উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ

উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ, Library, Ullapara.

03/07/2018

#ব্রহ্মচর্য কাকে বলে.?কেনো ব্রহ্মচর্য পালন
করা কর্তব্য ও তা কিভাবে পালন করতে হয়??
অনেকের ধারণা ব্রহ্মচারী হয়ে সবকিছু
ত্যাগ করে ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয় ও
ব্রহ্মচর্য পালন করা বড় কঠিন কাজ ত্রবং
দুর্বিষহ কঠোর জীবন। এই ধারণা একেবারে
ভুল। ব্রহ্মচর্য কথাটির অর্থ এক ব্রহ্ম
বা ঈশ্বরকে জানার জন্যে সহজ সরল পথ
অবলম্বনের মাধ্যমে কয়েকটি বেদের
অর্থাৎ জ্ঞান অর্জনের অনুশাসনকে মেনে
চলা। সেই অনুশাসন কি---
১] কায় দণ্ড--- মানব দেহে যে মন্দির তা
দেবতার বাসস্থান জেনে এই মন্দিরকে সদায়
পবিত্র রাখতে হবে।
২] মন দণ্ড – এই মন্দিরে যে মন আছে তাকে
জেনে সদায় এখানেই স্থির রেখে এই মন্দির
থেকে রত্ন তুলতে হবে।
৩] বাক দণ্ড – যে টুকু সত্য বলে জানবে
তাই সবার মঙ্গলের জন্যে প্রকাশ করবে—
তার বাইরে কোন কথা বা বাক্য উচ্চারণ
করবে না। সেই সাথে জ্ঞান ছাড়া অন্য কিছু
সঞ্চয় করার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে
যাবে না।
৪] পিতা- মাতা- আচার্য – অতিথি ও
জন্মভুমিকে দেবতা জ্ঞানে শ্রদ্ধা
করবে। এই অনুশাসন তোমরা যতদিন
বাঁচবে মেনে চলবে|
এটাই তোমাদের ব্রহ্মচর্য জীবন।
ব্রহ্মচর্য সনাতন ধর্ম অনুযায়ী জীবনের
একটি নির্দিষ্ট সময় কাল (৫ থেকে
২০ বা ২৫ বছর বয়শ পর্যন্ত) বুঝায় যখন
কোন ছাত্র বা ছাত্রী বেদ এবং
উপনিষদ এর বিধান অনুযায়ী ঐতিহ্যগত
বিজ্ঞান, জ্যোতিশাস্ত্র এবং ধর্মীয়
অনুশাসন সম্প্রর্কিত বিদ্যা লাভ করে।
অন্যদিকে ব্রহ্মচর্য বলতে আধ্যাতিক
উন্নতির জন্য ইচ্ছাকৃত কৌমার্য-ব্রত
বুঝায় এবং এক্ষেত্রে ব্রহ্মচর্য অর্থ হল
কায়-মন-বাক্যে সর্বদা পবিত্রতা রক্ষা
করা।
ব্রহ্মচর্য পালন অর্থ হল সম্পূর্ণ কাম-
বাসনাশূণ্য জীবন যাপন করা যা আধ্যাত্মিক
জীবনের জন্য অপরিহার্য ।
পুরুষ ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে ব্রহ্মচারী
এবং স্ত্রী ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে
ব্রহ্মচারিনী বলে।
শব্দটির উৎস্য ব্রহ্মচর্য শব্দটির দুইটি
অংশ। যথা:
1. ব্রহ্ম
2. চর্য
ব্রহ্ম শব্দটির অর্থ হল # স্রষ্টা বা
সৃষ্টিকর্তা এবং চর্য শব্দটির অর্থ হল
# অনুসরনকৃত। অনেক সময় চর্য বলতে
# ধর্মীয় জীবন পদ্ধতিও বুঝায়।
সুতরাং ব্রহ্মচর্য শব্দটি একটি ধর্মীয়
বিধিসম্মত জীবনপদ্ধতি নির্দেশ করে।
বৈদিক আশ্রম ব্যবস্থা অনুযায়ী ব্রহ্মচর্য
জীবনের প্রথম ২০ বছর বা ২৫ বছর পর্যন্ত
ব্রহ্মচর্যের অন্তর্গত। প্রাচীন বৈদিক
সমাজ অনুযায়ী মানুষের জীবনকালকে ১০০
বছর কল্পনা করে ৪টি ভাগে ভাগ করা হত।
এর মধ্যে প্রথম ভাগ হল # ব্রহ্মচর্য ।
অন্য তিনটি হল যথাক্রমে # গার্হস্থ্য ,
# বানপ্রস্থ এবং # সন্ন্যাস ।
সনাতন ধর্ম অনুসারে ব্রহ্মচর্য ভাগে
একটি শিশুকে ৫ বছর বয়শে গুরুর নিকট
বৈদিক জ্ঞান অর্জনের জন্য পাঠানো
হত। এর পর উপনয়ন অনুষ্ঠান এর মাধ্যমে
উপবীত বা পৈতা ধারণ করে সে তার গুরুগৃহে
বিদ্যারম্ভ করত।
সঠিক বিদ্যার্জনের পর সমাবর্তন
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সে ২৫ বছর বয়সে
গুরুগৃহ ত্যাগ করত।
ব্রহ্মচর্য আশ্রমে একজন শিষ্যকে
কঠোর ধর্মীয় অনুসরন করে চলতে হত।
এই সময় সে তার গুরুর কাছ থেকে ধর্মীয়
অনুশাসন, সদাচার, সঠিক জীবন-পদ্ধতি,
দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ, ধ্যান, যোগসাধনা
মানবতাবোধ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ
করত। এই জ্ঞান তাকে পরবর্তীতে আদর্শ আর্য
হিসেবে মানবকল্যানে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।
পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন।
*************এডমিন***********

