DK M.A.M Law infromation

DK M.A.M Law infromation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DK M.A.M Law infromation, Law enforcement agency, Paris Street, Sudbury, Greater Sudbury, ON.

12/06/2022

নতুন রাষ্ট্র যখন স্বাধীনভাবে আন্তর্জাতিক মহলে আত্মপ্রকাশ করে ।
United Nations 🇺🇳 একটি সংবিধান আছে R এই সংবিধান প্রতিটা রাষ্ট্র মান্য করতে হয় মেনে চলতে হবে,
এই মর্মে একটি চুক্তি সম্পাদন করে চুক্তি সম্পাদন করার মাধ্যমে ইউনাইটেড নেশন এর সদস্যপদ গ্রহণ করে,যা বাংলাদেশর 1974 সালে গ্রহণ করে ।
(17 September 1974, Bangladesh became a full member of the United Nation.)

The United Nations is an international organization founded in 1945 after the Second World War by 51 countries committed to maintaining international peace and security, developing friendly relations among nations and promoting social progress, better living standards and human rights.

Article # 4 Pillars of the United nations

The Preamble of the UN Charter describes four areas that are the pillars of the
UN: 1.Peace
2.Security;
3.Human Rights;
4."The Rule of Law; and, Development.

12/04/2022

এক নজরে আমাদের দাউদকান্দি জাতীয় তথ্য বাতায়ন!
( দাউদকান্দি উপজেলা)

ক)
সাধারণ তথ্যাবলীঃ-

১.
বিভাগঃ
চট্রগ্রাম
২.

কুমিল্লা
৩.

দাউদকান্দি
৪.

উত্তরে মেঘনা ও তিতাস উপজেলা,পূর্বে চান্দিনা ও মুরাদনগর উপজেলা, দক্ষিনে-মতলব (দঃ) ও কুচয়া উপজেলা,পশ্চিমে-গজারিয়া ও মতলব উত্তর উপজেলা।
খ)
ভৌগলিক অবস্থানঃ
দাউদকান্দি উপজেলা সদর ঢাকা-চট্রগ্রাম মহা সড়কের উত্তর পার্শ্বে গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত।


এই উপজেলা ৯০‘-৩০’’ অক্ষাংশে ও কর্কটক্রান্তি রেখা বরাবর ২৩‘-৩০’’ দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত।
গ)
জন সংখ্যা বিষয়ক তথ্যঃ

১।
উপজেলার আয়তনঃ
২১০.২১ বর্গ কিঃ মিঃ।
২।
মোট ইউনিয়নের সংখ্যাঃ
১৫ টি
৩।
পৌরসভাঃ
০১ টি
৪।
গ্রামের সংখ্যাঃ
২৯২ টি
৫।
পরিবারের সংখ্যাঃ
৬৮,৭৪৫ টি
৬।
লোক সংখ্যা (২০১১ আদম শুমারী অনুযায়ীঃ
পুরুষ-১,৬৮,৪২৭ জনঃ


মহিলা-১,৭৮,১৭৬ জনঃ


মোট= ৩,৪৬,৬০৩ জন



৭।
মৌজাঃ
১৮৬ টি
৮।
ভোটার সংখ্যা (২০১১ ইং অনুযায়ী)ঃ
২,০৯,৫১৮ জন।


ক) পুরুষ-১০১৫০১ জন


খ) মহিলা-১০৮০১৭ জন।



৯।
পৌর সভার জন সংখ্যাঃ
৪৫১৭৭ জন।


পুরুষ-২২,৬৮৭ জন।


মহিলা-২৩,০৯০ জন।


পরিবার সংখ্যা -৯,২৬৪ টি।
১০।
পুলিশ ষ্টেশনঃ
০১ টি

পুলিশ ফাঁড়ীঃ
০৩ টি

আনসার ভিডিপি ইউনিটঃ
০১ টি



ঘ)
কৃষি বিষয়ক তথ্যঃ

০১।
মোট ফসলী জমির পরিমাণঃ
২৮.৪৬৬ হেঃ
০২।
নীট ফসলী জমির পরিমাণঃ
১৫,৭৫২ হেঃ
০৩।
খাস জমির পরিমাণঃ
২,৩১৩ হেঃ
০৪।
কৃষি পরিবারঃ
৩৯,৬৪৯ টি
০৫।
অকৃষি পরিবারঃ
১০,৭৯১ টি
০৬।
উচু জমির পরিমাণঃ
৩২০ হেঃ
০৭।
মধ্যম উচু জমির পরিমাণঃ
১,২১৯ হেঃ
০৮।
মধীম নিচু জমির পরিমাণঃ
৭,৫০৪ হেঃ
০৯।
নীচু জমির পরিমাণঃ
৬,৭৫০ হেঃ



ঙ)
মাটি বিভাজন

০১।
এটেল মাটিঃ
৩,৯৪৫ হেঃ
০২।
এটেল দোঁয়াশ মাটিঃ
৭,৪৯০ হেঃ
০৩।
বেলে দোঁয়াশ মাটিঃ
২,৮৪০ হেঃ
০৪।
বেলে মাটিঃ
১,৫১৮ হেঃ
০৫।
নদীর সংখ্যাঃ
০৩ টি
চ)
খাদ্য পরিস্থিতিহঃ

