Sirajganj District - BNP

Sirajganj District - BNP যেকোনো তথ্য পাঠাতে আমাদের মেইল করুন

[email protected]

বেগম খালেদা জিয়া যখন গ্রেপ্তার হলেন, তখন একটানা ২ বছর ১ মাস পার্টি অফিসেই দিন-রাত কাটিয়েছিলেন রুহুল কবির রিজভী। ২৫শে মার...
16/08/2026

বেগম খালেদা জিয়া যখন গ্রেপ্তার হলেন, তখন একটানা ২ বছর ১ মাস পার্টি অফিসেই দিন-রাত কাটিয়েছিলেন রুহুল কবির রিজভী। ২৫শে মার্চ বেগম জিয়া মুক্তি পাওয়ার পরে ২৬ মার্চ বাসায় গেলেন অফিস ছেড়ে। ইনক্রিয়েডেবল!

শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনামলে এমন সময়ও গেছে যখন বিএনপির পক্ষে জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছানোর জন্য কেউ ছিল না, তখন রুহুল কবির রিজভীই ছিলেন একমাত্র মাধ্যম।

মাসের পর মাস, এমনকি বছর, পার্টি অফিসের মধ্যেই রাত কাটিয়েছেন। এক মাস, দু’মাস করে এভাবে বহুবারই পার্টি অফিসে থেকে দলীয় স্টেটমেন্ট মানুষের কাছে পৌঁছাতেন।

সংবাদ সম্মেলন করতেন, মিডিয়ায় প্রেস রিলিজ পাঠাতেন, নেতাদের সাথে যোগাযোগ মেইনটেইন ও সমন্বয় করে নানা আন্দোলনের ঘোষণা করতেন পার্টি অফিসে ভেতরে থেকে।

পরিবার-পরিজন রেখে পার্টি অফিসকে ঘর বানিয়ে ফেলা, রাজনীতিতে এই ধরনের স্যাক্রিফাইস রেয়ার। নয়াপল্টনে দলীয় পার্টি অফিসে কত-শত স্মৃতি ও বেদনার গল্প জড়িয়ে আছে রুহুল কবির রিজভীর জীবনে, সেসব গল্প হয়তো-বা অনেকের অজানাই থাকবে।

মাস দুয়েক আগে উনাকে নিয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম পেইজে, তখন ফিডব্যাক জানিয়েছিলেন। ওইদিন জানতে পারি বাঁ পাশে লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটবার কারণ।

আশির দশকের মাঝামাঝিতে এক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মিছিলে থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি উনার পেটের বাঁ পাশে ঢুকে পিঠ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে ফিরলেও পেটের কিছু নাড়ি ও লিগামেন্ট ছিড়ে যায়, সেই সময় থেকে বাঁ পাশে ভর দিয়ে চলতে পারেন না। সেই ক্ষত আজীবন বয়ে বেড়াচ্ছেন। এখনো লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয় উনাকে। বয়স সেই অর্থে খুব বেশি নয়।

রাজনীতিতে একটা বাক্যের প্রচলন আছে, রাজনীতিবিদরা সংকটকালে হাল ধরেন মূলত সুসময়ে সুবিধাভোগের জন্য। কিন্তু কথাটি সম্ভবত বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

সংকটকালীন মুহুর্তে উনি যেভাবে লড়াই করে গেছেন দল টিকিয়ে রাখতে, যতটা স্যাক্রিফাইস করেছেন, এ সুসময়ে এসে নির্লোভ থাকাটা আসলে রাজনীতিতে বিরল কেইস।

বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনে দাঁড়ালেন না। পুরো সময়য়ে নির্বাচন পরিচালনায় মূখ্য দায়িত্ব পালন করে গেছেন সমন্বয় করার মাধ্যমে।

দলীয় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে উনার জায়গা পাওয়া প্রায় সকলের প্রত্যাশিত। তারেক রহমান ফাইনেস্ট ডিসিশন নিলেন রুহুল কবির রিজভীকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

জেলা বিএনপির আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাকে দেখতে চান?১. সাইদুর রহমান বাচ্চুবর্তমান সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএ...
12/08/2026

জেলা বিএনপির আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাকে দেখতে চান?

