20/05/2026
মোল্লাদের দালাল CPI(M)-এর বিকৃত মানসিকতার নেতা Satarup Ghosh — একটা সহজ-সরল প্রশ্নের কী জবাব দিয়েছেন, দেখুন!
একজন সাধারণ মানুষের প্রশ্নের উত্তরে যদি একজন রাজনৈতিক নেতার ভাষা হয় — “তোর মায়ের কাছে”, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না আজ বামপন্থী রাজনীতি কতটা নিচে নেমে গেছে।
যারা নিজেদের শিক্ষিত, প্রগতিশীল ও সংস্কৃতিমনস্ক বলে পরিচয় দেন, বাস্তবে তাঁদের অনেকের মধ্যেই ভিন্ন মত সহ্য করার ন্যূনতম মানসিকতাও দেখা যায় না। যুক্তি শেষ হয়ে গেলে শুরু হয় ব্যক্তিগত আক্রমণ, মা-বাবাকে টেনে অপমান — এটাই কি এখন তাঁদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি?
প্রশ্ন হলো — একজন রাজনৈতিক নেতার মুখে কি এই ভাষা মানায়?
যে ব্যক্তি হাজার হাজার তরুণের সামনে নিজেকে “বিকল্প রাজনীতি”-র মুখ হিসেবে তুলে ধরেন, তাঁর ভাষা যদি রাস্তার গালিগালাজের থেকেও নিচে নেমে যায়, তাহলে সমাজ কী শিক্ষা নেবে?
আরও বড় প্রশ্ন — যে অন্যের মা-কে অপমান করে, সে কি নিজের পরিবার থেকে সম্মান শেখেনি?
বাংলার মানুষ আজ খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছে, তথাকথিত বুদ্ধিজীবী রাজনীতির মুখোশের আড়ালে কতটা বিষ ও ভণ্ডামি লুকিয়ে আছে। বছরের পর বছর ধরে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করার রাজনীতি হয়েছে। বেআইনি কাজ হলেও প্রতিবাদ নেই, সংবিধানবিরোধী আচরণ হলেও নীরবতা — কারণ নীতির চেয়ে ভোটটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
একসময় Buddhadeb Bhattacharjee মাদ্রাসা শিক্ষার অপব্যবহার ও চরমপন্থার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আজ সেই দলের বহু নেতাই বাস্তব সমস্যার কথা উঠলেই “সাম্প্রদায়িক” তকমা দিতে ব্যস্ত।
বাংলার মানুষ দেখেছে — যখন বেআইনি নির্মাণ হয়েছে, যখন সাধারণ মানুষের জমি দখল হয়েছে, যখন উগ্র গোষ্ঠীগুলো আইনের ঊর্ধ্বে আচরণ করেছে, তখন এদের কণ্ঠস্বর শোনা যায়নি। কিন্তু ভোটব্যাঙ্কের প্রশ্ন এলেই হঠাৎ মানবতা জেগে ওঠে।
এটাই বাংলার মানুষ আর মেনে নিতে চাইছে না।
Swami Vivekananda বলেছিলেন:
“যে জাতি নিজের চরিত্র হারায়, সে জাতি সব হারায়।”
আজ সেই কথাটাই সবচেয়ে বেশি সত্যি মনে হচ্ছে। কারণ রাজনীতি যখন চরিত্র হারায়, তখন ভাষা নোংরা হয়, সমাজ বিভক্ত হয়, আর মানুষ ধীরে ধীরে রাজনীতির উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।
বাংলা Rabindranath Tagore-এর বাংলা। বাংলা বিবেকানন্দের বাংলা। এই বাংলার সংস্কৃতি কখনও মা-কে অপমান করার উপর দাঁড়িয়ে ছিল না।