23/04/2024
এদেশে মুসলমান দুই প্রকার,
আপনি কোন প্রকারের মুসলমানের নাম বললেন-
প্রথম প্রকার মুসলমান:-যারা আল্লাহ ও রাসূলের দেখানো পথ অনুসরণ করে।
ব্যক্তিগত জীবনে, সংসার জীবনে, সমাজ ব্যবস্থা জীবনে, রাজনৈতিক জীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে,
তাদের কাজ উদ্দেশ্য দায়িত্ব মিশন ভিশন, আল্লাহর দিনকে প্রতিষ্ঠিত করো রাসূলের সুন্নতকে দিন ব্যবস্থা হিসাবে তুলে ধরা-ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ও আমি আমাদের সকলের সেই দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল।
কিন্তু আফসোস আমরা জুলুমকারীদেরকে রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি এবং অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছি।
দ্বিতীয় প্রকার মুসলমানের কথা বলতে একটু লজ্জায় লাগে:-কারণ এরা নমরুদ ফেরাউন আবু জাহেলের, তৃতীয় লিঙ্গ দ্বারা জন্মগ্রহণকৃত মুসলমান:-যারা বিসমিল্লাহ বলে কথা শুরু করে+কথা শেষ করে জামাত ইসলাম ধ্বংস করার কথা বলে-?
অথচ তাদেরকে পাবেন আপনি নামাজের জামাতের সর্বপ্রথম লাইনে-
তারা ব্যক্তিগত জীবনে অমুক দলের নেতা তুমক দলের বড় ভাই-মুদী দলের সভাপতি তমুক দলের সেক্রেটার-
তাদের সামাজিক জীবন:(১) ১৯৭১ এর চেতনা নিয়ে জীবন যাপন করা:-
(২)-দল ও দলীয় সরকারকে ক্ষমতায় রাখা, এবং তাদের লুটপাট ও নৈরাজ্যের সাহায্য করা-তার ভেতরে অন্যতম হচ্ছে অর্থ পাচার অবৈধ সম্পদ স্থাপন, দু একশো কোটি টাকা লুটের পরে ইউনিয়ন ও উপজেলা কিছু নেতাকর্মীকে দুই এক লাখ টাকা দেওয়া!
রাষ্ট্রীয় জীবন ব্যবস্থা:-এ রাষ্ট্র তাদের পৃথিবীও তাদের!আসমান তাদের! তাদের নেতা নেত্রী পৃথিবীতে এসেছিল বিধায় আজকে বাংলাদেশের মানুষ ভাত খেতে পারে, ডিজিটাল হতে পারে স্মার্ট হতে পারে, তারা জান্নাতে থাকে জনগণ তাকে জান্নাতের বাগানে, আজকে তারা রাষ্ট্রীয় চেতনা পেয়েছে তাদের কারণে হলে পেত না- (ইন্নালিল্লাহ)।
তারা (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের) শ্রেষ্ঠ তদবির আল্লাহু আকবারকে-জঙ্গিবাদ মৌলবাদের উৎস মনে করে-(নাউজুবিল্লাহ)
তারা কিন্তু খাঁটি মুসলমান-তারা মরলে দাফন কাফনও হয় জানাযাও হয়-
জানা যেগুলো পড়ায় কে বা কারা এইটা আপনার কাছে আমার প্রশ্ন রইল?
শিরিক করা শিরিকি কথা বলা তাদের কাছে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার মত!
যা বলবে তাই কবুল হবে-
এদেরকে আপনি কি বলবেন মুসলমান না মুদিরমাল-
হয়তো সেই আহাম্মক গুলো জানে না-
তারা মুসলমানদেরকে অপব্যবহার করছে- পরা শক্তিগুলো, যারা চাই বাংলাদেশ হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র হিসাবে,গড়ে তুলতে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে. হাতে হাতে ফোন তুলে দিতে.. নতুন জ্ঞান হীন আহাম্মকদের জন্য তারা ভালো একটি পন্থা অবলম্বন করেছে-দল ও দলীয় পদবী!
যা দ্বারা ইমান বিক্রি একটি মহাযজ্ঞ রাজ লীলা-চলছে বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় প্রতিটা থানায় প্রতিটা ইউনিয়নের প্রতিটা পাড়ায় প্রতিটা মহল্লায় প্রতিটা ঘরে ঘরে-একজন করে ঈমান বিক্রি করার সদস্য খুঁজে পাওয়া যাবে-
জাহান্নামের নিক্ষিপ্ত হোক সে সকল ব্যক্তি যারা আল্লাহর রাসূলের দুশমন
জাহান্নামের নিক্ষিপ্ত হোক সে সকল ব্যক্তি
রাসূলের দিনকে ধ্বংস করার পরিকল্পনাকারীরা,।
ধ্বংস হয়ে যাক তাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং রাষ্টব্যবস্থা,
যা দ্বারা তারা অসংখ্য দ্বীনি আলেমকে,
মিথ্যা নাটক সাজিয়ে জুলুম নির্যাতন করেছে করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে!
যদি তারা আল্লাহর রাসূলের দিনকে গ্রহণ করে এবং কলেমা পড়ে ফিরে যায় তাহলে তারা আমাদের ভাই!
আর যদি তারা নেতা নেত্রী দল পদবীর জন্য আল্লাহর রাসূলকে অস্বীকার করে!
রাসুলের সুন্নতকে মৌলবাদ ও ধর্মব্যবসায়ী হিসেবে আখ্যা দেয়-জঙ্গি এবং কুরুচিপূর্ণ বাক্য ব্যবহার করে।
তাদের জন্য এক আল্লাহর সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।
ইসলাম প্রচারের কাজে সাফল্যের দেখা পাবেন