১. সাইদুর রহমান বাচ্চু
বর্তমান সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি
সাবেক ছাত্রনেতা

২. রাশেদুল হাসান রঞ্জন
বর্তমান ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি
সাবেক জিএস, এজিএস ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক

৩. আবু সাইদ সুইট
বর্তমান ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপি
সাবেক জেলা যুবদলের সভাপতি

৪. মির্জা মোস্তফা জামান
বর্তমান ২নং সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপি
সাবেক জেলা ছাত্রদলের সভাপতি

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাকে দেখতে চান?সাইদুর রহমান বাচ্চুবর্তমান সাধারণ সম্পাদক, জ...
12/08/2026

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাকে দেখতে চান?

সাইদুর রহমান বাচ্চু
বর্তমান সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি; সাবেক ছাত্রনেতা।

রাশেদুল হাসান রঞ্জন
বর্তমান ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি; সাবেক জিএস, এজিএস ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

আবু সাঈদ সুইট
বর্তমান ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপি; সাবেক জেলা যুবদলের সভাপতি।

মির্জা মোস্তফা জামান
বর্তমান ২নং সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপি; সাবেক জেলা ছাত্রদলের সভাপতি।

08/06/2026

আওয়ামী লীগের টপ টু বটম নেতাকর্মীদের কেউ ভালো ছিলো না। ভালো আওয়ামী লীগ আর খারাপ আওয়ামী লীগ প্রার্থক্য করে তাদেরকে যে কোন ফর্মুলায় বৈধতা যারা দিবে তারা নিজের পায়ে কুড়াল মারছে। খাল কেটে কুমির আনলে সেই কুমির যেমন আশ্রয় দাতাকে সবার আগে কামড়াতে চায় সে রকম পরিস্থিতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। ১৭ বছর আমাদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে মামলা হামলা হয়েছে গুম খুন ক্রসফায়ার হয়েছে বাবা-মাকে কে সন্তান হারা স্ত্রীকে স্বামী হারা করেছে সন্তানকে করেছে এতিম। সেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী পুলিশ প্রশাসন সিভিল প্রশাসন বিচারক উকিল ডাক্তার শিক্ষক পেশাজীবি বুদ্ধিজীবি সাংবাদিক ব্যাবসায়ী টোকাই এমনি ঘরের লোক পর্যন্ত নির্মমতা দেখিয়েছে।কেউ ভালো ছিলো না। কোন ভদ্রলোক ভদ্রমহিলা ছিলো না। তারা ছিল হিংস্র অসভ্য বর্বর। তাদের যে কোন অজুহাতে পূনর্বাসন কাল হয় দাড়াতে সময় লাগবে না।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া থেকে তৃণমূল কর্মী পর্যন্ত আমাদের কারো কিন্তু নূন্যতম মানবাধিকার ছিলো না।

07/06/2026

জেলা পরিষদ প্রশাসক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম শাহিন

সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে আবারও কমিটি প্রকাশ এটি শুধু রাজনৈতিক ধৃষ্টতাই নয়, শহীদদের রক্তের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘা...
17/05/2026

সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে আবারও কমিটি প্রকাশ এটি শুধু রাজনৈতিক ধৃষ্টতাই নয়, শহীদদের রক্তের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

যে সংগঠনের বিরুদ্ধে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা হত্যা, ১৭ বছর গুম, দমন-পীড়ন ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ রয়েছে, সেই অপশক্তিকে পুনর্বাসনের কোনো অপচেষ্টা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।

জনগণের ঘৃণা ও প্রতিরোধের মুখে এদের সব ষড়যন্ত্র ভেঙে পড়বে ইনশাআল্লাহ। গুম, খুন ও দমন-পীড়নের অভিযোগে অভিযুক্তদের প্রতি কোনো ধরনের দায়মুক্তি বা ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। যারা মানুষের অধিকার হরণ করেছে এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, তাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ও আইনি লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।

রাজপথে, ক্যাম্পাসে এবং প্রতিটি এলাকায় গণবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে হবে। যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, জনগণের অধিকার হরণ করে এবং বিদেশি প্রভুদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় তাদের রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

