Mustafizur Rahman Mustak

Mustafizur Rahman Mustak প্রভু .....
তুমি জান্নাতে ....
একটা ঘর বানি?

12/06/2021

১. কুমিল্লা ৫, বুড়িচং-ব্রাম্মণপাড়া আসনে এডভোকেট আবুল হাসেম খান কে আওয়ামী লীগের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। উনিই এমপি হবেন, এটা বলা বাহুল্য।

সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এডভোকেট আবুল হাশেম খান বুড়িচং থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন, যা আজকের বাংলাদেশের নির্বাচন বাস্তবতায় বিরলতম ঘটনা।

এটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে- এডভোকেট সাহেব যদি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাশ করে যেতেন, আজকের মনোনয়ন তিনি পেতেন না। তার সেদিনের আক্ষেপই আজকে তার জন্য খুশির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

মানুষের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে থাকে, যা চর্মচক্ষুর দেখায় তার জন্য অপ্রাপ্তির, কষ্টের, মনোবেদনার। কিন্তু এই অপ্রাপ্তিই হয়তো তার ভবিষ্যৎ কোন বৃহৎ প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচক।

২. বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্টের আগেই একটা কলেজে লেকচারারশিপ পেয়ে গিয়েছিলেন। মাস্টার্সে সামান্যের জন্য সেকেন্ড ক্লাস মিস হয় উনার; ফল স্বরূপ কলেজের চাকুরীটা চলে যায়। বিধাতা আর ভাগ্যের উপরে তিনি যখন প্রচন্ড হতাশ ও ক্ষুব্ধ; একজনের পরামর্শে আইন পড়েন, পরবর্তীতে দেশের প্রধান বিচারপতি ও তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাও হয়েছিলেন। যদি ঐদিন তিনি সেকেন্ড ক্লাস পেয়ে যেতেন, তার কোনদিন জানা হতো না বিধাতা ও ভাগ্য অপ্রাপ্তির আবরণে ঢেকে কি অসাধারণ উপহার তার জন্য সাজিয়ে রেখেছিলেন।

৩. "হতে পারে তোমরা এমন কিছু অপছন্দ করো, যা মূলত তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আবার তোমরা এমন কিছু পছন্দ করো, যার মধ্যে মূলত অকল্যাণ নিহিত আছে। বস্তুত আল্লাহ যা জানেন, তোমরা তা জানো না।" -বাক্বারাহ ২১৬

