Mandarbati

Mandarbati Mandarbati Is a Beautiful Village Of India

 #পূর্ব_বর্ধমানের_গর্ব।মাধ্যমিক 2022 এ রাজ‍্যে প্রথম স্থানাধিকারী বর্ধমান সি.এম.এস হাই স্কুল (বি.সি. রোড) এর ছাত্র  #রৌন...
03/06/2022

#পূর্ব_বর্ধমানের_গর্ব।
মাধ্যমিক 2022 এ রাজ‍্যে প্রথম স্থানাধিকারী বর্ধমান সি.এম.এস হাই স্কুল (বি.সি. রোড) এর ছাত্র #রৌনক_মন্ডল কে আমাদের পেজ-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

14/04/2022

🙏🌺 শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা 🌺🙏
নতুন পোশাক নতুন সাঁজ। নতুন বছর শুরু আজ। মিষ্টি মন মিষ্টি হাঁসি। শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি। শুভ পহেলা বৈশাখ .............🙏🙏

24/01/2022
Happy new year to all Of my Friends 🎆
31/12/2021

Happy new year to all Of my Friends 🎆

ভাতাড় বাসীর দীর্ঘদিনের দাবী মেনে বিধায়ক Mangobinda Adhikari  মহাশয় এর ঐকান্তিক উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় আজ ভাতাড় স্টেট জে...
06/12/2021

ভাতাড় বাসীর দীর্ঘদিনের দাবী মেনে বিধায়ক Mangobinda Adhikari মহাশয় এর ঐকান্তিক উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় আজ ভাতাড় স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এ ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এর উদ্বোধন হতে চলেছে।।

সময়:-দুপুর 2 ঘটিকা (6/12/2021)

উদ্বোধক: - বিধায়ক মান গোবিন্দ অধিকারী মহাশয়.

মানগোবিন্দ বাবুকে Mandarbati, Bhatar, Purba Bardhaman, পেজের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।🙏🙏🙏💐💐

ভাতাড় থানার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফোন নম্বর।Share করে নোট করে রেখে দিন
22/10/2021

ভাতাড় থানার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফোন নম্বর।
Share করে নোট করে রেখে দিন

সকল কে জানাই মহাঅষ্টমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।।
13/10/2021

সকল কে জানাই মহাঅষ্টমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।।

ভাতাড় বিধানসভার নব বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী মহাশয়কে Mandarbati, Bhatar, Purba Bardhaman পেজের পক্ষ থেকে অসংখ্য  অভিনন্দ...
02/05/2021

ভাতাড় বিধানসভার নব বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী মহাশয়কে Mandarbati, Bhatar, Purba Bardhaman পেজের পক্ষ থেকে অসংখ্য অভিনন্দন জানাই।

💐💐💐🙏🙏🙏♥️♥️♥️

স্বাধীনতা আন্দোলনে ও বিধানসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব কর্মে, সবিশেষ ভূমিকা পালনকারী উল্লেখযোগ্য উগ্রক্ষত্রিয় ব্যক্তিত্ব । (...
23/03/2021

স্বাধীনতা আন্দোলনে ও বিধানসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব কর্মে, সবিশেষ ভূমিকা পালনকারী উল্লেখযোগ্য উগ্রক্ষত্রিয় ব্যক্তিত্ব ।
(সমীক্ষা- ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বিধানসভা নির্বাচন)