২০০১ ও ২০১১ সালের শুমারির জেলাভিত্তিক তথ্য পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, ১৫টি জেলায় হিন্দু জনসংখ্যা কমে গেছে। বিবিএসের কর্মকর...
26/04/2016

২০০১ ও ২০১১ সালের শুমারির জেলাভিত্তিক তথ্য পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, ১৫টি জেলায় হিন্দু জনসংখ্যা কমে গেছে। বিবিএসের কর্মকর্তারা বলেছেন, এসব জেলার হিন্দুরা দেশের অন্য কোনো জেলায় চলে গেছে, পরিসংখ্যান তা বলছে না। অর্থাৎ, অন্য জেলায়ও হিন্দু জনসংখ্যা বাড়েনি। কর্মকর্তারা এদের বলছেন, ‘মিসিং পপুলেশন’ বা ‘হারিয়ে যাওয়া মানুষ’।
বরিশাল বিভাগের কোনো জেলাতেই হিন্দুদের সংখ্যা বাড়েনি। বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা—এই ছয়টি জেলায় ২০০১ সালের আদমশুমারিতে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল আট লাখ ১৬ হাজার ৫১ জন। ২০১১ সালের শুমারিতে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে সাত লাখ ৬২ হাজার ৪৭৯ জনে।
খুলনা বিভাগের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা—পাশাপাশি এই তিন জেলায় হিন্দুদের সংখ্যা আগের চেয়ে কমেছে। বিভাগের নড়াইল ও কুষ্টিয়া জেলার প্রবণতা একই। ঢাকা বিভাগের মধ্যে এ তালিকায় আছে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলা। অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলায়ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল রেখে হিন্দু বাড়েনি।
স্বাধীনতার আগের দুটি ও পরের পাঁচটি শুমারির তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোট জনসংখ্যার তুলনায় হিন্দুদের সংখ্যা ও হার কমেছে। মুসলমানদের সংখ্যা ও হার সব সময়ই বেড়েছে। বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর হার মোটামুটি একই ছিল বা আছে।
প্রবীণ রাজনীতিক ও গণঐক কমিটির আহ্বায়ক পঙ্কজ ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, সাম্প্রদায়িক আবহ তৈরি করে সম্প্রীতি নষ্ট করায় এমনটা ঘটছে। জামায়াতের মতো শক্তিগুলো পরিকল্পিত ও নিয়মিতভাবে নানা ঘটনা ঘটাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, কুড়িগ্রামের চিরিরবন্দরে ধর্মীয় জিগির তুলে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা লক্ষ করা গেছে। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের পাশে কেউ দাঁড়াচ্ছে না, তাদের আশ্বস্ত করছে না। নীরবে তাই দেশত্যাগ হচ্ছেই।
কেন কমছে: একাধিক শুমারির প্রতিবেদনে হিন্দু জনগোষ্ঠীর মধ্যে মোট প্রজনন হার (টোটাল ফার্টিলিটি রেট—টিএফআর) তুলনামূলকভাবে কম বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কোনো তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাছে চেয়ে পাওয়া যায়নি।
তবে গোপালগঞ্জ, বরিশাল, ভোলার বিভিন্ন গ্রামে কথা বলে জানা গেছে, হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাওয়ার বড় কারণ দেশত্যাগ। কয়েকটি জেলার লোকজন বলেছেন, ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ ভাগের সময় থেকে এই ভূখণ্ড ছেড়ে যাওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের একটা স্বাভাবিক প্রবণতা। কেউ বলেছেন, মূল কারণ শত্রু সম্পত্তি আইন। বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের চাপ ও নির্যাতনে পড়তে হয় হিন্দুদের। অন্যদিকে ভারতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দিলে তার আঁচও লাগে এ দেশের হিন্দুদের গায়ে।
