এসো আল্লাহ ও রাসূল এর পথে

এসো আল্লাহ ও রাসূল এর পথে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এসো আল্লাহ ও রাসূল এর পথে, Satkhira.

28/03/2016

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর অমূল্য
বাণী:-
চার বস্তু শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি
করে।
১. গোশত খাওয়া।
২.সুগন্ধির ঘ্রাণ নেওয়া।
৩. অধিক গোসল।
৪. সুতার কাপড় পরিধান করা।
চার বস্তু দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে
১. খানায়ে কা'বার সামনে বসা।
২. ঘুমানোর পূর্বে সুরমা ব্যবহার
করা।
৩. সবুজ প্রকৃতি দেখা।
৪. পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায়
বসা।
চার বস্তু বিবেক বৃদ্ধি করে
১. অনর্থক কথা-বার্তা ত্যাগ করা।
২. দাত পরিস্কার রাখা।
৩. নেককারদের মজলিশে বসা।
৪. উলামাদের শংস্পর্শ অবলম্ভন
করা।
চার বস্তু রিযিক বৃদ্ধি করে
১. নিয়মিত তাহাজ্জুদ।
২. অধিক পরিমাণ এস্তেগফার।
৩. অধিক পরিমাণ সদকা।
৪. অধিক পরিমাণ যিকির।

