CPIML Liberation, West Bengal সি পি আই এম-এল লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ

  • Home
  • India
  • Bishnupur
  • CPIML Liberation, West Bengal সি পি আই এম-এল লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ

CPIML Liberation, West Bengal সি পি আই  এম-এল লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ Official page of CPIML Liberation, West Bengal.
(1)

বুলডোজার রাজ ও হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বারাসতে শহরের দীর্ঘ পথ পরিক্রমা করল বাম দল সমূহের মিছিল
04/06/2026

বুলডোজার রাজ ও হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বারাসতে শহরের দীর্ঘ পথ পরিক্রমা করল বাম দল সমূহের মিছিল

সিপিআই(এমএল) লিবারেশন সাংসদ ও সংসদের রেলওয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য কমরেড সুদামা প্রসাদ পশ্চিমবঙ্গে রেল স্টেশন ও প্ল্য...
04/06/2026

সিপিআই(এমএল) লিবারেশন সাংসদ ও সংসদের রেলওয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য কমরেড সুদামা প্রসাদ পশ্চিমবঙ্গে রেল স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম চত্বর থেকে রেল হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া নির্বিচারে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব-কে চিঠি লিখলেন।

চিঠিতে তিনি দাবি তোলেন,

১. পশ্চিমবঙ্গে রেল হকারদের বিরুদ্ধে চলমান সমস্ত উচ্ছেদ অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি স্বচ্ছ ও মানবিক পুনর্বাসন নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

২. ঐতিহ্যবাহী রেল হকার ও বিক্রেতাদের জীবিকার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র ও স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।

৩. বিকল্প ব্যবসায়িক অঞ্চল, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, আর্থিক সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে।

৪. হকার সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি পরামর্শদাতা কমিটি গঠন করে ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রণয়ন করতে হবে।

৫. দরিদ্র হকারদের উচ্ছেদ করে কর্পোরেট বাণিজ্যিক দখলকে উৎসাহিত করার বৈষম্যমূলক নীতি বন্ধ করতে হবে।

৬. ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত জীবিকার সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।

চিঠির প্রতিলিপি নীচে দেওয়া হল:

Ref: CPIML/PO/SP/0626/04/01

Date: 04.06.2026

To,
Shri Ashwini Vaishnaw
Hon'ble Minister of Railways
Government of India
Rail Bhavan, New Delhi

Subject: *Strong objection against indiscriminate eviction of Railway hawkers from platforms and station premises in West Bengal without rehabilitation*

Sir,
On behalf of concerned citizens, organisations, unions and representatives of railway hawkers and informal workers of West Bengal, I wish to register the strongest protest and deep concern regarding the ongoing large-scale eviction drive against railway hawkers from station premises across the state.
For decades, thousands of small hawkers, tea sellers, book vendors, food vendors and petty traders have earned their livelihood in and around railway stations through honest labour. These workers form an integral part of the railway ecosystem, providing affordable services to lakhs of passengers daily. Many belong to economically vulnerable sections - including Scheduled Castes, minorities, women-headed families and migrant workers - whose entire survival depends upon these occupations.
The present eviction drive is being carried out in an arbitrary and inhuman manner, without any rehabilitation programme, alternative vending arrangements, social security protection or meaningful consultation with affected families, pushing thousands towards starvation and unemployment.
It is particularly distressing that while poor traditional hawkers are being removed in the name of "modernisation" and "beautification", station premises are increasingly being handed over to large commercial chains and corporate retail outlets such as Big Bazaar, Spencer's, Kalyan Jewellers and Pizza Hut. This reflects a discriminatory, anti-poor approach where public spaces - built through public resources - are being corporatised at the expense of marginalised self- employed workers. Development cannot be synonymous with the destruction of livelihoods of the poor.

In this context, I demand the following:

1. Immediate halt to all eviction drives against railway hawkers in West Bengal until a transparent and humane rehabilitation policy is formulated.
2. Recognition of livelihood rights of traditional railway hawkers and vendors through issuance of formal certifications.
3. A comprehensive rehabilitation package including alternative vending zones, licensing mechanisms, financial assistance and social security measures.
4. Constitution of a consultative committee comprising representatives of hawkers' organisations, trade unions and civil society groups to devise a fair and inclusive policy.
5. An end to discriminatory policy of evicting poor hawkers while facilitating corporate commercial occupation of railway premises.
6. Protection of the constitutional right to livelihood guaranteed under Article 21 of the Constitution of India.

