PBI Sylhet

PBI Sylhet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PBI Sylhet, Government Organization, Sylhet.

24/06/2026

জামালপুরে অটোরিক্সার লোভে অটো চালককে হত্যার ঘটনায় ১২ ঘন্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ০৬ ও আলামত উদ্ধার

অটোরিক্সা চালক নায়েব আলী, প্রতিদিনের ন্যায় গত ২১/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ, ভোর ০৪.০০ ঘটিকার সময় কমিউটার ট্রেনের যাত্রী স্টেশনে পৌছে দেওয়ার জন্য বাড়ী হতে বের হয়ে যায়। অন্যান্য দিন বাড়ীতে ফিরলেও গত ২১/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে বাড়ীতে ফিরে আসেনি। ফলে তার ছেলে মোঃ মামুন @ মমিন মেলান্দহ থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করে। পাশাপাশি তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ফেইসবুকে প্রচার হয়। ফেইসবুকের পোস্ট দেখে জনৈক ব্যক্তি বাদীর চাচা হাফিজুর রহমানকে জানায় যে, ইসলামপুর থানাধীন চরপুটিমারী ইউনিয়নের বেনুয়ারচর বাজার হতে অনুমান ০১ কিলোমিটার দূরে নির্জন ধান ক্ষেতে একটি লাগেজের ভিতরে অজ্ঞাতানামা পুরুষ (৩৫) এর লাশ পাওয়া গিয়েছে। বাদীর জ্যাঠা, চাচারা ইসলামপুর থানায় গিয়ে বাদীর বাবার লাশ বলে সনাক্ত করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের ছেলে মোঃ মামুন @ মমিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানার মামলা নং—২৫, তারিখ—২৪/০৬/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা—৩০২/২০১/৩৭৯ পেনাল কোড দায়ের করেন।
মামলাটি পিবিআই, হেডকোয়ার্টার্স এর মাধ্যমে পিবিআই, জামালপুর জেলা স্ব—উদ্যোগে গ্রহণ করে এবং মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ)/ফয়জুর রহমান এর উপর অর্পণ করা হয়।

পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই, জামালপুর ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব পংকজ দত্ত, পিপিএম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মৃতদেহ সংক্রান্তে সংবাদ প্রাপ্তির পর হতেই পিবিআই, জামালপুর ইউনিট মামলার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে ছায়াতদন্ত শুরু করে।

পিবিআই এর তদন্তকারী অফিসার তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অত্র মামলার আসামী মোঃ নাহিদুল ইসলাম (৩০),কে ২৪/০৬/২০২৬ খ্রিঃ, রাত ০৩.৩০ ঘটিকার সময় মেলান্দহ থানাধীন চাকদহ সর্দারবাড়ী সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ী হতে গ্রেফতার করেন এবং আসামী মোঃ নাহিদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ডিসিস্টের চোরাইকৃত অটোরিক্সার বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের জন্য অভিযান পরিচালনা চোরাই মালামাল ক্রেতা মোঃ সোলাইমান কবির (৫০), মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪১), মোঃ আব্দুল কাদের (৫৬), মোঃ রাসেল হোসেন (৩৪)সহ এবং চোরাইকৃত মালামাল পরিবহনে সহায়তাকারী সাগর পাশা (২৬)দের গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তে জানা যায় যে, জরুরীভাবে আসামী মোঃ নাহিদুল ইসলামের মাত্র ১০,০০০/— (দশ হাজার) টাকার প্রয়োজন হলে সেই টাকা জোগাড়ের জন্য অটোরিক্সা চুরির পরিকল্পনা থেকে সে তার সহযোগীদের নিয়ে এই নৃশংস হত্যাকান্ডটি সংঘটিত করে। আসামীকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত ডিসিস্টকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত জিআই তার ও অত্র মামলার চোরাইকৃত মিসুক অটোরিক্সার ০৪টি ব্যাটারী, ০১টি কন্ট্রোলার, ০৩টি চাকা, মোটর ডিফেন্সিয়াল, ০২টি সকেট বাম্পার, অটোরিক্সার সামনের গ্লাসসহ লোহার বডির বিভিন্ন কাটা অংশ উদ্ধার পূর্বক বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়। চোরাইকৃত মিসুক অটোরিক্সার বিভিন্ন অংশ বিশেষ চোরাই মালামাল জানা সত্বেও অভ্যাসগতভাবে চোরাই মালামাল ক্রয়ের সাথে জড়িত থাকায় মোঃ সোলাইমান কবির (৫০), মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪১), মোঃ আব্দুল কাদের (৫৬), মোঃ রাসেল হোসেন (৩৪)সহ উক্ত চোরাইকৃত মালামাল পরিবহনে সহয়তাকারী সাগর পাশা (২৬)দের গ্রেফতার করা হয়।