13/03/2016

***নবীজীর উত্তম আচরনের নিদর্শন***
আবু হুরায়রা (রা:) হ’তে বর্ণিত তিনি
বলেন, একবার রাসূল (সাঃ) নাজদের
দিকে কিছু অশ্বারোহী (সৈন্য)
পাঠালেন। তারা বনী হানীফা
গোত্রের জনৈক ব্যক্তিকে ধরে আনল।
তার নাম ছুমামাহ বিন উছাল।সে
ইয়ামামাবাসীদের সরদার। তারা
তাকে মসজিদে নববীর একটি খুঁটির
সাথে বেঁধে রাখল।
রাসূল (সাঃ) তার কাছে আসলেন
এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওহে
ছুমামাহ! তুমি কি মনে করছ’? সে বলল,
‘হে মুহাম্মাদ! আমার ধারণা ভালই।
যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন,
তাহ’লে অবশ্যই আপনি একজন খুনীকে
হত্যা করবেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ
করেন, তাহ’লে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির
উপরই অনুগ্রহ করবেন। আর যদি আপনি মাল
চান, তাহ’লে যা ইচ্ছা চাইতে
পারেন, তা আদায় করা হবে’। তার
কথা শুনে রাসূল (সাঃ) তাকে
(সেদিনের মত তার নিজের অবস্থার
উপর) ছেড়ে দিলেন।
অতঃপর পরের দিন নবী করীম (সাঃ)
তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওহে
ছুমামাহ! তোমার কি মনে হচ্ছে’? সে
জবাবে বলল, ‘তাই মনে হচ্ছে, যা আমি
আপনাকে পূর্বেই বলেছি। যদি আপনি
আমার প্রতি মেহেরবানী করেন,
তাহ’লে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর
মেহেরবানী করবেন। আর যদি আপনি
হত্যা করেন, তাহ’লে একজন খুনী
লোককে হত্যা করবেন। আর যদি মাল-
সম্পদ চান, তাহ’লে যা ইচ্ছা চাইতে
পারেন, তা দেয়া হবে’।
রাসূল (সাঃ) আজও তাকে (নিজের
অবস্থার উপর) ছেড়ে দিলেন। এভাবে
রাসূল (সাঃ) তৃতীয় দিনে তাকে
জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওহে ছুমামাহ!
তোমার কি মনে হচ্ছে’? জওয়াবে সে
বলল, ‘আমার তাই মনে হচ্ছে, যা আমি
পূর্বেই আপনাকে বলেছি।যদি আপনি
আমার প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন করেন,
তাহ’লে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপরই
অনুকম্পা করবেন। আর যদি আপনি
আমাকে হত্যা করেন, তাহ’লে একজন
খুনীকে হত্যা করবেন। আর যদি আপনি
মাল-সম্পদ চান, তাহ’লে যতটা ইচ্ছা
চাইতে পারেন, তা দেয়া হবে’।
অতঃপর রাসূল (সাঃ) বললেন,
‘তোমরা ছুমামাহকে ছেড়ে দাও’!
(তাকে ছেড়ে দেওয়া হ’ল)।
অতঃপর সে মসজিদের নিকটবর্তী
একটি খেজুর বাগানে গিয়ে গোসল
করল। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করে
বলে উঠল:
‘আশহাদু আললা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু
ওয়া আশহাদু আনণা মুহাম্মাদান আবদুহু
ওয়া রাসূলুহু’।
‘হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্ কসম! পৃথিবীর
বুকে আপনার চেহারা অপেক্ষা আর
কারও চেহারা আমার নিকট অধিক ঘৃণ্য
ছিল না। কিন্তু এখন আপনার চেহারা
আমার কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয়
হয়ে গেছে।আল্লাহ্ কসম! (ইতিপূর্বে)
আপনার দ্বীন অপেক্ষা অধিক অপ্রিয়
দ্বীন আমার কাছে আর কোনটিই ছিল
না। কিন্তু এখন আপনার দ্বীনই আমার
কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয় হয়ে
গেছে। আল্লাহ্ কসম! (এর আগে) আপনার
শহরের চেয়ে অধিক ঘৃণ্য শহর আর
কোনটিই আমার কাছে ছিল না।কিন্তু
এখন আপনার শহরটিই আমার কাছে
সবচেয়ে প্রিয় হয়ে গেছে।আপনার
অশ্বারোহীরা আমাকে এমন অবস্থায়
ধরে এনেছে, যখন আমি ওমরাহ করার
উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলাম। এখন
আপনি আমাকে কি করতে হুকুম
দিচ্ছেন?
রাসূল (সাঃ) তাকে সুসংবাদ
শুনালেন এবং ওমরাহ পালনের আদেশ
করলেন।এরপর যখন তিনি মক্কায়
পৌছলেন, তখন জনৈক ব্যক্তি তাকে
বলল, তুমি না কি বেদ্বীন হয়ে গেছ?
তিনি জওয়াবে বললেন, ‘তা হবে
কেন; বরং আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর
হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছি।আর আল্লাহ্
কসম! রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুমতি
ছাড়া তোমাদের কাছে ইয়ামামা
হ’তে আর একটি গমের দানাও আসবে
না’
(বুখারী হা/৪৬২, মুসলিম হা/১৭৬৪,
আলবানী, মিশকাত হা/৩৯৬৪,
‘জিহাদ’অধ্যায়, ‘যুদ্ধবন্দীদের
বিধান’অনুচেছদ) ।
শিক্ষা:
উত্তম আচরণ ও ক্ষমার মাধ্যমে মানুষের
হৃদয় জয় করা যায়। এজন্যই বলা হয়, ক্ষমাই
উত্তম প্রতিশোধ। মহান আল্লাহ্ বলেন,
‘মন্দকে ভাল দ্বারা মোকাবেলা কর,
ফলে তোমার সাথে যার শত্রুতা
আছে, সে অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত
হবে’ (হা-মীম সাজদাহ ৩৪) ।

