আমার শহর কোচবিহার

আমার শহর কোচবিহার আমার শহর কোচবিহার ❤ কোচবিহার জেলার সকল আপডেট পেতে এই পেজ Follow রাখুন ❤️

02/11/2025

যারা নিজের বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছিল, আজ তারা বাবা মায়ের নাম খুঁজছে 2002 সালের ভোটার লিস্টে😊
©

📢 অফিসিয়াল আপডেট 📢রুট ১: কোচবিহার হইতে দীঘা।কোচবিহার থেকে দীঘা যাওয়ার NBSTC VOLVO বাসের রুট:ভায়া: ফালাকাটা, ধূপগুড়ি,...
20/05/2025

📢 অফিসিয়াল আপডেট 📢

রুট ১: কোচবিহার হইতে দীঘা।

কোচবিহার থেকে দীঘা যাওয়ার NBSTC VOLVO বাসের রুট:

ভায়া: ফালাকাটা, ধূপগুড়ি, শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ বাইপাস, মালদা, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, কলকাতা, কোলাঘাট, কাঁথি।

কোচবিহার থেকে ছাড়বে: সোমবার এবং শুক্রবার।
দুপুর ২ টোয়।

দীঘা থেকে ছাড়বে: মঙ্গলবার এবং শনিবার।
দুপুর ২ টোয়।

আগামীকাল মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে উদ্বোধন হতে চলেছে* কোচবিহার -দীঘা,* আলিপুরদুয়ার-দীঘা,* জলপাই...
19/05/2025

আগামীকাল মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে উদ্বোধন হতে চলেছে
* কোচবিহার -দীঘা,
* আলিপুরদুয়ার-দীঘা,
* জলপাইগুড়ি-দীঘা,
* শিলিগুড়ি-দীঘা,
* রায়গঞ্জ-দীঘা
* মালদহ-দীঘা রুটে ৬ টি এসি ভলভো বাস।। বাসগুলি সাজানোর কাজ চলছে।।

Launching tomorrow. 🎊এবার কোচবিহার থেকে সরাসরি দীঘা যেতে পারবেন NBSTC পরিচালিত ভলভো বাসে। আগামীকাল এই রুটের উদ্বোধন হবে।...
19/05/2025

Launching tomorrow. 🎊

এবার কোচবিহার থেকে সরাসরি দীঘা যেতে পারবেন NBSTC পরিচালিত ভলভো বাসে। আগামীকাল এই রুটের উদ্বোধন হবে।

এছাড়াও আরো ৫ টি নতুন ভলভো বাস রুটের উদ্বোধন হবে।
১) শিলিগুড়ি হইতে দীঘা,
২) আলিপুরদুয়ার হইতে দীঘা,
৩) জলপাইগুড়ি হইতে দীঘা,
৪) রায়গঞ্জ হইতে দীঘা, এবং,
৫) মালদা হইতে দীঘা।

আরো তথ্যের জন্য ফলো করতে থাকুন আমাদের পেজ - আমার শহর কোচবিহার

✨আজ উত্তরবঙ্গের জন্য একটা গর্বের দিন।✨ উত্তরবঙ্গের মানুষরা পেতে চলেছেন অত্যাধুনিক ভলভো ৯৬০০ বাসের পরিষেবা। প্রায় ৯ কোটি...
18/05/2025

✨আজ উত্তরবঙ্গের জন্য একটা গর্বের দিন।✨

উত্তরবঙ্গের মানুষরা পেতে চলেছেন অত্যাধুনিক ভলভো ৯৬০০ বাসের পরিষেবা।

প্রায় ৯ কোটি টাকা খরচা করে WBTC ৬টি ভলভো ৯৬০০ বাস কেনে, কিছু মাস আগে। কথা ছিল কলকাতা থেকে পুরী, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি, কলকাতা থেকে দীঘা এবং বারাসাত থেকে দীঘা রুটে এই বাসগুলো চলবে। এপ্রিল মাসেই উদ্বোধন হওয়ার কথা থাকলেও, সেটা হয়ে ওঠেনি।

আজ কিছুক্ষণ আগে, এই ৬টি বাস উত্তরবঙ্গের জন্য রওনা হলো। সূত্রের খবর অনুসারে, খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে শিলিগুড়ি, কোচবিহার, এবং আলিপুরদুয়ার থেকে দীঘা যাওয়ার ভলভো বাস রুট। এবং সেই রুটগুলোতে এই বাস গুলোই চলবে।

প্রথমবার, NBSTC ভলভো ৯৬০০ পরিষেবা শুরু করবে। এবং NBSTC রাজ্যের এক মাত্র STU যার কাছে এই অত্যাধুনিক বাসগুলো আজ থেকে রয়েছে।

এই বাসগুলি চলবে...

