AIDSO Rampurhat Unit

  • Home
  • AIDSO Rampurhat Unit

AIDSO Rampurhat Unit AIDSO Birbhum-Rampurhat Unit
All India Democratic Students' Organisation (AIDSO)

STRUGGLE
UNITY
PROGRESS

" একস্থানে দেখিলাম, ঊনপঞ্চাশ জন ভদ্র-অভদ্র হিন্দু মিলিয়া একজন শীর্ণকায় মুসলমান মজুরকে নির্মমভাবে প্রহার করিতেছে, আর একস্...
24/05/2026

" একস্থানে দেখিলাম, ঊনপঞ্চাশ জন ভদ্র-অভদ্র হিন্দু মিলিয়া একজন শীর্ণকায় মুসলমান মজুরকে নির্মমভাবে প্রহার করিতেছে, আর একস্থানে দেখিলাম, প্রায় ওই সংখ্যাক মুসলমান মিলিয়া একজন দুর্বল হিন্দুকে পশুর মতো মারিতেছে। দুই পশুর হাতে মার খাইতেছে দুর্বল অসহায় মানুষ। ইহারা মানুষকে মারিতেছে যেমন করিয়া বুনো জংলি বর্বরেরা শূকরকে খোঁচাইয়া মারে। উহাদের মুখের দিকে তাকাইয়া দেখিলাম, উহাদের প্রত্যেকের মুখ শয়তানের চেয়েও বীভৎস, শূকরের চেয়েও কুৎসিত! হিংসায়, কদর্যতায় উহাদের গাত্রে অনন্ত নরকের দুর্গন্ধ!

উহাদের দুই দলেরই নেতা একজন, তাহার আসল নাম শয়তান। সে নাম ভাঁড়াইয়া কখনও টুপি পরিয়া পর-দাড়ি লাগাইয়া মুসলমানদের খ্যাপাইয়া আসিতেছে, কখনও পর-টিকি বাঁধিয়া হিন্দুদের লেলাইয়া দিতেছে, সে-ই আবার গোরা সিপাই গুর্খা সিপাই হইয়া হিন্দু-মুসলমানদের গুলি মারিতেছে! উহার ল্যাজ সমুদ্রপারে গিয়া ঠেকিয়াছে, উহার মুখ সমুদ্রপারের বুনো বাঁদরের মতো লাল!

দেখিলাম, আল্লার মসজিদ আল্লা আসিয়া রক্ষা করিলেন না, মা-কালীর মন্দির কালী আসিয়া আগলাইলেন না! মন্দিরের চূড়া ভাঙিল, মসজিদের গম্বুজ টুটিল! আল্লার এবং কালীর কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। আকাশ হইতে বজ্রাঘাত হইল না মুসলমানদের শিরে, ‘আবাবিলের’ প্রস্তর-বৃষ্টি হইল না হিন্দুদের মাথার উপর।

এই গোলমালের মধ্যে কতকগুলি হিন্দু ছেলে আসিয়া গোঁফ-দাড়ি-কামানো দাঙ্গায় হত খায়রু মিয়াঁকে হিন্দু মনে করিয়া ‘বলো হরি হরিবোল’ বলিয়া শ্মশানে পুড়াইতে লইয়া গেল, এবং কতকগুলি মুসলমান ছেলে গুলি খাইয়া হত দাড়িওয়ালা সদানন্দ বাবুকে মুসলমান ভাবিয়া ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়িতে পড়িতে কবর দিতে লইয়া গেল।

মন্দির এবং মসজিদ চিড় খাইয়া উঠিল, মনে হইল যেন উহারা পরস্পরের দিকে চাহিয়া হাসিতেছে! "

(মন্দির ও মসজিদ প্রবন্ধের অংশ)
বিপ্লবী কবি নজরুল স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য।

