বাংলাদেশ পজেটিভ

বাংলাদেশ পজেটিভ অপার সুন্দর এই ধরণীতে ভালো-মন্দের সমা?

স্যালুট বোন  #সঙ্গীত_শিল্পী_ন্যান্সি ❤ #করোনা আক্রান্ত রোগী/যোদ্ধাদের (স্বাস্থ্যকর্মী) জন্য নেত্রকোনার  #নিজের_ডুপ্লেক্স...
21/04/2020

স্যালুট বোন #সঙ্গীত_শিল্পী_ন্যান্সি ❤
#করোনা আক্রান্ত রোগী/যোদ্ধাদের (স্বাস্থ্যকর্মী) জন্য নেত্রকোনার #নিজের_ডুপ্লেক্স_বাড়ি ছেড়ে দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।
ন্যান্সি বলেন, নেত্রকোনায় আমার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি আছে। বাড়িটি করোনা রোগী কিংবা যোদ্ধাদের জন্য ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেহেতু বর্তমানে দেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে সেহেতু বাড়িটি জনস্বার্থে ছেড়ে দিলাম। এতে করে যদি কারও উপকারে আসে তাহলে সেটিই হবে আমার জন্য একটি বড় পাওয়া। কারোনা মহামারী থাকা অবস্থায় যতদিন দরকার ততদিন আমার নেত্রকোনার বাড়ি জনস্বার্থে ব্যবহার করতে পারবে প্রশাসন।
বাড়িটি কিভাবে কাজে লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে ন্যান্সি বলেন, এ বিষয়ে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মঈনুল ইসলামের সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তিনি কিভাবে বাড়িটি কাজে লাগাবেন তা আমাদের জানাবেন। আমরা বলেছি, ওই বাড়িটি করোনাযোদ্ধা চিকিৎসকদের থাকার জন্য কাজে লাগাতে পারেন। আবার অনেকের আইসোলেশনে জায়গা হচ্ছে না; সেক্ষেত্রে বাড়িটি কাজে লাগাতে পারেন। এছাড়া চাইলে করোনাভাইরাসের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকরা এখানে থাকতে পারবেন।
সংগীতশিল্পী ন্যান্সি আরও বলেন, আমরা একটি যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি। এই যুদ্ধ কতদিন চলবে তা কেউ বলতে পারব না। দেশের মানুষ আজ অসহায়। খাদ্যের জন্য হাহাকার, সুচিকিৎসার অভাব। এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমরা যারা স্বাবলম্বী; তাদের সবারই এগিয়ে আসা উচিত। আমার নিজের অনুশোচনার জায়গা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। শুধু বাড়ি না, #আমার_গাড়িটা পর্যন্ত দিয়েছি এই মানবতার সেবায়। এই দুঃসময়ে যদি আমরা মানবিক না হই, তাহলে তো আমরা মনুষ্যত্বহীন মানুষে গণ্য হবো। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে ততদিন বাড়িটি করোনাযোদ্ধারা ব্যবহার করতে পারবেন।
এ বিষয়ে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মঈনুল ইসলাম বলেন, সংগীতশিল্পী ন্যান্সি তার বাড়িটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন। প্রয়োজন হলে আমরা তা কাজে লাগাবো।
#সূত্রঃ সময় টিভি (অনলাইন)
#সংগ্রহেঃ

এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে ঘরে বসে বানালাম। ০১ লিটারে পরিমান মত দিয়ে।২০ লিটার পানিতে ১ চামচ ব্লিসিং পাউডার ভালো করে মিশিয়ে...
23/03/2020

এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে ঘরে বসে বানালাম। ০১ লিটারে পরিমান মত দিয়ে।
২০ লিটার পানিতে ১ চামচ ব্লিসিং পাউডার ভালো করে মিশিয়ে স্প্রে করুন। সমস্ত বাসায় বিছানার জামা কাপড়সহ সকল জায়গায়। পুরো ঘর, বাহির হতে কেউ এলে তাকে স্পে করুন জুতাসহ সমস্ত শরীরে। পানির বোতলে স্পে মুখ লাগিয়ে নিন। স্পে বাজারের যেকোন দোকান থেকে কিনে নিন।
সরাসরি শরীরে না লাগনোই ভালো। কারন অনেকে স্মেল সহ্য করতে পারবেন না। হাত ক্ষারি ভাব হবে ইত্যাদি।
সহজগিতায়ঃ
#বাংলাদেশ_পজেটিভ
https://www.facebook.com/BangladeshPositive