স্বাধীনতা সংগ্রামে, জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে, ব্রিটিশ-শাসনের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতাকামী লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে, বর্ধমানের উগ্রক্ষত্রিয়গণও, মুক্তি আন্দোলনে অংশ নিয়ে, বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে নেতৃত্ব দিয়ে, এই সংগ্রামকে দুর্বার করে তুলেছিল এবং জেলেও গিয়েছিল ।
দীর্ঘকালব্যাপী এই আন্দোলনে, অংশ গ্রহণকারী উগ্রক্ষত্রিয়দের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, রায়না থানার ধামাচের দাশরথি তা ; গলসি থানার সাটিনন্দীর যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা ; মন্তেশ্বর থানার কাটসিহির অন্নদাপ্রসাদ মন্ডল, খাঁ-পুরের শক্তি মল্লিক ও সিহি-গ্রামের (শ্রী-গ্রাম) বিনয় চৌধুরী ; মঙ্গলকোট থানার বাজার বনকাপাসির শিবশঙ্কর চৌধুরী ; মেমারির হরেকৃষ্ণ কোঙার ।
তৎকালীন উগ্রক্ষত্রিয় যুবকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মন্তেশ্বর থানার মন্তেশ্বরের ভক্তচন্দ্র রায়, গুলিটার নারায়ণ চৌধুরী, পুটশুড়ির সিদ্ধেশ্বর চৌধুরী (অধ্যাপক) ও মন্তেশ্বরের সুরেন্দ্রকুমার রায় ; ভাতাড় থানার বড়-পোষলার পূর্ণেন্দু চৌধুরী (পরবর্তী কালে বর্ধমান কোর্টের উকিল); কাটোয়া শহরের তারাপদ চৌধুরী(প্রাদেশিক সমবায় সংগঠনের অন্যতম পথিকৃত) ; বর্ধমান থানার কুড়মুনের রাধাগোবিন্দ দত্ত ।
এছাড়াও তৎকালীন উল্লেখযোগ্য উগ্রক্ষত্রিয় মহিলা কাটোয়া থানার দেরিয়াপুরের আভালতা কুণ্ডু (অধ্যাপিকা) ।
প্রথমদিকে সকলেই জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, স্বাধীনতা সংগ্রাম চলাকালীন বিনয় চৌধুরী, শিবশঙ্কর চৌধুরী ও হরেকৃষ্ণ কোঙার জাতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করে কম্যুউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন ।

#প্রথম_রাজ্য_বিধানসভা_নির্বাচন_১৯৫১
[ পূর্ব-বর্ধমান জেলার উল্লেখযোগ্য উগ্রক্ষত্রিয় অধ্যুষিত ব্লকগুলিতে বিজয়ী উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থীদের সালতামামি । ]
গলসি বিধানসভা কেন্দ্রের দু'টি আসনের একটিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন সাটিনন্দীর যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা ।
বর্ধমান বিধানসভা কেন্দ্রে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় কংগ্রেস প্রাথী উদয়চাঁদ মহাতাবকে (বর্ধমানের মহারাজা) হারিয়ে, জয়ী হন কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মন্তেশ্বর থানার সিহিগ্রামের (শ্রী-গ্রাম) বিনয় চৌধুরী ।
রায়না বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন কৃষাণ মজদুর পার্টির রায়না থানার ধামাচের দাশরথি তা।
মঙ্গলকোট বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী মন্তেশ্বর থানার মন্তেশ্বরের ভক্তচন্দ্র রায় ।
মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী মন্তেশ্বর থানার কাটসিহির অন্নদা- প্রসাদ মন্ডল ।

পূর্ব-বর্ধমান জেলায় অবস্থিত পাশাপাশি বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে উগ্রক্ষত্রিয় প্রাধান্যের খণ্ড চিত্র
১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে ভাতাড় ও মেমারি বিধানসভা কেন্দ্র হিসাবে বলবৎ(লাগু) ছিল না।গলসি, বর্ধমান, রায়না, মঙ্গলকোট, মন্তেশ্বর বিধানসভায় উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছিল এবং যে দলেরই হোক জয়ী হয়েছিল । একমাত্র কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্রে উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থী জয়ী হয়নি । ওখানে কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী অগ্রদ্বীপের সুবোধ চৌধুরী জয়ী হন ।