* কোচবিহার হইতে দীঘা জগন্নাথ মন্দির ।
* আলিপুরদুয়ার হইতে দীঘা জগন্নাথ মন্দির ।
* শিলিগুড়ি হইতে দীঘা জগন্নাথ মন্দির ।

⚠️ বাসগুলো চালু হলে সময়, ভাড়া বিস্তারিত জানানো হবে।

ধন্যবাদ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং NBSTC চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় মহাশয়কে উত্তরবঙ্গবাসীকে এই উপহার দেওয়ার জন্য।

কোচবিহারবাসীর জন্য ধামাকা অফার 💥সবাই কোচবিহার ব্রাঞ্চে চলে যান আগামীকাল ও পরশু।ঠিকানা - রাজমাতা দীঘির দক্ষিণে।
28/04/2025

কোচবিহারবাসীর জন্য ধামাকা অফার 💥
সবাই কোচবিহার ব্রাঞ্চে চলে যান আগামীকাল ও পরশু।
ঠিকানা - রাজমাতা দীঘির দক্ষিণে।

জলঘুম ভেঙেছে রাসদণ্ডের, তৈরি হচ্ছে রাসচক্র, সামনেই রাজার শহরে রাসমেলা,, আহা কি আনন্দ: দিব্যেন্দু ভৌমিক              টানা...
13/11/2024

জলঘুম ভেঙেছে রাসদণ্ডের, তৈরি হচ্ছে রাসচক্র, সামনেই রাজার শহরে রাসমেলা,, আহা কি আনন্দ: দিব্যেন্দু ভৌমিক
টানা ১১ মাস পরে জল ঘুম থেকে উঠে এলো 'সে' । এবার সেবা- শুশ্রুষার পর সে মাথা তুলে দাঁড়াবে। তাকে ঘিরে চলবে কাঠামো তৈরীর কাজ। সেজে উঠবে নানান সাজে।১৫ নভেম্বর থেকে টানা ১৫দিন সে সটান দাঁড়িয়ে থাকবে মহারাজাদের কুলদেবতা মদনমোহন দেবের মন্দিরে ।আর তাকে জড়িয়ে থাকা কাঠামোকে দেখতে, ছুঁতে ও ঘোরাতে লক্ষ মানুষের ভিড় আছড়ে পড়বে ।কিন্তু সে সটান দাঁড়িয়ে থেকে সমস্ত সয়ে যাবে ।কেউ তাকে দেখতেও পাবে না ।১৫ দিন পর সে আবার আশ্রয় নেবে বৈরাগী দিঘির জলে ।১১ মাসের জন্য।
'সে ' কোচবিহারের মহারাজাদের কুলদেবতা মদনমোহন দেবের রাসচক্রের ' রাসদন্ড'। ৩৩ ফুটের শালবল্লা বা আস্ত এক শাল গাছ ।জলদাপাড়ার জঙ্গল থেকে সে এসেছে। রাজ আমল থেকেই ৩৩ ফুটের শাল গাছের রাসদন্ডে তৈরি হয় ' রাসচক্র'। আর যা ঘুরিয়ে ঐতিহ্যবাহী রাসযাত্রার উদ্বোধন হয় ও মেলার মাঠে রাসমেলা আবর্তিত হয়। ১৯৯২ সাল থেকে রাসচক্র ঘোরাচ্ছেন কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের সভাপতি জেলা শাসকরা। আগে ঘোরাতেন মহারাজারা।কিন্তু ক'জন জানেন রাসদণ্ডের এই জলঘুমের কথা!
মঙ্গলবার দুপুর। ঘড়ির কাঁটায় তখন ১২ টা বেজে ১০ মিনিট।মদনমোহন ঠাকুরবাড়ির বৈরাগীদিঘী থেকে জনা কুড়ি লোক দড়ি বেঁধে জল থেকে তুলে আনেন ' রাসদণ্ড' । এই দৃশ্য দেখতে ব্যাপক ভিড় জমে যায় রাজপথে। অনেকই এগিয়ে গিয়ে অগ্রীম প্রণামটা সেরে নেন। অর্থাৎ কোনো কারণে রাসচক্র ঘোরাতে না পারলেও, কিছুটা তো করে রাখা গেল। ব্যাপারটা অনেকটা সেরকমই। জলে কাঠ ভালো থাকে। তাই বৈরাগী দিঘির জলেই রাখা হয়। জল থেকে তুলে আনার পর ধূপ,রঞ্জক নানান জিনিস দিয়ে প্রয়োজনীয় মেরামতির কাজ করা হয় ।তারপর তাকে দাঁড় করিয়ে রাসচক্র নির্মাণ হয়। যদিও বর্তমান রাসদণ্ডটি বেশি পুরনো নয়। উল্লেখ্য ১৫ নভেম্বর রাসচক্র ঘুড়িয়ে মদনমোহন দেবের ' রাসযাত্রা' - র উদ্বোধন করবেন জেলা শাসক। আগে ঘোরাতেন মহারাজারা। ১৬ নভেম্বর রাস ময়দানে শুরু হবে দুই পক্ষকাল ব্যাপী ২১২- তম রাসমেলা।
Right & photos : Dibyendu Bhowmik

