Bijoyer Hashi

Directions Contact the organisation

Bijoyer Hashi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bijoyer Hashi, Political organisation, London.

13/09/2026

# কোটি টাকার বিনিময়ে:•

হাসপাতালের করিডোরে বসে আছেন রফিক সাহেব। হাতে একটা মোবাইল, স্ক্রিনে জ্বলছে অসংখ্য মিসড কল আর মেসেজ—অফিসের, ক্লায়েন্টের, ব্যাংকের। কিন্তু তার চোখ আটকে আছে সামনের বন্ধ দরজাটার দিকে, যার ওপাশে তার মেয়ে নীরা শুয়ে আছে, শরীরে নল লাগানো, বুকের ভেতর কষ্টে ভরা একটা নিঃশ্বাস আটকে আছে যেন।

ডাক্তার বলেছেন—কয়েক ঘণ্টা। হয়তো একটা রাত।

তিনি মনে করার চেষ্টা করছেন, শেষ কবে মেয়ের সাথে সত্যিকারের কথা বলেছেন। শুধু "কেমন আছিস" না, শুধু "পড়াশোনা কেমন চলছে" না—সত্যিকারের কথা। মনে পড়ছে না। মাথার ভেতর শুধু ভেসে উঠছে অসংখ্য দিনের ছবি—নীরা দরজায় দাঁড়িয়ে বলছে, "বাবা, আজ আমার স্কুলে অনুষ্ঠান," আর তিনি ল্যাপটপ থেকে চোখ না তুলেই বলছেন, "এই তো, একটু পরে যাচ্ছি, তুই যা।"

তিনি যাননি। সেদিনও না, তার পরের বারও না।

নীরার বয়স যখন সাত, তখন একবার জ্বরে ভুগে সারারাত কেঁদেছিল। তার স্ত্রী ফোন করে বলেছিলেন, "একটু এসো না, মেয়েটা তোমাকে চাইছে।" তিনি তখন সিঙ্গাপুরে, একটা চুক্তি সই করার জন্য বসে আছেন এক কনফারেন্স রুমে। বলেছিলেন, "কালকে সকালেই ফিরব, ওকে বলো বাবা আসছে।"

সেই "কালকে সকাল" আসতে আসতে তার জীবনে আরও কত শত "কালকে" জমে গেছে। মেয়ের জন্মদিন, বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল, প্রথম সাইকেল চালানো শেখা, কলেজে ভর্তি হওয়ার দিন—প্রতিটা মুহূর্তে তিনি ছিলেন "একটু ব্যস্ত," "একটা জরুরি মিটিং," "এইতো আসছি" বলে।

আর আজ, যখন মেয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে, তখন তিনি এখানে বসে আছেন—অবশেষে সময় নিয়ে, কিন্তু সেই সময়টা এখন অর্থহীন।

নার্স দরজা খুলে বললেন, "আপনি ভেতরে আসতে পারেন, উনি জেগে আছেন।"

তিনি ধীর পায়ে ভেতরে গেলেন। নীরার মুখ ফ্যাকাশে, চোখ দুটো কোটরে বসে গেছে, কিন্তু ঠোঁটে ক্ষীণ একটা হাসি। "বাবা," সে ফিসফিস করে ডাকল, "তুমি এসেছ।"

"আমি তো সবসময়ই ছিলাম, মা," তিনি বলতে গিয়ে গলা ধরে এলো। মিথ্যাটা তার নিজের কানেই বিধল।

নীরা তার হাত ধরল, দুর্বল আঙুলে। "জানো বাবা, আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি কী? তুমি যখন আমাকে একবার কাঁধে করে সমুদ্র দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলে। আমার তখন পাঁচ বছর। তুমি বলেছিলে সেদিন সব মিটিং বাদ দিয়ে এসেছ, শুধু আমার জন্য।"

তার বুক ফেটে যাচ্ছিল। একদিন। মাত্র একদিন, পঁচিশ বছরের মধ্যে, যেদিন তিনি সত্যিই মেয়ের জন্য পুরোপুরি উপস্থিত ছিলেন। আর সেই একদিনই মেয়ের সবচেয়ে বড় স্মৃতি হয়ে গেছে।