সংগৃহীত

12/06/2021

“যার সম্পদ যত কম তার হিসাব তত সহজ”
==============================

এক মাদ্রাসার ছাত্র তার হুজুরকে প্রশ্ন করল,
"হুজুর,
হাশরের দিন বান্দার হিসাব-নিকাশ কেমন হবে?"
ছাত্রের কথা শুনে হুজুর কিছুক্ষণ বসে থাকলেন। তারপর নিজের পকেট থেকে কিছু টাকা বের করলেন সেই টাকা ছাত্রদের মধ্যে নিম্নরুপে বন্টন করে দিলেন -
১ম জনকে দিলেন - ১০০ টাকা
২য় জনকে দিলেন - ৭৫ টাকা
৩য় জনকে দিলেন - ৫০ টাকা
৪র্থ জনকে দিলেন - ২৫ টাকা
৫ম জনকে দিলেন - ১০ টাকা
৬ষ্ট জনকে দিলেন - ৫ টাকা
এবং প্রশ্নকারী ছাত্রকে দিলেন মাত্র ১ টাকা।
প্রশ্নকারী ছাত্র মাত্র এক টাকা পাওয়ায় তার মন খারাপ হয়ে গেল।
হুজুরের এমন অসম বন্টনে সে ভীষণ কষ্ট পেলো।
সে মনে মনে ভাবল, হুজুর তাকে সবার সামনে এভাবে অপমান করলেন কেন?
এদিকে হুজুর টাকা বন্টন শেষে সেই ছাত্রের মন খারাপের বিষয়টা টের পেলেন।
তিনি সব ছাত্রদের মাঝে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, আজ তোমাদের ছুটি!
তোমাদের যেই টাকা দেওয়া হল সেটা পুরোপুরি খরচ করবে এবং আগামি সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মাদরাসার রান্নাঘরে সকাল ১০ ঘটিকায় তোমরা উপস্থিত হয়ে হিসাব দেবে।
সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাত্ররা সবাই উপস্থিত হলো।
হুজুর আগ থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন হুজুর সবাইকে উপস্থিত দেখে খুশী হলেন।
সবাই আসার পর হুজুর বললেন,
তোমরা ১জন করে এই তাওয়াইতে (কড়াই) দাড়িয়ে আমার দেওয়া টাকা কোথায় কোথায় খরচ করেছো,
তার হিসাব দিবে।
প্রথমে এগিয়ে এল সে ছাত্র, যাকে ১০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
সে তাওয়াই-এ দাড়ানোর পর হুজুর তাকে প্রশ্ন করলেন আমার দেওয়া টাকা তুমি কিভাবে খরচ করেছ তার হিসাব দাও।
এমনিতেই আগুনে উতপ্ত তাওয়া তার উপর খালি পা। ছাত্র এক পা নামায়, আরেক পা তুলে।
এভাবে অনেক কষ্টে তাওয়াই দাড়িয়ে হিসাব দিতে লাগল।
১০ টাকায় এটা কিনেছি, ২০ টাকায় এটা কিনেছি, এভাবে অনেক কষ্ট সহ্য করে হিসাব দিল সে।
তারপর এলো যাকে ৭৫ টাকা দিয়েছিলেন,
তার হিসাব দেওয়ার পালা।
এভাবে ধারাবাহিকভাবে সবাই নিজেদের টাকা খরচের হিসাব উত্তপ্ত তাওয়াইতে দাড়িয়ে দিয়ে গেল।
সবার শেষে সে ছাত্র এলো যাকে ১ টাকা দিয়েছিল।
সে হাসিমুখে দৌড়ে এসে তাওয়াই-এ দাড়িয়ে তার ১ টাকার হিসাব দিয়ে হুজুরের সামনে দাড়ালো,
বাকিরা তখন পোড়া পায়ে পানি ঢালছে, তখন সে দাড়িয়ে হাসছে।
তখন হুজুর বললেন, এই হলো হাশরের মাঠের হিসাবের একটি নমুনা।
যার ক্ষমতা ও সম্পদ যত কম তার হিসাব তত সহজ।
হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদের হিসাবকে সহজ করে দিন। আমী-ন।
সংগৃহীত

জনৈক :- আঙুর খাওয়া কি হারাম?শায়েখ :- না।জনৈক :- সেই আঙুর যদি রস (জুশ) তৈরা করে খাই তবে কি হারাম?শায়েখ :- না।জনৈক :- সেই ...
09/06/2021

জনৈক :- আঙুর খাওয়া কি হারাম?

শায়েখ :- না।

জনৈক :- সেই আঙুর যদি রস (জুশ) তৈরা করে খাই তবে কি হারাম?

শায়েখ :- না।

জনৈক :- সেই রসের সাথে আরো ফলের রস যুক্ত করে যদি খাই?

শায়েখ :- খাওয়া হালাল হবে।

জনৈক :- উক্ত রস যদি কিছু দিন সংরক্ষণ করে রাখি তারপর তা ( মদ বানিয়ে) খাই তখন কেন হারাম হবে?

শায়েখ :- আপনার গায়ে মাটি দিলে কী হবে?

জনৈক :- ময়লা হয়ে যাবে।

শায়েখ :- মাটি যদি কাদা বানিয়ে গায়ে দিই তবে?

জনৈক :- তবে শরীরে কাদা মেখে যাবে।

শায়েখ :- সেই কাদা যদি কিছু দিন রোদে শুকিয়ে তারপর আগুণে পুড়িয়ে ইট তৈরি করে আপনার মাথার উপরে মারি তখন?

জনৈক :- আশ্চর্য! আপনি কী আমাকে কতল (হত্যা) করবেন নাকি?

শায়েখ :- মাটি থেকে পুড়ানো ইট যেমন একজন মানুষ মারতে পারে। তেমনি ফলের রস সংরক্ষণ করে মদ বানিয়ে খেলে মস্তিষ্ক বিকৃতি করতে পারে। সুতরাং মদ হারাম।

__________

সংগৃহীত

05/06/2021

সোনার হরফে লিখে রাখার মতো :

১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে প্রতারণা করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা কঠিন বিপদের সম্মুখিন হয়েছিলেন।

২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।

৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসার আর কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার শেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ ) মাছের পেটের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন।

৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন, হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল।

৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায় কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ) আপনার চেয়েও হাজার গুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।

৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরন করুন, হযরত আদম (আঃ) কে, যাকে প্রথমে একাকী সঙ্গীবিহীন সৃষ্টি করা হয়েছিল।