০১।
জন সংখ্যাঃ
৩,৪৬,৬০৩ জন।
০২।
খাদ্য প্রয়োজনঃ
৫৩,০০০ মেঃ টন।
০৩।
অপচয়ঃ
৬,১৩৭ মেঃ টন।
০৪।
মোট খাদ্য শস্য চাহিদাঃ
৫৯,১৩৭ মেঃ টন।
০৫।
মোট খাদ্য শস্য উৎপাদন (চাউল,গম ও ভুট্রা)ঃ
৫১,৬২৮ মেঃ টন।
০৬।
কৃষি ব্লকের সংখ্যাঃ
৩৬ টি
০৭।
উদ্ধৃত্ত+ঘাটতিঃ
(-) ৭,৫০৯ মেঃ টন।
০৮।
ভাদ্রই ফসলাধীন জমির পরিমাণঃ
৭,৭৬০ একর
০৯।
আগুনী ফসলাধীন জমির পরিমাণঃ
১১,০০৫ একর
১০।
রবি ফসলাধীন জমির পরিমাণঃ
৩৯,৬০০ একর
১১।
বহৃ বর্ষ জীবি ফসলাধীন জমির পরিমাণঃ
১,৫৯৫ একর
১২।
বড় কৃষক পরিবার সংখ্যাঃ
৫১৪ টি
১৩।
মধ্যম কৃষক পরিবার সংখ্যাঃ
৩,৭৬৭ টি
১৪।
প্রান্তিক কৃষক পরিবার সংখ্যাঃ
২২,৩৩০ টি
১৫।
ভূমিহীন পরিবার সংখ্যাঃ
১০,৭৯১ টি
ছ)
সেচ ব্যবস্থাঃ

০১।
গভীর নলকুপ সংখ্যাঃ
৬৮ টি (৬৬ টি বিদ্যুৎ,০২ টি ডিজেল)=৬৮
০২।
অগভীর নলকুপ সংখ্যাঃ
১৬১ টি (২৪ টি বিদ্যুৎ,১৩৭ টি ডিজেল)=১৬১
০৩।
পাওয়ার পাম্পঃ
৬৮৩ টি(১১৯ টি বিদ্যুৎ,৫৬৪ টি ডিজেল)=৬৮৩
০৪।
অন্যান্যঃ
৬৮০ টি



জ)
মৎস্য বিষয়ক তথ্যাবলীঃ

০১।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষ প্রকল্প।ঃ
৮০ টি
০২।
পুকুরঃ
৪,২৩৬ টি
০৩।
মৎস্য জীবিঃ
১,৬১৮ জন।
০৪।
মৎস্য জীবি সমিতিঃ
০৩ টি।
০৫।
বে-সরকারি নার্সারীঃ
৪০ টি।
০৬।
দিঘীর সংখ্যাঃ
০৫ টি।
০৭।
হ্যাচারীর সংখ্যাঃ
০৯ টি।



ঝ)
পশু সম্পদ বিষয়ক তথ্যঃ

০১।
পশু হাসপাতালঃ
০১ টি।
০২।
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রঃ
০৫ টি।
০৩।
গবাদি পশুর খামারঃ
৮০ টি।
০৪।
হাস মুরগীর খামারঃ
২০০ টি।

ঞ)
সমবায় সমিতির তথ্যঃ-

০১।
কেন্দ্রীয় সমিতিঃ
০৩ টি
০২।
ইউনিয়ন বহমুখী সমিতিঃ
১৩ টি
০৩।
মৎস্য জীবি সমিতিঃ
০৩ টি
০৪।
অটোরিক্সা সমিতিঃ
১০ টি
০৫।
গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতিঃ
০৯ টি
০৬।
যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতিঃ
০৫ টি
০৭।
বণিক সমিতিঃ
০৮ টি
০৮।
রিক্সা সমবায় সমিতিঃ
০১ টি
০৯।
অন্যান্য সমিতিঃ
০৪ টি



ট)
বি,আর,ডি,বি,তথ্যঃ-

০১।
কেন্দ্রীয় সমিতিঃ
০১ টি
০২।
কৃষক সমিতিঃ
১৬৪ টি
০৩।
মহিলা সমিতিঃ
২১ টি
০৪।
বিত্তহীন সমিতিঃ
২১ টি



ঠ)
যুব উন্নয়ন বিষয়ক তথ্যঃ
যুব ঋণ

০১.
উপকার ভোগীর সংখ্যাঃ
১,৪৩২ জন
০২.
ঋণ বিতরণঃ
১,৬৩,১৫,৮০০/-
০৩.
মোট প্রশিক্ষণ গ্রহিতার সংখ্যাঃ
৫,১৮৮ জন
০৪.
মোট আত্ন কর্মীর সংখ্যাঃ
২৮৯২ জন
০৫.
যুব ক্লাব/সংগঠনের সংখ্যাঃ
৫১ টি
০৬.
মোট জলমহালের সংখ্যা (২০ একর পর্যন্ত)ঃ
২২ টি
০৭.
ইজারাকৃত জলমহালের সংখ্যাঃ
১৪ টি



