আলোর দিশারী পাঠাগার

আলোর দিশারী পাঠাগার আমরা আলোর পথে

জন হপফিল্ড লোকটা অদ্ভুত। গতবছর যিনি ফিজিক্সে নোবেল পুরস্কার পেলেন। এই লোক ব‍্যাচেলর এবং পিএইচডি করেছেন ফিজিক্সে। কিন্...
01/08/2025

জন হপফিল্ড লোকটা অদ্ভুত। গতবছর যিনি ফিজিক্সে নোবেল পুরস্কার পেলেন।

এই লোক ব‍্যাচেলর এবং পিএইচডি করেছেন ফিজিক্সে। কিন্তু পরে প্রচুর পড়াশুনা করছেন কেমেস্ট্রি এবং বায়োলজি নিয়ে। প্রিন্সটনের মতো ইউনিভার্সিটিতে “মলিকিউলার বায়োলজির” প্রফেসর ছিলেন।

ফিজিক্স পড়ে মলিকিউলার বায়োলজিতে এক্সপার্ট!
—বুঝেন অবস্থা! এবং ক‍্যালটেকে “কম্পিউটেশন এন্ড নিউরাল সিস্টেম” নামে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করছেন।

এরা যে কি নিয়ে পড়ে, কি নিয়ে কাজ করে—বুঝাই যায় না। এরা সকালে পড়ে একটা। বিকালে পড়ে আরেকটা। ব‍্যাচেল করে এক বিষয়ে। পিএইচডি করে আরেক বিষয়ে। পোস্টডক করে আরেক বিষয়ে। নোবেল পায় আরেক বিষয়ে। এমন অনেক উদাহরণ আছে।

রয়েল সোসাইটির প্রাক্তন চেয়ারম‍্যান এবং নোবেল বিজয়ী ভ‍েঙ্কট রামাকৃষ্ণন ও এমন ছিলেন। পিএইচডি করেছেন ফিজিক্সে। পরে তার ইচ্ছে হইছে, ফিজিক্স ভালো লাগে না। পড়লেন বায়োলজি নিয়ে। গবেষক হয়ে গেলেন RNA নিয়ে। এবং নোবেলও পেয়েছেন সে বিষয়ে—২০০৯ সালে।

আমার পোস্টডক সুপারভাইজর একবার দুইটা বায়োলজির পিএইচডি’কে পোস্টডক হিসেবে ল‍্যাবে নিলেন। তারপর এসে আমাদের বললেন, এই দুইজনকে তোমরা অর্গানিক কেমেস্ট্রি শিখাবা। আর ওরা আমাকে বায়োলজি শিখাবে। (মনে মনে কইলাম, তোমার বয়সী মানুষদের বাংলাদেশে বলে “এক পা কবরে চলে গেছে”)

কিছু মানুষ যে ক‍্যামনে এতো কিছু পড়ে আর ভাবে—সেটাই বুঝি না। আমিও ট্রাই করি। কিন্তু ঘুম চলে আসে।

খোদা দুনিয়াতে এক শ্রেণীর লোকই পাঠায় যারা শুধু পড়বে, ভাববে আর সৃষ্টি করবে। আমরা তাদের কাজ মুখস্থ করে পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি করবো।

সত্যি বাচ্চাগুলো লম্বা ছুটিতে বহুদূর চলে গেলো...
21/07/2025

সত্যি বাচ্চাগুলো লম্বা ছুটিতে বহুদূর চলে গেলো...

📢 প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সুসংবাদ! 🏆আলহামদুলিল্লাহ! দীর্ঘ বিরতির পর ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ও ৮ম শ...
01/06/2025

📢 প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সুসংবাদ! 🏆

আলহামদুলিল্লাহ! দীর্ঘ বিরতির পর ৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ও ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা এই বছর থেকে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ। 🇧🇩

✍️ আজ পিটিআই, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত iBAS++ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাননীয় মহাপরিচালক জনাব আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান সাহেব এই ঘোষণা দিয়েছেন।

🎓 বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত মাসিক ভাতা: 🔹 ট্যালেন্টপুল (মেধা তালিকা) – ৳৬০০
🔹 সাধারণ গ্রেড – ৳৪০০