কোচবিহার রাসমেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ✅যারা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক তাড়াতাড়ি নাম নথিভুক্ত করুন ৬ ই নভেম্বরের মধ্যে।
25/10/2024

কোচবিহার রাসমেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ✅
যারা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক তাড়াতাড়ি নাম নথিভুক্ত করুন ৬ ই নভেম্বরের মধ্যে।

Rail Coach Restaurant, New Coochbehar ❤️🤩
03/06/2024

Rail Coach Restaurant, New Coochbehar ❤️🤩

দিনরাত গোবর নিয়ে চর্চা করা মানুষ গুলোর শুভ বুদ্ধির উদয় হোক 🤞দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দেশ এমনিতেই বদলে যাবে ❤️
07/05/2024

দিনরাত গোবর নিয়ে চর্চা করা মানুষ গুলোর শুভ বুদ্ধির উদয় হোক 🤞
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দেশ এমনিতেই বদলে যাবে ❤️

কোচবিহার স্টেট রেলওয়ে ছিল অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার একটি ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৭৬২ মিলিমিট...
07/05/2024

কোচবিহার স্টেট রেলওয়ে ছিল অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার একটি ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৭৬২ মিলিমিটার) ন্যারোগেজ রেল। ১৮৯৪ সালে পূর্ব হিমালয় পাদদেশে এই রেল চালু হয়েছিল। ১৯১০ সালে এটি ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) মিটারগেজে রূপান্তরিত হয়।

তখন এই রেল পথের অন্তর্গত স্টেশন গুলো ছিল

কোচবিহার স্টেট রেলওয়ে❤️

জয়ন্তী

বক্সা

রাজাভাতখাওয়া

দমনপুর

আলিপুরদুয়ার

কালজানি নদী

বানেস্বর

কোচবিহার

তোর্সা নদী

তোর্সা

দেওয়ানহাট

ভেটাগুরি

দিনহাটা

চওড়াহাট

ফলিমারি

বামনহাট / গোলকগঞ্জ পর্যন্ত (আসামের মধ্যে অবস্থিত)

গীতলদহ

গীতলদহ ঘাট

ধরলা নদী

লালমনিরহাট পর্যন্ত (বর্তমান বাংলাদেশ)

ইতিহাস❤️

১৮৯৩-৯৮ সালে কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ কোচবিহার স্টেট রেলওয়ে চালু করেন।

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ১৮৯১-৯২ সালে স্থির হয়েছিল যে কোচবিহার শহরের বিপরীত দিকে তোর্সা নদীর দক্ষিণ তীর থেকে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের গীতলদহ পর্যন্ত একটি ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৭৬২ মিলিমিটার) দীর্ঘ ন্যারোগেজ রেলপথ নির্মিত হবে যা ধুবড়ি (অধুনা অসম রাজ্যে) স্টেশনকে লালমনিরহাট (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রে) স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত করবে। এই লাইন নির্মিত হওয়ার সময় এর স্টেশনগুলি ছিল: তোর্সা, দেওয়ানহাট, চওড়াহাট, গীতলদহ ও গীতলদহ ঘাট। ১৮৯৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই লাইন মালপত্র পরিবহন এবং ১৮৯৪ সালের ১ মার্চ এটি যাত্রী পরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