ড)
বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র বিষয়ক তথ্যঃ

০১.
গুচ্ছ গ্রামঃ
০১ টি
০২.
প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রঃ
২৫ টি

ক) রেজিষ্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র।ঃ
১৫ টি

খ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র।ঃ
১৪ টি



ঢ)
শিল্প কারখানা বিষয়ক তথ্যঃ


বড় শিল্পঃ
০৩ টি

ক্ষুদ্র শিল্পঃ
০৯ টি

কুটির শিল্পঃ
১৭২ টি

হিমাগারঃ
০৭ টি



ণ)
ডাক ও তার যোগাযোগ বিষয়ক তথ্যঃ

১.
পোষ্ট অফিস ঃ
৩১ টি
২.
টেলিফোন অফিসঃ
০১ টি
৩.
টেলিফোন একচেঞ্চঃ
০১ টি



ত)
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক তথ্যঃ

০১.
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলঃ
০১ টি
০২.
মুক্তিযোদ্ধা সংখ্যাঃ
৩৩৩ জন
০৩.
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতিঃ
০১ টি
০৪.
অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যাঃ
৯৬ জন
০৫.
মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যাঃ
৩৩২ জন।



থ)
সমাজ কল্যাণঃ

০১.
রেজিষ্টার সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠানঃ
১২৯ টি।
০২.
এতিম খানাঃ
১২ টি
০৩.
সমাজ কল্যাণ প্রকল্পের সংখ্যাঃ
০৫ টি
০৪.
এন,জি,ওঃ
১২ টি
০৫.
বয়স্ক ভাতা ভোগীর সংখ্যাঃ
৬,১৪০ জন
০৬.
প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগীর সংখ্যাঃ
৬৮৬ জন
০৭.
মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা ভোগীর সংখ্যাঃ
৩৩২ জন
০৮.
প্রতিবন্ধী উপবৃত্তির সংখ্যাঃ
৫৭ জন
০৯.
বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা দুঃস্থ মহিলার সংখ্যাঃ
২১৯২ জন
১০.
পল্লী মাতৃ কেন্দ্রঃ
১৬ টি গ্রাম



দ)
মহিলা বিষয়ক তথ্যঃ

০১.
পৌরসভায় বিধবা ভাতা ভোগীর সংখ্যাঃ
১৯২ জন
০২.
১৫ টি ইউনিয়নের বিধবা ভাতা ভোগীর সংখ্যাঃ
১,৯৫৫ জন
০৩.
ভিজিডি কার্ডের সংখ্যাঃ
৮৫৭ জন
০৪.
রেজিষ্ট্রেশন ভুক্ত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা প্রতিষ্ঠানঃ
১৩ টি
০৫.
মাতৃত্ব ভাতার সংখ্যা
২৭০ জন।



ধ)
শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যঃ

০১.
কলেজঃ
০৬ টি
০২.
সরকারি কলেজঃ
০২ টি
০৩.
বে-সরকারি কলেজঃ
০৪ টি
০৪.
স্কুল এন্ড কলেজঃ
০১ টি
০৫.
উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
০১ টি
০৬.
সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ঃ
০১ টি
০৭.
বে-সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ঃ
০২ টি
০৮.
বে-সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ঃ
২৮ টি
০৯.
জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালযঃ
০২ টি
১০.
মাদ্রাসার সংখ্যাঃ
১৪ টি
১১.
কারিগরি কলেজঃ
০১ টি



ন)
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

০১.
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ
১০০ টি
০২.
রেজিঃ বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ
২৮ টি
০৩.
এন,জি,ও চালিত কমিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ
০১ টি
০৪.
কিন্ডার গার্ডেন স্কুলঃ
৬৩ টি
০৫.
শিক্ষার হারঃ
৪৩%
০৬.
নার্সারী সরকারিঃ
০১ টি
০৭.
নার্সারী বে-সরকারিঃ
১৭ টি
০৮.
কমিউনিটি বিদ্যালয়ঃ
১৪ টি
০৯.
অস্থায়ী রেজিঃ বে-সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ঃ
০১ টি
ণ)
স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্যঃ

০১.
সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সঃ
০২ টি
০২.
শয্যা সংখ্যাঃ
৭০ টি
০৩.
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রঃ
১৫ টি
০৪.
ডায়ানগষ্টিক সেন্টারঃ
১৪ টি
০৫.
বে-সরকারি হাসপাতালঃ
০২ টি
০৬.
ট্রমা সেন্টারঃ
০১ টি
০৭.
হেলথ কমিউনিটি সেন্টারঃ
১৫ টি



ফ)
যাতায়াত ব্যবস্থাঃ

০১.
পাকা রাস্তাঃ
৬৭ কিঃ মিঃ
০২.
কাঁচা রাস্তাঃ
২৪৯ কিঃ মিঃ
০৩.
আধা পাঁকা রাস্তাঃ
০৮ কিঃ মিঃ
০৪.
জলপথ ব্যবস্থাঃ
৫০/৬০ কিঃ মিঃ
০৫.
ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যাঃ
২৪৭ টি
০৬.
বাস স্টেশন সংখ্যাঃ
১৫ টি
০৭.
বাজার ঘাটঃ
০১ টি
০৮.
খাদ্য গুদাম সংখ্যাঃ
০৩ টি,ধারণ ক্ষমতা-২,৫০০ মেঃ টন।
০৯.
সার গুদাম সংখ্যাঃ
১৬ টি (ডিলার ভিত্তিক)
১০.
বীজাগার সংখ্যাঃ
০৬ টি ( ২ টি চালু, ৪ টি অকেজো)।
১১.
এল,এস,ডি,গুদাম সংখ্যাঃ
০১ টি