22/03/2020

✿✿✿পবিত্র শবে মিরাজ✿✿✿

★শবে মিরাজ:

রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে মিরাজ বলা হয়। এটি অত্যন্ত ফযিলাতের রাত। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এই রাতে বোরাক যানে আরোহণ করে মক্কা থেকে প্রথমে বাইতুল মোকাদ্দাস গমন করেন। তারপর সপ্তম আকাশ সফর করে বেহেশত, দোজখ ইত্যাদি দর্শন করেন এবং আরশে মুআল্লায় উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্‌র দিদার (সাক্ষাত) লাভ করেন। অতঃপর ওই রাতেই তিনি মক্কায় ফিরে আসেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) –এর পর্যবেক্ষণ সফরকে “মিরাজ” বলা হয়। এই রাতেই উম্মাতে মোহাম্মদীর উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়। এই রাতে নফল নামাজ পড়া, কোরআন শরীফ তিলাওয়াত করা, দুআ-দূরুদ ইত্যাদি পাঠ করা এবং দিনে নফল নিয়তে রোজা রাখা উত্তম।

★শবে মিরাজের নামাজ পড়ার নিয়ম:

এই নামাজ দুই রাকআত করে যত রাকআত ইচ্ছা পড়া যায়। প্রত্যেক রাকআতে অন্যান্য নামাজের মতই সূরা ফাতিহার পর অন্য যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়া যায়।

★শবে মি’রাজের নামাজের নিয়ত:

নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকাআতাই সালাতিল লাইলাতিল মিরাজ মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

★অর্থ:

আমি কা’বামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য (খুশির জন্য) শবে-মিরাজের দুই রাকআত নামাজ পড়ার নিয়ত করলাম –আল্লাহু আকবার।

★তথ্য সংগ্রহ, পর্যালোচনা ও টাইপ:

এডমিন, নামাজ শিক্ষা।
https://www.facebook.com/namaz.shikkha
১৬.০৫.২০১৫

নিজের আবাসের জন্য বাড়ি বানাতে  #গাছ_কেটে তো  #পাখির_আবাস অনেক  #ধ্বংস করেছেন, কিন্তু সেই পাখির জন্য কি একবারও ভেবেছেন? য...
16/02/2020

নিজের আবাসের জন্য বাড়ি বানাতে #গাছ_কেটে তো #পাখির_আবাস অনেক #ধ্বংস করেছেন, কিন্তু সেই পাখির জন্য কি একবারও ভেবেছেন?
যে গাছের ফলমূল খেয়ে পাখি বাঁচত, আপনি তো সেই গাছও কেটে ফেলেছেন। এবার অন্তত পাখির জন্য আপনার বাড়ির ছাদে একটু খাবার-পানির ব্যবস্থা করেন!
ছবিতে দেখা যাচ্ছে একজন দয়ালু ব্যক্তি তার বাড়ির ছাদে ক্লান্ত-ক্ষুধার্ত #পাখিদের_জন্য কিছু খাবার ও পানির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। শ্রদ্ধা রইল এমন ব্যক্তিদের জন্য।
"বাংলাদেশ পজেটিভ"

কচুয়ায় মেম্বারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে ‘কৃষক বিশ্রামাগার’রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে যে কৃষকরা শ্রম দিয়ে মাঠে ফসল ফলান তাদের স...
13/02/2020