04/02/2016

মাটি তোর ভিতর আমায়
একটু জায়গা দিস,
আসবো আমি লাশ হয়ে
আপন করে নিস।
নিষ্ঠুর এই পৃথীবিতে
আমি হলাম একা,
তোর কাছে এসে হয়তো
পাব সুখের দেখা।
তাইতো পড়ছি নামাজ আমি
করছি দোয়া হায়,
তারা তারি যেন আমার
প্রানটা চলে যায়।
আপন আপন ভাবি যারে
সে তো আপন নয়,
মিথ্যে এই দুনিয়াতে
সবই অভিনয়।
পর পারের ডাক পরিলে
থাকবে না কেউ ঘড়ে,
বড়ই পাতা দিবে তখন
হাড়ির গরম জলে।
মৃত দেহ তুলে দিবে
ছোট্ট কোন খাটে,
চার জনেরি কাঁধে চরে
একলা যেতে হবে।
সাদা কোন কাপড় পরে
সঁাজবো যখন বর,
মা-বাবা আর ভাই-বোনেরা
সবাই হবে পর।
আতর গোলাপ দিবে তখন
করবে কোরআন পাঠ,
বহু লোকের আগমনে
ভরবে খোলা মাঠ।
পড়বে নামাজ করবে দোয়া
রাখবে মাটির ঘরে,
ঐ ঘরেতে থাকতে হবে
অনন্তকাল ধরে।
করছি তবে কিসের বড়াই
মিথ্যা পৃথীবিতে,
যেতে হবে একদিন তোমায়
সবার মায়া ছেরে।
আপন হবে মাটি তখন
কবর হবে ঘর,
কোথায় আছো কেমন আছো
জানবে না খবর।
টাকা-পয়সা সোনা-দানা
থাকবে ঘরে পরে,
হবে না কেউ সঙ্গের সাথী
এই না বাসর ঘরে।