৭) যখন কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি অবস্থার পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন কোন প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হযরত নুহ (আঃ) এর কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরি করেছিলেন।

৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।

আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই পরীক্ষায় ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য ধারন করতে পারে।

কাজেই ধৈর্য ধরুন ধৈর্য ধরুন এবং ধৈর্য ধরুন। আর নিশ্চিত ভাবে জেনে রাখুন ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য ধারনকারীদের সাথেই আছেন’।

সংগৃহীত

05/06/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ।

নীতিবাক্য শুনতে শুনতে আমরা একবারেই অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। তার পরেও শুনছি আর শুনছি । ইচ্ছায় হউক আর অনইচ্ছায় ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকলেই তা দেখতে বা শুনতে হচ্ছে । কিন্তু যারা এসব দেখাচ্ছি বা শুনাচ্ছি তারা কি মানছি বা আমল করছি। যদি না করি তাহলে কি পবিত্র কোরআন এর হুকুম অমান্য করছি আবশ্যই।
"আল্লাহ বলেন- তোমরা এমন কোন কথা বলনা বা কাজ করনা যা তোমরা নিজে করনা। এটা আল্লাহর কাছে খুব খারাপ লাগে ।"

তাই আসুন কথা কম বলি ও উপদেশ কম দেই। যা বলি বা করতে বলি নিজেই আগে করি বা মানি।

উপদেশ বানি
বিবেক কে সুস্থ রাখুন:

★৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলতে পারি,
কিন্তু এসি ছাড়া তারাবীহ নামাজ পড়তে পারি না!

★রেস্টুরেন্টে খেয়ে ওয়েটারকে ১০০ টাকা বকশিস দিতে পারি,
কিন্তু রেস্টুরেন্টের সামনে রৌদ্রে দাড়িয়ে থাকা ভিক্ষুকটিকে ১০ টাকা দিতে পারি না!

★ বাড়ির দারোয়ান কে ৭ হাজার টাকা বেতন দিতে পারি,
কিন্তু মসজিদের ইমাম সাহেবের ৩০০ টাকা বেতন দিতে পারিনা!

★ঈদের শপিং এ নিজের বাচ্চার জন্য ১০ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি,
কিন্তু বাড়িতে কাজের মেয়েটির জন্য ১ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি না!

★শপিং মলে মানসম্মানের ভয়ে দরাদরি না করে ১ হাজার টাকার জিনিস দেড় হাজার টাকায় কিনতে পারি,
কিন্তু তরকারি বাজারে ৩০ টাকার টমেটো ৩২ টাকা চাইলেই বিক্রেতাকে মেরে বসি!

★২০০ টাকার বাস ভাড়া ২০০০ টাকা দিয়ে কার নিয়ে যেতে পারি,
কিন্তু রিক্সাওয়ালা ১০ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই থাপ্পর দিতে দেরি করি না!

★শরীর পরিস্কার রাখার জন্য হাজার টাকার সাবান/ ফেইসওয়াস ব্যবহার করতে পারি,
কিন্তু সম্পদ পরিস্কার/পবিত্র করার জন্য দরিদ্রকে
যাকাত দিতে পারি না!

কোথায় মানবতা, কোথায় মনুষত্ব? সবকিছুই করার চেষ্টা করি সাধ্যের মধ্যে ।
সংগৃহীত

22/05/2021
ভদ্রলোকের নাম 'রেমন্ড জোন্ডু' ( Raymond Zondo) । তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতি। ক'দিন আগে এ পদে নিয়োগের  জন্য তাঁ...
21/05/2021

ভদ্রলোকের নাম 'রেমন্ড জোন্ডু' ( Raymond Zondo) । তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতি। ক'দিন আগে এ পদে নিয়োগের জন্য তাঁর একটি ইন্টারভিউ হয়, সেখানে তিনি নিজের জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