#দ্বিতীয়_রাজ্য_বিধানসভা_নির্বাচন_১৯৫৭
গলসি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী ফকিরচন্দ্র রায় জয়ী হন ।
বর্ধমান বিধানসভা কেন্দ্রে কমিউনিস্ট পার্টির বিনয় চৌধুরী জয়ী হন ।
রায়না বিধানসভা কেন্দ্রে প্রজা সোসালিস্ট পার্টির দাশরথি তা জয়ী হন ।
ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী দেরিয়াপুরের আভালতা কুণ্ডু (অধ্যাপিকা) জয়ী হন ।
কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী তারাপদ চৌধুরী জয়ী হন ।
মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী মন্তেশ্বরের ভক্তচন্দ্র রায় জয়ী হন ।
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গলকোট ও মেমারি বিধানসভা কেন্দ্র হিসাবে বলবৎ(লাগু) ছিল না । গলসি, বর্ধমান, রায়না, ভাতাড়, কাটোয়া, মন্তেশ্বর বিধান সভার সবগুলিতেই উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছিল এবং যে দলেরই হোক, জয়ী হয়েছিল ।

১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে তেমন উল্লেখযোগ্য জয়ী উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থী হিসাবে রায়না বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেসের প্রবোধ গুহ ও বিজিত প্রার্থীর মধ্যে ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেসের শরদিন্দু গুপ্ত ।
১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে তেমন উল্লেখযোগ্য জয়ী উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থী হিসাবে গলসি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী ফকির চন্দ্র রায়, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী শান্তিময় হাজরা ও মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী নারায়ণচন্দ্র চৌধুরী । আর বর্ধমান বিধানসভা কেন্দ্র বিজিত প্রার্থী শশীভূষণ চৌধুরী ।
১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দের মার্চ থেকে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের মার্চ পর্যন্ত সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে । এই সময়ে মোট চারটি জোট সরকার গঠিত হয় এবং মোট তিনবার সীমিত সময়ের জন্য রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় ।
এই সময় সংসদীয় রাজনীতিতে জয় পেয়েই, জয়ী দলের একমাত্র ধ্যানজ্ঞান হয়, নানা হঠকারী কার্যকলাপ । সমবেত মিছিলে, দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে, গ্রাম পরিক্রমা, আর উগ্র অভাবনীয় স্লোগানে, 'গ্রামীণ রায়ত'দের চমকে- ধমকে সহবত শেখানোর মতো মধ্যযুগীয় মানসিকতা ।
পার্টি-সংগঠনের ক্ষতিকারক উগ্রক্ষত্রিয়দের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়ে পূর্ব-বর্ধমান জেলায় ঘটে নানা ঘটনা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মঙ্গলকোট ব্লকের চৈতন্যপুর গ্রামের, উগ্রক্ষত্রিয় ( আগুরী ), জমিদার স্থানীয় বড় রায়তয়ের ভূমিসংস্কারের নামে খাসজমি, বেনামী জমিসহ দেবোত্তর জমি কেড়ে নেওয়ার লড়াই (এ লড়াইয়ে দলের ২জন খুন হয়), ভাতাড় ব্লকের মহাচাঁদার উগ্রক্ষত্রিয় ( আগুরী ) আর এক বড় রায়তকে, কোন ভাবেই বাগে আনতে না পেরে, আবারও ঐ এক ধরণের লড়াই চলানো (এ লড়াইয়েও দলের ৩ জন খুন হয় ) । হাড়হিম করা ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চের বর্ধমান শহরের তেলমারুই এলাকায় উগ্রক্ষত্রিয় গণহত্যায়, সাঁই বাড়ির দু'ই সহোদর ভাই ও ওদের উগ্রক্ষত্রিয় গৃহশিক্ষক, এই তিনজনের নৃশংস খুন ও পদ্ধতিগত বর্বরতা পূর্ব-বর্ধমান জেলার উগ্রক্ষত্রিয় অধ্যুষিত এলাকার উগ্রক্ষত্রিয়দের হতোদ্যম করে দেয় । পরবর্তীকালে আউসগ্রাম ব্লকের বেলাড়ির কেশ বাড়ির উগ্রক্ষত্রিয় গণ হত্যায়, পিতা সহ দুই পুত্র হত্যাতেও উগ্রক্ষত্রিয়দের একজোট হয়ে লড়াই করার মনোবল একেবারেই ভেঙ্গে যায় ।
এই সময়েই জমি দখলের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বর্ধমান জেলার বেশ কয়েকটি ব্লকের উগ্রক্ষত্রিয় (আগুরী) সম্প্রদায় । কারণ এদের হাতেই ছিল অধিকাংশ জমি । আর এদের অপরাধ গ্রামীণ রাজনীতিতে অবিসংবাদিত প্রভাব । সবচেয়ে বড় কথা উত্তরাধিকার সূত্রে সকলেই ছিল সম্পন্ন ও বেশ শিক্ষিত । আর রাজনৈতিক দিক দিয়ে জাতীয় কংগ্রেসের লোক । ফলে গ্রামীণ রাজনীতির দখল নিতে ও এদের গ্রামছাড়া করতেই জঙ্গি আন্দোলন, বর্গা-আইনের তড়িঘড়ি প্রয়োগ । বয়কটের মাধ্যমে মাহিনদার, ঝি, রাখাল বন্ধ করা, তাতেও যাদের পারেনি তাদের পুকুরে বিষ দিয়ে মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টায় সদা-সর্বদা সক্রিয় থাকা। এই সময়ে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অসৎ ব্যক্তিদের হুহু করে সম্পদ বাড়ছে । তাই কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকেই ( সব দলের ) উগ্রক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের মানুষ ভরসা করতে , বিশ্বাস করতে পারছিল না । ফলে উগ্রক্ষত্রিয়দের একটা বড় অংশ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । এই সময় সব দলেরই গোষ্ঠী কোন্দল রাস্তায় গড়াগড়ি খেলে, আর শাসকদলের চরিত্র ধরপাকড়, লাঠিপেটা ও গুলিতে নিবদ্ধ থাকলে, মানুষের কি আর করণীয় থাকে । ফলে উগ্রক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ গ্রাম ছেড়ে, প্রাণ-মান বাঁচাতে শহরের বাসিন্দা হয়ে পড়ে ।