15/03/2026

সেমিস্টার প্রথা বাতিলের দাবিতে বীরভূম জেলায় D.I দপ্তর অভিযান


উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে সেমিস্টার সিস্টেম বাতিল, বিভিন্ন স্কুল কর্তৃক সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে আদায় করা বাড়তি ভর্তি ফি ফেরত, স্কুলে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা অবিলম্বে প্রদান, শূন্য পদে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ এবং ভোটের জন্য কোন স্কুল বা কলেজে পুলিশ রেখে পঠন পাঠন বন্ধ রাখা যাবে না- এই দাবিতে ১০ মার্চ বীরভূম জেলার ডি.আই. দপ্তর অভিযান হয়। জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি সুসজ্জিত মিছিল সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে প্রথমে ডিএম অফিসের সামনে যায়। সেখানে বিক্ষোভ দেখানোর পর মিছিল শহর পরিক্রমা করে পৌঁছে যায় ডি.আই. অফিস। ডি.আই সমস্ত দাবির সাথে সহমত পোষণ করেন এবং জানান উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই দাবিগুলো তিনি তুলে ধরবেন। তিনি আশ্বাস দেন সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে ২৪০ টাকার বেশি ভর্তি ফি নিলে সেই সমস্ত স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। আজকের এই মিছিলে উপস্থিত ছিল রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড সুরজিৎ দাস এবং বীরভূম জেলা সম্পাদক কমরেড অমিত মন্ডল। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা রক্ষার অঙ্গীকারে আগামী দিনে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলার শপথ নিয়ে আজকের এই কর্মসূচি শেষ হয়।

স্কুল স্তরে সেমিস্টার সিস্টেম বাতিল, বিভিন্ন স্কুল কর্তৃক সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে আদায় করা বাড়তি ভর্তি ফি ফেরত, স...
11/03/2026

স্কুল স্তরে সেমিস্টার সিস্টেম বাতিল, বিভিন্ন স্কুল কর্তৃক সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে আদায় করা বাড়তি ভর্তি ফি ফেরত, স্কুলে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা অবিলম্বে প্রদান, শূন্য পদে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ এবং ভোটের জন্য কোন স্কুল বা কলেজে পুলিশ রেখে পঠন পাঠন বন্ধ রাখা যাবে না- এই দাবিতে ১০ মার্চ বীরভূম জেলার ডি.আই. দপ্তর অভিযান হয়। জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি সুসজ্জিত মিছিল সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে প্রথমে ডিএম অফিসের সামনে যায়। সেখানে বিক্ষোভ দেখানোর পর মিছিল শহর পরিক্রমা করে পৌঁছে যায় ডি.আই. অফিস। ডি.আই. স্যার আমাদের সমস্ত দাবির সাথে সহমত পোষণ করেন এবং জানান উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের কাছে এই দাবিগুলো তিনি তুলে ধরবেন। তিনি আশ্বাস দেন সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে ২৪০ টাকার বেশি ভর্তি ফি নিলে সেই সমস্ত স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। আজকের এই মিছিলে উপস্থিত ছিল রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড সুরজিৎ দাস এবং বীরভূম জেলা সম্পাদক কমরেড অমিত মন্ডল। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা রক্ষার অঙ্গীকারে আগামী দিনে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলার শপথ নিয়ে আজকের এই কর্মসূচি শেষ হয়।

Voice Against Semester- Birbhum District ১.একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে সেমিস্টার প্রথা বাতিল করো২.স্কুলে কম্পোজিট গ্রান্টের ...
06/03/2026

Voice Against Semester- Birbhum District

১.একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে সেমিস্টার প্রথা বাতিল করো
২.স্কুলে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা অবিলম্বে প্রদান করো
৩.বর্তমান শিক্ষাবর্ষে নেওয়া বাড়তি ভর্তি ফী ফেরত দাও
৪.সমস্ত শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করো
৫.সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পরিবহনে ছাত্রছাত্রীদের ১/৩ ভাড়ার দাবিতে

উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিকের শিক্ষকদের ইনভিজিলেশনের কাজে ব্যবহার করা প্রসঙ্গে AIDSO রাজ্য সম্পাদক ...
11/02/2026

উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিকের শিক্ষকদের ইনভিজিলেশনের কাজে ব্যবহার করা প্রসঙ্গে AIDSO রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় আজ এক বিবৃতিতে বলেন