অতঃপর আসামী মোঃ নাহিদুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে উক্ত আসামী স্বেচ্ছায় সিআরপিসির ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।

জনতার আস্থায় ৯৯৯
24/06/2026

জনতার আস্থায় ৯৯৯

24/06/2026

জনগণের জরুরি সেবার বিশ্বস্ত ঠিকানা ৯৯৯

24/06/2026
22/07/2025
জগন্নাথপুর থানাধীন চিলাউরার রিংকন বিশ্বাস (১২) এর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই সিলেট জেলা-  গত ২২ জুন, ২০২৪ খ্রিঃ তারি...
20/07/2025

জগন্নাথপুর থানাধীন চিলাউরার রিংকন বিশ্বাস (১২) এর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই সিলেট জেলা-
গত ২২ জুন, ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন নলু্য়ার হাওরে লুলু মেম্বারের মাছের খামারে রহস্যজনক মৃত্যু হয় কিশোর রিংকন বিশ্বাসের। প্রভাবশালী লুলু মেম্বার গংয়ের চাপে নিহতের পিতা শ্রিকান্ত বিশ্বাস বাধ্য হয়ে সামান্য মুখাগ্নি শেষে তাকে সেদিনিই সমাধিস্থ (কবরস্থ) করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এবং বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ২৪ জুন,২০২৪ খ্রিঃ নিহতের পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়। থানা পুলিশ নিহতের মৃত দেহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ২৭ জুন,২০২৪ খ্রিঃ কবর হতে উত্তোলন করে সুরতহাল শেষে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির পর থানা পুলিশ উক্ত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এর ভিত্তিতে ভিকটিম রিংকন বিশ্বাস গাছে উঠে আম পারতে গিয়ে পা ফসকে পুকুরে থাকা গোবরের মধ্যে মাথা নিচের দিকে দিয়ে পরে পানিতে ডুবে মৃত্যুবরন করেছে মর্মে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করে। নিহতের মা বাসন্তি রানী নিজের চোখে মৃত সন্তানের গায়ে কিছু জখমের চিহ্ন দেখায় তার অবুঝ মন পুলিশ তদন্তে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে লুলু মেম্বার সহ ১০ জনকে বিবাদী করিয়া একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালতের আদেশে জগন্নাথপুর থানার ওসি মামলা নং-০৯ তারিখ-১২/১১/২০২৪ খ্রিঃ ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনালকোড রুজু করেন। তদন্ত শেষে থানা পুলিশ আসামীদেরকে অব্যাহতি দিয়া একই মতামত দিয়া চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে। দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মা উহাতে না রাজি দিলে বিজ্ঞ আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য ২৩/০৩/২০২৫ খ্রিঃ পুলিশ সুপার পিবিআই সিলেট জেলাকে দায়িত্ব অর্পন করেন।
পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর দিক নির্দেশণায় এবং পিবিআই সিলেট জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ তারিকুল ইসলাম তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সোর্সের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডটির সাথে জড়িত আসামী চিলাউরা গ্রামের মৃত সাইদুল্লাহর ছেলে জহিরুল ইসলাম(২৩) ও নুরুল হকের ছেলে পাবেল প্রকাশ তাবেল(২১) কে গত ১৭ জুলাই গ্রেফতার করেন। আসামীদেরকে পুলিশ রিমান্ডে আনিয়া জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা শিশু রিংকনের মৃত্যুটি একটি হত্যাকান্ড মর্মে স্বীকার করে এবং উক্ত হত্যাকান্ডে তারা সহ জড়িতদের নাম পরিচয় প্রকাশ করে। আসামীরা ১৯ জুলাই রোজ শনিবার বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে জানায় যে, ঘটনার দিন দুপুর অনুমান ১২.০০ টার সময় লুলু মেম্বারের খামারের গোয়াল ঘরের পাশের আম গাছ থেকে খামারের সর্ব কনিষ্ঠ কর্মচারী রিংকন বিশ্বাসকে আম পাড়ার জন্য কতিপয় আসামী নির্দেশ দিলে সেই গাছে বিদ্যুতের তার থাকায় রিংকন গাছে উঠতে রাজি হয় না। আসামীরা একাধিকবার বললেও রিংকন রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ আসামীরা রিংকনকে ধরিয়া খামারের গোয়ালের পাশে গোবরের ঢিবিতে রিংকন বিশ্বাসের মুখ ও মাথা চাপিয়া ধরিয়া শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করে। পরবর্তিতে তাহারা উক্ত হত্যাকে গাছ থেকে পরিয়া গোবরের পানিতে ডুবিয়া দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু মর্মে প্রচার করে। পিবিআই অপরাপর আসামী গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