📚 এটি আমাদের আগামী প্রজন্মকে শিক্ষার প্রতি আরও আগ্রহী ও উদ্দীপ্ত করবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে, সেই প্রত্যাশা রইল।

আসুন, সবাই মিলে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকি, উৎসাহ দিই এবং তাদের এই সাফল্যের পথে সহযাত্রী হই। 🌟

#বৃত্তিপরীক্ষা২০২৫ #প্রাথমিকশিক্ষা #শিক্ষারআলো #ট্যালেন্টপুল #সাধারণগ্রেড #বাংলাদেশ।

আমি কোথায়?উত্তর: বাংলাদেশে।বাংলাদেশ কোথায়?উত্তর: এশিয়াতে।এশিয়া কোথায়?উত্তর: পৃথিবীতে, যার ব্যাস প্রায় ১২,৭৪২ কিলোমি...
01/06/2025

আমি কোথায়?
উত্তর: বাংলাদেশে।

বাংলাদেশ কোথায়?
উত্তর: এশিয়াতে।

এশিয়া কোথায়?
উত্তর: পৃথিবীতে, যার ব্যাস প্রায় ১২,৭৪২ কিলোমিটার (৭,৯২৬ মাইল)।

পৃথিবী কোথায়?
উত্তর: ৪.৬ বিলিয়ন বছর পুরনো সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ।

সৌরজগত কোথায়?
উত্তর: এটি অবস্থিত মিল্কিওয়ে (Milky Way) গ্যালাক্সির এক প্রান্তে, 'Orion Arm' নামক অঞ্চলে। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আনুমানিক ১০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন তারা রয়েছে।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কোথায়?
উত্তর: এটি "লোকাল গ্রুপ" নামে পরিচিত একটি গ্যালাক্সি গুচ্ছে (galaxy group) অবস্থিত, যেখানে আরও ৫০টির মতো গ্যালাক্সি আছে।

লোকাল গ্রুপ কোথায়?
উত্তর: এটি অবস্থিত "ভিরগো সুপারক্লাস্টার"-এর একটি অংশ হিসেবে, যা হাজার হাজার গ্যালাক্সির সমন্বয়ে গঠিত।

ভিরগো সুপারক্লাস্টার কোথায়?
উত্তর: এটি "লেনিয়া কিয়া সুপারক্লাস্টার" (Laniakea Supercluster)-এর একটি শাখা, যার ব্যাস প্রায় ৫২০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ!

তাহলে এই সুবিশাল গ্যালাক্সি, ক্লাস্টার, সুপারক্লাস্টার—সবই কি মহাবিশ্ব?
উত্তর: মোটেই না। এগুলো মহাবিশ্বের খুবই ক্ষুদ্র একটি অংশ। আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, আমরা পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪-৫% বুঝতে পেরেছি। বাকি ৯৫% হলো ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি—যা এখনো রহস্যের অন্ধকারে আচ্ছন্ন।

ভাবুন তো!
আমি, একটি মানুষ, একটি দেশ, একটি মহাদেশ, একটি গ্রহ, একটি তারামণ্ডল, একটি গ্যালাক্সি, একটি ক্লাস্টার, একটি সুপারক্লাস্টার... এভাবে একের পর এক মহাবিশ্বের স্তরের মধ্যে এক বিন্দু!

এই অসীম বিস্তারের মাঝে আমার অস্তিত্ব কতটুকু ক্ষুদ্র, আর সেই ক্ষুদ্র আমি যদি চিন্তা করি কে এই সব কিছুর স্রষ্টা—তবে বলা চলে:

> “যিনি এই অনন্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি কতই না মহান!” 🌌✨

ইংরেজরা বরফের দেশ থেকে আমাদের সুজলা সুফলা উপমহাদেশে এসে কত রকম ফলমূল যে দেখেছে, তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু নাম জানা না থাকায়...
29/05/2025

ইংরেজরা বরফের দেশ থেকে আমাদের সুজলা সুফলা উপমহাদেশে এসে কত রকম ফলমূল যে দেখেছে, তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু নাম জানা না থাকায়, সবকিছুর সাথে সেই apple যোগ করে নাম দিয়েছে, ফল বলতে তো একটা অ্যাপেলই ওরা চেনে । যেমন বেলের নাম দিয়েছে Wood apple, আনারসকে বলে pine apple, জামরুল হয়েছে wax apple!