" আগামীকাল থেকেই গোটা রাজ্যে যে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে তাতে শিক্ষকের অভাবের কারণে প্রত্যেক জেলাতেই প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের গার্ড হিসেবে ব্যবহার করার যে নির্দেশিকা এসেছে তা আবারও স্পষ্ট করে দিল রাজ্যের মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্কুলগুলোর বেহাল পরিকাঠামোর করুণ চিত্র। ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত শিক্ষক ও পরিকাঠামোর অভাবের কারণে রাজ্যে বন্ধ হয়েছে ৮২০৭ টি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। এমতাবস্থায় উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার গার্ড হিসেবে প্রাইমারী স্কুলগুলোর শিক্ষকমন্ডলীকে নিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে প্রাথমিক স্কুলগুলোর পঠন-পাঠন ব্যাহত হবে। SIR এর কাজের জন্য স্কুল শিক্ষকদের নেওয়ার ফলে গত প্রায় তিন মাস ধরে স্কুল শিক্ষার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষাদানের সাথে যুক্ত নয় এরকম বিভিন্ন সরকারি কাজে শিক্ষকদের নেওয়ার ফলে প্রকারান্তরের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ক্ষতির মধ্যে পড়তে হয়। এর সাথে যদি উচ্চ-মাধ্যমিকের ইনভিজিলেশন এর জন্য প্রাথমিক শিক্ষকদেরকে নিয়োগ করা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে প্রাথমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে আমরা মনে করি এবং একই সাথে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ চিত্র আবারও সকলের কাছে পরিষ্কার হলো। সমস্ত শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ ব্যতিরেকে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে সাময়িকভাবে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা কোনক্রমে হয়তো সম্পন্ন হয়ে যাবে কিন্তু স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ অবস্থা আরও প্রকট থেকে প্রকটতর হবে।

এমতাবস্থায় আমরা দাবি করছি যে উচ্চ-মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিক স্কুলগুলোর পঠনপাঠন অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি অবিলম্বে সমস্ত শূন্য পদে দুর্নীতিমুক্ত ভাবে শিক্ষক নিয়োগ করে সরকারি স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।"

সংবাদদাতা
সুমন দাস
অফিস সম্পাদক
১১/০২/২৬


তোমরা ভালো করে পরীক্ষা দাও স্কুলের  ছোট ভাই-বোনেদের লড়াইয়ের স্লোগানটা বলে দিও :-।। একাদশ-দ্বাদশের সেমিস্টার বাতিল হোক ...
11/02/2026

তোমরা ভালো করে পরীক্ষা দাও

স্কুলের ছোট ভাই-বোনেদের
লড়াইয়ের স্লোগানটা বলে দিও :-
।। একাদশ-দ্বাদশের সেমিস্টার বাতিল হোক
ফিরে আসুক পূর্বের মত বোর্ড পরীক্ষা।।


কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা বাঁচাতে দেশ জুড়ে তীব্র ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলুন।
06/02/2026

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭

সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা বাঁচাতে দেশ জুড়ে তীব্র ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলুন।

আমি আজ প্রস্তুত। "... দেশের অবস্থা সম্বন্ধে আপনি সব চেয়ে ভাল জানেন। শুনিলাম আপনারা কলিকাতায় এবং ঢাকায় জাতীয় কলেজ প্রতিষ্...
23/01/2026

