ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী

  • Home
  • Bangladesh
  • Sonagazi
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী নো আওয়ামিলীগ, নো বিএনপি, ইসলাম ইজ দ্যা বেস্ট।

আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোন না কোন পথ খুলে দিবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান কর...
12/09/2026

আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোন না কোন পথ খুলে দিবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান করবেন, যা সে ভাবতেও পারেনা। আর যে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবে, তিনি তো তার জন্য যথেষ্ট হবেন।
(সূরা আত তালাক, আয়াত ২-৩)

অসুস্থ মাওলানা শাহজালালকে দেখতে যান ইসলামী আন্দোলন জেলা সভাপতি প্রিন্সিপাল নুরুল করিমচরচান্দিয়া নবী উল্লাহ বাজার দারুসসা...
11/09/2026

অসুস্থ মাওলানা শাহজালালকে দেখতে যান ইসলামী আন্দোলন জেলা সভাপতি প্রিন্সিপাল নুরুল করিম

চরচান্দিয়া নবী উল্লাহ বাজার দারুসসালাম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা শাহজালাল আনোয়ারী বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। আজ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টায় তিনাকে দেখতে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল করিম। এসময় জেলা সভাপতি মাওলানা শাহজালাল সাহেবের শারিরীক অবস্থান সম্পর্কে সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং পরীক্ষানিরীক্ষার রিপোর্ট দেখেন।। এবং চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সোনাগাজী উপজেলা সভাপতি ও ৬ নং চরচান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুফতী আবদুর রহমান ফরহাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা কারী ইসমাইল, সেক্রেটারি হাফেজ হিজবুল্লাহ, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রাশেদ ইকবাল রাজু, ৬নং চরচান্দিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, সেক্রেটারি মাওলানা ইব্রাহিম মিয়াজি, চরচান্দিয়া ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী জনাব ওয়ালি উল্লাহ মামুন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা সভাপতি মাস্টার আবদুল আলী, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা দক্ষিণ শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম সালমান, সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ আবদুর রহমান জাবের প্রমুখ।

বার্তা প্রেরক-
মাওলানা আবদুল্লাহ আল আয়মান
প্রচার সম্পাদক,
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সোনাগাজী উপজেলা।

বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভশরীয়াহ বিরুদ্ধ আইনের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক করা হচ্ছে, সমাধান না হলে গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে-ইসলামী ...
11/09/2026

বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ

শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইনের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক করা হচ্ছে, সমাধান না হলে গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে
-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে হেবা সংক্রান্ত বিধানে সরকার এমন একটি সংশোধন এনেছে যা ইসলামের বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, এই আইনের উদ্দেশ্য ও পরিনতি ইসলামের অকাট্য উত্তারাধিকার আইনকে বাইপাস করা, উপেক্ষা করা। একজন মুসলমান প্রাত্যহিক জীবনে নানা অপারগতায় শরীয়াহর কোন কোন বিধান মান্য নাও করতে পারেন; সেটা মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমাযোগ্য অপরাধ। কিন্তু শরীয়াহর কোন বিধানকে উপেক্ষা করা বা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আইন করা মহান আল্লাহর সাথে ধৃষ্টতা দেখানোর শামিল। বাংলাদেশের মতো একটি দেশ যেখানে ৯১% মুসলমান সেই দেশে মহান আল্লাহর সাথে এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ কোন সরকারকে দেয়া হবে না।

আজ ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দেশের সকল বিভাগীয় শহরে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬ এর বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নেতৃবৃন্দ এই বার্তা দেন।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারকে অবশ্যই এই আইন থেকে সরে আসতে হবে। কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হতে দেয়া হবে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবীন নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায়, পিতা-মাতার স্বার্থ রক্ষায় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে। শিশুদের মনে পিতা-মাতার সম্মান সম্পর্কে ইসলামের বয়ান গ্রোথিত করে দিতে হবে এবং পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে সরকারকে স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনের প্রয়োগ করতে হবে।

চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর , ময়মনসিংহ, রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের ছয়মাস অতিক্রান্ত হচ্ছে। এই ছয়মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় কোন ধরণের সফলতা দেখাতে পারে নাই। দক্ষতা দেখাতে পারছে না। ফলে জ্বালানি সংকট, বিদ্যুত সংকট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, সন্ত্রাসে বিপর্যস্ত হচ্ছে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতেই হবে।