"বাবা," নীরা আবার বলল, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, "তুমি অনেক কিছু দিয়েছ আমাদের। বড় বাড়ি, ভালো স্কুল, সব। কিন্তু জানো, আমি সবসময় শুধু চেয়েছিলাম তুমি পাশে থাকো। এইটুকুই।"

তিনি মেয়ের হাত বুকে চেপে ধরে ফুঁপিয়ে উঠলেন, বছরের পর বছর জমিয়ে রাখা কান্না যেন হঠাৎ বাঁধ ভেঙে বেরিয়ে এলো। "আমাকে ক্ষমা কর, মা। আমি ভুল করেছি। আমি ভেবেছিলাম তোদের জন্যই এত করছি, কিন্তু আসলে আমি নিজেকেই দুনিয়ার কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলাম। আর তোদের কাছ থেকে চুরি করেছি সময়টুকু, যেটা কখনো ফিরিয়ে দিতে পারব না।"

নীরা তার কপালে হাত রাখল, যেভাবে ছোটবেলায় তিনি নিজে মেয়ের জ্বর মাপতেন। "বাবা, রাগ করিনি আমি তোমার ওপর। শুধু চাই, তুমি এখন থেকে... বাকিটা জীবন নিজের জন্য বাঁচো। মায়ের পাশে থেকো। ভাইয়াকে সময় দিও। আর কক্ষনো বলো না 'এই তো আসছি'—যেটা সত্যি নয়।"

সেই রাতেই, ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগে, নীরা চোখ বুজল চিরদিনের জন্য। তার হাত তখনও বাবার হাতের মুঠোয়।

রফিক সাহেব সেই রাতে বুঝলেন, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা থাকা কোটি কোটি টাকা, তার নামের পাশে লেখা "সফল" শব্দটা, তার কোম্পানির বিশাল সাম্রাজ্য—সবকিছু মিলিয়েও তারা তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না মেয়ের সাথে কাটানো সেই হাজারো সন্ধ্যা, যেগুলো তিনি নিজের হাতে বিসর্জন দিয়েছিলেন।

দুনিয়াকে তিনি দিয়েছিলেন তার সবটুকু জীবন। দুনিয়া তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে কিছু কাগজের টুকরো, যেগুলো আজ রাতে, এই হাসপাতালের ঠান্ডা করিডোরে, একেবারেই মূল্যহীন মনে হচ্ছে।

তিনি মেয়ের ডায়েরিতে খুঁজে পেলেন একটা পাতা, যেখানে ছোট্ট হাতের লেখায় লেখা ছিল:

*"বাবা বলে, কোটি টাকা দিলে দুনিয়া অনেক কিছু দেয়।*
*আমি শুধু জানি, বাবার একটা সন্ধ্যাই আমার কাছে অনেক কিছু।*
*কোটি টাকার বিনিময়ে যদি একটা সন্ধ্যা পাওয়া যেত,*
*আমি সেই বিনিময়ই চাইতাম, বারবার, প্রতিদিন।"*

জানালার বাইরে তখন সূর্য উঠছে। শহর জেগে উঠছে আরেকটা ব্যস্ত দিনের জন্য। কিন্তু রফিক সাহেবের পৃথিবীতে সময় থমকে গেছে—সেই মুহূর্তে, যেখানে তিনি বুঝেছেন, কিছু কিছু ক্ষতির কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না। কিছু কিছু বিক্রি করা জিনিস আর কখনো ফিরে কেনা যায় না।

---

*যাদের হাতে এখনও সময় আছে, তারা যেন আজই বুঝে নেয়—ভালোবাসার মানুষদের কাছে আমাদের উপস্থিতির মূল্য কোনো টাকায় মাপা যায় না। কালকের প্রতিশ্রুতির চেয়ে আজকের একটা মুহূর্ত অনেক বেশি মূল্যবান।*

