Pure Feedback

Pure Feedback Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pure Feedback, Mirpur, Tejgaon.

গ্যাজেট আছে, সার্টিফিকেট নেই! ইসির এই গড়িমসি কার স্বার্থে? আগামীকাল দেশজুড়ে রাজপথে 'বাংলাদেশ আমজনগন পার্টি'!আইনি প্রক্রি...
02/02/2026

গ্যাজেট আছে, সার্টিফিকেট নেই! ইসির এই গড়িমসি কার স্বার্থে? আগামীকাল দেশজুড়ে রাজপথে 'বাংলাদেশ আমজনগন পার্টি'!

আইনি প্রক্রিয়ায় গ্যাজেট প্রকাশ হওয়ার পরও চূড়ান্ত নিবন্ধন সনদ (সার্টিফিকেট) আটকে রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই দীর্ঘসূত্রিতা ও গড়িমসির প্রতিবাদে আগামীকাল দেশব্যাপী নির্বাচন কমিশনের সামনে কঠোর মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ আমজনগন পার্টি।

বাংলাদেশ আমজনগন পার্টি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, আগামীকালের কর্মসূচির পরও যদি অবিলম্বে সার্টিফিকেট প্রদান করা না হয়, তবে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দিতে বাধ্য হবে।

BangladeshAmjonogonParty
TasnimSohel Rana Sompad

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন; নিবন্ধনের দাবিতে সরব বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টিগণতন্ত্রের প্রথম ধাপ কি আমলাতান্ত্রিক জট...
27/01/2026

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন; নিবন্ধনের দাবিতে সরব বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি

গণতন্ত্রের প্রথম ধাপ কি আমলাতান্ত্রিক জটে বন্দি? সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে গঠিত দলের নিবন্ধন কেন আটকে আছে নির্বাচন কমিশনের ফাইলে? স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি কমিশনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ধীরগতি ও বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ তুলে আসছে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি। দলটির দাবি, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এবং স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, যা সংবিধান স্বীকৃত রাজনৈতিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এই প্রেক্ষাপটে, নির্বাচন কমিশনের কথিত অদক্ষতা ও পক্ষপাতমূলক আচরণের চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে দলটি। আগামী ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, রোজ বুধবার, রাজধানীর পুরানো পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

দলের মুখ্য সংগঠক সোহেল রানা সম্পদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ইসির বর্তমান ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত ও বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। তারা অভিযোগ করেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে নতুন দলগুলোর নিবন্ধন পাওয়া এবং কমিশনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এমতাবস্থায় আমজনগণ পার্টির এই সংবাদ সম্মেলন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

একনজরে সংবাদ সম্মেলনের তথ্য:
তারিখ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ (বুধবার)
সময়: সকাল ১১:০০ টা
স্থান: ফয়েনাজ টাওয়ার (২য় তলা), ৩৭/২, পুরানো পল্টন, বক্স কালভার্ট রোড, ঢাকা।

সম্মানিত বক্তা: ফাতিমা তাসনিম (সদস্য সচিব) ও সোহেল রানা সম্পদ (মুখ্য সংগঠক)।

FeedbackFoʀʜʌɗ HossʌɩŋSohel Rana SompadFatema Tasnim

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাআজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের মাহেন্দ্রক্ষণ। উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক...
21/01/2026

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের মাহেন্দ্রক্ষণ। উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতীক বুঝে নিচ্ছে। কিন্তু এই উৎসবের আবহে এক বিষাদময় কালো অধ্যায় রচিত হলো ‘আম জনগণ পার্টি’র সাথে। দলের প্রতীক ‘হ্যান্ডশেফ’ চূড়ান্ত থাকার পরও এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেয়া প্রতিটি শর্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করার পরও, শেষ মুহূর্তে আম জনগণ পার্টিকে নির্বাচনের ময়দান থেকে ছিটকে দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, এটি কোন বাংলাদেশ? যে বাংলাদেশে আইন মেনে চললে ললাটে জোটে বঞ্চনা, আর আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালে পাওয়া যায় রাজকীয় সংবর্ধনা!