‘বুক বেঁধে দাঁড়াবার সংস্কৃতি কমে গেছে’—এমন মন্তব্য করেছেন ড. আনিসুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইমেরিটাস অধ্যাপক বলেন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার অভাববোধ বাস্তব ও অনুমিত। সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে কিছু লোক নানা ঘটনা ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে কিছু নেতা বা রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে স্থানীয় পর্যায়ে সেই প্রতিশ্রুতি পালিত হয় না, কর্মী পাওয়া যায় না।
আতঙ্ক আছে চাঁদশী-ইল্লা-ধানডোবায়: বরিশাল জেলার গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা থেকে বেশ কিছু হিন্দু পরিবার ২০০১ সালের পর এলাকা থেকে চলে গেছে।
ধানডোবা গ্রামে গিয়ে জানা যায়, মনোজ বৈদ্য তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনের দুই দিন পর বাড়ি ছেড়ে চলে যান। আর ফিরে আসেননি। মনোজের প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই নির্বাচনের পরদিনই বিএনপির কর্মীরা গ্রামের হিন্দু ও খ্রিষ্টানবাড়িতে আক্রমণ ও লুটপাট করেন। তাঁরা মনোজের বাড়ি থেকে গরু, ধান নিয়ে যান। পানের বরজ নষ্ট করেন।
ইল্লা গ্রামের কালীপদ দফাদার, সুবল দফাদার, মন্টু দফাদার, জয়দেব নন্দীর পরিবারও দেশ ছেড়ে চলে যায় ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সন্ত্রাসের কারণে। একই কারণে সুতারবাড়ি গ্রামের আদিত্য নাগ ও সুবল দে পরিবার নিয়ে দেশ ছেড়েছেন।
৩ নম্বর চাঁদশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষ্ণকান্ত দে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর নিজের পরিবার, আত্মীয়, প্রতিবেশীসহ অনেক পরিবারে আক্রমণ, লুটপাট ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ইউনিয়ন থেকে কোনো পরিবার এলাকা ছেড়ে যায়নি। তবে অনেক পরিবারের অংশবিশেষ দেশে থাকে না। তিনি বলেন, ‘ধরেন, কোনো পরিবারে পাঁচ ভাই আছে, তাদের দুই ভাই দেশে থাকে না।’
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, সম্মান রক্ষায় অনেক বাবা-মা অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিচ্ছেন, অথবা ভারতে রেখে স্কুলে বা কলেজে পড়াচ্ছেন। তবে তিনি দাবি করেন, দেশত্যাগের প্রবণতা কমেছে। শত্রু সম্পত্তি (অর্পিত সম্পত্তি) নিয়ে সরকারের উদ্যোগ পুরোপুরি সফল না হলেও সংখ্যালঘুরা আশা করছে, সম্পত্তি আর হাতছাড়া হবে না বা হাতছাড়া সম্পত্তি ফেরত পাবে। এখন বড় বড় শহরে হিন্দুরা বাড়ি করছে, ফ্ল্যাট কিনছে।
ভোলার পরিস্থিতি: বিবিএস পরিসংখ্যান বলছে, ভোলা জেলায় ২০০১ সালে হিন্দু ছিল ৭২ হাজার ২৭৫ জন। সর্বশেষ শুমারিতে দেখা যাচ্ছে, জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬২ জনে।
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের নলগোড়া গ্রামের সাধু সিংয়ের বাড়িতে ছিল ছয়টি পরিবার। পরিবারের প্রধান ছিলেন লক্ষ্মী নারায়ণ সিং। লক্ষ্মী নারায়ণ ১৯৯২ সালের পরে জমিজমা বিক্রি করে চলে যান। ওই গ্রামের লোকজন প্রথম আলোকে বলেছেন, ১৯৯২ সালের পর থেকে হিন্দু পরিবারগুলো চলে যেতে শুরু করে। ওই সময় বাররি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে ভারতে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছিল, তাতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের শিকার হয় এই গ্রামের মানুষ।
২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনের পরও অনেক পরিবার চলে গেছে। গ্রাম ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯২ সালের পর থেকে সুতারবাড়ির চারটি, ডাক্তারবাড়ির ১০, মাঝের সিংবাড়ির ছয়, রাস কমল হাওলাদার বাড়ির সাত, লক্ষ্মীকান্ত হাওলাদার বাড়ির তিন, তীর্থবাস হাওলাদার বাড়ির সাত, পরেশ হাওলাদার বাড়ির সাত, তেলীবাড়ির তিন, রাধেশ্যাম সুতারবাড়ির তিন, মন্টু হাওলাদার বাড়ির এক এবং রাড়ি বাড়ির সব কটি পরিবারসহ গ্রামের ৭৫টি বাড়ির দুই শতাধিক পরিবার চলে গেছে।