তোর্সা নদীর উপর একটি সেতু নির্মিত হলে এই রেলপথের সঙ্গে কোচবিহার শহরটি যুক্ত হয়। পরে এই লাইনটি ভারত-ভুটান সীমান্তের নিকটবর্তী আলিপুরদুয়ার, বক্সা ও জয়ন্তীর সঙ্গে যুক্ত হয়। ১৯০১ সালে মোট ৫৩.৫ মাইল দীর্ঘ রেলপথটি চালু হয়। ১৯১০ সালে এটিকে ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) দীর্ঘ মিটারগেজ লাইনে রূপান্তরিত করা হয়। ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে এই রেলপথটি পরিচালনা করত।১৯৩২ সালের হিসেব অনুসারে, এই রেলপথে সকালে ও সন্ধ্যায় মোট দুটি ট্রেন চলত।১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে এই রেলপথটিকে ভারতীয় রেলের উত্তরপূর্ব রেল ক্ষেত্রের (অধুনা উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেল) অধিভুক্ত করে নেওয়া হয়।
দেশ বিভাজনের আগে কোচবিহার থেকে ধূবরি পর্যন্ত গিলতডহ এবং গোলকগঞ্জের মধ্যে দিয়ে একটি রেল সংযোগ ছিল। এই রেলপথটির কিছু অংশ বাংলাদেশের বামনহাট ও গোলকগঞ্জের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল। এই পথের দুটি স্টেশন হল পেতস্বরী ও সোনাহাট, যা বাংলাদেশে ছিল, এইগুলি দেশ বিভক্ত হওয়ার পরেও কার্যকর ছিল।

কোচবিহারের প্রথম রেলপথ ছিল যখন কোচবিহার রাজ্য রেলপথ ১৯০১ সালে গিতালদহ- জয়ন্তী পর্যন্ত ন্যারোগেজ গেজ লাইনের নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মিটার গেজ আলিপুরদুয়ার-বামনহাট-গোলকগঞ্জ রেলপথটি নির্মিত হয়ে ছিল। যখন আসাম সংযোগ প্রকল্পটি উত্তরবঙ্গের মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়, তখন রেলওয়ে স্টেশনটি আরও নতুন জলপাইগুড়ি-আলিপদদুয়ার-শামুকতলা রোড লাইন ব্যবহার করে।

১৯৬৬ সালে বরৌনি-গুয়াহাটি রেলপথের নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ বঙ্গাইগাঁও অংশটি চলু হলে নিউ কোচবিহার স্টেশনটি আবির্ভূত হয়।

কোচবিহার স্টেট রেলওয়ে (CBSR) ❤️:- সারা
ভারতের সঙ্গে কোচবিহার রাজ্যের সংযোগ বাড়ানো
ও ব্যবসা-বাণিজ্যের শ্রীবৃদ্ধির লক্ষ্যে, কোচবিহারের
তৎকালীন রাজা, EBR এর গীতলদহ জংশন থেকে
কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার হয়ে ভূটান পাহাড়ের গায়ে
অবস্থিত, জয়ন্তী ও তার সংলগ্ন পাথরের খনি অঞ্চল
পর্যন্ত ন্যারো গেজ লাইন পাতার বন্দোবস্ত করেন।
গীতলদহ জংশন থেকে কোচবিহার সদর, খোলতা
হয়ে কালজানি নদীর দক্ষিণ পাড় পর্যন্ত এই রেলপথ
পড়তো, কোচবিহার রাজার এক্তিয়ারের মধ্যে,
কালজানি নদীর উত্তর পাড় থেকে জয়ন্তী পর্যন্ত
রেলপথের অংশ ছিল ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
১৮৯৩ সাল থেকে ১৯০১ সালের মধ্যবর্তী সময়ে,
এই ন্যারোগেজ রেলপথের নির্মাণ করা হয়। পরবর্তী
কালে, ১৯১০ সালের মধ্যে এই লাইনকে মিটার
গেজে রূপান্তরিত করা হয়। ১৯১২ থেকে ১৯১৪
সালের মধ্যে, রাজাভাতখাওয়া থেকে পশ্চিমে,
কালচিনি, হাসিমারা হয়ে দলসিংপাড়া পর্যন্ত রেল পথ সম্প্রসারণ করা হয়। কোচবিহার রাজ্যের সম্পত্তি এই CBSR-এর পরিচালনা করতো EBR।

এতদিন তো জানতাম মাদ্রাসায় নাকি শুধু জ,ঙ্গি তৈরি হয় 🤣🤣কোথায় গেলেন তারা?? 🥱অনেক অভিনন্দন বোন 🥰 আরোও এগিয়ে যাও ❤️
04/05/2024

এতদিন তো জানতাম মাদ্রাসায় নাকি শুধু জ,ঙ্গি তৈরি হয় 🤣🤣
কোথায় গেলেন তারা?? 🥱
অনেক অভিনন্দন বোন 🥰 আরোও এগিয়ে যাও ❤️

Address

Cooch Behar
736101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার শহর কোচবিহার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share