নুরুল হুদার প্রেতাত্মা কি তবে কমিশন ছাড়েনি? দেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়ে ছিল একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে। কিন্তু আম জনগণ পার্টির প্রতি কমিশনের এই বিমাতাসুলভ আচরণ জনমনে এক গভীর সন্দেহের উদ্রেক করেছে। আমরা কি তবে ধরে নেব, বর্তমান কমিশনও সেই বিতর্কিত নুরুল হুদা কমিশনের পথেই হাঁটছে? যে কমিশন গণতন্ত্রকে বন্দি করেছিল নিজেদের খেয়ালখুশির খাঁচায়। আম জনগণ পার্টি কি এ দেশের নাগরিক নয়? তাদের কি রাজনৈতিক অধিকার নেই? যদি সকল শর্ত পূরণ করার পরও তাদের গেজেটভুক্ত করা না হয়, তবে এই নির্বাচন কি আদৌ অংশগ্রহণমূলক হওয়ার দাবি রাখে?

আইন মানার শাস্তি যখন বঞ্চনা-আম জনগণ পার্টি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে প্রতিটি ধাপ পার করেছে। কিন্তু আজ প্রতীক বরাদ্দের দিনে তাদের শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিয়ে কমিশন প্রমাণ করল, তারা ন্যায়ের চেয়ে অদৃশ্য কোনো ইশারার প্রতি বেশি অনুগত। এটি স্পষ্টত একটি পরিকল্পিত বৈষম্য। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে যেখানে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছিল, সেখানে একটি উদীয়মান রাজনৈতিক দলকে এভাবে টুটি চেপে ধরা কেন? এই চরম অবিচারের দায়ভার কে নেবে?

হ্যান্ডশেফ প্রতীক: জনগণের ঐক্যের পথে বাধা কারা? হ্যান্ডশেফ বা করমর্দন প্রতীকটি ছিল জনগণের সাথে জনগণের সেতুবন্ধনের প্রতীক। সেই প্রতীককে রুখে দিয়ে ইসি কি পরোক্ষভাবে জনমানুষের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে না? যখন একপক্ষকে সব নিয়ম ভেঙে সুবিধা দেওয়া হয় আর আম জনগণ পার্টির মতো দলকে গেজেট থেকে বঞ্চিত রাখা হয়, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে পর্দার আড়ালে কোনো এক মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনকে মনে রাখতে হবে, আপনারা জনগণের করের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠান। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা বিশেষ মহলের আজ্ঞাবহ হওয়া আপনাদের কাজ নয়। আম জনগণ পার্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা মানে কেবল একটি দলকে নয়, বরং হাজার হাজার ভোটারের আকাঙ্ক্ষাকে অপমান করা।

এই অবিচার মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে আম জনগণ পার্টিকে তাদের নায্য অধিকার ফিরিয়ে দিন, নতুবা এই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ইতিহাসের পাতায় আরেকটি প্রহসন হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

FeedbackFatema TasnimFoʀʜʌɗ Hossʌɩŋ

সংবিধান উপেক্ষা করে ২০ দ্বৈত নাগরিককে বৈধতা, অথচ সব শর্ত মেনেও নির্বাচনের বাইরে ‘আম জনগণ পার্টি’—ইসির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ...
20/01/2026

সংবিধান উপেক্ষা করে ২০ দ্বৈত নাগরিককে বৈধতা, অথচ সব শর্ত মেনেও নির্বাচনের বাইরে ‘আম জনগণ পার্টি’—ইসির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ!

ঢাকা | বিশেষ প্রতিনিধি
দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক নজিরবিহীন দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।

সংবিধানের ৬৬(গ) ও ৬৬(২ক) অনুচ্ছেদ এবং হাইকোর্টের রিট পিটিশন (১৬৪৬৩/২০২৩)-এর রায় অনুযায়ী—বিদেশী নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য। আপিল বিভাগেও এই আদেশ বহাল রয়েছে। অথচ ইসি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ২০ জন প্রভাবশালী প্রার্থীর (দ্বৈত নাগরিক) মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে, যা আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞা।

বিপরীত চিত্র: ‘আম জনগণ পার্টি’র প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ
আইনের তোয়াক্কা না করে যখন প্রভাবশালীদের জামাই আদর করা হচ্ছে, তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে আম জনগণ পার্টি’র ক্ষেত্রে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের সকল শর্ত, কাগজপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া শতভাগ পালন করা সত্ত্বেও তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না।

দলটির অভিযোগ, ব্যালটে তাদের মার্কা থাকার থাকার পরও, কোনো এক অদৃশ‌্য শক্তি’র ইশারায় শেষ মুহূর্তে তাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন, সব শর্ত মানা কি তবে এই দলের অপরাধ? নাকি দলটির কোনো গডফাদার নেই বলেই ইসির এই বিমাতাসুলভ আচরণ?