উপজেলার নলগোড়া, লেজপাতা ও চরগুমানী—এই তিনটি গ্রাম ছিল হিন্দু-অধ্যুষিত। স্বাধীনতার সময় এই গ্রামে চার শতাধিক বাড়ি ছিল। এই গ্রামগুলোর ১৭২টি বাড়ির কয়েক শ পরিবার চলে গেছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এক হাজারের বেশি হিন্দু পরিবার ছিল। বর্তমানে সেখানে আছে ৪৪টি পরিবার।
লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নে চারটি গ্রাম ছিল হিন্দু-অধ্যুষিত। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই ইউনিয়নে চার হাজার ৬০০ হিন্দু ভোট ছিল। ইউনিয়নের অন্নদাপ্রসাদ গ্রামের যাত্রামণি লস্কর বলেন, ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদের ঘটনা ও ২০০১ সালে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গ্রামগুলোর অধিকাংশ হিন্দু পরিবার এলাকা ছেড়ে চলে যায়। স্থানীয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রের দেওয়া তথ্যে বলা হচ্ছে, বর্তমানে ইউনয়নে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা ৬০০।
গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ জেলায় আওয়ামী লীগের একক প্রাধান্য। সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, দলটির সঙ্গে সংখ্যালঘুদের সুসম্পর্ক আছে। স্বাধীনতার পর জেলায় সাম্প্রদায়িক সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনাও উল্লেখ করার মতো নয়। তার পরও এই জেলা থেকে নিয়মিতভাবে হিন্দুরা চলে যাচ্ছে। ২০০১ সালে এই জেলায় হিন্দু ছিল তিন লাখ ৭১ হাজার ৬২৯ জন। ১০ বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ জনে।
জেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রবীণ সাংবাদিক প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘শত্রু সম্পত্তির’ নির্যাতন চেপে আছে প্রায় ৫০ বছর ধরে। এরপর বড় আঘাত আসে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করার মধ্য দিয়ে। এসব ব্যাপারে আওয়ামী লীগ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।
একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেছেন, উপযুক্ত হওয়ার পরও জেলা আওয়ামী লীগে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের পদ ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা পায় না। সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের সংসদে হিন্দু শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ পদ সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস)। ছোট গোপালগঞ্জ শহরে বড় দলের নেতারা সংখ্যালঘুদের বাড়ি-সম্পত্তি দখল করে দিব্যি বসবাস করছেন। এসব দৃশ্য দেখে নিরাপদ বোধ করে না হিন্দুরা।
গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি সম্পর্কে কাজল দেবনাথের মন্তব্য, ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার।’
উদ্যোগ নেই: দেশত্যাগ বন্ধের উদ্যোগ এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোপালগঞ্জ জেলার একজন চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘নিরাপদে জমি-বাড়ি যেন বিক্রি করতে পারে, সে ব্যাপারে কিছুটা সাহায্য করার চেষ্টা করি। থেকে যেতে বলতে পারি না।’
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, পূজা উদ্যাপন পরিষদ মাঝেমধ্যে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে সভা ও সেমিনার করে। এসব সভা-সেমিনারে দেশ না ছাড়ার, নির্যাতনের প্রতিবাদ করার কথা বলা হয়। কাজল দেবনাথের দাবি, এতে কাজ হচ্ছে।


