05/09/2026
পুরো বিএনপি জুড়ে কি একজনও মাথাওয়ালা মানুষ নেই? কী এক অদ্ভুত জগাখিচুড়ির মধ্যে দেশ চালানো হচ্ছে!
এটাকে কি সত্যিই দেশ পরিচালনা বলে?
প্রথমে চালু করা হলো ফ্যামিলি কার্ড। বাজেট ধরা হলো ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কয়েক হাজার কার্ড বিতরণের পরই সেই প্রকল্পের কী হলো, তার স্পষ্ট হিসাব না দিয়েই শুরু করা হলো কৃষক কার্ড।
কৃষক কার্ডের জন্য বাজেট ধরা হলো ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা। এটাও ঠিকমতো এগোতে না এগোতেই আবার শুরু হলো প্রবাসী কার্ড—যার জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৮৮০ কোটি টাকা।
এখন আবার বলা হচ্ছে, সব কার্ডের সমন্বয়ে একটি একক কার্ড হবে। এই একটি কার্ডেই নাকি পাওয়া যাবে সব ধরনের সেবা। আর এর জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৯১ বিলিয়ন টাকা!
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আগের প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দ করা টাকার কী হবে?
ফ্যামিলি কার্ডের ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কোথায় গেল?
কৃষক কার্ডের ১ হাজার ৬২ কোটি টাকার কী হলো?
প্রবাসী কার্ডের ৮৮০ কোটি টাকার কী হবে?
যে প্রকল্পগুলো শুরু করে আবার বাদ দেওয়া হলো, সেগুলোর পেছনে ইতোমধ্যে কত টাকা খরচ হয়েছে—তার হিসাব কোথায়?
এগুলো কি জনগণের টাকা নয়?
দু-চার-দশ টাকা খরচ করে প্রকল্প বন্ধ করে দিলেই কি বাকি টাকার হিসাব দিতে হবে না? নতুন নামে নতুন প্রকল্প এলেই কি পুরোনো প্রকল্পের ব্যর্থতা ও ব্যয়ের হিসাব চাপা পড়ে যাবে?
রাষ্ট্র পরিচালনা মানে একের পর এক প্রকল্প ঘোষণা করা নয়। রাষ্ট্র পরিচালনা মানে পরিকল্পনা, জবাবদিহি, ধারাবাহিকতা এবং জনগণের প্রতিটি টাকার হিসাব দেওয়া।
জনগণের টাকা নিয়ে এত ছেলেখেলা কেন?