আর এই গ্রাম ছাড়ার কারণ, তুমি যদি আমার লোক হও (রাজনীতির দিক দিয়ে) তাহলে তুমি খুব আপন । কিন্তু তুমি যদি আমার লোক না হও , তাহলেই তুমি ঘৃণার পাত্র । তাহলে তোমার ক্ষতি বা তোমাকে বধ করতেও আমার অন্যায় নেই । দুঃখের বিষয় সে সময় শাসকদলের এই ঘৃণার রাজনীতি প্রবল আকার ধারণ করে ছিল । আর এই 'শ্রেণী ঘৃণা'র রাজনীতি তখনও গ্রামে বসবাস- কারী উগ্রক্ষত্রিয়দের করে তুলেছিল রাজনীতি উদাসীন ।
তাই ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দের পর থেকেই একটু একটু করে যতই উগ্রক্ষত্রিয়দের গ্রামের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হতে থাকে, ততই উগ্রক্ষত্রিয়দের একটা বড় অংশ রাজনীতি থেকে দূরে সরে যেতে থাকে । আর সেই জায়গা দখল করে অন্যেরা।তাই ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে সব দলের হিসাব ধরে বিধান সভায় লড়াকু উগ্রক্ষত্রিয় প্রার্থীর সংখ্যা আজ হাতে গোনা ।

#দীনবন্ধু_পাঁজা_কুলনগর_ভাতাড়_পূর্ববর্ধমান ।
#মোবাইল_নং_৬২৯৭৬৫৫৮৮৬

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন ভারত ভাগের পেক্ষিতে,বাংলার হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠ পশ্চিম অংশকে নিয়ে, রাজ্য হিসাবে 'পশ্চিমবঙ্গ'এর...
14/03/2021

