19/09/2025
জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী,দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সহ জামায়াতের অধিকাংশ নেতা-কর্মীদের পক্ষে কোর্টে আইনী লড়াই করেছেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা।
বিগত ১৭ বছরে জামায়াতের এসব নেতা-কর্মীদের পক্ষে আইনী লড়াই করেছেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার, বিএনপির প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ,বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহাবুব হোসেন,ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এবং বিএনপির প্রয়াত সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া সহকারে অনেকেই।
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের সেই বর্বরোচিত হামলার পর যখন উল্টো হেফাজতপন্থী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয় তখন তাদের পক্ষে আইনী লড়াই করেছেন বিএনপির ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আর এটার জন্য শাকিলা ফারজানার পরবর্তী পরিণতি কী হয়েছিলো,সেটা সবারই জানা।
উপ মহাদেশের প্রখ্যাত আলেম জুনায়েদ বাবুনগরী গ্রেপতার হওয়ার পর তার পক্ষে আইনী লড়াই করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার,প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদরা।
আপনি কখনো শুনেছেন এসব কথা কোনো বিএনপির নেতা-কর্মীদের বলতে?অহংকার দাম্ভিকতা নিয়ে কখনো বিএনপির কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এগুলো কখনো বলেছে,এমন একটা উদাহরণ দেখাতে পারবেন?
অথচ বিএনপির আইন বিষয়ক সানাউল্লাহ মিয়ার মৃত্যুর পর লুৎফুজ্জামান বাবরের একটা মামলার আইনজীবী হিসেবে ঐ শিশির মনিরকে আনা হয় আর এটা নিয়ে ঐ ছোটোলোকদের অহংকার দাম্ভিকতার শেষ নাই;এরা এতোটাই ছোটোলোক।
যে-ই বিএনপি এদেশের আলেমদের দুঃসময়ে সবসময়ই পাশে ছিলো সে-ই বিএনপিকে আজ ইসলাম বা আলেমদের বিরোধী বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, কতটা ঘৃণ্য মানসিকতা এদের বুঝতে পারছেন।
এইতো কিছুদিন আগেও যে-ই বিএনপির নামে পাশে মৌলবাদী শব্দ ব্যবহার করা হতো সে-ই বিএনপিকে নিয়ে যখন এমন ঘৃণ্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আর এদের এসব অপপ্রচারকে রুখে দেওয়ার জন্য গর্জে উঠেছেন মহিবুল্লাহ বাবুনগরী,মামনুন হক,মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি,জুনায়েদ আল হাবিবের মতো প্রখ্যাত আলেমরা।বাংলাদেশপন্থী এসব আলেমদের সাধুবাদ জানাই।
আবারো বলেছি আপনার আশেপাশে থাকা ঐ সমস্ত ছোটোলোকদের সঙ্গ পরিহার করুন।অহংকার দাম্ভিকতা যাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তাদের সঙ্গ কখনোই দেশ বা ইসলামের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না;এটা নিশ্চিত থাকুন।