এমনকি তালের শাঁসের মধ্যেও আঙুল ঢুকিয়েছে, Ice apple.
জীবনে কিছু চোখে না দেখলে যা হয়। ফিরিঙ্গি কোথাকার।😣
(সংগৃহীত)

26/05/2025
বনের রাজা সিংহ রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে একটা ঝাঁকি দিল! লাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করল!সিংহ যতটা না অবাক ...
26/05/2025

বনের রাজা সিংহ রোদ পোহাচ্ছিল। এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে একটা ঝাঁকি দিল! লাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করল!

সিংহ যতটা না অবাক হলো, তার চেয়ে বিরক্ত হলো বেশি। বাঁদরের ভ্রুক্ষেপ নেই। সে সিংহকে ভেংচি কেটে লাফাতে লাফাতে চলে গেল।

শেয়াল পাশ থেকে পুরো ঘটনা লক্ষ্য করে সিংহকে উদ্দেশ্য করে বলল, “বনের রাজার সাথে এত্ত বড় বেয়াদবি! আর আপনি কিনা তাকে কিছুই বললেন না!”

সিংহ মৃদু হেসে বলল, বলার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি! একটু অপেক্ষা করো, সবকিছু দেখতে পাবে।”

কয়েকদিন পর হঠাৎ করেই বাঁদর সিংহের সামনে পড়ল এবং সিংহ তাকে সেখানেই এক থাপ্পড়ে শেষ করে দিল।

শেয়াল অবাক হয়ে সিংহকে জিজ্ঞাসা করল, “সেদিন বাঁদর অত অন্যায় করল, আপনি তাকে কিছুই বললেন না। অথচ আজকে সে তেমন কিছু করেনি, কিন্তু আপনি তাকে মেরে ফেললেন!"

জবাবে সিংহ বলল, “দিস ইজ পলিটিক্স! সেদিনের পর বাঁদর ভালুককে পিছন থেকে লাথি মেরেছে! হাতির শুঁড় ধরে দুলেছে! গন্ডারের পিঠে চড়ে নেচেছে! হায়নাকে কাতুকুতু দিয়েছে! বাঘকে খোঁচা মেরেছে! আর সবাইকেই বলছে, রাজাকেই আমি মানি না! সেখানে তুমি কে?”

“সেদিন ওরে মারলে সবাই বলত, আমি বনের রাজা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছি।"

"আজকে একটু পর দেখবে সবাই এসে বলবে, থ্যাংক ইউ, রাজা সাহেব!”

"বুঝলে তো! মাঝে মাঝে লাই দিয়ে মাথায় তুলতে হয়। যাতে শক্ত করে আছাড় দিলে কেউ কিছু মনে না করে এবং আপদ শেষ হয়ে যায় একেবারে!"

জীবনের এই কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ!হয়তো আজ তোমার চারপাশে অন্ধকার। কোথাও আশার আলো নেই। একা, নিঃসঙ্গ, ক্লান্ত আর ...
26/05/2025

জীবনের এই কঠিন সময়টাই
তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ!

হয়তো আজ তোমার চারপাশে অন্ধকার।
কোথাও আশার আলো নেই।
একা, নিঃসঙ্গ, ক্লান্ত আর অবসন্ন লাগছে।
মনে হচ্ছে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।
কিন্তু সত্যি বলতে—এটাই শুরু!
এই ভাঙনের মধ্যেই গড়ে উঠছে এক অদম্য শক্তি,
যেটা এখন তুমি টের পাচ্ছো না,
কিন্তু একদিন তুমি নিজেই অবাক হবে।

পাহাড় গড়ার আগে যেমন ভূমিকম্প হয়, ঠিক তেমনি, বড় কিছু গড়তে গেলে আগে মাটির গভীর থেকে কাঁপুনি শুরু হয়। এই দুঃসময়টা আসলে তোমার ভিতর থেকে দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলার সময়। জীবন তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে না, জীবন তোমাকে গড়ছে!