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন ভারত ভাগের পেক্ষিতে,বাংলার হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠ পশ্চিম অংশকে নিয়ে, রাজ্য হিসাবে 'পশ্চিমবঙ্গ'এর জন্ম হয় । ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন শুরু হয় । তখন এখনকার মতো এক আসন বিশিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্র ছিল না । তাই ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা যেখানে ১৮৭টি সেখানে আসন সংখ্যা ২৩৮টি । আবার ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের রাজ্য পুনর্গঠন আইনে, ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা যেখানে হয় ১৯৫টি, তখন আসন সংখ্যা হয় ২৫২ টি । অর্থাৎ কোন কোন বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক আসন ছিল । ফলে এই ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দেই ভাতাড় বিধানসভা হিসাবে আলাদা পরিচিতি পেলে, নতুন বিধানসভা হিসাবে নির্বাচন শুরু হয় । বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সব বিধানসভা কেন্দ্র এক আসন বিশিষ্ট । আর মোট বিধানসভার সংখ্যা ২৯৪টি । ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে ভাতাড় বিধানসভার নম্বর ছিল--- ২৫৪, পরে হয়--- ২৬৮ । এইভাবে নম্বরটি পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে--- ২৬৭ । তাই বর্তমানে ভাতাড় বিধানসভার নম্বর ও নাম--- '২৬৭নং ভাতাড় বিধানসভা' ।
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে #দ্বিতীয় রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, গলসি ২নং ব্লকের সাটিনন্দী (জে. এল. নং -১১৪) গ্রামের যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজার কন্যা ও কাটোয়া ২নং ব্লকের ওকড়সা (জে. এল. নং - ১২৯) হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক দ্বিজপদ কুণ্ডুর পুত্রবধু #আভালতা_কুন্ডু, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী হিসাবে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়, ৬ এপ্রিল ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২ এপ্রিল ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৬২ দিন এম.এল.এ হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে #তৃতীয় রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী সি.পি.আই. দলের #অশ্বিনী_রায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়, ৩ এপ্রিল ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৬৩ দিন এম.এল.এ হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে #চতুর্থ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, ভাতাড় ব্লকের পালাড় (জে.এল.নং - ৬৩) গ্রামের #শান্তিময়_হাজরা, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের জয়ী প্রার্থী হিসাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ১ মার্চ ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ২৫৫ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে #পঞ্চম রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী সি.পি.আই. দলের #অশ্বিনী_রায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৬ মার্চ ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১ বছর ১৯ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে #ষষ্ঠ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী বামফ্রন্টের সি.পি.আই (এম). দলের #অনাথবন্ধু_ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২ এপ্রিল ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৮ জুন ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৮৭ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে #সপ্তম বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, কলিকাতা নিবাসী বারিষ্টার #ভোলানাথ_সেন, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইন্দিরা পন্থী) এর জয়ী প্রার্থী হিসাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২০ মার্চ ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৩০ এপ্রিল ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৫ বছর ৪১দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে #অষ্টম বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামফ্রন্টের ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী শক্তিপদ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জোট (ইন্দিরা পন্থী) এর দ্বিতীয়বার জয়ী প্রার্থী কলকাতা নিবাসী বারিষ্টার #ভোলানাথ_সেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২১ জুন ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৩ মে ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৩৭ দিন এম.এল. এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে #নবম বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের ভোলানাথ সেনকে হারিয়ে, সি.পি.আই (এম).দলের জয়ী প্রার্থী #সৈয়দ_মহঃ_মসিহ্ , পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২৪ মে ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৯ মার্চ ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩১০ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে #দশম বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের বনমালী হাজরাকে হারিয়ে, বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম). দলের দ্বিতীয়বার জয়ী প্রার্থী #সৈয়দ_মহঃ_মসিহ্, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ৩০ মার্চ ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮ জুন ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৮১ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে #একাদশ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের ভোলানাথ সেনকে হারিয়ে, বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম). দলের জয়ী প্রার্থী গুসকরা নিবাসী #মেহবুব_জাহেদী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধান- সভায় ১৯ জুন ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫ মে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৩১ দিন এম.এল. এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে #দ্বাদশ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষকে হারিয়ে, বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম). দলের জয়ী প্রার্থী, ভাতাড় ব্লকের আড়রা গ্রামের #সুভাষ_মণ্ডল, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ১৬ মে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪ মে ২০০১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৬৪ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
২০০১ খ্রিস্টাব্দে #ত্রয়োদশ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের বনমালী হাজরাকে হারিয়ে, বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম).দলের দ্বিতীয়বার জয়ী প্রার্থী, ভাতাড় ব্লকের আড়রা গ্রামের #সুভাষ_মণ্ডল,
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়, ১৫ মে ২০০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৭ মে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত,
৫ বছর ৩ দিন এম.এল.এ.হিসাবে বহাল ছিলেন ।
২০০৬ খ্রিস্টাব্দে #চতুর্দশ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের বনমালী হাজরাকে হারিয়ে, বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম).দলের তৃতীয়বার জয়ী প্রার্থী গুসকরা নিবাসী #সৈয়দ_মহঃ_মসিহ্, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ১৮ মে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩ মে ২০১১খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৬১দিন এম.এল.এ.হিসাবে বহাল ছিলেন ।
২০১১ খ্রিস্টাব্দে #পঞ্চদশ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সি.পি.আই(এম).এর শ্রীজিৎ কোঁয়ারকে হারিয়ে, ভাতাড় ব্লকের পালাড় (জে.এল.নং - ৬৩ ) গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেসের ২৯৮ ভোটে জয়ী প্রার্থী #বনমালী_হাজরা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ২০ মে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৫ মে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৪ বছর ৩৬১ দিন এম.এল. এ. হিসাবে বহাল ছিলেন ।
২০১৬ খ্রিস্টাব্দে #ষোড়শ বিধানসভা নির্বাচনে, ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামফ্রন্টের সি.পি.আই(এম) এর বামাচরণ ব্যানার্জিকে হারিয়ে,আউসগ্রাম নিবাসী তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী #সুভাষ_মণ্ডল, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়, ২৬ মে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে আজ পর্যন্ত (১২ মার্চ ২০২১খ্রিঃ ) ৪ বছর ২৯১ দিন এম.এল.এ. হিসাবে বহাল আছেন ।
#একনজরে
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০১৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী প্রার্থী ও দল

