথা ‘ঘরে বাইরে’ শোনানোর জন্য বেছে নেন ইংরেজি সাহিত্যের আঙিনায় নিজের ‘গল্পস্বল্প’। ‘হোম অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’, ‘রেড ওলিয়েন্ডার’, ‘সং অফারিংস’ প্রভৃতি এই কামনারই ‘মায়ার খেলা’। ‘ওরা কাজ করে’ না বলেই তিনি বিদেশীদের অত্যাচারকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করতেন। জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে তাই ইংরেজদের দেওয়া নাইট উপাধি ত্যাগ করেন এই ‘রাজর্ষি’।

১৩৪৮ সালের ২২ শে শ্রাবণ (ইং ৭ ই আগস্ট, ১৯৪৮) কবি দেহত্যাগ করেন। ‘নৌকাডুবি’ হলেও রমেশ যেমন ডোবেনি, মধুসূদন তেমনি ‘যোগাযোগ’ রক্ষা করে চলেছে ‘চার অধ্যায়’ পূর্ণ করে। ‘চতুরঙ্গ’-এর শচীশ আজও কথা বলে প্রাণমাঝে। ‘গোরা’-র করুণা আজও অম্লান। ‘শেষের কবিতা’-র লাবন্য নিয়ে সবেতেই কবি জীবন্ত, তিনি ‘মুক্তধারা’, তিনি ‘মহামায়া’, তাঁর কোনো ‘পরিশেষ’ নেই।

হয়তো কোনো বিদেশী সমালোচকের কাছে তিনি ‘চোখের বালি’। তবে ‘গোড়ায় গলদ’ বাদ দিলে ‘চিরকুমার সভা’-র ‘কালের যাত্রা’-য় তিনি আজও ‘রাজা’।

06/08/2018

"যে প্রেম কাঁদায়, সে প্রেমই চোখের জল মুছাইয়া দেয়। হাসিতে-অশ্রুতে মানুষের চারিদিকে সৌন্দর্যের উপবন প্রফুল্ল করিয়া রাখে। প্রেম কাহাকেও চিরকাল কাঁদিতে দেয় না। প্রেম একের বিচ্ছিন্নতায় যদি কাঁদায়, সেই আবার অন্যদের কাছে টানিয়া আনে। একবার ভালো করিয়া চাহিয়া দেখ- যে গিয়াছে ইহারা তাহার কিছু কম নহে"

ছেলেবেলা কিংবা মেয়েবেলা যা-ই বলি না কেন, স্কুল শুরুর দিনগুলোতে আমাদের অনেকেরই নতুন অভিজ্ঞতার নাম হয়তো বন্ধুত্ব। পরিবারের...
04/08/2018

ছেলেবেলা কিংবা মেয়েবেলা যা-ই বলি না কেন, স্কুল শুরুর দিনগুলোতে আমাদের অনেকেরই নতুন অভিজ্ঞতার নাম হয়তো বন্ধুত্ব। পরিবারের গন্ডি ছাড়িয়ে চেনা জগতটা যে একলাফে অনেক দূর চলে গিয়েছিল, সে তো বন্ধুদের হাত ধরেই।

‘বন্ধুত্ব’ শব্দটাই যেন মনের নীল আকাশটায় ডানা মেলে উড়তে থাকা রঙিন ঘুড়ির মতো। শত ব্যস্ততার যান্ত্রিক জীবনের মাঝে যা হঠাৎ বৃষ্টির মতো এক পশলা সুখ এনে দেয়। বয়সটা যার যেমনই হোক, বন্ধুত্বের ছোঁয়ায় যেন আমরা ফিরে পাই ফেলে আসা শৈশব, কৈশোর আর ঝলমলে উচ্ছ্বাসে ভরা তারুণ্যের শক্তি।

জীবনের পথে হাঁটতে হাঁটতে আজ যে যেখানেই থাকি না কেন, চলার পথে বন্ধুত্ব নামের এই পাথেয়টির তুলনা বোধ হয় আর কিছুর সঙ্গেই চলে না। বন্ধুত্ব সবচেয়ে নিখাদ এক সম্পর্ক, যেখানে নেই কোনো ধরাবাঁধা নিয়মের বেড়াজাল। শুধু আছে আদি-অকৃত্রিম ভালোলাগার আত্মিক টান। এ এমন বিষয়, যেন কিছু না থাকলেও চলে আবার সব থাকলেও বন্ধুত্ব ছাড়া চলে না।

“বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা”-র পার্থক্য প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, ‘বন্ধুত্ব আটপৌরে, ভালোবাসা পোশাকী। বন্ধুত্বের আটপৌরে কাপড়ের দুই-এক জায়গায় ছেঁড়া থাকিলেও চলে, ঈষৎ ময়লা হইলেও হানি নাই, হাঁটুর নীচে না পৌঁছিলেও পরিতে বারণ নাই। গায়ে দিয়া আরাম পাইলেই হইল।’ কত সহজে তিনি বুঝিয়ে দিলেন বন্ধুত্বে নেই কোনো ভেদাভেদ, নেই জাতি-শ্রেণি। এভাবে দুনিয়ার অনেক মনীষীই বন্ধুত্বকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। গ্রীক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটল-এর ভাষায়, ‘বন্ধুত্ব হচ্ছে দুই দেহে বাস করা এক আত্মা।’

কিন্তু এই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা যেমন সহজ কথা নয় তেমনি তা ধরে রাখাও সহজ নয়। আমরা যত প্রবীণ হই, বন্ধুত্বের পরিধিটাও যেন তত কমতে থাকে। এককালে যে প্রিয় বন্ধু ছিল, তার খোঁজ নেওয়া হয়ে ওঠে না। ভুলে যাই অনেককে ছোট ছোট অভিমানে। আমাদের এই ছোট্ট জীবনে বন্ধুত্বের মতো দামি জিনিস খুব কম-ই আছে। তাই তো ইগো কিংবা অভিমান যাই থাকুক না কেন, এগুলোকে দূরে ঠেলে কাছে টেনে নিতে হবে বন্ধুকে। বন্ধুত্বে ছোট-বড় কিছু নেই, নেই আত্ম-অহংকারের জায়গা।

তাই সবকিছু ভুলে আজই মিটিয়ে ফেলুন বন্ধুর সঙ্গে সকল মান-অভিমান। মিটিয়ে ফেলুন ভুল বোঝাবুঝি, দেখবেন আপনার বন্ধুই আপনাকে আবার সবার আগে আপন করে নেবে। একা একা পথ পাড়ি দেওয়ার চেয়ে বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে এগিয়ে যাওয়াতেই তো জীবনের আনন্দ। তাই কল করে ফেলুন না আজ সেই বন্ধুকে, সময়ের স্রোতে খোঁজ নেওয়া হয় না যার, ছোট কারণে রাগ করে এতদিন কথা বলেননি যার সঙ্গে। কী হবে এত রাগ, এত অভিমান দিয়ে। দেখুন না আপনার এই সামান্য কথা বলাতেই আপনার বন্ধু আবার কীভাবে বন্ধুত্বের উষ্ণ চাদরে জড়িয়ে নেয় আপনাকে।

বেঁচে থাকুক বন্ধুত্ব, বেঁচে থাকুক বন্ধুদের স্মৃতি। এবারের বন্ধুত্ব দিবসে “The Helping Hand”- এর পক্ষ থেকে আমাদের এটুকুই চাওয়া।

Address

VILL+PO/SUKARUR KUTI
Dinhata
736168

Opening Hours

Monday 11am - 5pm
Tuesday 11am - 5pm
Wednesday 11am - 5pm
Thursday 11am - 5pm
Friday 11am - 5pm
Saturday 11am - 5pm

Telephone

8967156154

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when THH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to THH:

Share

Category

আমাদের উদ্দেশ্য

শুরু করা যাক কামিনী রায়-এর লেখা দিয়ে — “আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী ’পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে”।

ঠিক তাই, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। এই চিরন্তন সত্যে বিশ্বাস রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। কিছু করতে চাই মানুষের জন্য, সমাজের জন্য, পরিবেশের জন্য। সেই চাওয়া থেকেই ‘The Helping Hand- a step towards social welfare’ সগঠনটির প্রতিষ্ঠা। সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ ও তা একনিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে ‘The Helping Hand’ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অসহায় ব্যক্তির পাশে দাঁড়ানো; মানুষের মাঝে একতা, সমতা, সততা, মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া; সমাজকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা; নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলকে সচেতন করা; রোগব্যাধি, অন্ধবিশ্বাস প্রভৃতি থেকে মানুষকে দূরে রাখতে সঠিক জ্ঞান ও ধারণা প্রদান; বেকারত্ত্ব, বৃদ্ধাশ্রম, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ন্যায় সামাজিক অভিশাপের কুফল সম্পর্কে আলোচনা; অবলা জীবজন্তুদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ থেকে মানুষকে বিরত রাখা; প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসাধারনের অবগতির জন্য সচেতনতা অভিযান ও পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচী পালন; বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের মধ্য দিয়ে একটি সংস্কৃতি-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা; সাহিত্য চর্চা ও জনমত প্রকাশে সাময়িক পত্রিকার বন্দোবস্ত; এরকম আরও অনেক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমাদের পথ চলা শুরু।

‘The Helping Hand’-এর এই মহৎ উদ্দেশ্য ও উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করার জন্য আপনাদের উপদেশ, পরামর্শ, যে কোনো ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা স্বাদরে গ্রহণযোগ্য। ধন্যবাদ।