ব)
ব্যবসা-বাণিজ্যঃ

০১.
তফসিল ব্যাংকঃ
১৫ টি
০২.
ইন্সুরেন্স কোম্পানীর সংখ্যাঃ
০৭ টি



ভ)
রাজস্বঃ

০১.
ইউনিয়ন ভূমি অফিসঃ
১৩ টি
০২.
হাট/বাজার সংখ্যাঃ
১৩ টি
০৩.
জলমহালঃ
২২ টি
০৪.
বালু মহালঃ
০১ টি
০৫.
ইজারাকৃত জলমহালের সংখ্যাঃ
১৪ টি



ম)
জনস্বাস্থ্যঃ

০১.
মোট টিউব-ওয়েলঃ
৪০২৭টি,(ক) চালু-৩,৮২৭ টি, (খ) অকেজো- ২০০ টি।ঃ


৬ নং গভীর নলকুপ-১১৪৩ টি, চালু- ১০৪৩টি, অকেজো-১১১টি।
০২.
স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানাঃ
৫২,৭৩৫ টি (১০০%)



য)
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানঃ

০১.
মসজিদঃ
৫৩১ টি
০২.
মন্দিরঃ
২৮ টি
০৩.
মাজারঃ
২২ টি
০৪.
গীর্জাঃ
নাই
০৫.
কবরস্থানঃ
২৯৫ টি
০৬.
ঈদগাহঃ
৫০ টি
০৭.
শ্বশান ঘাটঃ
০৫ টি
০৮.
সমাধি ক্ষেত্রঃ
০৩ টি


র)
বিবিধঃ

০১.
বিদ্যুতায়ন গ্রামের সংখ্যাঃ
২৪৭ টি
০২.
দমকল স্টেশন সংখ্যাঃ
প্রস্তাবিত
০৩.
সাব রেজিষ্ট্রি অফিসঃ
০২ টি
০৪.
কেন্দ্রীয় পাঠাগারঃ
০১ টি
০৫.
পৌর/ইউনিয়ন কমিউনিটি সেন্টারঃ
১২ টি
০৬.
স্টেটিয়াম/খেলার মাঠঃ
১৭ টি
০৭.
ডাক বাংলোঃ
০২ টি
০৮.
বিদ্যুৎ উপ-কেন্দ্রঃ
০২ টি
০৯.
সিনেমা হলের সংখ্যাঃ
০৩ (তিন)টি, ০১ টি বন্ধ।
১০.
প্রেস ক্লাবঃ
০২ টি
১১.
কাজী অফিসঃ
১২ টি
১২.
হাট/বাজার সংখ্যাঃ
২৫ টি
১৩.
ই্ট ভাটাঃ
০২ টি
১৪.
পেট্রোল পাম্প/সিএনজি স্টেশনঃ
০৫ টি


উপজেলার ঐতিহ্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনী দাউদকান্দি ঘাটে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র খালাশ করে। হাতিয়ার ভাঙ্গা গ্রামের
মিত্রবাহিনীর অস্ত্র ধ্বংস হয়। ১৯৭১ সনে ২০ নভেম্বরে গোয়ালমারী যুদ্ধে ১৪ জন শহীদ হন।
তাছাড়া পাকবাহিনীর ৪১ জন মারা যায়।
ইউনিয়ন সমূহ দাউদকান্দি (উঃ), ইউপি, সুন্দলপুর ইউপি, বারপাড়া ইউপি, গৌরীপুর ইউপি, জিংলাতলী ইউপি,
ইলিয়টগঞ্জ (দঃ) ইউপি, ইলিয়টগঞ্জ (উঃ)ইউপি, বিটেশ্বর ইউপি, মারুকা ইউপি, দৌলতপুর ইউপি,
মোহাম্মদপুর (পশ্চিম) ইউপি, মোহাম্মদপুর (পূর্ব) ইউপি,পদুয়া ইউপি,গোয়ালমারী ইউপি,পাঁচগাছিয়া

12/03/2022

মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক কার্যাবলি
নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত:

১. প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ [সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ];
২. প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সমূহের সর্বাধিনায়ক–এর দায়িত্ব পালন [সংবিধানের ৬১নং অনুচ্ছেদ];
৩. বাংলাদেশের অ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগদান [সংবিধানের ৬৪(১)নং অনুচ্ছেদ];
৪. সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা সংসদ আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ [সংবিধানের ৭২(১)নং অনুচ্ছেদ];
৫. সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অধ্যাদেশ প্রণয়ণ ও জারী [সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ];
৬. প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান [সংবিধানের ৯৫(১)নং অনুচ্ছেদ];
৭. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান [সংবিধানের ১১৮(১)নং অনুচ্ছেদ];
৮. বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিয়োগদান [সংবিধানের ১২৭(১)নং অনুচ্ছেদ];
৯. সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন [সংবিধানের ১৩৮(১)নং অনুচ্ছেদ];
১০. প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করানো [সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের ৩য় তফসিল];

National Portal Bangladesh

মহামান্য রাষ্ট্রপতি
মোঃ আবদুল হামিদ
মহামান্য রাষ্ট্রপতি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
বিস্তারিত
সচিব

সচিব
জনাব সম্পদ বড়ুয়া
সচিব
জন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
বিস্তারিত...
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব

মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব
মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম, বিপি, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব
আপন বিভাগ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
বিস্তারিত...