.............................
[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নেয়ামতউল্লাহ (ভোলা প্রতিনিধি), সুব্রত সাহা (গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি) ও জহুরুল ইসলাম (গৌরনদী, বরিশাল প্রতিনিধি)]

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু দিনের পর দিন কমতে কমতে লজ্জাজনক একটা সংখ্যায় এসেছে। যা এখনো থেমে নেই প্রতিদিন কোন না কোন ইস্যুতে দেশত্যাগ করছে আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু। এর প্রধান কারন গুলো হল- জীবনের নিরাপত্তার অভাব, সম্পত্তির জোরপূর্বক দখল, ধর্মীয় সংখ্যালঘু আদিবাসী নারী ধর্ষণ বৃদ…

24/04/2016

Image caption
গোপালগঞ্জের উলপুর গ্রামে যারা আছে তারাও দোটানায়, শান্তিতে নেই।
বাংলাদেশে সরকারি আদমশুমারি অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যা প্রতি বছরই কমছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় বৈষম্য এবং নির্যাতনের মুখে এদের বেশিরভাগই ভারতে চলে যাচ্ছেন। হিন্দুদের দেশ ছাড়ার কারণ খুঁজতে গোপালগঞ্জের এক হিন্দু অধ্যূষিত গ্রামে গিয়েছিলেন বিবিসির আবুল কালাম আজাদ:
গোপালগঞ্জ জেলার উলপুর গ্রামের কালীমন্দিরের পুরোহিত সন্তোষ কুমার ভট্টাচার্য। জমিদার হিমাংশু রায়ের রেখে যাওয়া বাড়িতেই জন্ম তাঁর। সপরিবারে এই পুরোনো বাড়িতেই এখনো বসবাস করছেন।
সন্তোষ কুমার ভট্টাচার্য বলছিলেন, এক সময় উলপুর গ্রামটি ছিল শত ভাগ হিন্দু অধ্যুষিত। কিন্তু এখন হিন্দুদের সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে, গ্রামের জনসংখ্যার বেশিরভাগই মুসলিম।
“হিন্দুদের যাওয়ার গতি দেখে মনে হচ্ছে এখনো অনেকে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও যাবে”, বলছিলেন তিনি।
কিন্তু কারণটা আসলে কি? কেন হিন্দুরা দেশ ছাড়ছেন?
“কারণ... হয়তো এখানে তাদের স্বাধীনতা নেই। সেটাই মনে করে।”
গ্রামের বাজারে কাঁচি হাতে চুল কাটায় ব্যস্ত ক্ষৌরকার নিখিল সরকার। গত ৪০ বছর ধরে এটাই তার পেশা। তিনি বলছিলেন, মূলত নিরাপত্তার কথা ভেবেই অনেকেই ভারতে পাড়ি জমানোর একটা পথ খোলা রাখেন।
“মনে করেন যে এই পাশেও আছে, আবার হয়তো ঐ পাশেও (ভারতে) ছেলে-পেলে পাঠায়ে দেছে, ভাই-বেরাদার পাঠায়ে দেছে। অহনে এখানে যারা আছে, তারা শান্তিতে নাই, একটা দোটানার মধ্যে আছে।”
এই শান্ত সবুজ গ্রামটার বিভিন্ন পাড়ায় চোখে পড়বে অনেক পুরনো দালান-কোঠা। আভিজাত্যের ছাপ স্পষ্ট এসব বাড়ী ঘরে। এক সময়ের হিন্দু জমিদার এবং সম্ভ্রান্ত অনেক হিন্দু পরিবার তাদের এসব ভিটে-বাড়ী ফেলে একদিন পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতে।