আমি আজ প্রস্তুত। "... দেশের অবস্থা সম্বন্ধে আপনি সব চেয়ে ভাল জানেন। শুনিলাম আপনারা কলিকাতায় এবং ঢাকায় জাতীয় কলেজ প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন এবং ইংরাজি ও বাংলায় "স্বরাজ” পত্রিকা বাহির করিতে চান। আমি আরও শুনিলাম বাঙ্গলা দেশের নানা স্থানে গ্রাম্য সমিতি প্রভৃতিও স্থাপন করা হইয়াছে।
আমি জানিতে ইচ্ছা করি আপনারা আমাকে এই স্বদেশ সেবার যজ্ঞে কি কাজ দিতে পারেন। আমার বিদ্যাবুদ্ধি কিছু নাই -- কিন্তু আমার বিশ্বাস যে, যৌবনোচিত উৎসাহ আমার আছে। আমি অবিবাহিত। লেখাপড়ার মধ্যে আমি Philosophy টা একটু পড়েছি কারণ কলিকাতায় আমার ঐ বিষয়ে Honours ছিল এবং এখানেও আমি ঐ বিষয়ে Tripos পড়িতেছি। Civil Service পরীক্ষার কৃপায় সর্বাঙ্গীণ শিক্ষা খানিকটা হইয়াছে-যেমন Economics, Political Science, English and European History, En-glish Law, Sanskrit, Geography ইত্যাদি। আমি বিশ্বাস করি যে, আমি যদি নিজে এই কাজে নামিতে পারি তাহা হইলে আমি এখানকার ২/১ জন বাঙ্গালী বন্ধুকে এই কাজে টানিতে পারিব। কিন্তু আমি নিজে যতক্ষণ এই কাজে না নামিতেছি, ততক্ষণ কাহাকেও টানিতে পারিতেছি না।

এখন আমাদের দেশে কোন্ কোন্ বিষয়ে কাজ আরম্ভ করিবার সুবিধা আছে তাহা এখান থেকে বুঝিতে পারিতেছি না। তবে আমার মনে হইতেছে যে, দেশে ফিরিলে আমি কলেজে অধ্যাপনা এবং পত্রিকায় লেখা- এই দুই কাজে হাত দিতে পারিব। আমার ইচ্ছা Clear-Cut Plans লইয়া চাকুরী ছাড়িতে। তাহা করিতে পারিলে চাকুরী ছাড়ার পর আমাকে চিন্তায় সময় ব্যয় করিতে হইবে না এবং আমি চাকুরী ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নামিতে পারিব।

আপনি আজ বাঙ্গলা দেশে স্বদেশ সেবা যজ্ঞে প্রধান ঋত্বিক- তাই আপনার নিকট এই পত্র লিখিতেছি। আপনারা ভারতবর্ষে যে আন্দোলনের বন্যা তুলিয়াছেন তার তরঙ্গ চিঠি ও খবর কাগজের ভিতর দিয়া এখানে আসিয়া পৌঁছিয়াছে। এখানেও তাই মাতৃভূমির আহ্বান শোনা গিয়াছে। Oxford থেকে একজন মাদ্রাজী ছাত্র তার লেখাপড়া আপাততঃ স্থগিত রাখিয়া দেশে ফিরিয়া যাইতেছে- সেখানে গিয়া কাজ আরম্ভ করিবার জন্য। Cambridge-এ এ-পর্যন্ত কাজ কিছু হয় নাই যদিও "অসহযোগিতা” সম্বন্ধে আলোচনা খুব বেশি রকম চলিতেছে। আমার বিশ্বাস, যদি কেহ পথ দেখাইতে পারে তাহা হইলে সেই পথ অনুসরণ করিবার লোক এখানে আছে।
আপনি বাঙ্গলাদেশে আমাদের সেবা যজ্ঞের প্রধান ঋত্বিক্। তাই আপনার নিকট আমি আজ উপস্থিত হইয়াছি আমার যৎসামান্য বিদ্যা, বুদ্ধি, শক্তি ও উৎসাহ লইয়া। মাতৃভূমির চরণে উৎসর্গ করিবার আমার বিশেষ কিছুই নাই- আছে শুধু নিজের মন এবং নিজের এই তুচ্ছ শরীর।
আপনাকে এই পত্র লেখার উদ্দেশ্য শুধু আপনাকে জিজ্ঞাসা করা, আপনি আমাকে এই বিপুল সেবা যজ্ঞে কি কাজ দিতে পারেন। আমি তাহা জানিতে পারিলে বাড়িতে বাবাকে এবং দাদাকে সেইরূপে লিখিতে পারিব এবং নিজের মনকেও সেইভাবে প্রস্তুত করিতে পারিব।