We urge your office to intervene immediately and ensure that Indian Railways adopts a humane, democratic and socially responsible approach - one that does not deepen inequality and economic distress among the poor. We sincerely hope the Ministry will take urgent corrective measures and initiate dialogue with all affected stakeholders.

Thank You,
Sudama Prasad
Member of Parliament
Arrah (Bihar)
Member, Standing Committee of Railways

04/06/2026

বুলডোজার রাজ ও উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বাঘাযতীন স্টেশনে বাম দলগুলির যৌথ কর্মসূচী ও মিছিল। দাবি একটাই পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ চলবে না।
৩ জুন ২০২৬

03/06/2026

SIR ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন নাগরিকদের দ্রুত বিচার ও ভোটাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিচারাধীন ভোটারদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করছে সিপিআই(এমএল) লিবারেশন।
স্বাক্ষর সহ এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে কলকাতা উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির কাছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত যদি কেউ বিচারাধীন ভোটার হন দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

স্মারকলিপির বয়ান নিচে দেওয়া হল।

মাননীয়
প্রধান বিচারপতি,
কলকাতা উচ্চ আদালত,
কলকাতা।

বিষয়: SIR ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন নাগরিকদের দ্রুত বিচার ও ভোটাধিকার পুনর্বহালের আবেদন।

মহাশয়,

আমরা পশ্চিমবঙ্গের সেই সমস্ত নাগরিক, যাদের ভোটাধিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (SIR) প্রক্রিয়ার নামে দীর্ঘদিন ধরে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রাখা হয়েছে অথবা ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমরা সামাজিক অপমান, মানসিক উদ্বেগ ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

উল্লেখ্য, এখনো পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে যাদের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, তাদের প্রায় ৯৬% থেকে ৯৯% বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবুও দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকৃত নাগরিকদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা কার্যত কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন মহল থেকে আমাদের “অনুপ্রবেশকারী” বা “বহিরাগত” বলে অপমান করা হচ্ছে এবং সরকারি পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

অতএব, মাননীয় আদালতের কাছে আমাদের আবেদন—

১. বিচারাধীন মামলাগুলির দ্রুত ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হোক।

২. বিচারাধীন কোনো নাগরিককে সামাজিক হেনস্থা বা সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না করার নির্দেশ দেওয়া হোক।

৩. ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নাগরিকদের আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পূর্ণ সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।

৪. গরিব ও অশক্ত বিচারাধীন নাগরিকদের স্বার্থে জেলা ও ব্লক স্তরে পর্যাপ্ত ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হোক।

৫. মামলার অগ্রগতি ও শুনানির তথ্য জানার জন্য স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক।

৬. প্রকৃত নাগরিকদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা অবিলম্বে পুনর্বহাল করা হোক।

বিনীত,
ভুক্তভোগী ও বিচারাধীন নাগরিকবৃন্দ

গরিফা রেল জমির প্রায় ৫০০ পরিবারের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয় - আইনি ও গণআন্দোলন জোরদা...
03/06/2026

গরিফা রেল জমির প্রায় ৫০০ পরিবারের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা
পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয় - আইনি ও গণআন্দোলন জোরদার করছে সিপিআই(এমএল) লিবারেশন

গরিফা রেল স্টেশন সংলগ্ন রেলের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী প্রায় ৫০০ পরিবারের ওপর উচ্ছেদের খাঁড়া নেমে এসেছে। এই বসতি নৈহাটি পৌরসভার ২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে বিস্তৃত। এলাকায় ছোট ছোট ঘরবাড়ির পাশাপাশি রয়েছে ক্লাব, মন্দির, মসজিদ, আইসিডিএস কেন্দ্র, একটি বৃদ্ধাশ্রম এবং কিছু ছোট দোকানঘর।

বাসিন্দাদের দাবি, এই বসতির অধিকাংশ পরিবার ৪০-৫০ বছর, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ৬০-৭০ বছর ধরে সেখানে বসবাস করছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা এই জনবসতিতে বর্তমানে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ বসবাস করেন। এলাকাটি রেললাইন ও স্টেশন থেকে যথেষ্ট দূরে অবস্থিত হওয়ায় রেল চলাচল বা যাত্রীদের যাতায়াতে কোনো বাধা সৃষ্টি হয় না।

