বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ(সংক্ষেপে ছাত্র অধিকার পরিষদ) বাংলাদেশের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণ, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ও অন্যান্য বৈষম্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন।
2018 সালের 17 ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 2018 সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য সংগঠনটি অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়।
9 এপ্রিল 20
18 সালে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সাথে কোটা সংস্কার বিষয়ক বৈঠকে বসেছিল সংগঠনটি।
সংগঠনটির আন্দোলন চাপে বাংলাদেশ সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকরিতে কোটা প্রথা বিলুপ্ত দেয় যদিও আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল কোটা সংস্কার ,বিলুপ্ত নয়।
2018 সালের বেশ কয়েকবার সংগঠনের কর্মীরা নানা আক্রমণের শিকার হয়।।
ফলশ্রুতিতে ঢাকায় অবস্থিত জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং আরো কয়েকটি দেশের দূতাবাস বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এর উপর নিষ্ঠুর হামলার উদ্বেগ প্রকাশ করে।
হল সংসদ ও ডাকসু নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের হলের বাইরে একাডেমিক ভবনের স্থাপনের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিতে গিয়ে 14 ই ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগের মারধরের শিকার হন ,কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।
২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ নামকে সংক্ষেপে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ হিসেবে সম্বোধন করার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে যাত্রা শুরু করা সংগঠন আস্তে আস্তে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলস্রুতিতে শেরপুর জেলাতেও ছাত্র অধিকার পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়।
মূলনীতিঃ শিক্ষা, অধিকার, প্রগতি
উদ্দেশ্যঃ এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাম্য, মানবতা, ন্যায় বিচার, সুশাসন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এদেশের সাধারণ মানুষ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার সংরক্ষণ করা ও অন্যান্য যাবতীয় বৈষম্য দূরীকরণ করে তারুণ্য নির্ভর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মান করা।
শেরপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক মাহবুবুল হাসান রংগন।