ইসির মেরুদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন ও জনরোষ: আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, একই যাত্রায় ইসির এমন দুই নীতি নজিরবিহীন। সচেতন মহল মনে করছেন, বর্তমান কমিশনের আচরণে সাবেক বিতর্কিত সিইসি নুরুল হুদার ছায়া দেখা যাচ্ছে। নুরুল হুদার সেই জুতার মালা পড়ার পরিস্থিতি কি বর্তমান কমিশন স্বেচ্ছায় বরণ করে নিতে চাইছে?

ইসির এমন নতজানু আচরণের প্রতিবাদে এবং আম জনগণ পার্টির প্রতি অবিচারের প্রেক্ষিতে ছাত্র-জনতার সেই পুরনো স্লোগানটিই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে:
“ইসি যদি ভয় পায়, পদে থাকার দরকার নাই!”

সংবিধান লঙ্ঘন করে ২০ জনকে বৈধতা দেওয়া এবং সব শর্ত মানার পরও একটি বৈধ দলকে আটকে দেওয়া—ইসির নিরপেক্ষতাকে ধূলিসাৎ করেছে। এই অদৃশ্য শক্তি’র উৎস কী এবং কেন আম জনগণ পার্টিকে ভয় পাওয়া হচ্ছে, তা এখন সময়ের বড় প্রশ্ন।

FeedbackFoʀʜʌɗ HossʌɩŋFatema Tasnim

08/01/2026

নারায়ে তাকবির ,আল্লাহু আকবার

শহীদ ওসমান হাদী ভাই যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, আজ বোন Santa Akter সান্তা আক্তারদের অটল থাকা আর বিজয়ের মধ্য দিয়ে তার প্রথম ধাপ অর্জিত হলো। আলহামদুলিল্লাহ!

কিন্তু আমাদের লড়াই এখানেই শেষ নয়, প্রতিটি স্তরে পূর্ণ ইনসাফ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত এই ইনকিলাব জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে হকের আওয়াজ হবে সবচেয়ে উঁচু।

এই পথ চলায় আপনাদের মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আমাদের কাজগুলো কি শহীদদের স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটাতে পারছে? আপনার হৃদয়ের একদম খাঁটি অনুভূতি বা 'পিওর ফিটব্যাক' কমেন্টে জানান।
আপনার একটি মন্তব্যই হতে পারে আমাদের আগামীর পথ চলার শক্তি।
সাথেই থাকুন, লড়াই চলবে।

"

08/01/2026

শহীদ ওসমান হাদী ভাই আমাদের যে আজাদীর লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, আজ সান্তা আক্তারদের মতো বোনদের চোখের জলে সেই ইনসাফের প্রথম ধাপ অর্জিত হয়েছে। এই লড়াই কোনো ব্যক্তিগত প্রাপ্তির নয়, এই লড়াই একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের।
#আপনার_মতামত_কি #রিলসভিডিওシ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত বিষয় ভোটের ফতোয়া। বিশেষ করে মুফতি মুজিবুর রহমান সাহেবসহ কিছু ওলামায়ে...
02/01/2026

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত বিষয় ভোটের ফতোয়া। বিশেষ করে মুফতি মুজিবুর রহমান সাহেবসহ কিছু ওলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে যখন খেলাফত মজলিস বা চরমোনাইয়ের মতো ইসলামি দলগুলোকে ভোট দেওয়াকে 'হারাম' বা 'মাকরুহ' বলা হচ্ছে, তখন সাধারণ তৌহিদী জনতার মনে বড় একটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মুফতি সাহেবের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপট: তিনি দাবি করেছেন ভ্রান্ত আকীদার অধিকারী বা তাদের দোসরদের (জামায়াতপন্থী) ভোট দেওয়া ঈমানের জন্য হুমকি। তার চেয়ে সেকুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ দলের সাথে জোট করা নিরাপদ, কারণ তারা অন্তত ইসলামকে বিকৃত করে না।