Image caption
উলপুরের বিভিন্ন জায়গায় ভারতে চলে যাওয়া হিন্দু জমিদারদের অনেক পরিত্যক্ত বনেদি বাড়ী।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর এই দেশ ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছিল। সেই ধারা এখনো থামেনি।
বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ আদম শুমারির হিসেবেই গোপালগঞ্জ জেলায় গত দশ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে প্রায় ১৮ হাজার। সারা দেশে এই সংখ্যায় প্রায় নয় লাখ।
উলপুর দক্ষিণপাড়ার রায় বাড়িতে বসে এই সমস্যা নিয়ে কথা হচ্ছিল কয়েকজন গৃহিনীর সঙ্গে।
“ভবিষ্যতে চলে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। ছেলে-মেয়ে বড় হচ্ছে। এদের ছেলে-মেয়েদের আর এদেশে রাখার ইচ্ছে নাই”, বলছিলেন একজন।
“আমারও ঐ একই কথা। আমাগো দিন তো চলি গেল। কিন্তু আমাগো যে নাতি-পুতি, এগো ভবিষ্যত তো এই জায়গায় হবি না,” বললেন তাঁর সঙ্গে থাকা আরেক জন।
Image copyrightBBC Abul Kalam Azad
Image caption
পুরোনো জীর্ণ বাড়ীর সামনে উলপুরের মন্দিরের পুরোহিত সন্তোষ ভট্টাচার্য
আলাপে আলাপে উঠে আসে তাদের নিরাপত্তাহীনতা আর আতংকের বিষয়গুলি।
দেশ ছাড়ার এরকম ইঙ্গিত থাকলেও ভারতে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার আগে কেউই বিষয়টি প্রকাশ করতে চান না।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা কাজল দেবনাথ বলছিলেন কিভাবে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমছে।
“১৯৫১ সালে যে আদমশুমারি ছিল তাতে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ। ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে আসলো ১৪ শতাংশে। আর সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশে।”
“দেশ ছাড়া কোন সমাধান নয়। আমাকে আমার মাতৃভূমিতে শক্ত করে দাঁড়াতে হবে। আমার কথাটি শক্ত করে বলতে হবে।”
পুজার ঢোল বাজছে, সারা দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দূর্গোৎসবে সামিল হয়েছেন। এবার পুজা মন্ডপের সংখ্যাও বেড়েছে অনেক। কিন্তু এই উৎসবের আনন্দের মাঝেও সবাই জানেন, প্রতি বছর মন্ডপে পুজারির সংখ্যা কমছে, হারিয়ে যাচ্ছে অনেক চেনা মুখ।

24/04/2016

According to the official census, the Hindu population in Bangladesh is decreasing every year. That being said, the face of religious discrimination and persecution, most of them going to India. Hindus, a Hindu majority village in the district and had to leave the country because the BBC Abul Kalam Azad:
Ulpur village in Gopalganj district, a priest of the Kali temple Santosh Kumar Bhattacharya. Himanshu Roy, the landlord of the house was born. His family still lives in the old house.
Santosh Kumar Bhattacharya told, one hundred percent of the time Ulpur the village was inhabited by Hindus. But now it has reduced the number of Hindus, mostly Muslim population of the village.
"Many people are still going to Hindus, and the future looks to be in motion," said he.
But what is the reason? Why Hindus leaving the country?
"... Maybe because here there is no freedom. That's it. "
All the government spends busy barber hair scissors in the hands of the rural market. That's his job over the past 40 years. He said, thinking about the safety of the people moving to India to open a way.
"Do you think that this side again, maybe on the other side (in India), the son-Pele pathaye deche, brother-beradara deche pathaye. Ahane who are here, they have no peace, there is a confuse. "
This quiet green area of town you'll see a lot of old-rise buildings. These buildings house a clear impression of elegance. Many Hindu families of the Hindu zamindars and respectable vitae of their homes in India sailed into the day.