আমি এখন একরকম সরকারী চাকর। কারণ আমি এখন I. C. S. Probationer। আপনাকে চিঠি লিখিতে সাহস করিলাম না পাছে চিঠি Censored হয়। আমার জনৈক বিশ্বাসী বন্ধু শ্রী প্রমথনাথ সরকারকে আমি এই চিঠি পাঠাইতেছি। তিনি আপনার হাতে এই চিঠি দিয়া আসিবেন। আমি যখনই আপনাকে পত্র দিব, তখন এই ভাবেই দিব। আপনি অবশ্য আমাকে চিঠি লিখিতে পারেন কারণ এখানে চিঠি Censored হইবার ভয় নাই।

আমার এখানকার মতলব সম্বন্ধে আমি কাহাকেও জানাই নাই-শুধু বাড়িতে বাবাকে এবং দাদাকে লিখিয়াছি। আমি এখন সরকারী চাকর-সুতরাং আশা করি যে আমি যে পর্যন্ত চাকুরী না ছাড়িতেছি সে-পর্যন্ত আপনি কাহাকেও এ বিষয়ে কিছু বলিবেন না। আমার আর কিছু বলিবার নাই। আমি আজ প্রস্তুত-আপনি শুধু কর্মের আদেশ দিন।..."

(নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু চাকরী ত্যাগ করে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে লিখিত চিঠির অংশ)

নতুন করে লড়াই শুরুঅঙ্গীকারের নতুন শপথ-শিক্ষা - সমাজ - পরিবেশ বাঁচানোর লড়াই দুর্বার হোক।
02/01/2026

নতুন করে লড়াই শুরু
অঙ্গীকারের নতুন শপথ-

শিক্ষা - সমাজ - পরিবেশ বাঁচানোর লড়াই দুর্বার হোক।


শিক্ষা, সংস্কৃতি, মনুষ্যত্ব রক্ষার অঙ্গীকারের শপথ নিয়ে AIDSO'র ৭২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা, AIDSO রামপুরহা...
28/12/2025

শিক্ষা, সংস্কৃতি, মনুষ্যত্ব রক্ষার অঙ্গীকারের শপথ নিয়ে AIDSO'র ৭২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা, AIDSO রামপুরহাট ইউনিট, বীরভূম জেলা কমিটি। উপস্থিত ছিলেন AIDSO'র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক মন্ডলী সদস্য সুরজিৎ দাস,বীরভূম জেলা কমিটির সম্পাদক অমিত মন্ডল।

ডিসেম্বরের ২৮, শুধু তারিখ নয়। যে প্রক্রিয়ায় ক্যালেন্ডারের আর পাঁচটা তারিখ নিছক তারিখ থেকে ইতিহাস হয়ে ওঠে তার ঐতিহাসিক তাৎপর্যের গুণে, ২৮-ও তাই। ২৮ ডিসেম্বর স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

অগণিত শহীদের আত্মদানে অর্জিত স্বাধীনতার সমস্ত ফল মুষ্টিমেয় শোষক পুঁজিপতি শ্রেণীর হাতে চলে যাচ্ছে দেখে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের আপোসহীন ধারার বিপ্লবী ও মহান মার্ক্সবাদী চিন্তানায়ক কমরেড শিবদাস ঘোষের অন্তর থেকে উত্থিত এক তীব্র বেদনা আর ১৩ বছর বয়স থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগদান করে বিরামহীন কঠোর সংগ্রামলব্ধ অভিজ্ঞতা মিলে তাঁকে এই সত্য উপলব্ধির দরজায় পৌঁছে দিয়েছিল যে শোষিতশ্রেণীর মুক্তি সত্যিকারের শোষিত শ্রেণীর দল ব্যতিরেকে কখনোই অর্জিত হতে পারেনা। তাই মার্কসবাদ-লেনিনবাদকে ভিত্তি করে গড়ে তুললেন একটি যথার্থ বিপ্লবী দল।
এর পরবর্তী সময়ে কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তা প্রাণিত, স্বপ্নদ্রষ্টা এক ঝাঁক ছাত্র এ দেশে শোষণ মুক্তির আন্দোলনের পরিপূরক ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৫৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর মহাবোধী সোসাইটি হলে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এআইডিএসও (ALL INDIA DEMOCRATIC STUDENTS' ORGANISATION)।