কচুয়ায় মেম্বারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে ‘কৃষক বিশ্রামাগার’
রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে যে কৃষকরা শ্রম দিয়ে মাঠে ফসল ফলান তাদের স্বস্তি দিতে মাঠে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন কৃষক বিশ্রামাগার। একই সঙ্গে বজ্রপাত থেকে যাতে কৃষকরা রক্ষা পান সেজন্য ধানক্ষেতের চারদিকে লাগানো হয়েছে তিন হাজার তালগাছ।
কৃষকদের জন্য অন্যরকম ভালোবাসার এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়াইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মানিক মিয়া। তাকে এ কাজে সহায়তা করেছেন কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কৃষকদের জন্য নির্মাণকৃত বিশ্রামাগারে রয়েছে টয়লেট ও নলকূপ। বিশ্রামাগারে একসঙ্গে ২০ জন ক্লান্ত কৃষক আশ্রয় নিতে পারবেন। কৃষকদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ পুরো কচুয়াতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শুধু তাই নয়, কৃষকদের কৃষি মাঠে যাওয়ার সুবিধার্থে রাস্তাও নির্মাণ করে দিয়েছেন মেম্বার মানিক মিয়া। তার এ উদ্যোগ দেশব্যাপী অনুকরণীয়।
স্থানীয় কৃষক মো.ইয়াকুব মিজি, কাউছার, মমিন ও নূর মোহাম্মদ জানান, কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শিশিরের নির্দেশে কড়াইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মানিক মিয়া আমাদের জন্য যা করেছেন তা ভুলব না। রোদ-বৃষ্টি ও বজ্রপাত থেকে বাঁচাত আমরা এখন বিশ্রামাগারে আশ্রয় নিই। এতে আমাদের কষ্ট অনেক কমে গেছে।
কচুয়া উপজেলার ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মানিক মিয়া বলেন, কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং স্বস্তির জন্য আমি এই কাজ করেছি। অর্থ বরাদ্দ পেলে আগামীতে কৃষকদের জন্য আরও বেশি বেশি কাজ করব।
মেম্বার মানিক মিয়ার এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ নিয়ে ব্যাপক খুশি স্থানীয় কৃষকরা। এমন উদ্যোগ সারাদেশে অনুকরণীয় হতে পারে বলে জানালেন কৃষকরা।
কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির বলেন, ২০০ একর চাষযোগ্য জমির মাঝখানে স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি বিশ্রামাগার তৈরি করেছেন মানিক মেম্বার। সেখানে একসঙ্গে ২০ জন কৃষক বসতে পারবেন। সঙ্গে একটি টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। পানির জন্য নলকূপ বসানো হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জমিতে যাওয়ার জন্য রাস্তা করা হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে তিন হাজার তালগাছ লাগানো হয়েছে। বজ্রপাত থেকে বাঁচতে তালগাছের নিচে আশ্রয় নেবেন কৃষকরা। বিশ্রামাগারে খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম শেষে মাঠে কাজ শুরু করবেন তারা।

আজ রাতে বিশ্ব দেখবে  #সুপারমুন!!!
09/02/2020

আজ রাতে বিশ্ব দেখবে #সুপারমুন!!!

সাবধানতা অবলম্বন করুন, #করোনা_ভাইরাস হতে দূরে থাকুন!কার্টেসীঃ ব্র্যাকসহযোগিতায়ঃ  #বাংলাদেশ_পজেটিভ
28/01/2020

সাবধানতা অবলম্বন করুন,
#করোনা_ভাইরাস হতে দূরে থাকুন!
কার্টেসীঃ ব্র্যাক
সহযোগিতায়ঃ #বাংলাদেশ_পজেটিভ

কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীক...
21/01/2020

কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।

-

কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন! ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি। কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।

-

কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে। কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!

-

কেউ বছরে কতোজন ভালবাসার মানুষ বদলে ফেলছে! কেউ শুধু একটা সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে চলছে।

-

কেউ দামি শাড়ি হাতে পেয়ে তবু খুশি নয়! কেউ তাঁতের নতুন শাড়ির বারবার গন্ধ শুঁকছে।

-

কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা! কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে খুশিতে ভাত গিলছে।

-

কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! হিমেল হাওয়ায় কেউ অঘোরে ঘুমোচ্ছে।

-

কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে করছেনা। কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!

-

কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো? কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।

-

সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! জীবনের নিজস্ব আলাপনে, বাস্তবতার হাত ধরে!!!
জীবনটাকে একটু সহজভাবে চিন্তা করুন;
জীবনটা অনেক বেশী সহজ হয়ে যাবে!

01/01/2020

সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা!!!