10/09/2026

আগামীকাল ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকল বিভাগীয় শহরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা।
Islami Andolan Bangladesh

“হেবা আইনের বিতর্কিত সংশোধন প্রসঙ্গে শরীয়াহ ও আমাদের অবস্থান” শীর্ষক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এরসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত। ল...
10/09/2026

“হেবা আইনের বিতর্কিত সংশোধন প্রসঙ্গে শরীয়াহ ও আমাদের অবস্থান” শীর্ষক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর
সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

লিখিত বক্তব্য -

নাহমাদুহু ওয়ানু সল্লি আলা রাসুলিহিল কারীম, আম্মাবাদ

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করতে হয়েছে। যে দেশের প্রায় সকল মানুষ ধর্মপ্রাণ এবং অধিকাংশ মানুষ মুসলমান সেই দেশের সরকার ধর্ম ও ইসলামবিরুদ্ধ কোন আইন জাতীয় সংসদে পাশ করতে পারে এটা কল্পনা করাও কষ্টকর। বিশেষত এমন একটা সরকার যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ সংগ্রাম ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত পথ মাড়িয়ে ক্ষমতায় এসেছে।

আমাদের আহবানে আপনারা এসেছেন সেজন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
ঘটনা প্রবাহ আপনারা জানেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার সংসদে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের একটি সংশোধনী আনা হয়। সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬ নামে আইনটি কন্ঠভোটে পাশ করা হয়। এই আইনে কুরআনে বর্ণিত ইসলামের অকাট্য একটি বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এই ক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান, তাদের ধর্মীয় বিধান পালনে সহায়তা করতে রাষ্ট্র বাধ্য। সংবিধানের ধারা-৪১ এ প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। ফলে সরকার কখনোই এমন কোন আইন করতে পারে না যা নাগরিকের ধর্ম পালনে বাঁধা সৃষ্টি করে।

এছাড়া বর্তমান সরকারও কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করবে না বলে বারংবার অঙ্গিকার করেছে। কিন্তু সরকারের ছয়মাস যেতে না যেতেই সরকার শরীয়াহ বিরোধী আইন পাশ করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা করছে এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সাথে দাবি জানাচ্ছে যে, অবিলম্বে এই আইন বাতিল করতে হবে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
সংসদে পাশ হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২ এর সংশোধনকল্পে আনীত “সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬” আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ শিরোনামে আইনমন্ত্রীর দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতির পাশাপাশি আরেকটি পদ্ধতি যোগ করতে এই আইন করা হয়েছে।

প্রথমতঃ এখানে পরিস্কার করে বলে রাখা দরকার যে, সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি ইসলামী শরীয়াহতে বিস্তারিত বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা উত্তরাধিকার আইনকে যত বিস্তৃতভাবে বর্ননা করেছেন তা অন্য আর কোন বিধানের ক্ষেত্রে করেন নাই। সম্ভাব্য সকল প্রকার ও পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে পরিবারের প্রথম স্তর (সন্তান ও তৎসম্পর্কিত), ২য় স্তর (বাবা-মা, ভাই-বোন ও তৎসম্পর্কিত), ৩য় স্তর (দাদা-চাচা ও তৎসম্পর্কিত) সহ সকলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উত্তরাধিকার বন্টনের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বন্ধন ও দায়িত্ববোধ বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে এখানে নতুন করে কোন পদ্ধতি সংযোজন করার দরকার নাই, সুযোগও নাই।

দ্বিতীয়তঃ এমন আইন করার প্রয়োজন হলো কেন? এই আইনের কারণ ব্যাখ্যায় মন্ত্রীদের বক্তব্যে যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে তাহলো, শরীয়াহ নির্দেশিত উত্তরাধিকার আইনকে এড়িয়ে সন্তানদের জন্য সম্পত্তি এককভাবে নির্দিষ্ট করা নিমিত্তে “হেবা”র অপব্যবহারে সৃষ্ট একটি সমস্যার সমাধান সরকার করতে চাইছে। ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে কোন কোন পরিস্থিতিতে সম্পত্তি সন্তানদের বাইরেও ভাই, চাচা,দাদা ও অন্যান্যদের অধিকারে পরিনত হয়। তেমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের বাইরের অন্যদের বঞ্চিত করতে সন্তানদের নামে সম্পত্তি “হেবা” করার একটি প্রবনতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান।