অনেকেই থাকে, যারা সবকিছু নিয়েই জন্মায়—সমর্থন, সুযোগ, টাকা, পরিবেশ। তারা একটা গণ্ডির মধ্যে থেকে জীবন পার করে দেয়। কিন্তু যারা শূন্য থেকে শুরু করে, তারাই নতুন গন্তব্য তৈরি করে। তারা শুধু নিজেদের জন্য না, অগণিত মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।

আজ তুমি হয়তো ভাঙা ঘরের ছেলে বা মেয়ে। হয়তো তোমার হাতে কিছুই নেই—না টাকা, না পরিচিতি, না কোনো সুযোগ। কিন্তু বিশ্বাস রেখো, একদিন তোমার নামেই গড়ে উঠবে ভবন, গ্রন্থ, উদ্যোগ কিংবা প্রতিষ্ঠান। কারণ তুমি হাল ছাড়ো নি, তুমি থেমে যাও নি!

তোমার এই যুদ্ধ এখন কেউ দেখছে না। কেউ জানে না তুমি রাতে কতটা কান্না করো, দিনে কতটা লড়াই করো। কিন্তু সময় সব মনে রাখে। একদিন ঠিক সেই গল্পই হয়ে যাবে অনুপ্রেরণার বাতিঘর, যা অন্যদের আঁধারেও আলো দেখাবে।

তাই এখনই ভেঙে পড়ার সময় নয়।
তুমি আলাদা। তুমি বিশেষ।
তোমার রক্তে বয়ে চলেছে সংগ্রামের ইতিহাস, তোমার চোখে জমে আছে হাজারো স্বপ্নের মানচিত্র।

তুমি যদি আজ লড়াই চালিয়ে যাও, আগামীকাল তোমার নামেই ইতিহাস লেখা হবে।
হাল ছেড়ো না। ভয় পেও না।
কারণ তুমিই সেই ঝড়ের নাবিক,
যে দিক হারিয়ে ফেলে না—বরং দিক তৈরি করে!

26/05/2025
সারা ভারতবর্ষের বাঙালিকে সর্বপ্রথম  সহজে ইংরেজি ব্যাকরণ শিখিয়ে ছিলেন তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশের নীলফামারী শহ...
25/05/2025

সারা ভারতবর্ষের বাঙালিকে সর্বপ্রথম সহজে ইংরেজি ব্যাকরণ শিখিয়ে ছিলেন তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশের নীলফামারী শহরের সন্তান পিকে দে সরকার.....

পিকে দে সরকার বা প্রফুল্ল কুমার দে সরকার যে স্কুল থেকে শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি হয়েছিল সেই নীলফামারী ইংলিশ স্কুল বা নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে এই ভিডিও করার সময় একটি প্রশ্ন মনে জেগছিল সেটা হলো এই স্কুল বা এই শহরের নাগরিকরা কি জানে প্রফুল্ল কুমার দে সরকার বা পিসি দে সরকার এই মাটির সন্তান?

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে অনেকেই মনে করে বাঙালির অঙ্ক শিক্ষার বই মানে কেশবচন্দ্র নাগ।আর বাঙালিকে ইংরেজি ব্যাকরণ শিখিয়েছেন পিকে দে সরকার।প্রজন্মের পর প্রজন্ম, তাঁর লেখা ‘A textbook of Higher English Grammar, Composition, and Translation’ বইটি পড়ে শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করেছে।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ও উপজেলায় এরকম বহু স্কুল আছে সেখান থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে দেশ বিদেশে দ্যুতি ছড়িয়েছে এরকম বহু প্রাক্তনী।আপনার জেলা উপজেলা বা গ্রামের স্কুলে এমন কোন গুণী ছাত্র ছিল?

আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।

পিকে দে সরকারের শিক্ষা জীবন কাটানো নীলফামারী ইংলিশ স্কুল বা নীলফামারী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিডিও লিংক
https://youtu.be/tPIFq7A1Ufg?si=osRXQBLbduWzBdWu

Address

Uttar Khan
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:30
Tuesday 09:00 - 16:30
Wednesday 09:00 - 16:30
Thursday 09:00 - 16:30
Friday 09:00 - 16:30
Saturday 09:00 - 16:30
Sunday 09:00 - 16:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোর দিশারী পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category