11/30/2022

Latest water-sharing deal between Bangladesh, India is ‘drop in the ocean’

# Bangladesh and India share 54 rivers that

Bangladesh and India share 54 rivers that flow down from the Himalayas to the Bay of Bengal, chief among them the Ganges and the Brahmaputra.
Managing the flow of water both upstream and down is crucial for agriculture, navigation, inland fisheries, and keeping saltwater intrusion at bay in Bangladesh, but is undermined by a lack of water-sharing agreements.
The Bangladeshi and Indian prime ministers recently signed an agreement on sharing water from the Kushiara River for irrigation, but experts say this is nothing special in the grand scheme of things.
They’ve called on the governments of both countries to push for securing long-term treaties on water sharing from major rivers like the Ganges and the Teesta, which in the latter case has been hobbled by local politics in India.
Water management experts have derided as “a drop in the ocean” an agreement between Bangladesh and India to share water from the Kushiara River, a minor waterway out of the 54 that flow between the two countries.

In a recent visit to India, Bangladeshi Prime Minister Sheikh Hasina signed a memorandum of understanding with her Indian counterpart, Narendra Modi, in which both governments agreed to withdraw the equivalent of 4.3 cubic meters (153 cubic feet) per second of water from the Kushiara during the off-monsoon season from November to May.

“Bangladesh will irrigate 5,000 hectares [12,400 acres] of arable land with this water,” said Malik Fida A. Khan, a member of the Joint Rivers Commission (JRC), a technical body that advises the Bangladesh government on the management of transboundary rivers and water.

Transboundary water experts in Bangladesh, however, say the new agreement is a “drop in the ocean.” They expressed frustration that India, sitting upriver, is unwilling to consider the interests of downstream Bangladesh when it comes to sharing of water from the major rivers flowing from the Himalayas down to the Bay of Bengal.

A transboundary river.
Experts have expressed frustration that India, sitting upriver, is unwilling to consider the interests of downstream Bangladesh when it comes to sharing of water from the major rivers. Image by Abu Siddique/Mongabay.
“I personally do not consider the MOU for Kushiara a special one,” said Ainun Nishat, a former technical member of the JRC and professor emeritus at Bangladesh’s BRAC University.

“Both countries are already withdrawing water from the middle of the river — which is an international border — for irrigation. While formalizing an existing consensus is good, there are several other major issues on transboundary rivers that Bangladesh has raised for a long time, which are not getting priority in India.”

Bangladesh is an active delta formed by sediments carried through the rivers flowing from the Himalayas. The two neighboring countries share at least 54 such rivers, according to the JRC, the most prominent among them being the Ganges and the Brahmaputra. Agriculture, navigation, inland fisheries, and keeping saltwater intrusion at bay are all heavily dependent on the flow of water of these rivers.

Treaties for major rivers

To date, the only ongoing long-term agreement on river management between the countries is the Ganges Water Sharing Treaty of 1996. During PM Hasina’s recent visit to India, both governments agreed to conduct an assessment of the optimum utilization of water received by Bangladesh under the provision of the treaty, which ends in 2025.

“We are looking at this as an ongoing process of getting the treaty prolonged,” said Malik Fida, who also serves as executive director of the Centre for Environmental and Geographic Information Services (CEGIS) and was part of PM Hasina’s entourage during the India visit.

“This assessment should have been done right after the agreement was signed in 1996, as per the treaty,” said Nishat, who played a key role in bringing about the treaty. “But it never took place. It is good to see that it is finally going to happen.”

Boats on Padma river.
Boats on the Padma River. Managing the flow of water both upstream and down is crucial for agriculture, navigation, inland fisheries, and keeping saltwater intrusion at bay in Bangladesh. Image by Marufish via Flickr (CC BY-SA 2.0).
Bangladesh has been seeking a treaty to share the water of the Teesta River, another major common river, for several years.

But while India’s national government has been keen to arrive at an agreement, there’s been resistance from the state government of West Bengal, through which the Teesta flows before entering Bangladesh.

The two countries did reach a provisional agreement in 1983 to share the water of the Teesta during the lean pre-monsoon period, under which Bangladesh would get 36% of the water and India 39%, while 25% would remain unallocated. That agreement ended in 1985 and was extended to 1987, but there’s been no progress since then on reviving it.

In 2011, both the governments were ready to sign an agreement during a visit by then-PM Manmohan Singh of India. But it was canceled at the last minute after the West Bengal chief minister, Mamata Banerjee, pulled out of the visit.

Since then, the issue has been stuck in “discussions.”