শরীয়াহর উত্তরাধিকার আইনকে বাইপাস করার এই প্রবনতার একটি গ্রাহ্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হলো, যেই সন্তানের জন্য শরীয়াহকে বাইপাস করা হচ্ছে সেই সন্তানই “হেবা”সূত্রে সম্পদের মালিক হয়ে বাবা-মাকে সম্পদের ভোগ থেকে উচ্ছেদ করছে।
এই উচ্ছেদ করা অনেক ক্ষেত্রেই মানবিক প্রশ্ন তৈরি করে। বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মাকে গৃহহীন হতে হচ্ছে, মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এই মানবিক প্রশ্নের সমাধান করা জরুরী।

কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা শরীয়াহকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট। তাই এই সমস্যা সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করে “হেবা”র বিধানে পরিবর্তন করা যাবে না। সেই অধিকার ইসলাম কাউকে দেয় নাই। বরং সর্বত্র শরীয়াহ মান্য করার মানসিকতা রাখতে হবে।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ!
এখানে একটা বিষয় পরিস্কার করা জরুরী। সরকার বলছে, হেবা সংক্রান্ত আইন বহাল থাকবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দান বা গিফটের আরেকটি পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে। এখানে দুইটা বিষয়। এক-একটি মুসলিম দেশে শত বছর ধরে প্রচলিত একটি শরীয়াহ সমর্থিত আইনকে বাইপাস করার সুযোগ রাষ্ট্র কেন তৈরি করবে? মুসলিম হিসেবে শরীয়াহ আইন মানার সুযোগ তৈরির বদলে শরীয়াহ আইনকে এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ আমরা তৈরি করতে দিতে পারি না।

দুই, জীবনসত্ব রেখে যে হেবা করার সুযোগ রাখা হচ্ছে তা আদতে হেবা হচ্ছে না। সেটা অসিয়ত হচ্ছে। কিন্তু ওয়ারিসদের জন্য কোন অসিয়ত নাই। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তাঁর প্রাপ্য অধিকার দিয়ে দিয়েছেন, সুতরাং কোনো ওয়ারিশের জন্য অসিয়ত নেই (সুনানে তিরমিযি: ২১২০)।

আরেক হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ নির্ধারিত উত্তরাধিকার বাতিল করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের উত্তরাধিকার বাতিল করে দেন। (সুনানে সাঈদ বিন মানসূর, পৃ. ১১৮, হাদীস ২৮৫; মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, খ. ১৬, পৃ. ২১৫, বর্ণনা ৩১৬৬৮)

মানে হচ্ছে এই আইনের মাধ্যমে মানুষকে এমন একটা সুযোগ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে, যার ব্যবহারে মানুষের জান্নাতের উত্তরাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুগ সেরা উলামায়ে কেরাম রয়েছেন। এই আইনের বিষয়ে উলামায়ে কেরাম আগেই ভিন্নমত পোষন করেছেন।
সেখানে শরীয়াহ সংক্রান্ত একটি বিষয়ে খ্রিষ্টান পন্ডিতদের রেফারেন্স ব্যবহার করে শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইন প্রণয়ন করা দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য ও জ্ঞানীয় সম্পদের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা। এর মাধ্যমে সরকার দেশের উলামাদের অপমান করেছে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
হেবার পরে সম্পত্তি থেকে বাবা-মাকে উচ্ছেদের ঘটনা রোধ করতেই হবে। সেজন্য আমাদের সমাজে, সংস্কৃতিতে ও শিক্ষায় বাবা-মায়ের প্রতি সন্মানের ধারণাকে গ্রোথিত করতে হবে। ইসলামের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুবয়সেই ধর্মীয় চেতনা জাগরুক করতে হবে। আমাদের ঐহিত্য অনুসারে একান্নবর্তী পরিবারের ধারণা আবারো ফিরিয়ে আনতে হবে।