23/10/2014

Iআল্লাহ তালার ৯৯টি নাম।
১। আল্লাহ্,
২। আর রহিম - পরম দয়ালু,
৩। আর রহমান - পরম দয়াময়,
৪। আল জাব্বার - পরাক্রম শালী,
৫। আল আজিজ - প্রবল,
৬।আল মুহায়মিন - রক্ষণ
ব্যবস্থাকারী,
৭। আল মুমিন - নিরাপত্তা বিধায়ক,
৮। আস সালাম - শান্তি বিধায়ক,
৯। আল কুদ্দুস - নিষ্কলুষ,
১০। আল মালিক - সর্বাধিকারী,
১১। আল ওয়াহহাব - মহা বদান্য,
১২। আল-কাহার- মহাপরাক্রান্ত,
১৩। আল-গাফফার - মহাক্ ষমাশীল,
১৪। আল মুসাওবির - রুপদানকারী,
১৫। আল-বারী - উন্মেষকারী,
১৬। আল খালিক - সৃষ্টিকারী,
১৭। আল মুতাকাব্বির - অহংকারের
ন্যায্য অধিকারী,
১৮। আল রাফি- উন্নয়নকারী,
১৯। আল খাফিদ- অবনমনকারী,
২০। আল বাসিত- সম্প্রসারণকারী,
২১। আল কাবিদ- সংকোচনকারী,
২২। আল আলীম- মহাজ্ঞানী,
২৩। আল ফাত্তাহ- মহাবিজয়ী,
২৪। আর রাজ্জাক- জীবিকাদাতা,
২৫। আল লাতিফ- সুক্ষ দক্ষতাসম্পন্ন,
২৬। আল আদল- ন্যায়নিষ্ঠ,
২৭। আল হাকাম- মিমাংসাকারী,
২৮। আল বাসির- সর্বদ্রষ্টা,
২৯। আস সামী- সর্বশ্রোতা,
৩০। আল মুযিল্ল- হতমানকারী,
৩১। আল-মুইয্য- সম্মানদাতা,
৩২। আল কাবীর- বিরাট, মহৎ,
৩৩। আল আলী-অত্যুচ্চ,
৩৪।আশ শাকুর- গুণগ্রাহী,
৩৫। আল গফুর- ক্ষমাশীল,
৩৬। আল আজীম-মহিমাময়,
৩৭। আল হালীম- সহিষ্ণু,
৩৮। আল খাবীর- সর্বজ্ঞ,
৩৯। আল মুজীব- প্রার্থনা গ্রহণকারী,
৪০। আর রাকীব- নিরীক্ষণকারী,
৪১। আল কারীম-মহামান্য,
৪২। আল জালীল- প্রতাপশালী,
৪৩। আল হাসীব- মহাপরীক্ষক,
৪৪। আল মুকিত- আহার্যদাতা,
৪৫। আল হাফীজ- মহারক্ষক,
৪৬। আল হাক্ক-সত্য,
৪৭। আশ-শাহীদ-প্রত্য ক্ষকারী
৪৮। আল বাইছ-পুনরুত্থান কারী,
৪৯। আল মাজীদ- গৌরবময়,
৫০। আল ওয়াদুদ- প্রেমময়,
৫১। আল হাকীম –বিচক্ষণ,
৫২। আল ওয়াসি- সর্বব্যাপী,
৫৩। আল মুবদী- আদি স্রষ্টা,
৫৪। আল মুহসী- হিসাব গ্রহণকারী,
৫৫। আল হামিদ-প্রশংসিত,
৫৬। আল ওয়ালী- অভিভাবক,
৫৭।আল মাতীন- দৃড়তাসম্পন্ন,
৫৮।আল কাবী- শক্তিশালী,
৫৯। আল ওয়াকীল- তত্বাবধায়ক,
৬০। আল মাজিদ-মহান,
৬১। আল ওয়াজিদ-অবধারক,
৬২। আল কায়্যুম- স্বয়ং স্থিতিশীল,
৬৩। আল হায়্যু- জীবিত
৬৪। আল মুমীত- মরণদাতা,
৬৫। আল মুহয়ী- জীবনদাতা,
৬৬। আল মুঈদ- পুনঃ সৃষ্টিকারী,
৬৭। আল আওয়াল- অনাদী,
৬৮। আল মুয়াখখীর-
পশ্চাদবর্তীকারী
৬৯। আল মুকাদ্দিম- অগ্রবর্তীকারী,
৭০। আল মুকতাদীর- প্রবল,
পরাক্রম,
৭১। আল কাদীর- শক্তিশালী,
৭২। আস সামাদ- অভাবমুক্ত,
৭৩। আল ওয়াহিদ- একক,
৭৪। আত তাওয়াব- তওবা গ্রহণকারী,
৭৫। আল বার্র- ন্যায়বান,
৭৬। আল মুতাআলী- সুউচ্চ,
৭৭। আল ওয়ালী- কার্যনির্বাহক,
৭৮। আল বাতিন- গুপ্ত,
৭৯। আল জাহির- প্রকাশ্য,
৮০। আল আখির- অনন্ত,
৮১। আল মুকসিত- ন্যায়পরায়ণ,
৮২। যুল জালাল ওয়াল ইকরাম-
মহিমান্বিত ও মাহাত্ম্যপূর্ণ,
৮৩। মালিকুল মুলক-রাজ্যের মালিক,
৮৪। আর রাউফ- কোমল হৃদয়,
৮৫। আল আওউফ-ক্ষমাকারী,
৮৬। আল মুনতাকীম- প্রতিশোধ
গ্রহণকারী,
৮৭। আল হাদী- পথ প্রদর্শক,
৮৮। আন নাফী- কল্যাণকর্তা,
৮৯। আদ দারর – ( তাগুতের)
অকল্যাণকর্তা,
৯০। আল মানি- প্রতিরোধকারী,
৯১। আল মুগনী- অভাব মোচনকারী,
৯২। আল গানী- সম্পদশালী
৯৩। আল জামি- একত্রীকরণকারী,
৯৪। আস সাবুর- ধৈর্যশীল,
৯৫। আল রশীদ- সত্যদর্শী,
৯৬। আল ওয়ারিছ- উত্তরাধিকারী,
৯৭। আল বাকী- চিরস্থায়ী,
৯৮। আল বাদী- অভিনব সৃষ্টিকারী,
৯৯। আন নূর- জ্যোতি