বাংলার মাটিতে সন্ত্রাস, দমন-পীড়ন ও ফ্যাসিবাদের রাজনীতি আর চলবে না।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন খাঁন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় সংগঠক।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

27/01/2026

ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুর যাওয়ার পথে বাস থামিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর সাথে দেখা করেছেন তারেক রহমান। মেয়েটার সাথে থাকা বেগম জিয়ার ছবিটাও উপহার হিসেবে নিয়েছেন।

এই তরুণ প্রজন্মই আগামীর বাংলাদেশ।

উল্লাপাড়ার রাজনীতিতে দুই দলের দুই নেতা—একজন কাজ দিয়ে প্রমাণিত, আরেকজন শুধু নির্বাচন দিয়ে পরিচিত⭐উল্লাপাড়ার সচেতন মানুষ আ...
11/12/2025

উল্লাপাড়ার রাজনীতিতে দুই দলের দুই নেতা—একজন কাজ দিয়ে প্রমাণিত, আরেকজন শুধু নির্বাচন দিয়ে পরিচিত⭐

উল্লাপাড়ার সচেতন মানুষ আজ খুব ভালো করেই জানে— একজন নেতা আছেন, যিনি এমপি হওয়ার আগেই এলাকাকে কিছু দেওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।
৩১ বছর বয়সে কলেজ প্রতিষ্ঠা?
হ্যাঁ এটাই তিনি করেছেন—তখন তিনি এমপি হওয়ার কল্পনাও করেননি, তবুও উল্লাপাড়ার সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য একটি পুরো কলেজ দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। যেই কলেজ উল্লাপাড়াকে তৈরি করেছে শিক্ষা নগরী। সমাজ বদলে দিয়েছে,প্রতিটি পরিবার বদলে দিয়েছে। আমার শ্রদ্ধেয় পিতা এই কলেজ থেকে এইচএসসি, বিএ ডিগ্রি করেছেন, যেটি
আমার একাডেমিক ক্যারিয়ারে অনেক ভূমিকা রেখেছে।আমার বাবাই ছিলেন আমার ইংরেজি শিক্ষক।

দেখুন পরে তার সামাজিক কাজ, সততা ও জনপ্রিয়তা দেখে বেগম খালেদা জিয়া তাকে ডেকে নিয়ে নিজ হাতেই নমিনেশন দেন। উল্লেখ্য জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া সবসময় এই ধরনের ভিশনারি মানুষ কে বিএনপি তে রিক্রুট করতেন। এটাই প্রমাণ—নেতৃত্ব চাইলে হয় না, যোগ্যতা থাকলে নেতৃত্ব নিজে এসে খুঁজে নেয়।

✔️ তারপর তিনি দুইবার এমপি হয়েছেন।
✔️ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়—বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, FBCCI—সহ দেশের ইকোনমিক্স উন্নয়নে দায়িত্ব পালন করেছেন।
✔️ ব্যবসায়িক সুনাম, সততা—এমন পর্যায় যে হাসিনা সরকারও এক টাকার দুর্নীতির মামলা করতে পারে নাই।
✔️ পাশাপাশি আরও বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা, ব্রিজ, ইনফ্রাস্ট্রাকচার—প্রমাণ হিসেবে চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

এত কিছু করেও মানুষকে কখনো “আমি করেছি” বলে চাপিয়ে দেননি। কাজ তাকে চিনিয়েছে উল্লাপাড়ায়,সারা দেশে—প্রচার নয়।

এখন প্রশ্ন হলো—উল্লাপাড়ার অন্য রাজনৈতিক চরিত্রটি কি করেছেন?

উনি এখন পর্যন্ত পাঁচবার নির্বাচন করলেন।(আমি যদি ভুল না করি)
এই পাঁচবারে উল্লাপাড়ায় তার চোখে পড়ার মতো—
📍 একটা স্কুল তৈরি?
📍 একটা কলেজ?
📍 কোনো ব্রিজ?
📍 কোনো রাস্তা?
📍 কোনো স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার?
📍 তরুণদের জন্য চাকরি বা উদ্যোগ?

কি?
কোথায়?