অধিকাংশ বাসিন্দাই গরিব ও ভূমিহীন শ্রমজীবী মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিনমজুর, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, হকার, রিকশাচালক, টোটোচালক, গৃহশ্রমিক, জুটমিল শ্রমিক, দোকান কর্মচারী প্রমুখ। এলাকার বহু মহিলা বাড়িতে বসে রবার ছাড়িয়ে সুতো তৈরির কাজে যুক্ত। এছাড়া এখানে বহু শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলা বসবাস করেন। এলাকার পড়ুয়ারা স্থানীয় স্কুলগুলিতে পড়াশোনা করে। উচ্ছেদ হলে তাদের শিক্ষা ও জীবিকা উভয়ই বিপর্যস্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।

বাসিন্দাদের অনেকের কাছেই ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, আধার কার্ড, বিদ্যুৎ বিল, স্কুলের নথি, ইএসআই কার্ড এবং পরিবারের মৃত সদস্যদের মৃত্যুসনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি রয়েছে। বহু পরিবারের নাম একই ঠিকানায় বছরের পর বছর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও বহু বর্তমান বাসিন্দা অথবা তাঁদের পিতা-মাতার নাম ওই ঠিকানায় নথিভুক্ত রয়েছে।

সম্প্রতি Eastern Railway, Howrah Division-এর নামে একটি ‘Special Notice’ এলাকায় টাঙানো হয়েছে। ওই নোটিশে ১৩ জুনের মধ্যে জমি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অন্যথায় উচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে। তবে বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ দেওয়া হয়নি। নোটিশে কোনো ব্যক্তির নাম, ঘর নম্বর, কেস নম্বর, Estate Officer-এর নাম, শুনানির তারিখ বা Public Premises (Eviction of Unauthorised Occupants) Act, 1971-এর কোনো ধারা উল্লেখ করা হয়নি।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রায় সাত-আট বছর আগে রেল কর্তৃপক্ষ ওই অঞ্চলে জমি মেপে সীমানা নির্দেশক খুঁটি পুঁতেছিল। কিন্তু তখন বা পরে কখনও উচ্ছেদের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ নেওয়ার সময়ও কোনো আপত্তি তোলা হয়নি।

বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, কোনো পরিবারভিত্তিক সমীক্ষা করা হয়নি এবং পুনর্বাসনের কোনো পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়নি। তাঁদের বক্তব্য, বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে স্বল্প সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ করা মানবিক ও সামাজিক দিক থেকে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করবে।

রেলের নোটিশ প্রকাশের পর থেকেই সিপিআই(এমএল) লিবারেশন উদ্যোগে বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শুরু থেকে পাশে দাঁড়িয়েছেন নৈহাটি নাগরিক উদ্যোগের বন্ধুরা।
বর্তমানে রেল ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে গণস্বাক্ষর-সম্বলিত স্মারকলিপি প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাসিন্দাদের নথিপত্র সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে। “পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়” এই দাবিতে ইতিমধ্যে সভা, মিছিল ও প্রচার কর্মসূচি সংগঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন বামপন্থী দলগুলিকে সাথে নিয়ে নাগরিক কনভেনশনের প্রস্তুতিও চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ৩ জুন গরিফা রেল জমির চারজন বাসিন্দাকে আবেদনকারী করে কলকাতা হাইকোর্টে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে একটি রিট মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অবিলম্বে উচ্ছেদ স্থগিত এবং পুনর্বাসনের দাবিতে আবেদন জানানো হয়েছে। মামলায় আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করছেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামিম আহমেদ।

সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ রুখতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলনও আরও জোরদার করা হবে।

HAPPENING NOW! A night of defiance is underway at Jadavpur Railway Station, West Bengal, by CPI(ML), CPI(M), and other L...
02/06/2026

HAPPENING NOW! A night of defiance is underway at Jadavpur Railway Station, West Bengal, by CPI(ML), CPI(M), and other Left-democratic forces against BJP’s bulldozer politics targeting and evicting poor vendors and residents.

NO TO EVICTIONS! JADAVPUR RESISTS!

02/06/2026

Address

Bishnupur
722122

Telephone

03322651679

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CPIML Liberation, West Bengal সি পি আই এম-এল লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CPIML Liberation, West Bengal সি পি আই এম-এল লিবারেশন, পশ্চিমবঙ্গ:

Share