আমাদের ‘পিওর ফিটব্যাক’ (Pure Feedback Perspective):
১. ২৯৬ আসনের হাহাকার: হক্কানি আলেমদের দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এবার মাত্র ৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ২৯৬ আসনে তবে আমাদের বিকল্প কী? মুফতি সাহেব কি চান আমরা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিতাই রায় চৌধুরী, শামা ওবায়েদ কিংবা সাচিং প্রুদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাই? জামায়াতের মিত্রদের ভোট দেওয়া যদি হারাম হয়, তবে এই সেকুলার প্রার্থীদের ভোট দেওয়া কি আপনাদের দৃষ্টিতে ওয়াজিব?

২. ২০২৬ বনাম ২০০১-এর দ্বিচারিতা: ২০০১ সালের চারদলীয় জোটে যখন জমিয়ত ও জামায়াত একই মঞ্চে ছিল, তখন কেন এই জোট 'হালাল' ছিল? তখন কি জামায়াতের আকীদা ভিন্ন ছিল? আজ ২০২৬ সালে এসে হঠাৎ কেন তা 'হারাম' হয়ে গেল? ফতোয়া কি তবে রাজনৈতিক সুবিধার ওপর ভিত্তি করে ওঠানামা করে?

৩. সেকুলার প্রেম বনাম দ্বীন রক্ষা: মুফতি সাহেব বলছেন সেকুলাররা নিরাপদ। কিন্তু যারা পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামি ঐতিহ্য মুছে ফেলে এবং রাষ্ট্র থেকে দ্বীনকে আলাদা করতে চায়, তারা কীভাবে একজন নামধারী মুসলিম প্রার্থীর চেয়ে নিরাপদ হয়? এটি কি পরোক্ষভাবে ইসলামি রাজনীতিকেই কবর দেওয়ার নীল নকশা নয়?

৪. তাকফিরি ফিতনা: রাজনৈতিক কারণে কোনো মুসলিমকে ভোট দেওয়াকে 'হারাম' বলা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি সাধারণ মানুষের মনে বিভেদ তৈরি করছে। ভোটের মতো একটি কৌশলগত বিষয়কে ঈমান-আকীদার সাথে গুলিয়ে ফেলে আপনারা কি লক্ষ লক্ষ ভোটারকে 'গুনাহগার' বানাচ্ছেন না?

আমাদের মতামত: আমরা মনে করি, জোটগত ভাবে ৪টি আসন পেয়ে খুশিতে আত্নহারা হয়ে ২৯৬ আসনে অন্য ইসলামি দলগুলোর বিরুদ্ধে হারাম ফতোয়া দেওয়া আসলে ইসলামবিদ্বেষী শক্তির জয়কেই ত্বরান্বিত করবে। মওদুদীবাদ ঠেকাতে গিয়ে সেকুলারদের ক্ষমতায় বসানো কোনোভাবেই ‘আহলে হক’ বা ‘আহলুস সুন্নাহ’র পথ হতে পারে না। ফতোয়ার রাজনীতি বন্ধ হোক, ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর রাজনৈতিক ইনসাফ কায়েম হোক।

পাঠকদের কাছে প্রশ্ন:
মুফতি মুজিবুর রহমান সাহেবের এই ফতোয়া নিয়ে আপনাদের মতামত বা ফিটব্যাক কী? আলেমদের এই বিরোধ কি আদতে ইসলামের লাভ করছে, নাকি সেকুলারদের পথ প্রশস্ত করছে?

কমেন্টে আপনার যুক্তিপূর্ণ মতামত জানান।

#ভোটের_ফতোয়া #ইসলামী_ঐক্য #আপনার_মতামত_কি #ভোটের_রাজনীতি

01/01/2026

হাদীর লড়াই, নাছিরের কাঁধে। ঢাকা-৮ কি প্রস্তুত?

Address

Mirpur
Tejgaon
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Feedback posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Pure Feedback:

Share