16/04/2026
তারিখ ১৫.০৪.২০২৬, আনুমানিক সকাল ১০:০০
সোদপুর গির্জা মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা লক্ষ্য করেন যে একটি অল্পবয়সী কন্যাশিশু দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য অবস্থায় রাস্তায় ঘোরাফেরা করছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করে ডিউটিতে নিয়োজিত THG/794 চন্দন রজক শিশুটির নিকট গিয়ে তার গন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। উত্তরে শিশুটি সোদপুরের দিক নির্দেশ করে জানায় যে সে খড়দা যাবে।
উক্ত পরিস্থিতি সন্দেহজনক ও সংবেদনশীল বলে বিবেচিত হওয়ায়, চন্দন রজক তৎক্ষণাৎ সেখানকার কর্তব্যরত ASI/2268 তারক মাহান্ত-কে বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে ASI/2268 তারক মাহান্ত, TC/345 সঞ্জয় পাল, THG/109 সুনীল কুমার শিত এবং THG/794 চন্দন রজক সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে নিশ্চিত হন যে শিশুটি পথভ্রষ্ট হয়ে পড়েছে এবং মানসিকভাবে উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে।
এরপর ডিউটিতে থাকা ট্রাফিক কর্মীরা শিশুটিকে আশ্বস্ত করেন যে সে নিরাপদে রয়েছে এবং বিষয়টি তৎক্ষণাৎ সোদপুর ট্রাফিক গার্ড অফিস ও সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে অবগত করেন। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে শিশুটিকে সোদপুর ট্রাফিক গার্ড অফিসে নিয়ে আসা হয়। সেখানে শিশুটির নিকট থেকে তার পরিবারের যোগাযোগ নম্বর সংগ্রহ করে তার পিতার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
যোগাযোগ সূত্রে জানা যায় যে শিশুটির নাম আলিশা খাতুন (বয়স প্রায় ১০ বছর), পিতা সাগির মানসুরি, মাতা কাশ্মীরা বিবি; স্থায়ী ঠিকানা—সাহেবগঞ্জ জেলা, থানা কোটালপুকুর, রাজ্য ঝাড়খন্ড। শিশুটি তার এক নিকট আত্মীয়ের নিকট বেড়াতে এসে পথ হারিয়ে ফেলে।
পরবর্তীতে, শিশুটির পিতা ঝাড়খন্ডে অবস্থান করায় তার পিশামশাই জৈনুদ্দিন (নিবাস: টিটাগর, উড়ানপাড়া) সোদপুর ট্রাফিক গার্ড অফিসে উপস্থিত হয়ে নিজের পরিচয় প্রদান করেন। শিশুটি উক্ত আত্মীয়কে সনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং তা কর্তব্যরত ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে অবহিত করে।
পরিশেষে, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে শিশুটিকে নিরাপদে তার নিকট আত্মীয়ের নিকট হস্তান্তর করা হয়।