🟥 উনি শুধু ইলেকশন আসলে প্রার্থী হতেই জানেন—কিছু তৈরি করতে জানেন না।
🟥 নির্বাচন এলেই পোস্টার, লোক দেখানো হাসি, প্রতিশ্রুতি—এই পর্যন্ত।
🟥 নির্বাচনের বাইরে ভোটাররা কি কখনো তাকে পাশে দেখেছে?

উল্লাপাড়া এখন প্রশ্ন করছে—
“তুমি বারবার ভোট চাইতে পারো, কিন্তু উল্লাপাড়ার জন্য তুমি করেছটা কি?”

রাজনীতি শুধু বারবার দাঁড়ানোর নাম নয়—
রাজনীতি হল বারবার মানুষের জীবন বদলানোর নাম।
এবং এই জায়গায় একজন নেতা প্রমাণ দিয়ে দিয়েছেন— তিনি এম আকবর আলী।

📌 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
📌 রাস্তা-ঘাট
📌 ব্রিজ
📌 উন্নয়ন
📌 সততা
📌 জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদা

আর অন্যজন প্রমাণ করেছেন—
📌 পাঁচবারের প্রার্থী হওয়া যায়…
📌 কিন্তু পাঁচবারেও মানুষকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া যায়নি।

🔥 উল্লাপাড়া এখন কাজের রাজনীতি চায়—ফাঁকা প্রচারের নয়।

🖌️ধানের শীষে কেন ভোট দিবেন পর্ব ১
📝প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন খাঁন

আইভি লিগ অ্যালামনাই মূলত বিশ্বের নামকরা আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( হার্ভার্ড, ব্রাউন, কলাম্বিয়া, কর্নেল, ডার্টমাউথ, প্রিন্সট...
17/11/2025

আইভি লিগ অ্যালামনাই মূলত বিশ্বের নামকরা আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( হার্ভার্ড, ব্রাউন, কলাম্বিয়া, কর্নেল, ডার্টমাউথ, প্রিন্সটন, ইয়েল ও পেনসিলভানিয়া) সাবেক শিক্ষার্থীদের বোঝায়।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করা অর্থনীতিবিদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক কৃষি অর্থনীতির উপর পিএইচডি করেছেন আইভি লিগের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

আর অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট ব্যারিস্টার নওশাদ জমির এল এল এম করেছেন আইভি লিগের হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি এবং বারাক ওবামাও আইভি লিগ অ্যালামনাই।

কম হলেও ২০ জন আইভি লিগ আলামনাই আছে যারা বিএনপির পলিসি মেইকিং সহ বিভিন্নভাবে বিএনপির হয়ে কাজ করছে। যারা হয়তো নির্বাচন করছেন না বা করবেন না সামনে। কিন্তু বিএনপির পলিসিতে তাদের অবদান সবথেকে বেশি।

🔥 স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের সিরাজগঞ্জ অগ্রসৈনিক পরিচিতি 🔥পর্বঃ ২📍 নাম: মোঃ আবির হাসান (Hin Abir)📍 উপজেলা:...
04/11/2025

🔥 স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের সিরাজগঞ্জ অগ্রসৈনিক পরিচিতি 🔥
পর্বঃ ২

📍 নাম: মোঃ আবির হাসান (Hin Abir)
📍 উপজেলা: উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ
📍 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সরকারি তিতুমীর কলেজ

🎖️ পদবী:
১. যুগ্ম আহ্বায়ক — তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল।
২. যুগ্ম আহ্বায়ক — উল্লাপাড়া পৌর ছাত্রদল।
৩. সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক — জিয়া সাইবার ফোর্স, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।

---
✊ জুলাই আন্দোলনে আবিরের অবদান ও নেতৃত্ব

১️⃣ উল্লাপাড়ায় প্রথম মিছিলের নেতৃত্ব:
আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে উন্মুক্ত মঞ্চ হয়ে আবু তাহের ছাত্রাবাস পর্যন্ত সফল সমাপ্তি ঘটান। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে আন্দোলনের স্থান, স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রস্তুত করেন নিজ হাতে। আবির এই যুদ্ধে সহযোদ্ধা হিসেবে কাছে পেয়েছিলেন সামিউল সামি আব্দুল্লাহ জাকারিয়াদের মত অভিজ্ঞ অগ্রজদের।