“The chances of getting a concrete decision on Teesta water share is very little because of political complexities in India,” Nishat said. “The West Bengal ruling party does not want to lose votes by agreeing to share the water, and at the same time, the ruling party in the Indian central government does not want to antagonize West Bengal voters as they are looking to increase their political stake in the state.”

A transboundary river.
India and Bangladesh share at least 54 rivers that flow from the Himalayas. Image by Abu Siddique/Mongabay.
Role of the JRC

Activists and experts say the Joint Rivers Commission, the body that’s supposed to facilitate discussions on sharing water between the countries, has been ineffective.

The JRC is meant to arrange a regular meeting at least once a year between officials from the two countries. But the latest JRC meeting, held on Aug. 25 this year, came 12 years after the previous one, held in March 2010.

“The gap between the meetings should tell you how effective JRC is and what kind of priority it receives from the government,” said Sheikh Rokon, general secretary of the Riverine People, a river conservation group. He added the JRC in any case is only a facilitator, with no decision-making authority.

“It is the government’s role to discuss and solve the crisis, not the JRC’s,” said Rokon, also a former JRC member. “The meeting is supposed to be held between the governments at the bureaucratic level.”

Nishat said he believes the lack of action on shared water management will lead to a crisis at some point as demand for water rises in both countries.

“We need a comprehensive management plan for the entire basin area by conserving the monsoon water,” he said.

Banner image: Boats on the Padma River, which is the main distributary of the Ganges flowing into Bangladesh. 🇧🇩

Bangladesh National sports Council act 2018before act  1991
11/29/2022

Bangladesh National sports Council act 2018
before act 1991

11/08/2022

অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হলে কি করবেন?👇👇👇

প্রায়ই শোনা যায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ মামলা দিয়েছে। অনেক সময় এ মামলাতে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে সন্দেহভাজন অনেককে আটকও করা হয়। সাধারণত কোনো স্থানে যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভঙ্গ হয়, দাঙ্গা বা মারামারির মতো ঘটনা ঘটে কিন্তু কে বা কারা দায়ী, তা নিশ্চিত করে বলা না যায়, তখন অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করে থাকে পুলিশ। আবার এমনও হয় যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলো কিন্তু কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বা কারও নাম জানা গেল না, তখনো অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দিয়ে থাকে পুলিশ।

অজ্ঞাতনামা আসামি কাকে বলে
অজ্ঞাতনামা আসামি মানে এই নয় যে ভিন্ন কোনো মামলার আসামি। সাধারণত কোনো অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ দেওয়া হলে আসামির নাম-ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। এটাই এজাহার করার নিয়ম। তবে যদি ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত নির্দিষ্ট করে বলা না যায়, তবে আসামির নাম-ঠিকানার জায়গায় পুলিশ অজ্ঞাতনামা লিখে মামলা করে। অনেক সময় আদালতে অভিযোগ করার সময়ও আসামির নাম-ঠিকানার জায়গায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে লেখা হয়।

থানায় মামলা হওয়ার পর এক বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় মামলাটির তদন্ত করার জন্য। তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার তদন্ত করার সময় বিভিন্ন কৌশল নিয়ে থাকেন। আসামি অজ্ঞাতনামা হলেও কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা যায়। যদি তদন্ত কর্মকর্তা সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পান, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার দেখাতে পারেন। তবে সন্দেহজনক হলেই পুলিশ যাকে ইচ্ছা তাকে গ্রেপ্তার করলে তা মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়। পুলিশ অজ্ঞাতনামা আসামির নামে কাউকে হয়রানি করতে পারে না।

অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হলে করণীয়
আইনে অজ্ঞাতনামা ও নামধারী আসামি বা অভিযুক্তের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য বা শ্রেণি করা হয়নি। অন্যান্য অভিযুক্ত যেভাবে আইনের মুখোমুখি হতে হয়, অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবেও তা-ই করতে হয়। এজাহারে নাম না থাকলে সাধারণত আদালতে একটি যুক্তি উপস্থাপন করা যায় যে এজাহারে নাম নেই এবং সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে জামিন পেতে কিছুটা সহায়ক হয় এবং আদালত তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। বিচার মানে সাক্ষ্য-প্রমাণেও তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়। একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামির নামে গ্রেপ্তার হলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে পাঠাতে হবে। আদালতে তখন আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে হবে। অনেক সময় গ্রেপ্তার করলে পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজনকে অবগত করে। যদি না করে, তাহলে পুলিশকে অনুরোধ করতে হবে যেন আত্মীয়স্বজনকে অবগত করা হয়। তখন তাঁরাই আইনজীবী নিয়োগ করে জামিনের আবেদনের উদ্যোগ নেবেন। এ ছাড়া পুলিশ যদি রিমান্ড চায়, তাহলে রিমান্ড বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। মনে রাখা জরুরি যে উচ্চ আদালত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়া সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এ নির্দেশনা অমান্য করার সুযোগ নেই। যদি আদালত জামিন না দেন, তাহলে কয়েক দিন পরপর একই আদালতে জামিন চাওয়ার সুযোগ থাকে।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে এবং দায়রা আদালতে জামিন না দিলে ক্রমান্বয়ে হাইকোর্ট বিভাগে জামিন চাওয়ার সুযোগ আছে। একটি এজাহার যখন হয়, তার তদন্ত প্রতিবেদন আসতে সময় লাগে। জামিন পাওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্তের জন্য কোনো সহায়তা চাইলে তা করা উচিত। নিজে নির্দোষ হলে তা ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত। আদালতে প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজিরা দিতে হবে। এজাহারে অজ্ঞাতনামা হিসেবে থাকলেও অভিযোগপত্রে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারে পুলিশ।


ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
আপনার বন্ধুদের ইনভাইট করুন।
লাইক কমেন্ট করে জানাবে।

09/30/2022

(আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন)

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.

পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,

👨‍💼মো:আল-আমিন মিয়াজী ✍️

দানপত্র দলিল কি ( Deed of gift)সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২  🇧🇩 ধারা-৯দানপত্র যার নাম দানপত্র দলিল (Gift Instruments পণ ...
09/27/2022

দানপত্র দলিল কি ( Deed of gift)

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ 🇧🇩
ধারা-৯
দানপত্র যার নাম দানপত্র দলিল (Gift Instruments পণ স্বরূপ কোন অর্থ বা অন্য কোন কিছু গ্রহণ না করে কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় গ্রহীতার সম্মতিক্রমে যে দলিলের মাধ্যমে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাকে দানপত্র বলে।

দানপত্রের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দখল হস্তান্তর আবশ্যকীয় শর্ত। দানপত্রে কোন প্রতিদান (Consideration) এর কোন ব্যবস্থা নেই; তবে শর্ত আরোপ করা যেতে পারে। যে দলিলের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং পণ ব্যতীত কোন সম্পত্তি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করেন, এবং দান গ্রহিতা বা তার পক্ষে বা অন্য কেউ উক্ত সম্পত্তি গ্রহন করেন, তবে তাকে দানপত্র দলিল বলে। দানও এক ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর Transfer (ট্রান্সফার)। তবে দান হতে হবে স্বতঃপ্রণোদিত, কারও কথার চাপে পড়ে, শর্ত মেনে কিংবা প্ররোচনায় পরে সম্পত্তি লিখে দেয়ার নাম দান নয়। বিনিময়ে কিছু না-নিয়ে সম্পত্তির যাবতীয় মালিকানা বা স্বত্ব অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার নামই দান। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২, এর ১২২ ধারায় বলা হয়েছে- কোন সম্পত্তি দাতা কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে এর কোন পণ গ্রহণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে হস্তান্তর করলে এবং গ্রহীতা বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তি সেটি গ্রহণ করলে তাকে দান বা হেবা বলে।

দান বৈধ হবার ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়, তা হলো–

১. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা প্রদান।

২. গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।

৩. দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

যিনি দান করছেন, তিনি দাতা (donor)। আর যিনি তা গ্রহণ করছেন, তিনি গ্রহীতা (donee)।
কাদেরকে সম্পত্তি দান করা যায়:

আমরা যখন দান করতে যাই তখন সাধারণত চিন্তায় পরে যাই আমি যাকে দান করবো তাকে দান করতে পারবো কিনা? আমরা কি যে কাউ কেউ দান করতে পারব? উত্তর হলো হ্যাঁ পারব, তবে এখানে রেজিট্রেশন আইনে কিছু নিয়ম রয়েছে তা হলো রেজিট্রেশন আইন অনুযায়ী দানের ক্ষেত্রে শুধু রক্ত সম্পর্কিত আত্মীয় তথা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে, পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যে, ভাই-ভাই, বোন-বোন অথবা ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নানা-নানী থেকে নাতি-নাতনী ও নাতি-নাতনি এই কয়েকটি সম্পর্কের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮এ (বি) নং অনুসারে। এই সম্পর্কের বাইরে অন্য সম্পর্কের মধ্যে দানপত্র দলিল করা যাবে তবে সে ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন খরচ ১০০ টাকাতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, অন্যান্য দলিলের মতোন খরচ চলে আসবে।

অনেককে আবার দেখা যায় যে রেজিস্ট্রেশন খরচ বাঁচানোর জন্য দান করতে চায় কিন্তু উপরোক্ত ব্যক্তি ছাড়া রেজিস্ট্রেশন খরচ বাঁচানো সম্ভব নয়। অনেক সময় দেখা যায় অনেকে জীবন স্বত্ত্বে দান করতে চায় সে ক্ষেত্রে দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিঃ হবে ষ্ট্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে। জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধানহলো-যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না; যেমন মসজিদ ,মাদ্রাসা। জীবন স্বত্ত্বের দান দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে ২% স্ট্যাম্প ফি, ২.৫% রেজিস্ট্রেশন ফি এবং ই-ফিস লাগবে।

কখন দানপত্র দলিল বাতিল করা যাবে?

