পুঁজিবাদ,মার্ক্সবাদ বা রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদ, মিশ্র অর্থনীতি তত্বগুলি ভোগবাদের নামান্তর।বলা হয়,"পুঁজিবাদ মানুষকে ভিখারী করে, আর মার্ক্সবাদ সেই ভিখারীকে পশুতে পরিণত করে।" এজন্য,বিংশ শতাব্দীতে(১৯৫৯ সালে) শৃঙ্খলিত-পীড়িত বিশ্বমানবতার মুক্তির লক্ষ্যে তথা সমাজ ব্যবস্থা হতে শোষন মুক্তির জন্যে মহান দার্শনিক-ঋষি শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার যুগোপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক দর্শন 'প্রাউট' দেন।'প্রাউট'এর পঞ্
চমূল সিদ্ধান্তগুলি হল-
* কোন মানুষই সানবায়িক সংস্থার সুস্পস্ট অনুমোদন ও অনুমতি ছাড়া ভোতিক সম্পদ সঞ্চয় করতে পারবে না।
* বিশবের যাবতীয় জাগতিক,মানসিক ও আধ্যাত্মিক সম্পদের স র্বাধিক উপজোগ গ্রহন করতে হবে ও যুক্তিসম্মত বন্টন করতে হবে।
* মানব সমাজের মধ্যে ব্যষ্টিগত ও সমষ্টিগত যত প্রকার আধীভোতিক, আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক সম্পদ আছে সব কিছুরই সর্বাধিক উপজোগ গ্রহন করতে হবে।
* জাগতিক,মানসিক,আধীভোতিক, আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক উপযোগ সমূহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট বিবেচনা ও সামঞ্জস্য থাকা অবশ্য প্রয়োজন।
* দেশ,কাল ও পাত্রের পরিবর্তন ওনুযায়ী সমগ্র উপযোগ নীতির পরিবর্তন হতে হবে।আর এই উপযোগ হবে প্রগতিশীল স্বভাবের।
এভাবে 'প্রাউট' এক নূতন অনন্য বিকেন্দ্রিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা দিয়েছে(ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এর অন্যতম) ও তদানুযায়ী শ্রীসরকার প্রনীত 'প্রাউট'-এ সারা পৃথিবীতে ২১০টি(শুধু ভারতবর্ষেই আছে ৪৪টি 'সমাজ') unit বা 'সমাজ' চিহ্নিত হয়েছে। *****১** ।এই শোষনমুক্ত স্বয়ংসম্পূর্ন 'সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল' বা 'সমাজ' গড়ার অন্যতম মূল সূত্রগুলি হবে-
** একই নতাত্বিক সাদশ্যযুক্ত অঞ্চল
** একই ভোগোলিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত অঞ্চল
** একই অর্থনৈতিক সমস্যাযুক্ত অঞ্চল
** একই সম্পদ ও সম্ভাবনাযুক্ত অঞ্চল
** একই সাধারন সামাজিক-সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন।যেমন-ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য প্রভৃতির ভিত্তিতে গড়ে উঠা সাংবিধানিক উত্তরাধিকার(সেন্টিমেন্টাল লিগ্যেসি)। আর "আমরা বাঙলী সমাজ" হল উক্ত ২১০টি unit-এর একটি।"আঃবাঃ" চায় সামাজিক-অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মানস-অর্থনৈতিক শোষনমুক্ত সমাজ, আর এই সার্বিক শোষনমুক্ত "স্বয়ংসম্পূর্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল" গঠন করার জন্য 'বাঙালীস্তান' গঠন অপরিহার্য। এই 'বাঙালীস্তান' গঠিত হবে ভারতবর্ষের সংবিধানের Part-1_এ,3(A) নং. ধারা ...****২** ... অনুযায়ী। ****৩** ।বর্তমানে 'বাঙালীস্তান' নামে তথাকথিত মুক্তমনারা(!) যারা সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পাচ্ছে,তারা হীন স্বার্থান্বেষী ধুরন্ধর রাজনৈতিক দলের দালাল ছাড়া কিছুই নন। যেমনঃ-তামিলনাড়ু(নাড়ু মানে দেশ),মিজোরাম(রাম মানে দেশ),নাগাল্যান্ড(ল্যান্ড মানে দেশ),পাকিস্তান,অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদি।এই বাঙালী হঠাত করে জেগে উঠেনি বা হঠাত করে নতুন বাউন্ডারি পাওয়া রাষ্ট্রকেন্দ্রীক জনগোষ্ঠীও নয়,এই বাঙালীজাতির বয়স ৩০০০ বছরেরও বেশী।ধাপে ধাপে এর ঐতিহাসিক অগ্রগতি হয়েছে বলেই এদের আছে নিজেস্ব পোষাক-পঞ্জিকা-লিপি-উচ্চারন রীতি-ভাষা-শাড়ি পড়ার পদ্ধতি-বিশেষ সামাজিকতা-নিজের দায়াধিকার।বাঙালার সভ্যতা গাঙ্গেয়-ব্রহ্মপুত্র-রাঢ় এই তিনটি ব-দ্বীপিয় সভ্যতার বিমিশ্র রূপ,বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে এটাই সর্বোত্তম বিমিশ্র সভ্যতার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।ফলে,বাঙালার মানুষেরা বৌদ্ধিক দিক থেকে খুবই উন্নত।এ জাতি শিক্ষা, শিল্প, জ্যোর্তিবিজ্ঞান, দর্শন, কাব্য, সঙ্গীত, প্রত্নতত্ত্ব, অঙ্কন, নৃতত্ত্ব,আধ্যাত্মিকতা,দেশাত্মবোধ ইত্যাদি যতোগুলি দিক রয়েছে সকল ক্ষেত্রেই এগিয়ে।মহামতি গোখলের ভাষায়-"What Bengal things today, India will think tommorrow." আর এই সচেতন বাঙালীরা স্বার্থান্নেষীদের নিজ স্বার্থের বাধা বলে ১৯৪৭ সালের পূর্বে মোগল-ইংরেজ প্রমুখ, এবং ৪৭ সালের পরে আজও ব্রিটিশ(পরোক্ষ ভাবে থেকে)-হিন্দি ও ঊর্দ্ধু সাম্রাজ্যবাদীরা বাঙালী নিধনে মেতেছে।কারন,সচেতন দামাল বঙ্গসন্তানরা জীবন-মরণ ভুলে গিয়ে বিপ্লব-বিদ্রোহ করে ও তাতে সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিনিয়তই নাস্তানাবুদ হতে হয়।তাই, আজ বাঙালিদেরই বাসভূমিতে লক্ষ লক্ষ বাঙালীকে 'ডি-ভোটার',বিদেশী,ভাসমান জনজাতি আখ্যায়িত করা হয়। ডিটেনশান ক্যাম্পে,গৃহবন্দি করে রাখা হয়; কিছু লোকদের উপজাতি বলে ক্ষ্যেপিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধানো হয়-'বঙ্গাল খেদাও আন্দোলন' করা হয়,ADC-GTA করে বাঙালীদের কোনঠাসা করা হয়, ইতিহাস বিকৃত করে ও সমাজে অশ্লীল সাহিত্য,নীল ছবি ছড়িয়ে জাতির মেরুদন্ড যুব সমাজকে বিভ্রান্ত_বে-দিশা করার অপপ্রয়াস চালানো হয়,ধর্মে-বর্নে কুমতলবের কালিমা লিপ্ত করে Divide & Rule-এর রোলার চালানো হয়, খরা-মন্বন্তরে-রোজি রুটির অভাবে বাঙালীরা ক্ষিদা-তেষ্টায়-জ্বালায় মশা-মাছির মতো মরে যায়; বাঙালিদের জীবনধারণের জন্য নূন্যতম অথচ অতন্ত্য প্রয়োজনীয় অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-চিকিৎসা এই পাঁচটি মৌলিক চাহিদার কোনও গ্যারেন্টি নেই।তবু কারোর কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, কি কংগ্রেস,CPI(M),BJP বা অন্যান্য দল! কেবল দলাদলিই যা সার। সবাই ভোটের রাজনীতিতে মত্ত! সুবিধাবাজীর রাজনীতিতে পারলে জাতটাকে চিবিয়ে সাবাড় করতে চায় সব দল কয়টাই।এক একটি দল হল এক একটা সাম্রাজ্যবাদের দালালদের আতুরঘর। আর এইভাবে বিবেকানন্দ ,রবীন্দ্রনাথ ,সুভাষ বসু ,সূর্যসেন ,ক্ষুদিরামের বাঙলা তার প্রাচীন গোরব ঐতিহ্য সমেত অসহায়ের মত মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাক-একথা কোন বাঙালীই কল্পনা করতে পারে না।তাই,সর্বভারতীয় রাজনীতির খেলায় বাঙালীকে শুধু দাবার বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করার অপকৌশল দীর্ঘদিন চলতে পারে না।