অভিজ্ঞতাটি কী?
(বাংলায় অনুদিত)....
রেমন্ড (পরে বিচারপতি) যখন কলেজ শেষ করেন, তখন তাঁর পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার অবস্থা। কারণ বাড়িতে আয় করার মতো কেউ নেই। একমাত্র উপার্জনকারী মায়ের রোজগারও বছর দুয়েক আগে বন্ধ হয়ে গেছে। পড়ালেখার খরচ তো দূরের কথা, খাওয়া খরচ জোগাড় করাও মায়ের পক্ষে সম্ভব নয়। তরুণ রেমন্ড দুয়ারে দুয়ারে কড়া নাড়লেন, কেউ সাড়া দিল না বরং সবাই তাঁকে বললো, পড়ার চিন্তা বাদ দিয়ে কোন কাজ খুঁজে নাও। আগে ফ্যামিলি বাঁচাও। কিন্তু রেমন্ড জোন্ডু কারো কথায় থেমে যাওয়ার পাত্র নন। স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ভবিষ্যত প্রধান বিচারপতির জন্ম হয়নি। কোথাও সাহায্য না পেয়ে তিনি হাত পাতলেন বাজারের এক অপরিচিত ভারতীয় মুদি দোকানদারের কাছে। ভদ্রলোকের নাম মুসা।
মুদি দোকানী অপরিচিত যুবকের সমস্যা শুনলেন। তারপর কোন যাচাই বাছাইয়ে না গিয়ে শুধু জিজ্ঞেস করলেন, তুমি পড়তে চাও? তার জন্য টাকা দরকার?
হ্যাঁ , আমি পড়তে চাই- চোখে অন্ধকার নিয়ে রেমন্ড উত্তর দিলেন। মুদি দোকানী বললেন, ঠিক আছে, আমি সাহায্য করবো। তবে আমি নগদ টাকা দিতে পারবো না। তোমার মাকে বলবে, তিনি যেন প্রতি মাসে একদিন আমার দোকানে এসে তাঁর যা যা লাগে সব নিয়ে যান। আমি হিসেব রাখবো, পরে তুমি দাঁড়িয়ে গেলে শোধ করে দেবে।

পড়ালেখা শেষ করে যেদিন রেমন্ড জোন্ডু নিজ পায়ে দাঁড়ালেন, সেদিন তিনি দোকানী মুসা সাহেবের কাছে গেলেন। বললেন, আপনার ঋণ শোধ করার সামর্থ্য আমার হয়েছে। আমি কিভাবে তা শোধ করবো? বাজারের সামান্য দোকানদার তখন জগতের সেরা উত্তরটি দিলেন--
"Just do to others, what I have done to you"--- অর্থাৎ "আমি তোমার জন্য যা করেছি, তুমি অন্যদের জন্য তাই করো"। শেষ কথাগুলো বলার সময় ইন্টারভিউ বোর্ডেই রেমন্ড আবেগাপ্লুত হয়ে চোখের পানি মুছলেন।

আমাদের আশেপাশে এমন বহু 'রেমন্ড' আছেন। আছেন জনাব মুসার চেয়ে হাজারও বিত্তশালী ব্যক্তি। আমরা কি পারিনা এই ধরণের 'রেমন্ড'দের পাশে দাঁড়িয়ে জনাব মুসার মতো গর্বিত হতে?

(সংগৃহীত)

13/05/2021

ছোট বেলার ঈদ ছিল চিন্তাহীন আনন্দের।।। এখন সময়ের সাথে সাথে এখনকার ঈদ আসা মানে একগুচ্ছ দায়িত্ব।। আলহামদুলিল্লাহ দায়িত্বের মাঝেও ঈদ আনন্দের।। ঈদ নিয়ে কিছু শুদ্ধাচার পালন করি চলুন। সবাইকে ঈদ মোবারক
#পবিত্র_ঈদুল_ফিতরের_কয়েকটি_শুদ্ধাচার_অনুশীলন_করুন।

#ঈদ উদযাপন করুন পরিবার, প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের সান্নিধ্যে। উৎসবের এই সুখস্মৃতি আপনার ভালো থাকার জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

#খেয়াল রাখবেন, ঈদের পুরোটা দিন পরিবারের মহিলা সদস্যদের যেন রান্নাঘরেই ব্যস্ত থাকতে না হয়। অতিথি আপ্যায়ন, খাবার পরিবেশন এবং আনুষঙ্গিক কাজে পরিবারের সবাই সহযোগিতা করুন।

#ঘুমিয়ে বা টিভি/ স্ক্রিনের সামনে বসে সারাদিন কাটিয়ে দেবেন না।
আপ্যায়নে আন্তরিক হোন। তবে মাত্রাতিরিক্ত ও লোক-দেখানো আয়োজন থেকে বিরত থাকুন।

#ঈদ সালামি দেয়া ও নেয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসুন। সালামির নামে শিশুদের হাতে টাকা চলে গেলে আপনার শিশু লোভী ও অপচয়কারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

#ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর (ফার্নিচার, গহনা, ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ইত্যাদি) কেনাকাটায় ব্যস্ত হবেন না। ডিসকাউন্ট বা মূল্যহ্রাসের ফাঁদে পা দেবেন না।