Image caption
ulapurera a lot of different places to go to India by Hindu landlords abandoned aristocratic house.
After the partition of India in 1947, the epidemic had begun to leave the country. The trend is still stopped.
The last census in Gopalganj district of Bangladesh as the Hindu population has declined in the last ten years, nearly 18 thousand. Nearly nine million of the country.
Ulpur Dakshinpara Roy was talking about this problem at home with some housework.
"I want to go there in the future. As the children have grown up. They wanted to have children, and in this country, "said one.
"I said the same. I was neither fair day. But that's fair grandchildren, the future of the ego is not going to be in this place, "said another person who was with him.
Copyright image BBC Abul Kalam Azad
Image caption
dilapidated old house, in front of the temple priest ulapurera Santosh Bhattacharya
Their conversation came up conversation topics insecurity and panic.
Despite such indications permanently leave the country before leaving for India, no one does not want to reveal it.
Bangladesh Hindu Buddhist Christian Unity Council Kajal Debnath, referring to the leader of the Hindu population is decreasing.
"In 1951, the census was that it was a two percent Hindu population. The 1974 census, it came down to 14 percent. The latest census, it has come down to 011 percent of 4 to 8 percent. "
"The country is no solution. I stand firm in my homeland. I would say one word, tough. "
Playing drums worship, Hindu communities across the country have been involved durgotsabe. The increase in the number of Worship places of worship. But despite the joy of the festival, everyone knows, is decreasing every year the number of mandape pujarira, lost a lot of familiar faces.

দোলযাত্রা ''''''''''''দোলযাত্রা একটি হিন্দু বৈষ্ণব উৎসব। এই উৎসবের অপর নাম বসন্তোৎসব। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোলয...
20/03/2016

দোলযাত্রা '''''''
'
'
'
'
'

দোলযাত্রা একটি হিন্দু বৈষ্ণব উৎসব। এই উৎসবের অপর নাম বসন্তোৎসব। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়।
দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়।

সরস্বতী পূজা. হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠেয় একটি অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্...
11/02/2016

সরস্বতী পূজা.
হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠেয় একটি অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, নেপাল ও বাংলাদেশে সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। শ্রীপঞ্চমীর দিন অতি প্রত্যুষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছাত্রছাত্রীদের গৃহ ও সর্বজনীন পূজামণ্ডপে দেবী সরস্বতীর পূজা করা হয়। ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারে এই দিন শিশুদের হাতেখড়ি, ব্রাহ্মণভোজন ও পিতৃতর্পণের প্রথাও প্রচলিত। পূজার দিন সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সর্বজনীন পূজামণ্ডপগুলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়। পূজার পরের দিনটি শীতলষষ্ঠী নামে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে কোনো কোনো হিন্দু পরিবারে সরস্বতী পূজার পরদিন অরন্ধন পালনের প্রথা রয়েছে।

30/12/2015
কৃষ্ণ শব্দটির অর্থ কি?যিনি জীবেদেরকে মায়ার কবল থেকে আকর্ষণ করে নিজ নিত্যদাস্যে নিযোগ পূর্বক পরমানন্দ প্রদান করেন, তিনিই...
22/05/2015