২️⃣ সমন্বয়কের তালিকা গঠনে মূল ভূমিকা:
রেফারেন্স হিসেবে আবিরের নাম গ্রহণ করা হয়; রাকিব হোসেন খাঁন, কাউসার আহমেদ রনি, সাকিব সরকার মাসুম, আব্দুল্লাহ জাকারিয়া ও সবুজ ইসলামের সহায়তায় প্রথম ১০ জন সমন্বয়কের তালিকা করেন আবির, এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে রাকিব হোসেন খাঁনের মাধ্যমে অনুমোদন করেন। (গোপনীয়তার জন্য নিজেকে তালিকাভুক্ত করেননি আবির।)

৩️⃣ তথ্য ও প্রচার সামগ্রী প্রকাশনায় নেতৃত্ব:
আন্দোলন বেগবান করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন খাঁন ফেসবুক গ্রুপ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং মেসেঞ্জার গ্রুপ ক্রিয়েট করেন সেখানে আবির অন্যতম এডমিনের ভূমিকা পালন করেন। কেন্দ্র ঘোষিত আন্দোলনের তথ্য রাকিব হোসেন খাঁন পাঠাতেন; আবিরের নেতৃত্বে তা এলাকায় প্রচার ও অর্গানাইজ করা হতো।আবিরকে বলা হয় উল্লাপাড়ার আন্দোলনের অন্যতম অর্গানাইজার, অনলাইন অরগানাইজার ও সম্মুখ সারির যোদ্ধা।

৪️⃣ ২ আগস্ট — পুলিশি হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ় অবস্থান:
জুমার নামাজ শেষে পুলিশের তাৎক্ষণিক হুমকি উপেক্ষা করে সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আন্দোলন সংগঠিত করেন।

৫️⃣ ৩ আগস্ট — পাবনা–সিরাজগঞ্জ রোড ব্লকেট:
সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও পুশ করে সফলভাবে রোড ব্লক কর্মসূচি সম্পন্ন করেন।

৬️⃣ ৪ আগস্ট — সংঘর্ষ ও গণজমায়েতের নেতৃত্ব:
পুরাতন বাস টার্মিনালে দুই হাজারেরও বেশি সাধারণ শিক্ষার্থী ও সহযোদ্ধাদের নিয়ে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দেন এবং আওয়ামী লীগ অফিস ঘিরে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনাস্থল থেকে লাইভে বক্তব্য প্রদান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় আসেন। আহত সহযোদ্ধাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে তাদের ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি ও ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

৭️⃣ ৫ আগস্ট — তেতুলতলা সিএনজি স্ট্যান্ডে সংঘর্ষ:
থমথমে পরিস্থিতিতেও সহযোদ্ধাদের নিয়ে আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত করে রাস্তায় অবস্থান সুনিশ্চিত করেন।

৮️⃣ কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিটি আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা:
কখনো সামনে, কখনো আড়ালে থেকে — প্রতিটি কর্মসূচিতে নেতৃত্ব, সমন্বয় ও তথ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

৯️⃣ সংগঠন ও যোগাযোগ দক্ষতা:
সাধারণ শিক্ষার্থী, ছাত্র অধিকার পরিষদ, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রেখে আন্দোলনের শক্তি বৃদ্ধি করেন।

---

❤️ মানবিক সত্তা ও স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা

আবির শুধু রাজপথের অগ্রসৈনিকই নন — তিনি একজন রক্তযোদ্ধা।
যখনই কারও রক্তের প্রয়োজন হয়, আবির নিজেই রক্ত দান করেন অথবা অন্য দাতাদের সংগঠিত করে রক্তের ব্যবস্থা করেন।

তিনি অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে মানবিক কাজেও যুক্ত আছেন, যেখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অসহায় রোগীদের রক্ত, চিকিৎসা ও সহায়তা পৌঁছে দেন।

---

🎯 আদর্শ ও অনুসরণ

আবির তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল এর যুগ্ম আহ্বায়ক, রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমেদ রনি এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এর অনুসারী।

---

🌿 আমরা আবিরদের নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখি।
আবিররাই আগামীর উল্লাপাড়া। 🌿

Address

Sirajganj

Telephone

+8801709623547

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sirajganj District - BNP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share