#ঈদের দিনকে কেন্দ্র করে শুধু স্বামী-স্ত্রী বা বন্ধুরা মিলে বিদেশে বেড়াতে যাওয়া বা দেশেই কোনো রিসোর্টে ঈদের ছুটি কাটানোর ভ্রান্ত মানসিকতা পরিহার করুন। বয়োবৃদ্ধ মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়ি এবং আত্মীয়স্বজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিন।

বিঃদ্রঃ
উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ মেসেজটি সবাই সবার মাঝে শেয়ার করে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

30/04/2021

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।
সংগৃহীত

15/04/2021

কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।

কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন! ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি। কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।

কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে। কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!

কেউ বছরে কতোজন ভালবাসার মানুষ বদলে ফেলছে! কেউ শুধু একটা সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে চলছে।

কেউ দামি শাড়ি হাতে পেয়ে তবু খুশি নয়! কেউ তাঁতের নতুন শাড়ির বারবার গন্ধ শুঁকছে।

কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা! কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে।

কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! হিমেল হাওয়ায় কেউ অঘোরে ঘুমোচ্ছে।

কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে
করছেনা। কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!

কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো? কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।

সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! জীবনের নিজস্ব আলাপনে, বাস্তবতার হাত ধরে!!

Collected

09/04/2021

সময় থাকলে অাপনিও পড়তে পারেন

একজন প্রবীণ মহিলা বাসে উঠে বসল। পরের স্টপে একজন শক্ত সমর্থ যুবতী উঠে এসে বৃদ্ধা মহিলার পাশে বেশকিছু ব্যাগ নিয়ে ঠেলে ঠুলে বসে পড়ল।

যুবতীটি যখন দেখল যে বয়স্কা মহিলা চুপ করে রয়েছেন, তখন সে বৃদ্ধা মহিলাকে জিজ্ঞাসা করল যে সে যখন ব্যাগ নিয়ে চেপে চুপে বসল তখন তিনি কেন অভিযোগ করলেন না।

প্রবীণ মহিলা হাসি দিয়ে জবাব দিলেন: '' এত তুচ্ছ কিছু নিয়ে আলোচনা করার দরকার নেই, কারণ তোমাকে পাশে নিয়ে আমার ভ্রমণটি খুব ছোট কারণ আমি পরের স্টপে নেমে যাচ্ছি। "

এই উত্তরটি সোনার অক্ষরে লেখার দাবিদার: "এত তুচ্ছ কিছু নিয়ে আলোচনা করার দরকার নেই, কারণ আমাদের একসাথে যাত্রা খুব ছোট"।

আমাদের প্রত্যেককে বুঝতে হবে যে এই পৃথিবীতে আমাদের সময়টি এতটাই স্বল্প, যে সংগ্রাম, অনর্থক যুক্তি, হিংসা, অন্যকে ক্ষমা না করা, অসন্তুষ্টি এবং অবিরাম আবিষ্কারের মনোভাবটা দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া 'সময় এবং শক্তির' একটি হাস্যকর অপচয়।

কেউ কি আপনার হৃদয় ভেঙেছে? শান্ত থাকুন,
ট্রিপটি খুব ছোট।

কেউ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, ভয় দেখিয়েছে, ঠকিয়েছে বা অপমান করেছে? আরাম করুন। মাফ করে দিন। ট্রিপটি খুব ছোট।

কেউ আপনাকে বিনা কারণে অপমান করেছে? শান্ত থাকুন, এড়িয়ে যান কারণ ট্রিপটি খুব ছোট।

কোন সাক্ষাতে আপনার বন্ধু আপনি যা পছন্দ করেন না এমন কোন মন্তব্য করেছিলেন? শান্ত থাকুন, তাকে উপেক্ষা করুন, মাফ করে দিন কারণ ট্রিপটি খুব ছোট।

কেউ আপনার জন্য যে সমস্যাই নিয়ে আসুক না কেন, মনে রাখবেন যে একসাথে আমাদের যাত্রা খুব ছোট।

এই ভ্রমণের দৈর্ঘ্য কেউ জানে না। এটি কখন থামবে তা কেউ জানে না। আমাদের একসাথে ভ্রমণ খুব ছোট

সংগৃহীত

Address

Satany Sribordi
Sribordi
2130

Telephone

+8801712379517

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mustafizur Rahman Mustak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mustafizur Rahman Mustak:

Share

Category