দানপত্র আইনের চোখে তখনই সম্পূর্ণ হয় যখন দাতা কোনও সম্পত্তি গ্রহীতাকে দান করেন ও গ্রহীতা তা গ্রহণ করেন এবং তা যদি সঠিক নিয়ম অনুসারে রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে তাহলে সাধারনত দানপত্র দলিল কেন কোন দলীলই বাতিল করা সম্ভব নয়। উইল করে ফেলার পরেও আপনি যত বার খুশি তা বদলাতে পারেন কারণ, তা কার্যকর হয় উইলকারীর মৃত্যুর পর। কিন্তু এক বার দানপত্র করার প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মানেই কিন্তু সম্পত্তি অন্যের হয়ে যাওয়া। তখন তার উপর দাতার আর কোনও অধিকার থাকে না। একবার স্বেচ্ছায় দান করার পর তা বাতিল অনেক কঠিন কাজ। মুসলিম আইনের ১৬৭ ধারায় দান বাতিল সম্পর্কে বলা হয়েছে। অত্র আইনের ১ উপধারা অনুসারে, দখল প্রদানের আগে যে কোনো সময়ে দাতা কর্তৃক দান বাতিল করা যেতে পারে। কারণ দখল প্রদানের আগে দান সম্পূর্ণ হয় না। সাধারণত দান বাতিল করতে হলে সেটি দখল অর্পণের আগেই করতে হবে।

আদালতে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দানপত্র দলিল বাতিল চাওয়া যাইতে পারে–

১। দানপত্র বাতিল হতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে, বলপ্রয়োগ করে অথবা ভয় দেখিয়ে বা অন্যায় প্রভাব খাটিয়ে দানপত্রটি সম্পাদিত হয়েছে।

শুধুমাত্র গ্রহীতার কোন অসততার কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে দাতা একতরফা ভাবে দানপত্র বাতিল করতে পারেন না৷

২। যদি দানপত্র দলিলে এমন কোনও শর্তের উল্লেখ থাকে এবং সেই শর্ত পালনে গ্রহীতা যদি ব্যর্থ হন, তবে দানপত্র বাতিল হতে পারে৷

৩। দখল হস্তান্তরে পূর্বেই কেবল হেবা দলিল বাতিল করা যায়।

তবে দানপত্রটিকে বাতিল ঘোষণার ক্ষেত্রে দানপত্রের ওই ধরনের কোনও শর্ত লঙ্ঘন করেছেন কিনা তা প্রমাণ সাপেক্ষ।
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলো বিদ্যমান থাকিলে, দানপত্র দলিল বাতিল করা যায় না–

(ক) সম্পত্তির দাতা-গ্রহীতা স্বামী বা স্ত্রী হইলে।

(খ) গ্রহীতা মৃত্যূবরণ করিলে।

(গ) দাতা-গ্রহীতার মধ্যে বিবাহ অযোগ্য সম্পর্ক বিদ্যমান থাকিলে।

(ঘ) দানকৃত সম্পত্তি গ্রহীতা কর্তৃক বিক্রি বা হস্তান্তরিত হয়ে গেলে।

(ঙ) দানকৃত সম্পত্তি বিলীন বা ধ্বংস হয়ে গেলে।

উল্লেখিত ক্ষেত্রগুলো বিদ্যমান না থাকলে আদালতের মাধ্যমেও দান দলিল বাতিল করা যায়।

মৌখিক দান

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা-৯, Oral transfer বা মৌখিক হস্তান্তর – সম্পর্কে বলা হয়েছে, A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law. কিন্তু ২০০৫ সালের পরে দানপত্র দলিল বাধ্যতা (এই দলিল ১ জুলাই, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ হতে রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ১৭(১)(এএ) ধারা সংযুক্তির মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারা অনুযায়ী দান লিখিত হতে হবে। বর্তমানে দান রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামুলক হবার কারণে দান কোনভাবেই মৌখিকভাবে হবার সুযোগ নেই।

যেহেতু দানপত্র দলিল এখন রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সেহেতু দানপত্র একবার হয়ে গেলে বাতিল করা সম্ভব নয়। শুধুমাত্র আদালতের মাধ্যমে ইহা বাতিল করা যাবে সেক্ষেত্রে তাকে আদালতে দলিলটি বাধ্যকর নয় মর্মে ঘোষণা চাইতে হবে। কিন্তু ইহা প্রমাণ করা অনেক সময় সাপেক্ষ্য এবং কঠিন কাজ। তাই আমার মতে, যথেষ্ট ভাবনা-চিন্তার পর তবেই দানপত্র করা উচিত। একবার করে ফেললে, এ নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ আর থাকবে না। দানপত্র বাতিল করতে চাইলে বা এই বিষয়ে অগ্রসর হওয়ার আগে অবশ্যই আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে অগ্রসর হওয়া উচিত নয়তো ঝামেলায় পরার আশংকা থেকে যাবে।

পোষ্ট ভাল লাগলে শেয়ার করুন।অন্যান্য পোষ্ট গুলো দেখুন।ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।যদি এই পেজের পোষ্ট গুলো উপকারে আসে মনে হয় তাহলে পেজে লাইক করুন আর বন্ধুদের ইনভাইট করুন❤️
আপনারা উৎসাহ দিলে আমরা আরো ভাল পোষ্ট করব👍
in saha allah

Address

Paris Street, Sudbury
Greater Sudbury, ON
P3E

Telephone

+8801922038574

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DK M.A.M Law infromation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to DK M.A.M Law infromation:

Share