04/01/2025
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা
‘দাবায় রাখতে পারবা না’
৭৬ বছরের যে গৌরব, শৌর্য, শ্রেষ্ঠত্ব, বীরত্ব, ত্যাগ, নির্যাতনের ইতিহাস শুনে বর্তমান প্রজন্মের কর্মীরা ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপস্থিত হয়েছে, তাদের জন্য এই গৌরব অর্জন, শৌর্য ধারণ, শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন, বীরত্বের প্রমাণ, ত্যাগের মনোভাব, নির্যাতনে ধৈর্যশীল হবার মাধ্যমে আগামীর ইতিহাসে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়ার সময় এসেছে। আজকের কর্মীরা তাই সব জেনে ও বুঝে প্রত্যেক ঘরে দুর্গ গড়ে তুলবে, মুক্তির সংগ্রামে আত্মদান করবে, চিৎকার করে জয় বাংলা বলবে, রক্ত যখন দিয়েছে আরও রক্ত দেয়ার শপথ নিবে। সব হারানো কর্মীরা আজ যার যা কিছু আছে তাই কাজে লাগিয়ে এদেশের মানুষকে মুক্ত করতে সংকল্পবদ্ধ হবে। কি পেলাম তা না ভেবে, ভেতরে ঢুকে যাওয়া শত্রুবাহিনীকে পরোয়া না করে, যদ্দুর সম্ভব একে অন্যকে সহযোগিতা করে এগিয়ে যাবে যেন কেউ তাদের দাবিয়ে রাখতে না পারে।
এবছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মীদের হাতে-কলমে বুঝিয়ে দিয়েছে কেন বঙ্গবন্ধু বাঙালির স্বাধীনতার জন্য সবার আগে ছাত্রলীগ সৃষ্টি করেছেন, কিভাবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হতে হয় এবং কখন ছাত্রলীগের ইতিহাসকে বাংলাদেশের ইতিহাসে পরিণত করতে হয়। ছাত্রলীগের কর্মীরা তাই আজ হাসিমুখে কারাগারের রোজনামচার মতো জীবনযাপন করে, নতি স্বীকার না করে মিছিল করে, মৃত্যুকে পরোয়া না করে দেয়ালে লেখে ‘শেখ হাসিনাতেই আস্থা’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগ প্রিয় মাতৃভূমিকে সাহস দেয়, ‘আমরা তো আছি, ভয় কি বন্ধু’, প্রজন্মকে আহ্বান জানায়, ‘অস্থির হয়ো না, প্রস্তুত হও’।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচী:
১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডিস্থ প্রতিকৃতি এবং টুঙ্গিপাড়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন
২. শিক্ষার্থী ও শিশুদের নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
৩. ‘শেখ হাসিনা ফিরবে, বাংলাদেশ হাসবে’ শীর্ষক র্যালি ও মিছিল (সুবিধাজনক সময়ে)
৪. অসহায়-দরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ
৫. মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা, মাদ্রাসায় বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু, দেশরত্নের জন্য প্রার্থনা
৬. শিশু, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রিয়জনকে বই উপহার
৭. আলোচনা সভা। ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের স্থায়ীত্ব-সমৃদ্ধি-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, বাঙালির নির্ভরতা-নিশ্চয়তার স্থায়ী ঠিকানা দেশরত্ন শেখ হাসিনা (সময় জানানো হবে)
৮. দখলদার ইউনূস ও দেশবিরোধী জঙ্গীশক্তির হামলায় শহিদ পরিবারের সদস্য, নির্যাতিত, শিক্ষার অধিকার বঞ্চিত নেতা-কর্মীর সমাবেশ ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ (সুবিধাজনক সময়ে)
৯. শহিদ, আহত, কারাবন্দি নেতাকর্মীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ
১০. 'বাংলার প্রতিটি ঘর, ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বর' : যে যেখানে যেভাবে আছে সেখান থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
১১. গ্রাম-পাড়া-মহল্লা-নগর-বন্দরে-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘শেখ হাসিনাতেই আস্থা’ গ্রাফিতি অঙ্কন, দেয়াল লিখন (পুরো জানুয়ারি মাস চলমান থাকবে)।
১২. বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর, জেলা, উপজেলা, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘দাবায় রাখতে পারবা না’ শীর্ষক আলোচনা সভা (অফলাইন/অনলাইন)
১৩. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেক নেতাকর্মীর ভিডিও বার্তায় শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান (২ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি)
১৪. শীতবস্ত্র বিতরণ
১৫. কারাবন্দি নেতাকর্মীদের তথ্য জানিয়ে জরুরিভিত্তিতে নিম্নোক্ত ফর্ম পূরণ:
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeloBLYqF8aMM04Cd2b6YHnJ327a11yOI0r2gsnKFsmJRZGFw/viewform