তিনটা গল্প বলি। (অবশ্যই পড়বেন) ০১। প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের একটা প্রত্যন্ত জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার একটা ছোট ...
27/05/2019

তিনটা গল্প বলি।
(অবশ্যই পড়বেন)
০১। প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের একটা প্রত্যন্ত জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার একটা ছোট স্কুলে ঘটে যাওয়া ঘটনা। UNO সাহেব এসেছেন পরিদর্শনে। তাকে বরণ করার জন্য হেড টিচার এবং অন্যান্য শিক্ষকরা ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। UNO সাহেব ফুল গ্রহণ করলেন। তার বক্তব্যের সময় একটা অসাধারণ কথা বললেন,- "আপনারা আমাকে বরণ করার জন্য ফুল এনেছেন, আর হয়তো কয়েক ঘন্টা পরই ফুলটি শুকিয়ে যাবে। কিন্তু সেই একই পরিমাণ টাকা দিয়ে যদি আজ ৩ জন শিক্ষার্থীকে ৩টা বই কিনে দেয়া হতো, তারা হয়তো সারা জীবন সেটা থেকে আলোকিত হতো।"
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার প্রাপ্ত স্বল্প বেতনের টাকা থেকেই সেই জেলার বিভিন্ন মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতেন। কয়েক বছর আগে সেই মঙ্গার দেশ থেকে সেরকম এক শিক্ষার্থী বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও গিয়েছে। তার হাত ধরে বাংলাদেশের অন্যতম পশ্চাৎপদ আর মঙ্গাপীড়িত উপজেলাটি #প্রথম_উপজেলা হিসেবে #শতভাগ_স্যানিটেশন নিশ্চিত করে। তিনি স্বীকৃতি পান #শ্রেষ্ঠ_UNO হিসেবে।
০২। মূল্যবোধের উপর একটা সরকারি কর্মশালা হচ্ছিলো। একজন সরকারি কর্মকর্তার একটা কথা খুব মনে গেঁথে গেলো,-
"আপনি জীবনে কত টাকা ঘুষ খাবেন? যত টাকা আপনি ঘুষ খাবেন, তার কত টাকা আপনি আপনার জীবদ্দশায় ভোগ করে যাবেন? দুর্নীতির টাকা কোথায় যায় জানেন? দুর্নীতির টাকা যায় ৩ টা খাতে।
১ম খাত হচ্ছে দুর্নীতির অপরাধ ঢাকতে। ২য় খাত যাবে আপনার শ্বশুর বাড়ি, আত্মীয় স্বজন কিংবা আপনার নষ্ট হয়ে যাওয়া ছেলে মেয়েদের পিছে। আর শেষ (৩য়) খাত যাবে আপনার নিজের অসুস্থতায়।"
তাঁর বক্তব্যের শেষ লাইন ছিলো, "সরকার আমাকে যা দিয়েছে, আমি তাতেই খুশী। আপনি যদি জিজ্ঞেস করেন আমার কী পরিমাণ সম্পদ আছে, আমি তাহলে শুধু একটা কথাই বলবো- আমার সম্পদ আমার দুইটা ছেলে।"
০৩। ২০১১ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের উপরে ভিত্তি করে সারা দেশের সর্বশেষ উপজেলা ছিলো হবিগঞ্জের বানিয়াচং। সম্প্রতি সে জেলায় একজন #নতুন_জেলা_প্রশাসক এসেছেন। তিনি এসেই উপজেলার সবগুলো স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে বসলেন। কেন এত খারাপ অবস্থানে জানার চেষ্টা করলেন। এত খারাপ ফলাফলের মাঝেও সে উপজেলায় যে স্কুল গুলো ভালো করেছিলো তাদের হেড টিচারদের সহায়তায় বছরব্যাপী নতুন করে প্ল্যান করলেন।
পরের বছরের রেজাল্ট কি জানেন? ২০১১ তে যে উপজেলা সারা দেশে সবার নিচে, ২০১২-তে এক বছরের মাঝে সেই উপজেলা সিলেট বিভাগে রেজাল্টের ভিত্তিতে প্রথম হলো। সেই জেলা প্রশাসক অর্জন করলেন #শ্রেষ্ঠ_জেলা_প্রশাসকের স্বীকৃতি।
এই #তিনটি_গল্পই_একজন_মানুষের; তাঁর নাম #মাহ্‌মুদ_হাসান (Mahmud Hassan)। বর্তমানে কর্মরত আছেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে। পদ মর্যাদায় ' #অতিরিক্ত_সচিব'।
আজ তার #শুভ_জন্মদিন।

31/01/2019

আমাদের নতুন পেইজে আপনাকে জানাই

Address

Wari

Telephone

+8801825514414

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ পজেটিভ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share