কৃষ্ণ শব্দটির অর্থ কি?
যিনি জীবেদেরকে মায়ার কবল থেকে আকর্ষণ করে নিজ নিত্যদাস্যে নিযোগ পূর্বক পরমানন্দ প্রদান করেন, তিনিই কৃষ্ণ।
শ্রীকৃষ্ণ কে?
শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান, পরমব্রহ্ম। শ্রীকৃষ্ণই সকল সত্তার উৎস। শ্রীকৃষ্ণই আদি, মধ্য এবং
অন্ত্য । শ্রীকৃষ্ণই অজাত, অজম। সর্বকারনের পরম কারণ । শ্রীকৃষ্ণ পূর্ণ-পুর্নম।
শ্রীকৃষ্ণ এত আকর্ষনীয় কেন?
শ্রীকৃষ্ণ সর্ব ঐশ্বর্যে পূর্ণ । তাঁর মধ্যে *সকল ঐশ্বর্য *সকল শ্রী * সকল বীর্য *সকল জ্ঞান *সকল যশ *সকল বৈরাগ্য পূর্ণরূপে বিরাজমান ।
শ্রীকৃষ্ণ কোথায় অবস্থান করেন ?
চিৎ জগতের গোলক বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বিরাজমান। গোলক বৃন্দাবন বেষ্টনকারী অন্তহীন চিৎজগতের বৈকুন্ঠধামে শ্রীকৃষ্ণ চতুর্ভুজরূপী নারায়ন রূপে বিরাজমান। শ্রীকৃষ্ণ মহাবিষ্ণুরূপে নিজেকে বিস্তার করেন এবং এই সীমাবদ্ধ জড়ো বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেন।
শ্রীকৃষ্ণ প্রতিটি ব্রহ্মান্ডে গর্ভোদকশায়ী বিষ্ণুরূপে প্রবেশ করেন এবং সেগুলিকে পরিচালনা করেন। শ্রীকৃষ্ণ প্রতিটি জীবসত্তা , জড়বস্তু , সক্রিয় কিংবা নিস্ক্রিয় শরীরে ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুরূপে প্রবেশ করেন এবং তাদের প্রতিপালন করেন।
শ্রীকৃষ্ণ কেন আবির্ভূত আবির্ভূত হন ?
যখন এবং যেখানে ধর্মীয় অনুশাসনের অধ:পতন ঘটে এবং অধর্মের অভূত্থান ঘটে ঠিক তখনি সাধুদের পরিত্রান করার জন্য এবং দুস্কৃতিকারীদের বিনাশ করার জন্য শ্রীকৃষ্ণ যুগে যুগে অবতীর্ণ হন । শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মার জীবনাবসানের একদিনে একবার বা প্রতি ৮৬০ কোটি বছর পর একবার আবির্ভূত হন ।
:::::::::::::::::::::::সূত্র: পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ::::::::::::::::::::
আন্তজাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরনারবৃন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদ

|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||| copy by hindu Union

17/05/2015

পূজা শব্দের অর্থ কি?
পূজা বলতেই
আমরা বুঝি ঢাক ঢোল
পিটিয়ে ফুল ফল
দিয়ে কিছু মন্ত্র পাঠ
করা। কিন্তু তা নয়।
ভগবান
গীতাতে বলেছে।"
তোমরা একমাত্র
আমাকেই পূজা করো।"
এখন
ভগবানকে আপনি পূজা কিভাবে করবেন।
পূজা=পূ+জা । পূ=পূনঃ,
জা=জাগরন । অর্থাৎ
পূজা মানে পূনঃজাগরন।
অর্থাৎ মনের
ভেতরে বার বার
বা পূনরায়
ভগবানকে জাগিয়ে তোলাকেই
ভগবানের পূজা বলে।
ভগবানকে সন্তুষ্ট
করার জন্য
গয়া কশি তীর্থে যেতে হয়
না। বড় বড়
মন্দিরে লক্ষ
টাকা খরচ করে ঢাক
ঢোল
পিটিয়ে তাকে সন্তুষ্ট
করতে হয় না। আপনার
মনের
মন্দিরে যে পরমেশ্বর
বর্তমান আছে।
তাকে জাগিয়ে তুলোন
উপলব্দি করোন।
তাতেই তিনি সন্তুষ্ট।

উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ
27/04/2015

উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ

26/04/2015

abero vumikompoo holo 6.7

Address

Ullapara
67

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উল্লাপাড়া হিন্দু সংঘ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category