বছর (নির্বাঃ) জয়ী প্রার্থী দলের নাম
১৯৫৭(২য় ) আভালতা কুণ্ডু জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬২(৩য়) অশ্বিনী রায় সি. পি. আই.
১৯৬৭(৪র্থ) শান্তিময় হাজরা জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬৯(৫ম) অশ্বিনী রায় সি. পি. আই.
১৯৭১(৬ষ্ঠ) অনাথবন্ধু ঘোষ সি.পি.আই (এম).
১৯৭২(৭ম) ভোলানাথ সেন কংগ্রেস
১৯৭৭(৮ম) ভোলানাথ সেন কংগ্রেস
১৯৮২(৯ম) সৈঃ মহঃ মাসিহ সি.পি.আই (এম).
১৯৮৭(১০ম) সৈঃ মহঃ মাসিহ সি.পি.আই(এম).
১৯৯১(১১তম) মেহবুব জাহেদী সি.পি.আই(এম).
১৯৯৬(১২তম) সুভাষ মণ্ডল সি.পি.আই(এম).
(আড়রা নিবাসী)
২০০১(১৩তম) সুভাষ মণ্ডল সি.পি.আই(এম).
২০০৬(১৪তম) সৈঃ মহঃ মাসিহ সি.পি.আই(এম).
২০১১(১৫তম) বনমালী হাজরা তৃণমূল কংগ্রেস
২০১৬(১৬তম) সুভাষ মণ্ডল তৃণমূল কংগ্রেস
(আউসগ্রাম নিবসী)

#দীনবন্ধু_পাঁজা_কুলনগর_ভাতাড়_পূর্ববর্ধমান ।
#মোবাইল_নং_৬২৯৭৬৫৫৮৮৬

Address

Mandarbati, Sahebganj-II, Purba Bardhaman, Pin
Bhatar
713127

Telephone

8101899812

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mandarbati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mandarbati:

Share