আর ঠিক এই কারণেই ডিসেম্বরের ২৮, শুধু তারিখ নয়। স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত এই সুদীর্ঘ কাল ভারতবর্ষের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসই এআইডিএসও-র ইতিহাস।

স্বাধীনতা লাভের এত বছর পরেও ভারত যখন নানা সংকটে জর্জরিত, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক- অধ্যাপক, পরিকাঠামোর চূড়ান্ত অভাব, স্কুল কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রী নিরাপত্তার সংকট, শিক্ষার বেসরকারিকরণ, গৈরীকিকরণ বাণিজ্যিকীকরণের নীল নকশা তৈরি হয়েছে সরকারি ষড়যন্ত্রেই, স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় চূড়ান্ত দুর্নীতি, সমাজ জুড়ে ভয়ংকর ধর্মীয় বিদ্বেষের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত।

শিক্ষা-সংস্কৃতি-মনুষ্যত্ব ধ্বংস করে দেওয়ার এই ভয়ংকর পুঁজিবাদী চক্রান্ত আর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানবসভ্যতার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শিক্ষাকে পাথেয় করে সংগ্রামের অঙ্গীকারে এআইডিএসও বহন করে চলেছে ঐতিহাসিক চেতনা।


প্রতিষ্ঠার ৭১ বৎসর পরে আজও আমাদের প্ৰিয় ছাত্র সংগঠন সেদিনের মতোই সংগ্রামী চেতনায় ভাস্বর। পার্থক্য শুধু এতটুকুই যে সেদিন কলকাতার মহাবোধী সোসাইটি হলে মহান মার্কসবাদী চিন্তানয়াক কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তায় অনুপ্রাণিত গুটিকয়েক দুঃসাহসী ছাত্র শোষণমুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই আজ দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রের সংগ্রামী চেতনাকে অনুক্ষণ প্রাণিত করে। সেই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত এ প্রজন্মের সংগ্রামী ছাত্র সমাজ এবারের ২৮ ডিসেম্বর উদযাপন করবে এমন একটা সময়ে যখন সমগ্র দেশ আজ কর্পোরেট পুঁজির সামনে নতজানু। শিক্ষা স্বাস্থ্য সংস্কৃতি মনুষ্যত্ব সর্বত্রই পুঁজির আগ্রাসন। ফলস্বরূপ, নারী নির্যাতন - ধর্ষণ -খুনের মতো ঘটনা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বাতাবরণে ভারাক্রান্ত দেশের আকাশ -বাতাস। পুঁজির আগ্রসনের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না এ দেশের জল - জঙ্গল -জমিও। এর বিরুদ্ধে মানবসভ্যতার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শিক্ষাকে পাথেয় করে সংগ্রামের অঙ্গীকার নিয়েই ভাস্বর হতে চলেছে এবারের ২৮ ডিসেম্বর। তাই ২৮ ডিসেম্বর নিছক তারিখ নয়, সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝে লড়াইয়ের এক ঐতিহাসিক চেতনা। ৭২ তম ২৮ ডিসেম্বরের আহ্বান---

▪️ শিক্ষার বেসরকারিকরণ, সাম্প্রদায়িকীকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ, কেন্দ্রিকরণ ও বৃত্তিমুখীকরণের নীল নকশা সর্বনাশা জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ ও রাজ্য শিক্ষা নীতি ২০২৩ অবিলম্বে বাতিল কর

▪️উন্নাও এর নির্যাতিতার বিচার চাই ও দোষী বিজেপি নেতার শাস্তি চাই

▪️ শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের চক্রান্ত HECI (VBSA) বিল বাতিল কর

▪️ আরাবল্লী পর্বতমালাকে পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্পোরেট হাঙরদের হাতে তুলে দেওয়া চলবে না

▪️ শিক্ষা সংস্কৃতি মনুষ্যত্ব রক্ষার্থে ও সরকারি শিক্ষা বাঁচাতে আন্দোলনে সামিল হন

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AIDSO Rampurhat Unit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share