20/05/2025
মালয়শিয়া আগামী ৫/৬ বছরে প্রায় ১২ লক্ষ শ্রমিক নিবে। যদি বাংলাদেশ পর্যাপ্ত সংখ্যক শ্রমিক পাঠাতে পারে তাহলে বছরে প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাড়তি রেমিটেন্স আসতে পারে দেশে। এটা একটা বিশাল সুযোগ। এক সৌদি আরব দিয়ে বেশীদিন টিকে থাকা যাবে না। সৌদি নির্ভরতা কমাতে না পারলে অভিবাসন খাত মুখ থুবড়ে পরবে। আর অভিবাসন খাত মুখ থুবড়ে দেশে অর্থিনীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা না বলাই ভালো।
অনেক দিন পর মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা যদি আগের বারের মত সিন্ডিকেটের কারণে আবার বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মোটা দাগে হয়তো মালয়শিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আগের বার অফিসিয়াল খরচ ছিল ৭৮৫০০ টাকা। কিন্তু ৪/৫ লাখ টাকার নিচে কেউ যেতে পারে সিন্ডিকেটের কারণে। এবার দুই লাখ টাকার আশে পাশে কথা হচ্ছে। দুই লাখেও যদি মানুষ যেতে পারে তাহলে অন্তত ৫০ শতাংশ মানুষ ধারদেনা ছাড়াই যেতে পারবে। কোন সিন্ডিকেট যেন আবার রক্তচোষা শুরু করতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে সরকারকে।
আগামীকাল দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একটা সভা হওয়ার কথা ঢাকায় এবং সেই সভা থেকে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা আসতে পারে বলে অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।
দ্রুত ঘোষণা আসুক। প্রতীক্ষার অবসান হোক।
অভিবাসন নিরাপদ হোক।