একই সাথে বাবা-মায়ের প্রতি কর্তব্য অবহেলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনা করে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই বাবা-মা সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চান না। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সমস্যা সমাধানের অনেক উপায় আছে। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে শরীয়াহকে আরেকবার অমান্য করা যায় না।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
আইনমন্ত্রীকে কথাবার্তায় আরো মার্জিত হতে হবে। এই আইন নিয়ে তিনি যেভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন তা শোভনীয় না। তিনি ব্রিটিশ ও পশ্চিমা আইনে বিজ্ঞ হতে পারেন কিন্তু শরীয়াহ্ আইন ও তার তৎপরতা নিয়ে তার চেয়ে উলামায়ে কেরামের প্রাজ্ঞতা বেশি। ফলে শরীয়াহ সংক্রান্ত বিষয়ে উলামায়ে কেরামের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া উচিৎ।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
সরকারকে বলবো, দেশে বহুবিদ সমস্যা রয়েছে। নিত্যদিনের সমস্যায় মানুষ জর্জরিত। বেকারত্ব বাড়ছে। দ্রব্যমূল্য লাগাম হারিয়েছে। সন্ত্রাসে তটস্থ হচ্ছে মানুষ। বিদ্যুতের সংকটে নাজেহাল জনতা। এমন বাস্তবভিত্তিক সমস্যার সমাধান না করে সরকার শরীয়াহ বিরুদ্ধতায় নেমে যাওয়া জাতির জন্য হতাশাজনক।

আমরা সরকারের সদিচ্ছার প্রতি সুধারণা রাখছি। সম্ভবত গভীরভাবে না ভেবেই আইনটি আনা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে বলবো, আইনটি নিয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করুন। উলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সাথে পরামর্শ করুন। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনুন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের নামে কোন অবস্থাতেই শরীয়াহ অমান্য করা যাবে না।

কর্মসূচী:
১. আগামীকাল ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকল বিভাগীয় শহরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল।

মা'য়াসসালাম:
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়েখ চরমোনাই)
সিনিয়র নায়েবে আমীর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
Islami Andolan Bangladesh

10/09/2026
আগামী বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন এবং সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা।‌শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইন বাতিল করতে হবে-মাওলানা গাজী...
08/09/2026

আগামী বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন এবং
সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা।‌

শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইন বাতিল করতে হবে
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান, তাদের ধর্মীয় বিধান পালনে সহায়তা করতে রাষ্ট্র বাধ্য। বর্তমান সরকারও কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করবে না বলে বারংবার অঙ্গিকার করেছে। কিন্তু সরকারের ছয়মাস যেতে না যেতেই সরকার শরীয়াহ বিরোধী আইন পাশ করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা করছে এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সাথে দাবি জানাচ্ছে যে, অবিলম্বে এই আইন বাতিল করতে হবে।

আজ ৮ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বিকালে পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই দাবি জানান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুগ সেরা উলামায়ে কেরাম রয়েছে। এই আইনের বিষয়ে উলামায়ে কেরাম আগেই ভিন্নমত পোষন করেছেন। সেখানে শরীয়াহ সংক্রান্ত একটি বিষয়ে খ্রিষ্টান পন্ডিতদের রেফারেন্স ব্যবহার করে শরীয়াহ বিরুদ্ধ আইন প্রণয়ন করা দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য ও জ্ঞানীয় সম্পদের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা। সরকারের কাছে এটা আশা করি নাই।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করে জানান, আগামী শুক্রবার দেশের সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং এই বিষয়ে শরীয়াহ ও দলের অবস্থান জানাতে আগামী বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মুফতী দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) প্রভাষক মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী, সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক (মোমেনশাহী বিভাগ) হাফেজ মাওলানা প্রভাষক মোঃ আলমগীর হোসাইন তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) হাফেজ মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক শেখ আবু তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, সদস্য (ওলামা বিভাগ) মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, সদস্য (সমাজকল্যাণ বিভাগ) আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ) আতিকুর রহমান মুজাহিদ, সদস্য মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, সদস্য (প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ) কে এম শরীয়তুল্লাহ, সদস্য (অডিট বিভাগ) অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খাঁন।

বার্তা প্রেরক
কে এম শরীয়াতুল্লাহ
প্রধান সমন্বয়ক, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

শরীয়াহ-র নির্দেশনা অমান্য করার ফলে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করা যাবে না -মাওলানা গাজী আতাউর ...
07/09/2026