এজন্য,১৯৬৭-৬৮সালে পঃবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ৫০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে যে "আমরা বাঙালী" দলের আত্মপ্রকাশ, এই দলই একমাত্র দল বলেই সর্বদা আঞ্চলিক শ্রীবদ্ধির পথ ধরে বিশ্বৈকতাবাদ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে প্রয়াসী তথা বাঙলা ও বাঙালীকে বাঁচাতে এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্যে আপোষহীন সংগ্রাম নিরন্তরভাবে চালিয়ে 'বাঙালীস্তান' গড়ার মধ্য দিয়ে পীড়িত-ম্লান বিশ্বমানবতার মুক্তি ঘটানোই হল "আমরা বাঙালী" দলের মূল লক্ষ্য।
আর একইভাবে, প্রাউটের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ১ম ধাপই হল, প্রতিটি সমাজের অন্তর্গত স্থানীয় মানুষ****৪**..-এর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তথা নূন্যতম চাহিদা পূরনের ব্যবস্থা করা।এ ব্যপারে প্রতিটি 'সমাজ'-এর 'স্বয়ম্ভর' করে গড়ে তুলতে হবে।ক্রমান্বয়ে সমস্ত 'সমাজ'-এর মাথা পিছু আয়ের হার তথা জীবনধারণের মানও বাড়তে থাকবে।
প্রাউটের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ২য় ধাপ হল,পাশাপাশি ভিন্ন 'সমাজ' উপরিউক্ত ভাবে 'স্বয়ম্ভর' হয়ে ওঠার পর ওই 'সমাজ'গুলির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও প্রশাসনিক সুবিধার ভিত্তিতে ২ বা ততোধিক সমাজকে যুক্ত করে বৃহত্তর অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা। এইভাবে ক্রমশই 'সমাজ'গুলির আয়তন বৃদ্ধি করে চলতে হবে।
"প্রাউটিষ্ট সর্ব সমাজ সমিতি" সকল সমাজের উন্নয়নের তথা আন্দোলনের নীতি,পদ্ধতি ও গতিপ্রকৃতি নির্দ্ধারন করবে। এজন্যে "আমরা বাঙলী সমাজ" সহ বাদবাকী সকল সমাজের থাকছে একই আর্দশ-লক্ষ্য ও প্রকৃতপক্ষে একই মঞ্চ, আর অদূর ভবিষ্যতে একসময় এইভাবে ক্রমাগত সমাজ-আন্দোলনের ফলে এক সুবৃহৎ বিশ্বপরিবার গঠন করা হবে।পরিশেষে বুঝা গেল যে, এই সমাজ-আন্দোলনে কোনরূপ সংকীর্নতার স্থান নেই।সামাজিক-অর্থনৈতিক- সংস্কৃতিক বৈষম্য দূর করতে আজ যুগের প্রয়োজনেই দেখা দিয়েছে নোতুন নেতৃত্ব,নোতুন সংগঠন,নোতুন সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক আর্দশের। সে আর্দশ হল 'প্রাউট'।
ইতিহাস কখনো থেমে থাকে না।শাসকগোষ্ঠী রক্তচক্ষু দেখিয়ে মানুষের মুক্তির এষনাকে চিরকাল দাবিয়ে রাখতে পারে নি ও পারবে না। আজ মৌলিক অধিকারকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যে রক্তের ডাক এসেছে ওই।বাংলার ঘরে ঘরে ভাই-বোন প্রস্তত হোন।চলুন আমরা আমাদের নিজেস্ব বাসভূমি 'বাঙালীস্তান' গঠনের মৌলিক অধিকারকে ছিনিয়ে নেই।কারন,অনেক সময় স্বার্থের মোহে অন্ধ পিশাচেরা ন্যয্য অধিকার কাউকে দিতে চায় না, তা তখন ছিনিয়ে নিতে হয়। আর এই 'বাঙালীস্তান' গঠনের মাধ্যমে ধর্ম-বর্ন-গন-পাহাড়বাসী-সমতলবাসী নির্বিশেষে ৩০'কোটির উপর বাঙালীর আশা-আকাঙ্খা-ভালোবাসা-ইচ্ছা পূর্ন হোক ও ততসঙ্গে বিশ্ববিবেক জাগরনের পথ প্রশস্থ হোক এই "আমরা বাঙালী" দলের মর্ম কথা।।জয় বাঙলার চেতনা, জয় বিশ্ববিবেক। সার্থক হউক জীবনের জয়গান..................................আমরা বাঙালী,জিন্দাবাদ.........বাঙালীস্তান,জিন্দাবাদ......বাঙালী ঐক্য,জিন্দাবাদ ..........দুনিয়ার বাঙালী এক হও.........দুনিয়ার নীতিবাদী মানুষ এক হও.......জয় বাঙলা,জয় বাঙালি,জয় বাঙালীস্তান......