10/09/2026

আজকে ছেলে, কালকে মেয়েঃ

আপনারা স্ক্যান্ডাল সামলাবেন, নাকি রাষ্ট্র চালাবেন?
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। এর একটা বড় কারণ লুকিয়ে আছে এমন এক জায়গায়, যা নিয়ে আমরা যথেষ্ট কথা বলি না — ক্ষমতাসীনদের আত্মীয়স্বজনের সরকারি ব্যবসা এবং প্রকল্পে অবাধ যাতায়াত।

আজকে ছেলে, কালকে মেয়ে, পরশু মেয়ের জামাই, ছেলের বউ, শ্যালক, ভাই-বোন, নাতি-নাতনি — একের পর এক স্ক্যান্ডাল সামাল দিতে দিতেই কি একটা সরকারের পুরো মেয়াদ পার হয়ে যাবে? নাকি সেই সময় ও শক্তি রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যয় হবে ? প্রশ্নটা কঠিন শোনালেও উত্তরটা খুবই সহজ — একটা রাষ্ট্র একসাথে দুটো করতে পারে না।

প্রস্তাবটা কীঃ

একটা সহজ নিয়ম হতে পারে এরকম — সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা বা সমমর্যাদার ব্যক্তিদের নিকটাত্মীয়রা সরকারের সাথে সরাসরি কোনো ব্যবসা বা প্রকল্পে যুক্ত হতে পারবেন না। ( নোট- এতদিন ধরে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় ব্যবসা না করেই ছিলেন সবাই) । একান্তই যদি যুক্ত হতে হয়, তাহলে তাদের ক্ষেত্রে সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় যাচাই-বাছাই ও প্রকাশ্য ঘোষণার নীতি প্রযোজ্য হবে।

শুনতে নতুন মনে হলেও এটা আসলে সুশাসনের একটা প্রতিষ্ঠিত ধারণারই বাংলাদেশি সংস্করণ। একে বলা হয় "কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট" নীতি — একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত স্বার্থ, নিজের হোক বা পরিবারের, তাঁর নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলছে কিনা, সেটাই মূল প্রশ্ন। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই নীতির কোনো না কোনো রূপ বিদ্যমান।

এটা কাল্পনিক সমস্যা নয় — বাস্তবে ঘটে যাওয়া একটা প্যাটার্ন।
সাম্প্রতিক অতীতেই দেখা গেছে, একটা রাজধানী উন্নয়ন প্রকল্পে জমি বরাদ্দ ঘিরে এক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে, মেয়ে, বোন এবং তাদের সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দের অভিযোগ উঠেছিল, যেখানে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারাও জড়িত ছিলেন। ছেলে, মেয়ে, ভাই-বোন, নাতি-নাতনি — ঠিক সেই সম্পর্কগুলোই, যা নিয়ে আমরা কথা বলছি, একটা মাত্র ঘটনাতেই বাস্তবে দেখা গেছে। সমস্যাটা তাই অনুমান নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ঘটে যাওয়া বাস্তবতা।

নিয়ম শুধু লিখলেই হবে নাঃ

বাংলাদেশে দুর্নীতি দমনের কাঠামো একেবারে অনুপস্থিত নয়। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের প্রভাবের কারণে সেই কাঠামো বহু ক্ষেত্রে দাঁত-নখহীন হয়ে থাকে — আইন আছে, প্রয়োগের স্বাধীনতা নেই। একটা কার্যকর কাঠামো দাঁড় করাতে হলে দরকার:

"নিকটাত্মীয়"-এর স্পষ্ট ও সীমিত সংজ্ঞা, যাতে আইনটা বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য হয়
সরকারি ক্রয় বা প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে বাধ্যতামূলক স্বার্থ-সংঘাত ঘোষণাপত্র
ক্ষমতাসীনদের প্রভাবমুক্ত, সত্যিকারের স্বাধীন একটা তদারকি সংস্থা
লঙ্ঘন হলে বাস্তব শাস্তি ও চুক্তি বাতিলের সুনির্দিষ্ট বিধান
সম্পদ ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের নিয়মিত, জনসমক্ষে প্রকাশ
আইন প্রণয়ন তুলনামূলক সহজ ধাপ। আসল চ্যালেঞ্জ হলো প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা — আর এখানেই বাংলাদেশ বারবার হোঁচট খেয়ে এসেছে।

সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের নামের আগে "মাননীয়" বা "মহামান্য" ব্যবহার না করার নির্দেশনা যদি একটা চিঠিতে স্পষ্ট করে জানানো যায়, তাহলে নিজ আত্মীয়দের সরকারি প্রকল্প থেকে দূরে রাখার নির্দেশনাও ঠিক ততটাই স্পষ্টভাবে জানানো উচিত — বরং তার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি, কারণ এটা প্রতীকী নয়, বাস্তব জনস্বার্থের প্রশ্ন।

প্রশ্নটা তাই থেকেই যায় — আপনারা স্বজনদের স্ক্যান্ডাল সামাল দেবেন, নাকি রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন?

লেখাটি একটি ব্যক্তিগত মতামত।

12/05/2026

ছদ্মবেশী অনুপ্রবেশ করে বিয়ানী বাজার বিএনপি সংগঠনকে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে :-

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল — বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোতে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবির ও ফ্যাসিস্ট লীগের একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী দলের ছদ্মবেশী সদস্য হিসেবে অনুপ্রবেশ করে ভেতর থেকে সংগঠনকে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলের নিবেদিতপ্রাণ তৃণমূল কর্মীদের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতি কাকতালীয় নয় — এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। একসময় আওয়ামী লীগের মধ্যেও ঠিক এভাবেই সুবিধাবাদী ও দলবদলকারীদের ভিড় জমেছিল। পরিণতিতে সেই দলের সাংগঠনিক শক্তি ভেঙে পড়েছে এবং নেতারা পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য হয়েছেন। বিএনপির ক্ষেত্রেও যদি এখনই সতর্ক না হওয়া যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ একই পথে হাঁটতে পারে।
নির্বাচনে নাশকতার অভিযোগ
বিগত স্থানীয় নির্বাচনে এই গুপ্ত গোষ্ঠীটি বিএনপির দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তারা বাইরে দলীয় পরিচয় বহন করলেও ভেতরে ভেতরে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তবে তৃণমূলের নিষ্ঠাবান কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাহসিকতায় শেষ পর্যন্ত বিএনপি সেই নির্বাচনে বিজয় অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
এই বিজয় তৃণমূল কর্মীদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি দলীয় নেতৃত্বের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তাও বটে — দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সুবিধাবাদীদের উপর নয়, নিপীড়িত ও পরীক্ষিত কর্মীদের উপর।
সংগঠনে শুদ্ধি অভিযান এখন অপরিহার্য
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আগামী কমিটি গঠনে দলের কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত একটি কঠোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালু করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষত যারা অন্য দল থেকে এসে দলীয় পদ দখল করে আছেন, তাদের আগামী কমিটিতে কোনো স্থান দেওয়া সমীচীন হবে না।
এছাড়া উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। কিছু মুখোশধারী এরই মধ্যে প্রার্থী হওয়ার তৎপরতা শুরু করেছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এদের মনোনয়ন দেওয়া হলে দলের ভাবমূর্তি ও নির্বাচনী ফলাফল উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তৃণমূলই বিএনপির আসল শক্তি
দলের দীর্ঘদিনের কর্মীরা মনে করেন, যারা জেল-জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে দলের পাশে থেকেছেন, তাদেরকেই মূল্যায়ন করতে হবে। ক্ষমতার সুবাদে দলে ভিড়ে যাওয়া লোকেরা আবার সুযোগ পেলে দল ছেড়ে চলে যাবে — ইতিহাস বারবার এটি প্রমাণ করেছে।
বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে হলে গুপ্ত অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই। দেরি হলে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে যাবে — তখন আর আফসোস করেও কোনো লাভ হবে না।
গুপ্ত বাহিনীমুক্ত, সুসংগঠিত বিএনপিই আগামীর বাংলাদেশের প্রত্যাশা।

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bijoyer Hashi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organisation

Send a message to Bijoyer Hashi:

Shortcuts

Share