শরীয়াহ-র নির্দেশনা অমান্য করার ফলে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করা যাবে না -মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান গতকাল সংসদে পাশ হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২ এর সংশোধনকল্পে আনীত “সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন-২০২৬” এর সমালোচনা করে বলেন, এই আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ শিরোনামে আইনমন্ত্রীর দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিভিন্ন পদ্ধতির পাশাপাশি আরেকটি পদ্ধতি যোগ করতে এই আইন করা হয়েছে। প্রথমতঃ এখানে পরিস্কার করে বলে রাখা দরকার যে, সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি ইসলামী শরীয়াহতে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এখানে নতুন করে কোন পদ্ধতি সংযোজন করার দরকার নাই, সুযোগও নাই। দ্বিতীয়তঃ এই আইনের কারণ ব্যাখ্যায় মন্ত্রীদের বক্তব্যে যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে তাহলো, শরীয়াহ নির্দেশিত উত্তরাধিকার আইনকে এড়িয়ে সন্তানদের জন্য সম্পত্তি এককভাবে নির্দিষ্ট করা নিমিত্তে “হেবা”র অপব্যবহারে সৃষ্ট একটি সমস্যার সমাধান সরকার করতে চাইছে। ইসলামের উত্তরাধিকার আইনে কোন কোন পরিস্থিতিতে সম্পত্তি সন্তানদের বাইরেও ভাই, চাচা,দাদা ও অন্যান্যদের অধিকারে পরিনত হয়। তেমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের বাইরের অন্যদের বঞ্চিত করতে সন্তানদের নামে সম্পত্তি “হেবা” করার একটি প্রবনতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান। শরীয়াহর উত্তরাধিকার আইনকে বাইপাস করার এই প্রবনতার একটি গ্রাহ্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হলো, যেই সন্তানের জন্য শরীয়াহকে বাইপাস করা হচ্ছে সেই সন্তানই “হেবা”সূত্রে সম্পদের মালিক হয়ে বাবা-মাকে সম্পদের ভোগ থেকে উচ্ছেদ করছে। এই উচ্ছেদ করা অনেক ক্ষেত্রেই মানবিক প্রশ্ন তৈরি করে। সেই মানবিক প্রশ্ন সমাধান করা জরুরী কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা শরীয়াহকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট। তাই এই সমস্যা সমাধান করার জন্য আবারো শরীয়াহকে অমান্য করে “হেবা”র বিধানে পরিবর্তন করা যাবে না। বরং সর্বত্র শরীয়াহ মান্য করার মানসিকতা রাখতে হবে।

আজ ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, হেবার পরে সম্পত্তি থেকে বাবা-মাকে উচ্ছেদের ঘটনা রোধ করতে আমাদের সমাজে, সংস্কৃতিতে ও শিক্ষায় বাবা-মায়ের প্রতি সন্মানের ধারণাকে গ্রোথিত করতে হবে। একই সাথে বাবা-মায়ের প্রতি কর্তব্য অবহেলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনা করে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে শরীয়াহকে আরেকবার অমান্য করা যায় না।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, আইনটি বাস্তবায়নযোগ্য না। কারণ হেবাকৃত সম্পত্তির ওপরে হেবাপ্রাপ্ত ব্যক্তির পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা না হলে হেবা সম্পন্ন হবে না। আর হেবা সম্পন্ন না হলে হেবাকারী ব্যক্তির মৃত্যুর পরে সেই সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য হবে। এতোসব জটিলতা নিয়ে কোন আইন হতে পারে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, আমরা সরকারের সদিচ্ছার প্রতি সুধারণা রাখছি। তবে সম্ভবত গভীরভাবে না ভেবেই আইনটি আনা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে বলবো, আইনটি নিয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করুন। উলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সাথে পরামর্শ করুন। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনুন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের নামে কোন অবস্থাতেই শরীয়াহ অমান্য করা যাবে না।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
সহকারী মহাসচিব ও বিভাগীয় প্রধান
কেন্দ্রীয় প্রচাররও মিডিয়া বিভাগ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
Islami Andolan Bangladesh

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর একমাত্র এমপি মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবকে সরাসরি বলেন- ...
07/09/2026

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর একমাত্র এমপি মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবকে সরাসরি বলেন- মাননীয়! এটা শরীয়া বিরোধী আইন। আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলমান আন্দোলনে নামবে। কোনোভাবেই এ আইন বাস্তবায়ন করা যাবে না।
আইনমন্ত্রী এসব বুঝেও পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাচ্ছে। আমি আমার দলের বার্তা সরাসরি আপনাকে পৌঁছালাম। দেশের সকল ইসলামি দল এ আইনের বিরোধী। রাজপথে নামবে।

05/09/2026

শপথ গ্রহণ
উপজেলা আমেলা, ২০২৭-২৮ সেশন
০৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ২০২৬ ইং

Address

Sonagazi
3930

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী:

Shortcuts

Share