15/10/2014

জীবনকে সুখী করতে কয়েকটি অতি মূল্যবান
কথা
● যখন আপনার রক্ত সম্পর্কীয়দের পক্ষ
থেকে আঘাত পান, এই
বলে মনকে সান্ত্বনা দেবেন, ইউসুফ
(আঃ)-এর সাথে তাঁর আপন ভাইরাও
কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন ।
● যদি আপনার মাতা-পিতা আপনার
বিরোধিতা করেন, স্মরণ করবেন
ইব্রাহীম (আঃ) -কে, যার
পিতা তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ
করেছিলেন।
● যদি এমন
একটা সমস্যাতে আটকে পড়েন
যেখানে উদ্ধার পাওয়া কঠিন,
ভুলে যাবেন না ইউনুস (আঃ) মাছের
উদরে কিভাবে আটকে ছিলেন!
● যদি আপনি রোগাক্রান্ত হয়ে কষ্টের
জ্বালায় কাঁদেন, স্মরণ করুন আয়ুউব (আঃ)
-র
রোগ- দুর্দশা কিন্তু আপনার
অপেক্ষা বহুগুণ
বেশী ছিলো ।
● যখন আপনার নামে কেউ অপবাদ ছড়ায়,
ভুলবেন না মা আয়েশা (রাঃ) -ও
কিন্তু
এমন অপবাদ থেকে রেহাই পান নি ।
● যদি আপনি একাকীত্ব অনুভব করেন,
স্মরণ
করুন আদম (আঃ)-
যাকে যাকে নিঃসঙ্গ
সৃষ্টি করা হয়েছিলো ।
● যখন কনো যুক্তি খুঁজে পাবেন না,
ভেবে দেখুন যে নূহ (আঃ) (লোকের
চোখে) কনো যুক্তি ছাড়াই কিন্তু সেই
জাহাজটি বানিয়েছিলেন ।
● যদি আপনাকে কেউ বিদ্রূপ
বা উপহাস
করে আমাদের নবী (সাঃ)-কেও কিন্তু
বহু উপহাস সহ্য করতে হয়েছে !
● আল্লাহ সুবহানআল্লাহু
তা’য়ালা তাঁর
নবী রসুলদের নানা পরীক্ষায়
ফেলেছিলেন যাতে তাঁদের উম্মাহ
এবং বংশধররা শিক্ষা গ্রহন
করে আল্লাহর হুকুমের উপর সবর
করতে শেখে ।
● আল্লাহ সুবহানআল্লাহু
তা’য়ালা যেন
আমাদের সঠিক জ্ঞান এবং বুঝার
তৌফিক দেন। আমীন ।

13/10/2014

***সবার জানা উচিৎ***
কোন নবী কোন দেশে এসেছিলেন
******************************
1.আদম (আ.) -শ্রীলঙ্কা
2.নূহ (আ.) -জর্ডান
3.শোয়াইব (আ.) -সিরিয়া
4.সালেহ (আ.) -লেবানন
5.ঈব্রাহীম (আ.) -ইরাক
6.ইসমাঈল (আ.) -সৌদি আরব
7.ইয়াকুব (আ.) -ফিলিস্তিন
8.ইয়াহ ইয়া (আ.) -ফিলিস্তিন
9.জাকারিয়া (আ.) -ফিলিস্তিন
10.ইসহাক (আ.) -ফিলিস্তিন
11.ইউসুফ (আ.) -ফিলিস্তিন
12.লুত (আ.) -জর্ডান+ইরাক
13.আইয়ুব (আ.) -জর্ডান
14.হুদ (আ.) -ইয়েমেন
15.মুহাম্মদ (সা.) -সৌদি আরব."

08/10/2014
14/09/2014

আমি মুসলিম,
ණ আমার ধর্ম
ইসলাম,
ණ আমার প্রভু
আল্লাহ,
ණ আমার রাসূল
মুহাম্মাদ (সাঃ),
ණ আমার সংবিধান
আল- কোরান,
ණ আমার জাতির
পিতা ইবরাহিম (আঃ),
ණ আমার জাতীয়
সঙ্গীত আযান,
ණ আমার
জাতিয়তা মুসলিম,
ණ আমার গন্তব্য
আখিরাত,
ණ আমার প্রভূ এক ও
অদ্বিতীয়।

Address

Satkhira

Telephone

1941247983

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো আল্লাহ ও রাসূল এর পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share