#আমাদের দাবী সমূহগুলি হলঃ-
* সরকারী-বেসরকারী সমস্ত কাজে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে-আমরা বাঙালী
* বাঙলা থেকে অর্থের বহিঃস্রোত বন্ধ করতে হবে-আমরা বাঙালী
* বাঙালী রেজিমেন্ট গঠন করতে হবে-আমরা বাঙালী
* কৃষিপণ্যে বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বন্ধ করতে হবে-আমরা বাঙালী
* কৃষিকে শিল্পের মর্য্যাদা দিতে হবে-আমরা বাঙালী
* বাঙালীর নিজস্ব বাসভূমি স্বয়ংসম্পূর্ণ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল বাঙালীস্তান গড়তে হবে-আমরা বাঙালী
* ADC,GTA আইন বাতিল করতে হবে-আমরা বাঙালী
* নারীদের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্বয়ংম্ভরতা দিতে হবে-আমরা বাঙালী
* ২৩শে জানুয়ারী দেশপ্রেম দিবস ঘোষণা করতে হবে-আমরা বাঙালী
* নেতাজী অন্তর্ধান রহস্য অবিলম্বে উদ্ঘাটন করতে হবে-আমরা বাঙালী
* তৎকালীন আজাদ হিন্দ ফৌজের সম্পত্তির পরিমাণ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে-আমরা বাঙালী
****১** প্রসঙ্গত,উক্ত২১০টি সমাজের সমবায়ে "প্রাউটিষ্ট সর্ব সমাজ সমিতি" থাকবে, যেখানে সমস্ত 'সমাজ'গুলিই তার সদস্য হবে আর এই সর্বসমাজ সমিতিই ভিন্ন সমাজগুলির মধ্যে সম্প্রীতি,সহযোগিতা ও সমন্বয়ের সেতু হিসেবে কাজ করবে।
****২** আইনের মাধ্যমে কোন রাজ্যের অংশ নিয়ে/২বা ততোধিক রাজ্য বা রাজ্যের অংশ যুক্ত করে/কোন ভূখন্ড,অন্য রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করে নূত্ন রাজ্য গঠন ক্রতে পারে।
****৩** প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের জুলাই-এ ভারতীয় গণপরিষদের সভাপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ ল্যাঙ্গুষ্টিক কনভেনশন ডেকেছিলেন, তাতে মহারাষ্ট্র,কর্ণাটক,কেরল,অন্ধ্রপ্রদেশ,গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশকে ভাষা ও সংস্কতিভিত্তিক পুর্ণগঠন করা হবে স্থির হয়েছিল।কিন্তু বাঙালার দাবী উপেক্ষিত হয়।১৯৫৩ সালের নভেম্বরে সংবিধানের ৭'ম সংশোধনী ভাষাভিত্তিক প্রদেশ পুর্ণগঠন এ্যাক্ট হলেও শুধু বাঙলা বাদে সব রাজ্য পুর্ণগঠিত হল।
****৪** স্থানীয়ঃ-জাতি-ধর্মমত-বর্ন-মাতৃভাষা-জন্মস্থান যাই হোক না কেন, সেটা এখানে বিচার্য ন্য।যারা ব্যষ্টিগত সামাজিক-অর্থনৈতিক স্বার্থকে ঐ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চলে তারা রয়েছে,ঐ অঞ্চলের স্বার্থের সঙ্গে মিশিয়ে দেবে।এক্ষেত্রে প্রাথমিক বিচার্য বিষ্য হ্ল_তারা নিজেস্ব স্বার্থকে ঐ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্বার্থের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে কি না। আর অন্যদিকে, যারা ঐ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চলে অর্থ আয় করে অন্য এক সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্য্য করে, তারাই হল অ- স্থানীয় বা বহিরাগত মানুষ।কারন তাদের কাজকর্ম যে সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চলে তারা কর্মরত, তার স্বার্থানুকুল হচ্ছে না।এতে ঐ বিশেষ এলাকার অর্থনৈতিক বিকাশোপযোগী মূলধনের বহিঃস্রোত ঘটছে ও ঐ বিশেষ এলাকার অর্থনৈতিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
(in Bengali)