12/12/2024

বিশ্বনাথের লিলু মিয়ার হত্যার রহস্য উন্মোচনসিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার নওধার পাড়ার আলোচিত লিলু মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই, সিলেট জেলা।

গত ১৪/০৮/২০২৪খ্রি. স্থানীয় মসজিদে প্রতিদিনের ন্যায় এশার নামাজ আদায় শেষে বাড়ী ফিরছিলেন এলাকার প্রভাবশালী ধার্মিক ও পরোপকারী লিলু মিয়া(৪৮)। কিন্তু ঘূর্ণাক্ষরেও জানতেন না পথে অপেক্ষা করছে জমদূত। বাড়ীর কাছে রাত ০৮.৩০ মিনিটের দিকে পৌঁছামাত্র অন্ধকারে ঝোপের আড়ালে ওৎপেতে থাকা দূস্কৃতিকারীরা নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে লিলু মিয়াকে। উক্ত ঘটনায় লিলু মিয়ার স্ত্রী তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। বিশ্বনাথ থানার মামলা নং-০৯, তারিখ-১৬/০৮/২০২৪খ্রি. ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড। বিশ্বনাথ থানা পুলিশ কিছুদিন তদন্ত করার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর আদেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে।

পিবিআই প্রধান জনাব মো: মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশণায়, পিবিআই সিলেট জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান এর নেতৃত্ত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম মোল্লার তদন্তে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় একে একে গ্রেফতার করা হয় হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী ১. আফজল আলী(২৬), পিতা-মদরিছ আলী, সাং-নওধার, থানা-বিশ্বনাথ, জেলা-সিলেট এবং ২. মাহাবুবুর রহমান(২২), পিতা-খলিলুর রহমান, সাং-ধোপাখালী, থানা-সুনামগঞ্জ সদর, জেলা-সুনামগঞ্জকে। গত ০৮/১২/২০২৪খ্রি. গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই টিম নিয়ে দোয়ারাবাজার থানা এলাকা থেকে আসামী মাহাবুবুর রহমানকে গ্রেফতার করে ০৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদকালে আসামী মাহাবুব আলোচিত লিলু মিয়া হত্যাকান্ডে নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং অপরাপর আসামীদের নাম ও ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করে। আসামীকে সাথে নিয়ে পিবিআই টিম ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে আসামীর দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রামদা ঘটনাস্থল সংলগ্ন নওধার খাল থেকে উদ্ধার ও জব্দ করে। পাশাপাশি আসামী মাহাবুবের ঘটনার সময় ব্যবহৃত ও ফেলে যাওয়া স্যান্ডেলও উদ্ধার করে। আসামী মাহাবুব সিলেট জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো: ওমর ফারুক এর আদালতে গত ১১/১২/২০২৪খ্রি. ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। নওধার গ্রামের কিছু চিহ্নিত অপরাধীর সাথে পেশাদার ছিনতাইকারী আসামী মাহাবুবের জেলখানায় পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সূত্রধরে নওধার গ্রামের অপরাধীরা মাহাবুবকে সঙ্গে নিয়ে নৃশংস এই হত্যাকান্ড সংঘটন করে মর্মে বিজ্ঞ আদালতে সে স্বীকারোক্তি দেয়। পিবিআই সিলেট বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

Address

Sylhet
3100

Telephone

+8801320030749

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PBI Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to PBI Sylhet:

Shortcuts

Share